ভ্রমন =উড়িষ্যার কেওনঝড়, মা তারিনী মন্দির
সেদিন হঠাৎ রাজা মানে আমার ছেলে বলল চলো ঘুরে আসবে কেওনঝর ,তারিণী মন্দির
কেওনঝড় Salandi Dam. মা তারিনী মন্দির, Gudichaghai জলপ্রপাত,
Sitabinji_Rock_Cave ও Kanjhari_Dam. Kandahar_Water_Falls.
Hadibhanga_Water_Falls. Tensa_view_point
ভীমকুন্ড ও বৈতরনী নদীর মিলন স্থান
সেদিন হঠাৎ রাজা মানে আমার ছেলে বলল চলো ঘুরে আসবে কেওনঝর ,তারিণী মন্দির
কেওনঝড় Salandi Dam. মা তারিনী মন্দির, Gudichaghai জলপ্রপাত,
Sitabinji_Rock_Cave ও Kanjhari_Dam. Kandahar_Water_Falls.
Hadibhanga_Water_Falls. Tensa_view_point
ভীমকুন্ড ও বৈতরনী নদীর মিলন স্থান
NH6 ধরে ৩৩০ কিমি পাড়ি দিয়ে
প্রথম গন্তব্যে পৌছালাম ১১টায়,
কেওনঝড় Salandi Dam.
এই Dam টি স্হানীয় ভাষায় Hadagarh Dam নামেও পরিচিত।
বর্ষার জলমগ্ন বাঁধের সুদৃশ্য দেখে রওনা দিলাম ঘাটগোস্হিত মা তারিনী মন্দির, মা এর রাতুল চরনে প্রনাম নিবেদন করে,মধ্যাহ্নভোজন সম্পন্ন করলাম।
পরবর্তীতে চললাম Gudichaghai জলপ্রপাত,
এই জলপ্রপাতের জলোচ্ছাসের গর্জন শুনে মনের মধ্যে একটি বাংলা প্রবাদ কড়া নাড়ল
"বন্যরা বনে সুন্দর,শিশুরা মাতৃক্রোড়ে"
আর জলপ্রপাতের সৌন্দর্য দেখতে হলে আপনাকে আসতেই হবে বর্ষাকালে।
পরবর্তী গন্তব্য ছিল Sitabinji_Rock_Cave ও Kanjhari_Dam.দুটি স্হানই অপরুপ সৌন্দর্যে পরিপূর্ন ও পাখির কোলাহলে মুখরিত।
পরবর্তীতে চললাম Gudichaghai জলপ্রপাত,
এই জলপ্রপাতের জলোচ্ছাসের গর্জন শুনে মনের মধ্যে একটি বাংলা প্রবাদ কড়া নাড়ল
"বন্যরা বনে সুন্দর,শিশুরা মাতৃক্রোড়ে"
আর জলপ্রপাতের সৌন্দর্য দেখতে হলে আপনাকে আসতেই হবে বর্ষাকালে।
পরবর্তী গন্তব্য ছিল Sitabinji_Rock_Cave ও Kanjhari_Dam.দুটি স্হানই অপরুপ সৌন্দর্যে পরিপূর্ন ও পাখির কোলাহলে মুখরিত।
এখান থেকে চলেগেলাম কেওনঝড়ের Kandahar_Water_Falls.
এখানের কিছু স্মৃতি লেন্স বন্দি করে চললাম Hadibhanga_Water_Falls.এখানে গিয়ে দেখলাম প্রকৃতি তার রুপ উজার করে দিয়েছে।
এখানের কিছু স্মৃতি লেন্স বন্দি করে চললাম Hadibhanga_Water_Falls.এখানে গিয়ে দেখলাম প্রকৃতি তার রুপ উজার করে দিয়েছে।
এরপর গন্তব্য Tensa_view_point, পাহাড়ী রাস্তা দিয়ে Tensa যেতেই বিকাল গড়িয়ে এল,
পরেরদিন রওনা গোনাসিকার গুপ্ত গঙ্গা মন্দির।
গোনাসিকা মন্দির দর্শন করে রওনা হলাম এই ট্রুরের অন্তিম দর্শনীয় স্হান ভীমকুন্ড।
ভীমকুন্ড ও বৈতরনী নদীর মিল বন্ধন দেখে আমাদের উন্মাদনার মাত্রা এতটাই বৃদ্ধি পেল মনে হয় টাইম মেশিনে চড়ে ১০ বছর পিছিয়ে শৈশবে চলে এসেছি।
তবে এবার ঘরেফেরা হল।
======================
মা তারিনী মন্দির ----
উড়িষ্যা, ঘাটগাঁও,কেওঝড় উড়িষ্যা।
এমন গল্প কথা শোনাজায় যে
