10> নাগপুর ---পুনে----মহাবালেশ্বর-----পুনে -----হরিহরেশ্বর-----মুরুড------পুনে 87 km,
10 দিনের টুর। 20/10/1979 to 31/10/1979
পুনে থেকে---মহাবালেশ্বর==120 km
পুনে থেকে---- হরিহরেশ্বর===172 km=4h 15m by car
========================================================
এখানের মহারাষ্ট্র বাস সার্ভিস বেশ ভালো এসি বাস আরাম দায়ক সিট্ , টিপ্ টপ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন।
তার উপরে রাস্তা খুবই সুন্দর। বাস প্রচন্ড স্পিডে চলে কিন্তু জানারারপর্দা টেনে দিলে কিছুই বুজতে পরাজয় না তাই আরামে ঘুমানো যায়। আমি অবশ্য পর্দা একটু ফোক করে পথ ঘাট দেখতে দেখতে চললাম। সত্যি এখন কার বাস জার্নি খুবই আরাম দায়ক। আর এই সকল কারণেই ট্রেনে না গিয়ে বাসেই গিয়েছিলাম।বাসে 730 km পথ।
পুনে পৌঁছেই একটি হোটেল খুঁজে সেখানে ব্যাগ গুলি রেখে বিকেলে ঘোরাঘুরি করে নিলাম পুনেতে।
পুনে তে পৌঁছেই একটা গাড়ির খোঁজ করলাম যে গাড়ি আমাদের দশ বারো দিন পুরো
ঘুরিয়ে দেখাবে। অনেক চেষ্টা করেও তেমন গাড়ি পেলাম না।
তখন আমরা পুনের এক টুরিস্ট সেন্টারে গেলাম।
তারা বললো এভাবে এতো ডিস্টেন্সের ও এতো দিনের জন্য কোন গাড়ি পাওয়া যাবেনা।
তাছাড়া যেহেতু আমরা চার জন ছিলাম তাই বললো চার জনের জন্য গাড়ি ভাড়াও বেশি পরবে।
কমসে কম ছয় জন হলে একটা ব্যবস্থা হতে পারে।
আমরা চারজন আর দুইজন কোথায় পাবো। এই নিয়ে মহারাষ্ট্রের টুরিস্ট মেনেজারের সাথে কথা চলছিল।
এমন সময় হঠাৎ তিনজন বয়স্ক লোক এসে ঠিক আমাদের মতন গাড়ির খোঁজ করছিলো।
পাশে বসা কাউন্টারে।
সেই মেনেজার আমাদের ভীষণ সাহায্য করলেন।আমাদের ওই তিনজনের সাথে মিলিয়ে দিলেন।
আমরা এবং ওই তিনজন মিলে মোট সাতজন হলাম।
একটি জোঙা জিপ এর ড্রাইভারের সাথে কথা বলে আমাদের জানালেন যে এই জিপ টি আমরা
পেতে পারি ও আমাদের পুরো পুনে শহর ঘুরিয়ে মহাবালেশ্বর পর্যন্ত নিয়ে যাবে।
এই চার দিন ও আমাদের সাথে থাকবে। আর মহাবালেশ্বর গিয়ে ও জানাশুনা কোন গাড়ির
ব্যবস্থা করে দেবে।
ড্রাইভার বললো আপনাদের কোন চিন্তা নাই। মহাবালেশ্বর রে ওর কোন জানা শুনা গাড়ি
আছে, সেই গাড়ি ব্যবস্থা করে দেবে। এবং এতে আমাদের ভাড়াও অনেক কম লাগবে।
1979 সালে আমাদের গাড়ি বাবদ খরচা লেগে ছিল জন পিছু 600 টাকা করে।
এই ভাবে আমাদের তিনবার গাড়ি পাল্টাতে হয়ে ছিল।
পরে অবশ্য জেনেছিলাম এগুলি মহারাষ্ট্রের ট্রাভেল এজেন্সির গাড়ি।
এই জিপি গুলি এই ভাবেই ভাড়া খাটে।
যাইহোক গাড়ির ব্যবস্থা হবার পরে ,হোটেলে গিয়ে খাওয়া সেরে শুয়ে পড়লাম।
ফিরেগেলাম পুনেতে পরেরদিন অর্থাৎ সপ্তম দিনে
8 th Day --------
পুনে থেকে---মহাবালেশ্বর==120 km
পুনে থেকে---- হরিহরেশ্বর===172 km=4h 15m by car
========================================================
20th October 1979 saturday.
