Wednesday, March 22, 2017

12> ভ্রমন এলাহাবাদ ::--সীতামারি-

12>ভ্রমন এলাহাবাদ ::---সীতামারি

ভ্রমন এলাহাবাদ ::---
এলাহাবাদ গিয়েছিলাম পঙ্কজ, ধীরজ দের বাড়ি। সেখান থেকে ঘুরে বেড়ালাম এলাহাবাদ শহর।

প্রয়াগরাজ---(গঙ্গা, যমুনা, ও অন্তঃসলিলা সরস্বতীর সঙ্গমস্থল)----- ---সীতামারী---

এলাহাবাদ বা প্রয়গ ভারতের প্রাচীনতম তথা প্রবিত্রতম শহর। উত্তর ভারতের প্রাণদায়ী দুটি প্রধান নদী গঙ্গা ও যমুনার সঙ্গমস্থলে সরস্বতী (যা বর্তমানে অদৃশ্য) মিশেছে। তিন নদীর সঙ্গমস্থলে অর্থাৎ ত্রিবেণীকে ঘিরে প্রতি বছর মাঘমাসে বসে মকরসংক্রান্তি মেলা। ছয় বছর অন্তর অর্ধকুম্ভ  আর বারো বছর অন্তর বসে পূর্ণকুম্ভ মেলা। পিতামহ ব্রহ্মা 'প্রকৃস্ট যজ্ঞ' করে এই স্থানের নাম রাখেন 'তীর্থরাজ'। আকবর ১৫৭৫ সালে প্রয়াগে এসে পত্তন করেন 'ইলাহাবাস' নামে নতুন নগর। এরপর ১৫৮৩ সালে সুবিশাল দুর্গ নির্মিত হল। আর ব্রিটিশ শাসনের সময় উত্তর-পশ্চিম প্রদেশের সদর দপ্তর আগ্রা থেকে সরিয়ে এলাহাবাদে আনার পর থেকে আধুনিক শহর হিসাবে গুরুত্ব বারে। 

কী দেখবেন:

1>●সঙ্গমস্থল---
লোককাহিনী--গঙ্গা, যমুনা, ও অন্তঃসলিলা সরস্বতীর সঙ্গমস্থলে কয়েকফোঁটা অমৃত পরেছিল। তাই সঙ্গম মাহাত্ম্যে বিশ্বাস করে যুগযুগান্তর ধরে মানুষ এখানে ছুটে এসেছে অবগাহন করার জন্য। শেয়ার নৌকায় উঠে মাঝনদীতে সঙ্গমে যেতে কোনও সমস্যা নেই। নিজে থেকে আলাদা ভাবে একলা বা রিজার্ভ করে যেতে হলে  ভালকরে কথা  বলে টাকা পয়সার ব্যাপারে আগে থেকেই চুক্তি করে নিলে ভালো।



2>●এলাহাবাদ ফোর্ট:----
সঙ্গমের কাছে আকবরের তৈরি সুবিশাল কেল্লা যার অধিক অংশ মিলিটারিদের দখলে। সামনের অংশে পাতালপুরী মন্দির ও অক্ষয়বট দাঁড়িয়ে আছে। কেল্লার মূল প্রবেশ পথের কাছে আছে খ্রিষ্টপূর্ব ২৩২-এ নির্মত অশোকস্তম্ভ। 



3>●. বড়া হনুমান মন্দির:---

 সঙ্গমের কাছে এই অভিনব মন্দিরে দেখবেন পবনপুত্র হনুমানের বেশ বড় আকারে শায়িত মূর্তি। বলা হয় বছরে একবার হলেও সঙ্গমের জল ফুলে উঠে পবনপুত্রের চরণ ধুইয়ে দেয়।

4>●. শঙ্কর বিমান মন্ডপম:---
 সঙ্গমের কাছে হাল আমলে তৈরি ১৩০ ফুট উঁচু চারতলা মন্দিরের বিভিন্ন তলায় আছেন তিরুপতি বালাজি, কামক্ষাদেবী, সিবলিঙ্গ সহ জগৎ গুরু শঙ্করা চার্যের বিগ্রহ।

5>●. আনন্দভবন::--
 নেহরুর পৈতৃক বাসভবন এখন জাতীয় সংগ্রহশালা। পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের ব্যক্তিগত ব্যবহৃত জিনিসপত্র এখানে খুব সুন্দর করে সাজানো আছে। এখনে আছে স্বরাজভবন ও জহর প্ল্যানেটোরিয়াম। 

6>● খুসরুবাগ::---

 সুসজ্জিত উদ্যানের মাঝে জাহাঙ্গিরের বড়ছেলে খুসরুর এই সমাধি সৌধ মোগল স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত। বেলে পাথরের এই সৌধের পাশে যুবরাজের মা শাহ বেগমকে সমাহিত করা হয়েছে। 


এই প্রধান দর্শনীয় স্থনগুলো ছাড়াও এলাহাবাদে দেখার মতন আছে::--- 

★মিউজিয়াম 
★ভরদ্বাজ আশ্রম 
★বেনীমাধব মন্দির 
★কল্যানীদেবী মন্দির (সতীপীঠ বলে বিশ্বাস ) 
★আলোপীদেবী মন্দির 
★নাগবাসুকী মন্দির 
★শিবকুটি 
★অল সেন্টস ক্যাথিড্রাল 
★সেন্ট জোসেফস ক্যাথিড্রাল 
★পাত্থর গির্জা 
★হনুমান নিকেতন 
★চন্দ্রশেখর আজাদ পার্ক 
★এলাহাবাদ জংশন স্টেশন থেকে ৮ কিমি দূরে Indian Institute of Information Technology. 

চুক্তিতে অটো ভাড়া করে প্রতিটি স্পটের নামকরে ভাড়া চুক্তি করে পস্পটগুলো ঘুরে দেখাই ভাল।
 
এর পরে আছে----
★বৌদ্ধতীর্থ কৌশাম্বি::----
এলাহাবাদ থেকে মাত্র 60 কিলোমিটার

★লাক্ষাগৃহ (৪৫ কিমি) এখানে পান্ডবদের পুড়িয়ে মারার জন্য জতুগৃহ নিমৃত হয়েছিল।

★সীতামারি (54 কিমি দূরে সীতার প্রাপ্তিস্থল)। 


সিতামারি U.P. জেলা:--ভদোই 
সিতামারি ( সিতার পাতাল প্রবেশ স্থল)
উত্তর প্রদেশ , জেলা::-- ভদোই।
এলাহাবাদ থেকে 54 কিলোমিটার।
এখানে সুন্দর কাঁচের মন্দির আছে সিতামাতার। বলাহয় এইস্তানে সিতামাতা পাতাল প্রবেশ করেছিলেন।
কিন্তু সেই পুরাতন ইতিহাসের কোন চিহ্ন দেখিনি। তথাপি মানুষের বিশ্বাসের মূল্য কে আগ্রা ধিকার দিতেই হয়।
Sits temple
Sita Samahit Sthal (Sitamarhi) in Bhadoi district of Uttar Pradesh,
এই পবিত্র স্থানটি পঙ্কজেরের (Dhn,katras, Bhatmurna)শুশুর বাড়ির নিকটে। কাঁচের সেই মন্দিরটি এতটাই সুন্দর যে আমি অবাক হয়ে দেখছিলাম।
তার পাশেই এক তৈরিকরা পাহাড়ের উপরে বিশাল হনুমান জীর মূর্তি।
যেটি বহু দূর থেকে দেখাযায়।
প্রায় 100 ফুট উঁচু পাহাড় ( Man maid)
তার উপরে প্রায় 100ফুট হনুমাজ জীর দন্ডায়মান মূর্তি।
এবং সেই পাহাড়ের গুহায় সমগ্র রামায়ণের নানান কাহিনীর চিত্র ও ছোট ছোট পুতুল সাজিয়ে রামায়ণের ঘটনার বর্ণনা ও প্রদর্শন। সত্যিই খুব সুন্দর।

এটি কিন্তু বিহারের সিতামরি জেলার সেই সিতামরি নয়। এটি উত্তর প্রদেশের ভদোহই জেলায় এলাহাবাদ থেকে 
54 কিলোমিটার।

 (The Sita Samahit Sthal (also called Sitamarhi) in Bhadoi district in Uttar Pradesh )
 This place is not to be confused with the district of Sitamarhi which is located in the northern part of the Bihar State)
(This place is located about 54 kms from Allahabad. One option is to take the NH 19 from Allahabad via Shastri Bridge which eventually joins NH2 (Delhi to Calcutta Highway) and at a point which is between Allahabad and Varanasi, one takes a right turn (turn to the South) and travel about 10km of rough village road to reach Sitamarhi.
Part of Sitamarhi is located right on the banks of the river Ganges. 
রামায়ণের গল্প বা লোককাহিনী এমন যে
অত্যাচারী রাবণের হাত থেকে সীতাকে উদ্ধার করার পর রামচন্দ্র 
নিজের রাজ সিংহাসনে বসে প্রজাদের তুষ্ট করতে রাবণের গৃহে বহুদিন যাবৎ বন্দিনী সীতার চরিত্রের পবিত্রতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রামচন্দ্র তাঁকে ত্যাগ করে  বনবাস দিলেন।
সেই বনবাস কালে  পুত্র লব এবং কুশ নামে সীতাদেবীর দুই পুত্র জন্ম গ্রহন কিরলো।
লব সীতার নিজের পুত্র আর কুশ ঋষি মুনির মন্ত্র পুত সন্তান।
এরপরে নানান ঘটনার শেষে রাম চন্দ্র ও সীতাদেবী সামনা সামনি হলে রামচন্দ্র একটি শর্তে সীতাকে গ্রহণ করতে রাজি হন। শর্ত হয় সীতাকে জীবন্ত অবস্থায় অগ্নিতে প্রবেশ করে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি অপাপবিদ্ধা–তাঁর চরিত্র নিষ্কলুষ। এই পরীক্ষার ফলে ভীষণ অপমানিত বোধ করেন এবং সেই আপনার সহ্য করতে না পেরে সীতাদেবী  পাতালে প্রবেশ করলে বা সমাধিস্থ হলেন।
লোককাহিনী অনুসারে আমরা জানি বিরারের সীতামারী নামক স্থানের কথা।
কিন্তু আজ এই উত্তর প্রদেশের ভাদহী জেলার সীতামরিতে এসে জানলাম ও দেখলাম এক সুন্দর কাঁচের মন্দির, সিতাদেবীর মন্দির, পাশেই বিশাল হনুমানজি দন্ডায়মান।
এই স্থানটিতে প্রবাহমান গঙ্গা নদীর টত থেকে আধা কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
মন্দিরের পাশেই একটি পুষ্করিণী আছে, মন্দির টিকে ঘিরে।
মনেহয়  এটি backwaters of river Ganges? 
======================

Tuesday, March 21, 2017

11> =Bankura= বাঁকুড়া কিছু দর্শনীয় স্থান




11> Bankura= বাঁকুড়া ---- কিছু দর্শনীয় স্থান 
                <---©-আদ্যনাথ--->


There are so many important and beautiful places in Bankura like 
1>kankardanga,
2>talberia, 
3>gangajalghati forest, 
4>pokhanna, 
5>jhilimili, 
6>amarkanon, 
7>koro hill, 
8>biharinath hill etc 
9>ভৈরবস্থান.
10>তামলিবাঁধে
11>রানিগঞ্জ মোড়ের মিষ্টিপান.
12>লালবাজার টু কেন্দুয়াডিহি পায়ে হেটে পুজো
13>মনশা পুজোর
14>একটু বর্ষায় গন্ধেশ্বরীর বান..
15>বিষ্ণুপুর আর দল্মাদল কামান
16>শুশুনিয়া পাহাড়
17>বিহারীনাথ পাহাড়  ।
18>বেলিয়াতোড়ের মেচা সন্দেশ আর কোথাও পাবে নাই ॥
19>মুকুটমনিপুরে


খ্যাতি সম্পন্ন 
1>Ramkinkar chitrashilpi.= Tini chhillen karusilpi. Tear tairi ghare phera ja Shantiniketane sangrakshito aachhe ta ekhono manusher dristi akarshan kore.2>শুভংকর রাই=খ্যাতি সম্পন্ন গনিতজ্ঞ শুভংকর রাই সোনামুখির কাছেই রামপুরে তাঁর বাস ভূমি, তাঁরই প্রচেষ্টাতে ব্রিটিশ আমলে প্রথম সেচ ব্যবস্থার উন্নতিকল্পে শুভংকর দাঁড়া নামে খাল কাটা হয়েছিল, তা আজও আছে ,rampur....narayanpur...
3>kabi Chandi Das amader chhatna te janmo grahan karechen. Tini bale chen "Sabar upere manus satya tahar upere nai. "
4>kustho asrom  gouripur e . 
5>soktipodo rajguru chilen chitra natyakar & story writer.
6>বড়ু চন্ডীদাস =এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি যোগ করা হোক--
বাঁকুড়ার কামিল্যা (কামলে)গ্রামের কোনো এক গোয়ালের মাচা থেকে প্রথম 'বৈষ্ণব পদাবলী ' আবিষ্কৃত হয়। রচনা -বড়ু চন্ডীদাস ।যা বাংলা সাহিত্যের অমূল্য রতন ।--"ভারতবর্ষের মোট চারটি সংগীতের ঘরাণা আছে -তার মধ্যে বিষ্ণুপুর ঘরাণা একটি ।

 এ ছাড়া সে অঞ্চলে রেশম চাষ উৎকৃষ্ট থাকায় সোনামুখী সিল্ক এর কদর আজও ভারতে বিভিন্ন প্রদেশে আছে এবং বালুচরি সাড়ি এর কেন্দ্রস্থল বাঁকুড়াতেই যা সারা বাংলায় উচ্চ প্রশংসিত, বাঁকুড়ার লন্ঠন একটি বৈশিষ্টপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য সামগ্রী , সাঁখের উপরে খোদাই করা কাজে বাঁকুড়া এ দেশে নিজস্ব একটা স্থান করে নিয়েছে , সর্ব্বাপেক্ষা বাঁকুড়ার পোড়ামাটির কাজের কোন তুলনাই হয় না যা প্রায় ১৫০০ দশক থেকে আজও অক্ষত, যেখানে পুরাণ, রামায়ন - মহাভারতের বিভিন্ন ঘটনা বলী , শ্রী কৃষ্ণের শৈশব ও দেব-দেবীর ও প্রাকৃতিক দৃশ্য সমুহ নিয়ে ছোট ছোট কাজ সারা জেলাতে ছড়িয়ে আছে , উৎসুক ব্যক্তিরা সেই বই ভ্রমন সঙ্গি হিসেবেও রাখতে পারেন ও ঘরে বসে ছবি ও দেখতে পারেন। বাঁকুড়ার বাসিন্দাদের নিজের জেলা সম্বন্ধে আরও জানাতে পারলে খুশি হব ।

 বিকনার ডোকরা,পাচমূড়ার পোড়ামাটি, নো মডার্ন রিক্রেয়েশন

চৈত্র শেষের গাজন, আর চরম ডিহাইড্রেশন
লালমাটির এই দেশে শালপলাশের মাঝে,
বাঁকুড়ার শিল্প কর্ম , হাতের কাজ ও সমগ্র জেলার ইতিবৃত্ত নিয়ে ( CALIBNET এর পক্ষে)" 

1. পৃথিবীর দ্বিতীয় ও এশিয়ার প্রথমমাটির বাঁধ টি আছে বাঁকুড়া জেলার মুকুটমনিপুরে।
2. চতুর্থ শতাব্দির স্মৃতি বিজরিতচন্দ্রবর্মার শিলালিপি আছে বাঁকুড়াজেলার শুশুনিয়া পাহাড়ে।3."পূর্ব ভারতের কাশী" বলা হয় বাঁকুড়াজেলার বিষ্ণুপুর কে।এখানে মল্লরাজারঅনেক নিদর্শন পাওয়া যায় ।
4. শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবেরসহধর্মিনী মা সারদাদেবীর জন্মস্থান এইবাঁকুড়া জেলার জয়রামবাটি তে ।
5.এশিয়ার বৃহত্তর ও পৃথিবীর তৃতীয়কুষ্ঠাশ্রম হাসপাতাল বাঁকুড়া জেলারগৌরীপুরে অবস্থিত।6.আর্টস এর জগতজুড়ে খ্যাতি এনেছেনযামিনী রায় এই বাঁকুড়া জেলারবেলিয়াতোড়ে জন্মেছিলেন।
7.বিশ্ববিখ্যাত সাংবাদিক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়েরজন্মবাঁকুড়াজেলার পাঠকপাড়ায়।
8.স্বাধীনতা সংগ্রামী গোবিন্দ প্রসাদসিংহ এর জন্মস্থান বাঁকুড়া জেলারকনেমারা গ্রামে।তাঁর দান করা অনেকজমিতেই কলেজ (বাঁকুড়া সন্মিলনীমেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, নেতাজীসেন্টিনারি কলেজ) হাসপাতাল গড়েউঠেছে।
9. যোগেশচন্দ্র রায় বাঁকুড়া শহরের বর্তমানযোগেশপল্লী তে জন্মগ্রহণ করেন।কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাঁকে"ডিলিট" উপাধি দেওয়া হয়।ইনি ছিলেনস্বাধীনতা সংগ্রামী।
10. সর্বশ্রেষ্ঠ ধ্রুপদী শিল্পী গোপেশ্বরব্যানার্জি বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরেজন্মেছিলেন।"কলকাতা অ্যাকাডেমি অবমিউজিক" থেকে " ডক্টরেট অব মিউজিক"উপাধী দেওয়া হয়।
11. কবি, নাট্যকার বিমল ঘোষ বাঁকুড়া রবেলিয়াতোড়ে জন্মেছিলেন।যার ছদ্মনাম"মৌমাছি"।12.চিত্রপরিচালকশক্তিপদ রাজগুরু বাঁকুড়া জেলারগোপিবাঁধে জন্মগ্রহণ করেন।তার অনেকলেখা সিনেমাতে চিত্রায়িত হয়েছে।
13.অভিনেত্রী সুচিত্রা দেবী জন্মস্থানবাঁকুড়া জেলার মালিয়াড়া গ্রামে।
14. যার আঁকা ছবিতে জাদু ছিল সেইবিশিষ্ট মানুষ রামকিঙ্কর বেইজ এরজন্মস্থান বাঁকুড়া র যুগীপাড়াতে।
15.মহান সঙ্গীতজ্ঞ বিষ্ণুপুরের যদুনাথ ভট্টাচার্য্য।ইনি ছিলেনকবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সংগীত গুরু ।এবং ইনিই বন্দেমাতরম্ গানের সুরদিয়েছিলেন ।এর বাইরেও আরোঅনেকে আছেন।অনেক না জানা কথা আছে। —
হালকা লালচে রঙের বাম্পার রসগোল্লা ।  গাঢ় গরম রস।

বিখ্যাত রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী কনিকা বন্দোপাধ্যায় (মোহর দি) সোনামুখীর। 
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ এর প্রিয় ছাত্রী রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী সোনামুখী মনোহর তলাতে, যাকে কবিগুরু মোহর নাম দিয়েছিলেন

দিগম্বর চ্যাটাজ্জী ব্রিটিশ আমলের কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি । তিনিও মালিয়াড়ার। তার নাতি তরুন চ্যাটাজ্জীও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ছিলেন।এরকম অনেকেই আছেন যাঁদের জন্য বাঁকুড়ার মাটি ধন্য ।
 
supreme Court chief justice sabyasachi Mukherjee, three gen. Justice in maliara Digambar, Purusottam, Tarun chatterjee,
IAS- Rajat Roy, present Indian internal home sec. 
Rina Mitra( Mukuti), 
folk singer & composer Subhas Chakraborty, 
famous R. Sangeet singer Kanika bandopadhyay, 
American Indust.- Sadesh chatterjee, 
Everest winner Subhas pal, 
famous sangeet guru Gyan prakash ghosh, 
Boul- Monohor Kepha , 
                            <---©-আদ্যনাথ--->
                   
===============================

Monday, March 20, 2017

10>ভ্রমন= বারাণসী ভ্রমন==মার্কণ্ডেয় মহাদেব মন্দির ধাম==বিন্ধ্যাচল

ভ্রমন=বারাণসী==মার্কণ্ডেয় মহাদেব মন্দির ধাম==বিন্ধ্যাচল
হিন্দু পুরাণ এবং ঐতিহ্যে সম্মেলিত প্রাচীন শহর::--

 ধানবাদ থেকে আমি রাঘো সিং,
এবং চৌবেজী ( পন্ডিত জী) , আর রামানন্দ প্রসাদ সিং। আমরা সকলে পৌঁছে গেলাম রাঘো সিং এর বাড়িতে।
আমরা 10 দিন খুব সুন্দর করে ঘুরে বেড়ালাম সম্পুর্ন বেনারস ও আসে পাশের  দর্শনীয় স্থান গুলি।
প্রথমে সেই সকল স্থান গুলির বিবরণ দিচ্ছি। তার পরে নাহয় বলবো আমার কথা ও কিছু অলৌকিক ঘটনা যা ঘটতে দেখেছি এবং অভিভূত হয়েছি।
আমরা প্রথম 4দিন সম্পুর্ন বেনারস ঘুরে দেখলাম।
রাঘোর নুতন কারুটি  অলটো করে করে ঘুরে বেড়ালাম।

বারাণসী::--

ভারতের প্রাচীন শহরগুলির মধ্যে বারাণসী বা কাশী হল অন্যতম। তাই গঙ্গার তীরবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত এই শহরটি ঐতিহাসিক গুরুত্ব কিন্তু অপরিসীম । তবে বারাণসী স্থানটি ধর্মস্থান হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত ।

বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন শহর এই বারাণসী বা কাশী।  দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকরা বারে বারে দেখতে আসে এই ঐতিয্যপূর্ণ শহরকে । 

অবস্থান
ভারতের প্রাচীন শহর বারাণসী বা বেনারস উত্তরপ্রদেশের রাজ্যের রাজধানী শহর লখনৌ ৩২০ কিমি দূরে অবস্থিত ।

বারাণসীর শহরের পৌরাণিক কাহিনি::---

হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী ত্রিলোকের প্রধান দেবতা ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিব এই তিন দেবতার মধ্যে ভগবান শিব বারাণসী শহরের নির্মাণ করেন। একদা ব্রহ্মা এবং শিবের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়, সেই যুদ্ধে ব্রহ্মার পাঁচটি মস্তক থেকে একটি মস্তকছেদ করেন ভগবান শিব। যুদ্ধে জয়ী হয়ে ব্রহ্মার কাটা যাওয়া মস্তক হাতে নিজের জয় ঘোষণা করেন। ভগবান শিব এই সময়ে প্রায় সর্বদাই ব্রহ্মার মস্তকটি মুঠোবন্দি করে রাখতেন । কিছুদিন পর শিব যখন বারাণসীতে আসেন, হঠাৎ করেই তার মুঠোবন্দি ব্রহ্মার মস্তকটি মাটিতে পড়ে যায় এবং তৎক্ষণাৎ সেই মস্তকটি মাটি থেকে উধাও হয়ে যায় । এই ঘটনার পর থেকেই হিন্দু শাস্ত্রে বারাণসীকে পবিত্র স্থান হিসেবে মনে করেন হিন্দু ভক্তগণ ।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব ::--

★ বারাণসী শুধুমাত্র হিন্দু ধর্ম নয় বৌদ্ধ ধর্মের ও অন্যতম পীঠস্থান। খ্রীস্টপূর্ব ৫২৮ সালে বারাণসীর সারনাথে গৌতম বুদ্ধ প্রথম ধর্মপোদেশ দেন।
★. খ্রীস্টপূর্ব ৬৩৫ সালে চৈনিক পর্যটক হিউএন সাং বেনারসের আসেন। সেই সময় এই শহরের সংস্কৃতি এবং ধর্ম তাকে ভীষণভাবে মুগ্ধ করে।
★. ৮ম শতকে আদি শংকরাচার্য শিবের মন্দির নির্মাণ করেন।
★ মধ্যযুগে বারাণসী চেরো সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল।
★ পরবর্তী কালে মোঘল রাজা আকবরের আমলে ও এই শহরের বিকাশ ঘটে ।
★এছাড়াও সিল্ক শিল্পের জন্য ও এই শহরের জনপ্রিয়তা রয়েছে ।

বেনারসের দর্শনীয় স্থান সমূহ::;--
1>●কাশী বিশ্বনাথ মন্দির::---

বেনারসের প্রধান দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে সর্বপ্রথম দর্শনীয় স্থানটি হল - বিশ্বনাথ মন্দির। মন্দিরটি হিন্দুদের প্রধান ধর্মস্থান হিসেবেও পরিচিত । বিশ্বনাথ মন্দিরের শিখরটি প্রায় ৮০০ কিলোগ্রাম সোনা দ্বারা নির্মিত । বহু ইতিহাসের সাক্ষী এই মন্দিরটির স্থাপত্যশিল্পের অসাধারণ নিদর্শন । মন্দিরের গর্ভগৃহে স্থাপিত আছেন ভগবান শিব ।

