Sunday, March 22, 2020

50>|| কৈলাসনাথ মন্দির,ইলোরা || ++कैलाशनाथ मंदिर "-+--অজন্তা +ইলোরা= বর্ণনা

5>|| কৈলাসনাথ মন্দির,ইলোরা || অজন্তা  +ইলোরা=বর্ণনা 
                  <---©-আদ্যনাথ--->

কৈলাসনাথ মন্দির----ইলোরা


আজ এমন এক মন্দিরের কথা বলছি
যা পৃথিবী তথা সারা বিশ্বে সৌন্দর্য্যের জন্য বিখ্যাত।
আমি বেশ কয়েকবার সুযোগ পেয়েছি এই অজন্তা  ও ইলোরার গুহা দর্শন করার।
যতবার দেখেছি খুব ভালো করেই দেখেছি ,তথাপি মন ভরেনি।
যদি আবার সুযোগ পাই তবে অবশ্যি আবার যাবো।

কৈলাসনাথ মন্দির----

পৃথিবীতে এমন কিছু মন্দির আছে যা  সৌন্দর্য্যের জন্য সারা বিশ্বে পরিচিত
এবং সৌন্দর্যের আড়ালে অনেক রহস্য লুকিয়ে আছে ।
অজন্তা ,ইলোরার কত কিছু আমরা ইতিহাসে পড়েছি। আমরা অনেকেই হয়তো  এমন বিখ্যাত
গুহা দর্শন ও করেছি।
যদিও আমরা অজন্তা ,ইলোরা একসাথেই বলি কিন্তু এই দুটি গুহার মধ্যে দূরত্ব প্রায় 100 km
বাই রোড বা বাই ট্রেন দুই ভাবেই যাওয়া যায়।
অজন্তার মোট গুহা আছে মোটামুটি 30 টি
ইলোরায় গুহা আছে 34 টি ( 1 থেকে 12 নম্বর পর্যন্ত বৌদ্ধ ধর্মের আদর্শে তৈরী  এবং 13 থেকে 29 পর্যন্ত হিন্দু দের মন্দির আর 30 থেকে 34 নম্বর গুহা জৈন গুহা।  )

ইলোরা থেকে 25km Aurangabad
AURANGA BAD  to JALGAON 128 KM
JALGAON TO AJANTA CAVE 84 KM


ELLORA TO AURANGABAD 270 KM
AURANGABAD TO BHUSAVAL JN 50 KM
BHUSAVAL JN TO AJANTA CAVE BY ROAD 50 KM


কৈলাসনাথ মন্দির-
এই কৈলাসনাথ মন্দির-অর্থাৎইলোরা গুহার  16 নম্বর গুহা। এই  মন্দিরটি মহারাষ্টের ঔরঙ্গাবাদ জেলায় প্রসিদ্ধি ইলোরা গুহার মধ্যে অবস্থিত। ইলোরা গুহাকে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন গুহা বলে মনে করা হয়।
এখানে পাথর কেটে 34 টি গুহা এবং একটি রহস্যময় প্রাচীন হিন্দু মন্দির বানানো হয়েছে যার নাম কৈলাসনাথ মন্দির ।এই মন্দিরটি বানানো হয়েছে একটি মাত্র পাহাড়কে কেটে তাও আবার উপরের থেকে নিচের দিকে কেটে।   যা খুবই কঠিন এবং জটিল।
ভারতের তৃতীয় আশ্চর্য অনুপম ভাস্কর্যের ইলোরা গুহা।
ইলোরার গুহাগুলি পশ্চিমমুখী ,তাই বিকেলেও যথেষ্ট আলোকিত হয় গুহাগুলি।
অনুমান করাহয় এর নির্মাণ কার্য শুরু হয় ছয় শতকের মধ্য ভাগে ,চলেছিলো 500 বছর।
ব্যাসাল্ট পাথর কেটে তৈরী গুহা গুলি উত্তর থেকে দক্ষিণে 2 km  বৃস্তিত। 34 টি গুহা হিন্দু , বৌদ্ধ
ও জৈন ধর্মের সমন্বয়ে গঠিত।
গুহা গুলি 1 থেকে  12 নম্বর পর্যন্ত বৌদ্ধ গুহা।  13 থেকে   29 পর্যন্ত হিন্দু গুহা।  30 থেকে 34 পর্যন্ত
জৈন গুহা।
স্থাপত্য ,ভাস্কর্য আর গঠন সৌষ্ঠবে অভিনব 16 নম্বর তথা কৈলাশ গুহা।
এই কৈলাশ গুহা থেকেই ইলোরার দর্শন শুরু।
কৈলাশ গুহা দেখে বেরিয়ে এসে ডান  দিকে  17 থেকে  34 নম্বর গুহা দেখে ফিরেআসতে হয়
কৈলাশ গুহায়। এবারে বা দিকে 15 থেকে 1 নম্বর গুহা। 25 আর  26 নম্বর গুহার মাঝখানে
পাহাড়ের ঢাল দিয়ে নদী নামছে জলপ্রপাতের মতন।

