Thursday, June 15, 2017

14> ©➽দার্জিলিং ভ্রমণ ::--03/06/2017 to 07/06/2017

14> ©➽ দার্জিলিং  ভ্রমণ :::--
                 <---©-আদ্যনাথ--->

         03/06/2017 to 07/06/2017

[03/06/2017, 10:48]
আমরা বাগডোগড়া এয়ারপোর্ট এতে পৌঁছে গেছি

পথ চলতে চলতে কিছু লিখলাম সেগুলিই আগে লিখলাম 
পরে লিখবো পুরো ভ্রমনের বিবরণ। 
 "ষন্ড মুন্ড"
03/06/2017

ষন্ড গুরুর চেলা মোরা
অন্ড রাখি কাঁখে,
টাটা করি লেজ নাড়িয়ে
গোময় পারফিউম মেখে।
ষন্ড গুলোর অন্ড দেখো
কেমন চর্ম ঝোলার মতো,
মেজাজ দেখায় মাথা গুঁজে
শিং উঁচিয়ে ফোঁস ফাঁস কতো।
গরু গুলো মাতা হোল
ষন্ড গুলো দাতা,
গরু দেখলেই 
লাফিয়ে ওঠে
যেন বিধাতার 
জন্মদাতা।

এই টুকু লিখেই টাটার উত্তর বাইবাই করলাম।
ভালো না লাগলে গালি দেবেন না , কারন ষন্ড মুন্ডের কারবার।
দেখা হলেই বলবো বিস্তার ।
03/06/2017: just before going to Air port.
SN BOSE AIR PORT TO BAGDOGRA AIR PORT
ষন্ড গুলো নয়  ভন্ড 
শুভ্র চেহারা 
শুভ্র দাড়ি ,
চেলা বেশিষ্ট 
অনেক বিশিষ্ট।
ওরাই শ্রেষ্ঠ
আর সকলে নিকৃষ্ট,
উৎকৃষ্ট নিকৃষ্ট 
ষন্ড দের অন্ড দেখেই চিনি।
ষন্ড দের কান্ড 
নাই মাথা মুন্ড।
নাই কারো শুন্ড,
আছে বড় অন্ড,
হল কি কিছু পন্ড?
হলেও পন্ড 
রাগ কিন্তু প্রচন্ড।
খায় শুধু মন্ড।
আসলে নয় মন্দ।
হলেও হতেপারে আনন্দ।
মিলাতে ষন্ড র ছন্দ,
অনেক হোল যে কান্ড।
করুন একটু আনন্দ।
---ANRC----03/06/2017
------দার্জিলিং।
=======================

[03/06, 12:48 PM] 

Karsiyang এর weather খুব আনন্দদায়ক।

পাহাড়ি রাস্থায় চড়াই রোড
রোদ ঝলমল দিগন্ত,
নিচে মেঘ গুলো ভাসমান
পেজা তুলোর মতো।
হঠাৎ এল রিমঝিমিয়ে 
এক পশলা বৃষ্টি
প্রকৃতির কি অপরুপ সৃষ্টি,
এখন দেখি নীচে অন্ধকার,
যেন আকশটাই 
নেমে গেছে অনেক অনেক নিচে।
মেঘ গুলো দলবেঁধে
বার বার ভিজিয়ে দিচ্ছে
আমাদের সমু।
কি অপূর্ব আমাদের
যাত্রার শুরু।
যদিও বুক করছে দুরু দুরু
তবুও অপূর্ব অপূর্ব শুরু।

03/06/2017
বউ নিয়ে কথা হোলে
কার না হ্রীদয় কাঁপে,
মনে জাগে আনন্দ লহোর।
বউ হোল অমূল্য ধন
তার কথা হোল জখোন,
বলতে হবে তো কিছু
ভাল বা মন্দ কিছু ।
জীবনটা তো কাটাতে হবে
ওরই পিছু পিছু
তাইতো বলবার 
আছে অনেক কিছু।
বলবো নয় তো গোপনে
মনের কথা জতনে।