2>● রামনগর ফোর্ট:---

১৮ শতকে নির্মিত এই ফোর্টটি প্রধান শহর থেকে প্রায় ১৪ কিমি অদূরে অবস্থিত। এখানে প্রায় ১৫০ বছরের প্রাচীন অস্ত্রশস্ত্র, রাজাদের ব্যবহৃত হুক্কা, অলংকার এবং তৎকালীন প্রত্নতত্ত্ব এর সাক্ষী বহন করছে। 
এখানে ফোর্ট সংলগ্ন বেদব্যাসের মন্দির, এক দর্শনীয় স্থান। 

3>● শ্রী দূর্গা মন্দির:;---

আধ্যাত্বিকতায় পরিমন্ডিত শহর হলো বেনারস । তাছাড়াও শিব দর্শন করলে শক্তি দর্শন না করলেই নয় । তাই অসি ঘাট থেকে মিনিট পাঁচেক হেঁটে দর্শন করে নিন ৩০০ বছরের প্রাচীন শ্রী দূর্গা মন্দির ।

4>●সংকটমোচন হনুমান মন্দির::--

হিন্দু পুরাণ এবং ঐতিহ্যে সম্মেলিত 
অসিঘাটের নিকটে অবস্থিত এই মন্দিরে ভগবান রাম এবং হনুমান স্থাপিত আছেন


5>● বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়::---

এশিয়ার বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় গুলির মধ্যে অন্যতম হল বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষা প্রসারে এবং ইতিহাসের দিক দিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি সকলের কাছেই পরিচিত।

6>●ধামেখ স্তূপ=সারনাথে স্তূপ

বারাণসী থেকে ১৩কিমি অদূরে সারনাথে এই স্তূপটি অবস্থিত । পাথর ও ইট সহযোগে নির্মিত এই স্তূপটি ৪৩.৬ মিটার লম্বা। ঐতিহাসিকদের মতে এই স্তূপটি খ্রীস্টপূর্ব ২৪৯ সালে নির্মাণ করা হয় । বৌদ্ধধর্ম মত অনুযায়ী এই ধামেখ স্তূপে বসেই বুদ্ধদেব প্রথম ধর্মমত প্রদান করেন।

7>● কাল ভৈরব মন্দির::---

বেনারসের প্রাচীন শিবমন্দির গুলির মধ্যে কাল ভৈরব মন্দির অন্যতম । এখানে শিবের গলায় রয়েছে মুণ্ডমালা । স্থানীয় মানুষরা এই দেবতাকে শ্রদ্ধা করেন তেমন ভয়ও করেন। তাই এখানকার মানুষ বেনারসের বাইরে কোথাও গেলে দেবতার অনুমতি নিয়েই যান ।

 

বেনারসের বিখ্যাত ঘাট সম্পর্কে কিছু তথ্য 

★1>. দশাশ্বমেধ ঘাট - বেনারস বলতেই যে ঘাটটির কথা প্রথমেই মাথায় আসে সেটি হল - দশাশ্বমেধ ঘাট। গঙ্গার প্রবহমানতা, সাধুদের যাতায়াত, ফুল বিক্রেতাদের কোলাহল, ঘাটের পাড়ে বাঁধা নৌকার ইত্যাদি দৃশ্যগুলো অনেকটা পটে আঁকা ছবির মতো । এছাড়াও সন্ধেবেলায় গঙ্গা আরতি দর্শনের জন্য এটি আদর্শ স্থান ।

★2> অসি ঘাট - অসি ঘাটের প্রধান বিশেষত্ব হল - সয়ম্ভূ মোটা শিব । অসি ঘাটের রূপটা কিছুটা আলাদা । পর্যটকদের তেমন ভিড় না থাকায় এখানে বহু ধ্যানমগ্ন সাধুদের দেখা মেলে ।


★3> মণিকর্নিকা ঘাট - হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে এই ঘাটে দেহসৎকার হলে মোক্ষ লাভ করা যায় ।

★4> কেদার ঘাট - কেদারঘাটে ভগবান কেদারনাথ স্থাপিত আছেন । এখানে ভগবান শিবের নিত্য আরাধনা করা হয় ।
★5>এ ছাড়া আরও অনেক ঘাট আছে 
 তবে বেনারসে মোট ঘাটের সংখ্যা 84।
অর্থাৎ বেনারসে 84 টি ঘাট আছে।
এবং প্রতিটি ঘাটই বিশেষ মহত্যপূর্ন ঘাট।



আমরা নৌকা ভাড়া করে গঙ্গার সকল ঘাট গুলি ঘুরে বেড়ালাম প্রায় 4 ঘন্টা।
সন্ধ্যায় দেখলাম অপূর্ব মনোমুগ্ধকর গঙ্গা আরতি । যা দেখে আপ্লুত মনে গভীর শ্রদ্ধা ও ভক্তির স্রোতে কিছুসময়েরজন্য বুদ হয়ে রইলাম। কারন এমন সুন্দর আরতি এই প্রথম দেখলাম।
আর কিছু সত্য অনুভব করলাম যে  বেনারস শহরের ও এই গঙ্গা ভ্রমনের মধ্যে সূক্ষ আধ্যাত্মিকতা প্রলেপ রয়েছে, যা সকলে উপলব্ধি করতে পারে কিনা না জানিনা, তবে আমি আজ আপ্লুত অভিভূত । শোনা যায় বেনারসের ঘাটে ঘাটে শিব বর্তমান রয়েছেন । ইচ্ছা করলে সেই আদি দেবতাকে  ও খুব কাছ থেকে উপলব্ধি করতে পারা যায় এবং সত্যি প্রত্যক্ষ অনুভব করলাম।
মনে হচ্ছে এমন অবস্থা শুদু আমার নয় মনেহয় আমাদের নৌকায় আমরা চারজনেরই একই অবস্থা।



★6> বেনারস মানেই বেনারসী শাড়ী এবং বেনারসী পান । স্বভাবতই আমাদের কারুরই বেনারসী শাড়ীতে মন না থাকলেও বেনারসী পানের লোভ সকলের আছে।
তবে হ্যা রামানন্দ জী পানের সৌখিন নন উনি খৈনিকেই বেশি পছন্দ করেন।
আমরা সকলেই খৈনি খাই তবে বেনারসী পানের লোভ ত্যাগ করা বড়ই কঠিন।
তাই রামানন্দ জি ছাড়া আমরা তিনজনেই পান খেতাম।
রাঘো যেহেতু বেনারসের ছেলে তাই ওর জানা আছে কোথায় কেমন পান পাওয়া যায়।
এবার বলি আমাদের কিছু কথা।
হয়তো আমার সকল কথা সকলে ঠিক বিশ্বাস করতে নাও পারে । তাতে আমার কোন আপত্তি নাই। যে ঘটনা ঘটেছিলো আমি সেই টুকুই বর্ননা কিরছি।
সত্যি মিথ্যার প্রমাণ দেওয়া সম্ভব নয়।
তবে যে ঘটনা ঘটে ছিল তার প্রথম থেকে বলছি।
প্রথম যেদিন আমরা বেনারসে পৌঁছে ছিলাম সেদিন দুপুরে  খাবার খেয়ে একটু বিশ্রাম কিরছিলাম, এমন সময়ে রাঘো এসে বললো একটি সু-খবর আছে।
আমরা সু-খবরটি জানবার উৎসুক হয়ে জানতে চাইলাম সু- খবরটি।
ঠিক তখনই আমাদের ঘরে প্রবেশ করলেন এক পুলিশ ইন্সপেক্টর।
রাঘো পরিচয় করিয়ে দিলো যে উনি রাঘোর মেসো মশাইয়ের বড় ছেলে ।
ঠিক আজকেই এসেছেন কাশীতে বিশ্বনাথ মন্দিরে ওনার ডিউটি পড়েছে আগামী সাত দিনের জন্য।
আমাদের আর আনন্দের সীমা রইলনা । কারণ বিশ্বনাথ মন্দিরে দর্শন ও  বাবা বিশ্বনাথের  চার বেলার ভব্য আরতি দেখার সুযোগ পাবো।
সাধারণ ভাবে তিন বেলার আরতি যে কেউ একটু কষ্ট করে দুই তিন দিনের মধ্যে দেখতে পারেন। কিন্তু মধ্যরাতের আরতি দেখার সুযোগ সকলের হয় না।
যে আরতি সন্ধ্যা আরতির পরে হয়।
কারন সেই সময় মন্দিরের ভিতরের সকল আলো নিভিয়ে দিয়ে আরতি হয়।
সেই আরতি দেখার সুযোগ কেবল নেতা মন্ত্রী ও বিশেষ জনেই পেয়ে থাকেন।
আমরা ভাগ্য বান কারন সামন্ত বাবু বললেন যেহেতু ওনার ডিউটি থাকবে মন্দিরে সেই হেতু আমরাও প্রবেশের অধিকার পেতে পারি সেই ভব্য আরতি দেখবার।
আমরা দুইদিনে মিলিয়ে দেখেছিলাম চার বেলার আরতি।
সেই আরতির বর্ননা করার ক্ষমতা বা ভাষা আমার সাধ্যের বাইরে।
শুদু এই টুকুই বলতে পারি যে সেই আরতির দৃশ্য আজীবন ভুলতে পারবোনা।
আমাদের গঙ্গা ভ্রমনেও সামন্ত বাবুর সহায়তায় সুন্দর নৌকার ব্যবস্থা ও সুন্দর করে ভ্রমন ও আরতি দর্শন সেও যেনএক অলৌকিক ঘটনা।
কারন সামন্ত বাবু একজন ভালো গাইডের ব্যবস্থা করে দিয়ে ছিলেন।
গাইড রূপে ছেলেটি ভারত সরকারের টুর  ও গাইডের সিনিয়র অফিসর ফলে উনি 
আমাদের নৌকা বিহারের প্রতি ক্ষণে সুন্দর করে প্রতিটি স্থানের বর্ননা করছিলেন। আমরা মুদ্ধ হয়ে শুদু দেখছিলাম আর ওনার মুখের ভাষণ শুনে মিলিয়ে নিচ্ছিলাম আর রাঘো কে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছিলাম  মনে মনে ।
এতো গেল বাবা কাশী বিশ্বনাথের পূজা ও আরতি দর্শন এবং গঙ্গায় আরতি দর্শন।
এছাড়া বেনারসে যে গলিতেই গেছি দেখেছি শিবের মন্দির । কত কত মন্দির 
বিশেষ করে মনে পড়ে মোটা শিবের মন্দির।
সত্যি বেনারস শিবের ঘর। আলী গোলি সর্বত্র শিব আর শিব। বেনারস শিব ময়।
সিন্ধায় সকল মন্দিরে যখন আরতি শুরু হয় তখন মনেহয় সম্পুর্ন বেনারস আনন্দে উৎফুলিত হয়ে দুই হাত তুলে নাচছে।
সমগ্র বেনারস যেন কৃত্যনে মুখরিত।
শিব নাম যেন মহা মন্তের নাম।
শিব নাম সংকীর্তন যেন বেনারসে র সকল মানুষের হৃদকম্পন।
সকলে শিব নামে অভিভূত।
শিব শিব শিব কাশী ই শিব,
শিব ময় কাশী 
শিব ময় কাশী বাসী।
কাশীর আকাশ বাতাস সকলই শিব ময়।
=======================
   6 ষষ্ঠ দিন::--

★■ >এবার আমাদে গন্তব্য মার্কণ্ডেয় মহাদেব মন্দির ধাম।
মার্কণ্ডেয় মহাদেব মন্দির ধাম।

MARKANDEY MAHADEV DHAM KAITHI.
मार्कंडेय महादेव मंदिर धाम।
মার্কণ্ডেয় মহাদেব মন্দির::--
উত্তর প্রদেশ,=কাইথি নামক অঞ্চলে , বারাণসী থেকে 30 কিলোমিটার,
আমরা রাঘোর গাড়িতে করে বেরিয়ে পিরলাম 
বারাণসী--গাজীপুর রোডে গঙ্গা গোমতীর তীরে মারকেন্ডায় মহাদেব ঘাটে।
পূর্ন তীর্থস্থান দর্শনে।
ভগবান শিব সম্পূর্ণরূপে এই মন্দিরে নিবেদিত।
(Markandey Mahadv Ghat (मार्कंडेय महादेव घाट) Kaithi Varanasi,
ये तीर्थ स्थल वाराणसी-गाजीपुर मार्ग पर स्थित गंगा-गोमती के तट पर स्थित है। )

মার্কণ্ডেয় মহাদেব পূর্বাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ দেবতা 
যিনি দ্বাদশ শিব জ্যোতির্লিঙ্গের সমতুল্য।
মার্কণ্ডেয় পুরাণেও বর্ণিত আছে।
বিভিন্য অঞ্চলের বিভিন্য মানুষ এখানে আসেন তাঁদের মনবাসনা পূর্ন করার মনবাসনা নিয়ে।
এই মন্দিরকে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্দির রূপেও জানাজায়।
এ এক নিরালায় শান্তি পূর্ন স্থান।
এখানে গঙ্গার জল এতো পরিষ্কার ও স্বচ্ছ যে জলের নিচের শেওলা ও পাথর পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছিলাম।
আমরা খুব সুন্দর ভাবে স্নান সেরে মন্দিরে গিয়ে পুজো দিলাম এখানে কোন ভিড় না থাকার কারনে পুজো দিলাম আরামে এবং কিছুক্ষন জপ ধ্যান ও করতে পারলাম। এমন শান্তি পূর্ন স্থানে বসে পূজা ও ধ্যান করে সত্যি মনে বেশ শান্তি অনুভব করলাম।
==========================
    7 সপ্তম দিন::---

আজ আমাদে গন্তব্য বিন্ধ্যাচল::---
 " মা" বিন্ধ্যবাসিনী
    
বিন্ধ্যাচল::-----

এবারে আমাদের গন্তব্য  উত্তর প্রদেশের বিন্ধ্যাচল পর্বত। যেখানে দানববীরদের সংহার করেন মা দুর্গা।
বারাণসী থেকে বিন্ধ্যাচল ৭০কি :মি দূরত্ব ,সময় লাগে দুঘন্টার মতো ,মূলত সরু গলি ও দোকান বাজারের মধ্যে এই মন্দির । গঙ্গার দিকথেকে সিঁড়ি দিয়েও যাওয়া যায় মন্দিরে । তবে বেশ উঁচু উঁচু অনেক সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়।
পুরাণমতে দেবী বিন্ধ্যবাসিনী এখানে স্বহস্তে শুম্ব নিশুম্ভকে বধ করেন ।
এই বিন্ধ্যবাসিনী দেবী  ৫১তম সতীপীঠস্থান এই বিন্ধ্যাচল । সতীর বাম পায়ের আঙ্গুল এখানে পরেছিল । এখান থেকে 3 কিমি দূরে বিন্ধ্যপর্বতের উপর দেবী অষ্টভূজার মন্দির ।এছাড়াও এখানে সীতাকুন্ড ,সংকটমোচন হনুমান মন্দির এবং ছোটবড় অসংখ্য মন্দির আছে ।

রাঘোর বাড়ি থেকে আমরা রাত্রি আড়াইটার  (2.30am )সময় রওনা দিলাম বিন্ধ্যাচলের উদ্যেশ্যে। NH19 ধরে প্রায় দেরঘন্টার একটু বেশি সময় লেগেছিল কারন ভীষণ কুয়াশা ছিল।
তাই রাঘো ধীরে ধীরে চালাচ্ছিল গাড়ি।
তবে বিন্ধ্যাচল যাবার আগে কিছু ঘটনা বলে নেওয়াই ভাল।
আমরা যখন ঠিক করলাম যে বিন্ধ্যাচল যাবো তখন রামানন্দ সিং বললো যে আমাদের সাথে রাঘোর মাকেও নিয়ে যেতে । কিন্তু রাঘোর মাকে সেই কথা বলতেই উনি কিছুতেই রাজি হচ্ছিলেন না। কারন ওনার দুইপায়ের হাঁটুতে ভীষণ ব্যাথা সামান্য এক শিরিও ওঠা নামা করতে পারেন না।
সেই কারণে উনি ঘর থেকে নিজের বাড়ির উঠনেও নামতে পারেন না।
কিন্তু রামানন্দ সিং নাছোড় বান্দা উনি বললেন আমরা চারজনে মিলে মা কে কোলে করে বা চেয়ারে বসিয়ে নিয়ে গিয়ে "মা দুর্গার" দর্শন করবো। তাই অনেক বলে কয়ে রাঘোর মা কোন মতে রাজি হলেন।
কিন্তু রাঘোর দাদা যিনি বেনারস কোর্টের উকিল S.N.Sing. তিনি কোন ভাবেই রাজি হচ্ছিলেন না , শেষে ওনাকে বলা হল যে যদি আমরা কোনভাবে মা কে চেয়ারে করে মন্দির পর্যন্ত নিতে না পারি তবে আমরাও "মা"কে দর্শন করবো না।
শেষে এস,এন,সিং, বললেন যে কোন অসুবিধা হলে উনি ওনার এক মক্কেলের দোকানের ঠিকানা দিলেন এবং বললেন যে উনি ফোন করে দেবেন যাতে করে কোন অসুবিধা হলে মাকে যেন ওই দোকানে বসিয়ে রেখে আমরা মন্দির দর্শন করতে পারি। আমরা আমাদের  মত চিন্তা করে সঙ্গে একটি কাঠের মজবুত চেয়ার ও নিয়ে গিয়ে ছিলাম।
যাইহোক আমরা ভোর চারটে নাগাদ বিন্ধ্যাচল পৌঁছে গিয়ে প্রাকিং এতে গাড়ি রেখে রাঘোর মা কে নিয়ে সকলে মিলে নীচে গঙ্গায় স্নান ককরার উদ্যেশ্যে গঙ্গার ঘটে পৌঁছে গেলাম।
এখানে গঙ্গার ঘটে পৌঁছে যা দেখলাম তেমন কোন ভাবেই চিন্তা করতে পারিনা বা এখানে গঙ্গায় স্নান করার মতন ভক্তি আমার নাই।
কিন্তু ওরা সকলে ও রাঘোর মা নির্দ্বিধায় ওই নোংরা জলেই খুব আনন্দে স্নান করলেন।
এখানে গঙ্গা নোংরা মনে, আমরা যে সময় পৌঁছে ছিলাম তখন গঙ্গায় ভাটা চলছিল, ফলে এখানে গঙ্গা খুবই কম গভীর ও 
অতি সামান্য ধারায় বয়ে চছিলো গঙ্গা।
আর সেই গঙ্গা চড়ে শয়ে শয়ে মানুষ প্রাতঃক্রিয়া সাড়ছিলেন। আর সেই মল মূত্র গঙ্গায় জলে মিশে সেজে কি অবস্থ্যা তা বর্ণনার বাইরে।
অথচ দেখলাম শয়ে শয়ে মানুষ ওই জলে খুব আনন্দে ভীষণ উৎসাহে স্নান করছেন।
গঙ্গা নদীর যে এমন অবস্থা সেটা আমার ধারণার বাইরে। অথচ আগের দিন যখন মার্কণ্ডেয়তে স্নান করে ছিলাম তখন সেখানে কি সুন্দর স্বচ্ছ জল। দেখে মনে হচ্ছিল গঙ্গা কতো পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র।
কিন্তু এই বিন্ধ্যাচলে গঙ্গাকে দেখে মনে মনে ভীষণ দুঃখ অনুভব করছিলাম।
যাই হোক ওরা সকলেই ওই হাটু সমান নোংরা জলে স্নান সারলেন, আর আমি 
মা গঙ্গার পবিত্র জলের চিন্তা করে সামান্য জল মাথায় ছিটিয়ে নিলাম।
আমাদের মধ্যে সকলের আগে রাঘোর মা স্নান করে উনি বললে যে উনি সিঁড়ির দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।
বিন্ধ্যাচলে গঙ্গা থেকে মন্দিরে যাবার জন্য সিঁড়ি আছে।
আমরা ভাবলাম উনি একটু এগিয়ে যাক ,আমরা সকলে একসাথে গিয়ে ওনাকে চেয়ারে বসিয়ে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে মন্দিরে পৌঁছবো। মন্দির খুলবে সেই
ভোর পাঁচটার পরে।
এমনিতে মন্দির রোজ 24 ঘন্টা খোলা, তবে পূজা ও আরতির সময় নির্ধারিত।
এবার আমরা সকলে স্নান সেরে পুরোনো জামাকাপড় সব পার্কিংয়ে গাড়িতে রেখে  
ভালো জামা কাপড় পরে এগিয়ে গেলাম সিঁড়ির দিকে।
সিঁড়ির কাছে পৌঁছে যা দেখলাম তাতে বেশ অবাক হবারই কথা। 
দেখলাম রাঘোর মা কোথাও নেই। ওনাকে খুঁজে পাচ্ছি না শেষে আমি যখন সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠলাম দেখি রাঘোর মা সকলে আগে গেটের সামনে দাঁড়িয়ে।
আমি তক্ষুনি একটু নীচে নেবে চিৎকার করে সকলকে ডেকে নিলাম এবং জানিয়ে দিলাম যে মা মন্দিরে পৌঁছে গেছেন।
ওরা সকলে খালি চেয়ার টা নিয়ে উপরে উঠে আসলেন। এবং আমরা সকলেই বিশ্বয়ে হতবাক হয়ে কেউ কোন কথা বলতে পারছিলাম না বা এমন দৃশ্য দেখেও বিশ্বাস করতে পারছিলাম না যে এমনটা কি কিরে হোল বা আদৌ কি আমরা  বিন্ধ্যাচল মন্দিরে নাকি কোন স্বপ্ন দেখছি।
আর স্বপ্ন না দেখলে কি ভাবে এমনটা সম্ভব এতো উঁচু উঁচু সিঁড়ি  ভেঙে উপরে উঠতে হয়। 65 বৎসের বৃদ্ধা যার দুই হাঁটুতে ব্যাথা , জিনি সামান্য দুই একটি সিঁড়ি ও চড়তে অসমর্থ তিনি কি করে এতো সিঁড়ি বেয়ে মন্দিরে পৌঁছলেন সেই চিন্তা করলে আজও মনে বিস্ময় জাগে।
তবে এটা বুঝি যে মানুষ ভক্তির জোরে অনেক অসম্ভকে সম্ভব করতে পারে।

দেবী ভাগবত পুরাণ, দেবীমাহাত্ম্য বা শ্রীশ্রীচণ্ডী, মার্কণ্ডেয় পুরাণ এবং অন্য সব দেবীগাথা বলছে, এই সেই স্থান যেখানে অবতীর্ণ হয়েছিলেন দুর্গা। এই বিন্ধ্যাচলেই তিনি মহাপরাক্রমশালী দানববীরদের সংহার করেন। এবং, ত্রিলোকের মঙ্গলের জন্য বাসও করেন এখানে। ভারতের অন্য সব পীঠস্থান তাঁর মন্দিরমাত্র! কিন্তু, গৃহ এই বিন্ধ্যাচলই!

