13>ভ্রমন=মায়াপুর-ইস্কন মন্দির*
<---©-আদ্যনাথ--->
13/05/2017 ---14/05/2017
ঘুরে এলাম মায়াপুর ,নবদ্বীপ।
আমরা পাঁচ জন মানে আমি, সবিতা কুট্টিদা (সবিতার দাদা), ছোট গিন্নি( বউদি, কুট্টিদা স্ত্রী),রাশি(কুট্টিদা মেয়ে)
13/05/2017 সকালে কৃষ্ণনগর লোকাল ধরে
পৌঁছে গেলাম কৃষ্ণনগর।
সেখান থেকে ছোট চরচাকার গাড়িতে
₹150/-টাকা ভাড়া দিয়ে পৌঁছে গেলাম ইস্কন মন্দির দুপুর 11টায়।
মন্দিরে গিয়েই গদা ভবনে গিয়ে আগে একটি ঘর ভাড়া করলাম ₹1600/-টাকায়।
আমরা 5জন ছিলাম তাই একটু বড় ঘর নিলাম
"ইসদ্যান ভবন"। 12×14দুটি রুমে চারটি সিঙ্গেল বেড দুটি এক্সট্রা গদি।
ঝকঝকে রুম ওয়েল ফার্ণিশড লেট্রিন/ বাথ
24ঘন্টা ঠান্ডা ও গরম জল।
রুমে গিয়ে স্নান সেরে একটার সময় খাবারের ঘরে গেলাম ।খাবারের এলাহী ব্যাপার।
ইসকন’এর সুস্বাদু ভোগ খাওয়া এক অপূর্ব পর্ব
মেনুতে কি নেই, ফাইন সরু চালের ভাত,রুটি,
পোলাও, ডাল, তিন চার প্রকারের সবজি,
পোস্ত, চপ, বেগুনি,দই, পায়েস, মিষ্টি,চাটনি
পাপর,
সবকিছুই যাচাই, মাত্র ₹ 150/- টাকা।
সুসজ্জিত পরিপাটি ঘরে চেয়ার টেবিলে বসে
অন্ন ভোগ গ্রহণে যে কি তৃপ্তি তা লিখে বোঝান
সম্ভব নয়।
খাবার সেরে দুপুরে একটু ভাত ঘুম দিয়ে ববেরিয়ে মড়লাম পুরো এলাকা ঘুরে দেহটা ।
একটু আগেই একপশলা বৃষ্টি হয়ে গেল।
একটা ব্যাটারি চালিত টোটো ভাড়া করলাম ₹200/-
টাকায়।
পুরো এলাকা দেখলাম।
গোসালা থেকে ঘি কিনলাম রাশি লস্যি খেল।
ইসকন’এর গোশালাও দেখার মতো। দু’শোরও বেশি গরুর যত্নআত্তি করা হয় এখানে। গরুর দুধ, দই বা ঘি-ও কিনতে পাওয়া যায় এখানে।
ইস্কন মন্দিরের দৌলতে মায়াপুরের আজ জগৎজোড়া নাম ।
মায়াপুর হুগলি আর জলঙ্গি নদীর তীরে মায়াপুর। নদিয়া জেলার নবদ্বীপ শহরের কাছে মায়াপুরে
প্রথমে চন্দ্রোদয় মন্দির। সেখানে শ্রীকৃষ্ণের জীবন আখ্যান প্রদর্শিত। ইস্কন মন্দিরের মূল ফটকের ডাইনে মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীপ্রভুপাদের বর্ণাঢ্য স্মৃতিমন্দির।
ইস্কন মন্দির থেকে বেরিয়ে শ্রীচৈতন্য গৌড়ীয় মঠ। এর পর অদ্বৈত ভবন,
শ্রীচৈতন্য মঠ এবং শ্রীবাস অঙ্গন তথা খোল ভাঙার ডাঙা। রয়েছে ভক্তি সারঙ্গ গোস্বামী মহারাজ মঠ, জন্মভিটে তথা শ্রীমন্দির। শ্যামকুণ্ড, একই চত্বরে রাধাকুণ্ড ইত্যাদি।
খোল ভাঙার ডাঙা,
এ রকম নাম কেন? শ্রীচৈতন্যের ঘোর বিরোধী ছিলেন এ অঞ্চলের প্রশাসক চাঁদ কাজী তথা মৌলানা সিরাজুদ্দিন। ফতোয়া জারি করে শ্রীচৈতন্যের নামকীর্তন বন্ধ করে দেন তিনি। সেই নিয়ম অমান্য করেই শ্রীচৈতন্য সাঙ্গোপাঙ্গকে নিয়ে নামকীর্তন বার করেছিলেন। যে ডাঙাতে শ্রীচৈতন্যের খোল ভেঙেছিলেন চাঁদ কাজী সেটাই হল খোল ভাঙার ডাঙা। সেখানেই আজ শ্রীবাস অঙ্গন। দমেননি শ্রীচৈতন্য। সেই রাতেই মশাল নিয়ে সংকীর্তন শোভাযাত্রা করে চাঁদ কাজীর বাড়িতে গেলেন। তর্কযুদ্ধে বসলেন। শেষে নিমাইয়ের কাছে যুদ্ধে হাড় মেনে ভক্ত হলেন চাঁদ। এই চাঁদ কাজীর সমাধিও মায়াপুরের অন্যতম দ্রষ্টব্য। মূল মায়াপুর থেকে ৩ কিমি দূরে বামনপুকুর। সেখানেই চাঁদের সমাধিপীঠ এবং ৫০০ বছরের পুরনো গোলকচাঁপা গাছ। সব মিলিয়ে মায়াপুর বাঙালি, অবাঙালি, পশ্চিমবঙ্গ বাসী, ভিন রাজ্যের মানুষ থেকে বিদেশি সকলের কাছেই এই আকর্ষণীয় পর্যটন স্থল।