অক্টবর মাসের ২০ তারিখ শনিবার দিন ১২ দিনের ছুটি নিয়ে
আমরা চারজন মিলে বাসে সকালেই নাগপুর থেকে রওনা দিলাম পুনের উদ্দেশ্যে ।
এখানের মহারাষ্ট্র বাস সার্ভিস বেশ ভালো এসি বাস আরাম দায়ক সিট্ , টিপ্ টপ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন।
তার উপরে রাস্তা খুবই সুন্দর। বাস প্রচন্ড স্পিডে চলে কিন্তু জানারারপর্দা টেনে দিলে কিছুই বুজতে পরাজয় না তাই আরামে ঘুমানো যায়। আমি অবশ্য পর্দা একটু ফোক করে পথ ঘাট দেখতে দেখতে চললাম। সত্যি এখন কার বাস জার্নি খুবই আরাম দায়ক। আর এই সকল কারণেই ট্রেনে না গিয়ে বাসেই গিয়েছিলাম।বাসে 730 km পথ।
পুনে পৌঁছেই একটি হোটেল খুঁজে সেখানে ব্যাগ গুলি রেখে বিকেলে ঘোরাঘুরি করে নিলাম পুনেতে।
পুনে তে পৌঁছেই একটা গাড়ির খোঁজ করলাম যে গাড়ি আমাদের দশ বারো দিন পুরো
ঘুরিয়ে দেখাবে। অনেক চেষ্টা করেও তেমন গাড়ি পেলাম না।
তখন আমরা পুনের এক টুরিস্ট সেন্টারে গেলাম।
তারা বললো এভাবে এতো ডিস্টেন্সের ও এতো দিনের জন্য কোন গাড়ি পাওয়া যাবেনা।
তাছাড়া যেহেতু আমরা চার জন ছিলাম তাই বললো চার জনের জন্য গাড়ি ভাড়াও বেশি পরবে।
কমসে কম ছয় জন হলে একটা ব্যবস্থা হতে পারে।
আমরা চারজন আর দুইজন কোথায় পাবো। এই নিয়ে মহারাষ্ট্রের টুরিস্ট মেনেজারের সাথে কথা চলছিল।
এমন সময় হঠাৎ তিনজন বয়স্ক লোক এসে ঠিক আমাদের মতন গাড়ির খোঁজ করছিলো।
পাশে বসা কাউন্টারে।
সেই মেনেজার আমাদের ভীষণ সাহায্য করলেন।আমাদের ওই তিনজনের সাথে মিলিয়ে দিলেন।
আমরা এবং ওই তিনজন মিলে মোট সাতজন হলাম।
একটি জোঙা জিপ এর ড্রাইভারের সাথে কথা বলে আমাদের জানালেন যে এই জিপ টি আমরা
পেতে পারি ও আমাদের পুরো পুনে শহর ঘুরিয়ে মহাবালেশ্বর পর্যন্ত নিয়ে যাবে।
এই চার দিন ও আমাদের সাথে থাকবে। আর মহাবালেশ্বর গিয়ে ও জানাশুনা কোন গাড়ির
ব্যবস্থা করে দেবে।
ড্রাইভার বললো আপনাদের কোন চিন্তা নাই। মহাবালেশ্বর রে ওর কোন জানা শুনা গাড়ি
আছে, সেই গাড়ি ব্যবস্থা করে দেবে। এবং এতে আমাদের ভাড়াও অনেক কম লাগবে।
1979 সালে আমাদের গাড়ি বাবদ খরচা লেগে ছিল জন পিছু 600 টাকা করে।
এই ভাবে আমাদের তিনবার গাড়ি পাল্টাতে হয়ে ছিল।
পরে অবশ্য জেনেছিলাম এগুলি মহারাষ্ট্রের ট্রাভেল এজেন্সির গাড়ি।
এই জিপি গুলি এই ভাবেই ভাড়া খাটে।
যাইহোক গাড়ির ব্যবস্থা হবার পরে ,হোটেলে গিয়ে খাওয়া সেরে শুয়ে পড়লাম।
N==রাত্রিবাস পুনেতে।
তিন রাত্রি ছিলাম পুনেতে।
তিন রাত্রি ছিলাম পুনেতে।
3rd day – আজও সারাদিন পুনেতে।
কারণ এখানে অনেক কিছু দেখার আছে।
যেটুকু দেখেছি সেই কথাই লেখার চেষ্টা করছি।
কারণ এখানে অনেক কিছু দেখার আছে।
যেটুকু দেখেছি সেই কথাই লেখার চেষ্টা করছি।
*(1) মারাঠা শৈলীতে নানাসাহেবের তৈরি পার্বতী মন্দির।
*(2) পার্বতী মন্দিরের পাদদেশে পেশোয়া উদ্যান।এবং জানলাম যে
একটু কাছেই বাঙলার সাহিত্যিক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুঠি।
একটু কাছেই বাঙলার সাহিত্যিক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের কুঠি।
*(3) পেটে রাজা দিনকর কেলকর মিউজিয়াম।
(রাজা দিনকর কেলকর মিউজিয়াম প্রতি দিন সকাল 8টা থেকে বিকেল সাড়ে 5টা পর্যন্ত,
খোলা থাকে )
*(4) শহর থেকে 5 কিমি দূরে তালেগাঁও রোডে আগা খাঁ এর প্রাসাদ।