এখানকার কৈলাশ নাথ  মন্দিরের  স্তম্ভ এবং কলাকৃতি দেখে  অনুমান করা হয়  এই মন্দির  বানাতে প্রচুর পরিমাণ পাথর কেটে সরাতে হয়েছে। আজ পর্যন্ত কেউ সঠিক অনুমান করতে পারিনি যে এই মন্দির কত বছরের পুরনো। এটিকে শুধুমাত্র একটি পাহাড় কেটে বানানো হয়েছে আর পাহাড়ের বয়স এবং মন্দিরের বয়সের মধ্যে তফাৎ থাকাটা স্বাভাবিক।
 কারণ পাহাড় কোটি বছরের পুরোনো হতে পারে এবং পরে সেই পাহাড় কেটে মন্দির নির্মাণের কাজ কয়েক হাজার বছর পরই শুরু করা হয়েছে বলে মনে করা হয়।

আর্কিওলজিক্যাল এবং জিওলজিস্টরা পরীক্ষা করে জানিয়েছে যে এটি কোন সাধারণ মন্দির নয়, এই মন্দিরে নিচে আছে ভূমিগত গুহা। যেখানে যাওয়ার রাস্তা সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ করা আছে এই দরজার পেছনে আছে এমন সুরঙ্গ যা পৌঁছে গেছে  এক ভূগর্ভস্থ শহরে।
আর্কিওলজিস্টরা বলছেন একটি মাত্র পাথর কেটে এই ধরনের মন্দির বানানোর জন্য প্রায় 4 লাখ টন পাথর কেটে সরাতে হবে, ইতিহাস বলছে কৈলাস মন্দির বানানোর জন্য কেবলমাত্র 18 বছর সময় লেগেছিল যা সত্যি অসম্ভব।

অনেকের ধারণা এই মন্দির বানানোর জন্য শ্রমিকরা প্রতিদিন 12 ঘণ্টা কাজ করেছে তাহলে 18 বছরে মধ্যে চার লাখ টন পাথর কেটে সরানো সহজ ব্যাপার নয়।

তাদের প্রতি বছর প্রায় 22 হাজার 222 টন পাথর কেটে সরাতে হয়েছে যার মানে হচ্ছে 60 টন পাথরকে রোজ এবং 5 টন পাথরকে প্রতি ঘন্টায় এখান থেকে কেটে সরানো হয়েছে, এতো হল শুধুমাত্র পাথরগুলি কেটে সরানোর অনুমান।
 এরপর রয়েছে এই মন্দিরে কলাকৃতি এবং ভাস্কর্য । মন্দিরের ভেতরের ভবনগুলি বানাতে কতটা সময় লেগেছে এই রহস্য, কৈলাস মন্দিরকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে।

আজ থেকে কয়েক হাজার বছর আগে যখন আজকের মতো আধুনিক উপকরণ ছিল না তখন শুধুমাত্র পাথরের কিছু যন্ত্রপাতির সাহায্যে এই ধরনের মন্দির তৈরি করা সত্যি একটি অবিশ্বাস্য বিষয়।
সবচেয়ে রোমাঞ্চকর ব্যাপারটি হল পাহাড় কেটে যে পাথরগুলি বার করা হয়েছিল তার অবশেষ এই মন্দিরের আশেপাশে এমনকি কয়েক শো মাইলের মধ্যেও খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এখন প্রশ্ন হল, সেই সময়ে যখন কোন বড় ক্রেনের মত যন্ত্র এবং উন্নত প্রযুক্তি ছিল না, সেই সময় এত পরিমান পাথর কি করে কাটা সম্ভব হয়েছিল এবং মন্দির স্থল থেকে কি করেই বা সরানো হয়েছিল।

এই মন্দিরে বৃষ্টির জল সংরক্ষণের জন্য ভূমিগত নালার ব্যবস্থাও দেখা যায়, এই মন্দিরে ছাদ, সিরি এবং থাম এত নিখুত ভাবে তৈরি করা হয়েছিল যা দেখে এটি মানব দ্বারা নির্মিত বলে সন্দেহ হয়।