মায়াপুরের খুব কাছে বল্লাল দিঘি। বামনপুকুর গ্রামে। রাজা বল্লাল সেনের সময়কার কিছু ধ্বংসস্তূপ আছে এখানে।
ইসকন’এর গোশালাও দেখার মতো। দু’শোরও বেশি গরুর যত্নআত্তি করা হয় এখানে। গরুর দুধ, দই বা ঘি-ও কিনতে পাওয়া যায় এখানে।
নদিয়া জেলার নবদ্বীপ শহরের কাছে মায়াপুরে বেশিরভাগ মানুষ চৈতন্যদেবের সমাধিস্থল দেখতেই যান।এখানে -ইস্কন মন্দির প্রসিদ্ধ।এক দেখার মতো পবিত্র স্থান। নিত্য প্রতিদিন হাজার হাজার তীর্থযাত্রী ‘ইসকন’এর মন্দির দর্শন করতে যান।
মায়াপুর চন্দ্রোদয় মন্দির
(তথ্য সংগৃহিত)
৩৫ তলা বাড়ির সমান উচু মায়াপুর ইসকন মন্দির হলো পৃথিবীর সব চেয়ে উচু হিন্দু মন্দির। মায়াপুর বা শ্রীমায়াপুর পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায় অবস্থিত একটি গ্রাম ও পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র ৷ এটি শ্রী চৈতন্যে মহাপ্রভুর জন্মস্থান ৷ এখানেই ইস্কন প্রতিষ্ঠিত চন্দ্রোদয় মন্দির ৷ এই মন্দিরের অনেক সেবক ও ভক্ত যারা ইউরোপ ও আমেরিকাসহ বিশ্বের নানা দেশ থেকে আসে ইস্কনের অতিথিশালায় সামান্য ভাড়ায় থাকার ব্যবস্থা আছে ৷ যেকোনো ধর্মের মানুষ এখানে স্বাগত ৷
স্থাপত্যের নিদর্শন হিসেবে ভারতের স্থাপত্যরীতি বরাবর ধর্মীয় ভাবধারায় তার অবস্থান জানান দিয়েছে। আর পৃথিবীর সবচাইতে উঁচু এই মন্দির জানান দিয়েছে যে সে মিশরের পিরামিডের চাইতেও অনেক অনেক উঁচু। আমেরিকার এ এফ বই ফাউন্ডেশনের আলফ্রেড বুশ ফল্ড এই মন্দির করতে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে জানিয়েছেন।
বৈদিক গ্রাম ইসকন মায়াপুরের সাইট প্লান আলফ্রেড আরও জানান যে এই মন্দিরের কাজ শেষ হবার পর পৃথিবীর সবচাইতে বিশাল মন্দির হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে এবং এটা দেখার জন্য দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসবে এখানে। মায়াপুর ইসকনের ত্রিমাতৃক মডেলের এই মন্দির প্রায় ২২ একর ভূমির উপর অবস্থিত হবে। যখন এটা স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তখন মায়াপুর প্রজেক্ট সোসাইটি নামে একটি চ্যারিট্যাবল বডি গঠন করা হয় যারা এই প্রজেক্টের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে শুরু করে। এ বি এফ এর ডিরেক্টর আরও বলেন এই ২০ একর গ্রামের মাঝে থাকবে সকল হাউজিং সুবিধাসমূহ যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। মায়াপুর ইসকনের স্থাপত্য রীতি মায়াপুর ইসকন উত্তর ভারতীয় নাগারা এবং অরিসসার কলিংগ মন্দিরগুলোর স্থাপত্য রীতি অনুসারে ডিজাইন করা হয়েছে। এটাতে তিনটি ডোম আছে যা মন্দিরটি অনেক দূর থেকে প্রতিয়মান হওয়ার সাক্ষ্য বহন করে। প্রথমেই থাকবে এক্সিভিশন হল। এখানে একটি প্লানেটেরিয়াম ও থাকবে। এই এক্সিভিশন হল নয় তলা উচ্চতার হবে যা সব চাইতে ছোট স্ট্রাকচার হবে। দ্বিতীয় স্ট্রাকচারটা কীর্তন হল। এটি আঠারো তলা উচ্চতা বিশিষ্ট । এর মাঝে থাকবেন শ্রীল প্রভুপাদ স্বয়ং। তৃতীয় স্ট্রাকচার হোলI এর শিখারা বা শিখর এটি প্রায় ৩৫ তলা সমান উচু । এটাই মন্দিরের মূল অংশ।
কন্সট্রাকশনের ব্যাবহৃত ম্যাটেরিয়েলস এই কমপ্লেক্স এ কোন স্টিল ব্যাবহৃত হবেনা।