"মা"-বিন্ধ্যবাসিনী::--

বিন্ধ্যাচল মন্দিরে বিন্ধ্যবাসিনী দুর্গা
দুর্গা বিন্ধ্যাচলে জনপ্রিয় বিন্ধ্যবাসিনী নামে। মহিষাসুর বধের জন্য দেবতাদের তেজে তিনি আবির্ভূতা হয়েছিলেন এই পর্বত শিখরেই। তার পর, মহিষাসুরকে বধ করে তিনি দেবতাদের জানান, দুর্গা নামে দশভুজারূপে তিনি চিরস্থিতা হচ্ছেন বিন্ধ্যাচলে। এই বিন্ধ্যবাসিনী দেবীই পরবর্তীকালে এই পর্বতাঞ্চলেই বধ করেছিলেন শুম্ভ, নিশুম্ভকে। আদ্যাশক্তির কোষ থেকে উৎপন্ন হওয়ায় তাঁর আরেক নাম কৌষিকী। বিন্ধ্যাচলের মন্দিরে এই দেবীকে পূজা করা হয় মহালক্ষ্মী রূপে।


দেবী অষ্টভুজা:--


অষ্টভুজা মন্দিরে মহাসরস্বতী
পুরাণ মতে, দেবী বিন্ধ্যাচলকে তাঁর আবাসরূপে বেছে নেন কংসকে প্রতারণার পরই! ভাদ্র মাসের অষ্টমী তিথিতে গোকুলে নন্দপত্নী যশোদার গর্ভে জন্ম নিয়েছিল এক অপরূপ লাবণ্যবতী কন্যা। বসুদেব নিজের পুত্র কৃষ্ণকে রেখে সেই কন্যাটিকে নিয়ে আসেন মথুরার কারাগারে। তুলে দেন কংসের হাতে। কংস যখন সেই শিশুটিকে কারাগারের দেওয়ালে আছড়ে হত্যা করতে যায়, তখনই তার হাত পিছলে সেই শিশু চলে যায় শূন্যে। দেখতে দেখতে ধারণ করে অষ্টভুজা রূপ। এবং, কংসকে কে বধ করবে- সে কথা জানিয়ে চলে যায় বিন্ধ্যাচলে। সেই থেকে অষ্টভুজারূপে দেবী বিন্ধ্যাচলে অবস্থান করেন। তাঁর এই অষ্টভুজা রূপটিকে দেবীভাগবত এবং ভাগবত বলছে যোগমায়া। কিন্তু, বিন্ধ্যাচলে তিনি পূজিতা হন মহাসরস্বতী রূপে। বিন্ধ্যবাসিনী মন্দির থেকে ৩ কিলোমিটার দূরত্বে পর্বতের উপরে এই অষ্টভুজা মন্দির। সঙ্কীর্ণ গুহাপথে দর্শন করতে হয় দেবীকে।

  
কালীখোহ মন্দিরে মহাকালী::---

শুম্ভ-নিশুম্ভ বধের সময় দেবী কৌষিকীর ভ্রুকুটি থেকে আবির্ভূতা হয়েছিলেন কালী। চণ্ড-মুণ্ড বধের জন্য যিনি চামুণ্ডা নামেও পরিচিতা। এছাড়া, রক্তবীজ বধের সময়েও তার রক্ত পান করে তাকে বধযোগ্য করেছিলেন চামুণ্ডাই! সেই চামুণ্ডা দেবীও সশরীরে বিরাজ করেন বিন্ধ্যাচলে। পূজা পান মহাকালী রূপে। তাঁর মন্দিরটির নাম কালীখোহ। এখানে দেবী হাঁ করে আছেন! জনশ্রুতি, যুদ্ধে রক্তবীজের পাপরক্ত পানে তাঁর সর্বাঙ্গে জ্বালা ধরে গিয়েছিল! তাই শরীরের অভ্যন্তরে শীতল বায়ু গ্রহণের জন্য হাঁ করে থাকেন বিন্ধ্যাচলবাসিনী চামুণ্ডা! ভক্তরাও নারকেলের শীতল জল দেবীর মুখগহ্বরে দিয়ে তাঁর তৃষ্ণা নিবারণ করেন।
লোকবিশ্বাস, এই তিন মন্দির দর্শন করলেই ত্রিলোকের পরিক্রমা সম্পন্ন হয়।
বিন্ধ্যাচলে যা মহাত্রিকোশ পরিক্রমা নামে খ্যাত।

लोक मान्यता हैं 
बिंध्याचल में "माँ " विंध्यवासिनी, अष्टभुजा, एबं  कालीखोह।
इन तीन मंदिरों के दर्शन करनेसे ही त्रिलोक की परिक्रमा पूरी की समान पूण्य लाभ हो ती हैं।

এর পরে আর দুইদিন বেনারসে কাটিয়ে ফিরে আসলাম ধানবাদে।


==================









 







°××××××××××××××××××××××××××××××
■■■■◆■■◆□■■■■■■■■■■■■■■■■■■■■
★★★★★★★★★■■★★★☆■■■■■■■■

10>ok=আমার বারাণসী ভ্রমণ ::--বারাণসী---বিন্ধ্যাচল ---অষ্টভুজা --কালিখো=মার্কণ্ডেয় মহাদেব =(1 to 9)


=वाराणसी//अष्टभुजामन्दिर//विन्ध्याचल//UP=(1 to 9)
                                             <---©-আদ্যনাথ--->

আমার বারাণসী ভ্রমণ ::---বারাণসী---বিন্ধ্যাচল ---অষ্টভুজা --কালিখো--মাকনদের মহাদেব।

 
রাঘো সিং এর বাড়ি বেনারসে। 
রাঘো সিং আমাকে ও পান্ডে জিকে নিয়ে গেলো ওর বাড়িতে ,আমরাও সম্পুর্ন বেনারস ও আসে পাশের দর্শনীয় স্থান সমূহ ঘুড়ে বেরালাম 10 দিন।

1>वाराणसी  (देवनागरी )

TO Visit BARANASI: Best Time Is DECEMBER to FEBRUARY

বেনারস জেলা বেনারস 
ज़िला:-वाराणसी
এখনই আছে বিন্ধ্যাচল পর্বত ।
ভারতের সময়ের মান দন্ড বিন্ধ্যা চল থেকেই নির্ধারিত হয়।
বেনারস পিন কোড :::--221001
ফোন (ISD code)::--  +0542
ভারতের পবিত্রতম শহর।

বিশেষ দর্শনীয় স্থান সমূহ::--
●>আহল্যা ঘাট
●>কাশি বিশ্বনাথ মন্দির
●>BHU কাশী হিন্দু বিশ্ব বিদ্যালয়
●>নুতন কাশী বিশ্বনাথ মন্দির।
●>গঙ্গা নদী।
●>বারাণসী স্টেশন।
●>কাশী কর্বট সিন্ধিয়া ঘাট




 वाराणसी (अंग्रेज़ी: Vārāṇasī, हिन्दुस्तानी उच्चारण: [ʋaːˈɾaːɳəsiː] (सुनें)) भारत के उत्तर प्रदेश राज्य का प्रसिद्ध नगर है। इसे 'बनारस' और 'काशी' भी कहते हैं। इसे हिन्दू धर्म में सर्वाधिक पवित्र नगरों में से एक माना जाता है और इसे अविमुक्त क्षेत्र कहा जाता है। इसके अलावा बौद्ध एवं जैन धर्म में भी इसे पवित्र माना जाता है। यह संसार के प्राचीनतम बसे शहरों में से एक और भारत का प्राचीनतम बसा शहर है।

काशी नरेश (काशी के महाराजा) वाराणसी शहर के मुख्य सांस्कृतिक संरक्षक एवं सभी धार्मिक क्रिया-कलापों के अभिन्न अंग हैं। वाराणसी की संस्कृति का गंगा नदी एवं इसके धार्मिक महत्त्व से अटूट रिश्ता है। ये शहर सहस्रों वर्षों से भारत का, विशेषकर उत्तर भारत का सांस्कृतिक एवं धार्मिक केन्द्र रहा है। हिन्दुस्तानी शास्त्रीय संगीत का बनारस घराना वाराणसी में ही जन्मा एवं विकसित हुआ है। भारत के कई दार्शनिक, कवि, लेखक, संगीतज्ञ वाराणसी में रहे हैं, जिनमें कबीर, वल्लभाचार्य, रविदास, स्वामी रामानंद, त्रैलंग स्वामी, शिवानन्द गोस्वामी, मुंशी प्रेमचंद, जयशंकर प्रसाद, आचार्य रामचंद्र शुक्ल, पंडित रवि शंकर, गिरिजा देवी, पंडित हरि प्रसाद चौरसिया एवं उस्ताद बिस्मिल्लाह खां आदि कुछ हैं। गोस्वामी तुलसीदास ने हिन्दू धर्म का परम-पूज्य ग्रंथरामचरितमानस यहीं लिखा था और गौतम बुद्ध ने अपना प्रथम प्रवचन यहीं निकट ही सारनाथ में दिया था।

वाराणसी में चार बड़े विश्वविद्यालय स्थित हैं: बनारस हिन्दू विश्वविद्यालय, महात्मा गांधी काशी विद्यापीठ, सेंट्रल इंस्टीट्यूट ऑफ हाइयर टिबेटियन स्टडीज़ और संपूर्णानन्द संस्कृत विश्वविद्यालय। यहां के निवासी मुख्यतः काशिका भोजपुरी बोलते हैं, जो हिन्दी की ही एक बोली है। वाराणसी को प्रायः 'मंदिरों का शहर', 'भारत की धार्मिक राजधानी', 'भगवान शिव की नगरी', 'दीपों का शहर', 'ज्ञान नगरी' आदि विशेषणों से संबोधित किया जाता है।

प्रसिद्ध अमरीकी लेखक मार्क ट्वेन लिखते हैं: "बनारस इतिहास से भी पुरातन है, परंपराओं से पुराना है, किंवदंतियों (लीजेन्ड्स) से भी प्राचीन है और जब इन सबको एकत्र कर दें, तो उस संग्रह से भी दोगुना प्राचीन है।
=====================+++++
2>देवनागरी वाराणसी के प्रमुख मंदिर

धर्म एवं विद्या की पवित्र तथा प्राचीनतम् नगरी मे विख्यात है। यहाँ वैदिक साहित्य की संहिताओं ब्राह्मण ग्रन्थों एवं उपनिष्दों में काशी का उल्लेख है। साथ ही पाणिनि, पंतञ्जलि आदि ग्रन्थों में भी काशी की चर्चा है। पुराणों मे स्पष्ट है कि काशी क्षेत्र में पग-पग पर तीर्थ है। स्कन्दपुराण काशी-खण्ड के केवल दशवें अध्याय में चौसठ शिवलिङ्गो का उल्लेख है। हेन सांग ने उल्लेख किया है- कि उसके समय में वाराणसी में लगभग १००(सौ) मंदिर थे। उनमें से एक भी सौ फीट से कम ऊँचा नहीं था।

विश्वनाथ की नगरी में तीर्थ स्थानों की कमी नहीं हैं, 
किन्तु मत्स्यपुराण के अनुसार पाँच तीर्थ प्रमुख 
(1) दशाखमेध, 
(2) लोलार्क कुण्ड, 
(3) केशव (आदि केशव), 
(4) बिन्दु माधव, 
(5) मणिकर्णिका। 
सन् ११९४ ई. में कुतुबद्दीन एबक ने काशी के एक सहस्र 
मंदिरों को तोड़-फोड़कर नष्ट कर दिया।

अलाउद्दीन खिलजी ने भी लगभग एक हजार मंदिरों को नष्ट कर धराशायी कर दिया।
 इस तोड़ फोड़ में विश्वनाथजी का मंदिर भी था, किन्तु सन् १५८५ ई. में सम्राट अकबर 
के राजस्व मन्त्री की सहायता से श्री नारायण भ ने विश्वनाथ जी के मंदिर को पुनः बनवाया 
सम्राट औरंगजेब ने काशी काशी के प्राचीन मंदिर को तोड़कर मस्जिद बनवायी जो आज भी है। 
यही नहीं उसने हजारों मंदिरों को नष्ट कर दिया, जिसके कारण उस काल में बीस मंदिरों को भी 
गिन पाना कठिन हो गया था।

पुनर्निर्माण

इस काल के पश्चात् मराठा राजाओं तथा सरदारों ने अनेक मंदिर बनवाए। 
अंग्रेजों के शासन काल में बहुत से मंदिरों का निर्माण हुआ। 
सन् १८२८ ई. में प्रिन्सेप ने गणना करायी थी जिससे पता चला था कि काशी में 
एक हजार मंदिर विद्यमान थे। 
शेकिंरग ने लिखा है कि उसके समय में चौदह सौ पंचावन मंदिर थे। 

हैवेल का कथन है कि उसकी गणना के अनुसार उस समय लगभग ३५०० मंदिर थे।

वाराणसी के देवता विश्वनाथ के जिस मंदिर को औरंगजेब ने नष्ट किया था समीप ही १८वीं शताब्दी के अन्तिम चरण में महारानी अहल्या बाई होलकर ने वर्तमान विश्वनाथ मंदिर का निर्माण करवाया था। त्रिस्थली सेतु के अनुसार पापी मनुष्य भी विश्वेश्वर के लिंग का स्पर्श कर पूजा कर सकता था। आधुनिक काल में प्रमुख तीर्थ स्थल है- (१) अस्सि और गंगा का संगम, (२) दशाश्वमेघ घाट, (३) मणिकर्णिका, (४) पंचगंगाघाट, (५) वरुणा तथा गंगा का संगम, (६) लोलार्क तीर्थ।

दशाश्वमेघ शताब्दियों से विख्यात है। भार शिव राजाओं ने दस अश्वमेघ यज्ञों के अनुष्ठान कर यहाँ अभिषेक किया था। मणिकर्णिका को मुक्ति क्षेत्र भी कहा जाता है। पंचगंगा में पाँच नदियों के धाराओं के मिलने की कल्पना की गई है। नारदीय पुराण तथा काशी-खण्ड में कहा गया है कि जो मनुष्य पंचगंगा में स्नान करता है वह पंच तत्वों में स्थित इस शरीर को पुनः धारण नही करता, मुक्त हो जाता है। वरुणा-गंगा का संगम तीर्थ आदि केशव घाट बहुत ही प्रचीन है। कन्नौज के गहड़वाल राजाओं ने जो विष्णु के भक्त थे, जब काशी को अपनी राजधानी बनायी तो इस भाग को और अधिक महत्व प्राप्त हुआ।

वाराणसी में बहुत से उपतीर्थ हैं। काशी खण्ड में ज्ञानवापी का उल्लेख मिलता है जो स्वयं में एक पवित्र स्थल है। विश्वनाथ मंदिर से दो मील की दूरी पर भैरोनाथ का मंदिर है, उन्हें काशी का कोतवाल कहा जाता है। उनके हाथ में बड़ी एवं मोटे पत्थर की लाठी होने के कारण इन्हें दण्डपाणि भी कहा जाता है। इसका वाहन कुत्ता है। काशी खण्ड में छप्पन विनायक (गणेश) मंदिर वर्णित है। ढुण्ढि़राज गणेश एवं बड़ गणेश में ही है। काशी के चोदह महालिंग प्रसिद्ध है। पुराणों में काशी के तीर्थों एवं उपतीर्थों का वर्णन प्रचुर मात्रा में उपलब्ध होता है। लगभग एक सौ पच्चीस तीर्थों का वर्णन काशी खण्ड में मिलता है।

काशी की पंचक्रोशी का विस्तार पचास मील में है। इस मार्ग पर सैकड़ों तीर्थ है। तात्पर्य यह है कि काशी में तीर्थों की संख्या अगणित है। काशी केवल हिन्दू-धर्म के आस्थावानों का ही तीर्थस्थल नहीं है। जैन तीर्थकर पार्श्वनाथ जी ने ७७७ ई. पूर्व में चैत्र कृष्ण-चतुर्थी को यहीं के मुहल्ला भेलूपुर में जन्म ग्रहण किया था। जैन धर्म के ही ग्वारहवें तीर्थकर श्रेयांसनाथ ने भी सारनाथ में जन्म ग्रहण किया था और अपने अहिंसा-धर्म का चतुर्दिक प्रसार किया था। अत जैन तीर्थस्थान के रुप में भी काशी का बहुत अधिक महत्व है। बौद्ध धर्म के तीर्थ स्थान के रुप में सारनाथ विश्वविख्यात है। भगवान गौतम बुद्ध ने गया में सम्बोधि प्राप्त करने के पश्चात् सारनाथ में आकर धर्मचक्र प्रवर्तन किया था। आर्यो की संस्कृति के कार्य-कलापों का मुख्य केन्द्र काशी सदैव से वि स्तर का आकर्षण स्थल रहा है। महाप्रभु गुरुनानक देव, कबीर जैसे लोगों के पावन-स्पर्श से काशी का कण-कण तीर्थ स्थल बन चुका है। भगवान शिव को वाराणसी नगरी अत्यन्त प्रिय है। यह उन्हें आनन्द देती है। अतः यह आनन्दकानन या आनन्दवन है।

कुछ मुख्य मंदिर

अन्नपूर्णा मंदिर, वाराणसीकेदारेश्वर मंदिर, वाराणसीदुर्गा कुंड, वाराणसीलोलार्क कुंडवाराणसी के पर्यटन स्थल विशालाक्षी मंदिर, बनारससाक्षी गणेश मंदिर, बनारस
====================+++++
3>वाराणसी पर्यटन - धार्मिक रंग में डूबा वाराणसी पर्यटन

वाराणसी को बनारस और काशी के नाम से भी जाना जाता है। यह शहर, दुनिया में सबसे प्राचीन और निरंतर आगे बढ़ने वाला शहर है। इस शहर को भगवान शिव की नगरी कहा जाता है। भगवान शिव, हिंदुओं के प्रमुख देवता है जिन्‍हे सृजन और विनाश का प्रतीक माना जाता है। वाराणसी, हिंदू धर्म के सबसे पवित्रतम शहरों में से एक है। इस शहर को लेकर हिंदू धर्म में बड़ी मान्‍यता है कि अगर कोई व्‍यक्ति यहां आकर मर जाता है या काशी में उसका अंतिम सस्‍ंकार हो, तो उसे मोक्ष की प्राप्ति होती है यानि उस व्‍यक्ति को जन्‍म और मृत्‍यु के चक्र से मुक्ति मिल जाती है। इसीलिए, इस जगह को मुक्ति स्‍थल भी कहा जाता है।

वाराणसी के बारे में लोगों का अटूट विश्‍वास है कि यहां बहने पवित्र नदी गंगा में यदि डुबकी लगा ली जाएं तो सारे पाप धुल जाते है। कई पर्यटकों के लिए, गंगा नदी में सूर्योदय और सूर्यास्‍त के समय डुबकी लगाना एक अनोखा और यादगार अनुभव होता है। वाराणसी के मुख्‍य घाटों पर हर शाम को आरती ( प्रार्थना ) का आयोजन किया जाता है।

इस रहस्‍यमयी शहर का सबसे आकर्षक पहलू यह है कि यहां स्थित मुख्‍य घाटों पर सभी संस्‍कार और अनुष्‍ठानों को पूरा किया जाता है जिनमें हर कार्य का भली प्रकार आयोजन और समापन होता है, लोग गंगा में डुबकी लगाते है, आरती होती है, शवों का दाह संस्‍कार किया जाता है, उन्‍हे स्‍नान भी करवाया जाता है। इन क्रियाकलापों के अलावा, आप यहां नदी के तट पर लोगों को योगा, मसाज, दाड़ी बनाते हुए और क्रिकेट जैसे खेल खेलते भी देख सकते है।

वाराणसी और आसपास के इलाकों में पर्यटन स्‍थल

वाराणसी शहर, पूरी तरह से धार्मिक रंग में रंगा हुआ है। इस शहर का सबसे 
दिलचस्‍प पहलू यहां स्थित कई घाट है। 
इन घाटों से गंगा जी तक जाने के लिए कई सीढि़यों से उतरना पड़ता है। 
इन सभी घाटों में से कुछ घाट काफी विख्‍यात हैं जिनमें 
1=दशाश्‍वमेध प्रचलित घाट है, यहां हर सुबह और शाम को भव्‍य आरती का आयोजन किया जाता है। इसके अलावा, 
2=दरभंगा घाट, 
3=हनुमान घाट और 
4=मैन मंदिर घाट भी प्रमुख है।

वाराणसी पूरी दुनिया में एकमात्र ऐसा शहर है जहां पर्यटकों को '' मौत पर्यटन '' की सुविधा प्रदान 
की जाती है। 
पर्यटक यहां के मणिकर्णिका घाट पर कई शवों का एकसाथ अंतिम संस्‍कार होते हुए देख सकते है, 
इन शवों को यहां स्‍नान कराया जाता है, जलाया जाता है और बाद में उनकी राख और अस्थियों का विसर्जन गंगा में कर दिया जाता है। 
यहां के 
5=अस्‍सी घाट में सबसे ज्‍यादा होटल और रेस्‍टोरेंट है। 
     इसके अलावा, यहां के 
6=तुलसी घाट, 
7=हरिश्‍चंद्र घाट, 
8=शिवाला घाट और अत्‍यधिक प्रकाशित 
9=केदार घाट भी किसी परिचय के मोहताज नहीं है।

वाराणसी को भगवान शिव का निवास स्‍थान कहा जाता है और इसीकारण यहां काशी विश्‍वनाथ मंदिर स्थित है जो भगवान शिव को समर्पित है। काशी विश्‍वनाथ मंदिर के अलावा 
यहां नया काशी विश्‍वनाथ मंदिर भी है जो वाराणसी के बीएचयू परिसर में बना हुआ है। 
इसके अलावा, यहां कई उल्‍लेखनीय मंदिर जैसे 
तुलसी मानस मंदिर और 
दुर्गा मंदिर भी है। 
यहां मुस्लिमों के धर्म का प्रतिनिधित्‍व करने वाली आलमगीर मस्जिद है 
जबकि जैन भक्‍त, जैन मंदिर में शांति के लिए जाते है।

धार्मिक स्‍थलों के अलावा, 
वाराणसी में नदी के दूसरी तरफ 
राम नगर किला है और जंतर - मंतर है जो कि एक वेधशाला है। 
इस शहर में वाराणसी हिंदू विश्‍वविद्यालय भी स्थित है 
जिसका परिसर बेहद शांतिपूर्ण वातावरण में बना हुआ है। 
इस विश्‍वविद्यालय को पूर्व का ऑक्‍सफोर्ड कहा जाता है। 

यह शहर शास्‍त्रीय नृत्‍य, संगीत और योग के लिए विख्‍यात है।

वाराणसी भ्रमण करने का सबसे अच्‍छा समय

वाराणसी घूमने का सबसे अच्‍छा समय दिसम्‍बर से फरवरी तक होता है।
===================+====+=

4>वाराणसी के घाट 

वाराणसी में गंगा नदी के घाट

वाराणसी (काशी) में गंगा तट पर अनेक सुंदर घाट बने हैं, ये सभी घाट किसी न किसी पौराणिक या धार्मिक कथा से संबंधित हैं। वाराणसी के घाट गंगा नदी के धनुष की आकृति होने के कारण मनोहारी लगते हैं। सभी घाटों के पूर्वार्भिमुख होने से सूर्योदय के समय घाटों पर सूर्य की पहली किरण दस्तक देती है। उत्तर दिशा में राजघाट से प्रारम्भ होकर दक्षिण में असी घाट तक सौ से अधिक घाट हैं। मणिकर्णिका घाट पर चिता की अग्नि कभी शांत नहीं होती, क्योंकि बनारस के बाहर मरने वालों की अन्त्येष्टी पुण्य प्राप्ति के लिये यहीं की जाती है। कई हिन्दू मानते हैं कि वाराणसी में मरने वालों को मोक्ष प्राप्त होता है।

घाटों की महिमा

शिव नगरी काशी के गंगा घाटों की महिमा न्यारी है, प्राचीन नगर काशी पूरे विश्व में सबसे पवित्र शहर है, धर्म एवं संस्कृति का केन्द्र बिन्दु है। असि से आदिकेशव तक घाट श्रृंखला में हर घाट के अलग ठाठ हैं, कहीं शिव गंगा में समाये हुये हैं तो किसी घाट की सीढ़ियां शास्त्रीय विधान में निर्मित हैं, कोई मन्दिर विशिष्ट स्थापत्य शैली में है तो किसी घाट की पहचान वहां स्थित महलों से है, किसी घाट पर मस्जिद है तो कई घाट मौज-मस्ती का केन्द्र हैं। ये घाट काशी के अमूल्य रत्न हैं, जिन्हें किसी जौहरी की आवश्यकता नहीं। गंगा केवल काशी में ही उत्तरवाहिनी हैं तथा शिव के त्रिशूल पर बसे काशी के लगभग सभी घाटों पर शिव स्वयं विराजमान हैं। विभिन्न शुभ अवसरों पर गंगापूजा के लिए इन घाटों को ही साक्षी बनाया जाता है। विभिन्न विख्यात संत महात्माओं ने इन्हीं घाटों पर आश्रय लिया जिनमें तुलसीदास, रामानन्द, रविदास, तैलंग स्वामी, कुमारस्वामी प्रमुख हैं। विभिन्न राजाओं-महाराजाओं ने इन्हीं गंगा घाटों पर अपने महलों का निर्माण कराया एवं निवास किया। इन घाटों पर सम्पूर्ण भारतीय संस्कृति का समन्वय जीवन्त रूप में विद्यमान है। घाटों ने काशी की एक अलग छवि को जगजाहिर किया है; यहां होने वाले धार्मिक सांस्कृतिक कार्यक्रमों में गंगा आरती, गंगा महोत्सव, देवदीपावली, नाग नथैया (कृष्ण लीला), बुढ़वा मंगल विश्वविख्यात है। काशी वासियों के लिये गंगा के घाट धार्मिक-आध्यात्मिक महत्व के साथ ही पर्यटन, मौज-मस्ती के दृष्टि से भी बहुत महत्वपूर्ण हैं। घाट पर स्नान के पश्चात भांग-बूटी के मस्ती में डूबे साधु-सन्न्यासियों एवं यहां के निवासियों ने बनारसी-मस्ती के अद्भुत छवि का निर्माण किया है, जिसके अलग अंदाज़ को सम्पूर्ण विश्व देखना, समझना एवं जीना चाहता है।

चौरासी (84) घाट

वाराणसी में लगभग 84 घाट हैं। ये घाट लगभग 4 मील लम्‍बे तट पर बने हुए हैं। इन 84 घाटों में पाँच घाट बहुत ही पवित्र माने जाते हैं। इन्‍हें सामूहिक रूप से 'पंचतीर्थ' कहा जाता है। ये हैं असी घाट, दशाश्वमेध घाट, आदिकेशव घाट, पंचगंगा घाट तथा मणिकर्णिका घाट। असी घाट सबसे दक्षिण में स्थित है जबकि आदिकेशव घाट सबसे उत्तर में स्थित हैं। हर घाट की अपनी अलग-अलग कहानी है। वाराणसी के कई घाट मराठा साम्राज्य के अधीनस्थ काल में बनवाये गए थे। वाराणसी के संरक्षकों में मराठा, शिंदे (सिंधिया), होल्कर, भोंसले और पेशवा परिवार रहे हैं। वाराणसी में अधिकतर घाट स्नान-घाट हैं, कुछ घाट अन्त्येष्टि घाट हैं। महानिर्वाणी घाट में महात्‍मा बुद्ध ने स्‍नान किया था। कुछ घाट जैसे मणिकर्णिका घाट किसी कथा आदि से जुड़े हुए हैं, जबकि कुछ घाट निजी स्वामित्व के भी हैं पूर्व काशी नरेश का शिवाला घाट और काली घाट निजी संपदा हैं। वाराणसी में असी घाट से लेकर वरुणा घाट तक सभी की क्रमवार सूची निम्न है:-



