2>ভ্রমণ > মহারাষ্ট্রের (7 )টি গুহা:---এবং মহারাষ্ট্রের দর্শনীয় শহরবগুলি।
ভারতবর্ষ সকল দেশের সেরা।
ভারতবর্ষ এক মহা মিলন ক্ষেত্র।
এখানে নানান বৈচিত্র তথাপি
এক মহা মিলন ক্ষেত্র।
ভাষা,নানা মত তবুও সকলের মিলন ক্ষেত্র।
তাইতো ভারতের তুলনা
কারো সাথেই নয়।
ভারত তার ত্যাগ তপস্যা দিয়ে
বিশ্ব করেছে জয়।
এই ভারতের এক রাষ্ট্র মহারাষ্ট্র।
কতো ইতিহাসকে বহন করে চলেছে।
যা ওখানে গিয়ে চাক্ষুষ না দেখলে
বিশ্বাস করাই মুশকিল।
প্রথমে বলি মহারাষ্ট্রের গুহাগুলি
যেগুলি না দেখলে এই রাজ্যে ঘোরা
অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।
ভারতের পশ্চিম অংশে অবস্থিত সুন্দর
এই রাষ্ট্রটি ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র ।
এটি দুটি প্রধান ভূমিরূপ নিয়ে গঠিত এবং
একটি অত্যন্ত সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অধিকারী।
যেটি কঙ্কন উপকূলীয় অঞ্চল নামে যার খ্যাতি।
অন্যটি দাক্ষিণাত্য টেবিল মালভূমি।
যেগুলি পরিদর্শন করতে সমগ্র বিশ্বের
মানুষ ছুটে আসে বার বার।
মহারাষ্ট্র ,--
মহারাষ্ট্র ,:::--অন্ধ্র প্রদেশ, ছত্তীসগড়, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, গোয়া এবং কর্ণাটক দ্বারা বেষ্টিত।
ফলে পর্যটকদের মহারাষ্ট্রের চারপাশথেকে আকর্ষণ করে।
এই রাজ্যের অধিকার রক্ষার জন্য,কত রক্ত- ক্ষয়,বহু ভীতিকর ভংকর যুদ্ধ ঘটেছে, আজ ও ইতিহাস যার সাক্ষ্য বহন করছে।
মুঘলরা বার বার এই রাজ্য কে অধিকার করতে চেষ্টা করেও খুবই কম মুঘল সম্রাট
পেয়েছিলেন সফলতা ।
শিবাজি, মারাঠাদের প্রথম মহান বীর শাসক, যিনি জাতির উত্থানের জন্য এক বীর যোদ্ধার আদর্শ ব্যক্তিত্ব হিসাবে দাঁড়িয়ে আছেন, এমনকি তিনি ব্রিটিশদের চোখের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলেন।
বলিউডের খ্যাতি, মহারাষ্ট্রকে পর্যটকদের মধ্যে অন্যতম আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
অজন্তা এবং ইলোরা এই রাজ্যের দুটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান যা সর্বদা পর্যটকদের আকর্ষণ করে চলেছে।
আজ থেকে তিন হাজার বছর পূর্বের ধর্ম এবং মানুষের কল্পনার নিদারূণ অঙ্কন এবং ভাস্কর্যগুলি অন্বেষণ ও সাক্ষ্য প্রমাণের জন্য অবশ্যই অজন্তা ভ্রমণ করতে হবে।
মহারাষ্ট্রের পরিদর্শনমূলক স্থান।
এখানকার অসংখ্য গুহা, আকর্ষণীয় শৈলশহর, সুন্দর সমুদ্র সৈকত, প্রচুর বন্যপ্রাণী
অপূর্ব প্রাকিতিক সৌন্দর্য এবং
বলিউড মহারাষ্ট্রকে ভারতের অন্যান্য রাজ্যের থেকে অনন্য করে তুলেছে।