এই মন্দিরটিকে উপর থেকে নিচের দিকে কেটে বানানো হয়েছিল এর থেকে পরিষ্কার প্রমানিত হয় যে মন্দিরটিকে তৈরি করার আগে খুব ভালভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
এমন কথাও জানাজায় যে 1682 সালে তৎকালীন রাজা আওরঙ্গজেব হাজার জন সৈনিকের একটি দল পাঠিয়েছিল এই মন্দিরটিকে পুরোপুরি ভেঙে নষ্ট করে দেয়ার জন্য। এই হাজার জন সৈনিক প্রায় তিন বছর ধরে এই মন্দিরটিকে ভাঙার চেষ্টা চালিয়ে যায় তবুও তারা এই মন্দিরটিকে পুরোপুরি নষ্ট করতে পারিনি।
 যখন ঔরঙ্গজেব বুঝতে পারেন যে মন্দিরটিকে নষ্ট করা প্রায় অসম্ভব তখন তিনি মন্দিরটিকে নষ্ট করার কাজ বন্ধ করে দেন।

এখন একটি প্রশ্ন যদি কোন মানুষ এই মন্দিরটি নষ্ট না করতে পারে তাহলে কি সত্যি এই মন্দির কোনো মানুষ দ্বারা নির্মিত? আজকের সময় এই ধরনের মন্দির বানানোর জন্য হাজার ড্রইং, কয়েক শ কম্পিউটার এবং অনেক ছোট ছোট মডেল বানিয়ে এর পরিকল্পনা করতে হবে কিন্তু সেই সময় এই সমস্ত প্রযুক্তি ছাড়াই এই কাজটি কি করে করা সম্ভব হলো। এখনো এই প্রশ্নের কোনো উত্তর নেই।
আজকের সমস্ত আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেও এই ধরনের দ্বিতীয় আরোকটি মন্দির বানানো প্রায় অসম্ভব।
এই সকল কারনেই মনে করা হয় এই মন্দিরের নির্মাণ এলিয়ন প্রযুক্তিতে করা হয়েছিল।

 আজও সকলের একটাই প্রশ্ন এই মন্দিরের নির্মাণ সত্যিই কোন এলিয়ন প্রযুক্তিতে করা হয়েছিল নাকি আমাদের পূর্বপুরুষের কাছে এমন উন্নত প্রযুক্তি ছিল যা আজকের যুগে আমরা কল্পনাই করতে পারি না। এই মন্দিরের দর্শনের সময় সূর্য উদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
সত্যিই, রহস্যময় পৃথিবীতে প্রাকৃতিক বা অ-প্রাকৃতিক রহস্যের সীমা নেই।

          <--©----আদ্য নাথ রায় চৌধুরী--->
                       মহারাষ্ট, ঔরঙ্গাবাদ
                         18/06/1969

===========================

कैलाशनाथ मंदिर "---------

कैलाश मन्दिर, एलोरा, औरंगाबाद महाराष्ट्र।

यह मन्दिर द्रविड़ शैली में बनाया गया है। यहां भगवान शिव नंदी सहित विरजमान हैं, तथा भगवान शिव की लगभग सभी मुद्राओं को मन्दिर में दर्शाया गया है ।

विजयनगर साम्राज्य की सिर्फ एक बानगी है जो अद्भुत ,अद्वित्य और अप्रतिम है।

यह मन्दिर राष्ट्रकूट राजाओं के वंशजों ने बनाया। मन्दिर को बनाये जाने में लगभग 200 वर्ष का समय लगा। जिस तरह से पर्वत को काटकर चौक, परकोटे, खम्भे, मूर्तियां व बहुमंजिला गर्भगृह बनाया गया है, वह आश्चर्यजनक है।

मन्दिर में दर्शन का समय:
मन्दिर में दर्शन सूर्य उदय से सूर्य अस्त तक किए जा सकते हैं।

आज से 1400 साल पहले ... 200 साल तक 10 पीढ़ियों ने पहाड़ को उपर से नीचे की तरफ तराश कर बनाया गया यह " कैलाशनाथ मंदिर " .... भारतीय शिल्प कला का अद्भुत नमूना है .. संपूर्ण हिन्दू पौराणिक कथाओं के शिल्प है ... विष्णु अवतार , महादेव से लेकर रामायण महाभारत भी ... मूर्तियों के रूप में दर्शाया है ...
वो भी 1400 साल पहले ........

