6>নাগপুর ---ভুশওয়াল---অজন্তা---আওরঙ্গাবাদ--ইলোরা & back
14/08/1979 to 20/08/1979= ( 7 দিন )
14/08/1979 to 20/08/1979= ( 7 দিন )
নাগরপুরে থাকার সময়ে একদিন মনে হলো
যাই একটু অজন্তা,ইলোরা ঘুরে আসি।
তিনজনকে সাথী পেলাম ফলে একটু সুবিধা হলো।
যাই একটু অজন্তা,ইলোরা ঘুরে আসি।
তিনজনকে সাথী পেলাম ফলে একটু সুবিধা হলো।
বেরিয়ে পরলাম দুই দিনের ভ্রমণে।
সংক্ষেপে বিবরণ ------
নাগপুর থেকে ---ভুশওয়াল------অজন্তা
-------আওরঙ্গাবাদ-----ইলোরা---আওরঙ্গাবাদ
-----নাগপুর।
সংক্ষেপে বিবরণ ------
নাগপুর থেকে ---ভুশওয়াল------অজন্তা
-------আওরঙ্গাবাদ-----ইলোরা---আওরঙ্গাবাদ
-----নাগপুর।
>প্রথম দিন----
নাগপুর থেকে ট্রেনে পৌঁছে গেলাম ভুশওয়াল। মোটা মুটি 390km ।
নাগপুর থেকে ট্রেনে পৌঁছে গেলাম ভুশওয়াল। মোটা মুটি 390km ।
ভুশওয়াল থেকে গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছলাম
অজন্তা টি জংশনে । ভুশওয়াল থেকে অজন্তা, 71 কিমি।
এখন থেকে ব্যাটারি চালিত গাড়িতে অজন্তা গুহায় পৌঁছলাম।কারণ এক ঘন্টা সময় ছিলো
তাই ওই একঘন্টা একটু ঘুরে আবার টি জংশনে ফিরে আসলাম।
অজন্তা টি জংশনে । ভুশওয়াল থেকে অজন্তা, 71 কিমি।
এখন থেকে ব্যাটারি চালিত গাড়িতে অজন্তা গুহায় পৌঁছলাম।কারণ এক ঘন্টা সময় ছিলো
তাই ওই একঘন্টা একটু ঘুরে আবার টি জংশনে ফিরে আসলাম।
একটি হোটেলে উঠলাম
N==রাত্রিবাস অজন্তা।
(এখানে হোটেলে দুই রাত্রি থেকে ছিলাম।)
N==রাত্রিবাস অজন্তা।
(এখানে হোটেলে দুই রাত্রি থেকে ছিলাম।)
আমাদের পরবর্তী প্ল্যান -----
>দ্বিতীয় দিন ==অজন্তা ভালকরে দেখে তার পরে যেতে হবে
আওরঙ্গাবাদ।
আওরঙ্গাবাদ থেকে গাড়ি ভাড়া করে আওরঙ্গাবাদ ঘুড়ে নিয়েছিলাম।
>দ্বিতীয় দিন ==অজন্তা ভালকরে দেখে তার পরে যেতে হবে
আওরঙ্গাবাদ।
আওরঙ্গাবাদ থেকে গাড়ি ভাড়া করে আওরঙ্গাবাদ ঘুড়ে নিয়েছিলাম।
( পরে জেনেছিলাম যে অটো ভাড়া করে চলে যাওয়া যায় *ইলোরাও।
সেই অটোকে বলে রাখলে সে পরের দিন এসে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।))
সেই অটোকে বলে রাখলে সে পরের দিন এসে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।))
আমরা অজন্তায় থাকলাম। কারণ সকালে ধীরেসুস্থে অজন্তা দেখবার ইচ্ছা ছিল।
পরের দিন মনের স্বাদ মিটিয়ে দিন ভর অজন্তা গুহা দেখলাম।
পরের দিন মনের স্বাদ মিটিয়ে দিন ভর অজন্তা গুহা দেখলাম।
বিকেলের দিকে আধ ঘণ্টা চড়াই ভেঙে
ভিউ পয়েন্টে গিয়েছিলাম । ওপর থেকে সুন্দর লাগে পুরো অজন্তা ও তার চার পাশ।
এখান থেকে সূর্যাস্তও অতি মনোরম দৃশ্য।