গাড়ি তে বসে লেখা যা চড়াই ও  বাঁক তাঁতেকি লেখা যায়।
তবুও লিখেছি। 
===============
চলতে চলতে বেশ ঠান্ডা অনুভব করছি।
চারিপাশের প্রকৃতিও বেশ মনোরম সুন্দর।
হোটেলে নিশ্চয় থাকবে রুম হিটার 
তাই ঘুম হবে ভালো।
পরে জানতে পারলাম হোটেলের রুমে
নাই রুম হিটার,
আছে Ded Hiter.
মানে এখানে বিছানার চাদরের নীচে
হিটার বেডসীট আছে ,বিছানা গরম করতে।
সেটা চালু করে দিলে বিছানা গরম হবে,
তবেতো ঘুমাবে।

[03/06, 8:46 PM]

তাইতো রুমে ঢুকতেই চালু করে দিল গিজার
ও Bed Hiter.
গরম জল পেতে গিজার ও বিছানা গরম করতে
বেড হিটার।
ব্যবস্থা একটু অন্যরকম হলেও বেশ ভালো।
ইলেক্ট্রিকের সাশ্রয়। কিন্তু ব্যবস্থা ভালো।
==========================
রাজ ভবনের একটু পাশেই 
আমাদের হোটেল। Hotel Nirvan.
রাজ ভবন , আর ভানু ভবন এর পাশ দিয়ে ম্যালে যাবার রাস্তায়।কাঞ্চনজঙ্ঘা ভিউ পয়েন্ট এতে
হোটেল থেকে ম্যাল খুব কাছে। হোটেল থেকেই কাঞ্চনজঙ্ঘা খুব ভাল দেখা যায়।
========================
দারজলিং দেখলাম আবার
03/06/2017
ছত্রিশ বৎসর পরে এলাম 
পুনরায় দারজলিং ভ্রমণে।
আমূল পরিবর্তন দেখলাম
পাহাড়ি বাতায়নে।
সেদিন ছিল গোনা গুনতি
বেশ কিছু কাঠের বাড়ি,
আজ চারিদিকে শুধু
উঁচু উঁচু অট্টালিকায় ঘেরা।
এতটুকু জায়গা নেই কোথাও,
অসম্ভব মানুষের ভিড় ,
সকলেই অস্থির।
টয়ট্রেন সে আজ হেরিটেজ
সেদিন টয়ট্রেনে থাকতো কতো ভিড়।
আজও আছে টয় ট্রেন 
দুই প্রকার ডিজেল চালিত
ও কয়লা চালিত।
কিন্তু সেদিনের মতো নয়।
এই আধুনিকতায়
আগের মজা কোথায়?
আজ দেখলাম দাঁড়িয়ে আছে
পুরোনো দিনের ইতিহাস হয়ে,
সেই পুরোনো টয় ট্রেন,
বর্তমানে হেরিটেজ।
পাহাড়ের ঢালে ঢালে ছিলো
কতো কাঠের বাড়ি।
কিসুন্দর সব চা বাগানের 
অপূর্ব দৃশ্য,
সে কি ভোলা যায়,
আজো আছে চা বাগান
কিন্তু সেদিনের সে বাগান
আর আজকের বাগান,
বাগান ঠিকই কিন্তু সেদিনের মত
নাই যে প্রাণ ।
আজও  আছে ওদের মুখে 
সেই সরল হাসি,আর প্রাণ,
কিন্তু সমাজের আধুনিকতার 
প্রবল চাপে মনে হয় ওরা
দ্রুত হারাচ্ছে সেই নির্মল হাসি ও
নাই কোন প্রাণ।
আলাপ হোল বৃদ্ধা এক
শ্রমিকের সাথে।
জানলাম ফারাক সেদিনের
আর আজকের সাথে।
হয়েছ অনেক অনেক দোকান
কিন্তু ওদের মধ্যে নাই সে প্রান।
তখোন হোটেল ছিল কটা?
প্রতিটি বাড়িতেই ছিল 
অতিথি (টুরিস্ট ) রাখবার সুব্যবস্থা।
কি সুন্দর ছিল 
ওদের সাথে মিলনের 
এক আত্মা হবার সুযোগ ব্যবস্থা।
এখনো আছে ওদের হৃদয় বোধহয়
আগের মত।
কিন্তু আধুনিকতা যেন ওদের 
দূরে করে দিয়েছে কত অসহায়।
আজ ঝলমল করছে মেল
কিসুন্দর অজস্র মানুষের ভিড়,
আমি খুঁজে চলেছি 
সেই পুরান দিনের
সেই জীবন্ত প্রানোজ্জ্বল মেল।
রাজনীতি ও আধুনিকতার দৌড়ে
পাহাড়ি সরল মানুষ গুলো আজ
মনেহয় হাঁপাচ্ছে।
নিত্য দিনের কঠোর পরিশ্রম
ওদের শান্ত নির্মল মনে
হানছে কতনা আঘাত।
দেখলাম আজও মুটিয়া
বয়ে নিয়ে চলেছে পিঠে 
বিশাল বোঝা পাহাড়ি চড়াই পথে।
জানিনা কেন মনেহয়
পর্যটন শ্রেষ্ঠ দার্জিলিং
দিন দিন হারাচ্ছে প্রাণ,
পরিবেশ প্রকৃতিও যেন 
আজ কলুষিত বিপণন,
পর্যটনের ভিড়ে।
পর্যটকদের সুচিন্তার অভাবে।
ক্রমর্ধমান হোটেল ও দোকানের তাগিদে
প্রতিদিন হচ্ছে বৃক্ষ, বনাঞ্চল ধ্বংস
ভয়ঙ্কর রূপে পাল্টাচ্ছে প্রকৃতি এদের প্রভাবে।
-------ANRC----03/06/2017
=====================