महाराष्ट्र के औरंगाबाद जिले में एलोरा की गुफाएं हैं। इनमें 16 नम्बर की गुफा में शिव मन्दिर है, जिसे कैलाश मन्दिर के नाम से जाना जाता है। माना जाता है कि सम्पूर्ण विश्व में एक पत्थर को काटकर बनाया गया यह सबसे बड़ा मन्दिर है। दो तल में बना यह मंदिर लगभग 276 फीट लम्बा, 154 फीट चौड़ा तथा 90 फीट ऊँचा है।

               <--©--आद्यनाथ राय चौधुरी-->
                        औरंगाबाद महाराष्ट्र
                         18/06/1969
- - - - - - - - - - - - - - -
           TOUR  ( 5 )----------END
========================================================
I>অজন্তা গুহা

খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের সাক্ষী বহন করে চলেছে এই গুহা। গুহার দেওয়ালে আঁকা ছবি ও খোদাই করা চালচিত্র বৌদ্ধ ধর্মের  ইতিহাস বহন করে চলেছে।
এটি একটি ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে ঘোষণাও করা হয়েছে।

গাইডের কথা ------
সহ্যাদ্রি পাহাড়ের কোলে বাকাতক রাজাদের কালে খ্রিপূঃ 200 থেকে খ্রিস্টোত্তর  650– এই সময় ধরে গড়ে ওঠে 29টি বৌদ্ধগুহা মন্দির। এদের মধ্যে পাঁচটি, 9, 10, 19, 26 ও 29 নম্বর গুহা চৈত্য অর্থাৎ ছোট্টো ভজনালয় এবং বাকি 24 টি মন্যাস্টেরি বা বিহার, সন্ন্যাসীদের বাসের জন্য ছোট ছোট ঘর।
দেওয়ালচিত্র ও ভাস্কর্যের এমন অপূর্ব সমন্বয় যা দেখে মনে একটাই চিন্তা হচ্ছিল যে সে প্রাচীন কালের মানুষ কতো পরিশ্রম ও একাগ্রতা নিয়ে তৈরি করে ছিলো এমন সব আশ্চর্য জনক সব নিদর্শন যা দেখে আজ আমরা ধন্য হলাম।
মনের স্বাদ মিটিয়ে দিন ভর অজন্তা গুহা দেখলাম।
বিকেলের দিকে আধ ঘণ্টা চড়াই ভেঙে
ভিউ পয়েন্টে গিয়েছিলাম । ওপর থেকে সুন্দর লাগে পুরো অজন্তা ও তার চার পাশ।
এখান থেকে সূর্যাস্তও অতি মনোরম দৃশ্য।
কুলকুল করে বয়ে চলেছে ছিপছিপে বাঘোড়া। তারই তীরে গড়ে ওঠা এই গুহা।

II>ইলোরা গুহা

পাথর কেটে বানানো ইলোরা গুহা প্রাচীন স্থাপত্য কলার এক উল্লেখযোগ্য নিদর্শন।
পঞ্চম থেকে দশম শতাব্দির মধ্যে তৈরি এই গুহাটিকেও ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসাবে ঘোষণা করেছে ইউনেস্কো।
এখানকার স্থাপত্যে হিন্দু, জৈন ও বৌদ্ধদের সংষ্কৃতি মিলেমিশে একাকার।
সবই পাথর কেটে গড়ে তোলা ।

আওরঙ্গাবাদ থেকে ইলোরা 30 কিমি।
পৌঁছে গেলাম ইলোরা।
অর্ধচন্দ্রাকারে দাঁড়িয়ে থাকা ভারতের তৃতীয় আশ্চর্য অনুপম ভাস্কর্যের ইলোরা গুহা।
আমাদের গাইডের কথা ------
ইলোরার গুহাগুলি পশ্চিমমুখী, তাই পড়ন্ত দুপুর তথা বিকেলে যথেষ্ট আলোকিত হয় গুহাগুলি। অনুমান করা হয়, এর নির্মাণকাজ শুরু হয় ছয় শতকের মধ্যভাগে, চলেছিল
500 বছর ধরে। ব্যাসল্ট রক কেটে তৈরি এই গুহাগুলি উত্তর থেকে দক্ষিণে 2 কিমি ধরে বিস্তৃত। গুহামন্দিরের সংখ্যা 34 টি।
হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের সমন্বয় ঘটেছে এই গুহা গুলিতে। 1 থেকে 12 নম্বর বৌদ্ধ গুহা, 13 থেকে 29 হিন্দু গুহা এবং 30 থেকে 34 জৈন গুহা।
স্থাপত্য, ভাস্কর্য আর গঠন সৌন্দর্যে  অভিনব 16 নম্বর গুহা তথা কৈলাস গুহা।
এই কৈলাস গুহা থেকেই ইলোরা দর্শন শুরু করতে হয়। সত্যি এমন জিনিষ না দেখলে মনে হয় জীবনটাই বৃথা।
কৈলাস গুহা থেকে বেরিয়ে এসে ডান হাতে 17 থেকে 34 নম্বর গুহা দেখে আবার ফিরে এসে ছিলাম কৈলাস গুহায়।
তারপরে গিয়েছিলাম বাঁ দিকে 15 থেকে 1 নম্বর গুহা দেখতে। 25 ও 26 নম্বর গুহার মাঝখানে পাহাড়ের ঢাল দিয়ে নদী নামছে জলপ্রপাতের মত।