গঙ্গার মাটি থেকে বানানো ইটের দেয়াল দিয়ে এই উচ্চতা তৈরি করা হবে। বাংলার আদি স্থাপত্য সমুহ এই মাটি দিয়েই বানানো হতো। তাই স্থপতি এখানে সেই পুরাতন স্থাপত্য রীতি ই ব্যাবহার করবেন। মন্দিরটি গঙ্গা থেকে থেকে ৫ মিটার উচ্চতায় বানানো হবে। মাটিতে থাকবে ২.৫ মিটার পুরু কনক্রিট স্লাব যা ৪ একর জায়গা জুড়ে থাকবে- যা মায়া পুরের কাদা মাটি থেকে এই মন্দিরকে পতনের হাত থেকে রক্ষা করবে। এবং যা হবে অনেক দিন স্থায়ী একটি মন্দির।
শেষ ডিজাইন করার আগে: ২০০০ সালে এই মন্দিরের ডিজাইন করার কাজ শেষ হয়। অনেক বার পরিবর্তনের পর এই শেষ ডিজাইন ঊঠে আসে সবার নজরে। যাতে যুক্ত হয়েছে হিন্দু ধর্মের অনেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শনের ছাপ। এটা গুরু দেশাম এর একটা স্থাপত্য কলাই নয়- এতে যুক্ত হয়েছে ট্র্যাডিশনাল বৌদ্ধিক ও হিন্দু স্থাপত্য কলার এক অদ্ভুত মিশ্রন যা এক অমুল্য স্থাপত্যের স্বীকৃতি।
<---©-আদ্যনাথ--->
ISKCON= Full Name
International Society for Krishna
Consciousness.
(ইন্টারন্যাশস্যাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ
কনশাসনেস)।
ঘুরে এলাম মায়াপুর ,নবদ্বীপ।
আমরা পাঁচ জন মানে আমি, সবিতা কুট্টিদা (সবিতার দাদা), ছোট গিন্নি( বউদি, কুট্টিদা স্ত্রী),রাশি(কুট্টিদা মেয়ে)
13/05/2017 সকালে কৃষ্ণনগর লোকাল ধরে
পৌঁছে গেলাম কৃষ্ণনগর।
সেখান থেকে ছোট চরচাকার গাড়িতে
₹150/-টাকা ভাড়া দিয়ে পৌঁছে গেলাম ইস্কন মন্দির দুপুর 11টায়।
মন্দিরে গিয়েই গদা ভবনে গিয়ে আগে একটি ঘর ভাড়া করলাম ₹1600/-টাকায়।
আমরা 5জন ছিলাম তাই একটু বড় ঘর নিলাম
"ইসদ্যান ভবন"। 12×14দুটি রুমে চারটি সিঙ্গেল বেড দুটি এক্সট্রা গদি।
ঝকঝকে রুম ওয়েল ফার্ণিশড লেট্রিন/ বাথ
24ঘন্টা ঠান্ডা ও গরম জল।
রুমে গিয়ে স্নান সেরে একটার সময় খাবারের ঘরে গেলাম ।খাবারের এলাহী ব্যাপার।
ইসকন’এর সুস্বাদু ভোগ খাওয়া এক অপূর্ব পর্ব
মেনুতে কি নেই, ফাইন সরু চালের ভাত,রুটি,
পোলাও, ডাল, তিন চার প্রকারের সবজি,
পোস্ত, চপ, বেগুনি,দই, পায়েস, মিষ্টি,চাটনি
পাপর,
সবকিছুই যাচাই, মাত্র ₹ 150/- টাকা।
সুসজ্জিত পরিপাটি ঘরে চেয়ার টেবিলে বসে
অন্ন ভোগ গ্রহণে যে কি তৃপ্তি তা লিখে বোঝান
সম্ভব নয়।
খাবার সেরে দুপুরে একটু ভাত ঘুম দিয়ে ববেরিয়ে মড়লাম পুরো এলাকা ঘুরে দেহটা ।
একটু আগেই একপশলা বৃষ্টি হয়ে গেল।
একটা ব্যাটারি চালিত টোটো ভাড়া করলাম ₹200/-
টাকায়।
পুরো এলাকা দেখলাম।
গোসালা থেকে ঘি কিনলাম রাশি লস্যি খেল।
ইসকন’এর গোশালাও দেখার মতো। দু’শোরও বেশি গরুর যত্নআত্তি করা হয় এখানে। গরুর দুধ, দই বা ঘি-ও কিনতে পাওয়া যায় এখানে।
ইস্কন মন্দিরের দৌলতে মায়াপুরের আজ জগৎজোড়া নাম ।
মায়াপুর হুগলি আর জলঙ্গি নদীর তীরে মায়াপুর। নদিয়া জেলার নবদ্বীপ শহরের কাছে মায়াপুরে
প্রথমে চন্দ্রোদয় মন্দির। সেখানে শ্রীকৃষ্ণের জীবন আখ্যান প্রদর্শিত। ইস্কন মন্দিরের মূল ফটকের ডাইনে মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা শ্রীপ্রভুপাদের বর্ণাঢ্য স্মৃতিমন্দির।
ইস্কন মন্দির থেকে বেরিয়ে শ্রীচৈতন্য গৌড়ীয় মঠ। এর পর অদ্বৈত ভবন,