আগে খাঁ একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন ;
(রাজা দিনকর কেলকর মিউজিয়াম প্রতি দিন সকাল 8টা থেকে বিকেল সাড়ে 5টা পর্যন্ত,
খোলা থাকে )
*(4) শহর থেকে 5 কিমি দূরে তালেগাঁও রোডে আগা খাঁ এর প্রাসাদ।
আগে খাঁ একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন ;
1942-এর আন্দোলনে এখানেই বন্দিবাস করেছিলেন মহাত্মা গান্ধী, কস্তুরবা গান্ধী, মহাত্মার সেক্রেটারি মহাদেবভাই দেশাই, সরোজিনী নাইডু প্রমুখ।
এখানেই বন্দিবাসে প্রয়াত হন কস্তুরবা, মহাদেবভাই।
পাশেই গান্ধী জাতীয় মিউজিয়াম।
( গান্ধী জাতীয় মিউজিয়াম সকাল 9টা খোলে দুপুর সাড়ে 12টা ও দুপুর দেড়টা থেকে সন্ধে 6টা পর্যন্ত খোলা থাকে। )
এখানেই বন্দিবাসে প্রয়াত হন কস্তুরবা, মহাদেবভাই।
পাশেই গান্ধী জাতীয় মিউজিয়াম।
( গান্ধী জাতীয় মিউজিয়াম সকাল 9টা খোলে দুপুর সাড়ে 12টা ও দুপুর দেড়টা থেকে সন্ধে 6টা পর্যন্ত খোলা থাকে। )
এই সকল দেখতে দেখতে ও একটু ঘোড়া ঘুড়ি করতে করতে সন্ধ্যা হয়েগেল।
N==রাত্রিবাস পুনে।
4th day======
*(5) চতুর্থ দিন সকালে আমরা গেলাম পেটে পেশোয়া বাজিরাও 1-এর কাঠের তৈরি 7 তলা দুর্গাকার প্রাসাদ বা শনিবার ওয়াড়া। এর অন্দরেই ঘটেছিল বাজিরাও ও রূপসী নর্তকী মস্তানির প্রেম।
(শনিবার ওয়াড়া সকাল 9টা থেকে বিকেল সাড়ে 5টা পর্যন্ত খোলা।)
(শনিবার ওয়াড়া সকাল 9টা থেকে বিকেল সাড়ে 5টা পর্যন্ত খোলা।)
(শনিবার ওয়াড়া ফোর্টের গল্প মানেই
বিশ্বাসঘাতকের কাহিনী...
ইতিহাসে বিশ্বাসঘাতকের কাহিনীর শেষ নাই,
বিশ্বাসঘাতকের কাহিনী নিয়ে অনেক লেখক অনেক কথাই বলেছেন সময়ে সময়ে।
সবথেকে বরো কথা —রাজ্ষ বংশ মানেই বিশ্বাস ঘাতকতার গল্প। আর তাই মনে হয়
ড়যন্ত্র আর বিশ্বাসঘাতকতা যে রাজবংশে নেই, সে রাজবংশ, সত্যি কারের রাজবংশই নয়।
আর বিশ্বাসঘাতক বলতে আমাদের প্রথমেই মীরজাফরের কথা মনে পড়ে, রামায়নে ঘরশত্রু বিভীষণের কথা মনে হয়—এছাড়াও
আরো কতো বিশ্বাসঘাতকতার কাহিনী আছে আমদের ইতিহাসে।
আবার এমনটাই দেখাযায় যে যুগে যুগে এই বিশ্বাসঘাতকেরাই রাজা হয়ে
সিংহাসনে বসেছেন। রাজ্য শাসন করেছেন।
এমনই এক শনিবার দিনের ঘটনা যা ইতিহাসে আজও
'ক্রুয়েলেস্ট অ্যাসাসিনেশন’নাম চিহ্নিত।
ঘটনাটি এমন , কিছু বিশ্বাসঘাতক ষড়যন্ত্র করে তরুণ পেশোয়া নারায়ণ রাওকে হত্যা করে টুকরো টুকরো করে কেটে ছিলো এই ওয়াড়া ফোর্টে।
যে কারণে শনিবার ওয়াড়া ফোর্ট আজও অভিশপ্ত হয়ে আছে। আজও নাকি নারায়ণ রাওয়ের অন্তিম মর্মান্তিক আর্তচিৎকার ধ্বনিত প্রতিধ্বনিত হয় দূর্গের প্রতিটি দেওয়ালে দেওয়ালে ! হতভাগ্য তরুণ পেশোয়া শেষ নিঃশ্বাস ফেলার আগেও বিশ্বাস করেছিল তার ‘কাকা’ অর্থাৎ রঘুনাথ রাও এসে তাঁকে বাঁচাবেন! কিন্তু কে জানত যে সেই বিশ্বাসী কাকাই তাঁর মৃত্যুর ষড়যন্ত্র করেছিলেন! তরুণ পেশোয়া নারায়ণ রাও ক্ষত-বিক্ষত হয়ে শুধু মরিয়া ও অসহায় জীবনের শেষ শ্বাস পর্যন্ত চিৎকার করে গিয়েছিলেন—‘কাকা মালা ভাচভা!’ —‘কাকা মালা ভাচভা (কাকা, আমায় বাঁচাও)। কিন্তু কেউ আসেনি!তাকে বাঁচাতে । তরুণ পেশোয়া নারায়ণ রাও কে।
আজও এই হত্যাকে বলা হয় ‘ ক্রুয়েলেস্ট অ্যাসাসিনেশন’।
এইছিল শনিবার ওয়াড়া ফোর্টের সেদিনের মর্মান্তিক কাহিনি।)
বিশ্বাসঘাতকের কাহিনী...