प्रमुख घाट

वाराणसी में कुछ प्रसिद्ध घाट हैं। इनमें कुछ घाटों का धार्मिक व अध्यात्मिक महत्त्व है और कुछ घाट अपनी प्राचीनता तो कुछ ऐतिहासिकता व कुछ कला के लिहाज़ से ख़ासियत रखते हैं।

असीघाट

असीघाट वाराणसी के दक्षिणी छोर पर गंगा व असि नदीके संगम पर स्थित है।यह घाट श्रद्धालुओं की आस्था व आकर्षण का प्रमुख केन्द्र है।यहीं पर भगवान जगन्नाथ का प्रसिद्ध मंदिर है।

तुलसी घाट

तुलसीघाट प्रसिद्ध कवि तुलसीदास से संबंधित है।यहाँ गोस्वामी तुलसी दास ने श्रीरामचरित मानस के कई अंशों की रचना की थी।कहा जाता है कि तुलसीदास ने अपना आख़िरी समय यहीं व्‍यतीत किया था।इस घाट का नाम पहले 'लोलार्क घाट' था।

हरिश्चंद्र घाट

हरिश्‍चंद्र घाट का संबंध राजा हरिश्चंद्र से है।सत्यप्रिय राजा हरिश्चंद्र के नाम पर यह घाट वाराणसी के प्राचीनतम घाटों में एक है।इस घाट पर हिन्दू मरणोपरांत दाह संस्कार करते हैं।

केदार घाट

केदार घाट का नाम केदारेश्वर महादेव मंदिर के नाम पर पड़ा है।इस घाट के समीप में ही स्वामी करपात्री आश्रम व गौरी कुंड स्थित है।

दशाश्वमेध घाट

यह घाट गोदौलिया से गंगा जाने वाले मार्ग के अंतिम छोर पर पड़ता है।प्राचीन ग्रंथो के मुताबिक राजा दिवोदास द्वारा यहाँ दस अश्वमेध यज्ञ कराने के कारण इसका नाम 'दशाश्वमेध घाट' पड़ा।एक अन्य मत के अनुसार नागवंशीय राजा वीरसेन ने चक्रवर्ती बनने की आकांक्षा में इस स्थान पर दस बार अश्वमेध कराया था

राजेन्द्र घाट

राजेन्द्र प्रसाद घाट दशाश्वमेध घाट के बगल में है।यह घाट देश के प्रथम राष्ट्रपति डॉ. राजेन्द्र प्रसाद की स्मृति में बनाया गया है।

मणिकर्णिका घाट

पौराणिक मान्यताओं से जुड़े मणिकर्णिका घाट का धर्मप्राण जनता में मरणोपरांत अंतिम संस्कार के लिहाज़ से अत्यधिक महत्त्व है।इस घाट की गणना काशी के पंचतीर्थो में की जाती है।मणिकर्णिका घाट पर स्थित भवनों का निर्माण पेशवा बाजीराव तथा अहिल्याबाई होल्कर ने करवाया था।

चेत सिंह घाट

चेत सिंह घाट, वाराणसी

चेत सिंह घाट एक क़िले की तरह लगता है।चेत सिंह बनारस के एक साहसी राजा थे जिन्‍होंने 1781 ई. में वॉरेन हेस्टिंगस की सेना के ख़िलाफ़ लड़ाई लड़ी थी।

पंचगंगा घाट

पौराणिक मान्यताओं के अनुसार पंचगंगा घाट से गंगा, यमुना, सरस्वती, किरण व धूतपापा नदियाँ गुप्त रूप से मिलती हैं।इसी घाट की सीढि़यों पर गुरु रामानंद से संत कबीरदासने दीक्षा ली थी।

राजघाट

राजघाट काशी रेलवे स्टेशन से सटे मालवीय सेतु (डफरिन पुल) के पा‌र्श्व में स्थित है।यहां संत रविदास का भव्य मंदिर भी है।

आदिकेशव घाट

आदिकेशव घाट वरुणा व गंगा के संगम पर स्थित है।यहाँ संगमेश्वर व ब्रह्मेश्वर मंदिर दर्शनीय हैं।इसके अलावा गायघाट, लालघाट, सिंधिया घाट आदि काशी के सौंदर्य को उद्भाषित करते हैं।[2]

शिक्षा

बनारस हिन्दू विश्वविद्यालय ·सम्पूर्णानन्द संस्कृत विश्वविद्यालय · महात्मा गाँधी काशी विद्यापीठ

विभूतियाँ

अगस्त्य · धन्वन्तरि · बुद्ध ·कबीर · झाँसी की रानी लक्ष्मीबाई · पतंजलि · रैदास ·आदि शंकराचार्य · तुलसीदास ·वल्लभाचार्य · उस्ताद बिस्मिल्ला ख़ाँ · पंडित रविशंकर · भारतेंदु हरिश्चंद्र · अयोध्यासिंह उपाध्याय· जयशंकर प्रसाद · प्रेमचंद ·श्यामसुन्दर दास · राय कृष्णदास · आचार्य रामचन्द्र शुक्ल · आग़ा हश्र कश्मीरी

प्रमुख नदियाँ

गंगा · बानगंगा · गोमती · वरुणा नदी · असि नदी

शिल्पकला उद्योग

बनारस की वस्त्रकला · बनारस की काष्ठ कला · बनारस की ताम्रकला

मंदिर

विश्वनाथ मन्दिर · भारत माता मन्दिर · दूध का कर्ज़ मंदिर ·अन्‍नपूर्णा मंदिर · साक्षी गणेश मंदिर · काशी विशालाक्षी मंदिर· केदारेश्‍वर मंदिर · विष्‍णु चरणपादुका · भैरव मंदिर ·सीता मंदिर · मारकण्डेय महादेव मंदिर · विंध्‍याचल मंदिर· संकटमोचन मंदिर · दुर्गा मंदिर· मानस मंदिर · कर्दमेश्वर मंदिर· गुरुधाम मंदिर · रविदास मंदिर· बालाजी मंदिर · रूरू भैरव, मंदिर · रामेश्वर, वाराणसी

कुण्ड एवं तालाब

लोलार्क कुण्ड · दुर्गाकुण्ड ·बेनिया कुण्ड · बकरिया कुण्ड ·लक्ष्मी कुण्ड · कुरुक्षेत्र कुण्ड ·क्रीं-कुण्ड · पितृ कुण्ड · विमल कुण्ड · राम कुण्ड · सूरज कुण्ड· कर्णघण्टा सरोवर · मातृ कुण्ड· रामकटोरा कुण्ड · मत्स्योदरी तालाब · कपालमोचन तालाब ·ऐतरनी-वैतरणी तालाब ·बृद्धकाल कूप
====================================

 
 

6/1>বিন্ধ্যাচলে র প্রসিদ্ধ মন্দির সমূহ :-- 
অষ্টভুজা মন্দির 
মাঁ বিন্ধবাসিনী মন্দির 

विंध्‍याचल मंदिर वाराणसी 

वाराणसीवाराणसी पर्यटनवाराणसी ज़िलावाराणसी से विंध्‍याचल मंदिर 78 किलोमीटर और इलाहाबाद से 15 किलोमीटर की दूरी पर स्थित है।यह एक प्रसिद्ध शक्‍तिपीठ है।यहाँ विंध्‍यवासिनी देवी तथा अष्‍टभुजी देवी का मंदिर है।यहाँ सीता कुण्‍ड तथा कालीखोह मंदिर है।यह मंदिर देवी काली को समर्पित है। 


अष्टभुजा देवी मन्दिर, विन्ध्याचल

 जैसा कि नाम से ही प्रतीत होता है अष्टभुजा मन्दिर देवी अष्टभुजा को समर्पित है जो कि भगवान कृष्ण को पालने वाली माता यशोदा की पुत्री थीं। लोककथाओं के अनुसार वे मथुरा के राक्षस राजा कंस के क्रूर हाथों से चमत्कारिक रूप से छूट कर विन्ध्याचल की पहाड़ियों पर आकर बसीं। यह जादुई मन्दिर विन्ध्याचल पहाड़ियों के ऊपर स्थित है। अष्टभुजा मन्दिर को भी इसी क्रम में बनाया गया था। यह विन्ध्यवासिनी देवी को समर्पित मन्दिर से तीन किमी की दूरी पर स्थित है।

मन्दिर चमत्कारिक पहाड़ियों की पृष्ठभूमि में स्थित है और अपने शांत और सुन्दर दृश्यों के कारण भक्तों के साथ-साथ पर्यटकों के बीच भी लोकप्रिय है। प्राचीन काल में यह राजाओं का पसन्दीदा स्थान था जो शत्रुओं पर विजय प्राप्त करने और अपनी इच्छाओं की पूर्ति के लिये तान्त्रिकों की मदद से गुप्त पूजाओं, यज्ञों और अनुष्ठानों के लिये यहाँ आते थे।

बाकी विन्ध्याचल आकर्षण

रामेश्वर महादेव मन्दिर
सीता कुण्ड
कालीकोह मन्दिर
विन्ध्यवासिनी देवी मन्दिर
वाराणसी साहित्य,कला,मंदिर और संस्कृति का शहर
================================
4/2> विन्ध्याचल में स्थित प्रसिद्ध मंदिर
भारत का मानक समय विंध्याचल से ही निर्धारित होता है
1>काली खोह
2>बटुख भैरव – विन्ध्याचल
3>बंधवा हनुमान – विन्ध्याचल
4>माँ कंकाल काली ( अकोढी )
5>अति प्राचीन बड़ा लाल भैरव मंदिर विन्ध्याचल
6>भारत का मानक समय विंध्याचल से ही निर्धारित होता है
7>सिद्धनाथ दरी
8>मिर्ज़ापुर से लगभग 65 किलोमीटर की दुरी पर स्

     विजयगढ़ दुर्ग
9>बेचू बीर की समाधी, यहाँ लगता है भूतों का मेला, मिर्ज़ापुर
10>पंचमुखी महादेव बरियाघाट, मिर्ज़ापुर
11>माता आनंदमयी आश्रम विन्ध्याचल
12>शिवद्वार मिर्ज़ापुर घोरावल



1>काली खोह

महाशक्ति पीठ ”माँ विंध्यवासिनी धाम ”में त्रिकोण परिक्रमा के अंतर्गत अवस्थित “महाशक्ति माँ काली ”
राक्षस रक्तबीज के संहार करते समय माँ काली विकराल रूप धारण कर ली थी ,

उनको शांत करने हेतु शिव जी युद्ध भूमि में उनके सामने लेट गये , जब माँ काली का 
चरण शिव जी पर पड़ा ,तो लज्जावश पहाडियों के खोह में छुप गयी ,
इस वजह से ये स्थान काली खोह के नाम से प्रसिद्ध हुवा 
पहाड़ों के बीच बसा माँ महाकाली (कलि खोह)

2>बटुख भैरव – विन्ध्याचल

माँ विंध्यवासिनी के कोतवाल के रूप में जाने जाते है बटुख भैरव जो माँ के पहरेदार है यह मंदिर विन्ध्याचल थाने के परिसर में स्थित है यहाँ नवरात्र के अष्टमी के दिन तंत्र मंत्र साधना के लिए तांत्रिक भी आते है. यह मंदिर माँ विंध्यवासिनी धाम के समीप है.


3>बंधवा हनुमान – विन्ध्याचल

त्रिकोण यात्रा के दौरान बाबा बंधवा हनुमान के भी दर्शन किये जाते है. मान्यता है की बिना इनके दर्शन से त्रिकोण यात्रा पूर्ण नहीं होती यह मंदिर विन्ध्याचल में स्थित है जो त्रिकोण यात्रा करते समय पड़ता है. यहां भक्त इन्हें प्रेम से बंधवा हनुमान के नाम से पुकारते हैं। हनुमानजी की यह प्रतिमा यहां कब से हैं कोई नहीं जानता। लेकिन श्रद्धालुओं का कहना है कि बालरुप में हनुमान जी सबसे पहले एक वृक्ष से प्रकट हुये थे। ऐसी मान्यता है कि यह हनुमान जी अपने आप बढ़ रहे हैं। शनिदेव के प्रकोप से बचने के लिये ज्यादातर भक्त, बंधवा हनुमान की शरण में आते हैं। कहते हैं कि जो भक्त शनिवार को लड्डू, तुलसी और फूल चढ़ाता है, उस पर से साढ़ेसाती का कष्ट कुछ कम हो जाता है। बालरुप में विराजने वाले बंधवा हनुमान का स्वरुप भी बच्चों जैसा है। तभी तो इनके रुप को देखकर किसी के मन में ममता जागती है तो कोई उनके रुप का दर्शन करके सांसारिक मोह माया से मुक्ति पा लेता है।

4>माँ कंकाल काली ( अकोढी )

विन्ध्याचल जिगना में स्थित है माँ का यह दुर्लभ कंकाल काली का यह मंदिर जो कर्णावती नदी के संगम किनारे स्थित अक्रोधपुर ( अकोढी ) में पड़ता है यहाँ पर भी साधक अपनी सिद्धिया प्राप्त करने के लिए अलग अलग जिले से आते है और अपनी तांत्रिक शक्तियों को सिद्ध करने के लिए कई रात साधना करते है. माँ काली का उल्लेख दुर्गा सप्तशती के सतावे अध्याय में मिलता है.
यह माँ की दुर्लभ मूर्ति खुदाई के दौरान मिली थी

5>अति प्राचीन बड़ा लाल भैरव मंदिर विन्ध्याचल

मिर्ज़ापुर नगर से विन्ध्याचल आने वाले मार्ग कंतित पर लालभैरव का अति प्राचीन मंदिर स्थित है। देवी पुराण और महा भागवत पुराण में वर्णन है कि जहाँ जहाँ शक्तिपीठ है वहाँ पर रक्षक के रूप में भैरव जी जरुर रहेंगे। विंध्याचल में माँ विन्ध्य्वासनी के रक्षक के रूप में लाल भैरव जी का भव्य मंदिर है। 6 फीट की ऊँची भव्य लाल रंग की विशाल मूर्ती भैरव जी के क्रोधित रूप में स्थापित है। जो कि अत्यंत आकर्षक है। यहाँ दर्शन मात्र से भक्तो के समस्त दुःख दूर हो जाते है और समस्त भय का नाश हो जाता है। कहा जाता है कि शक्तिपीठ के दर्शन का पूर्ण फल तभी प्राप्त होता है जबतक वहाँ के भैरव जी के दर्शन भी न कर लिया जाय। यहाँ शक्तिपीठ विन्ध्य वासिनी के दर्शन के लिये आने वाले श्रद्धालू लाल भैरव के दर्शन कर अपनी यात्रा को पूर्ण करते है।

6>भारत का मानक समय विंध्याचल से ही निर्धारित होता है

7>सिद्धनाथ दरी

8>मिर्ज़ापुर से लगभग 65 किलोमीटर की दुरी पर स्

विजयगढ़ दुर्ग

9>बेचू बीर की समाधी, यहाँ लगता है भूतों का मेला, मिर्ज़ापुर

10>पंचमुखी महादेव बरियाघाट, मिर्ज़ापुर

11>माता आनंदमयी आश्रम विन्ध्याचल

12>शिवद्वार मिर्ज़ापुर घोरावल

≠=======++++++=+=====+===

9> = বিহার-পাটনা-রাজগীর-গয়া (1)--10 দিন।

9> বিহার-পাটনা-রাজগীর-গয়া (1)--10 দিন।--

--পটনা-বৈশালী--গয়া-রাজগীর-নালন্দা।

PATNA= TOUR
22 or 23 এ যাওয়া হবে.
30 এ ফেরা হবে

24/12/2022 সকাল 8: 20am  বাড়িথেক বেরিয়ে বর্ধমান, দুর্গাপুর, ধানবাদ, তোপচাচি,ইসরী,দুমড়ি,
হাজারীবাগ, বুদ্ধগয়া, গয়া, হয়ে পাটনা পৌঁছলাম রাত্রি 10:10 pm.= মোটা মুটি 14 ঘন্টা লাগলো।
বর্ধমান থেকে পাটনা পর্যন্ত কোন রাস্তা ই
ভালো রাস্থা বা জাম ছারা পাইনি, কারণ সমস্ত রাস্থাতেই এক্সটেনশন,নুতন লেন তৈরি, বা রিপিয়ারিংয়ের কাজ চলছে।
রাস্তা এমন খারাপ হবে সেটা ভাবতেই পারিনি।
বর্ধমান পৌঁছতেই সময় লেগেছে 4 ঘন্টা।
কারণ প্রচন্ড ট্রাফিক জ্যাম।

কলকাতা থেকে পাটনা
592.8 km via AH1 and NH 19
Distance 592.8 km by car 12hr 24min say 13 hours. via NH 19
আমাদের পৌঁছতে লাগলো 14 ঘন্টা।

ভাবনা ছিল
রাস্থা সুন্দর হবে  তাই গাড়ি চালিয়েও খুব আরাম হবে , কিন্তু রাস্তার কারনে
New Brezza  Smart HYBRID কার,
সত্যি জার্নি খুব মজাদার ।
=========================
আমরা বেরিয়ে পড়েছি ফেমিলি টুরে,
খুব ছোট এক ফেমিলি টুর,পাটনার পথে।
মাত্র সাত দিনের টুর।
পথে  একটু জিরিয়ে  নেবো রাজগির, নালন্দা,  বখতিয়ারপুর,
পাটনা গোলঘর,-পাটনা মহাবীর মন্দির, - তখত শ্রী পাটনা সাহেব,--জালান যাদুঘর, --নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়, --পাটনা যাদুঘর, --গান্ধী ঘাট, --ছোট দরগাহ, --পাওয়াপুরীর --জৈন মন্দির, --সঞ্জয় গান্ধী জৈবিক উদ্যান বা বোটানিকাল গার্ডেন।
==========================

পাটনায় দর্শনীয়10 টি 

1>গোলঘর
2>মহাবীর মন্দির
3>তখত শ্রী পাটনা সাহেব
4>জালান যাদুঘর
5>নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়
6>পাটনা যাদুঘর
7>গান্ধী ঘাট
8>ছোট দরগাহ
9>পাওয়া পুরীর জৈন মন্দির
10>সঞ্জয় গান্ধী জৈবিক উদ্যান বা বোটানিকাল গার্ডেন।

খ্রিস্টপূর্ব ৫ ম শতাব্দীতে পাতিলিপুত্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল - আধুনিক শহরটির সংলগ্ন অপূর্ব ধ্বংসাবশেষ - ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য বিহারের রাজধানী দেশের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল শহর।

1>গোলঘর
পাটনার অবিসংবাদিত আর্কিটেকচার ল্যান্ডমার্ক গোলঘর, আশ্চর্য এবং অনেক কৌতূহল প্রকাশ করে। গান্ধী ময়দানের পশ্চিমে এই অনন্য গম্বুজযুক্ত কাঠামোটি ক্যাপ্টেন জন গার্স্টিন 1786 সালে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর দানাদার হিসাবে তৈরি করেছিলেন। ইঞ্জিনিয়ার সম্ভবত স্তূপ আর্কিটেকচার দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিল এবং আশ্চর্যজনকভাবে এর 29 মিটার উচ্চতা এবং 125 মিটার ব্যাসকে সমর্থন করার জন্য স্তম্ভগুলির কোনও ব্যবহার করেন নি। গোলঘরের চারপাশে সর্পিল সিঁড়ি আরোহণ, একসময় লোডিং এবং আনলোডের জন্য ব্যবহৃত, শহর এবং গঙ্গা নদীর অপূর্ব প্যানোরামিক দৃশ্যের প্রতিশ্রুতি দেয়।
===================
2>মহাবীর মন্দির
পাটনা জংশনের ঠিক বাইরে, মহাবীর মন্দির, যা হনুমান মন্দির নামেও পরিচিত।

3>তখত শ্রী পাটনা সাহেব

শিখ সম্প্রদায়ের  উপাসনালয়, গুরু গোবিন্দ সিংহের জন্মস্থান হিসাবে নির্মিত,
গঙ্গার তীরে সাদা মার্বেলের  প্রাসাদ।

কয়েক ঘন্টা নির্মলতা যদি পর্যাপ্ত না হয় তবে আশেপাশের আবাসন কমপ্লেক্সে শিখ মন্দিরের রীতি অনুসারে দর্শনার্থীদের রাতে থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়।

ঠিকানা: হাজী গঞ্জ, পাটনা, বিহার 800001, ভারত।
-----------------------------
4>জালান যাদুঘর
জালান যাদুঘর বা কুইলা হাউস একটি সারগ্রাহী বেসরকারী যাদুঘর এবং গঙ্গার তীরে অবস্থিত একটি আবাসিক বাড়ি। ১৯১৯ সালের পর থেকে জালান পরিবারের পাঁচটি প্রজন্মের হোম এটি কোনও স্থানের রত্ন, রাধা কৃষ্ণ জালানের দ্বারা অর্জিত জিনিসগুলি ডি'আর্ট এবং পুরানো জিনিসগুলির সাথে উপচে পড়ে। সংগ্রহে বিস্তৃত মুঘল আমলের সিলভারওয়্যার, স্যাভ্রেস চীনামাটির বাসন একবার ম্যারি অ্যানটোনেট এবং তৃতীয় নেপোলিয়নের কাঠের বিছানা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রতিটি মোড় ঘুরে অবাক করা পূর্ণ, 48 ঘন্টা এগিয়ে কল এবং একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট করা সময় মূল্য ভাল। যেহেতু বাড়িটি কোনও সরকারী প্রতিষ্ঠান নয়, তাই দর্শন নিরাপদ করার একমাত্র উপায় এটি।

=====================

5>নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়
বিহারের গৌরবময় অতীতে নিমজ্জনের জন্য, নালন্দার প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়ের ধ্বংসাবশেষের দিকে রওনা করুন। স্মৃতিসৌধ লাল ইটের দেয়াল এবং স্তূপগুলি গর্বের সাথে ভারতের ইতিহাসে দীর্ঘতম বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়টি দাঁড়িয়ে আছে। এটি বৌদ্ধ ভিক্ষুরা 450 সি তে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন এবং ধারণা করা হয় যে 10,000 এরও বেশি শিক্ষার্থী থাকার ব্যবস্থা করেছিলেন এবং বুদ্ধ সিদ্ধার্থ নিজেই আয়োজক ছিলেন। আজকের যা কিছু অবশিষ্ট রয়েছে সেগুলি 14 হেক্টর এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে, প্রশান্ত পরিবেশ উপভোগ করার জন্য পর্যাপ্ত জায়গা। পাটনা শহর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে এবং বাসে সহজেই অ্যাক্সেসযোগ্য, দুঃসাহসিক দিনের ভ্রমণের জন্য আরও কয়েকটি ভাল উপায় থাকতে পারে।

ঠিকানা: নালন্দা জেলা, রাজগীর, বিহার 803116, ভারত
==========================
6>পাটনা যাদুঘর
মুঘল এবং রাজপুত স্থাপত্যের উপাদানগুলি সমন্বিত এক সারগ্রাহী শৈলীর পরে ব্রিটিশদের দ্বারা উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে নির্মিত, পাটনা যাদুঘরে নগরের আশেপাশে প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি historicalতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলির সন্ধান পাওয়া যায়। গ্র্যান্ড বিল্ডিংটি নিজের মতো করে দেখার মতো। সংগ্রহের আসল ধনসমুহে, 200 মিলিয়ন বছরেরও বেশি সময় অবধি বলা একটি গাছের জীবাশ্ম অন্তর্ভুক্ত, গৌতম বুদ্ধের ছাই সম্বলিত বৈশালীর স্তূপ থেকে খোদাই করা একটি কসেট এবং যাদুঘরের সবচেয়ে মূল্যবান নিদর্শন: জীবন- আকার দিদারগঞ্জ যক্ষী মূর্তি (300 বিসিই), মৌর্য শিল্পের বিশ্বের অন্যতম সেরা উদাহরণ।

স্থানীয়ভাবে যদু ঘর নামে পরিচিত,
পাটনা জাদুঘর বিহার ভ্রমণের শীর্ষ স্থানগুলির মধ্যে অন্যতম। এই স্থান প্রায় ৫০,০০০ দুর্লভ শিল্প বস্তু ধরে রাখার জন্য পরিচিত যা প্রশংসনীয়। এর পাশাপাশি মধ্যযুগের ভারতীয় শিল্পকর্ম, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক যুগ এবং প্রাচীন যুগও রয়েছে। ১৯১৭ সালে নির্মিত, এই স্থান একটি সমৃদ্ধ সংগ্রহ আছে যা রাষ্ট্রের ভারতীয় ইতিহাস এবং গৌরব প্রতিফলিত হয়। ভবন মুঘল এবং রাজপুত স্থাপত্য প্রদর্শন এবং এর ভিতরে অনেক গ্যালারি আছে। এটি পাটনা সবচেয়ে বিখ্যাত স্থানঅন্যতম।

সময়: সকাল ১০:৩০ টা থেকে বিকাল ৪:৩০ (সোমবার বন্ধ)।

এন্ট্রি ফি: ভারতীয়: আই এন আর ১৫, বিদেশী পর্যটক: আই এন আর ২৫০

ঠিকানা: কোতোয়ালি থানার নিকটবর্তী, বুদ্ধমার্গ, পাটনা, বিহার 800001,
======================

