85>দিল্লি ভ্রমণ গাইড::---
দিল্লি ভ্রমণের জন্য উপযুক্ত সময়--
ফেব্রুয়ারী, মার্চ, অক্টোবর ও নভেম্বর মাস দিল্লিতে যাওয়ার জন্য সবচেয়ে ভালো সময়।
(একলা নিজের মতন করে মেট্রো রেলে করে ঘুরে দেখতে লাগবে তিন দিন।( 3 days)
আর টুর প্যাকেজে দেখতে লাগবে দুই দিন (2days) )
দিল্লিতে দর্শনীয় স্থান
দিল্লিতে রয়েছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান। পায়ে হেঁটে ঘুরতে চাইলেও দেখা সম্ভব,
তবে
কোন ট্যুর গাইডের মাধ্যমে প্যাকেজ টুরে
ঘুরলে কম সময়ে অধিক জায়গা ঘোরা যায়।
1>ইন্ডিয়ান গেট (Indian Gate) :
2>রেড ফোর্ট (Red Fort) : লালকেল্লা
(সোমবার বন্ধ )
★এন্ট্রি ফি 35 টাকা,
লাইট এন্ড শোয়ের ফি ৮০ টাকা এবং
ছোটদের জন্য ফি ৩০ টাকা।
লালকেল্লায় দেখার আছে----
●দিওয়ান-ই-আম
●দিওয়ান-ই-খাস
●নহর-ই-বেহিস্ত
●জেনানা রংমহল
●মোতি মসজিদ
●হায়াত বক্স বাগ
লালকেল্লার কাছেই আছে--
●দিগম্বর জৈন মন্দির
● শিষ গঞ্জ গুরুদওয়ারা ও
●পারাথে ওয়ালি গালি
3>জামে মসজিদ (Jama Mosjid) :
4>কুতুব মিনার (Kutub Minar) :
5>দ্যা ন্যাশনাল মিউজিয়াম (The
National Museum) :
6>হুমায়ুন’স টম্ব (Humayun’s Tomb) :
7>চাঁদনী চক (Chadni Chowk) :
8>ন্যাশনাল জুলজিক্যাল পার্ক
(National Zoological Park) :
9>লোদি গার্ডেন (Lodi Garden),
10>গার্ডেন অফ ফাইভ সেন্স (Garden
Of Five Senses),
11>গুরুদওয়ারা বাংলা সাহেব
(Gurudwara Bangla Sahib),
12>গান্ধী স্মৃতি মেমোরিয়াল (Gandhi
Smriti And Mahtma Gandhi
Memorial),
13>নিজামুদ্দিন দরগাহ (Nizamuddin
Dargah),
14>জান্তার মান্তার (Jantar Mantar), 15>রাজ ঘাট (Raj Ghat),
16>সাফদারজুং টম্ব (Safdarjung’s
Tomb) ইত্যাদি।
এছাড়া দিল্লিতে অবস্থিত উল্লেখযোগ্য মন্দিরের মধ্যে রয়েছে –
17> ইস্কন টেম্পল (Iskcon Temple), 18>লোটাস টেম্পল (Lotus Temple), 19>স্বামী নারায়ন অক্ষর ধাম টেম্পল
(Akasardham Temple),
20>চাট্টাপুর টেম্পল (Chattapur
Temple) এবং
21>লাক্সমি রায়ায়ন টেম্পল
(Laxminarayan Temple) ইত্যাদি।
==========================