ইতিহাসে বিশ্বাসঘাতকের কাহিনীর শেষ নাই,
বিশ্বাসঘাতকের কাহিনী নিয়ে অনেক লেখক অনেক কথাই বলেছেন সময়ে সময়ে।
সবথেকে বরো কথা —রাজ্ষ বংশ মানেই বিশ্বাস ঘাতকতার গল্প। আর তাই মনে হয়
ড়যন্ত্র আর বিশ্বাসঘাতকতা যে রাজবংশে নেই, সে রাজবংশ, সত্যি কারের রাজবংশই নয়।
আর বিশ্বাসঘাতক বলতে আমাদের প্রথমেই মীরজাফরের কথা মনে পড়ে, রামায়নে ঘরশত্রু বিভীষণের কথা মনে হয়—এছাড়াও
আরো কতো বিশ্বাসঘাতকতার কাহিনী আছে আমদের ইতিহাসে।
আবার এমনটাই দেখাযায় যে যুগে যুগে এই বিশ্বাসঘাতকেরাই রাজা হয়ে
সিংহাসনে বসেছেন। রাজ্য শাসন করেছেন।
এমনই এক শনিবার দিনের ঘটনা যা ইতিহাসে আজও
'ক্রুয়েলেস্ট অ্যাসাসিনেশন’নাম চিহ্নিত।
ঘটনাটি এমন , কিছু বিশ্বাসঘাতক ষড়যন্ত্র করে তরুণ পেশোয়া নারায়ণ রাওকে হত্যা করে টুকরো টুকরো করে কেটে ছিলো এই ওয়াড়া ফোর্টে।
যে কারণে শনিবার ওয়াড়া ফোর্ট আজও অভিশপ্ত হয়ে আছে। আজও নাকি নারায়ণ রাওয়ের অন্তিম মর্মান্তিক আর্তচিৎকার ধ্বনিত প্রতিধ্বনিত হয় দূর্গের প্রতিটি দেওয়ালে দেওয়ালে ! হতভাগ্য তরুণ পেশোয়া শেষ নিঃশ্বাস ফেলার আগেও বিশ্বাস করেছিল তার ‘কাকা’ অর্থাৎ রঘুনাথ রাও এসে তাঁকে বাঁচাবেন! কিন্তু কে জানত যে সেই বিশ্বাসী কাকাই তাঁর মৃত্যুর ষড়যন্ত্র করেছিলেন! তরুণ পেশোয়া নারায়ণ রাও ক্ষত-বিক্ষত হয়ে শুধু মরিয়া ও অসহায় জীবনের শেষ শ্বাস পর্যন্ত চিৎকার করে গিয়েছিলেন—‘কাকা মালা ভাচভা!’ —‘কাকা মালা ভাচভা (কাকা, আমায় বাঁচাও)। কিন্তু কেউ আসেনি!তাকে বাঁচাতে । তরুণ পেশোয়া নারায়ণ রাও কে।
আজও এই হত্যাকে বলা হয় ‘ ক্রুয়েলেস্ট অ্যাসাসিনেশন’।
এইছিল শনিবার ওয়াড়া ফোর্টের সেদিনের মর্মান্তিক কাহিনি।)
*(৬) কাছেই রাস্তার ও-পারে শিবাজির লাল মহল, ছবিতে শিবাজির জীবনচরিত
সুন্দর করে বর্ণনা আছে।
তারপরে গেলাম
সুন্দর করে বর্ণনা আছে।
তারপরে গেলাম
*(৭) পাতালেশ্বর মন্দির – শহরের পশ্চিমে শিবাজিনগরে রাষ্ট্রকূটদের কালে আট (8) শতকের গুহামন্দির। ধাপে ধাপে সিঁড়ি উঠতে হয়।
এখন থেকে এগিয়ে গেলাম ,
এখন থেকে এগিয়ে গেলাম ,
*(৮) সরসবাগ গণপতি মন্দির।
*(৯) শ্রী মহালক্ষ্মী মন্দির।
*(১০) দাগদুশেঠ হালোয়াই গণপতি মন্দির।
গাড়ি ভাড়া করে ঘুরলে একটা সুবিধা যে গাড়ির ড্রাইভার নিজেই গাইডের কাজ করে।
গাড়ি ভাড়া করে ঘুরলে একটা সুবিধা যে গাড়ির ড্রাইভার নিজেই গাইডের কাজ করে।
N==রাত্রি বাস পুনেতে।
5th day – ভোরেই বেরিয়ে পড়েছিলাম সিংহগরেড় উদ্দেশ্যে শহর থেকে 24 কিমি দূরে **সিংহগড়,
*ভুলেশ্বর পর্বতমালায় 4320 ফুট উচ্চতায় **শিবাজির দুর্গ। পথে যাবার সময় দেখে ছিলাম।
তারপরে** খড়াকভাসলা লেক,*পাথাল লেক ইত্যাদি।
এই সকল দেখতে দেখতে পৌঁছে গিয়েছিলাম পুনে থেকে 95 কি,মি দূরে
*শৈবতীর্থ ভীমাশংকর, দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম। সহ্যাদ্রি পাহাড়ে 3392 ফুট উচ্চতায় মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে ভীমাশংকর।
ফিরে এসে
*ভুলেশ্বর পর্বতমালায় 4320 ফুট উচ্চতায় **শিবাজির দুর্গ। পথে যাবার সময় দেখে ছিলাম।
তারপরে** খড়াকভাসলা লেক,*পাথাল লেক ইত্যাদি।
এই সকল দেখতে দেখতে পৌঁছে গিয়েছিলাম পুনে থেকে 95 কি,মি দূরে