শ্রীচৈতন্য মঠ এবং শ্রীবাস অঙ্গন তথা খোল ভাঙার ডাঙা। রয়েছে ভক্তি সারঙ্গ গোস্বামী মহারাজ মঠ, জন্মভিটে তথা শ্রীমন্দির। শ্যামকুণ্ড, একই চত্বরে রাধাকুণ্ড ইত্যাদি।
খোল ভাঙার ডাঙা,
এ রকম নাম কেন? শ্রীচৈতন্যের ঘোর বিরোধী ছিলেন এ অঞ্চলের প্রশাসক চাঁদ কাজী তথা মৌলানা সিরাজুদ্দিন। ফতোয়া জারি করে শ্রীচৈতন্যের নামকীর্তন বন্ধ করে দেন তিনি। সেই নিয়ম অমান্য করেই শ্রীচৈতন্য সাঙ্গোপাঙ্গকে নিয়ে নামকীর্তন বার করেছিলেন। যে ডাঙাতে শ্রীচৈতন্যের খোল ভেঙেছিলেন চাঁদ কাজী সেটাই হল খোল ভাঙার ডাঙা। সেখানেই আজ শ্রীবাস অঙ্গন। দমেননি শ্রীচৈতন্য। সেই রাতেই মশাল নিয়ে সংকীর্তন শোভাযাত্রা করে চাঁদ কাজীর বাড়িতে গেলেন। তর্কযুদ্ধে বসলেন। শেষে নিমাইয়ের কাছে যুদ্ধে হাড় মেনে ভক্ত হলেন চাঁদ। এই চাঁদ কাজীর সমাধিও মায়াপুরের অন্যতম দ্রষ্টব্য। মূল মায়াপুর থেকে ৩ কিমি দূরে বামনপুকুর। সেখানেই চাঁদের সমাধিপীঠ এবং ৫০০ বছরের পুরনো গোলকচাঁপা গাছ। সব মিলিয়ে মায়াপুর বাঙালি, অবাঙালি, পশ্চিমবঙ্গ বাসী, ভিন রাজ্যের মানুষ থেকে বিদেশি সকলের কাছেই এই আকর্ষণীয় পর্যটন স্থল।
মায়াপুরের খুব কাছে বল্লাল দিঘি। বামনপুকুর গ্রামে। রাজা বল্লাল সেনের সময়কার কিছু ধ্বংসস্তূপ আছে এখানে।
ইসকন’এর গোশালাও দেখার মতো। দু’শোরও বেশি গরুর যত্নআত্তি করা হয় এখানে। গরুর দুধ, দই বা ঘি-ও কিনতে পাওয়া যায় এখানে।
নদিয়া জেলার নবদ্বীপ শহরের কাছে মায়াপুরে বেশিরভাগ মানুষ চৈতন্যদেবের সমাধিস্থল দেখতেই যান।এখানে -ইস্কন মন্দির প্রসিদ্ধ।এক দেখার মতো পবিত্র স্থান। নিত্য প্রতিদিন হাজার হাজার তীর্থযাত্রী ‘ইসকন’এর মন্দির দর্শন করতে যান।
মায়াপুর চন্দ্রোদয় মন্দির
(তথ্য সংগৃহিত)
৩৫ তলা বাড়ির সমান উচু মায়াপুর ইসকন মন্দির হলো পৃথিবীর সব চেয়ে উচু হিন্দু মন্দির। মায়াপুর বা শ্রীমায়াপুর পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলায় অবস্থিত একটি গ্রাম ও পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র ৷ এটি শ্রী চৈতন্যে মহাপ্রভুর জন্মস্থান ৷ এখানেই ইস্কন প্রতিষ্ঠিত চন্দ্রোদয় মন্দির ৷ এই মন্দিরের অনেক সেবক ও ভক্ত যারা ইউরোপ ও আমেরিকাসহ বিশ্বের নানা দেশ থেকে আসে ইস্কনের অতিথিশালায় সামান্য ভাড়ায় থাকার ব্যবস্থা আছে ৷ যেকোনো ধর্মের মানুষ এখানে স্বাগত ৷
স্থাপত্যের নিদর্শন হিসেবে ভারতের স্থাপত্যরীতি বরাবর ধর্মীয় ভাবধারায় তার অবস্থান জানান দিয়েছে। আর পৃথিবীর সবচাইতে উঁচু এই মন্দির জানান দিয়েছে যে সে মিশরের পিরামিডের চাইতেও অনেক অনেক উঁচু। আমেরিকার এ এফ বই ফাউন্ডেশনের আলফ্রেড বুশ ফল্ড এই মন্দির করতে ৬০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে বলে জানিয়েছেন।
বৈদিক গ্রাম ইসকন মায়াপুরের সাইট প্লান আলফ্রেড আরও জানান যে এই মন্দিরের কাজ শেষ হবার পর পৃথিবীর সবচাইতে বিশাল মন্দির হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে এবং এটা দেখার জন্য দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসবে এখানে। মায়াপুর ইসকনের ত্রিমাতৃক মডেলের এই মন্দির প্রায় ২২ একর ভূমির উপর অবস্থিত হবে। যখন এটা স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় তখন মায়াপুর প্রজেক্ট সোসাইটি