[04/06, 9:19 AM]
আজ এখন kreakfast এতে ব্যাস্ত।

এখানে বেশ ঠান্ডা হাওয়া বইছে তাই 
জ্যাকেট গায়ে দিতে হোল।
জ্যাকেট গায়ে দিয়ে ভাবছি
দুই দিনের ঠান্ডা তার পরেই তো আবার
সেই কোলকাতা 
আবার সেই প্যাচ প্যাচে গরম।
চিন্তা করেই
খারাব হয় মনটা ।
[04/06, 5:04 PM] 
( fb এতে কিছু মন্তব্য পেলাম।
সেই মন্তব্যর পরিপেক্ষিতে লিখতে হোল)

হাঁ বুঝলাম 
ভাবে একটু পার্থক্য হলেও
হতে পারে।
কিন্তু ভাবনার কোন পার্থক্য
যে নাই তা বোঝা সহজ।
দার্শনিক চিন্তার প্রেক্ষাপটে 
হয়তো আছে অনেক বিতর্ক ।
কিন্তু দর্শনের ভাবধারায় মিলন অনেক।
যদিও তার্কিক বিষয় গুলি
এরকমই হয়।
তবুও মানুষে মানুষে পার্থক্য
করতে এই বিষয় গুলিই 
আলোচনার মণিকোঠায় রয়।
যদিও এর পরেও থাকে
সময়ের ব্যবধানের 
আলচ্য বিষয়।
এসকলি চিন্তা প্রসূতির
দৃষ্টির নিলয়।
তবুও  চিন্তা ও চিন্তাধারার
মধ্যেও পার্থক্য অনেক হয়।

[04/06, 5:14 PM] 
চিন্তা,ভাবনা,দৃষ্টি
এগুলি তার্কিক আলোচনার 
সুক্ষ বিষয়।
যদিও সকলি সময়ের নিরিখে
থেকে মাতৃ জঠরে শিশুর মত
সুরক্ষিত ( প্লাজমা বেষ্ঠিত)।
তবুও ভাবনার মিলনেই
অনেক আনন্দ প্রাপ্তি হয়।

[04/06, 10:49 PM]