1>ইন্ডিয়ান গেট (Indian Gate) : ১৯৩১ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও আফগানিস্থান যুদ্ধের শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের নিমিত্তে ইন্ডিয়া গেট স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়। সন্ধ্যার আলোতে স্মৃতিস্তম্ভতি সবচেয়ে সুন্দর লাগে। ছুটির দিনে অনেক পরিবার এখানকার উদ্যানে পিকনিক করতে আসে। রিপাবলিক ডে তে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়া গেট প্যারেড ভারত (India) এর একটি অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠান যা না দেখলে প্রকৃত গাম্ভির্য বোঝা সম্ভব নয়।
2>রেড ফোর্ট (Red Fort) : ভারতের মুঘল সম্রাজ্যের গর্ব ও এক অন্যন্য নিদর্শন “রেড ফোর্ট” পর্যটকদের জন্য দিল্লির প্রধান একটি দর্শনীয় স্থান। ১৬৩৮ সালে লাল বেলেপাথরে নির্মিত দুর্গটি মুঘল স্থাপত্যের চমৎকার একটি নিদর্শন। মুঘল সম্রাট শাহজাহান দিল্লিতে রাজধানী স্থানান্তরের সময় এই দুর্গ নির্মাণ করেন। দুর্গের ভিতর প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টায় লাইট শো দেখতে অসংখ্য মানুষ ভিড় জমায়। রেড ফোর্ট দুর্গটি ২০০৭ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। চাইলে দুর্গের কাছে অবস্থিত
●দিগম্বর জৈন মন্দির
● শিষ গঞ্জ গুরুদওয়ারা ও
●পারাথে ওয়ালি গালি থেকেও ঘুরে দেখে নেওয়া যায়।
এই দুর্গটি সোমবার বাদে প্রতিদিন খোলা থাকে। ভারতীয়দের জন্য দুর্গের এন্ট্রি ফি ৩৫ রুপি হলেও বিদেশীদের দুর্গে প্রবেশ করতে ৫০০ রুপি লাগে। প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য লাইট শোয়ের ফি ৮০ রুপি এবং ছোটদের জন্য ফি ৩০ রুপি।
(*******2/ক see more)
3>জামে মসজিদ (Jama Mosjid) : চাঁদনী চকে অবস্থিত জামে মসজিদ ইন্ডিয়ার বৃহত্তম মসজিদগুলোর মধ্যে অন্যতম। এখানে প্রায় ২৫,০০০ মুসল্লি একত্রে নামায আদায় করতে পারে। ১৬৫৬ সালে শাহজাহানের আমলে প্রায় ১২ বছর ধরে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়। মসজিদে তিনটি গেটওয়ে, চারটি টাওয়ার এবং ৪০ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট একটি মিনার রয়েছে। জামে মসজিদে প্রবেশ করতে কোন অর্থ খরচ না হলেও মসজিদের মিনারের উপর উঠতে অর্থ ব্যয় করতে হয়।
4>কুতুব মিনার (Kutub Minar) :
ভারতের সবচেয়ে উঁচু কুতুব মিনারকে মুঘল যুগের সূচনার ও তাদের বিজয়ের স্মৃতিফলক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ৭০ মিটার উচ্চতা বিশিষ্ট ৫ তালা মিনারটি কুতুব-উদ-দিন আইবাকের হিন্দু সম্রাজকে পরাজিত করার পর নির্মাণ করা হয়েছিল। মিনারের উপর থেকে ছারপাশের চমৎকার দৃশ্য এড়িয়ে যাওয়া কঠিন। এছাড়াও ভারতের সর্ব প্রথম মসজিদ কুতুব-উল-ইসলাম এখানে অবস্থিত।