এবার বলেলি মহারাষ্ট্রের ( 7 ) সাত টি
গুহার কথা::--------সংক্ষেপে
I>অজন্তা গুহা
খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের সাক্ষী বহন করে চলেছে এই গুহা। গুহার দেওয়ালে আঁকা ছবি ও খোদাই করা চালচিত্র বৌদ্ধ ধর্মের ইতিহাস বহন করে চলেছে।
এটি একটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে ঘোষণাও করা হয়েছে।
II>ইলোরা গুহা
পাথর কেটে বানানো ইলোরা গুহা প্রাচীন স্থাপত্য কলার এক উল্লেখযোগ্য নিদর্শন।
পঞ্চম থেকে দশম শতাব্দির মধ্যে তৈরি এই গুহাটিকেও ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে ঘোষণা করেছে ইউনেস্কো।
এখানকার স্থাপত্যে হিন্দু, জৈন ও বৌদ্ধদের সংষ্কৃতি মিলেমিশে একাকার।
সবই পাথর কেটে গড়ে তোলা ।
III>কারলা গুহা
লোনাভালা শহরের কাছেই এই গুহাটি অবস্থিত।
দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শতাব্দির মধ্যে এই গুহাচিত্র গড়ে উঠেছিল।
IV>এলিফ্যান্টা গুহা
মুম্বই শহর থেকে মাত্র 11 কিলোমিটার
দূরত্ব এই এলিফ্যান্টা গুহাটি, যেটি
এলিফ্যান্টা দ্বীপে অবস্থিত।
এখানকার দেওয়ালে হিন্দু ও বৌদ্ধ সংষ্কৃতির ছাপ স্পষ্ট ।
মূলত ভগবান শিবকে নিয়ে পৌরাণিক নানা গল্পই গুহার দেওয়ালে বর্ণিত হয়েছে।
ইংরেজ আমলে এই গুহার দেওয়ালের নানা চালচিত্র নষ্ট করে ফেলা হয়েছে।
এলিফ্যান্টা গুহা
মুম্বাই উপকূল থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে আরব সাগরের নিকটবর্তী দ্বীপগুলিতে বহু গুহা রয়েছে। এই গুহা গুলিতে ৪৫০ থেকে ৭৫০ খ্রীস্টাব্দ প্রাচীন প্রভু শিবের মহিমা সম্বলিত নিদারুণ ভাস্কর্য দেখা যায়। বোট-জেটি থেকে নিয়মিত মোটর-বোট গেটওয়ে অফ ইন্ডিয়া থেকে দ্বীপপুঞ্জে নিয়ে যাবে। এই গুহা ইউনেস্কো দ্বারা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে ঘোষিত হয়েছে।
V>বেডসে গুহা
মহারাষ্ট্রের পুণে শহরে অবস্থিত এই গুহাটি।
এটি অতি পুরনো গুহা। খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দিতে এটি গড়ে ওঠে। লোহাগড়, তুঙ্গ, তিকোনা ও বিসাপুরের পরিচিত কেল্লাগুলি এই গুহার পাশেই অবস্থিত।
VI>ঔরঙ্গাবাদ গুহা
ঔরঙ্গাবাদে অবস্থিত এই গুহার সর্বত্র বৌদ্ধ ধর্মের ছাপ স্পষ্ট। অজন্তা-ইলোরার গুহাচিত্রের কাছে এটি ঢাকা পড়ে গেলেও অতীত যুগের সাক্ষী বহন করে চলেছে এই গুহা।
ঔরঙ্গাবাদ