এই মাত্র হোটেলে ফিরলাম 
এখনো জামাপ্যান্ট পাল্টায়নি।
আর আমার ঘুম তাতো রাত্রি 3 to 7am
================
[05/06, 9:55 AM] 
What'sApp এতে উত্তর দিতে------
এক মাত্র উপায় 
নেতা হয়ে যান
নেতাদের কোন চিন্তা নেই 
সব নেতারাই বারবার আসে 
দার্জিলিং।বড় মাপের নেতারা  তো 15 দিন অন্তর বোধ হয় ।
এলাকার উন্নতির চিন্তা করতে,ভাবতে  
এলাকাতে তো আসতেই হবে।
ওই যে একটা গান "এবার মলে (মড়লে)শুতো হবো"
আমি ভাবছি আবার যদি মানুষ হয়ে জন্মাই তবে 
নিশ্চিত রূপে নেতাই হবো।
কারন নেতা না হলে কারুর কোন উন্নতি হয় না।
নিজের তো হয়ই না।
তাই নেতা হয়ে আগে নিজের উন্নতি,তারপরে, নিজের কাছের লোক এবং নিজের আত্মীয় স্বজনের উন্নতি।
তার পরে যদি আবার চান্স আসে তবে দেশের জন্য ভাবা যেতে পারে।
নেতাদের কোলকাতার গরমে নিবাস হবে দার্জিলিং।
আর কোলকাতার শীতে নিবাস হয় দীঘা কিংবা পুরী।

[05/06, 6:49 PM]
এবার দার্জিলিং এ কিছু চা পান করলাম।
চা তো নয় যেন অমৃত সমান লিকার ।
আহঃ কি অপূর্ব গন্ধে স্বাদে 
যা অতুলনীয়।
আজ 05/06/2017 বিকেল /সন্ধ্যা 6টায় চা খেতে এলাম Nathmulls এতে।
প্রথমে খেলাম চা যার এক পট মনে 4 কাপের দাম ₹450/-+ tax . খুবই ভাল লাগলো।
তাই আধা ঘন্টা পরে অর্ডার দিলাম চা যার দাম ₹400/- টাকা এক কাপ।
এই চায়ের এক কেজির দাম
₹25000/-& above 
দিলাম অর্ডার অন্তত এক দিনতো পান করে দেখি
₹25000/- টাকা দামের চা এর লিকার।
আধা ঘন্টা পরে আসলো সেই 
অপূর্ব লিকার ,
ওরা চা এর ট্রে দিয়েই 
লিকারের গন্ধ শোকাল অভূতপূর্ব গন্ধ।
তারপরে দিলাম লিকারে চুমুক।
সত্যি কি অপূর্ব তার স্বাদ।মেজাজ।
বলে বোঝান যাবেনা।
লিকারের যে এমন স্বাদ হয় তা জানাছিলনা
মন প্রাণ ভরে গেল।
এক অপূর্ব আমেজে মন আপ্লুত।
এবারে আমরা হোটেলে গেলাম রাত্রের
খাবার খেতে।
ওখানে গিয়ে আবার সবাই একসাথে হলাম
কারন ঝুমা, অনামিকা, রাজা মার্কেটিং এতে
গিয়ে ছিল।
ওরা ফিরলে আমার ও সাম্যর মুখে ওই বিশেষ চা এর কথা শুনে ঝুমা সাম্যকে পাঠিয়ে ওই 
Nathmulls থেকে ওই বিশেষ চা কিনে আনতে বললো।
সাম্য 100গ্রাম চা কিনে আনলো ।
100grm--₹3000/-টাকায়
কারন ওদের বক্তব্য এই চা খুবই কম চলে।
কেউ অর্ডার দিলেই প্যাকেট খোলাহয়।
1কিলো নিলে ₹25000/- (পঁচিশ হাজার টাকা)
কিন্তু লুজ নিলে ₹30000/-(ত্রিশ হাজার টাকা দরে)
যাইহোক এমন চা খাওয়া হোল এবং চা পাতা কেনাও হোল।
=============================
05/06/2017
আজ সকালে পেলাম দেখা অপূর্ব সেই কাঞ্চনজঙ্ঘা দৃশ্য।

বার্ধক্য ও ভ্রমন---
--------দার্জিলিং ভ্রমণ কালে-------
----05/06/2017-----------