নামে একটি চ্যারিট্যাবল বডি গঠন করা হয় যারা এই প্রজেক্টের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতে শুরু করে। এ বি এফ এর ডিরেক্টর আরও বলেন এই ২০ একর গ্রামের মাঝে থাকবে সকল হাউজিং সুবিধাসমূহ যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। মায়াপুর ইসকনের স্থাপত্য রীতি মায়াপুর ইসকন উত্তর ভারতীয় নাগারা এবং অরিসসার কলিংগ মন্দিরগুলোর স্থাপত্য রীতি অনুসারে ডিজাইন করা হয়েছে। এটাতে তিনটি ডোম আছে যা মন্দিরটি অনেক দূর থেকে প্রতিয়মান হওয়ার সাক্ষ্য বহন করে। প্রথমেই থাকবে এক্সিভিশন হল। এখানে একটি প্লানেটেরিয়াম ও থাকবে। এই এক্সিভিশন হল নয় তলা উচ্চতার হবে যা সব চাইতে ছোট স্ট্রাকচার হবে। দ্বিতীয় স্ট্রাকচারটা কীর্তন হল। এটি আঠারো তলা উচ্চতা বিশিষ্ট । এর মাঝে থাকবেন শ্রীল প্রভুপাদ স্বয়ং। তৃতীয় স্ট্রাকচার হোলI এর শিখারা বা শিখর এটি প্রায় ৩৫ তলা সমান উচু । এটাই মন্দিরের মূল অংশ।
কন্সট্রাকশনের ব্যাবহৃত ম্যাটেরিয়েলস এই কমপ্লেক্স এ কোন স্টিল ব্যাবহৃত হবেনা।
গঙ্গার মাটি থেকে বানানো ইটের দেয়াল দিয়ে এই উচ্চতা তৈরি করা হবে। বাংলার আদি স্থাপত্য সমুহ এই মাটি দিয়েই বানানো হতো। তাই স্থপতি এখানে সেই পুরাতন স্থাপত্য রীতি ই ব্যাবহার করবেন। মন্দিরটি গঙ্গা থেকে থেকে ৫ মিটার উচ্চতায় বানানো হবে। মাটিতে থাকবে ২.৫ মিটার পুরু কনক্রিট স্লাব যা ৪ একর জায়গা জুড়ে থাকবে- যা মায়া পুরের কাদা মাটি থেকে এই মন্দিরকে পতনের হাত থেকে রক্ষা করবে। এবং যা হবে অনেক দিন স্থায়ী একটি মন্দির।
শেষ ডিজাইন করার আগে: ২০০০ সালে এই মন্দিরের ডিজাইন করার কাজ শেষ হয়। অনেক বার পরিবর্তনের পর এই শেষ ডিজাইন ঊঠে আসে সবার নজরে। যাতে যুক্ত হয়েছে হিন্দু ধর্মের অনেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শনের ছাপ। এটা গুরু দেশাম এর একটা স্থাপত্য কলাই নয়- এতে যুক্ত হয়েছে ট্র্যাডিশনাল বৌদ্ধিক ও হিন্দু স্থাপত্য কলার এক অদ্ভুত মিশ্রন যা এক অমুল্য স্থাপত্যের স্বীকৃতি।
মায়াপুরের খুব কাছে বল্লাল দিঘি। বামনপুকুর গ্রামে। রাজা বল্লাল সেনের সময়কার কিছু ধ্বংসস্তূপ আছে এখানে।
=======================
এবার ফেরার পালা
ফেরার পথে একটু নবদ্বীপ দেখার ইচ্ছাটাও মেটালাম।
14/05/2017 সকালেই বেরিয়ে পড়লাম
নবদ্বীপের উদ্দেশ্য। মাথা পিছু ₹10/- টাকা করে দিয়ে টোটো তে করে লঞ্চ ঘটে।
সেখান থেকে ₹6/- করে টিকিট দিয়ে নবদ্বীপ ঘটে
পৌঁছো লাম।
হঠাৎ খেয়াল করলাম আমার ছাতাটা হারিয়েছি।
কিআর করি ছাতার শোক ভুলে রওনা দিলাম।
দেখলাম ছোটো ছোটো সাহেব সন্তানেরা ধুতি-পাঞ্জাবী এবং ন্যাড়া মাথায় বড়ো একখানা টিকি সমেত সাইকেল চালিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মায়াপুরের গেট দিয়ে বেরিয়ে হাঁটা পথেই নদী। মাথা পিছু ছয় টাকা লঞ্চের টিকিট, বেশ লম্বা চওরা লঞ্চ। আর দেখলাম বোট গুলোতে নৌকার একপাশে মানুষ,মাঝে সাইকেলের সারি, অন্যপাশটায় অতি নিরীহ কয়েকটি গরু। সবাই যাবে নবদ্বীপ।
14/05/2017 সকালেই বেরিয়ে পড়লাম
নবদ্বীপের উদ্দেশ্য। মাথা পিছু ₹10/- টাকা করে দিয়ে টোটো তে করে লঞ্চ ঘটে।
সেখান থেকে ₹6/- করে টিকিট দিয়ে নবদ্বীপ ঘটে
পৌঁছো লাম।