ভিউ পয়েন্টে গিয়েছিলাম । ওপর থেকে সুন্দর লাগে পুরো অজন্তা ও তার চার পাশ।
এখান থেকে সূর্যাস্তও অতি মনোরম দৃশ্য।
কুলকুল করে বয়ে চলেছে ছিপছিপে বাঘোড়া। তারই তীরে 850 বছর ধরে তিল তিল করে গড়ে ওঠা এই গুহা।
গাইডের কথা ------
সহ্যাদ্রি পাহাড়ের কোলে বাকাতক রাজাদের কালে খ্রিপূঃ 200 থেকে খ্রিস্টোত্তর 650– এই সময় ধরে গড়ে ওঠে 29টি বৌদ্ধগুহা মন্দির। এদের মধ্যে পাঁচটি, 9, 10, 19, 26 ও 29 নম্বর গুহা চৈত্য অর্থাৎ ছোট্টো ভজনালয় এবং বাকি 24 টি মন্যাস্টেরি বা বিহার, সন্ন্যাসীদের বাসের জন্য ছোট ছোট ঘর।
দেওয়ালচিত্র ও ভাস্কর্যের এমন অপূর্ব সমন্বয় যা দেখে মনে একটাই চিন্তা হচ্ছিল যে সে প্রাচীন কালের মানুষ কতো পরিশ্রম ও একাগ্রতা নিয়ে তৈরি করে ছিলো এমন সব আশ্চর্য জনক সব নিদর্শন যা দেখে আজ আমরা ধন্য হলাম।
গাইডের কথা ------
সহ্যাদ্রি পাহাড়ের কোলে বাকাতক রাজাদের কালে খ্রিপূঃ 200 থেকে খ্রিস্টোত্তর 650– এই সময় ধরে গড়ে ওঠে 29টি বৌদ্ধগুহা মন্দির। এদের মধ্যে পাঁচটি, 9, 10, 19, 26 ও 29 নম্বর গুহা চৈত্য অর্থাৎ ছোট্টো ভজনালয় এবং বাকি 24 টি মন্যাস্টেরি বা বিহার, সন্ন্যাসীদের বাসের জন্য ছোট ছোট ঘর।
দেওয়ালচিত্র ও ভাস্কর্যের এমন অপূর্ব সমন্বয় যা দেখে মনে একটাই চিন্তা হচ্ছিল যে সে প্রাচীন কালের মানুষ কতো পরিশ্রম ও একাগ্রতা নিয়ে তৈরি করে ছিলো এমন সব আশ্চর্য জনক সব নিদর্শন যা দেখে আজ আমরা ধন্য হলাম।
N==>রাত্রিবাস অজন্তা।
>তৃতীয় দিন – সকালে রওনা দিলাম আওরঙ্গাবাদ, 101 কিমি।
দুপুরের খাবার খেয়ে,
দেখলাম আওরঙ্গাবাদের 10 টি গুহা। তারপরে তাজমহলের অনুকরণে তৈরি
বিবি কা মকবরা,
পানি চাক্কি ও তারই চত্বরে
আওরঙ্গজেবের সুফি ধর্মগুরু বাবা শাহর সমাধি তথা দরগা।
এই সকল দেখতে দেখতে সন্ধ্যা হয়ে গেল
আমরা একটি হোটেলে উঠলাম।
দুপুরের খাবার খেয়ে,
দেখলাম আওরঙ্গাবাদের 10 টি গুহা। তারপরে তাজমহলের অনুকরণে তৈরি
বিবি কা মকবরা,
পানি চাক্কি ও তারই চত্বরে
আওরঙ্গজেবের সুফি ধর্মগুরু বাবা শাহর সমাধি তথা দরগা।
এই সকল দেখতে দেখতে সন্ধ্যা হয়ে গেল
আমরা একটি হোটেলে উঠলাম।
ঔরঙ্গাবাদ শহর বিশেষত অজন্তা এবং ইলোরার ঐতিহ্যমণ্ডিত স্থানগুলির জন্য বিখ্যাত। 29-টি পাহাড় কর্তিত গুহার আধিক্য সহ এই গুহা দেশের স্থাপত্য সাফল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসাবে চিহ্নিত। অজন্তার চিত্র সহ ইলোরার ভাস্কর্য সত্যি মুগ্ধ করে। এই শহরের নাম মুঘল সম্রাট, ঔরঙ্গজেবের নামে নামাঙ্কিত যিনি দাক্ষিণাত্যের উপর রাজত্ব করার জন্য একে রাজপ্রতিনিধিত্বমূলক রাজধানী হিসাবে তৈরি করেছিলেন। সম্রাট তার মাকে শ্রদ্ধা জানাতে এখানে বিবি-কা-মকবরা নির্মিত করেন। এটি বিখ্যাত তাজমহলের একটি অনুকরণ। পান চাকি এবং দরওয়াজা প্রাচীন কালের অসাধারণ দক্ষ স্থাপত্যের উদাহরণ।