7>গান্ধী ঘাট
ছোট ফেরি টার্মিনালের নিকটে গঙ্গার দিকে নামার পদক্ষেপগুলি একটি দুর্দান্ত জায়গা যা থেকে নদীর শান্ত ছন্দে ভিজতে এবং ভারতীয় বাস্তবতার একটি খাঁটি টুকরো পর্যবেক্ষণ করে। দম্পতিরা এখানে মাঝেমধ্যে আড্ডা দেয়, বাচ্চারা খেলা করে এবং স্নান করে এবং আপনি যদি কোনও পর্যটকদের মতো অস্পষ্টভাবে দেখেন তবে দামের আলোচনার পরে আপনাকে একটি ছোট নৌকা বাইচ চালানো হবে। শনি ও রবিবার সন্ধ্যা সন্ধ্যা। টা নাগাদ, জাফরান পোশাক পরে হিন্দু পুরোহিতদের আরতি অনুষ্ঠান সম্পাদনের জন্য এখানে ভিড় জমায়, দেবদেবীদের কাছে আলো-আগুনের নৈবেদ্য এবং প্রশংসার গান রয়েছে।

ঠিকানা: গান্ধী ঘাট, পাটনা, বিহার 800005, ভারত।
=====================
8>ছোট দরগাহ
পাটনা শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে 30 কিলোমিটার পশ্চিমে, মনের পরিবেশে, ছোট দরগাহ বসে, পূর্ব ভারতের অন্যতম সেরা এবং স্বল্পতম পরিচিত মুঘল সমাধি। এটি একটি দর্শনীয় তিনতলা গম্বুজযুক্ত কাঠামো যার চারটি চৌকো চৌকো চারটি বারো-পার্শ্বযুক্ত মিনার রয়েছে। এর দেয়ালগুলি জটিল নকশায় সজ্জিত এবং কোরান থেকে প্রাপ্ত অংশগুলি সিলিংয়ে খোদাই করা আছে। সুফি মুসলিম সাধক মখদূম শাহ দৌলতের সমাধি স্থাপন করা হয়েছিল যাকে কয়েক বছর আগে ঘটনাস্থলে দাফন করা হয়েছিল। গ্রীষ্মকালে ভবনের সামনের জলের বিশাল দেহটি স্থানীয় বাচ্চাদের পছন্দের সাঁতারের গোসলগুলিতে পরিণত হয়।
===================

9>পাবপুরীর জৈন মন্দির
প্রাচীন ভারতীয় ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে অন্যতম প্রাচীন হওয়া সত্ত্বেও, জৈন ধর্ম বহু দর্শনার্থীর কাছে অস্পষ্ট হয়ে আছে। পাওয়াপুরি বা পাপহীন শহরটি সারা দেশ থেকে জৈনদের একটি প্রধান তীর্থস্থান। এখানে, তারা বিশ্বাস করে যে সমস্ত পাপ বিযুক্ত। জৈনধর্মের প্রতিষ্ঠাতা ভগবান মহাবীর প্রায় 500 বিসিই এই স্থানে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন। একটি মার্বেল মন্দির, জলমন্দির পরে একটি বিশাল জলাশয়ের কেন্দ্রে নির্মিত হয়েছিল।

ঠিকানা: পাবাপুরী, বিহার 803115,
====================

10>সঞ্জয় গান্ধী জৈবিক উদ্যান বা
বোটানিকাল গার্ডেন।
পাটনা বাসিন্দাদের মধ্যে সবুজ অঞ্চলের এই সর্বাধিক জনপ্রিয়, প্রায় 300 টিরও বেশি প্রজাতির গাছ, গুল্ম এবং গুল্ম এবং সেইসাথে দেশের অন্যতম ★বৃহত্তম চিড়িয়াখানা রয়েছে এমন বিশাল উন্মুক্ত জায়গাগুলির সংমিশ্রণ ঘটায়। পিকনিকের জন্য সংগ্রহ করার জন্য, বা কেবল অন্দর অর্কিড ঘর এবং গোলাপ উদ্যানের মধ্য দিয়ে হেঁটে যাওয়ার জন্য এটি আদর্শ জায়গা। চিড়িয়াখানাটি বিস্তৃত এবং বিশেষভাবে ভালভাবে রক্ষিত রয়েছে, হিপ্পস, বাঘ, হিমালয় বিয়ার এবং ভারতীয় রাইনোসের বিরল প্রজনন জোড়া সহ প্রায় ১০০ প্রজাতির 800 জনেরও বেশি প্রাণী রয়েছে।

ঠিকানা: বেইলি রোড, রাজভবন, রাজবংশী নগর, পাটনা, বিহার 800001,

খোলার সময়: মঙ্গল-সান 8:00 - 16:30
======================

26/12/2022 বেলা 12টা নাগাদ রওনা দিলাম বখতিয়ার পুর B K S Chouhan জির বাড়ির পথে।
বেলা একটা নাগাদ আমরা  পৌঁছে গেলাম
চৌহান জির বাড়িতে।
  বখতিয়ার পুর
পো:--আবু আহম্মেদপুর, চৌহান টোলা।
ডি এ বি পাব্লিক স্কুলের ঠিক বিপরীতে।
প্রায় আড়াই ঘণ্টা নানান গল্প করে কাটালাম। দুপুরের খাবার খেয়ে আবার রওনা দিলাম। পাটনা।
Deep Bhawan (दीप भवन)
Mazar Gali,
Opp.-- Piller No:- 76.
Sheikh pura . Bailey Road .
Patna-14
PIN:--800014
====================
আজ 28/12/2022
আমরা পাওয়া পুরীর হোটেল
অভিলাষাতে পৌঁছে গেলাম 10:30 am




             (A)
পটনা শহরের দ্রষ্টব্য দেখার জন্য অটো বা গাড়ি ভাড়া করে।
পটনা থেকে গাড়ি ভাড়া করে তাতেই ঘুরে নেওয়া যায় বৈশালী।
সোমবার (Monday )বন্ধ থাকে মিউজিয়াম ও আশ্রম ।

পাটনায় দর্শনীয় স্থান::--
Patna----(১) কুমরাহর –(২) গান্ধী ময়দান –(৩) গান্ধী ঘাট--(৪) বুদ্ধ স্মৃতি মন্দির –(৫) গোলঘর তথা কেন্দ্রীয় শস্যাগার –(৬) পটনা মিউজিয়াম –
(৭) সদাকত আশ্রম –
(৮) শহিদ-কি-মকবরা –(৯) পটনা সাহিব – (১০) শের শাহি মসজিদ – (১১) আগম কুয়া –

4th day◆◆বৈশালী।
●(১) অশোক পিলার--
●(২) বৌদ্ধস্তূপ---
●(৩) অদূরে চার শতকের চতুর্মুখী মহাদেব।----
●(৪) মিউজিয়ামের পথে বৌদ্ধস্তূপ----
●(৫) মিউজিয়াম-----
●(৬) অভিষেক পুষ্করিণী –--
●(৭) বিশ্ব শান্তি স্তূপ – অভিষেক পুষ্করিণীর পাড়ে-----
●(৮) বাওয়ান পোখর মন্দির---
●(৯) রাজা বিশাল কা গড় –--
●(১০) অদূরেই হরিকাটোরা মন্দিরে রাম-লক্ষ্মণ-সীতা।
-----------------------

=======================
বেড়ানোর কথা ভাবলে আমরা বিহারের কথা খুব একটা মাথায় আনি না। অথচ এই রাজ্যের পরতে পরতে ছড়িয়ে আছে ইতিহাস। বুদ্ধদেব, মহাবীর, অজাতশত্রু, বিম্বিসার, চন্দ্রগুপ্ত, অশোক যে রাজ্যের সঙ্গে জড়িয়ে, যে রাজ্যে বিশ্বের প্রথম রিপাবলিকের পত্তন হয়, শরদিন্দুর ঐতিহাসিক উপন্যাসের ভিত্তি যে রাজ্য, সেই রাজ্যকে কি পর্যটন-মানচিত্রে ব্রাত্য রাখা যায়? আমাদের প্রতিবেশী বিহারে পৌঁছেও যাওয়া যায় সহজে। তাই এ বার গন্তব্য হোক বিহার, বিহারের মগধ। চলুন পুজোর ছুটিতে বেরিয়ে পড়ি, দিন পাঁচেকের মধ্যে ঘুরে আসি পটনা-বৈশালী।

ভ্রমণসূচি
প্রথম দিন – পৌঁছে যাওয়া পাটনা,
দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন – দুইদিন গঙ্গার তীরে ঘুরে ঘুরে পটনা শহর ।

পটনায় দর্শনীয়::--
(১) কুমরাহর – পর্যটন ভবন থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে পটনা বাইপাসে। ●কুমরাহর, ●ভিকনাপাহাড়ি, ●বুলন্দি বাগে রাজধানী মগধের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে। ●আর আছে মৌর্য আমলের প্রাসাদ, ●৮০টি স্তম্ভবিশিষ্ট অ্যাসেম্বলি হল, ●বৌদ্ধ মনাস্ট্রি আনন্দবিহার। ●খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ থেকে ৬০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালের সংগ্রহ নিয়ে রয়েছে মিউজিয়াম।

(২) গান্ধী ময়দান – শহরের হৃদপিণ্ড।

(৩) গান্ধী ঘাট – বারাণসীর মতো পটনায় গঙ্গার তীরে অত ঘাট না থাকলেও, বেশ কিছু ঘাট আছে। এর মধ্যে গান্ধী ঘাট বেশ পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর। পটনা বেড়াতে এসে এখানে কিছুক্ষণ কাটিয়ে যেতেই পারেন।

(৪) বুদ্ধ স্মৃতি মন্দির – পটনা জংশন স্টেশনের কাছে ফ্রেজার রোডে মহাবীর মন্দিরের বিপরীতে ২২ একর জমির উপর এই পার্ক। এখানে দলাই লমার রোপণ করা দু’টি বোধিবৃক্ষ রয়েছে। রয়েছে ভগবান বুদ্ধের স্ট্যাচু, ২০০ ফুট উচ্চতার পাটলিপুত্র করুণা স্তূপ।  

(৫) গোলঘর তথা কেন্দ্রীয় শস্যাগার – ১৭৭০-এর মন্বন্তরের বিভীষিকায় সন্ত্রস্ত ব্রিটিশ সরকার ফৌজের জন্য খাদ্যশস্য সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৭৮৬-তে গান্ধী ময়দানের পুবে গঙ্গার তীরে গড়ে গোলঘর। এতে ১৪ লক্ষ টন খাদ্যশস্য সংরক্ষণ করা যায়। অভিনব স্থাপত্য, ধনুকাকার সিঁড়িতে ১৪৫ ধাপ উঠে উপর থেকে পটনা শহর দেখতে বেশ ভালো লাগে। দেখুন এর হুইসপারিং গ্যালারি। বিপরীতে গান্ধী সংগ্রহালয়। সন্ধ্যায় গোলঘর চত্বরে দেখে নিন লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো।

(৬) পটনা মিউজিয়াম – বুধমার্গে, মোগল ও রাজপুত শৈলীতে তৈরি।
বিশ্বের বৃহত্তম (১৭ মিটার) বৃক্ষ-ফসিল। মৌর্য, গুপ্ত ও কুষান যুগের স্থাপত্য, নানা মূর্তি, টেরাকোটা, মুদ্রা, ব্রোঞ্জ ও মিনিয়েচার পেন্টিং-এ সমৃদ্ধ। বোধগয়া ও নালন্দার নানা সংগ্রহও প্রদর্শিত হয়েছে।

(৭) সদাকত আশ্রম – প্রথম রাষ্ট্রপতি ড. রাজেন্দ্র প্রসাদের বসতবাটি। দানাপুর রোডের এই বাড়িতে তৈরি হয়েছে রাজেন্দ্র স্মৃতি মিউজিয়াম।

(৮) শহিদ-কি-মকবরা – জংশন স্টেশন থেকে ১০ কিমি দূরে পটনা সিটি স্টেশনের পাশে নবাব সিরাজের তৈরি সাদা-কালো পাথরে পিতার স্মারক।

হরমন্দির সাহিব তথা পটনা সাহিব।
(৯) পটনা সাহিব – পটনা ঝাউগঞ্জে দশম শিখগুরু গোবিন্দ সিং-এর জন্মস্থানে গড়ে উঠেছে শ্রী হরমন্দির সাহিব বা পটনা সাহিব। গুরুত্বে স্বর্ণমন্দিরের পরেই এর স্থান। স্থাপত্যও সুন্দর। রয়েছে গুরু গোবিন্দ সিং-এর পাদুকা, দোলনা ইত্যাদি স্মারক।

(১০) শের শাহি মসজিদ – হরমন্দির লাগোয়া দুর্গের ধ্বংসাবশেষের উপর আফগান স্থাপত্যে শের শাহ সুরির গড়া প্রাচীন মসজিদ। রাস্তা জুড়ে শের শাহের কিল্লা হাউস।

(১১) আগম কুয়া – গুলজারিবাগ স্টেশনের কাছে। সম্রাট অশোক তাঁর ছয় ভাইকে হত্যা করে এই কুয়োয় ফেলে সিংহাসনে বসেন।

4th day=বৈশালী:::::---

চতুর্থ দিন – পটনা থেকে  বৈশালী, ৬৩ কিমি।
পটনার গান্ধী ময়দান বাসস্ট্যান্ড বাস ধরে  বৈশালী।
সারা দিন বৈশালীর দ্রষ্টব্য স্থানগুলি দেখে সন্ধ্যা নাগাদ ফিরেজাওয়া পটনায়।

বৈশালীতে ট্যুরিস্ট রেস্ট হাউসের ডাইনে-বাঁয়ে এক কিমির মধ্যে প্রায় সব দ্রষ্টব্যস্থান, অশোক পিলার ৪ কিমি বামে। অটো রিকশায় চেপে ঘুরে নিতে পারেন বৈশালী।

●(১) অশোক পিলার--
●(২) বৌদ্ধস্তূপ---
●(৩) অদূরে চার শতকের চতুর্মুখী মহাদেব।----
●(৪) মিউজিয়ামের পথে বৌদ্ধস্তূপ----
●(৫) মিউজিয়াম-----
●(৬) অভিষেক পুষ্করিণী –--
●(৭) বিশ্ব শান্তি স্তূপ – অভিষেক পুষ্করিণীর পাড়ে-----
●(৮) বাওয়ান পোখর মন্দির---
●(৯) রাজা বিশাল কা গড় –--
●(১০) অদূরেই হরিকাটোরা মন্দিরে রাম-লক্ষ্মণ-সীতা।

    বৈশালী:::::---
বৈশালীতে দর্শনীয়::--
বিশ্বের প্রথম রিপাবলিক তৈরি হয়েছিল এই বৈশালীতে। খ্রিস্টজন্মেরও ৬০০ বছর আগে। বৈশালী বুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত। তাঁর শেষ ভাষণটিও এই বৈশালীতেই দেন, গন্ধকি নদীর তীরে কলুহায়। বুদ্ধের নির্বাণের ১০০ বছর পরে দ্বিতীয় বৌদ্ধ কাউন্সিল বসেছিল এই বৈশালীতেই। এই বৈশালীকে ঘিরেই গড়ে উঠেছিল ১৩টি বৌদ্ধস্তূপ, যার মধ্যে ৬টির ধ্বংসাবশেষ স্মৃতি রোমন্থন করায়। রাজনর্তকী আম্রপালি আম্রকানন যৌতুক দেন বুদ্ধকে, বৌদ্ধধর্মে দীক্ষাও নেন এই বৈশালীতে।

●(১) অশোক পিলার – শহরের কেন্দ্রস্থল ৪ কিমি দূরে কলুহায় ১৮.৩ মিটার উঁচু লাল বেলেপাথরের স্তম্ভের মাথায় ওলটানো পদ্মের উপর সিংহমূর্তি, বুদ্ধের শেষ ভাষণদানের স্মারক।

●(২) বৌদ্ধস্তূপ। অশোক পিলারের সামনে।
●(৩) অদূরে চার শতকের চতুর্মুখী মহাদেব।

●(৪) মিউজিয়ামের পথে বৌদ্ধস্তূপ  ১৯৫৮-য় এখানে খননকাজ চালিয়ে বুদ্ধের চিতাভস্ম সংবলিত পাত্র পাওয়া যায়।

●(৫) মিউজিয়াম।

●(৬) অভিষেক পুষ্করিণী – এখানকার পবিত্র জলে পূত হয়ে বৈশালীর জনপ্রতিনিধিরা শপথ নিতেন। এর কাছেই ছিল লিচ্ছবি স্তূপ।

●(৭) বিশ্ব শান্তি স্তূপ – অভিষেক পুষ্করিণীর পাড়ে।

●(৮) বাওয়ান পোখর মন্দির – বাওয়ান পোখর অর্থাৎ বাহান্ন তীর্থের জল সঞ্চিত হয়েছিল ৫২টি কুণ্ডে, কালে কালে একটি পুকুর। তারই ধারে পাল আমলের মন্দির।

●(৯) রাজা বিশাল কা গড় – বিশাল মাটির স্তূপ, এক কিমি পরিধি। এটাই ছিল ৭৭০৭ জনপ্রতিনিধির সংসদ ভবন।

●(১০) অদূরেই হরিকাটোরা মন্দিরে রাম-লক্ষ্মণ-সীতা।
========================

5th day---গয়া::---
পঞ্চম দিন---গয়া::---
29/12--2022
গয়ায় দর্শনীয়::---
●(১) বিষ্ণুপাদ মন্দির---
●(২) পাতালেশ্বর শিব ও অক্ষয়বট –
●(৩) সূর্য মন্দির – বিষ্ণুপাদ মন্দিরের উত্তরে শোন নদীর তীরে।
●(৪) বরাবর গুহা –
--------------------------------
●(১) বিষ্ণুপাদ মন্দির – অন্তঃসলিলা ফল্গুর পাড়ে। কারুকার্যময় আট সারি স্তম্ভ, ৩০ মিটার অষ্টকোণী চূড়া। ভিতরে পাথরে বিষ্ণুর পায়ের ছাপ।

●(২) পাতালেশ্বর শিব ও অক্ষয়বট – বিষ্ণুপাদ মন্দিরের এক কিমি দূরে ১০০০ সিঁড়ি উঠে ব্রহ্মযোনি পাহাড়, চুড়োয় পাতালেশ্বর শিব আর নিচুতে অক্ষয়বট।

●(৩) সূর্য মন্দির – বিষ্ণুপাদ মন্দিরের উত্তরে শোন নদীর তীরে।

●(৪) বরাবর গুহা – গয়া থেকে গাড়ি বা বাসে আসতে পারেন, দূরত্ব ৩৭ কিমি। সম্রাট অশোকের সময়ে তৈরি গুহা। সাতটি গুহা প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। তিন ধরনের গুহা – নাগার্জুনীয় গুহা, পঞ্চপাণ্ডব গুহা ও কুটিরাকার গুহা। গুহার কাছেই আনন্দ সরোবর, সিদ্ধেশ্বর পাহাড়।
====================

গয়া::::----
গয়া, গৌতম বুদ্ধ এবং ভগবান বিষ্ণুর আবাসস্থল, ভারতের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অতীতের সাথে যুক্ত সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য  স্থান। এটি  ফল্গু নদীর তীরে অবস্থিত দেশের প্রাচীনতম শহরগুলির মধ্যে একটি।
মঙ্গলা-গৌরী, শ্রিংগ-স্থান, রাম-শিলা এবং ব্রহ্মায়নী নামক  পাহাড়, প্রত্যেকটি পাহাড়ের ঐতিহাসিক গুরুত্ব সহ, গয়াকে খুব যত্ন সহকারে  ঘিরে রেখেছে।

গয়া সেই স্থান যেখানে রাম, সীতা এবং লক্ষ্মণ তাদের পিতা দশরথের জন্য পিন্ড-দান  দিয়েছিলেন।
প্রকৃত পক্ষে গয়ার নামকরণ করা হয়েছে অসুর রাজা গয়াসুরের নামে, যিনি ভগবান বিষ্ণুর একান্ত অনুসারী ছিলেন।

গয়াও বোধগয়ার , যেখানে গৌতম বুদ্ধ জ্ঞান অর্জন করেছিলেন। মহাবোধি মন্দির কমপ্লেক্স বৌদ্ধদের জন্য সবচেয়ে পবিত্র স্থান এবং একটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান।

★1--বিষ্ণুপদ মন্দির
বিহার এবং ভারতের সবচেয়ে বিখ্যাত এবং সুপরিচিত হিন্দু মন্দিরগুলির মধ্যে একটি হল বিষ্ণুপদ মন্দির।

বিষ্ণুপদ মন্দির, ভগবান বিষ্ণুর উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি মন্দির।
যেহেতু ভগবান রাম, মাতা সীতা এবং লক্ষ্মণ সকলেই এই মন্দিরে গিয়েছিলেন, তাই বলা হয় যে এর ইতিহাস ত্রেতাযুগ থেকে শুরু হয়েছে। যাইহোক, ইন্দোরের মারাঠা শাসক দেবী অহিল্যা বাই হোলকার 1878 সালে বর্তমান ভবনটি নির্মাণ করেছিলেন। ফল্গু নদীর তীরে, এই মন্দিরটি শহরের আধ্যাত্মিক ইতিহাসের রাজধানী হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে।
পিন্ড দানের জন্য এই বিষ্ণু পাদ শিলাতেই পিন্ড দাম করা হয়।

★2--প্রেতশিলা মন্দির
যে পাহাড়ে শিলা হয়ে বাস করে প্রেতরা!
প্রেতশিলা মন্দির, একটি ব্যতিক্রমী দৃষ্টিনন্দন এবং পুরানো মন্দির, প্রেতশিলা পাহাড়ে অবস্থিত, যা ঘোস্ট হিলস নামেও পরিচিত, নিয়াজিপুর গ্রাম থেকে খুব দূরে নয়। আশ্বিন হিন্দু মাসে মন্দিরে যে পিন্ড-দান এবং পিতৃ-পক্ষ মেলা অনুষ্ঠিত হয় তা সুপরিচিত। প্রেত শিলা, সম্মানিত  মন্দির।
পাহাড়ের উপরে মৃত্যুর দেবতা যমের উদ্দেশ্যে একটি মন্দির রয়েছে। মারাঠা রাণী ইন্দোরের রানী অহিল্যাবাই হোলকার প্রথমে এটি নির্মাণ করেন। রামকুন্ড নামে পরিচিত পবিত্র পুকুরটি ঢালে অবস্থিত, যেখানে জনশ্রুতি আছে যে ভগবান রাম একবার স্নান করেছিলেন।

অন্ত্যেষ্টির পরে দেহ বিলীন হয় পঞ্চভূতে। প্রকৃতির যে পাঁচ উপাদানে তৈরি হয়েছিল এই নশ্বর শরীর, ধীরে ধীরে মিশে যায় সেই উপাদানেই!
আর আত্মা? তার কী হয়?
এই প্রশ্নটাই একদা গড়ুর জানতে চেয়েছিলেন ভগবান বিষ্ণুর কাছে। বিষ্ণু তার উত্তরে যা যা বলেছিলেন, তাই নিয়েই সঙ্কলিত হয়েছে গড়ুর পুরাণের দ্বিতীয় খণ্ড- প্রেতখণ্ড, মতান্তরে প্রেতকল্প!