ঔরঙ্গাবাদ শহর বিশেষত অজন্তা এবং ইলোরার ঐতিহ্যমণ্ডিত স্থানগুলির জন্য বিখ্যাত। ২৯-টি পাহাড় কর্তিত গুহার আধিক্য সহ এই গুহা দেশের স্থাপত্য সাফল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসাবে চিহ্নিত। অজন্তার ম্যুরাল চিত্র এবং চিত্রানুগ অবস্থান সহ ইলোরার ভাস্কর্য আপনাকে মুগ্ধ করে তুলবে। এই শহরের নাম মুঘল সম্রাট, ঔরঙ্গজেবের নামে নামাঙ্কিত যিনি দাক্ষিণাত্যের উপর রাজত্ব করার জন্য একে রাজপ্রতিনিধিত্বমূলক রাজধানী হিসাবে তৈরি করেছিলেন। সম্রাট তার মাকে শ্রদ্ধা জানাতে এখানে বিবি-কা-মকবরা নির্মিত করেন। এটি বিখ্যাত তাজমহলের একটি অনুকরণ। পান চাকি এবং দরওয়াজা প্রাচীন কালের অসাধারণ দক্ষ স্থাপত্যের উদাহরণ।
VII>পাণ্ডবলেনি গুহা
নাসিকে অবস্থিত এই গুহাটিও বৌদ্ধ ধর্মের নিদর্শন বহন করে চলেছে। এটির আগের নাম ছিল 'ত্রিরাশমি গুহা'।
এই 7 টি গুহাই দর্শন করেছি
তবে এক সাথে নয় বাড়ে বাড়ে সময় বুঝে
==============================================
3>মহারাষ্ট্রের দর্শনীয় শহরবগুলি
সিরডি // মুম্বাই //এলিফ্যান্টা গুহা//ঔরঙ্গাবাদ//
ঔরঙ্গাবাদ// গণপতিপুলে //পঞ্চগনি //পেঞ্চ জাতীয় উদ্যান// পুনে //নাগপুর ,//মাথেরান//
===================
I>সিরডি:::-আলাদা করে লেখা আছে
---------------------------------------------------
II>মহাবালেশ্বর, লোনাভালা এবং খান্ডালা
মহারাষ্ট্রের শৈলশহরগুলির সৌন্দর্য সত্যই বিশেষ আকষণীয়।
মহাবালেশ্বর এখানকার মন্দিরগুলির মধ্যে অন্য তমো।
এটি একটি জনপ্রিয় হানিমুনের স্থান।
এখানকার বিশুদ্ধ বাতাস, নির্মল পরিবেশ, শান্ত হ্রদ এবং নির্ঝর জলপ্রপাত
শশব্যস্ততা থেকে দূরে এই গন্তব্যটিকে একটি আকর্ষণীয় করে তোলে রেখেছে ।
========================
III>মুম্বাই//
মুম্বাই মহারাষ্ট্রের রাজধানী শহর। এই শহর তার অঢেল সম্পদের কারণে অনেক স্বপ্নকে আকার দিয়েছে তাই একে ‘ভারতের স্বপ্ন নগরী’ বলে অভিহিত করা হয়। এছাড়াও মুম্বাই ভারতের অর্থনৈতিক রাজধানী।
এই শহরের পরিদর্শনযোগ্য স্থানগুলি হল গেটওয়ে অফ ইন্ডিয়া, হ্যাঙ্গিং গার্ডেন, হাজী আলী মসজিদ, মেরিন ড্রাইভ, জুহু সৈকত এবং চৌপাটি। মুম্বাই শহর বলিউডের সদর দপ্তর।
রাত্রি বেলায় নবনির্মিত বান্দ্রা-ওরলি সমুদ্র লিঙ্কের একটি ড্রাইভ একটি চিরবিস্মরণীয়
স্মৃতি প্রদান করে ।
এসেল্ ওয়ার্ল্ড এই দেশের মধ্যে শিশুদের জন্য এক অত্যন্ত আকর্ষণীয় স্থান। শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের প্রবেশমূল্য আলাদা। বরিষ্ঠ নাগরিকদের প্রবেশ মূল্যে বিশেষ ছাড় রয়েছে।
==========
IV>পঞ্চগনি::--