5>দ্যা ন্যাশনাল মিউজিয়াম (The National Museum) :
ভারতের বৃহত্তম জাদুঘরের মধ্যে অন্যতম দ্যা ন্যাশনাল মিউজিয়ামে প্রায় ৪,৬০০ বছরের পুরনো হারাপ্পান টেম্পল নাচ, পেইন্টিং গ্যালারি, বিশাল মন্দিরের রথ, পোড়ামাটির খেলনা, ছবি, হাড়ি, গহনা, ব্রোঞ্জ ও তামার সরঞ্জাম, ভাস্কর্য, মুখোশ, তলোয়ার, বাদ্যযন্ত্র, উপজাতিদের পোশাক ইত্যাদি রয়েছে। জাদুঘরের ন্যাশনাল সাইন্স সেন্টার বিশ্বের বৃহত্তম বিজ্ঞান কেন্দ্রগুলোর মধ্যে অন্যতম। সোমবার বাদে সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত জাদুঘরটি খোলা থাকে। বিদেশী নাগরিকদের জন্য জাদুঘরে এন্ট্রি ফি ৬৫০ রূপি।
6>হুমায়ুন’স টম্ব (Humayun’s Tomb) :
১৫৭০ সালে হুমায়ুনের বিধবা স্ত্রী রানী হাজী বেগম পারস্য স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন এই সমাধিক্ষেত্রটি নির্মাণ করেন। বিশাল সমাধি কমপ্লেক্সে সুন্দর বাগানের মাঝে সম্রাটের সমাধি স্থাপন করা হয়েছে। তাজমহলের সাথে এই স্থাপনার বেশ মিল রয়েছে। সমাধিক্ষেত্রের নিকটে নিযাম আল দিন আউলিয়ার দরগাহ রয়েছে। হুমায়ুন’স টম্বে ভারতীয়দের জন্য জনপ্রতি এন্ট্রি ফি ৩০ রুপি আর বিদেশীদের জন্য ৫০০ রুপি।
7>চাঁদনী চক (Chadni Chowk) :
পুরাতন দিল্লি শহরে আদি ও প্রকৃত ইন্ডিয়ান বাজারের স্বাদ নিতে হলে অবশ্যই চাঁদনী চক আসতে হবে। চাঁদনী চকে অসংখ্য মানুষের ভিড়, দর কষাকষি এবং অসংখ্য বিশৃঙ্খলার মধ্যেও অন্য এক প্রাণবন্ত দিল্লির নাগরিক জীবনের স্বরূপ দেখার সুযোগ পাওয়া যায়। এখানে বেশকিছু মন্দির, বাজার, রেস্টুরেন্ট ও সস্তার আবাসিক হোটেল আছে। চাদঁনী চকের ছোট ছোট দোকানগুলো ঘুরে দেখলে অবাক হবার মতো নতুন অনেকই খুঁজে পাওয়া যায়।
8>ন্যাশনাল জুলজিক্যাল পার্ক (National Zoological Park) :
বিচিত্র প্রায় বিপন্ন বন্য প্রাণীদের এক অভায়াশ্রমের নাম ন্যাশনাল জুলজিক্যাল পার্ক। এখানের সাদা বাঘ ও ইন্ডিয়ান হাতি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
দিল্লি ঘুরে দেখতে ট্যুর পেকেজেই ভালো। ডে ট্যুরের জনপ্রতি প্যাকেজ সাধারণত ৩০০-৫০০ রূপির মত হয়ে থাকে।
অথবা কয়েকজন একসাথে ঘুরতে চাইলে সারাদিনের জন্যে ১৮০০-২০০০ টাকায় ট্যাক্সি ভাড়া করে ঘোরা যায়।