হঠাৎ খেয়াল করলাম আমার ছাতাটা হারিয়েছি।
কিআর করি ছাতার শোক ভুলে রওনা দিলাম।
দেখলাম ছোটো ছোটো সাহেব সন্তানেরা ধুতি-পাঞ্জাবী এবং ন্যাড়া মাথায় বড়ো একখানা টিকি সমেত সাইকেল চালিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। মায়াপুরের গেট দিয়ে বেরিয়ে হাঁটা পথেই নদী। মাথা পিছু ছয় টাকা লঞ্চের টিকিট, বেশ লম্বা চওরা লঞ্চ। আর দেখলাম বোট গুলোতে নৌকার একপাশে মানুষ,মাঝে সাইকেলের সারি, অন্যপাশটায় অতি নিরীহ কয়েকটি গরু। সবাই যাবে নবদ্বীপ।
বৈষ্ণব ধর্মের পীঠস্থান নবদ্বীপ। ভাগীরথীর পাড়ে নবদ্বীপে ১৪৮৬ খ্রিস্টাব্দে দোলপূর্ণিমায় আবির্ভাব শ্রীচৈতন্যদেবের। গঙ্গার প্রবাহ বদলে বিভ্রান্তি ঘটেছে জন্মভিটে নিয়ে। তবে শ্রীচৈতন্যের দ্বিতীয়া পত্নী বিষ্ণুপ্রিয়ার জন্ম আজকের নবদ্বীপে। জন্মভিটে নিয়ে বিভ্রান্তি ঘটলেও ঘরে ঘরে গৌরাঙ্গপ্রভুর মন্দির। নবদ্বীপ জুড়ে একের পর এক মন্দির আর মঠের সারি। বিরাম ণেই নাম সংকীর্তনের। সারা দিন ধরেই চলে দেবতার ভজন।
রিকশা ভাড়া করে বা পায়ে পায়ে ঘুরে নেওয়া যায় মন্দিরগুলি। বিষ্ণুপ্রিয়া দেবীর প্রতিষ্ঠিত দারু নির্মিত মহাপ্রভুর বিগ্রহ মন্দির, বুড়ো শিব, হরিসভা, পোড়ামাতলা মহাপ্রভু মন্দির, অদ্বৈতপ্রভু মন্দির, জগাই-মাধাই, শচীমাতা-বিষ্ণুপ্রিয়ার জন্মভিটায় নিত্যানন্দপ্রভুর মন্দির, বড় আখাড়া, শ্রীশ্রী গোবিন্দজিউ, সোনার গৌরাঙ্গ, সমাজবাড়ি, বড় রাধেশ্যাম, রাধাবাজারে শ্রীসারস্বত গৌড়ীয় আসন, দেবানন্দ গৌড়ীয় মঠ, মণিপুর পাড়ায় সোনার গৌরাঙ্গ, । মন্দিরের উপনিবেশ যেন নবদ্বীপ – পুরসভার হিসাবে ১৮৬টি মন্দির।
(যদিও নবদ্বীপের প্রধান আকর্ষণ রাস উৎসব। কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাসে ধুমধামে পালিত হয় এই রাস মেলা। রাসে মূর্তিপূজায় বৈচিত্র্য আছে নবদ্বীপে।)
মায়াপুর থেকে নবদ্বীপ যাবার একমাত্র পথ নদী পার হওয়ার।
গঙ্গার ও গঙ্গা সংযোগ কারি খাল গুলিতে যেখান নিত্য প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ভাঙ্গা নড়বড়ে বাঁশের পুলের উপড়দিয়ে লঞ্চ বা ভটভটি
তে চড়তে হয়। ঐ বাঁশের পুলের ওপর দিয়ে ই লঞ্চে উঠতে ও নামতে বেশ ভয়ের ব্যাপার , সামান্য অসতর্ক হলেই বিপদ ঘটতে পারে।
সেদিনের সেই বাঁশের পুলের উপর দিয়ে ওঠা ও নামার বিভীষিকা জীবনে ভুলবো না।
একজন আমার মতো বয়স্ক মানুষের পক্ষ্যে সে এক বিভীষিকা।
অধিকাংশ বাঁশ খোলা,নড়বড়ে, মাঝে মাঝে বড় বড় ফাঁক, খুব সাধানে পা ফেলতে হয় একটু এদিক ওদিক হলেই ব্যাস-------একদম ভবসাগর পার।
ভাগ্য দোষে বেঁচে গেলে হাত,পা,মাথা ভেঙে
হসপিটালে ছয়(6) মাস।
তারপরে যতদিন বাঁচা শুধু ক্র্যাচ হবে সঙ্গী।
এটা আমার একদিনের গঙ্গা পারাপার হবার অভিজ্ঞতা।জীবনের স্বরনীয় ঘটনার একটি।
অধিকাংশ বাঁশ খোলা,নড়বড়ে, মাঝে মাঝে বড় বড় ফাঁক, খুব সাধানে পা ফেলতে হয় একটু এদিক ওদিক হলেই ব্যাস-------একদম ভবসাগর পার।
ভাগ্য দোষে বেঁচে গেলে হাত,পা,মাথা ভেঙে
হসপিটালে ছয়(6) মাস।
তারপরে যতদিন বাঁচা শুধু ক্র্যাচ হবে সঙ্গী।
এটা আমার একদিনের গঙ্গা পারাপার হবার অভিজ্ঞতা।জীবনের স্বরনীয় ঘটনার একটি।
সময়ের অভাবে একটু বুড়ি ছোঁয়ার মতন করে নবদ্বীপ ঘুরলাম।