পাঁচটি পাহাড় দ্বারা বেষ্টিত, পঞ্চগনি পৃথিবীর একটি স্বর্গরাজ্য। এই স্থানের পরম সৌন্দর্য এবং চিত্রানুগ পারিপার্শ্বিক লক্ষণীয়। এই শৈল শহর পর্যটকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। পঞ্চগনিতে অনেক সমৃদ্ধ এবং বিখ্যাত ব্যক্তিদের খামার-বাড়ী আছে।
--------------------------------------------------
V>পেঞ্চ জাতীয় উদ্যান::--
দক্ষিণে সাতপুরা পর্বতমালার পাদদেশে বিশাল. এলাকা জুড়ে অবস্থিত এই স্থানটি আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের
এখানে বিভিন্ন বন্যপ্রানী দেখার জন্য একটি উৎকৃষ্ট স্থান। পেঞ্চ জাতীয় উদ্যানে বাঘ, চিতাবাঘ, চিতল সাম্বার, খেঁক হরিণ, নীল গাই, কালো হরিণ, গাউর, বন্য শূকর, চৌসিংহ, আলস্য ভল্লুক, লেঙ্গুর, বানর, ইঁদুর হরিণ, হায়েনা এবং উড়ুক্কু কাঠবিড়ালী দেখা যায়।
=================
VI>পুণে:::---
শহর পুণের সবুজ পাহাড় ও সুন্দর হ্রদ দর্শকদের অবশ্যই মুগ্ধ করে চলেছে।
মহারাষ্ট্রের পুণে শহর
“প্রাচ্যের অক্সফোর্ড” বা “দাক্ষিণাত্যের রানী” হিসেবে সুপরিচিত।
================≠====
VII> নাগপুর::---
নাগপুর--নাগরপুর ভ্রমণের জন্য এক উথকৃষ্ট
জায়গা।
এখানে দেখার আছে -------
*ভোঁসলেদের রাজধানী ছিল নাগপুর।
*ভোঁসলে প্রাসাদ,
*ভোঁসলে ছত্তিশ,
*গান্ধীসাগর,
*গান্ধীবাগ,
*সতী মন্দির,
*সর্বেশ্বরা মন্দির ইত্যাদি।
==============≠≠=======
VIII>মাথেরান::-
NB::--আলাদা করে লেখা আছে
ভারতবর্ষ সকল দেশের সেরা।
ভারতবর্ষ এক মহা মিলন ক্ষেত্র।
এখানে নানান বৈচিত্র তথাপি
এক মহা মিলন ক্ষেত্র।
ভাষা,নানা মত তবুও সকলের মিলন ক্ষেত্র।
তাইতো ভারতের তুলনা
কারো সাথেই নয়।
ভারত তার ত্যাগ তপস্যা দিয়ে
বিশ্ব করেছে জয়।
এই ভারতের এক রাষ্ট্র মহারাষ্ট্র।
কতো ইতিহাসকে বহন করে চলেছে।
যা ওখানে গিয়ে চাক্ষুষ না দেখলে
বিশ্বাস করাই মুশকিল।
প্রথমে বলি মহারাষ্ট্রের গুহাগুলি
যেগুলি না দেখলে এই রাজ্যে ঘোরা
অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।
ভারতের পশ্চিম অংশে অবস্থিত সুন্দর
এই রাষ্ট্রটি ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র ।
এটি দুটি প্রধান ভূমিরূপ নিয়ে গঠিত এবং
একটি অত্যন্ত সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অধিকারী।
যেটি কঙ্কন উপকূলীয় অঞ্চল নামে যার খ্যাতি।
অন্যটি দাক্ষিণাত্য টেবিল মালভূমি।
যেগুলি পরিদর্শন করতে সমগ্র বিশ্বের
মানুষ ছুটে আসে বার বার।
মহারাষ্ট্র ,--
মহারাষ্ট্র ,:::--অন্ধ্র প্রদেশ, ছত্তীসগড়, মধ্যপ্রদেশ, গুজরাট, গোয়া এবং কর্ণাটক দ্বারা বেষ্টিত।
ফলে পর্যটকদের মহারাষ্ট্রের চারপাশথেকে আকর্ষণ করে।