সময়ের সাথে বয়স বাড়ে,
শরীরে ঘটে কতো পরিবর্তন।
জীবন চক্রে চলতে থাকে এহেন
সময় ও শরীর আবর্তন।
সময় তো চলে নিজের মতন।
তার একান্ত নিজেস্ব গতিতে।
শরীর তাল হারিয়ে পিছিয়ে
অতীত কে খোঁজে জখোন,
তখনই শরীরে বার্ধ্যকের রেখা টানে।
মন চাইলেও তখন
শরীর দেয়না সারা সর্বক্ষণ।
দিন প্রতিদিন মন নিজের মতন
খুঁজে চলে কতো নিত্য নুতন।
হয়তো শরীর ক্ষনিকের তরে 
করতে চায় উপভোগ তারে।
সেই বৃদ্ধ মন চাইলেও তখন
বয়সের ভারে শরীর অপারগ।
এটাইতো প্রকৃতির অমোঘ নিয়ম।
হয়তো বা কেউ যোগ ব্যামের বলে 
ধরে রাখতে চায় চির যৌবন।
সেতো ক্ষনিকের ব্যতিক্রম।
জীবন,সংসার,নিত্য দিনের 
হরেক কর্তব্যের মাঝেও কখনো
মন চায় একটু হালকা হতে,
নিরালায় একটু ঘুরে বেড়াতে,
প্রকৃতির সাথে একটু মিলে যেতে।
তখনই মানুষ বেরিয়ে পড়ে
নিজের সাধ্যানুসারে কাছে কিংবা দূরে,
ধার্মিক স্থানে,পাহাড়ে,সমুদ্রের ধারে।
যেখানে মন হবে একটু হালকা।
তাইতো ভ্রমন আনন্দদায়ক,সুন্দর,
স্বাস্থ্যকর,মন হয় উদার,শরীর হালকা,
কিছু সময়ের জন্য মনকে  ভুলিয়ে রাখা।
বর্তমানের সংসার জীবন সেতো
অফুরন্ত গতি ও নিত্য নুতন চাহিদা।
কিছুক্ষনের জন্য তাকে ভুলে থাকা
ভ্রমনেই সম্ভব এমন নিরালায় থাকা।
--------ANRC-------05/06/2017
--------দার্জিলিং ভ্রমণ কালে-------
==========================
[07/06, 7:46 AM] 
অপেক্ষায় রইলাম।
আসার আশায় রইলাম বসে
আপনাদের পথ চেয়ে।
কবেহবে আবার দেখা।
সামনেই বলবেন জখোন
প্রাণ ভোরে শুনবো তখোন।
শুনে জেনে ভরবে প্রাণ
কাছে আসার পাবো ঘ্রাণ।
আনন্দেতে নাচবে মন
অনেক কথাই হবে তখন।
সেই আনন্দের পূর্বাভাসে
এখনই  মন আনন্দে ভাসে।

[07/06, 2:58 PM]
এইমাত্র হাওড়ায় নামলাম।
দাজিলিং এর ঠান্ডা থাকে বেড়িয়ে শতাব্দিদ ঠান্ডা উপভোগ করে কলকাতার আগুনের হলকাতে ঢুকলাম।

[07/06, 7:50 PM] 

আগুনের হালকা হওয়া
ওতেই তো কেটেছে 30 বছর।
এখন ক্ষনিকের A/C র হওয়া
মনেহয় বলির পূর্বে পাঠার স্নানে  স্নিগ্ধ শুদ্ধি করণ।
আবার ঝেলতে হবে আগের মতন ।
এটাইতো আমার জীবন।
চিন্তা নেই আছি থাকবো
জতো দিন বাকি কর্মফল।
প্রকৃতি নেবে সমান সমান
যেমন দিয়েছি তার প্রতিদান।
চলতেহবে টানতেহবে চিন্তাকি
সময়কে ফাঁকি দেওয়া জাবেকি ?
ভাগ্য লিখন ও ভবিতব্য
খণ্ডাতে চায় সে যে অজ্ঞ।
আমিতো জ্ঞান পাপী অতী
জানা আছে আমার গতি।
এ নয় সুপ্ত হৃদয়ের করুন বেদনা,
এ আমার একান্ত চিন্তা ভাবনা।
=========+==============
বাঙালি উদম পাগল
04/06/2017::10:51pm