কম সময়ে পৌছায় এমন ভালো ট্রেন সার্ভিসের মধ্যে রয়েছে শিয়ালদাহ স্টেশন থেকে শিয়ালদাহ রাজধানী এক্সপ্রেস, শিয়ালদাহ – নিউ দিল্লী এসি দুরন্ত এক্সপ্রেস। এছাড়া সময় বেশী লাগে এবং তুলনামূলক কম খরচে ট্রেনের মধ্যে আছে হাওড়া – নিউ দিল্লী দুরন্ত এক্সপ্রেস, হাওড়া কালকা মেইল ইত্যাদি।
=========================
(*******2/ক see more)
"লাল কিল্লা দিল্লি"
কেল্লাপ্রাঙ্গণের বিভিন্ন স্থাপনা:-----
এখানে দেখার আছে----
●দিওয়ান-ই-আম
●দিওয়ান-ই-খাস
●নহর-ই-বেহিস্ত
●জেনানা রংমহল
●মোতি মসজিদ
●হায়াত বক্স বাগ
লালকেল্লার অলংকরণ ও শিল্পকর্ম অতি উচ্চমানের। পারসিক, ইউরোপীয় ও ভারতীয় শিল্পকলার সংমিশ্রণে সৃষ্ট এই অভিনব শিল্পকলা ব্যঞ্জনাময়, বর্ণময় এবং স্বতন্ত্রতার দাবিদার। দিল্লির লালকেল্লা ভারতের সেই সকল স্থাপনাগুলোর অন্যতম যার সঙ্গে ভারতীয় শিল্পের যোগ ঐতিহাসিকসূত্রে গ্রথীত। স্থাপত্যসৌন্দর্যের বিচারেও এই দুর্গটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই কারণে ১৯১৩ সালে লালকেল্লা জাতীয় গুরুত্বসম্পন্ন স্থাপনা রূপে ঘোষিত হয় এবং সরকার কেল্লার রক্ষণাবেক্ষণের ভার স্বহস্তে গ্রহণ করে।
দুর্গের প্রাচীর মসৃণ এবং দৃঢ়। দুর্গের দুটি প্রধান দরজা : দিল্লিগেট ও লাহোরগেট। লাহোরগেট হল প্রধান দরজা। এই গেট দিয়ে ঢুকলে একটি লম্বা আচ্ছাদিত বাজারপথ পড়ে। এর নাম চট্টাচক। এই পথের দু দিকের দেওয়াল দোকানের মতো করে স্টল দিয়ে সাজানো। চট্টাচক ধরে সোজা এলে উত্তর-দক্ষিণ পথ পাওয়া যায়। এই পথটি আসলে দুর্গের পশ্চিমের সামরিকক্ষেত্র ও পূর্বের রাজপ্রাসাদের সীমানা। এই পথের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত দরজাটিই হল দিল্লিগেট।
লাল কেল্লার অভ্যন্তরীণ স্থাপনাসমূহ
●দিওয়ান-ই-আম
দিল্লিগেটের বাইরে একটি বড়ো মুক্তাঙ্গন রয়েছে। এটি এককালে দিওয়ান-ই-আম-এর অঙ্গন রূপে ব্যবহৃত হত। এখানে ঝরোখা নামে একটি অলংকৃত সিংহাসনে বসে সম্রাট জনসাধারণকে দর্শন দিতেন। এই স্তম্ভগুলো সোনায় চিত্রিত ছিল এবং সোনা ও রুপোর রেলিং দিয়ে সাধারণকে সিংহাসনের থেকে পৃথক করে রাখা হত।
●দিওয়ান-ই-খাস
দিওয়ান-ই-খাস ছিল পুরোপুরি শ্বেতপাথরে মোড়া একটি কক্ষ। এর স্তম্ভগুলো পুষ্পচিত্রে সজ্জিত ছিল। ভিতরের অলংকরণের কাজে ব্যবহৃত হয়েছিল প্রায়-মহামূল্যবান ধাতুসমূহ।
●নহর-ই-বেহিস্ত