N==>রাত্রিবাস আওরঙ্গাবাদ।
>চতুর্থ দিন –আজকের গন্তব্য ইলোরা,
আওরঙ্গাবাদ থেকে ইলোরা 30 কিমি।
পৌঁছে গেলাম ইলোরা।
অর্ধচন্দ্রাকারে দাঁড়িয়ে থাকা ভারতের তৃতীয় আশ্চর্য অনুপম ভাস্কর্যের ইলোরা গুহা।
আওরঙ্গাবাদ থেকে ইলোরা 30 কিমি।
পৌঁছে গেলাম ইলোরা।
অর্ধচন্দ্রাকারে দাঁড়িয়ে থাকা ভারতের তৃতীয় আশ্চর্য অনুপম ভাস্কর্যের ইলোরা গুহা।
আমাদের গাইডের কথা ------
ইলোরার গুহাগুলি পশ্চিমমুখী, তাই পড়ন্ত দুপুর তথা বিকেলে যথেষ্ট আলোকিত হয় গুহাগুলি। অনুমান করা হয়, এর নির্মাণকাজ শুরু হয় ছয় শতকের মধ্যভাগে, চলেছিল
500 বছর ধরে। ব্যাসল্ট রক কেটে তৈরি এই গুহাগুলি উত্তর থেকে দক্ষিণে 2 কিমি ধরে বিস্তৃত। গুহামন্দিরের সংখ্যা 34 টি।
হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের সমন্বয় ঘটেছে এই গুহা গুলিতে। 1 থেকে 12 নম্বর বৌদ্ধ গুহা, 13 থেকে 29 হিন্দু গুহা এবং 30 থেকে 34 জৈন গুহা।
স্থাপত্য, ভাস্কর্য আর গঠন সৌন্দর্যে অভিনব 16 নম্বর গুহা তথা কৈলাস গুহা।
ইলোরার গুহাগুলি পশ্চিমমুখী, তাই পড়ন্ত দুপুর তথা বিকেলে যথেষ্ট আলোকিত হয় গুহাগুলি। অনুমান করা হয়, এর নির্মাণকাজ শুরু হয় ছয় শতকের মধ্যভাগে, চলেছিল
500 বছর ধরে। ব্যাসল্ট রক কেটে তৈরি এই গুহাগুলি উত্তর থেকে দক্ষিণে 2 কিমি ধরে বিস্তৃত। গুহামন্দিরের সংখ্যা 34 টি।
হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের সমন্বয় ঘটেছে এই গুহা গুলিতে। 1 থেকে 12 নম্বর বৌদ্ধ গুহা, 13 থেকে 29 হিন্দু গুহা এবং 30 থেকে 34 জৈন গুহা।
স্থাপত্য, ভাস্কর্য আর গঠন সৌন্দর্যে অভিনব 16 নম্বর গুহা তথা কৈলাস গুহা।
এই কৈলাস গুহা থেকেই ইলোরা দর্শন শুরু করতে হয়। সত্যি এমন জিনিষ না দেখলে মনে হয় জীবনটাই বৃথা।
কৈলাস গুহা থেকে বেরিয়ে এসে ডান হাতে 17 থেকে 34 নম্বর গুহা দেখে আবার ফিরে এসে ছিলাম কৈলাস গুহায়।
তারপরে গিয়েছিলাম বাঁ দিকে 15 থেকে 1 নম্বর গুহা দেখতে। 25 ও 26 নম্বর গুহার মাঝখানে পাহাড়ের ঢাল দিয়ে নদী নামছে জলপ্রপাতের মত।
ইলোরাও ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগের তত্বাবধানে এবং 10 টাকা করে টিকিট ।
গেটে ঢোকার পর আরও বেশ কিছুটা পাহাড়ের ওপর উঠে প্রথম দেখার জায়গা।
তারপরে গিয়েছিলাম বাঁ দিকে 15 থেকে 1 নম্বর গুহা দেখতে। 25 ও 26 নম্বর গুহার মাঝখানে পাহাড়ের ঢাল দিয়ে নদী নামছে জলপ্রপাতের মত।