বাঙালি উদম পাগল 
ভ্ৰমনে ও মার্কেটিং কতটা
বোঝাযায় ভ্ৰমনে বেরিয়ে পড়লে
গরমের ছুটিতে পাহাড়ে ঠান্ডায় গেলে।
খাবারের কথা নাই বললাম আজ।
ভোজন রসিক বাঙালি
বদনাম চির কাল।
ধারে কাছে দার্জিলিং
একটু দূরে কাশ্মীর বেশ।
আরো কতো শত
জায়গা আছে কি তার শেষ।
মন ও পকেটের জোর থাকলে
ভ্রমনের আসল আনন্দ মেলে।
বাঙালি এতো করেনা চিন্তা
মন হলেই বেরিয়ে পড়ে 
জখোন যেদিকে চায় মনটা।
বাঙালির কাছে ভ্রমনটাই আসল
বিলাসিতা ও শখের ভ্রমণ
সেতো সকলের জন্য নয়।
বাঙালির ভ্রমন মানে বেরিয়ে পরা
একটু সস্তায় খাওয়া থাকা দর্শন,
মনের মতন সস্তার মার্কেট পেলে 
বউ এরআবদারে কিছু কেনা কাটা।
গরমের ছুটিতে যেখাই যাও
বাঙালি
=======================

B)।।সাথে দার্জিলিং টি।।
03/06/2017
রোধ ও বৃষ্টির মিলনে 
সন্ধ্যায় মেঘলা আকাশে
ভালোই কাটলো 
আজকের দিন টি।
সাথে দার্জিলিং টি
জমল ভালোই
নাইবা হল ফাটাফাটি।
ইয়াম্মি ইয়াম্মি ই ঠিক।
"===================
C)।।পাহাড়ি রাস্থায় চড়াই রোড
    03/06/2017
পাহাড়ি রাস্থায় চড়াই রোড
রোদ ঝলমল দিগন্তে 
নিচে মেঘ গুলো বভাসমান
পেজ তুলোর মতো।
হঠাৎ এল রিমঝিমিয়ে 
এক পশলা বৃষ্টি
প্রকৃতির কি অপরুপসৃষ্টি,
এখন দেখি নীচে অন্ধকার
যেন আকশটাই 
নেমে গেছে অনেক অনেক নিচে।
মেঘ গুলো দলবেঁধে
বার বার ভিজিয়ে দিচ্ছে
আমাদের সমু।
কি অপূর্ব আমাদের
যাত্রার শুরু।
যদিও বুক করছেদুরু দুরু
তবুও অপূর্ব অপূর্ব।
03/06/2017
=≠===================
D)।।"ষন্ড মুন্ড"।।
03/06/2017

ষন্ড গুরুর চেলা মোরা
অন্ড রাখি কাঁখে,
টাটা করি লেজ নাড়িয়ে
গোময় পারফিউম মেখে।
ষন্ড গুলোর অন্ড দেখো
কেমন চর্ম ঝোলার মতো,
মেজাজ দেখায় মাথা গুঁজে
শিং উঁচিয়ে ফোঁস ফাঁস কতো।
গরু গুলো মাতা হোল
ষন্ড গুলো দাতা,
গরু দেখলেই 
লাফিয়ে ওঠে
যেন বিধাতার 
জন্মদাতা।