ইলোরাও ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগের তত্বাবধানে এবং 10 টাকা করে টিকিট ।
গেটে ঢোকার পর আরও বেশ কিছুটা পাহাড়ের ওপর উঠে প্রথম দেখার জায়গা।
ইলোরার গুহা।
এখানে ইলোরায় সবমিলিয়ে যা দেখার আছে, তার জন্য এখানে একদিন থাকলে ভালো হয় । ইলোরার গুহার কাছেই মহারাষ্ট্র ট্যুরিজম এর থাকার ব্যবস্থা আছে, চাইলে এখানে থাকা যেতে পারে ।

তবে এখানে এক শত গুহা আছে।
ইলোরার গুহায় ইন্দ্রের মূর্তিইলোরার প্রধান বৈশিষ্ট্য এই গুহাগুলো সম্পূর্ণভাবেই পাহাড় কেটে তৈরি করা । আজ থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর আগে আমাদের দেশের শিল্পকীর্তি যে কোন পর্যায়ে পৌঁছেছিল, সেটা আমরা ছোটোবেলায় ইতিহাস বইতে অনেকবার পড়েছি । কিন্তু সেগুলো নিজের চোখে দেখার অভিজ্ঞতাই আলাদা । ডিনামাইট বা কোনওরকম বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের সাহায্য ছাড়া শুধুমাত্র ছেনি আর হাতুড়ির সাহায্যে এত নিপুনভাবে পাহাড় কেটে তৈরি এই গুহা এবং সেইসঙ্গে সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম মূর্তি এবং কারুকার্যের কথা ভাবতেই অবাক লাগে।
দেবদেবী মানুষ পশুপাখি গাছপালা কি নেই সেই কারুকার্যের মধ্যে ! তখনকার দিনের মানুষের জীবনযাত্রা, ব্যবহারের সামগ্রী সবকিছুরই নিখুঁত ভাবে তৈরি করা রয়েছে এই কারুকার্যের মধ্যে । এছাড়া রয়েছে গুহার দেওয়ালে আঁকা ছবি । ছবিতে রঙের ব্যবহার বিশেষ প্রশংসার দাবী রাখে ।
একজন গাইড নিলে অনেক কিছুই জানাজায়।
সেই ইকো সাউন্ড এর পিলার।
উপাসনাগৃহ । ঘরটা বেশ বড়,
এই ঘরে এমন ব্যবস্থা করা আছে যে ঘরের কেন্দ্রস্থলে বসে না চেঁচিয়ে কথা বললেও ঘরের সবাই সেটা শুনতে পাওয়া যায় ।
গুহা গুলি দেখার পরে ইলোরার অন্যতম প্রধান আকর্ষণ – কৈলাস মন্দির ।
কৈলাস মন্দিরঅষ্টম শতকে রাষ্ট্রকূট বংশের রাজত্বকালে তৈরি হয় এই কৈলাস মন্দির । এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এটা একটা পাথর কেটে তৈরি করা । মন্দিরটা দৈর্ঘ্যে ও প্রস্থে বেশ বড় ।
প্রধান মন্দিরটা দোতলা – দোতলাতেই মন্দিরের সামনে একটা চাতাল আর তারও সামনে একটা জায়গা যেখান থেকে অনেকটা জায়গা দেখা যায় । মন্দিরটা ঘিরে একটা বেশি বড় চাতাল আছে আর তাকে ঘিরে আবার আরেকদফা বারান্দার মতো । বড় চাতালটায় হাতির মূর্তি, ওবেলিস্ক-এর মতো বিশাল স্তম্ভ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য ।


No comments:

Post a Comment