45>| নাগপুর,ভুশওয়াল,অজন্তা,ইলোরা,আওরঙ্গাবাদ।
( 5 দিনের ভ্রমণ )==06/06/1979 to 10/06/1979
( 5 দিনের ভ্রমণ )==06/06/1979 to 10/06/1979
নাগরপুরে থাকার সময়ে একদিন মনে হলো
যাই একটু অজন্তা,ইলোরা ঘুরে আসি।
তিনজনকে সাথী পেলাম ফলে একটু সুবিধা হলো।
যাই একটু অজন্তা,ইলোরা ঘুরে আসি।
তিনজনকে সাথী পেলাম ফলে একটু সুবিধা হলো।
বেরিয়ে পরলাম দুই দিনের ভ্রমণে।
প্রথম দিন----
নাগপুর থেকে ট্রেনে পৌঁছে গেলাম ভুশওয়াল। মোটা মুটি 390km ।
নাগপুর থেকে ট্রেনে পৌঁছে গেলাম ভুশওয়াল। মোটা মুটি 390km ।
ভুশওয়াল থেকে গাড়ি ভাড়া করে পৌঁছলাম
অজন্তা টি জংশনে । ভুশওয়াল থেকে অজন্তা, 71 কিমি।
এখন থেকে ব্যাটারি চালিত গাড়িতে অজন্তা গুহায় পৌঁছলাম।কারণ এক ঘন্টা সময় ছিলো
তাই ওই একঘন্টা একটু ঘুরে আবার টি জংশনে ফিরে আসলাম।
অজন্তা টি জংশনে । ভুশওয়াল থেকে অজন্তা, 71 কিমি।
এখন থেকে ব্যাটারি চালিত গাড়িতে অজন্তা গুহায় পৌঁছলাম।কারণ এক ঘন্টা সময় ছিলো
তাই ওই একঘন্টা একটু ঘুরে আবার টি জংশনে ফিরে আসলাম।
একটি হোটেলে উঠলাম
N==রাত্রিবাস অজন্তা।
(এখানে হোটেলে দুই রাত্রি থেকে ছিলাম।)
N==রাত্রিবাস অজন্তা।
(এখানে হোটেলে দুই রাত্রি থেকে ছিলাম।)
আমাদের পরবর্তী প্ল্যান -----
অজন্তা ভালকরে দেখে তার পরে যেতে হবে
আওরঙ্গাবাদ।
আওরঙ্গাবাদ যেতে হবে গাড়ি ভাড়া করে।
অজন্তা ভালকরে দেখে তার পরে যেতে হবে
আওরঙ্গাবাদ।
আওরঙ্গাবাদ যেতে হবে গাড়ি ভাড়া করে।
আওরঙ্গাবাদ ঘুরতে হবে গাড়ি বা অটো ভাড়া করে।
এমনকি অটো ভাড়া করে চলে যাওয়া যায় ইলোরা।
সেই অটোকে বলে রাখলে সে পরের দিন এসে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।))
এমনকি অটো ভাড়া করে চলে যাওয়া যায় ইলোরা।
সেই অটোকে বলে রাখলে সে পরের দিন এসে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে।))
আমরা অজন্তায় থাকলাম। কারণ সকালে ধীরেসুস্থে অজন্তা দেখবার ইচ্ছা ছিল।
পরের দিন মনের স্বাদ মিটিয়ে দিন ভর অজন্তা গুহা দেখলাম।
পরের দিন মনের স্বাদ মিটিয়ে দিন ভর অজন্তা গুহা দেখলাম।
বিকেলের দিকে আধ ঘণ্টা চড়াই ভেঙে
ভিউ পয়েন্টে গিয়েছিলাম । ওপর থেকে সুন্দর লাগে পুরো অজন্তা ও তার চার পাশ।
এখান থেকে সূর্যাস্তও অতি মনোরম দৃশ্য।
ভিউ পয়েন্টে গিয়েছিলাম । ওপর থেকে সুন্দর লাগে পুরো অজন্তা ও তার চার পাশ।
এখান থেকে সূর্যাস্তও অতি মনোরম দৃশ্য।
কুলকুল করে বয়ে চলেছে ছিপছিপে বাঘোড়া। তারই তীরে গড়ে ওঠা এই গুহা।
গাইডের কথা ------
সহ্যাদ্রি পাহাড়ের কোলে বাকাতক রাজাদের কালে খ্রিপূঃ 200 থেকে খ্রিস্টোত্তর 650– এই সময় ধরে গড়ে ওঠে 29টি বৌদ্ধগুহা মন্দির। এদের মধ্যে পাঁচটি, 9, 10, 19, 26 ও 29 নম্বর গুহা চৈত্য অর্থাৎ ছোট্টো ভজনালয় এবং বাকি 24 টি মন্যাস্টেরি বা বিহার, সন্ন্যাসীদের বাসের জন্য ছোট ছোট ঘর।