সিংহাসনের পশ্চাতে ছিল সম্রাটপরিবারের নিজস্ব কক্ষগুলো। এই কক্ষগুলো দুর্গের পূর্বপ্রান্ত-ঘেঁষা দুটি কক্ষের সারির উপর অবস্থিত ছিল। এই সারি দুটি উচ্চ বেদীর উপর অবস্থিত ছিল এবং কক্ষগুলো থেকে যমুনা নদীর দৃশ্য দেখা যেত। কক্ষগুলো নহর-ই-বেহিস্ত (স্বর্গোদ্যানের জলধারা) নামে একটি নীরবচ্ছিন্ন জলধারা দ্বারা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এই জলধারা প্রত্যেক কক্ষের মাঝ বরাবর প্রসারিত ছিল। যমুনা নদী থেকে দুর্গের উত্তর-পূর্ব কোণে অবস্থিত শাহবুর্জ নামে একটি মিনারে জল টেনে তুলে এই জলধারাকে পুষ্ট করা হত। প্রাসাদটি নির্মিত হয়েছিল কুরআনে বর্ণিত স্বর্গোদ্যানের অনুকরণে। প্রাসাদের ভিতরের গাত্রে 'যদি পৃথিবীতে কোথাও স্বর্গ থাকে তবে তা এখানেই, তা এখানেই, তা এখানেই' কথাটি উপর্যুপরি দেওয়ালে খোদিত হয়েছিল। ইসলামি শিল্পকলা অনুযায়ী নির্মিত হলেও এই সব কক্ষে হিন্দু শিল্পকলার প্রভাবও খুঁজে পাওয়া যায়। প্রাসাদ প্রাঙ্গনটিকে মুঘল স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন বলে মনে করা হয়।
●জেনানা রংমহল
প্রাসাদের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত কক্ষ দুটি ছিল জেনানা বা মহিলাদের বাসস্থান। ছোটো কক্ষটির নাম মুমতাজ মহল (বর্তমানে একটি সংগ্রহালয়) এবং অপরটির নাম রংমহল। রংমহল তার চাকচিক্যময় অলংকৃত সিলিং এবং নহর-ই-বেহিস্ত-এর জলধারাপুষ্ট শ্বেতপাথরের জলাধারটির জন্য প্রসিদ্ধ।
●মোতি মসজিদ
হামামের পশ্চিমে রয়েছে মতি মসজিদ । এই মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল অনেক পরে। ১৬৫৯ সালে শাহজাহানের পুত্র ওউরাঙ্গজেব ব্যক্তিগত মসজিদ হিসেবে এটি নির্মাণ করেন। এটি একটি ছোটো, তিন-গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। এটি পুরো শ্বেতপাথরে নির্মিত।
●হায়াত বক্স বাগ
কেল্লার উত্তরে রয়েছে একটি আনুষ্ঠানিক উদ্যান। এর নাম হায়াত বক্স বাগ বা জীবন প্রদায়ী উদ্যান। উদ্যানটি দুটি পরস্পরচ্ছেদী জলধারা দ্বারা বিভক্ত। উত্তর-দক্ষিণ জলধারাটির দুই প্রান্তে দুটি কক্ষ রয়েছে। ১৮৪২ সালে শেষ সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর তৃতীয় কক্ষটি নির্মাণ করেন উদ্যানকেন্দ্রে দুই জলধারার ছেদনস্থলের উপরে।
লালকেল্লায় রাতের আলোকসজ্জা
লালকেল্লা পুরনো দিল্লির সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান। প্রতিবছর সহস্রাধিক পর্যটক এই কেল্লাটি দেখতে আসেন। এই কেল্লার প্রাঙ্গনেই প্রতি বছর ১৫ অগস্ট স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। লালকেল্লা পুরনো দিল্লির বৃহত্তম স্থাপনাও বটে।