এই রাজ্যের অধিকার রক্ষার জন্য,কত রক্ত- ক্ষয়,বহু ভীতিকর ভংকর যুদ্ধ ঘটেছে, আজ ও ইতিহাস যার সাক্ষ্য বহন করছে।
মুঘলরা বার বার এই রাজ্য কে অধিকার করতে চেষ্টা করেও খুবই কম মুঘল সম্রাট
পেয়েছিলেন সফলতা ।
শিবাজি, মারাঠাদের প্রথম মহান বীর শাসক, যিনি জাতির উত্থানের জন্য এক বীর যোদ্ধার আদর্শ ব্যক্তিত্ব হিসাবে দাঁড়িয়ে আছেন, এমনকি তিনি ব্রিটিশদের চোখের ঘুম কেড়ে নিয়েছিলেন।
বলিউডের খ্যাতি, মহারাষ্ট্রকে পর্যটকদের মধ্যে অন্যতম আকর্ষণীয় করে তুলেছে।
অজন্তা এবং ইলোরা এই রাজ্যের দুটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান যা সর্বদা পর্যটকদের আকর্ষণ করে চলেছে।
আজ থেকে তিন হাজার বছর পূর্বের ধর্ম এবং মানুষের কল্পনার নিদারূণ অঙ্কন এবং ভাস্কর্যগুলি অন্বেষণ ও সাক্ষ্য প্রমাণের জন্য অবশ্যই অজন্তা ভ্রমণ করতে হবে।
মহারাষ্ট্রের পরিদর্শনমূলক স্থান।
এখানকার অসংখ্য গুহা, আকর্ষণীয় শৈলশহর, সুন্দর সমুদ্র সৈকত, প্রচুর বন্যপ্রাণী
অপূর্ব প্রাকিতিক সৌন্দর্য এবং
বলিউড মহারাষ্ট্রকে ভারতের অন্যান্য রাজ্যের থেকে অনন্য করে তুলেছে।
এবার বলেলি মহারাষ্ট্রের ( 7 ) সাত টি
গুহার কথা::--------সংক্ষেপে
I>অজন্তা গুহা
খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের সাক্ষী বহন করে চলেছে এই গুহা। গুহার দেওয়ালে আঁকা ছবি ও খোদাই করা চালচিত্র বৌদ্ধ ধর্মের ইতিহাস বহন করে চলেছে।
এটি একটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে ঘোষণাও করা হয়েছে।
II>ইলোরা গুহা
পাথর কেটে বানানো ইলোরা গুহা প্রাচীন স্থাপত্য কলার এক উল্লেখযোগ্য নিদর্শন।
পঞ্চম থেকে দশম শতাব্দির মধ্যে তৈরি এই গুহাটিকেও ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে ঘোষণা করেছে ইউনেস্কো।
এখানকার স্থাপত্যে হিন্দু, জৈন ও বৌদ্ধদের সংষ্কৃতি মিলেমিশে একাকার।
সবই পাথর কেটে গড়ে তোলা ।
III>কারলা গুহা
লোনাভালা শহরের কাছেই এই গুহাটি অবস্থিত।
দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শতাব্দির মধ্যে এই গুহাচিত্র গড়ে উঠেছিল।
IV>এলিফ্যান্টা গুহা
মুম্বই শহর থেকে মাত্র 11 কিলোমিটার
দূরত্ব এই এলিফ্যান্টা গুহাটি, যেটি
এলিফ্যান্টা দ্বীপে অবস্থিত।
এখানকার দেওয়ালে হিন্দু ও বৌদ্ধ সংষ্কৃতির ছাপ স্পষ্ট ।
মূলত ভগবান শিবকে নিয়ে পৌরাণিক নানা গল্পই গুহার দেওয়ালে বর্ণিত হয়েছে।
ইংরেজ আমলে এই গুহার দেওয়ালের নানা চালচিত্র নষ্ট করে ফেলা হয়েছে।
এলিফ্যান্টা গুহা