*শৈবতীর্থ ভীমাশংকর, দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম। সহ্যাদ্রি পাহাড়ে 3392 ফুট উচ্চতায় মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে ভীমাশংকর।
ফিরে এসে
N==রাত্রিবাস পুনেতে ।
6 th day –
পুনে থেকে---মহাবালেশ্বর, পঞ্চগনি
সকালেই বেরিয়ে পড়েছিলাম পুনে থেকে 120 কিমি দূরে, *মহাবালেশ্বর (4500 ফুট, )
তারপরে *কৃষ্ণাবাঈ তথা *পঞ্চগঙ্গা মন্দির (কৃষ্ণা, ভেন্না, কোয়না, সাবিত্রী আর গায়ত্রী নদীর জল 5টি ধারায় বয়ে চলেছে ),
তারপরে দেখলাম **অতিবালেশ্বর ও মহাবালেশ্বর মন্দির। এ ছাড়াও অন্তত 30 টি ভিউ পয়েন্ট রয়েছে মহাবালেশ্বরে। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য
*আর্থার সিট, //*হান্টিং পয়েন্ট, //*ইকো পয়েন্ট,//** ম্যালকম পয়েন্ট, // *টাইগার স্প্রিং, // *উইলসন পয়েন্ট যেটি বাজার থেকে একটু দূরে, মহাবালেশ্বরের উচ্চতম পয়েন্ট, *নিডল হোলপয়েন্ট,// *মাংকিস পয়েন্ট,*লোডউইক পয়েন্ট, *এলফিনস্টোন পয়েন্ট,*বেবিংটন পয়েন্ট, //*কেটিস পয়েন্ট,
*ভেন্না লেক, //*মুম্বাই পয়েন্ট রক্ষণ থেকে সূর্যাস্তের অতি মনোরম নয়নাভিরাম দৃশ্য ইত্যাদি।
এছাড়াও আরও কিছু ভিউ পয়েন্ট আছে। সব ভিউ পয়েন্ট দেখা অসম্ভব। তথাপি যত গুলি
সম্ভব দেখলাম।
সত্যি আমাদের কোন অসুবিধাই হয়নি কারণ আমাদের ড্রাইভার নিজেই আমাদের ভীষণ ভাবে
সাহায্য করেছিল। রাত্রে একটা হোটেলে উঠলাম।
তারপরে *কৃষ্ণাবাঈ তথা *পঞ্চগঙ্গা মন্দির (কৃষ্ণা, ভেন্না, কোয়না, সাবিত্রী আর গায়ত্রী নদীর জল 5টি ধারায় বয়ে চলেছে ),
তারপরে দেখলাম **অতিবালেশ্বর ও মহাবালেশ্বর মন্দির। এ ছাড়াও অন্তত 30 টি ভিউ পয়েন্ট রয়েছে মহাবালেশ্বরে। এগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য
*আর্থার সিট, //*হান্টিং পয়েন্ট, //*ইকো পয়েন্ট,//** ম্যালকম পয়েন্ট, // *টাইগার স্প্রিং, // *উইলসন পয়েন্ট যেটি বাজার থেকে একটু দূরে, মহাবালেশ্বরের উচ্চতম পয়েন্ট, *নিডল হোলপয়েন্ট,// *মাংকিস পয়েন্ট,*লোডউইক পয়েন্ট, *এলফিনস্টোন পয়েন্ট,*বেবিংটন পয়েন্ট, //*কেটিস পয়েন্ট,
*ভেন্না লেক, //*মুম্বাই পয়েন্ট রক্ষণ থেকে সূর্যাস্তের অতি মনোরম নয়নাভিরাম দৃশ্য ইত্যাদি।
এছাড়াও আরও কিছু ভিউ পয়েন্ট আছে। সব ভিউ পয়েন্ট দেখা অসম্ভব। তথাপি যত গুলি
সম্ভব দেখলাম।
সত্যি আমাদের কোন অসুবিধাই হয়নি কারণ আমাদের ড্রাইভার নিজেই আমাদের ভীষণ ভাবে
সাহায্য করেছিল। রাত্রে একটা হোটেলে উঠলাম।
N==রাত্রিবাস মহাবালেশ্বর।
7 th day –
সকালেই গেলাম **প্রতাপগড়,
1656-তে শিবাজির হাতে তৈরি দুর্গ, যদিও বিধ্বস্ত, তবে আকর্ষণ কম নয়।
450 সিঁড়ি উঠে 1030 মিটার উচ্চতায় দুর্গ। এখানেই বিজাপুরের সুলতান
আদিলশাহের দূত আফজল খাঁকে বাঘনখ দিয়ে বধ করেছিলেন শিবাজি।
1656-তে শিবাজির হাতে তৈরি দুর্গ, যদিও বিধ্বস্ত, তবে আকর্ষণ কম নয়।
450 সিঁড়ি উঠে 1030 মিটার উচ্চতায় দুর্গ। এখানেই বিজাপুরের সুলতান
আদিলশাহের দূত আফজল খাঁকে বাঘনখ দিয়ে বধ করেছিলেন শিবাজি।
মহাবালেশ্বর ফিরে যাবার পথে 20 km দুরে
*পঞ্চগনি (4242 ফুট, )।
পথে আরো আছে
*লিঙ্গমালা ফলস্। পঞ্চগনিতে,
*পার্সি পয়েন্ট (নিচুতে কৃষ্ণা ভ্যালি),
*শহরের শিরে টেবল ল্যান্ড,
*রাজপুরী পয়েন্ট তথা