ইলোরাও ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগের তত্বাবধানে এবং 10 টাকা করে টিকিট ।
গেটে ঢোকার পর আরও বেশ কিছুটা পাহাড়ের ওপর উঠে প্রথম দেখার জায়গা।
ইলোরার গুহা।
এখানে ইলোরায় সবমিলিয়ে যা দেখার আছে, তার জন্য এখানে একদিন থাকলে ভালো হয় । ইলোরার গুহার কাছেই মহারাষ্ট্র ট্যুরিজম এর থাকার ব্যবস্থা আছে, চাইলে এখানে থাকা যেতে পারে ।
তবে এখানে এক শত গুহা আছে।
এখানে ইলোরায় সবমিলিয়ে যা দেখার আছে, তার জন্য এখানে একদিন থাকলে ভালো হয় । ইলোরার গুহার কাছেই মহারাষ্ট্র ট্যুরিজম এর থাকার ব্যবস্থা আছে, চাইলে এখানে থাকা যেতে পারে ।
তবে এখানে এক শত গুহা আছে।
ইলোরার গুহায় ইন্দ্রের মূর্তিইলোরার প্রধান বৈশিষ্ট্য এই গুহাগুলো সম্পূর্ণভাবেই পাহাড় কেটে তৈরি করা । আজ থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর আগে আমাদের দেশের শিল্পকীর্তি যে কোন পর্যায়ে পৌঁছেছিল, সেটা আমরা ছোটোবেলায় ইতিহাস বইতে অনেকবার পড়েছি । কিন্তু সেগুলো নিজের চোখে দেখার অভিজ্ঞতাই আলাদা । ডিনামাইট বা কোনওরকম বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের সাহায্য ছাড়া শুধুমাত্র ছেনি আর হাতুড়ির সাহায্যে এত নিপুনভাবে পাহাড় কেটে তৈরি এই গুহা এবং সেইসঙ্গে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম মূর্তি এবং কারুকার্যের কথা ভাবতেই অবাক লাগে।
দেবদেবী মানুষ পশুপাখি গাছপালা কি নেই সেই কারুকার্যের মধ্যে ! তখনকার দিনের মানুষের জীবনযাত্রা, ব্যবহারের সামগ্রী সবকিছুরই নিখুঁত ভাবে তৈরি করা রয়েছে এই কারুকার্যের মধ্যে । এছাড়া রয়েছে গুহার দেওয়ালে আঁকা ছবি । ছবিতে রঙের ব্যবহার বিশেষ প্রশংসার দাবী রাখে ।
একজন গাইড নিলে অনেক কিছুই জানাজায়।
সেই ইকো সাউন্ড এর পিলার।
উপাসনাগৃহ । ঘরটা বেশ বড়,
এই ঘরে এমন ব্যবস্থা করা আছে যে ঘরের কেন্দ্রস্থলে বসে না চেঁচিয়ে কথা বললেও ঘরের সবাই সেটা শুনতে পাওয়া যায় ।
গুহা গুলি দেখার পরে ইলোরার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ – কৈলাস মন্দির ।
একজন গাইড নিলে অনেক কিছুই জানাজায়।
সেই ইকো সাউন্ড এর পিলার।
উপাসনাগৃহ । ঘরটা বেশ বড়,
এই ঘরে এমন ব্যবস্থা করা আছে যে ঘরের কেন্দ্রস্থলে বসে না চেঁচিয়ে কথা বললেও ঘরের সবাই সেটা শুনতে পাওয়া যায় ।
গুহা গুলি দেখার পরে ইলোরার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ – কৈলাস মন্দির ।
কৈলাস মন্দিরঅষ্টম শতকে রাষ্ট্রকূট বংশের রাজত্বকালে তৈরি হয় এই কৈলাস মন্দির । এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এটা একটা পাথর কেটে তৈরি করা । মন্দিরটা দৈর্ঘ্যে ও প্রস্থে বেশ বড় ।