মুম্বাই উপকূল থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে আরব সাগরের নিকটবর্তী দ্বীপগুলিতে বহু গুহা রয়েছে। এই গুহা গুলিতে ৪৫০ থেকে ৭৫০ খ্রীস্টাব্দ প্রাচীন প্রভু শিবের মহিমা সম্বলিত নিদারুণ ভাস্কর্য দেখা যায়। বোট-জেটি থেকে নিয়মিত মোটর-বোট গেটওয়ে অফ ইন্ডিয়া থেকে দ্বীপপুঞ্জে নিয়ে যাবে। এই গুহা ইউনেস্কো দ্বারা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে ঘোষিত হয়েছে।
V>বেডসে গুহা
মহারাষ্ট্রের পুণে শহরে অবস্থিত এই গুহাটি।
এটি অতি পুরনো গুহা। খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দিতে এটি গড়ে ওঠে। লোহাগড়, তুঙ্গ, তিকোনা ও বিসাপুরের পরিচিত কেল্লাগুলি এই গুহার পাশেই অবস্থিত।
VI>ঔরঙ্গাবাদ গুহা
ঔরঙ্গাবাদে অবস্থিত এই গুহার সর্বত্র বৌদ্ধ ধর্মের ছাপ স্পষ্ট। অজন্তা-ইলোরার গুহাচিত্রের কাছে এটি ঢাকা পড়ে গেলেও অতীত যুগের সাক্ষী বহন করে চলেছে এই গুহা।
ঔরঙ্গাবাদ
ঔরঙ্গাবাদ শহর বিশেষত অজন্তা এবং ইলোরার ঐতিহ্যমণ্ডিত স্থানগুলির জন্য বিখ্যাত। ২৯-টি পাহাড় কর্তিত গুহার আধিক্য সহ এই গুহা দেশের স্থাপত্য সাফল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসাবে চিহ্নিত। অজন্তার ম্যুরাল চিত্র এবং চিত্রানুগ অবস্থান সহ ইলোরার ভাস্কর্য আপনাকে মুগ্ধ করে তুলবে। এই শহরের নাম মুঘল সম্রাট, ঔরঙ্গজেবের নামে নামাঙ্কিত যিনি দাক্ষিণাত্যের উপর রাজত্ব করার জন্য একে রাজপ্রতিনিধিত্বমূলক রাজধানী হিসাবে তৈরি করেছিলেন। সম্রাট তার মাকে শ্রদ্ধা জানাতে এখানে বিবি-কা-মকবরা নির্মিত করেন। এটি বিখ্যাত তাজমহলের একটি অনুকরণ। পান চাকি এবং দরওয়াজা প্রাচীন কালের অসাধারণ দক্ষ স্থাপত্যের উদাহরণ।
VII>পাণ্ডবলেনি গুহা
নাসিকে অবস্থিত এই গুহাটিও বৌদ্ধ ধর্মের নিদর্শন বহন করে চলেছে। এটির আগের নাম ছিল 'ত্রিরাশমি গুহা'।
এই 7 টি গুহাই দর্শন করেছি
তবে এক সাথে নয় বাড়ে বাড়ে সময় বুঝে
==============================================
3>মহারাষ্ট্রের দর্শনীয় শহরবগুলি
সিরডি // মুম্বাই //এলিফ্যান্টা গুহা//ঔরঙ্গাবাদ//
ঔরঙ্গাবাদ// গণপতিপুলে //পঞ্চগনি //পেঞ্চ জাতীয় উদ্যান// পুনে //নাগপুর ,//মাথেরান//
===================
I>সিরডি:::-আলাদা করে লেখা আছে
---------------------------------------------------
II>মহাবালেশ্বর, লোনাভালা এবং খান্ডালা
মহারাষ্ট্রের শৈলশহরগুলির সৌন্দর্য সত্যই বিশেষ আকষণীয়।
মহাবালেশ্বর এখানকার মন্দিরগুলির মধ্যে অন্য তমো।
এটি একটি জনপ্রিয় হানিমুনের স্থান।