*কার্তিকেয় মন্দির,
14 কিমি দূরে ওয়াইতে কৃষ্ণা নদীর ধারে প্রাচীন আরো কিছু মন্দির আছে সব গুলো
দেখা সম্ভব নয়।
------------------
পঞ্চগণি আর মহাবালেশ্বর।
মুম্বাইয়ের দক্ষিণ পশ্চিম পার্বত্য অঞ্চল পঞ্চগনি।এই পার্বত্য অঞ্চল টি মহারাষ্ট্রের
টেবিল অঞ্চল নাম পরিচিত। এটি একটি বিশাল আগ্নেয়গিরি প্লেট।
সহ্যাদ্রী পাহাড়ের কোলে মহারাষ্ট্রের দুই যমজ শৈল শহর পঞ্চগণি আর মহাবালেশ্বর।
আমরা এলাম ওয়াই পয়েন্ট ।এখান থেকেই পঞ্চগণি আর মহাবালেশ্বরের রাস্তা শুরু।
এই ওয়াই শহর এখানথেকেই আশেপাশের সকল দর্শনীয় সকল স্থান গুলি যাবার রাস্তা
বিভিন্ন দিকে চলে গেছে।কৃষ্ণা নদীর দু-পাড়ে প্রায় শ’খানেক মন্দির রয়েছে এই শহরে, যার মধ্যে অন্যতম গণপতি বা মহাগণপতি মন্দির। স্থানীয়দের কাছে ওয়াই পরিচিত ‘দক্ষিণের কাশী’ হিসেবে। কিছুক্ষণ এই ওয়াইয়ে কাটিয়ে ফের পথ চলা শুরু। রাস্তা এ বার ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী।
পথ চলেছে এঁকে বেকে পৌঁছলাম পঞ্চগনির টেবলল্যান্ডে। অর্থাৎ পঞ্চগনি পৌঁছলাম । ওয়াই থেকে 14 কিমি সমুদ্রতল থেকে উচ্চতা 4300 ফুট।
পঞ্চগনি শহরের কেন্দ্রস্থল শিবাজি চক। এখান থেকে বাঁ দিকের রাস্তা উঠে গিয়েছে টেবিল ল্যান্ডের দিকে। প্রায় দেড় কিলোমিটার খাড়াই পথ অতিক্রম করে তবে টেবলল্যান্ড ।
‘পঞ্চগনি’ মানে পাঁচ পাহাড়।
পাঁচ পাহাড়ে ঘেরা এই শহর। তাদের চূড়াগুলো সব এক হয়ে সমতল জমিতে পরিণত হয়েছে।
তৈরি হয়েছে এই টেবলল্যান্ড। টিবেটান মালভূমির পরে এশিয়ার দ্বিতীয় উচ্চতম সমতলভূমি এই টেবিল ল্যান্ড। প্রায় ছ’কিমি দীর্ঘ। এখান থেকে পঞ্চগনি শহর এমনকি ওয়াই শহরও সুন্দর দেখায়। একটু এগোলে দেখা যায় মহাবালেশ্বর থেকে নেমে আসা কৃষ্ণা নদীকেও।
কাছেই সেই বিখ্যাত পার্সি পয়েন্টের ।
আমরা এগিয়ে গেলাম পার্সি পয়েন্টের দিকে। শিবাজি চক থেকে মহাবালেশ্বরের দিকে
কিছু দূরে এই পয়েন্ট।
এই জায়গাটির মাহাত্ম্য কৃষ্ণা নদীর দর্শনের জন্য।
মহাবালেশ্বর থেকে উৎপত্তি হওয়ার পর এখানেই প্রথম দেখাযায় কৃষ্ণা নদী। তবে
এমনিতে দেখলে নদী নয়, লেক মনে হয়। আসলে নীচে রয়েছে একটি জলাধার যার
ফলে কৃষ্ণানদীকে এখানে দেখতে প্রশস্থ লেকের মতন মনে হয় ।
পঞ্চগনির আরও কিছু দর্শনীয় স্থান, আছে যেমন রাজাপুরী গুহা।
অদ্ভুত এই গুহা।
এগিয়ে গেলাম মহাবালেশ্বরের দিকে,
মহাবালেশ্বর। মহারাষ্ট্রের উচ্চতম শৈল শহর। উচ্চতা 4700 ফুট।
শহরের প্রাণকেন্দ্রের কিছুটা আগেই বিনা লেক। অপূর্ব সুন্দর হ্রদ।
টলটলে জলের ধারে কিছুক্ষণ সময় কাটালাম। এমন সুন্দর লেক এখানে না বসেলে মন ভরবে না
বোটিং-এর জন্য সুন্দর ব্যবস্থা আছে।
এনেকে মানুষ স্ত্রী পুরুষ নির্বিশেষে বোটিং করছে ।
মহাবালেশ্বরের দর্শনীয় স্থান অনেক।
তবে বিশেষ আকর্ষণীয় **পঞ্চগঙ্গা মন্দির। মহাবালেশ্বর মধ্য স্থল থেকে সাত কিমি দূরে অবস্থিত প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর পুরনো এই মন্দির। দক্ষিণে ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ **নদী কৃষ্ণার উৎপত্তি এই মন্দির থেকেই। কৃষ্ণার সঙ্গে আরও চারটি নদীর উৎপত্তি এই মন্দিরের মধ্যে থেকে–কয়না, গায়ত্রী, সাবিত্রী আর ভেনা।
এবার ফিরে যাবার পালা।
*পঞ্চগনি (4242 ফুট, )।