বর্তমানে সন্ধ্যায় লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো’র মাধ্যমে কেল্লায় মুঘল ইতিহাসের প্রদর্শনী করা হয়। এখানে ভারতের স্বাধীনতাসংগ্রামে শহিদদের স্মৃতিতে একটি জাদুঘরও রয়েছে। এই জাদুঘর ছাড়াও রয়েছে একটি পুরাতাত্ত্বিক জাদুঘর ও একটি ভারতীয় যুদ্ধস্মারক সংগ্রহালয়।
======================
দিল্লি◆◆◆ ভ্রমণ গাইড::---
দিল্লির দর্শনীয় স্থান::---
১. লাল কেল্লাঃ
২. দিওয়ান-ই-আমঃ
৩. দিওয়ান-ই-খাসঃ
৪. নহর-ই-বেহিস্তঃ
৫. জেনানাঃ
৬. মোতি মসজিদঃ
৭. হায়াত বক্স বাগঃ
৮. কুতুব মিনারঃ
৯. লৌহ মিনারঃ
১০. আলাই মিনারঃ
১১. তুঘালকাবাদ দুর্গঃ
১২. ইন্ডিয়া গেটঃ
১৩. যন্তরমন্তরঃ
১৪. লোটাস টেম্পলঃ
১৫. জামা মসজিদঃ
১৬. পার্লামেন্ট ভবনঃ
১৭. হুমায়ুন সমাধিঃ
১৮. জাতীয় রেল মিউজিয়ামঃ
দিল্লিতে এগুলি ছাড়াও দেখার আছে–
১৯.অক্ষয় ধাম মন্দির
২০.ইসকন মন্দির
২১.সফদরজং টাওয়ার
২২.রাষ্ট্রপতি ভবন
২৩.শক্তিস্থল
২৪.বীরভুমি
২৫.শান্তিবন
২৬.রাজঘাট
২৭.লোধি টুম্ব
২৮.অহিংসা স্থল।
=========================
নিজে একলা অল্প খরচে ঘুড়ে বেড়ানো দিল্লী::---
তিন (3) দিন------
রেলষ্টেশন থেকে বের হয়ে হাতের বাম দিকে মিনিট খানেক এগিয়ে গেলেই পেয়ে যাবেন মেট্রো ষ্টেশন। এখান হতে টিকেট কাটুন রাজীব চওক এর জন্য, বেশী দূর নয়, পার্শ্ববর্তী ষ্টেশন। এবার দিল্লী এসে কমখরচে থাকার জায়গার খোঁজ। আমাদের সুবিধার জন্য আমরা থাকব দিল্লীর রাজীব চওক এলাকায়। কারণ রাজীব চওক হল আমাদের কাঙ্ক্ষিত তিনটি মেট্রো লাইনঃ ইয়েলো, ব্লু এবং পারপেল এর ক্রস ষ্টেশন। শতাধিক হোটেল রয়েছে এখানে, আপনার বাজেটের মধ্যে যা সবচেয়ে ভাল হয় উঠে পড়ুন। এখানে ৫০০-৫০০০ রুপীর মধ্যে হোটেল পাবেন।
কি কি দেখব তার তালিকা::--
(01) কুতুব মিনার
(02) লালকেল্লা
(03) নিজামুদ্দিন আউলিয়ার দরগাহ
(04) হুমায়ূনের টম্ব
(05) জামে মসজিদ
(06) চাঁদনীচক
(07) ইন্ডিয়া গেট
(08) লোটাস টেম্পল
(09) জন্তর-মন্তর
(10) স্বামী নারায়ন আকসার ধাম
(11) গান্ধী স্মৃতি
(12) লদী গার্ডেন
(13) লক্ষ্মী নারায়ণ (বিড়লা) মন্দির
(14) পুরানা কিল্লা
(15) সফদারগঞ্জ টম্ব।
দিল্লীর ট্রাফিক জ্যাম এড়াতে আমরা ব্যবহার করব দিল্লীর বিখ্যাত মেট্রোরেল। আসুন শুরু করা যাক। আমাদের লিস্টের পর্যটন কেন্দ্রগুলো মূলত দিল্লীর ছয়টি মেট্রো রুটের তিনটির মধ্যে আছেঃ ইয়েলো লাইন, ব্লু লাইন এন্ড পারপেল লাইন।