কেওনঝড়ের মহারাজা ইচ্ছা করলেন "মা" তারিনীদেবী কে পুরী থেকে কেওনঝড়ে নিয়ে আসবেন।
অনেক সাধ্য সাধনার পরে " মা" তারিনী দেবী ইচ্ছা প্রকাশ করলেন যে তিনি কেওনঝড়ে যাবেন।
তবে তার জন্য মা নিজে রাজাকে একটি শর্ত দিলেন।
শর্ত টি এমন যে রাজা হাটা পথে যাবেন আগে আগে আর পেছনে আসবেন "মা "
তারিনী দেবী। চলার পথে কখনো কোথাও রাজা থামতে পারবেন না বা পেছনে ফিরে
দেখতে পারবেন না।
রাজা যদি পথে কখনো কোন স্থানে এই সর্থ উপেক্ষা করেন বা পেছন ফিরে দেখেন তবে মা সেই স্থানেই অবস্থান করবেন।
শর্ত অনুসারে রাজা চলেছেন ,
পেছনে মায়ের চলার নুপুরের আওয়াজ
শুনতে শুনতে।
এমনি করে চলতে চলতে কেওনঝড়ের
গভীর জঙ্গলে পৌঁছলেন ।
ঘন জঙ্গলের কারনে রাজা আর মায়ের
চলার নুপারের আওয়াজ শুনতে না পেয়ে
বিচলিত মনে হঠাৎ পেছনে ফিরে তাকালেন ।
আর সাথে সাথে "মা" এই গভীর জঙ্গলে
স্থায়ী হয়ে বসে গেলেন জঙ্গলের রানী রূপে।
চৈতিযাত্রাব রূপে এখানে বিশেষ পূজা
হয়। ইংরেজি এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিত
হয় এই পূজা।
চৈত্র মাসের শেষ 5দিন ও বৈশাখ মাসের দুই দিন এই পূজা হয়।
মোটামুটি 9 থেকে 15 এপ্রিল মাসের ই
এই পূজা হয়।
=================
গোনাসিকা মন্দির দর্শন করে রওনা হলাম এই ট্রুরের অন্তিম দর্শনীয় স্হান ভীমকুন্ড।
ভীমকুন্ড ও বৈতরনী নদীর মিল বন্ধন দেখে আমাদের উন্মাদনার মাত্রা এতটাই বৃদ্ধি পেল মনে হয় টাইম মেশিনে চড়ে ১০ বছর পিছিয়ে শৈশবে চলে এসেছি।
তবে এবার ঘরেফেরা হল।
======================
মা তারিনী মন্দির ----
উড়িষ্যা, ঘাটগাঁও,কেওঝড় উড়িষ্যা।
এমন গল্প কথা শোনাজায় যে
কেওনঝড়ের মহারাজা ইচ্ছা করলেন "মা" তারিনীদেবী কে পুরী থেকে কেওনঝড়ে নিয়ে আসবেন।
অনেক সাধ্য সাধনার পরে " মা" তারিনী দেবী ইচ্ছা প্রকাশ করলেন যে তিনি কেওনঝড়ে যাবেন।
তবে তার জন্য মা নিজে রাজাকে একটি শর্ত দিলেন।
শর্ত টি এমন যে রাজা হাটা পথে যাবেন আগে আগে আর পেছনে আসবেন "মা "
তারিনী দেবী। চলার পথে কখনো কোথাও রাজা থামতে পারবেন না বা পেছনে ফিরে
দেখতে পারবেন না।
রাজা যদি পথে কখনো কোন স্থানে এই সর্থ উপেক্ষা করেন বা পেছন ফিরে দেখেন তবে মা সেই স্থানেই অবস্থান করবেন।
শর্ত অনুসারে রাজা চলেছেন ,
পেছনে মায়ের চলার নুপুরের আওয়াজ
শুনতে শুনতে।
এমনি করে চলতে চলতে কেওনঝড়ের
গভীর জঙ্গলে পৌঁছলেন ।
ঘন জঙ্গলের কারনে রাজা আর মায়ের
চলার নুপারের আওয়াজ শুনতে না পেয়ে
বিচলিত মনে হঠাৎ পেছনে ফিরে তাকালেন ।
আর সাথে সাথে "মা" এই গভীর জঙ্গলে
স্থায়ী হয়ে বসে গেলেন জঙ্গলের রানী রূপে।
চৈতিযাত্রাব রূপে এখানে বিশেষ পূজা
হয়। ইংরেজি এপ্রিল মাসে অনুষ্ঠিত
হয় এই পূজা।
চৈত্র মাসের শেষ 5দিন ও বৈশাখ মাসের দুই দিন এই পূজা হয়।
মোটামুটি 9 থেকে 15 এপ্রিল মাসের ই
এই পূজা হয়।
=================
No comments:
Post a Comment