প্রধান মন্দিরটা দোতলা – দোতলাতেই মন্দিরের সামনে একটা চাতাল আর তারও সামনে একটা জায়গা যেখান থেকে অনেকটা জায়গা দেখা যায় । মন্দিরটা ঘিরে একটা বেশি বড় চাতাল আছে আর তাকে ঘিরে আবার আরেকদফা বারান্দার মতো । বড় চাতালটায় হাতির মূর্তি, ওবেলিস্ক-এর মতো বিশাল স্তম্ভ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য ।
>পঞ্চম দিন ইলোরাতেই কাটালামপ্রধান মন্দিরটা দোতলা – দোতলাতেই মন্দিরের সামনে একটা চাতাল আর তারও সামনে একটা জায়গা যেখান থেকে অনেকটা জায়গা দেখা যায় । মন্দিরটা ঘিরে একটা বেশি বড় চাতাল আছে আর তাকে ঘিরে আবার আরেকদফা বারান্দার মতো । বড় চাতালটায় হাতির মূর্তি, ওবেলিস্ক-এর মতো বিশাল স্তম্ভ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য ।
N= রাত্রি বাস ইলোরায়।
>ষষ্ঠ দিন – আবার এগিয়ে চলা
ইলোরা গুহা থেকে 1 কিমি দূরে
দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম গৃষনেশ্বর দর্শনের পরে আবার ফিরে আসলাম আওরঙ্গাবাদ।
এখানে 5 কিলোমিটার দূরে দেখলাম
আওরঙ্গজেবের সমাধি খুলদাবাদ তার পর
9 কিলোমিটার দূরের দেবগিরি তথা দৌলতাবাদ ফোর্ট ।
তারপরে ফিরে গেলাম আওরঙ্গাবাদ।
ইলোরা গুহা থেকে 1 কিমি দূরে
দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম গৃষনেশ্বর দর্শনের পরে আবার ফিরে আসলাম আওরঙ্গাবাদ।
এখানে 5 কিলোমিটার দূরে দেখলাম
আওরঙ্গজেবের সমাধি খুলদাবাদ তার পর
9 কিলোমিটার দূরের দেবগিরি তথা দৌলতাবাদ ফোর্ট ।
তারপরে ফিরে গেলাম আওরঙ্গাবাদ।
আমরা রাত্রেই পেয়েগেলাম ট্রেন
>সপ্তম দিন --
ফিরে আসলাম নাগরপুরে।
ফিরে আসলাম নাগরপুরে।
কিছু জরুরী খবর ------
1) সোমবার ও জাতীয় ছুটির দিন অজন্তা বন্ধ থাকে।
আর ইলোরা গুহা মঙ্গলবার ও জাতীয় ছুটির দিন ইলোরা বন্ধ থাকে।
আর ইলোরা গুহা মঙ্গলবার ও জাতীয় ছুটির দিন ইলোরা বন্ধ থাকে।
অজন্তা গুহা খোলার সময় সকাল 9 টা থেকে বিকেল সাড়ে 5 টা পর্যন্ত।
আর ইলোরা গুহা খোলা সকাল 6 টা থেকে
সন্ধে 6 টা পর্যন্ত।
আর ইলোরা গুহা খোলা সকাল 6 টা থেকে
সন্ধে 6 টা পর্যন্ত।
অজন্তা গুহা দেখার জন্য ডুলি ও চেয়ার মেলে। এখানে বৈদ্যুতিক আলো ভাড়া
পাওয়াযায় গুহা গুলি ভালো করে দেখার জন্য।
পাওয়াযায় গুহা গুলি ভালো করে দেখার জন্য।
2) দৌলতাবাদ ফোর্ট সকাল 9 টা থেকে বিকেল 5 টা পর্যন্ত খোলা। পুরো ফোর্ট না হলেও অন্তত ভুলভুলাইয়া দেখার জন্য গাইড নিতেই হবে।
=====.=================
XXXXXXXXXXXXXXXXXXXXX
=======================
XXXXXXXXXXXXXXXXXXXXX
=======================
No comments:
Post a Comment