প্রথম দিনঃ
মেট্রোতে রাজীব চক --->অক্ষর ধাম।
আমরা প্রথম দিন শুরু করব ব্লু লাইন ধরে। প্রথমেই আমরা রাজীব চওক হতে টিকেট কাটব আকসার ধাম ষ্টেশন এর। এখানে দেখব স্বামী নারায়ন আকসার ধাম; এটা দেখা শেষে আমরা
Next---> মেট্রো করে চলে আসব ইন্দ্রপ্রস্থ ষ্টেশন।
এখানে আছে গান্ধী স্মৃতি কেন্দ্র, পাশেই বিখ্যাত ফিরোজ শাহ কোটলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম। এগুলো দেখা শেষে আমরা
Next-->চলে যাব পরবর্তী ষ্টেশন প্রগতি ময়দান, চাইলে পায়ে হেঁটেও যেতে পারেন, ঠিক পরের স্টপেজ। এখানে আছে বিখ্যাত ইন্ডিয়া গেট। তাই পায়ে হেঁটে আসটাই ভাল, রাস্তা দিয়ে দেখতে দেখতে যাবেন সেখানে।
এরপর মেট্রো করে চলে যান
Next---->রামকৃষ্ণ মার্গ আশ্রম ষ্টেশন, সেখানে আছে বিখ্যাত বিড়লা টেম্পল। চাইলে সকালবেলা এটা দিয়ে শুরু করে তারপর আকসার ধাম চলে যেতে পারেন। এতে করে সন্ধ্যেটা বিখ্যাত ইন্ডিয়া গেটে কাটাতে পারবেন।
এরপর আর কি আবার
Next ---->রাজীব চওক, এবং হোটেলে প্রস্থান। এইদিনের স্পটগুলো তথ্যাবলীঃ
(০১) স্বামী নারায়ন আকসার ধাম
অবস্থানঃ 5 Tees January Marg, Central New Delhi।
নিকটবর্তী মেট্রো ষ্টেশনঃ আকসার ধাম (Akshardham)
ভাড়াঃ রাজীব চওক থেকে আকসার ধাম - ১৫ রুপী
এন্ট্রি টিকেটঃ পূর্ণ বয়স্ক ১৭০ রুপী, সিনিয়র সিটিজেন ১২৫ রুপী, ৪-১১ বছরের শিশু ১০০ রুপী।
সময়সূচীঃ সকাল সাড়ে নয়টা থেকে সন্ধ্যে সাড়ে ছয়টা প্রতিদিন, সাপ্তাহিক বন্ধ সোমবার।
(০২) গান্ধী স্মৃতি
অবস্থানঃ রাজঘাট, নতুন দিল্লী।
নিকটবর্তী মেট্রো ষ্টেশনঃ ইন্দ্রপ্রস্থা (Indraprastha)
ভাড়াঃ আকসার ধাম থেকে ইন্দ্রপ্রস্থা – ১০ রুপী।
এন্ট্রি টিকেটঃ ফ্রি।
সময়সূচীঃ সকাল দশটা থেকে বিকেল পাঁচটা প্রতিদিন, সাপ্তাহিক বন্ধ সোমবার। এই পথে বোনাস হিসেবে পাশেই আছে ফিরোজ শাহ কোটলা স্টেডিয়াম, এক নজর দেখে নিতে পারেন।
(০৩) ইন্ডিয়া গেট
অবস্থানঃ কনট প্লেস এর নিকটে, নতুন দিল্লী।
নিকটবর্তী মেট্রো ষ্টেশনঃ প্রগতি ময়দান (Pragati Maidan)
ভাড়াঃ ইন্দ্রপ্রস্থা থেকে প্রগতী ময়দান - ০৮ রুপী।
এন্ট্রি টিকেটঃ ফ্রি।
সময়সূচীঃ ২৪ ঘণ্টা।
(০৪) পুরানা কিল্লা
অবস্থানঃ দিল্লী চিড়িয়াখানা রোড, মাথুরা, নতুন দিল্লী।
নিকটবর্তী মেট্রো ষ্টেশনঃ প্রগতি ময়দান (Pragati Maidan.)