এখানকার বিশুদ্ধ বাতাস, নির্মল পরিবেশ, শান্ত হ্রদ এবং নির্ঝর জলপ্রপাত
শশব্যস্ততা থেকে দূরে এই গন্তব্যটিকে একটি আকর্ষণীয় করে তোলে রেখেছে ।
========================
III>মুম্বাই//
মুম্বাই মহারাষ্ট্রের রাজধানী শহর। এই শহর তার অঢেল সম্পদের কারণে অনেক স্বপ্নকে আকার দিয়েছে তাই একে ‘ভারতের স্বপ্ন নগরী’ বলে অভিহিত করা হয়। এছাড়াও মুম্বাই ভারতের অর্থনৈতিক রাজধানী।
এই শহরের পরিদর্শনযোগ্য স্থানগুলি হল গেটওয়ে অফ ইন্ডিয়া, হ্যাঙ্গিং গার্ডেন, হাজী আলী মসজিদ, মেরিন ড্রাইভ, জুহু সৈকত এবং চৌপাটি। মুম্বাই শহর বলিউডের সদর দপ্তর।
রাত্রি বেলায় নবনির্মিত বান্দ্রা-ওরলি সমুদ্র লিঙ্কের একটি ড্রাইভ একটি চিরবিস্মরণীয়
স্মৃতি প্রদান করে ।
এসেল্ ওয়ার্ল্ড এই দেশের মধ্যে শিশুদের জন্য এক অত্যন্ত আকর্ষণীয় স্থান। শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের প্রবেশমূল্য আলাদা। বরিষ্ঠ নাগরিকদের প্রবেশ মূল্যে বিশেষ ছাড় রয়েছে।
==========
IV>পঞ্চগনি::--
পাঁচটি পাহাড় দ্বারা বেষ্টিত, পঞ্চগনি পৃথিবীর একটি স্বর্গরাজ্য। এই স্থানের পরম সৌন্দর্য এবং চিত্রানুগ পারিপার্শ্বিক লক্ষণীয়। এই শৈল শহর পর্যটকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। পঞ্চগনিতে অনেক সমৃদ্ধ এবং বিখ্যাত ব্যক্তিদের খামার-বাড়ী আছে।
--------------------------------------------------
V>পেঞ্চ জাতীয় উদ্যান::--
দক্ষিণে সাতপুরা পর্বতমালার পাদদেশে বিশাল. এলাকা জুড়ে অবস্থিত এই স্থানটি আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের
এখানে বিভিন্ন বন্যপ্রানী দেখার জন্য একটি উৎকৃষ্ট স্থান। পেঞ্চ জাতীয় উদ্যানে বাঘ, চিতাবাঘ, চিতল সাম্বার, খেঁক হরিণ, নীল গাই, কালো হরিণ, গাউর, বন্য শূকর, চৌসিংহ, আলস্য ভল্লুক, লেঙ্গুর, বানর, ইঁদুর হরিণ, হায়েনা এবং উড়ুক্কু কাঠবিড়ালী দেখা যায়।
=================
VI>পুণে:::---
শহর পুণের সবুজ পাহাড় ও সুন্দর হ্রদ দর্শকদের অবশ্যই মুগ্ধ করে চলেছে।
মহারাষ্ট্রের পুণে শহর
“প্রাচ্যের অক্সফোর্ড” বা “দাক্ষিণাত্যের রানী” হিসেবে সুপরিচিত।
================≠====
VII> নাগপুর::---
নাগপুর--নাগরপুর ভ্রমণের জন্য এক উথকৃষ্ট
জায়গা।
এখানে দেখার আছে -------
*ভোঁসলেদের রাজধানী ছিল নাগপুর।
*ভোঁসলে প্রাসাদ,
*ভোঁসলে ছত্তিশ,
*গান্ধীসাগর,
*গান্ধীবাগ,
*সতী মন্দির,
*সর্বেশ্বরা মন্দির ইত্যাদি।
==============≠≠=======
VIII>মাথেরান::-
NB::--আলাদা করে লেখা আছে
No comments:
Post a Comment