দেওয়ালচিত্র ও ভাস্কর্যের এমন অপূর্ব সমন্বয় যা দেখে মনে একটাই চিন্তা হচ্ছিল যে সে প্রাচীন কালের মানুষ কতো পরিশ্রম ও একাগ্রতা নিয়ে তৈরি করে ছিলো এমন সব আশ্চর্য জনক সব নিদর্শন যা দেখে আজ আমরা ধন্য হলাম।
গাইডের কথা ------
সহ্যাদ্রি পাহাড়ের কোলে বাকাতক রাজাদের কালে খ্রিপূঃ 200 থেকে খ্রিস্টোত্তর 650– এই সময় ধরে গড়ে ওঠে 29টি বৌদ্ধগুহা মন্দির। এদের মধ্যে পাঁচটি, 9, 10, 19, 26 ও 29 নম্বর গুহা চৈত্য অর্থাৎ ছোট্টো ভজনালয় এবং বাকি 24 টি মন্যাস্টেরি বা বিহার, সন্ন্যাসীদের বাসের জন্য ছোট ছোট ঘর।
দেওয়ালচিত্র ও ভাস্কর্যের এমন অপূর্ব সমন্বয় যা দেখে মনে একটাই চিন্তা হচ্ছিল যে সে প্রাচীন কালের মানুষ কতো পরিশ্রম ও একাগ্রতা নিয়ে তৈরি করে ছিলো এমন সব আশ্চর্য জনক সব নিদর্শন যা দেখে আজ আমরা ধন্য হলাম।
N==>রাত্রিবাস অজন্তা।
2=>দ্বিতীয় দিন – সকালে রওনা দিলাম আওরঙ্গাবাদ, 101 কিমি।
দুপুরের খাবার খেয়ে,
দেখলাম আওরঙ্গাবাদের 10 টি গুহা। তারপরে তাজমহলের অনুকরণে তৈরি
বিবি কা মকবরা,
পানি চাক্কি ও তারই চত্বরে আওরঙ্গজেবের সুফি ধর্মগুরু বাবা শাহর সমাধি তথা দরগা।
এই সকল দেখতে দেখতে সন্ধ্যা হয়ে গেল
আমরা একটি হোটেলে উঠলাম।
দুপুরের খাবার খেয়ে,
দেখলাম আওরঙ্গাবাদের 10 টি গুহা। তারপরে তাজমহলের অনুকরণে তৈরি
বিবি কা মকবরা,
পানি চাক্কি ও তারই চত্বরে আওরঙ্গজেবের সুফি ধর্মগুরু বাবা শাহর সমাধি তথা দরগা।
এই সকল দেখতে দেখতে সন্ধ্যা হয়ে গেল
আমরা একটি হোটেলে উঠলাম।
ঔরঙ্গাবাদ শহর বিশেষত অজন্তা এবং ইলোরার ঐতিহ্যমণ্ডিত স্থানগুলির জন্য বিখ্যাত। 29-টি পাহাড় কর্তিত গুহার আধিক্য সহ এই গুহা দেশের স্থাপত্য সাফল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হিসাবে চিহ্নিত। অজন্তার চিত্র সহ ইলোরার ভাস্কর্য সত্যি মুগ্ধ করে। এই শহরের নাম মুঘল সম্রাট, ঔরঙ্গজেবের নামে নামাঙ্কিত যিনি দাক্ষিণাত্যের উপর রাজত্ব করার জন্য একে রাজপ্রতিনিধিত্বমূলক রাজধানী হিসাবে তৈরি করেছিলেন। সম্রাট তার মাকে শ্রদ্ধা জানাতে এখানে বিবি-কা-মকবরা নির্মিত করেন। এটি বিখ্যাত তাজমহলের একটি অনুকরণ। পান চাকি এবং দরওয়াজা প্রাচীন কালের অসাধারণ দক্ষ স্থাপত্যের উদাহরণ।
N==>রাত্রিবাস আওরঙ্গাবাদ।
3=>তৃতীয় দিন –আজকের গন্তব্য ইলোরা,
আওরঙ্গাবাদ থেকে ইলোরা 30 কিমি। পৌঁছে গেলাম ইলোরা।
অর্ধচন্দ্রাকারে দাঁড়িয়ে থাকা ভারতের তৃতীয় আশ্চর্য অনুপম ভাস্কর্যের ইলোরা গুহা।
আওরঙ্গাবাদ থেকে ইলোরা 30 কিমি। পৌঁছে গেলাম ইলোরা।
অর্ধচন্দ্রাকারে দাঁড়িয়ে থাকা ভারতের তৃতীয় আশ্চর্য অনুপম ভাস্কর্যের ইলোরা গুহা।
আমাদের গাইডের কথা ------
ইলোরার গুহাগুলি পশ্চিমমুখী, তাই পড়ন্ত দুপুর তথা বিকেলে যথেষ্ট আলোকিত হয় গুহাগুলি। অনুমান করা হয়, এর নির্মাণকাজ শুরু হয় ছয় শতকের মধ্যভাগে, চলেছিল
500 বছর ধরে। ব্যাসল্ট রক কেটে তৈরি এই গুহাগুলি উত্তর থেকে দক্ষিণে 2 কিমি ধরে বিস্তৃত। গুহামন্দিরের সংখ্যা 34 টি।
হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের সমন্বয় ঘটেছে এই গুহা গুলিতে। 1 থেকে 12 নম্বর বৌদ্ধ গুহা, 13 থেকে 29 হিন্দু গুহা এবং 30 থেকে 34 জৈন গুহা।
স্থাপত্য, ভাস্কর্য আর গঠন সৌন্দর্যে অভিনব 16 নম্বর গুহা তথা কৈলাস গুহা।
ইলোরার গুহাগুলি পশ্চিমমুখী, তাই পড়ন্ত দুপুর তথা বিকেলে যথেষ্ট আলোকিত হয় গুহাগুলি। অনুমান করা হয়, এর নির্মাণকাজ শুরু হয় ছয় শতকের মধ্যভাগে, চলেছিল
500 বছর ধরে। ব্যাসল্ট রক কেটে তৈরি এই গুহাগুলি উত্তর থেকে দক্ষিণে 2 কিমি ধরে বিস্তৃত। গুহামন্দিরের সংখ্যা 34 টি।
হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মের সমন্বয় ঘটেছে এই গুহা গুলিতে। 1 থেকে 12 নম্বর বৌদ্ধ গুহা, 13 থেকে 29 হিন্দু গুহা এবং 30 থেকে 34 জৈন গুহা।
স্থাপত্য, ভাস্কর্য আর গঠন সৌন্দর্যে অভিনব 16 নম্বর গুহা তথা কৈলাস গুহা।
এই কৈলাস গুহা থেকেই ইলোরা দর্শন শুরু করতে হয়। সত্যি এমন জিনিষ না দেখলে মনে হয় জীবনটাই বৃথা।
কৈলাস গুহা থেকে বেরিয়ে এসে ডান হাতে 17 থেকে 34 নম্বর গুহা দেখে আবার ফিরে এসে ছিলাম কৈলাস গুহায়।
তারপরে গিয়েছিলাম বাঁ দিকে 15 থেকে 1 নম্বর গুহা দেখতে। 25 ও 26 নম্বর গুহার মাঝখানে পাহাড়ের ঢাল দিয়ে নদী নামছে জলপ্রপাতের মতো।
তারপরে গিয়েছিলাম বাঁ দিকে 15 থেকে 1 নম্বর গুহা দেখতে। 25 ও 26 নম্বর গুহার মাঝখানে পাহাড়ের ঢাল দিয়ে নদী নামছে জলপ্রপাতের মতো।
N= রাত্রি বাস ইলোরায়।
4=>চোথূর্থ দিন – আবার এগিয়ে চলা ইলোরা গুহা থেকে 1 কিমি দূরে
দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম গৃষনেশ্বর দর্শনের পরে আবার ফিরে আসলাম আওরঙ্গাবাদ।
এখানে 5 কিলোমিটার দূরে দেখলাম আওরঙ্গজেবের সমাধি খুলদাবাদ তার পর 9 কিলোমিটার দূরের দেবগিরি তথা দৌলতাবাদ ফোর্ট ।
তারপরে ফিরে গেলাম আওরঙ্গাবাদ।
দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম গৃষনেশ্বর দর্শনের পরে আবার ফিরে আসলাম আওরঙ্গাবাদ।
এখানে 5 কিলোমিটার দূরে দেখলাম আওরঙ্গজেবের সমাধি খুলদাবাদ তার পর 9 কিলোমিটার দূরের দেবগিরি তথা দৌলতাবাদ ফোর্ট ।
তারপরে ফিরে গেলাম আওরঙ্গাবাদ।
আমরা রাত্রেই পেয়েগেলাম ট্রেন
5=>পঞ্চম দিন --
ফিরে আসলাম নাগরপুরে।
ফিরে আসলাম নাগরপুরে।
কিছু জরুরী খবর ------
1) সোমবার ও জাতীয় ছুটির দিন অজন্তা বন্ধ থাকে।
আর ইলোরা গুহা মঙ্গলবার ও জাতীয় ছুটির দিন ইলোরা বন্ধ থাকে।
আর ইলোরা গুহা মঙ্গলবার ও জাতীয় ছুটির দিন ইলোরা বন্ধ থাকে।
অজন্তা গুহা খোলার সময় সকাল 9 টা থেকে বিকেল সাড়ে 5 টা পর্যন্ত।
আর ইলোরা গুহা খোলা সকাল 6 টা থেকে
সন্ধে 6 টা পর্যন্ত।
আর ইলোরা গুহা খোলা সকাল 6 টা থেকে
সন্ধে 6 টা পর্যন্ত।
অজন্তা গুহা দেখার জন্য ডুলি ও চেয়ার মেলে। এখানে বৈদ্যুতিক আলো ভাড়া পাওয়াযায় গুহা গুলি ভালো করে দেখার জন্য।
=======================
No comments:
Post a Comment