এই টুকু লিখেই টাটার উত্তর বাইবাই করলাম।
ভালো না লাগলে A TO BAGDOGRA AIR PORT


ষন্ড গুলো নয়  ভন্ড 
শুভ্র চেহারা 
শুভ্র দাড়ি ,
চেলা বেশিষ্ট 
অনেক বিশিষ্ট।
ওরাই শ্রেষ্ঠ
আর সকলে নিকৃষ্ট,
উৎকৃষ্ট নিকৃষ্ট 
ষন্ড দের অন্ড দেখেই চিনি।
ষন্ড দের কান্ড 
নাই মাথা মুন্ড।
নাই কারো শুন্ড,
আছে বড় অন্ড,
হল কি কিছু পন্ড?
হলেও পন্ড 
রাগ কিন্তু প্রচন্ড।
খায় শুধু মন্ড।
আসলে নয় মন্দ।
হলেও হতেপারে আনন্দ।
মিলাতে ষন্ড র ছন্দ,
অনেক হোল যে কান্ড।
করুন একটু আনন্দ।
---ANRC----03/06/2017
------দার্জিলিং।
=======================
E)।।দারজলিং দেখলাম আবার
03/06/2017
ছত্রিশ বৎসর পরে এলাম 
পুনরায় দারজলিং ভ্রমণে।
আমূল পরিবর্তন দেখলাম
পাহাড়ি বাতায়নে।
সেদিন ছিল গোনা গুনতি
বেশ কিছু কাঠের বাড়ি,
আজ চারিদিকে শুধু
উঁচু উঁচু অট্টালিকায় ঘেরা।
এতটুকু জায়গা নেই কোথাও,
অসম্ভব মানুষের ভিড় ,
সকলেই অস্থির।
টয়ট্রেন সে আজ হেরিটেজ
সেদিন টয়ট্রেনে থাকতো ভিড়,
আজ আছে টয় ট্রেন হয়তো
কিন্তু এই আধুনিকে
আগের মজা কোথায়?
আজ দেখলাম দাঁড়িয়ে আছে
পুরোনো দিনের ইতিহাস হয়ে,
সেই পুরোনো ট্রেন,
বর্তমানে হেরিটেজ।
পাহাড়ের ঢালে ঢালে ছিলো
কতো কাঠের বাড়ি।
কিসুন্দর সব চা বাগানের 
অপূর্ব দৃশ্য,
সে কি ভোলা যায়,
আজো আছে চা বাগান
কিন্তু সেদিনের সে বাগান
আর আজকের বাগান,
বাগান ঠিকই কিন্তু সেদিনের মত
নাই যে প্রাণ ।
আজও  আছে ওদের মুখে 
সেই সরল হাসি,আর প্রাণ,
কিন্তু সমাজের আধুনিকতার 
প্রবল চাপে মনে হয় ওরা
দ্রুত হারাচ্ছে সেই নির্মল হাসি ও
নাই কোন প্রাণ।
আলাপ হোল বৃদ্ধা এক
শ্রমিকের সাথে।
জানলাম ফারাক সেদিনের
আর আজকের সাথে।
হয়েছ অনেক অনেক দোকান
কিন্তু ওদের মধ্যে নাই সে প্রান।
তখোন হোটেল ছিল কটা?
প্রতিটি বাড়িতেই ছিল 
অতিথি রাখবার ব্যবস্থা।
কি সুন্দর ছিল 
ওদের সাথে মিলনের 
এক আত্মা হবার সুযোগ ব্যবস্থা।
এখনো আছে ওদের হৃদয় বোধহয়
আগের মত।
কিন্তু আধুনিকতা যেন ওদের 
দূরে করে দিয়েছে কত অসহায়।
আজ ঝলমল করছে মেল
কিসুন্দর অজস্র মানুষের ভিড়,
আমি খুঁজে চলেছি 
সেই পুরান দিনের
সেই জীবন্ত প্রানোজ্জ্বল মেল।
রাজনীতি ও আধুনিকের দৌড়ে
পাহাড়ি সরল মানুষ গুলো আজ
মনেহয় হাঁপাচ্ছে।
নিত্য দিনের কঠোর পরিশ্রম
ওদের শান্ত নির্মল মনে
হানছে কতনা আঘাত।
দেখলাম আজও মুটিয়া
বয়ে নিয়ে চলেছে পিঠে 
বিশাল বোঝা পাহাড়ি চড়াই পথে।
জানিনা কেন মনেহয়
পর্যটন শ্রেষ্ঠ দার্জিলিং
দিন দিন হারাচ্ছে প্রাণ,
পরিবেশ প্রকৃতিও যেন 
আজ কলুষিত বিপণন,
পর্যটনের ভিড়ে।

    <---©-আদ্যনাথ--->

-------ANRC----03/06/2017