পথে আরো আছে
*লিঙ্গমালা ফলস্। পঞ্চগনিতে,
*পার্সি পয়েন্ট (নিচুতে কৃষ্ণা ভ্যালি),
*শহরের শিরে টেবল ল্যান্ড,
*রাজপুরী পয়েন্ট তথা
*কার্তিকেয় মন্দির,
14 কিমি দূরে ওয়াইতে কৃষ্ণা নদীর ধারে প্রাচীন আরো কিছু মন্দির আছে সব গুলো
দেখা সম্ভব নয়।
------------------
পঞ্চগণি আর মহাবালেশ্বর।
মুম্বাইয়ের দক্ষিণ পশ্চিম পার্বত্য অঞ্চল পঞ্চগনি।এই পার্বত্য অঞ্চল টি মহারাষ্ট্রের
টেবিল অঞ্চল নাম পরিচিত। এটি একটি বিশাল আগ্নেয়গিরি প্লেট।
সহ্যাদ্রী পাহাড়ের কোলে মহারাষ্ট্রের দুই যমজ শৈল শহর পঞ্চগণি আর মহাবালেশ্বর।
আমরা এলাম ওয়াই পয়েন্ট ।এখান থেকেই পঞ্চগণি আর মহাবালেশ্বরের রাস্তা শুরু।
এই ওয়াই শহর এখানথেকেই আশেপাশের সকল দর্শনীয় সকল স্থান গুলি যাবার রাস্তা
বিভিন্ন দিকে চলে গেছে।কৃষ্ণা নদীর দু-পাড়ে প্রায় শ’খানেক মন্দির রয়েছে এই শহরে, যার মধ্যে অন্যতম গণপতি বা মহাগণপতি মন্দির। স্থানীয়দের কাছে ওয়াই পরিচিত ‘দক্ষিণের কাশী’ হিসেবে। কিছুক্ষণ এই ওয়াইয়ে কাটিয়ে ফের পথ চলা শুরু। রাস্তা এ বার ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী।
পথ চলেছে এঁকে বেকে পৌঁছলাম পঞ্চগনির টেবলল্যান্ডে। অর্থাৎ পঞ্চগনি পৌঁছলাম । ওয়াই থেকে 14 কিমি সমুদ্রতল থেকে উচ্চতা 4300 ফুট।
পঞ্চগনি শহরের কেন্দ্রস্থল শিবাজি চক। এখান থেকে বাঁ দিকের রাস্তা উঠে গিয়েছে টেবিল ল্যান্ডের দিকে। প্রায় দেড় কিলোমিটার খাড়াই পথ অতিক্রম করে তবে টেবলল্যান্ড ।
‘পঞ্চগনি’ মানে পাঁচ পাহাড়।
পাঁচ পাহাড়ে ঘেরা এই শহর। তাদের চূড়াগুলো সব এক হয়ে সমতল জমিতে পরিণত হয়েছে।
তৈরি হয়েছে এই টেবলল্যান্ড। টিবেটান মালভূমির পরে এশিয়ার দ্বিতীয় উচ্চতম সমতলভূমি এই টেবিল ল্যান্ড। প্রায় ছ’কিমি দীর্ঘ। এখান থেকে পঞ্চগনি শহর এমনকি ওয়াই শহরও সুন্দর দেখায়। একটু এগোলে দেখা যায় মহাবালেশ্বর থেকে নেমে আসা কৃষ্ণা নদীকেও।
কাছেই সেই বিখ্যাত পার্সি পয়েন্টের ।
আমরা এগিয়ে গেলাম পার্সি পয়েন্টের দিকে। শিবাজি চক থেকে মহাবালেশ্বরের দিকে
কিছু দূরে এই পয়েন্ট।
এই জায়গাটির মাহাত্ম্য কৃষ্ণা নদীর দর্শনের জন্য।
মহাবালেশ্বর থেকে উৎপত্তি হওয়ার পর এখানেই প্রথম দেখাযায় কৃষ্ণা নদী। তবে
এমনিতে দেখলে নদী নয়, লেক মনে হয়। আসলে নীচে রয়েছে একটি জলাধার যার
ফলে কৃষ্ণানদীকে এখানে দেখতে প্রশস্থ লেকের মতন মনে হয় ।
পঞ্চগনির আরও কিছু দর্শনীয় স্থান, আছে যেমন রাজাপুরী গুহা।
অদ্ভুত এই গুহা।
এগিয়ে গেলাম মহাবালেশ্বরের দিকে,
মহাবালেশ্বর। মহারাষ্ট্রের উচ্চতম শৈল শহর। উচ্চতা 4700 ফুট।
শহরের প্রাণকেন্দ্রের কিছুটা আগেই বিনা লেক। অপূর্ব সুন্দর হ্রদ।
টলটলে জলের ধারে কিছুক্ষণ সময় কাটালাম। এমন সুন্দর লেক এখানে না বসেলে মন ভরবে না
বোটিং-এর জন্য সুন্দর ব্যবস্থা আছে।
এনেকে মানুষ স্ত্রী পুরুষ নির্বিশেষে বোটিং করছে ।
মহাবালেশ্বরের দর্শনীয় স্থান অনেক।
তবে বিশেষ আকর্ষণীয় **পঞ্চগঙ্গা মন্দির। মহাবালেশ্বর মধ্য স্থল থেকে সাত কিমি দূরে অবস্থিত প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর পুরনো এই মন্দির। দক্ষিণে ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ **নদী কৃষ্ণার উৎপত্তি এই মন্দির থেকেই। কৃষ্ণার সঙ্গে আরও চারটি নদীর উৎপত্তি এই মন্দিরের মধ্যে থেকে–কয়না, গায়ত্রী, সাবিত্রী আর ভেনা।