মনের ইচ্ছা রইলো পরে একদিন ভালোকরে সব মন্দির দর্শন করবার।
নবদ্বীপ দর্শনের পরে আমরা আবার কলকাতার
উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম এবার হাওড়া লোকাল::--
নবদ্বীপ দর্শনের পরে আমরা আবার কলকাতার
উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম এবার হাওড়া লোকাল::--
কাটোয়া হাওড়া লোকাল ট্রেনে করে ।
আমরা বিষ্ণুপ্রিয়া হল্ট স্টেশন থেকে ট্রেন ধরলাম । কারন সকলে বললো এখানথেকে
বসবার জায়গা পেয়ে যাবো। ট্রেনে তো উঠলাম প্রচন্ড ভিড় কোনমতে জায়গাও পেলাম কয়েকটা স্টেশন পার করে । ট্রেনে জতোনা প্যাসেঞ্জার তার থেকে দ্বিগুন বেশি হকার। ট্রেনে কি না পাওয়া যায় !
শুধু ভাত ডাল ছাড়া সবকিছুই পাওয়া যাচ্ছে।
হকারদের চেঁচামেচি ও যাতায়াতের ঠেলাঠেলিতে
অস্থির হয়ে গেছি। এজে কি ভীষণ জ্বালা তা
না দেখলে ভাবা যায় না।
যাইহোক হকারদের চিৎকার,ঠেলা ঠেলি ,প্রচন্ড ভিড়ের চাপ সব সয়ে আমরা বলি স্টেশন এতে নাবলাম। সেখানথেকে বাসে বেলঘরিয়া সক্সপ্রেস দিয়ে প্রফুল্ল নগর স্টপেজে নামলাম।
আমাদের একরাত্রি দুইদিনের মায়াপুর, নবদ্বীপ ভ্রমন সাঙ্গ হল।
=============================
Iscon mondir Advance Booking
Please call our land number to book your room.
The number is 03472245620.
Ys
Venu
=============
And Gita Bhavan
সুলভে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা আছে
For Advance Booking
Ph no-03472245370
===============
<---©-আদ্যনাথ--->
বসবার জায়গা পেয়ে যাবো। ট্রেনে তো উঠলাম প্রচন্ড ভিড় কোনমতে জায়গাও পেলাম কয়েকটা স্টেশন পার করে । ট্রেনে জতোনা প্যাসেঞ্জার তার থেকে দ্বিগুন বেশি হকার। ট্রেনে কি না পাওয়া যায় !
শুধু ভাত ডাল ছাড়া সবকিছুই পাওয়া যাচ্ছে।
হকারদের চেঁচামেচি ও যাতায়াতের ঠেলাঠেলিতে
অস্থির হয়ে গেছি। এজে কি ভীষণ জ্বালা তা
না দেখলে ভাবা যায় না।
যাইহোক হকারদের চিৎকার,ঠেলা ঠেলি ,প্রচন্ড ভিড়ের চাপ সব সয়ে আমরা বলি স্টেশন এতে নাবলাম। সেখানথেকে বাসে বেলঘরিয়া সক্সপ্রেস দিয়ে প্রফুল্ল নগর স্টপেজে নামলাম।
আমাদের একরাত্রি দুইদিনের মায়াপুর, নবদ্বীপ ভ্রমন সাঙ্গ হল।
=============================
Iscon mondir Advance Booking
Please call our land number to book your room.
The number is 03472245620.
Ys
Venu
=============
And Gita Bhavan
সুলভে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা আছে
For Advance Booking
Ph no-03472245370
===============
<---©-আদ্যনাথ--->
এবার শুধু নবদ্বীপ ভ্রমন::---এক দিনেরভ্রমণ।
(( শিয়ালদা --->মায়াপুর ইস্কন।
শিয়ালদহ থেকে মায়াপুর ইস্কন যাবার নির্দেশ
শিয়ালদহ ---->ট্রেনে কৃষ্ণনগর সিটি জংশন--->টোটো বা বসে মায়াপুর যাওয়া যায়।
বিকল্প:::---
শিয়ালদহ থেকে বাসে সরাসরি মায়াপুর ।
প্রাইভেট কারে::--
ভায়া NH12 মায়াপুর যাওয়া খুবই সহজ পথ।
এমন যে কোনভাবে, সহজেই শিয়ালদহ থেকে মায়াপুর ইস্কন যাওয়া যায়।
মায়াপুর থেকে টোটো করে নদী পার হয়ে
নবদ্বীপ ঘাট।
অথবা হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেনে বদ্বীপ ধাম স্টেশন । টোটো করে নবদ্বীপ ভ্রমন ।)))))
...
