71>যমুনোত্রী----
যমুনোত্রী মন্দিরটি গড়ওয়াল হিমালয়ের পশ্চিম অঞ্চলে,উত্তরাখণ্ডের, উত্তরকাশি জেলায়, 3291 মিটার (10,797 ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত। মন্দিরটি যমুনা দেবীর উদ্দেশ্যে উত্সর্গীকৃত । এখানে দেবীর একটি কালো মার্বেল মূর্তি রয়েছে। যমুনোত্রী মন্দিরে পৌঁছুতে উত্তরাখণ্ডের প্রধান শহরগুলি - হৃষীকেশ, হরিদ্বার বা দেরাদুন - থেকে পুরো এক দিন লাগে।
★ট্রেকিং করে বা হেঁটে একটি রাস্থা মার্কণ্ডেয় তীর্থ হয়ে।
★আরেকটি রাস্তা নদীর বাম তীরের খারসালির মাধ্যমে দিয়ে ।
যমুনোত্রী পৌঁছতে পাঁচ বা ছয় ঘণ্টা সময় লাগে।
যমুনোত্রী মন্দিরের স্থানাঙ্ক:--
৩১°১′০.১২″ উত্তর ৭৮°২৭′০″ পূর্ব
এখন কার স্থাপত্য তৈরি করেছিলেন জয়পুরের মহারাণী গুলারিয়া 19 শ শতাব্দী তে।
এটি যমুনোত্রী ভারতের ছোট চার ধাম তীর্থস্থানের মধ্যে একটি। যমুনোত্রির পবিত্র মন্দির, যমুনা নদীর উৎস, গড়ওয়াল হিমালয়ের পশ্চিমতম মন্দির, এটি বান্দর পুঞ্চ পার্বতের এক প্রান্তে অবস্থিত। যমুনোত্রির প্রধান আকর্ষণ হ'ল যমুনা দেবীকে উৎসর্গ করা মন্দির এবং জাঙ্কি চত্তির পবিত্র হট স্প্রিংস মন্দির থেকে (7 কিমি দূরে)।
এখানের হ্রদের প্রকৃত উৎস চম্পাসার হিমবাহ। যেটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে 4,422 মিটার উচ্চতায় কালিন্দ পর্বতে অবস্থিত।
যমুনা নদীর বাম তীরে যমুনা দেবীর মন্দিরটি তেহরী গড়ওয়ালের মহারাজা প্রতাপ শাহ নির্মাণ করেছিলেন। মন্দিরের দেবতা কালো মার্বেল পাথরের তৈরি। গঙ্গার মতো যমুনাও হিন্দুদের কাছে ঐশ্বরিক মায়ের মর্যাদায় উন্নীত ।
মন্দিরের কাছে পাহাড়ের গহ্বর থেকে গরম জলের ফোয়ারা। এখান কার সূর্য কুন্ড সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কুন্ড । সূর্যকুন্ডের কাছে দিব্য শিলা নামে একটি শিলা রয়েছে, যা দেবদেবীর পূজা দেওয়ার আগে পূজা করা হয়। ভক্তরা ভাত এবং আলু, মসলিনের কাপড়ে বেঁধে এই গরম জলের ফোয়ারাগুলিতে ডুবিয়ে যেখানে নৈবেদ্য দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করেন। ভাত রান্না করা হয় প্রসাদা হিসাবে আর ভক্ত রা বাড়িতেও নিয়ে যায়।
যমুনোত্রির পূজারিরা জানকী চাট্টির কাছাকাছি খারসালি গ্রামে থেকে আসা। তারা পবিত্র স্থানের প্রশাসক এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠান পরিচালনা করে। তারা শাস্ত্রে সুপরিচিত।
প্রাচীন কিংবদন্তি অনুসারে অসিত মুনির আশ্রম ছিল এখানে। সারা জীবন তিনি প্রতিদিন গঙ্গা ও যমুনায় স্নান করতেন। বার্ধক্যকালে গঙ্গোত্রিতে যেতে না পেরে গঙ্গার একটি ধারা তাঁর কাছে যমুনোত্রির বিপরীতে উপস্থিত হয়েছিল।
★★অক্ষয় তৃতীয়ার শুভ দিনে মন্দির প্রতি বছর খোলা হয়, যা সাধারণত এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে বা মে মাসের প্রথম সপ্তাহে পড়ে।
★★ মন্দিরটি সর্বদা অক্টোবরের মাঝামাঝি - নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে একটি সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দীপাবলির পবিত্র দিনে বন্ধ হয়। মন্দিরের কর্মীরা তাদের গ্রামগুলিতে ফিরে আসে এবং বাকি সময় উপত্যকাটি তুষারে
ঢাকে যায়। পরের গ্রীষ্মে তুষার গলে যাওয়ার সাথে সাথে মন্দিরটি আবার খোলে।
<---আদ্যনাথ রায় চৌধুরী--->
=============================
2013 সালের 16 ই এবং 17 ই জুন কেদারখন্ডে ঘটে যাওয়া প্রলয়ঙ্কর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের পরে বর্তমানে যমুনোত্রী র পথের কি অবস্থা সে সম্বন্ধে
কিছুই আমার জানা নাই।
==========================
No comments:
Post a Comment