এবার ফিরে যাবার পালা।
ফিরেগেলাম পুনেতে পরেরদিন অর্থাৎ সপ্তম দিনে
8 th Day --------
সকালেই গাড়ি ভাড়া করে হরিহরেশ্বর।
*হরিহরেশ্বর,পুনে থেকে 206 কিমি। পশ্চিমঘাট পাহাড়ের কোলে রমণীয় সাগরবেলা, সাগরতীরে টিলা।
হরিহরেশ্বর থেকে আমরা গেলাম *কালভৈরব মন্দির। মন্দিরের পিছন দিক থেকে নেমে গিয়েছে গণেশ গলি, দু’টি পাথরের মাঝখান দিয়ে তিন ফুট চওড়া পথ, 150 ফুট দীর্ঘ পথ নেমে গিয়েছে সমুদ্রতীরে।
*সাবিত্রী নদী আর সমুদ্রের মোহনা যে স্থান *শুক্লতীর্থ নাম বিখ্যাত। *পাশেই গায়ত্রীতীর্থ।
হরিহরেশ্বরে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত অতি সুন্দর রমণীয় মনে রাখবার মতন।
হরিহরেশ্বর থেকে আমরা গেলাম *কালভৈরব মন্দির। মন্দিরের পিছন দিক থেকে নেমে গিয়েছে গণেশ গলি, দু’টি পাথরের মাঝখান দিয়ে তিন ফুট চওড়া পথ, 150 ফুট দীর্ঘ পথ নেমে গিয়েছে সমুদ্রতীরে।
*সাবিত্রী নদী আর সমুদ্রের মোহনা যে স্থান *শুক্লতীর্থ নাম বিখ্যাত। *পাশেই গায়ত্রীতীর্থ।
হরিহরেশ্বরে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্ত অতি সুন্দর রমণীয় মনে রাখবার মতন।
N==রাত্রিবাস হরিহরেশ্বর।
9 the day –
সকালে গেলাম ফেরি ঘটে ,এই ফেরি পেরিয়ে গেলাম *ব্যাঙ্কট ফোর্ট,
*বাগমণ্ডলা সৈকত।
ফিরে এসে কিছু খাবার খেয়ে 56 km দূরে *মুরুড সৈকত, ।
পথে *শ্রীবর্ধন এখানে সৈকত ও লক্ষ্মী-নারায়ণ মন্দির সহ আরও অনেক মন্দির আছে।
*দিবেগরের সৈকত ও এখানে আছে সোনার গণেশ মন্দির।
তারপরে মুরুড পৌঁছে আবার ফেরিতে সাগরের মাঝে*জঞ্জিরা ফোর্ট।
* নবাব প্যালেস বা আহমেদগঞ্জ প্রাসাদ, *দত্তাত্রেয় মন্দির, *গরম্বি ফলস্।
এখানে দর্শনীয় স্থানের অগুনতি সমারোহ। আমরা যতদূর পারলাম দেখলাম।
যতই দেখি পরে আবার জানতে পারি আরও কিছু দেখা হয় নি।
রাত্রে মুরুডে থাকলাম। সকালে উঠেই রওনা দিতে হবে পুনের দিকে।
*বাগমণ্ডলা সৈকত।
ফিরে এসে কিছু খাবার খেয়ে 56 km দূরে *মুরুড সৈকত, ।
পথে *শ্রীবর্ধন এখানে সৈকত ও লক্ষ্মী-নারায়ণ মন্দির সহ আরও অনেক মন্দির আছে।
*দিবেগরের সৈকত ও এখানে আছে সোনার গণেশ মন্দির।
তারপরে মুরুড পৌঁছে আবার ফেরিতে সাগরের মাঝে*জঞ্জিরা ফোর্ট।
* নবাব প্যালেস বা আহমেদগঞ্জ প্রাসাদ, *দত্তাত্রেয় মন্দির, *গরম্বি ফলস্।
এখানে দর্শনীয় স্থানের অগুনতি সমারোহ। আমরা যতদূর পারলাম দেখলাম।
যতই দেখি পরে আবার জানতে পারি আরও কিছু দেখা হয় নি।
রাত্রে মুরুডে থাকলাম। সকালে উঠেই রওনা দিতে হবে পুনের দিকে।
N==রাত্রিবাস মুরুড।
10 the day –
এবার ফেরার পালা।
এবার ফেরার পালা।
মুরুড থেকে গাড়ি পথে পুনে 87 km, এবং পুনে থেকে ফিরলাম নাগপুর।
TOURE -( 10 ) ----END
============================================================
CCCXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXX
===========================================================
============================================================
CCCXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXX
===========================================================
No comments:
Post a Comment