ভগবান বলেছিলেন, মৃত্যুর অব্যবহিত পরেই দেহ থেকে আত্মা মুক্ত হয়। তখন সেই আত্মাকে নিজেদের অধীনে নেয় দুই যমদূত। শুরু হয় পরপারের যাত্রা।
একে একে জানিয়েছিলেন বিষ্ণু, সেই যাত্রাপথ বড় দুর্গম। সেই পথের কোথাও ছায়া নেই, ১২টি সূর্য একত্রে অসহ্য তাপ বিকিরণ করে সেখানে। সেই যাত্রায় কখনও অপেক্ষা করে থাকে অতল গহ্বর, কখনও বা সুউচ্চ পর্বত। সেই সব পেরিয়ে এসে বৈতরণী তীরে আত্মা অপেক্ষা করতে থাকে যমলোকে যাওয়ার জন্য!
কিন্তু, এই বিবৃতি স্বাভাবিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে! যাঁদের মৃত্যু হয়েছে অপঘাতে, তাঁদের সঙ্গে কী হয়? সে কাহিনী বড়ই করুন ও
ভয়ঙ্কর।


=====================
বোধগয়া::---
30/12/2022
তার পরের ঘুরে দেখে নেওয়া যায় বুদ্ধগয়া
অটো করে

●(১) বোধিবৃক্ষ---
●(২) মহাবোধি মন্দির----
●(৩) সুজাতা মন্দির – মহাবোধির দু’ কিমি পশ্চিমে----
●(৪) মুচলিন্ড সরোবর – ৩ কিমি দূরে---
●(৫) তিব্বতী●(৬) চিনা –মনাস্ট্রি –
●(৭) মিউজিয়াম –
●(৮) থাই ●(৯) ভুটান মনাস্ট্রি
●(১০) তিব্বতীয় বুদ্ধ মন্দির।
●(১১) জাপানি বুদ্ধ মন্দির।
●বাংলাদেশ, ●লাওস, ●শ্রীলঙ্কা, ●ভিয়েতনামও মনাস্ট্রি গড়েছে।
●২৫ মিটার উঁচু বুদ্ধমূর্তিটিও পথ চলতে চলতে দেখে নিন।

  বুদ্ধগয়া ::---
অটো, টাঙায় করে 

বোধিবৃক্ষ, বোধগয়া।
কী দেখবেন বুদ্ধগয়ায়
নিরঞ্জনা নদীর তীরে উরুবিল্ব গ্রামে পিপুল গাছের নীচে বোধি লাভ করে গৌতম হলেন বুদ্ধদেব। সেই নিরঞ্জনা আজ ফল্গু, উরুবিল্ব আজ বুদ্ধগয়া আর পিপুল গাছ আজ বোধিবৃক্ষ।

●(১) বোধিবৃক্ষ – পাথরে পায়ের ছাপ বুদ্ধের।

●(২) মহাবোধি মন্দির – ৬০ ফুট প্রশস্ত, ১৮০ ফুট উঁচু পিরামিডধর্মী চুড়োওয়ালা দ্বিতল মন্দির। ভূমিস্পর্শ মুদ্রায় ৮০ ফুটের বুদ্ধমূর্তি। প্রবেশফটক বৌদ্ধধারায় দক্ষিণ ভারতীয় শৈলীতে তৈরি। পণ্ডিতদের মতে, সম্রাট অশোকের দানের ১ লক্ষ স্বর্ণমুদ্রায় উপগুপ্তের হাতে তৈরি এই মন্দির। বহু বার নানা কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে এই মন্দির, আবার সংস্কার হয়েছে। মন্দিরের উত্তরে চক্রমাণা (বুদ্ধের ধ্যানস্থান), ঘেরা প্রাঙ্গণে অনিমেষলোচন চৈত্য (এক সপ্তাহ ঠায় দাঁড়িয়ে বুদ্ধ পিপুল গাছ অবলোকন করেন), মোহান্তর মনাস্ট্রি, রত্নাগার।

●(৩) সুজাতা মন্দির – মহাবোধির দু’ কিমি পশ্চিমে।
●(৪) মুচলিন্ড সরোবর – ৩ কিমি দূরে, নাগরাজ মুচলিন্ড ফণা মেলে ধ্যানস্থ বুদ্ধকে রোদ-ঝড়-বৃষ্টি থেকে রক্ষা করতেন।
●(৫) তিব্বতীয় মনাস্ট্রি – মহাবোধির উত্তর-পশ্চিমে বাজার পেরিয়ে ১৯৩৮-এ তৈরি।
●(৬) চিনা বুদ্ধিস্ট মন্দির – অদূরেই ১৯৪৫-এ তৈরি সাদা রঙের মন্দির।
●(৭) মিউজিয়াম – চিনা বুদ্ধিস্ট মন্দিরের বিপরীতে, বৌদ্ধ স্থাপত্যের নানা নিদর্শন।
●(৮) থাই মনাস্ট্রি – সামনে এগোতেই প্যাগোডাধর্মী মন্দির।
●(৯) ভুটান মনাস্ট্রি – আর একটি প্যাগোডাধর্মী মন্দির।
●(১০) তিব্বতীয় বুদ্ধ মন্দির।
●(১১) জাপানি বুদ্ধ মন্দির।
●(১২) মায়ানমার,
●(১৩)বাংলাদেশ,
●(১৪)লাওস,
●(১৫)শ্রীলঙ্কা,
●(16)ভিয়েতনামও মনাস্ট্রি গড়েছে। ●(১৭)খোলা আকাশের নীচে ●২৫ মিটার উঁচু বুদ্ধমূর্তিটিও পথ চলতে চলতে দেখে নেওয়া যায়।
-------------------------
বুদ্ধগয়া-

একটু শান্তির খোঁজে বুদ্ধগয়া-
বিহার রাজ্যের অন্তর্গত এই স্থানের বেশ কিছুটা অঞ্চল জুড়ে আছে এক সময়ের মগধ সাম্রাজ্যের নিদর্শন, আর এখানেই আছে বিম্বিসার, অশোক, হিউ এন সাঙ
এনাদের অনেক ইতিহাস। এখানে গেলেই দেখাযায় বৌদ্ধ ও জৈন সন্যাসীদের ।
একটু চেষ্টা করলেই শোনা যায় তথাগত বুদ্ধ কিংবা মহাবীরের বাণী ও পথের নিদর্শন৷ এখানে শান্তিতে ও আনন্দে কটালাম সততা দিন।।

একদা নিরঞ্জনা আর আজকের ফল্গু নদীর তীরের বুদ্ধগয়া বৌদ্ধ তথা হিন্দুদেরও তীর্থক্ষেত্র৷ গয়া থেকে বুদ্ধগয়া প্রায় ১৪ কিমি৷
যীশুখ্রীষ্টের জন্মের প্রায় ছ’শো বছর আগে নেপালের লুম্বিনী নগর থেকে এখানে এসেছিলেন তরুণ রাজপুত্র সিদ্ধার্থ। বুদ্ধগয়া তখন উরুবিল্ব নামে এক গ্রাম। নিরঞ্জনা নদীর তীরে এক পিপুল গাছের নীচে তপস্যা করতে বসে ৪৯তম দিনে বৈশাখী পূর্ণিমায় সিদ্ধিলাভ করেছিলেন তিনি৷ এই পিপুল গাছ এখন বোধিবৃক্ষ। এই বোধিবৃক্ষকে কেন্দ্র করে ১৮০ ফুট উঁচু ও ৬০ ফুট চওড়া মহাবোধি মন্দির তৈরি করা হয়েছে, যা ভারতীয় স্থাপত্যশৈলীর অপূর্ব নিদর্শন৷ মন্দিরটিতে সোনার পাতে মোড়া ৮০ ফুট উঁচু ভূমিস্পর্শ মুদ্রায় ধ্যানমগ্ন বুদ্ধমূর্তি আছে৷ মন্দিরটির গায়ে বিভিন্ন জাতকের কাহিনী অলংকৃত, যা আজও আমাদের মুগ্ধ করে৷
এখানে রত্নাগার নামে আরও একটি ছোট মন্দির আছে। শোনা যায়, সেখানে নাকি বুদ্ধদেব ৭ দিন ধ্যান করেছিলেন৷ মন্দির দেখার সময় সকাল ৫টা-দুপুর ১২টা এবং দুপুর ২টা-সন্ধে ৭টা৷
প্রবেশ মূল্য ছাড়াও ক্যামেরার চার্জ লাগে৷ মন্দির চত্বরে স্থানীয় গাইড পাওয়া যায়৷

বুদ্ধগয়া::---

বুদ্ধ গয়া বা বোধগয়া ভারতের বিহার রাজ্যের গয়া জেলার একটি শহর যা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের পূণ্য তীর্থ স্থান।
এই স্থান টি  বিখ্যাত কারণ এখানেই
গৌতম বুদ্ধ বোধিসত্ত্ব জ্ঞান লাভ করেছিলেন।
প্রাচীনকাল থেকেই, বুদ্ধগয়া বৌদ্ধদের  তীর্থস্থান। এখানকার ভাস্কর্য সহ প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কারগুলি দেখলেই বোঝা যায় যে এই স্থানটি মৌর্য যুগ থেকে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের বিশেষ ধার্মিক স্থান।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে, গৌতম বুদ্ধের জীবন সম্পর্কিত প্রধান চারটি তীর্থস্থানগুলির মধ্যে বুদ্ধ গয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, অন্য তিনটি হলেন কুশিনগর, লুম্বিনী এবং সারনাথ। ২০০২ সালে, বুদ্ধগয়াতে অবস্থিত মহাবোধি বিহারটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী জায়গায় পরিণত হয়েছে। ―

মুচলিন্ড লেক::--

মহাবোধি মন্দির থেকে ৩ কিমি দূরে মুচলিন্ড লেক, যেখানে নাগরাজ মুচলিন্ড ছত্রাকার ফনা বিস্তার করে পদ্মাসনে উপবিষ্ট বুদ্ধদেবকে রোদ-বৃষ্টি থেকে রক্ষা করছেন৷ এই লেকের ধারেই ছিল আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সেকালের মগধ বিশ্ববিদ্যালয়, যা এখন বিপন্ন ও বিদ্ধস্ত অবস্থায় ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে যাচ্ছে৷

চৈত্যগৃহ::::--

মহাবোধি মন্দিরের উত্তরের অনিমেষলোচন চৈত্যগৃহ। শোনা যায়, সেখানে দাঁড়িয়ে গৌতমবুদ্ধ বোধিবৃক্ষ দর্শন করতেন৷ চীন, জাপান, শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনাম প্রমুখ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে আসা বৌদ্ধদের জন্য এখানে তৈরি করা হয়েছে বিভিন্ন বৌদ্ধবিহার। যেমন, চীনাবিহার, তিব্বতিবিহার, জাপানিবিহার ইত্যাদি৷

জন্মের তাৎপর্য খুঁজে পেতে গৌতমবুদ্ধ সারাজীবন তপস্যা করেছেন৷ তিনি মনে করতেন ‘জন্মচক্রই দুঃখের কারন’। তাই হয়ত বুদ্ধগয়াতে মেলে শান্তির আলোক স্পর্শ। পড়ন্ত বিকেলের রোদে মন্দির প্রাঙ্গনে ঘুরে বেড়ালে মন প্রশান্ত হয়ে যায়৷ দলাইলামা বছরে অন্তত একবার এখানে আসেন৷ সে সময় মহাবোধি মন্দিরে ‘শান্তির প্রার্থনা’র আসর বসে, যা সত্যিই মনোরম৷ বুদ্ধগয়ার জন্য দু’দিন যথেষ্ট। পায়ে হেঁটে বা  রিকশা করে দেখে নেওয়া যায় এই স্থান
-----------------

★3--মহাবোধি মন্দির  (বোধগয়ায়)
মহাবোধি মন্দির, একটি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট, সবচেয়ে পূজনীয় স্থান বৌদ্ধ ধর্মে উপাসনা। মন্দির পরিদর্শন করতে এবং এর আধ্যাত্মিক মহিমা অনুভব করার জন্য লোকেরা সারা বিশ্ব থেকে বোধগয়ায় আসেন।

মহাবোধি মন্দির, গয়া জেলার সবচেয়ে পছন্দের পর্যটন স্থান, সর্বস্তরের পর্যটকদের আকর্ষণ করে। বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা এবং প্রশান্তি কামনাকারী যোগীরা মন্দিরের পিছনে অবস্থিত বোধি গাছের ("জাগরণের গাছ" নামেও পরিচিত) নীচে একটি শান্ত পরিবেশ খুঁজে পায়।
বোধগয়াতে সবথেকে আনন্দদায়ক অভিজ্ঞতা হল মহাবোধি মহাবিহার ভ্রমণ, যেখানে যে কোন মানুষই পরম মননশীলতা পর্যবেক্ষণ করতে পারে।

★4--মংলা গৌরী মন্দির
গয়া মংলা গৌরী মন্দিরের আবাসস্থল, 18টি মহাশক্তি পীঠের মধ্যে একটি, শহরটির একটি সমৃদ্ধ ধর্মীয় ঐতিহ্য রয়েছে। মন্দিরটি নবরাত্রির সময় হাজার হাজার ভক্ত এবং প্রতিদিন শত শত উপাসকদের আকর্ষণ করে। বায়ু পুরাণ, পদ্ম পুরাণ, মার্কন্ডেয় পুরাণ ইত্যাদি সহ অসংখ্য সুপরিচিত হিন্দু লেখাগুলি মন্দিরের উল্লেখ করে। মংলা গৌরী মন্দির তার ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণে গয়ার সবচেয়ে সুপরিচিত পর্যটন আকর্ষণগুলির মধ্যে একটি। গয়া মন্দিরটি দেবী দুর্গার মহিষাসুর মর্দিনী অবতারকে উত্সর্গীকৃত, সেখানে তার স্তনের আকারে পূজা করা হয়, যা ভরণ-পোষণের প্রতীক। মংলা গৌরী মন্দিরের মাঠে রয়েছে ভগবান গণেশ, মা কালী, ভগবান হনুমান এবং ভগবান শিবের মন্দিরগুলি।

★5--মহান বুদ্ধ মূর্তি
বোধগয়া এবং গয়ার সবচেয়ে পছন্দের পর্যটন আকর্ষণগুলির মধ্যে একটি হল গ্রেট বুদ্ধ মূর্তি। সারা বিশ্ব থেকে অসংখ্য পর্যটক ধ্যানে বুদ্ধের 64 ফুট মূর্তি দেখতে আসেন। স্মৃতিস্তম্ভ, গয়ার অন্যতম দর্শনীয় আকর্ষণ, সেলফি এবং গ্রুপ ফটোর জন্য একটি জনপ্রিয় স্থান। 14 তম দালাই লামা 18 নভেম্বর, 1989 তারিখে মহান বুদ্ধ মূর্তিকে আশীর্বাদ করেছিলেন। এটি তামিলনাড়ুর বিখ্যাত ভাস্কর বৈদ্যনাথ গণপতি স্থপতি দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল। ভগবান গৌতম বুদ্ধের দশটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিষ্যের ছোট মূর্তিগুলি বড় মূর্তিটিকে ঘিরে রয়েছে। আশেপাশের গাছপালা আপনার থাকার জায়গাকে অনেক বেশি বাড়িয়ে দেয়।

★6--সুজাতা মন্দির---সুজাতা দিঘি::---

মহাবোধি মন্দিরের ২ কিমি পশ্চিমে সুজাতা দিঘি। জনশ্রুতি সুজাতা এই দিঘির জলে স্নান করে পায়েস রান্না করে বুদ্ধদেবকে নিবেদন করেছিলেন৷ তাঁরই উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়েছে সুজাতা মন্দির

সুজাতা স্তূপ::--
সুজাতা স্তূপ ভারতের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি সুজাতাকে উৎসর্গ করা হয়েছে, সেই দুধের দাসী যিনি সেখানে গৌতম বুদ্ধকে দুধ ও শস্য পরিবেশন করেছিলেন। কিংবদন্তি অনুসারে, এই ঘটনাটি তার সাত বছরের উপবাস এবং তপস্যার সমাপ্তির ইঙ্গিত দেয়। এছাড়াও, স্তূপের সামনের একটি অশোক স্তম্ভটি 1956 সালে সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছিল। সুজাতা স্তূপ হল গয়া জেলার অন্যতম জনপ্রিয় বৌদ্ধ পর্যটন গন্তব্য একটি অঞ্চল যা অনেকের কাছে তুলনামূলকভাবে অপরিচিত।

★7--দুঃখ হারনি মন্দির
গয়া এবং পাটনার মধ্যে NH-83-এ অবস্থিত শহরের দুঃখ হারনি মন্দিরকে কেন্দ্র করে হিন্দু ভক্তি রয়েছে। গয়ার জামে মসজিদ এবং দুখ হারনি দ্বার (দ্বার) উভয়ই একই প্রাচীরের সাথে যুক্ত, যা শহরের হিন্দু ও মুসলিম বাসিন্দাদের জন্য সম্প্রীতির প্রতীক হিসেবে কাজ করে। গয়া শহরের সবচেয়ে সুপরিচিত মন্দিরগুলির মধ্যে একটি হল দুঃখ হারনি মন্দির, যা দেবী দুর্গার ভক্ত। প্রতিদিন অসংখ্য উপাসক মন্দিরে আসেন দেবীর আশীর্বাদ চাইতে। দুর্গাপূজার সময় এই মন্দিরের জাঁকজমক শ্বাসরুদ্ধকর।

★8--ডুঙ্গেশ্বরী গুহা মন্দির
বিহারের ইতিহাস এবং পর্যটন উত্তরাধিকার সম্ভবত সমগ্র ভারতে সবচেয়ে আকর্ষণীয় কিছু। ডুঙ্গেশ্বরী গুহার কাহিনী তার প্রমাণ। জ্ঞান অর্জনের জন্য বোধগয়ায় যাওয়ার আগে, গুহাটি প্রায় ছয় বছর ধরে গৌতম বুদ্ধকে রক্ষা করেছিল বলে জানা যায়। বুদ্ধের আধ্যাত্মিক যাত্রা সম্পর্কে আরও জানতে ইচ্ছুক দর্শকদের জন্য ডুঙ্গেশ্বরী গুহা মন্দির এবং আশেপাশের কিছু মন্দির উল্লেখযোগ্য গয়া পর্যটন আকর্ষণ। ডুঙ্গেশ্বরী গুহা পরিদর্শন আপনাকে ভগবান বুদ্ধ সম্পর্কিত বিভিন্ন গল্পের সাথে পরিচিত করবে। গুহার কাছাকাছি একটি সামান্য বর্ষা জলপ্রপাতও অবস্থিত। সময়: 8 AM – 6 PM এন্ট্রি ফি: বিনামূল্যে

★9---- ব্রহ্মায়নী পাহাড়ের মন্দির
প্রকৃতির মাঝে এর স্থাপনা এবং এর চারপাশের মনোরম কিংবদন্তির কারণে, ব্রহ্মায়োনি পার্বত্য মন্দির গয়ার অন্যতম জনপ্রিয় মন্দির যা আপনাকে অবশ্যই দেখতে হবে। পাহাড়ের চূড়ার মন্দিরে প্রাকৃতিক শিলার ছিদ্র বা ফাটল ভগবান ব্রহ্মার নারী শক্তির প্রতীক। ব্রহ্মা (স্রষ্টা দেবতা) এবং ইয়োনি শব্দগুচ্ছ একত্রিত হয়ে ব্রহ্মায়োনি (মহিলা প্রজনন অংশ) শব্দটি তৈরি করে। গয়ার একটি সুপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য, এই মন্দিরটি হিন্দুধর্মের যৌনতার অত্যাশ্চর্য চিত্রও প্রদর্শন করে, কেন হিন্দুধর্ম ব্যতিক্রমী এবং বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম তা তুলে ধরে। ভক্তদের মন্দিরে যাওয়ার প্রধান কারণগুলি হল পৈতৃক অপকর্ম এবং পিতামাতার অভিশাপ থেকে মুক্ত হওয়া। সময়: 5 AM – 6:30 PM এন্ট্রি ফি: বিনামূল্যে
=======================
           


==========================

6th day---নালন্দা, পাওয়াপুরী। 

●-নালন্দা।
●-পাওয়াপুরী

ষষ্ঠ দিন – নালন্দা, পাওয়াপুরী। 

নালন্দা◆◆◆◆◆◆

নালন্দা- রাজগীর থেকে ১৫ কিমি দূরে ভারত তথা এশিয়ার এককালের সুপরিচিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়৷ এটি ইউনেসকো ঘোষিত ‘বিশ্বঐতিহ্য স্মারক’। বিশ্বের প্রথম আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় নালন্দা৷ বলা হয়, মৌর্য সম্রাট অশোক খ্রীষ্টপূর্ব ৩০০ অব্দে নালন্দাতে প্রথম বৌদ্ধ উপাসনালয় গড়ে তোলেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এর আত্মপ্রকাশ ঘটে আরও অনেক পড়ে কুমারগুপ্তের হাত ধরে ৪১৩ খ্রীষ্টাব্দে৷ ৬৩৭ সালে চীনা পরিব্রাজক হিউ এন সাঙ বুদ্ধগয়া থেকে নালন্দায় আসেন৷ তদানীন্তন আচার্য শীলভদ্রের অধীনে তিনি ৫ বছর ধরে বৌদ্ধশাস্ত্র অধ্যয়ন করেন এবং ব্যাকরণ, তর্কশাস্ত্র, সংস্কৃত ইত্যাদি অন্যান্য বিষয়ে শিক্ষালাভ করেন৷ তাঁর সফরকাহিনী থেকে সে সময়ের অনেক তথ্য পাওয়া যায়৷ দ্বাদশ শতাব্দীতে তুর্কী সেনাবাহিণী এই বিশ্ববিদ্যালয় ধ্বংস করে৷

প্রায় ১৪ হেক্টর এলাকা জুড়ে নালন্দার ধ্বংসাবশেষ ঘুরে দেখতে দেখতে সেদিনের বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্তিত্ত্বকে অনুভব করা যায়৷ কান পাতলে আজও যেন সেদিনের মন্ত্রধ্বনির অনুরনণ কানে আসে৷ বিভিন্ন মুদ্রায় বুদ্ধমূর্তি, ছাত্রাবাস, প্রার্থনাস্থান ঘুরে ঘুরে দেখতে বেশ ভাল লাগে৷ ছোটবেলা থেকে যে ভগ্নাস্তূপের চিত্র ইতিহাস বইয়ের পাতায় দেখে এসেছি, তাকে স্পর্শ করে দেখার আনন্দই আলাদা৷
২০১০ সালে ভারতীয় সংসদ একটি বিলে নালন্দাকে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নেয়৷ প্রতিষ্ঠানের প্রথম আচার্য হিসেবে দায়িত্ব নেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন৷ ৮০০ বছরেরও বেশি সময় পরে ২০১৪ সালে ১লা সেপ্টেম্বর ১৫ জন ছাত্রছাত্রী ও ১১ জন শিক্ষক নিয়ে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় আবার নতুন করে যাত্রা শুরু করে৷ আজকের বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে গড়ে উঠেছে বাগান, মনুমেন্ট, নব নালন্দা মহাবিহার ও আর্ট গ্যালারি৷ ধ্বংসাবশেষ থেকে উদ্ধার করা সামগ্রী নিয়ে একটি প্রত্নতাত্ত্বিক মিউজিয়ামও গড়ে তোলা হয়েছে৷ শুক্র ছাড়া সকাল ১০টা-বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা৷ প্রবেশমূল্য জনপ্রতি ১৫ টাকা৷ ১৫ বছরের নীচে বাচ্চাদের প্রবেশ মূল্য লাগে না৷ এখানে হিউ এন সাঙ-এর স্মৃতি রক্ষায় হিউ এন সাঙ মেমোরিয়াল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে৷

অন্যান্য– নালন্দা থেকে ২ কিমি উত্তরে সুরজপুর-বাড়গাঁও গ্রামে সূর্য মন্দির ও একটি লেক আছে। উৎসুক সফরপিপাসুরা তা অনায়াসেই দর্শন করতে পারেন৷ কার্তিক মাসে ছট পূজো উপলক্ষ্যে এখানে বড় মেলা বসে৷

পাওয়াপুরী◆◆◆◆◆
পাওয়াপুরী

রাজগীর থেকে ফেরার পথে ঘুরে দেখে নিতে পারেন ৩৫ কিলোমিটার দূরে মহাবীরের মহাপরিনির্বাণ স্থান ‘পাওয়াপুরী’ কিংবা ১৮ কিলোমিটার দূরে কুন্দলপুর। জৈনদের দিগম্বর সম্প্রদায়ের বিশ্বাস, এখানেই জন্মেছিলেন মহাবীর। আর ভারতের সহিষ্ণুতার আর এক নিদর্শন তো সুফি। রাজগীর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে তারই চিহ্ন নিয়ে রয়ে গিয়েছে বিহারশরিফের মকদুম শা শরিফউদ্দিনের দরগা। ঘুরে নিতে পারেন ওই দরগাও।

নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের ধ্বংসাবশেষ
এর পর চলুন ১৮ কিমি দূরে ●পাওয়াপুরী – প্রসিদ্ধ জৈনতীর্থ, ২৪তম জৈন তীর্থঙ্কর মহাবীরের নির্বাণস্থল। দেখুন কমল সরোবরে জলমন্দির। এক কিমি দূরে মহাবীরের প্রথম উপদেশস্থল। রয়েছে জৈন শ্বেতাম্বর মন্দির। আরও অনেক জৈন মন্দির আছে পাওয়াপুরীতে।

পাওয়াপুরী নালন্দা থেকে ১৮ কিমি দূরে অবস্থিত। জৈন তীর্থক্ষেত্রগুলির মধ্যে পাওয়াপুরী অন্যতম৷ এখানকার জলমন্দির খুবই পবিত্র স্থান৷ এটি কমল সরোবরের মধ্যে স্থাপন করা হয়েছে৷ শ্বেত মার্বেল পাথরের মন্দিরটিকে ঘিরে পদ্মফুল ও নানা রংয়ের পাখিরা মেলা বসিয়ে দেয়, যা মনে অনাবিল আনন্দ আনে৷ এছাড়া পাওয়াপুরীতে গুর্গস্থান মন্দির, গৌণ মন্দির, নয়া মন্দির, সমাশরণ মন্দির আছে৷