সকালে হাওড়া স্টেশন থেকে
হাওড়া কাটোয়া লোকাল ধরে নবদ্বীপ ধাম স্টেশন ।
স্টেশনে অনেক টোটো পাওয়া যায়। নবদ্বীপ ঘুরে দেখার জন্য একটু দর দাম করে টোটো ভাড়া করতে হয়।
【স্টেশনের সামনে থেকে মায়াপুর ফেরী ঘাট যাওয়ার অনেক টোটো পাওয়া যায়। লঞ্চ পেরিয়ে ওপারে মায়াপুর।ওখান থেকে ইস্কন মন্দির যাওয়ার টোটো পেওয়া যায়।
মায়াপুর চন্দ্রোদয় মন্দির হল ইসকন (ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনসায়নেস) এর সদর দপ্তর। ভগবান চৈতন্য মহাপ্রভু হলেন সেই চাঁদ যিনি মায়াপুরের ভূমিতে উঠেছিলেন, 500 বছর আগে।】
========■■■■■■■■■
নবদ্বীপ ধামের দর্শনীয় স্থান::---
নবদ্বীপ ধাম, যা শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত, অসংখ্য মন্দির ও ধর্মীয় স্থানের জন্য বিখ্যাত।
এখানে বিখ্যাত কিছু প্রধান দর্শনীয় স্থান::--নবদ্বীপ ধাম স্টেশন থেকে অনেক দরদাম করে
টোটো ভাড়া করে ছিলাম। আমি একা তাই আরও দুইজকে নেবার জন্য টোটোওয়ালা বলছিল আমি রাজি হইনি, কারন ওতে করে আমি ইচ্ছা মতন ঘুরতে পারবোনা তাই আমি একলাই ছিলাম। মোটা দশ টি স্থান তথা দশ টি মন্দির ঘুরে দেখাবে। টোটো চাইছিলো ₹400/ টাকা অনেক দরাদরি করে শেষে সমস্ত ঘুরে দেখতে টোটো ₹ 250/ টাকায় রাজি হলো।
যেটুকু দেখলাম সেটাই লিখছি::---
★1>সমাজ বাড়ি আশ্রম:
এটি নবদ্বীপে অবস্থিত একটি আশ্রম।
শ্রীচৈতন্য সারস্বত শ্রীধর মন্দির:
নবদ্বীপে অবস্থিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মন্দির।
★2>সোনার গৌরাঙ্গ মন্দির:
এটি নবদ্বীপের একটি প্রাচীন মন্দির এবং শ্রদ্ধেয় সাধক চৈতন্য মহাপ্রভুকে উৎসর্গীকৃত।
★3>পোড়ামাতলা:
নবদ্বীপের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় মন্দির।
মায়াপুরের ইসকন মন্দির:
নবদ্বীপের কাছে মায়াপুরে অবস্থিত এই মন্দিরটিও পর্যটকদের জন্য একটি আকর্ষণ।
★4>ধামেশ্বর মন্দির::- প্রবেশ মূল্য ₹5/ জনপ্রতি।
এখানে চৈতন্য দেবের চরণ পাদুকা আছে।
★5>রাধারানী মন্দির:
রাধা গবিন্দ জীউর মন্দির।
এখানে থাকা খাওয়ার ব্যাবস্থ্যা আছে।
গেস্টহাউজ আছে।
এটি নবদ্বীপের সবচেয়ে পরিচিত মন্দিরগুলির মধ্যে একটি, যেখানে ভগবান কৃষ্ণের প্রতি দেবী রাধার ভক্তি প্রকাশ করা হয়।
এখানে আন্ডারগ্র্যাউন্ড রাম লীলা মন্দির আছে।
★6>গুপ্ত বৃন্দাবন::--
গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর জন্ম স্থান ::--
প্রবেশ মূল্য ₹10/-জনপ্রতি।
●সচি অঙ্গন, প্রিয়া কুঞ্জ,
Up 10AM প্রাসাদের কূপন পাওয়া যায়।
★7>শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মস্থান:
নবদ্বীপের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ এটি। এটি শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মস্থান হিসেবে পরিচিত এবং ভক্তদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
★8>নরহরি ধাম::
প্রবেশমূল্য ₹10/ per head.
মহাপ্রভুর বিশাল মূর্তি
ভোগ প্রসাদ ₹70/টা কা
Gust house আছে।
মিউজিয়াম আছে।
★9>জদ্বাদশ শিব মন্দির:
নবদ্বীপে অবস্থিত আরেকটি বিখ্যাত মন্দির।
★10>বলদেব আখড়া:
যোগনাথ তলাতে অবস্থিত এই আখড়াটি নবদ্বীপের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
নবদ্বীপ বিভিন্ন মন্দির ও ধর্মীয় স্থানের জন্য পরিচিত, যা প্রতি বছর প্রচুর ভক্ত ও পর্যটকদের আকর্ষণ করে।
=====================
Krishnanagar Station to Mayapur
By AUTO-rickshaw fare approximately ₹100/- to- ₹150/
The journey is about 16-17 km and takes roughly 20-30 minutes depending on traffic.
একটু দরদাম করেই ভাড়া ঠিক করতে হবে।
নচেৎ ঠগতে হবে।
================================