পরেরদিন সকালে নালন্দা

গেলাম নালন্দা ইউনিভার্সিটির ধ্বংসাবশেষ দেখতে। 427 খ্রিস্টাব্দে কুমারগুপ্ত নালন্দা প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০০ শিক্ষক ও ১০,০০০ এর মত ছাত্র ছিল। সারাবিশ্ব থেকেই ছাত্ররা এখানে পড়তে আসত, তার মধ্যে ছিল কোরিয়া, জাপান, চীন, তিব্বত, ইন্দোনেশিয়া, পার্শিয়া এবং তুরস্ক। নালন্দা মূলত বৌদ্ধ ধর্মের গবেষণা ও ধর্মচর্চার জন্য নির্মিত হলেও ওখানে পড়ানো হতো হিন্দু দর্শন, বেদ, ধর্মতত্ত্ব, যুক্তিবিদ্যা, ব্যকরণ, ভাষাতত্ত্ব, চিকিৎসাবিজ্ঞান ও বিজ্ঞানের আরো অনেক বিষয়। প্রাচীন ভারতের আর্কিটেকচার জানতে হলে নালন্দাকে দেখতেই হবে। সেইসময়ের পুরুষ ও মহিলা একক কক্ষ হোস্টেল, পয়প্রণালী, রান্নার ঘর, প্রার্থনার ঘর, মন্দির, বাগান, ছাদ ও লাইব্রেরির গঠন স্তম্ভিত করে। পাশেই মিউজিয়ামে রাখা আছে সেই সময়ে ব্যাবহার করা বিভিন্ন জিনিস ও খনন করে পাওয়া মূর্তি।

এরপর কুণ্ডলেস্বর মন্দির ও দিগম্বর জৈন বিহার দেখে সরকারি ক্যান্টিনে লাঞ্চ করে চলে গেলাম পাওয়াপুরী জৈন জলমন্দিরে।
মহাবীর জৈন এর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছিল এই স্থানে। জলের মধ্যে দ্বীপের মতো ছোট সুন্দর মন্দির। ভিতরের ছোট কক্ষে উনার চিতাভস্ম রাখা আছে তবে তা দেখা যায়না। মহাবীরের পদচিহ্ন ও ওখানেই আছে।
=========================

7 th & 8th day at Rajgir--

সপ্তম ও অষ্টম দিন – রাজগীরে ঘোরাঘুরি।
রাজগীরের দর্শনীয়::---
●(১) রাজগীর গ্লাস ব্রিজ---
●(২) হট স্প্রিং –
●(৩) অজাতশত্রু দুর্গ –
●(৪) জরাসন্ধ কা আখাড়া---
●(৫) জীবকের উদ্যান –
●(৬) বিম্বিসারের জেল----
●(৭) বিম্বিসারের খাজাঞ্চিখানা তথা স্বর্ণভাণ্ডার----
●(৮) মনিয়ার মাঠ –
●(৯) জয়প্রকাশ নারায়ণ উদ্যান – মনিয়ার মাঠের বিপরীতে----
●(১০) শোনভাণ্ডার – উদ্যানের অদূরেই, জরাসন্ধের ধনাগার।
●(১১) বেণুবন বিহার –
●(১২) বীরায়তন ব্রাহ্মী কলা মন্দিরম –
●(১৩) গৃধকূট পাহাড় –
●(১৪) বিশ্বশান্তি স্তূপ –
●(১৫) ঘোড়াকটোরা ঝিল –
●(১৬)--এ ছাড়াও রাজগীরে রয়েছে বহু জৈন মন্দির,
●বার্মিজ মন্দির,
●বুদ্ধ মন্দির,
●আনন্দময়ী মায়ের আশ্রম,
●শ্রীরামকৃষ্ণ মঠ ইত্যাদি।

===================
★★★রাজগীর::----

গয়া থেকে রাজগীরের দূরত্ব ৬০ কিমি। গাড়ি বা বাস পাওয়া যাবে। গয়া থেকে বখতিয়ারপুরগামী প্যাসেঞ্জার স্পেশ্যালেও রাজগীর আসতে পারেন। ট্রেনটি রোজ সকাল ৭.৪০-এ গয়া থেকে ছেড়ে রাজগীর পৌঁছোয় সকাল ১০.৫০-এ।

মগধরাজ  বিম্বিসারের রাজধানী ছিলো “রাজগৃহ” যার বর্তমান নাম রাজগীর। পাহাড় আর জঙ্গলে ঘেরা এই প্রাচীন শহরের প্রতি ছত্রে আছে ইতিহাস।

কী দেখবেন রাজগীরে

রাজগীর

বুদ্ধগয়া থেকে রাজগীর বা রাজগৃহ ৭৮ কিমি। বাসে ঘন্টা দুই সময় লাগে। বৈভার, বিপুল, রত্নগিরি, উদয়গিরি ও শোনগিরি- এই পাঁচ পাহাড় মগধরাজ জরাসন্ধের একদা রাজধানী ছিল এই জনপদকে৷ জনশ্রুতি দ্বিতীয় পান্ডব ভীম ও জরাসন্ধের যুদ্ধ হয় এখানে। সে যুদ্ধে জরাসন্ধের মৃত্যু হয়েছিল৷ বুদ্ধগয়ায় বোধিপ্রাপ্তির তথাগত বুদ্ধ রাজগীরে এসেছিলেন। সে সময়ে তিনি মৌর্য সম্রাট বিম্বিসারকে বৌদ্ধ ধর্ম দীক্ষিত করেন৷ দীর্ঘ ১২ বছর তিনি এখানে কাটান৷ অন্যদিকে ২৪তম জৈন তীর্থঙ্কর মহাবীরেরও অনেকটা সময় কেটেছে এখানে। স্থানীয় বিপুল পর্বতে তিনি প্রথম ধর্মসভাও করেছিলেন৷

রাজগীর পরিক্রমার প্রথম গন্তব্য মণিয়ার মঠ বা ‘জরাসন্ধের আখড়া’। এখানে ভীম ও জরাসন্ধের যুদ্ধ হয়েছিল৷ কাছেই বিম্বিসারের খাজাঞ্চিখানা বা স্বর্ণভান্ডার৷ এখানে একটি গুপ্তদ্বার ও তার গায়ে শঙ্খলিপিতে কিছু লেখা আছে যার পাঠোদ্ধার সম্ভব হয়নি৷ হলে হয়ত বিম্বিসারের ধনসম্পদ খুঁজে পাওয়া যেত৷ তবে সবার অজান্তে তারও চেয়ে অনেক বেশি সম্পদ যে আপনি মানসকুটীরে লুন্ঠন করে নিয়ে আসতে পারবেন তা পরে বুঝতে পারবেন৷ রাজগীরের অন্যতম আকর্ষনীয় দ্রষ্টব্য ‘শান্তিস্তূপ’ গৃদ্ধকূট পাহাড়শীর্ষে অবস্থিত৷ সেখানে ওঠার জন্য রোপওয়ে আছে, যা সকাল ৯টা-১২টা ও দুপুর ২টা-বিকেল ৫টা পর্যন্ত চালু থাকে৷৷ জনপ্রতি ভাড়া ১০০ টাকা৷ এই স্থানের অনুপম স্নিগ্ধতা মনকে প্রশান্ত করে দেয়৷ কথিত আছে এখানে প্রতি বর্ষায় বুদ্ধ তাঁর প্রিয় শিষ্যদের উপদেশ দিতেন৷ সুজাতার হাতের মিষ্টান্ন তিনি নাকি এখানেই গ্রহন করতেন৷ বিম্বিসার এখানে দীক্ষা গ্রহণ করেন। তিনি রথে চেপে এসে যে জায়গায় নামতেন তা আজও লোকমুখে ‘রথকে উতোর’ নামে পরিচিত৷ শান্তিস্তূপের শুভ্রতা মনের কালো মেঘ কাটিয়ে দু’দন্ডের জন্য তাকে শান্তিতে ভরিয়ে দেবে এটা হলফ করে বলতে পারি৷ বিম্বিসারের কারাগারে অজাতশত্রু পিতা বিম্বিসারকে বন্দী করে রেখেছিলেন৷ সেই কারাগার থেকে বিম্বিসার গৃদ্ধকূট পাহাড়ে সফররত বুদ্ধকে দেখতে পেতেন৷

এছাড়াও রাজগীরে আছে অজাতশত্রুর তৈরি দূর্গ, যা বর্তমানে ধ্বংসস্তূপ পরিণত হয়ে ইতিহাসের জীবাশ্ম বুকে দাঁড়িয়ে৷ দুর্গটির একটু দূরে এক স্তূপ৷ আর আছে রাজবৈদ্য জীবকের আমবন৷ রাজগীরের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দর্শণীয় উষ্ণ প্রস্রবন যাওয়ার পথে দেখে নেয়া যায় বেণুবন। বিম্বিসারের দান করা এই জমিতে বুদ্ধদেব থাকতেন৷ উষ্ণ প্রস্রবনটি বৈভব পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত, সপ্তধারা নামেও যার পরিচিতি আছে৷ প্রাচীরবেষ্টিত এই কুন্ডে স্নান করা যায়৷ জলে সালফার থাকায় স্নানে অনেক রোগের নিরাময় ঘটে৷

অন্যান্য
বৈভব পাহাড়ের সিঁড়ি দিয়ে উঠলে পাহাড়ের মাথায় হিন্দু ও জৈন মন্দির যেমন দেখা যায় তেমনি একটি ছোট মসজিদের দর্শনও মেলে৷ এছাড়াও রাজগীর শহরে আছে জৈন মন্দির, বার্মিজ মন্দির, বুদ্ধ মন্দির, আনন্দময়ী মা’র আশ্রম, রামকৃষ্ণ মঠ, ডিয়ার পার্ক, মুসলিম তীর্থ মুকদুমকুন্ড৷ ছোট্ট এই শহরটি অতীতকে বুকে নিয়ে আজও হাস্যময়ী৷ রাজগীর শহর দুদিন আরামে ঘুরে বেড়ানো যায়৷ রাজগীর থেকে নালন্দার পথে পড়ে সিলাও গ্রাম৷ গ্রামটি খাজার জন্য বিখ্যাত৷ রাজগীর দেখুন টাঙ্গাতে৷ অন্য সব জায়গায় যখন ঘোড়ায় টানা এই গাড়ি বাতিলের দলে তখন আজও রাজগীরে নিছের ছন্দে শহরময় ঘুরে বেড়াচ্ছে টাঙ্গা৷ একটা টাঙ্গায় সর্বাধিক পাঁচজন বসতে পারবেন৷

রাজগীরের বয়স কত? ৮০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রাজগীরের নাম ছিল রাজগৃহ। অজাতশত্রু নাম রাখেন গিরিব্রজ। জরাসন্ধেরও রাজধানী ছিল এই রাজগৃহ। রামায়ণেও উল্লেখ আছে রাজগৃহের। বুদ্ধের আগমনে মৌর্যসম্রাট বিম্বিসার দীক্ষা নেন তাঁর কাছে। বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থ ত্রিপিটক লেখা হয় এই রাজগৃহে। মহাবীর তাঁর প্রথম ধর্মসভা করেন রাজগৃহে। এমনই মাহাত্ম্য এই জায়গার। পাঁচ পাহাড়ে ঘেরা রাজগীর – বৈভার, বিপুল, রত্নগিরি, উদয়গিরি ও শোনগিরি।

●(১) রাজগীর গ্লাস ব্রিজ – বিহারের পর্যটনকে চাগিয়ে তোলার জন্য গত বছরে এই গ্লাস ব্রিজের উদ্বোধন করা হয়। চিনের হাংঝাউ গ্লাস ব্রিজের অনুকরণে নির্মিত এই ব্রিজ ২০০ ফুট লম্বা। এই ব্রিজে এক সঙ্গে ৪০ জন পর্যটক যেতে পারেন। পাঁচ পাহাড়ের কোলে এই ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। 

●(২) হট স্প্রিং – আধুনিক রাজগীরের অন্যতম আকর্ষণ, বেণুবনের দক্ষিণ-পুবে সরস্বতী নদী পেরিয়ে। ঝরনাধারার নীচে ভূ-গর্ভস্থ মন্দিরে মূর্তি হয়েছে গৌতম, ভরদ্বাজ, বিশ্বামিত্র, জমদ্যগ্নি, দুর্বাসা, বশিষ্ঠ ও পরাশর তথা সপ্তঋষির। পাহাড় ঢালে সাতটি ধারায় বেরিয়ে আসছে হট স্প্রিং-এর জল। তারতম্য রয়েছে উষ্ণতার। অদূরে জাপানি প্যাগোডা।
উষ্ণ প্রস্রবণ।::--

রাজগীর ভ্রমণার্থীদের কাছে এটি অন্যতম আকর্ষণ স্থল। এখান কার সবচেয়ে বেশী উষ্ণ প্রস্রবণ টি হচ্ছে ব্রহ্মকুণ্ড।0

●(৩) অজাতশত্রু দুর্গ – রাজগীর স্টেশন থেকে ৬ কিমি দূরে। পাহাড় কেটে পরিখাবৃত দুর্গ। ৫০০ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে গড়েন বিম্বিসারের পুত্র অজাতশত্রু। ৩২টি প্রবেশদ্বারের মধ্যে একটি আজও অক্ষত।

●(৪) জরাসন্ধ কা আখাড়া – এখানেই নাকি ভীম আর জরাসন্ধের যুদ্ধ হয়েছিল।

জরাসন্ধের কুস্তির আখড়া::--

সেখান থেকে  গেলাম জরাসন্ধের কুস্তির আখড়া,যেটি একটি মাটির ঢিবি ভালোকরে দেওয়াল তুলে ঘিরে রেখেছে,
সিঁড়ি দিয়ে উঠে সেই ঢিবির ভেতরের কুস্তির আখড়া টি দেখা যায়।

●(৫) জীবকের উদ্যান – বিম্বিসার ও অজাতশত্রুর আমলে জীবক ছিলেন রাজবৈদ্য। বুদ্ধদেবকেও একবার জীবকের কাছে আনা হয়েছিল আঘাতের ক্ষত সারানোর জন্য। সেই জীবকের ডিসপেনসারি ছিল এখানে। 

●(৬) বিম্বিসারের জেল – ১.৮ মিটার পুরু দেওয়াল, ১৮.৫৮ বর্গ মিটার জমির ওপর তৈরি জেলে পুত্র অজাতশত্রুর হাতে বন্দি ছিলেন বিম্বিসার।

●(৭) স্বর্ণ ভান্ডার:রাজগীর:-- সোন ভান্ডার গুহা।

সোনভদ্রের মতন বিহারেও এক স্বর্ণ ভান্ডার, ব্রিটিশের কামানও যেটির দরজা ভাঙতে পারেনি।
উত্তর প্রদেশের সোন ভদ্রর পাওয়া সোনার ভান্ডার আজ পর্যন্ত বিশেষ চর্চার বিষয়। আবার বিহারেও এক জায়গাতে সোনার ভান্ডার আছে কিন্তু সেই  থেকে সোনা পাওয়া আজ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি বা অসম্ভব বলেই মনে করা হচ্ছে।
কারণ সেখানে এক রহস্যময় দরজা আছে, যে দরজা আজ পর্যন্ত কেউ খুলতে পারেনি।
বহুবার এই দরজা খোলার চেস্টা করা হয়েছে কিন্তু কোন ফল হয়নি।

সোনার এই ভান্ডার আছে বিহারের এক গুহায়।
এমন কথা শোনা যায় যে এখানে মগধ সম্রাজ্যের সম্রাট তথা মৌর্য শাসক বিম্বিসারের মূল্যবান সম্পত্তি লুকানো আছে।
যে ভান্ডারের কোন খোঁজ আজপর্যন্ত কেউ পায়নি, আর এই ভান্ডারের নামই সোন ভান্ডার।
আসলে রাজগীর প্রাচীন কালে  মগধের রাজধানী ছিলো।

এখানেই  ভগবান বুদ্ধ বিম্বিসারকে ধর্ম উপদেশ দিয়েছিলেন।
এই শহর ভগবান বুদ্ধের সম্মিলিত স্মারক রূপে বিশেষ রূপে পরিচিত।

কিছু তথ্যে এমন মনে হয় যে এই ভান্ডার
সম্রাট জরাসন্ধের।
কিন্তু সর্বমোট তথ্যে এটাই প্রমাণিত হয় যে এই স্বর্ণ ভান্ডার  বিম্বিসারের।
কারণ এই গুহার কিছু দূরেই সেই জেলের অবশেষ পাওয়া গেছে, যেখানে 
আজাতশত্রু নিজের পিতা বিম্বিসারকে বন্ধি করে রেখে ছিলেন।
সোন ভাণ্ডার গুহায় করলেই প্রথমে একটি বিশাল ঘর আছে।
কথিত আছে যে এই কামরা বা ঘর সোন ভান্ডার পাহারা দেবার সৈনিকদের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
এই ঘরের পিছনের দিকের দেওয়ালেই ভাণ্ডারে পৌঁছবার দরজা ছিল।
যে দরজা একটি বিশাল পাথর দিয়ে বন্ধ করা আছে। আর এই দরজা আজ পর্যন্ত কোন ভাবেই কেউ খুলতে পারেনি।
দরজা খুলবার সকল প্রয়াস ব্যর্থ হয়েছে।

গুহার এক দেওয়ালে শঙ্খ লিপিতে কিছু লেখা আছে, যে লেখার অর্থ আজ পর্যন্ত কেউ উদ্ধার করতে পারেন নি।

কথিত আছে যে এই লিখিত সংকেতেই দরজা খুলবার নিয়ম বিধি লেখা আছে।
কিন্তু আজ পর্যন্ত সারা বিশ্বের পন্ডিত গণ কোন ভাবেই এই লিপির পাঠ্দ্ধার করতে সক্ষম হন নি।

কেউ কেউ মনে করেন যে বিম্বিসারের এই ভান্ডারের  পথ বৈভগিরি পর্বতসাগর
হয়ে সপ্তপর্নি গুহা পর্যন্ত বিস্তৃত আর সেই পথ সোন ভাণ্ডারে পৌঁছবার দ্বিতীয় পথ।

বলাহয় যে ইংরেজ সরকার একবার কামন দিয়ে দেওয়াল ভাঙতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। সেই কামানের গোলার চিহ্ন এখনো দেওয়ালে দেখা যায়।
কামনা দাগিয়ে পাহাড় ভাঙা গেলেও
এই দরজা বা দেওয়াল ভাঙা সম্ভব হয়নি।

বিম্বিসারের খাজাঞ্চিখানা তথা স্বর্ণভাণ্ডার – রাজগীর স্টেশন থেকে ৬ কিমি দূরে।  আকারে অনেকটা গুহার মতো। প্রচলিত বিশ্বাস, এখানে এখনও এক ভাণ্ডারে সোনা লুকোনো আছে। কেউ যদি এখানকার শিলালিপির পাঠোদ্ধার করতে পারেন, তা হলে তাঁর কাছে স্বর্ণভাণ্ডার দরজা খুলে যাবে।

●(৮) মনিয়ার মাঠ – পাহাড়ের নিচুতে সমতলে এক উদ্যানভূমি। এখানে রাজসূয়, অশ্বমেধ যজ্ঞ হত। কিংবদন্তি, এখানেই ভীম ও জরাসন্ধের মধ্যে ২৮ দিনব্যাপী দ্বন্দ্বযুদ্ধ চলে এবং জরাসন্ধের মৃত্যু হয়।
মনীয়ার মঠ::--
মনীয়ার মঠ, ভারতীয় বৌদ্ব স্থল,
মনীয়ার মঠ রাজগির উপত্যকার
পুরাতাত্বিক মহত্ব পূর্ন বেলনাকার এক কূপের মতন স্থাপত্য।যে স্থানটি রাজগির উপত্যকার  অন্তর্গত এক বিশেষ  মহত্য পূর্ন স্থান। যে স্থানটি সোনভান্ডার গুহার  পথে শহরের ভিতরে প্রায় কেন্দ্র স্থলে  অবস্থিত।
এটি উষ্ণ প্রশ্রবন থেকে 1কি মি দূরে অবস্তিত।
এই কূপ জৈনদের এক ছোট মন্দিরদ্বারা আবৃত।
এটি জৈন তীর্থের সমর্পিত নয়, বরঞ্চ নাগা সিলভদ্রর প্রতি সমর্পিত।
কথিত আছে যে জৈনরা তাদের সম্পত্তি এই কূপের ভিতরে লুকিয়ে রেখেছেন এবং জৈনেরা এই স্থানে( পিঠাসিন) শ্রেষ্ঠ দেবতার পূজা করতেন।

মনিয়ার মঠের ইতিহাসে বলাহয়েছে যে
রানী  চেলন্না এবং শীলভদ্রের নির্মিত  এই কূপ।
আজাত শত্রুর মাতা চেলন্না বৈশালীর রাজকুমারী ছিলেন।
মনিয়ার মঠ বৌদ্ব যুগে যজ্ঞ্ স্থ্ল রূপে মান্যতা ছিল।
বেলনাকার ইটের দ্বারা তৈরি করা হয়েছে এই মঠ। গুপ্ত যুগের (320-550 AD)  স্থপতির  এক অদ্ভুত দৃষ্টান্ত ।
এই স্থান নাগ সালিভদ্রর স্মৃতি রূপে নির্মিত হয়েছিল।
বলাহয় যে এই কূপে ওনার নিজের খাজনা পুঁতে রেখেছেন।
1861--62 তে জেনারেল কর্নিংঘম নিজে এই স্থানের খনন করিয়েছিলেন।
খননে 19 ফুট গভীরে কিছু মূর্তি পাওয়া গেছে।অতিহাসিক গন মনেকরেন এই সকল মূর্তি খ্রিস্টীয় ১ম-৬ষ্ঠ শতাব্দীর অন্তর্গত। পালি শাস্ত্র " সংযুক্ত নিকায়" এতে একে " মণিমাল-চৈত্য" রূপে বর্ননা করা হয়েছে, যেস্থানে ভগবান বুদ্ধমনিভদ্র যক্ষকে বলেছেন।
ভারতীয় পুরাণ " মহাভারতে" রাজগীরের বর্ণনা " মনি নাগের পবিত্র বাসস্থান" রূপে
বর্ণিত আছে।
মনিয়ার শব্দের উৎপত্তি প্রাচীন শব্দ
'মণি মাল' ( মণি নাগা) থেকে উৎপত্তি হয়েছে।

পৃথক পৃথক সময়ে ভগবান শিব এবং নাগদের মূর্তির কারণ এমন মান্যতা আছে যে শৈব কালে এই স্থানে নাগ উপাসক দের এক মহত্য পূর্ন স্থান ছিল।

মনিয়ার মঠের মহত্ব--

মনিয়ার মঠ সবথেকে মহত্যপূর্ণ পুরাতাত্বিক স্থানের একটি , এবং এই স্থান টির সাথে  অনেক ধার্মিক  কিংবদন্তির বহু
সংযোগ পড়তে পড়তে জুড়ে আছে।
এই সংরচনাকে এক স্তুপের আকারে নির্মিত করা হয়েছে ।,
এইস্থানে প্রাপ্ত এক নাগ মূর্তিতে "মণি নাগা" খোদিত রূপে পাওয়া গেছে।

মনিয়ার মঠ এক ফাফা স্তুপ রূপে যার বাহিরের দেওয়ালে বুদ্ধেদেবের মূর্তি খোদিত আছে।

এই সংরচনা কেন্দ্রে এক বেলনাকার খুব ভালো সংরচনার সাথে দুইটি খন্ড প্রকটিত যার চারিদিক এক দেওয়াল দ্বারা আবৃত।
দেওয়ালের প্লাস্টার ভীষণ ভাবে ক্ষতি গ্রস্থ হয়ে গেছে যে ছবি গুলি ও স্পষ্ট বুঝবার উপায় নাই।
উঠখনিত অবশেষ দ্বারা মনে করা হয় যে
সময় কালের প্রবাহে নাগ-গণ, হিন্দু-গণ, বৌদ্ধ ও জৈন নের বিভিন্ন সম্প্রদায় গণ একে তাদের পূজার এক মহত্যপূর্ণ স্থান হিসাবে বিবেচনা করতেন।
এখানে  এটিকে সাপের সমর্পিত এক হিন্দু মন্দির  রূপেও মান্যতা ছিল। কারণ সাপের দেবী মনসা দেবীর মূর্তিও পাওয়া গেছে এখানে।
রাজগিরকে মহাভারত মহাকাব্যে মণিনাগের নিবাস রূপেও করা হয়েছে।

দেওয়ালের বাহিরের অংশে 0.6 মিটার উঁচু প্লাস্টারে মালা দ্বারা সজ্জিত লিঙ্গ চিত্র , চতুর্ভূজ বিষ্ণু , নাগি-ছবি, নিজের শরীরের চারিদিকে সাপের সঙ্গে সংযুক্ত গণেশ এবং ছ-সশস্ত্র নৃত্য করতে শিব- নটরাজের  মূর্তি আছে।

●(৯) জয়প্রকাশ নারায়ণ উদ্যান – মনিয়ার মাঠের বিপরীতে।

●(১০) শোনভাণ্ডার – উদ্যানের অদূরেই, জরাসন্ধের ধনাগার।

●(১১) বেণুবন বিহার – বিম্বিসারের প্রমোদকানন, বুদ্ধও বাস করেছেন এখানে, এখন ডিয়ার পার্ক তথা চিড়িয়াখানা, বেণুবনের জলাশয়ে খেলা করে মাছ।

●(১২) বীরায়তন ব্রাহ্মী কলা মন্দিরম – দর্শনী দিয়ে প্রবেশ, দেখুন পুতুলে মহাবীরের জীবন আখ্যান।

●(১৩) গৃধকূট পাহাড় – এই পাহাড়ে বসেই শিষ্যদের বাণী দিতেন বুদ্ধদেব।  

●(১৪) বিশ্বশান্তি স্তূপ – শহর থেকে ১২ কিমি দূরে রত্নগিরি পাহাড়চুড়োয় জাপানি বৌদ্ধসংঘের তৈরি। গৃধকূট পাহাড় থেকে ৬০০ মিটার বৈদ্যুতিন রোপওয়েতে সাত মিনিট যেতে হয়। হেঁটেও ওঠা যায় শান্তিস্তূপে।
বিশ্ব শান্তিস্তূপ।::(রোপওয়ে)-- রাজগীরের প্রধান দ্রষ্টব্য স্থানগুলির মধ্যে প্রথমেই যার নাম আসবে। রোপওয়ের মাধ্যমে রত্নগিরি পর্বতের শীর্ষে জাপানীদের তৈরী এই মনাস্ট্রী জগৎ বিখ্যাত। স্তূপের চারদিকে চারটি সোনালী বুদ্ধমূর্তি আছে যা জীবনের চারটি অধ্যায়কে নির্দেশ করে। শ্বেতশুভ্র এই স্তূপের গঠনশৈলী খুবই আকর্ষনীয়। ভারী সুন্দর এর  পরিবেশ।  ৪০০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত এই স্তূপ।

●(১৫) ঘোড়াকটোরা ঝিল – পাঁচ পাহাড়ে ঘেরা ঘোড়াকটোরা ঝিলে রয়েছে বুদ্ধের ৭০  ফুট উঁচু প্রতিমূর্তি। এই প্রতিমূর্তি ২০১৮ সালে উন্মোচন করা হয়। পর্যটকরা বোটে করে এসে কাছ থেকে পদ্মাসীন বুদ্ধকে দর্শন করতে পারেনয়। কথিত আছে, মহাভারতের চরিত্র রাজা জরাসন্ধের আস্তাবল নাকি এখানেই ছিল। তাই নাম ঘোড়াকটোরা। পরিবেশ-পর্যটনে উৎসাহ দেওয়ার জন্য হেঁটে, সাইকেলে, রিকশায়, টাঙায় বা ব্যাটারিচালিত গাড়িতে চেপে এই ঝিলে আসতে হয়।   

●(১৬)--এ ছাড়াও রাজগীরে রয়েছে বহু জৈন মন্দির,
●বার্মিজ মন্দির,
●বুদ্ধ মন্দির,
●আনন্দময়ী মায়ের আশ্রম,
●শ্রীরামকৃষ্ণ মঠ ইত্যাদি।

নবম দিন – ফিরুন বাড়ির দিকে।
°==========================
===========================

পটনা-বৈশালী----গয়া-রাজগীর-নালন্দা
দেখার জন্য আগে থেকে এক প্লান তৈরী করে নিতে পারলে খুব ভালো হয়।
যেমন----

কী ভাবে ঘুরবেন
(১) পটনা শহরের দ্রষ্টব্য দেখখার জন্য খুন ভালো ব্যবস্থা হল ---
অটো বা গাড়ি ভাড়া করে।

(২) গয়ায় পৌঁছে সকালের দিকে মন্দির দর্শন করে দুপুরের খাওয়া তাড়াতাড়ি সেরে চলুন বরাবর গুহা।

(৩) রিকশা ভাড়া করেই ঘুরে নেওয়া যেতে পারে  বুদ্ধগয়া।

(৪) রাজগীরে অনেক বেসর কারি ট্রাভেল এজেন্সি আছে যারা নালন্দা-পাওয়াপুরী ঘুরিয়ে আনে।
বাস বা শেয়ার ট্রেকারে রাজগীর থেকে নালন্দা, নালন্দা থেকে পাওয়াপুরী যাওয়া যায়।
তার পর পায়ে পায়ে নালন্দা আর স্থানীয় যানে ঘুরে নেওয়া যায় পাওয়াপুরী।

রাজগীর থেকে ভাড়া গাড়ি করে ঘোরার ব্যবস্থা তো আছেই।

(৫) গাড়ি ছাড়াও রাজগীরে ঘোরার জন্য রয়েছে রিকশা অথবা টাঙা।

মিউজিয়াম গুলি সোমবার বন্ধ থাকে।

বুদ্ধগয়ার মিউজিয়াম শুক্রবার বন্ধ

তাছাড়া প্রত্যেক দিন ১০টা-৫টা খোলা।

(৬) বুদ্ধগয়ায় মহাবোধি দর্শনে টিকিট লাগে, ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১২টা এবং দুপুর ২টো থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত খোলা।

(৭) রাজগীরের হট স্প্রিং-এ স্নান করতে হলে ভিড় এড়াতে চলুন খুব ভোরে কিংবা সন্ধের পরে।

(৮) রাজগীরের রোপওয়ে চলে সকাল সোয়া ৮টা থেকে দুপুর ১টা, দুপুর ২টো থেকে বিকেল ৫টা।

(৯) রাজগীরের গ্লাস ব্রিজ সোমবার বাদে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা।
=======================

=====================
  ◆বিহার পর্যটনের কলকাতা অফিস। ঠিকানা- ২৬বি, ক্যামাক স্ট্রিট, দূরভাষ- ২২৮০৩৩০৪
◆অনেক বেসরকারি হোটেল রয়েছে। যোগাযোগ করুন Travelism (ট্রাভেলিজম)-এর সঙ্গে। ফোন: 8276008189
========================
★★★★★■■■■■■■■■■■
★★★★★★★■■■■■★★★★
■■■■■■■■■■■■■■■■■◆◆

              অতিরিক্ত (B)
!! রাজগীর ভ্রমণ !!
28/12/2022

★1--উষ্ণ প্রস্রবণ।::--ok
★2--বেনুবন, -------ok
★3--বৌদ্ধবিহার::------ok
★4--জাপানী মন্দির, ----ok
★5--বিম্বিসার জেল,
★6--অজাতশত্রু দুর্গ,
★7--জীবকের আমবন,
★8--স্বর্ণ ভান্ডার:রাজগীর:-----ok
★9--মনিয়ার মঠ, --------;;ok
★10--জরাসন্ধের আখড়া।
★11--এখান কার জৈন মন্দির ও ★13--মিউজিয়ামটিও খুবই সুন্দর।

=========

★1--উষ্ণ প্রস্রবণ।::--

রাজগীর ভ্রমণার্থীদের কাছে এটি অন্যতম আকর্ষণ স্থল। এখান কার সবচেয়ে বেশী উষ্ণ প্রস্রবণ টি হচ্ছে ব্রহ্মকুণ্ড।
এরপর একে একে ঘুরলাম

★2--বেনুবন::--
বেবুবন এক কৃত্তিম জঙ্গল, ধ্যান ও শান্তির জন্য এই স্থান এক অভয়ারণ্য।
এখানে  সম্রাট বিম্বিসার তৈরি করেছিলেন ভগবান বুদ্ধের জন্য একটি খুব সুন্দর  মঠ।

★3--বৌদ্ধবিহার::--  অনেক বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী মানুষ এখানে থাকেন। আছে বুদ্ধের সুসজ্জিত মূর্তি। এখানে ঢুকেই মন প্রশান্তিতে ভরে ওঠে।

রাজগীরে অন্যান্য দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে আছে রাজগীরে দর্শনীয় স্থানগুলি দেখতে টাঙ্গা হচ্ছে একমাত্র বাহন।
এইটুকু বুঝলাম যে রাজগীর ভ্রমণের আদর্শ সময় হচ্ছে শীতকাল। আর এই সেসময় অনেক ভ্রমনার্থীর আগমন ঘটে রাজগীরে।

★4--জাপানী মন্দির,

রাজা বিম্বিসার বুদ্ধের কাছে বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নেন আর তাঁর থাকার জন্য এই বেনুবন দান করেন।

এর মাঝে আছে একটি বিশাল জলাশয়। কথিত বুদ্ধ এই বেনুবনে দীর্ঘদিন ছিলেন।
বেনুবনের পাশেই আছে একটি সুসজ্জিত জাপানী মন্দির বা

=======================
           অতিরিক্ত (C)

রাজগির-নালন্দা-পাওয়াপুরী ইতিহাসের এক অমূল্য দলিল::--

1>জাপানি মন্দির::--
প্রথমে দেখলাম জাপানি মন্দির তারপরে
জৈন মিউজিয়াম।

2>জৈন মিউজিয়াম

মহাবীর জৈন এর জীবনী খুব সুন্দর ছবি ও পুতুলের মাধ্যমে লিপিবদ্ধ করা আছে।
পুতুল দিয়ে সাজালেও এমন সুন্দর কারুকার্য যা দেখে চোখ ফেরান যায় না।
অপূর্ব এই মিউজিয়াম।

3>উষ্ণ প্রস্রবণ;;--

এরপর গেলাম উষ্ণ প্রস্রবণ তথা ব্রহ্মকুন্ড দেখতে, অনেক মানুষই এই কুণ্ডের জলে পা ডুবিয়ে বসে উষ্ণ প্রশ্রবনের মজা উপভোগ করছে।
আমরা অনেক সিঁড়ি বেয়ে পাহাড়ের উপরের কালি মন্দির পর্যন্ত গিয়ে আবার ফিরে আসলাম।
=======
4>সেখান থেকে  গেলাম জরাসন্ধের কুস্তির আখড়া,যেটি একটি মাটির ঢিবি ভালোকরে দেওয়াল তুলে ঘিরে রেখেছে,
সিঁড়ি দিয়ে উঠে সেই ঢিবির ভেতরের কুস্তির আখড়া টি দেখা যায়।

==============
6>জীবকের আমবন,::--
জরাসন্ধের রথের চাকার দাগ ও জীবকের আমবাগান দেখতে যেখানে ভগবান বুদ্ধ জীবকের কাছে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
=============
7>রোপওয়ে
এরপর গেলাম জাপানের বৌদ্ধসংহ নির্মিত বিশ্ব শান্তি স্তুপ দেখতে যা মোট 80 টি বৌদ্ধ শান্তিস্তুপের মধ্যে অন্যতম। রত্নগিরি পাহাড়ের উপর অপূর্ব গঠনশৈলীর এই স্তুপ 400 মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। স্তুপের 4 দিকের 4 টি শিল্পকলা বুদ্ধের জীবনের 4 টি অধ্যায় জন্ম, বোধিলাভ, ধর্মপ্রচার ও মৃত্যুকে নির্দেশ করে। এখানে একটা ঘন্টাঘর ও সুন্দর মঠ রয়েছে। রোপওয়ে তে করে গেলে 60 টাকা করে টিকিট লাগে। তবে হেঁটে গেলে পাহাড়ের অপূর্ব সৌন্দর্য্য দেখা যায় যা আমরা উপলব্ধি করেছিলাম।

এখান থেকে বেরিয়ে দিগম্বর জৈন মন্দির

====================

24/12/2022::8:20 am  to 30/12/2022 10:00pm
Kolkata to Patna=630 km--
13 hr 7 min

Patna to Rajgir=95 km--
2 hr 48 min--via NH431

Rajgir to Gaya=98km---
1 hr 55 min

Gaya to Bodh Gaya=16km--
28 min--via NH22

Body gaya to Ranchi=226km--
5hr 21 min--via NH 19 and NH20

Ranchi  to Jamshedpur=126km--
2 hr 22 min--via NH 43

Jamshedpur to kolkata=283km--
5 hr 43 min--via NH18 and NH16.

Total  =1444 km.
=≠===============

Patna, Bakhtiyarpur,  Rajgir, Gaya--
Bodh Gaya.
Then Back  to kolkata via Ra nchi, Jamshedpur, jhargram,kharagpur.
kolkata.
At Bakhtiyarpur we visited one of my Colleague at his house.
মোটামুটি 1500 কিমি কারে করে।
রাজার নুতন মারুতি সুজুকি
Total 1500 km approx with  new car Maruti Suzuki 438 New Brezza K15C ISG 5MT ZXI

যদিও USA তে সাম্যর সাথে 1400/1500 km er অভিজ্ঞতা আছে ।
তবে এতদূর জার্নি কলকাতায় এই প্রথম।
USA যে NEW YORK TO NIAGRA 700 km.বোধ হয়।
Samya: Ha...last bar stop kore kore gechhilam bole around 750/800 km hoyechhilo. So total 1600 km.

এবারে রাজর সাথে 1500 km.হলো।
আর 1998 তে আমি নিজে ড্রাইভ করেছিলাম ফিয়াট কার ধানবাদ থেকে কোলকাতা=300কি মি।
এবং কোলকাতা থেকে বেনারস
=690 কি মি
এবং বেনারস থেকে ধানবাদ=450 কি মি।
মোট প্রায় 1450 km.
তখন রাস্থা এতো ভালো ছিলোনা সেই কারণে বেশ কষ্ট হয়ে ছিলো। তবে থ্রিলিং ছিল বেশ।
আর1972/74 কোলকাতার 45 রুটে
এবং 41 রুটে বাস ড্রাইভ করার অভিজ্ঞতা তার সাথে কলকাতা উড়িষ্যা বাস ড্রাইভ করার অভিজ্ঞতা।
তখন বাস নিয়ে যেতাম পুরি , বলেশ্বর, ভদ্রক,পাটা মুন্ডাই, কেন্দাপাড়া। প্রায় 600 km.
Up and down 1200/1300 km approx.
এখন সেই দিনগুলির কথা মনে পড়লে সবই স্বপ্ন মনে হয়।
======================




=========================

=Place of interest Patna++Nearby 
                       <---©-আদ্যনাথ--->


1. Kumrahar=2. Golghar=3 .patna Museum=4. Agam Kuan=
5. Jalan Museum=6. Sanjay Gandhi Botanical Garden
7. Sri Krishna Science Centre=8. Patna Planetarium
9. Khuda Baksh National Library=10. Nalanda University
11. Buddha Smriti Park=12. Mahavir Mandir=13. Jalmandir Temple
14. Sun Temple=15. Begu Hajjam’s Mosque

       5 MOST FAMOUS PLACES 
         Near Patna City
1>Bodh Gaya=2>Vaishali=3>Nalanda=4>Rajgir=5>Pawapuri


=================================

Top 15 Places To Visit In Patna

If history fascinates you, land in Patna, the capital of Bihar on your vacation. Patna has ancient elements written all over it. It is the largest town in Bihar and its history dates back to 3000 years. During ancient times, the city was famously known as Pataliputra and it served capital of Magadha kingdom. Ruled by various dynasties, the land reflects the influences of varied culture and lifestyle. You may want to take a long vacation to enjoy the essence of Patna, which was one amongst the earliest lands inhabited. Here are the top 15 important places to visit in Patna, which would bring to your mind’s eye the spirits of the city.

1. Kumrahar

Kumrahar stands proof of the cultural excellence of ancient Pataliputra. Located 5 kms from Patna, Kumrahar gives you an insight into the rich history of Patna. The site now contains archaeological remains of Mauryan palace. Excavations conducted at Kumrahar between 1912 and 1915 brought to light Mauryan pillared hall. Further excavations have unearthed more pillars and now the site is referred to as ‘Eighty Pillared Hall’. You could view ancient ornaments, copper coins, terracotta beads, stone beads, toy carts, utensils and many more. The antiques and photographs at the site give you an insight into the cultural richness of the ancient period.

2. Golghar

Golghar is a fine specimen of the architectural splendor of the land. Captain John Garstin built Golghar in the year 1786 to use as a granary to store grain when famine hit the city. The architecture bears resemblance of the Stupa style. With 125 meters width and 3.6 meters thick, the granary has steps to lead you to the top. The view from the top is spectacular as you can see the majestic Ganges gushing beneath. Golghar also owned the pride of being the tallest building in Patna at that time. Though built to store grains, Golghar was never used to the maximum capacity. Owing to oversight while designing and constructing, Golghar could be opened only from inside and hence if filled to its full capacity, opening the doors would not be possible.

3 .patna Museum

Situated at city’s centre, Patna Museumis sure to make your mind travel to the ancient times. It was constructed in the year 1917 and it is the oldest museum in the city. Influences of Mughal and Rajput style of architecture are evident in the construction of the museum. Though the museum possesses over 45000 artefacts, owing to space restraint, a minor percentage of the possessions are on display. Both the floors of the museums are dedicated to galleries including Natural History Gallery, Stone Sculpture Gallery, Indian Stone Art Tradition, Orissa Stone Sculpture, Buddha Relic Gallery and Painting Gallery. Stone and metal sculptures dating back to Gupta and Maurya dynasties are displayed in Patna museum. 200 million year old fossilized tree is seen here. The 16m long tree is said to be world’s longest fossilized tree. The wonderful collections of the museum include Jain images, Buddhist sculptures, paintings belonging to British Empire and Chinese art. First World War cannon are on display here. The most famous collection is the life-size statue of Fly Whisk-Bearer, which dates back to 3rd century BC. It is believed to belong to Ashoka’s period. The statue has been acknowledged as an extraordinary specimen that stands proof of architectural brilliance of the period. Yet another possession is the remains of Buddha in the Buddha Relic Casket.

4. Agam Kuan

Referred to as ‘unfathomable well’, Agam Kuan is considered the most ancient and important archaeological site in Patna. Built during the period of Ashoka, the Mauryan king, Agam Kuan has many legends associated with it. With a depth of 105 ft and perimeter of over 20 feet, the well was constructed by Ashoka to torture people. It is also believed that it was where emperor Ashoka had his 99 brothers drowned to capture the throne. Yet another legend goes that a Jain Monk by name Sudarshana was seen floating on a lotus on the surface after he was thrown in the well by king Chand. Agam Kuan now owns the tag of being auspicious with unlimited powers.

5. Jalan Museum

Jalan Museum is located near the banks of River Ganges. Constructed in the year 1919, the museum reflects the extraordinary effects taken by Diwan Bahadur Radha Krishna Jalan who was behind its construction and the collections. Jalan had acquired a part of Quila Fort, captivated by its location. The building, which was damaged in an earthquake in 1934, was transformed into a beautiful museum. The collections in the museum sum up to nearly 10000 objects from various parts of the world. Some of the artefacts found here include old sculptures, idols belonging to various periods, furniture and many more. Some of the special collections include palanquin of Tipu Sultan, Humayun’s sword, Chinese idols dating back to 7th century, Venice crystals and jade stones belonging to 200 BC. You need to get permission in advance to gain entry to this private museum.

6. Sanjay Gandhi Botanical Garden

Popularly referred to as Patna Zoo, Sanjay Gandhi Botanical Garden covers a sprawling 153 acre of land and finds a place among the largest zoos in the country. It was established in the year 1969. The zoo is home to 110 species of wild animals adding up to 800 animals. Some of the animals found here include tigers, white tigers, hippopotamus, lions, monkeys and many more. The place is a delight for bird watchers as a wide range of birds are seen here. Some of the museums in the garden include snake museum, bat museum and fish museum. Toy train in Sanjay Gandhi Botanical Garden takes you through the important places in the garden. There are battery-operated cars as well. For the adventurous lot, elephants wait to take them round the zoo. The pond situated at the centre of the garden has boating facilities. Boating and riding toy train are thoroughly enjoyed by children. The botanical garden has over 300 species of plants, trees and herbs.

7. Sri Krishna Science Centre

Founded in the year 1978, Sri Krishna Science Centre uses practical approach to give an interesting insight into the principles of science. You will be thrilled the moment you enter, as you will hear the echoes of the sounds of dinosaurs. A sundial is located at the entrance of the 2 floored building. Each floor is dedicated to a theme associated with science. Named ‘Fun Science Gallery’, the first floor has on display equipments that demonstrate scientific principles. The first floor covers wide subjects including scientific principles, human evolution and ocean life. The second floor details on evolution of earth and life. Dinosaur Park and 3-D show organized here add to the attractions.

8. Patna Planetarium

Patna Planetarium ranks amongst India’s largest planetariums. Inaugurated in the year 1993, the planetarium attracts tourists from all parts of India. Astronomical film shows are conducted regularly. It is also called Indira Gandhi Planetarium and Taramandal. Various exhibitions and seminars are conducted here.

9. Khuda Baksh National Library

Khuda Baksh National Library attracts Urdu scholars from all over the world. With an amazing collection of over 21000 manuscripts and 2.5 lakhs of printed books, the library is deals with various depths of Urdu literature. Mohammad Baksh, a private collector was the man behind the library and his son Khuda Baksh took upon himself to ensure the library reaches new heights with its possessions. Khuda Baksh acquired some of the rare manuscripts in the Arabian countries. The two-storied building was opened by him in the year 1889 and the library is rightly named after him for his mammoth contribution. The priceless possessions in the library earned it the status of National Library in the year 1969. Some of the rare collections include Mughal period books with stunning paintings, which reflect the culture and lifestyle of the bygone era. The library publishes books related to Islamic study, medieval history, Unani medicine and so on.

10. Nalanda University

Nalanda is one of the most important tourist destinations that attracts people from all parts of the world. Nalanda ranks amongst the first few residential universities in the world. It was established in 5th century AD and during its prime time, it had scholars and students visiting from various parts of the world including Korea, Turkey, Indonesia, China and Persia. Excavations have brought to light some of the marvelous structures here. Many temples and monasteries were built here. One of the temples offers spectacular view of the area around. Statues of Buddha in various sizes are seen here. Famous Chinese traveler Hieun Tsang had stayed in Nalanda during 7th century. He has given a detailed account of the university and its architecture. A construction dedicated to Hieun Tsang is seen here.

11. Buddha Smriti Park

Buddha Smriti Park was inaugurated in the year 2010 by Dalai Lama. The park was promoted by the government of Bihar to commemorate Lord Buddha’s 2554th birth anniversary. Covering a massive 22 acres of land, the park is breathtaking to look at. The 200 feet tall stupa situated at the centre of the park is an important attraction. Relics from Japan, Thailand, Srilanka and South Korea are preserved in the glass case in the stupa. Other attractions in Buddha Smriti Park include museum, meditation centre and library. Saplings from Anuradhapuram in Srilanka are planted here.

12. Mahavir Mandir

Mahavir Mandir is dedicated to Hanuman. It is believed that this temple was built in the year 1730 AD. The temple underwent modifications in the years 1983 and 1985. It is considered amongst the holiest temples by followers of Hindu faith. With over million pilgrims visiting the temple every year, it is named as the second most frequented shrine in Northern India.

13. Jalmandir Temple

Jalmandir Temple is a wonderful white marble temple of Lord Mahavir. Located in the centre of a lotus filled tank, the temple looks amazing in a tranquil environment. The temple can be accessed through the 40 feet long bridge that connects the shore and the temple in the tank.

14. Sun Temple

Sun Temple is claimed to belong to the period of Treta Yuga but archaeological evidences indicate that the temple could belong to 8th century. The architectural style of the temple resembles Nagar style, which was popular between 6th and 12th centuries. Legend goes that the temple was originally facing east but following the prayers of the priest to protect the temple from being destroyed by invader, it turned to west. Sun Temple in Patna is one of the rare temples that stands with its back to rising sun.

15. Begu Hajjam’s Mosque

Considered the most ancient mosques in Patna, Begu Hajjam’s mosque was built in 1510 by Khan Muazzam Nazir. It was renovated by Begum Hajjam in 1645 and it is interesting to note that the mosque has acquired its name after Begum Hajjam, the innovator. The architectural style resembles the style prevalent during Gaur rule when glazed tiles were used. The carvings on the doorway are unique. The mosque is special being the oldest in the land and it attracts believers and tourists from various parts of the world.
================

LOCATIONTOP 5 MOST FAMOUS PLACES TO VISIT NEAR PATNA CITY

Top 5 Most Famous Places to Visit Near Patna City

Pataliputra or Ancient Patna is one of the oldest continuously inhabited city in the world,situated on the bank of the holy river Ganges. The Hindu, Buddhist, and Jain pilgrim centres of Vaishali, Rajgir, Nalanda, Bodh Gaya and Pawapuri are located nearby Patna City and also one of the Panj Takht of Sikhs. Follow the link to know about major tourist and tourism in Patna.

1>Bodh Gaya

The most famous religious place of pilgrimage with the Mahabodhi Temple Complex and a UNESCO World Heritage Site, famous as the place where Gautama Buddha obtained Enlightenment. Bodh Gaya is the most important of the four main pilgrimage sites of Gautama Buddha other three being Kushinagar, Lumbini and Sarnath.

2>Vaishali

Vaishali, The ancient city in Bihar now an archeologicalsite is famous for its Vishva Shanti Stupa,Pillars of Ashoka,Kutagarasala Vihara monastery, birth place of Lord Mahavira and Gautama Buddha delivered his last sermon. The capital city of the Licchavi was one of the first example of a republic.

3>Nalanda

Nalanda is the most popular tourist destination in Bihar attracting a large number of Indian and overseas visitors every year. Xuanzang Memorial Hall,Nalanda Archaeological Museum,Nalanda University and ruins of Nalanda Mahavihara are famous places to visit in Nalanda.

4>Rajgir
The first capital of the kingdom of Magadha and a notable city in Buddhism and Jainism, also one of the favorite places for Mahavira and Gautama Buddha. Rajgir is famous for its hot water springs, Griddhraj Parvat,Buddhas cave and the Jain temples on the five peaks.

5>Pawapuri

A holy site for Jains located 38 kilometers from Rajgir, was part of Magadha Kingdom. Pawapuri is the place of Lord Mahavira and the most famous marble Jalmandir built in the middle of the tank.

                                                         <---©-আদ্যনাথ--->



=================