ভাড়াঃ জোরবাগ থেকে – ১৮ রুপী।
এন্ট্রি টিকেটঃ বিদেশী পর্যটক ২০০ রুপী, ভারতীয় নাগরিক ২০ রুপী। ছবি তোলার ক্যামেরার জন্য কোন ফি নেই, ভিডিও’র জন্য ২৫ রুপী।
সময়সূচীঃ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
(০৫) লক্ষ্মী নারায়ণ (বিড়লা) মন্দির
অবস্থানঃ গোল মার্কেট, মান্দির মার্গ, কনট প্লেস, নতুন দিল্লী।
নিকটবর্তী মেট্রো ষ্টেশনঃ আর কে আশ্রাম মার্গ (R. K. Ashram Marg)
ভাড়াঃ প্রগতি থেকে আর কে আশ্রাম মার্গ – ১০ রুপী।
এন্ট্রি টিকেটঃ সবার জন্য উন্মুক্ত। মোবাইল, ফটো বা ভিডিও এর অনুমোদন নেই।
সময়সূচীঃ সকাল সাড়ে চারটা থেকে দুপুর দেড়টা; দুপুর আড়াইটা থেকে রাত নয়টা।
* আর কে আশ্রাম মার্গ থেকে রাজীব চওক মেট্রো ভাড়া ০৮ রুপী।
দ্বিতীয় দিন
দ্বিতীয় দিন সকালে আমরা শুরু করব ইয়েলো লাইন ধরে। আমরা প্রথমেই রাজীব চওক হতে ইয়েলো লাইনের টিকেট করে চলে যাব কুতুব মিনার ষ্টেশন। সেখান থেকে অটো রিকশা করে কুতুব মিনার দর্শন। এরপর সেখান থেকে আবার মেট্রো ষ্টেশন এসে টিকেট করব জোরবাগ পর্যন্ত। এখানে আমরা দেখব সফদারগঞ্জ টম্ব এবং সেখানে থেকে যাব প্যাটেল চওক সেখানে আছে বিখ্যাত জন্তর-মন্তর। জন্তর মন্তর ফুঁ ;) শেষে আমরা যাব চওরি বাজার ষ্টেশন। এখানে নেমে দিল্লী জামে মসজিদ দেখে পায়ে হেঁটে হেঁটে চলে আসব চাঁদনী চওক এলাকায়। এখানে ঘুরাঘুরি করে চলে যাব লালকেল্লা। সন্ধ্যের আগে আগে বের হয়ে এসে কিছু চা-নাস্তা করে আবার লালকেল্লা, রাতের লাইট এন্ড সাউন্ড শো দেখতে। এরপর পুরাতন দিল্লীর কাবাব আর বিরিয়ানি দিয়ে ডিনার করে চাঁদনী চওক মেট্রো ষ্টেশন হতে টিকেট করে সোজা রাজীব চওক। হোটেলে গিয়ে বিশ্রাম নিন। এইদিনের স্পটগুলো তথ্যাবলীঃ
(০৬) কুতুব মিনার
অবস্থানঃ মেহেরাউলি, দক্ষিণ নতুন দিল্লী।
নিকটবর্তী মেট্রো ষ্টেশনঃ কুতুব মিনার (Qutub Minar)
ভাড়াঃ রাজীব চওক থেকে কুতুব মিনার – ১৮ রুপী।
এন্ট্রি টিকেটঃ বিদেশী পর্যটক ৫০০ রুপী, ভারতীয় ৩০ রুপী। ১৫ বছরের নীচে ফ্রি।
সময়সূচীঃ সূর্যোদয়ের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত প্রতিদিন।
(০৭) সফদারগঞ্জ টম্ব
অবস্থানঃ সফদারগঞ্জ রোড এবং অরবিন্দ মার্গ এর রাস্তার মাঝে, নতুন দিল্লী।
নিকটবর্তী মেট্রো ষ্টেশনঃ জোরবাগ (Jorbagh)
ভাড়াঃ কুতুব মিনার থেকে জোরবাগ – ১৬ রুপী। এ
এন্ট্রি টিকেটঃ বিদেশী পর্যটক ২০০ রুপী, ভারতীয় নাগরিক ১৫ রুপী। ছবি তোলার ক্যামেরার জন্য কোন ফি নেই, ভিডিও’র জন্য ২৫ রুপী।
সময়সূচীঃ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
(০৮) জন্তর-মন্তর
অবস্থানঃ পার্লামেন্ট স্ট্রীট, কনট প্লেস, দিল্লী।
নিকটবর্তী মেট্রো ষ্টেশনঃ প্যাটেল চওক (Patel Chowk)
ভাড়াঃ জোরবাগ থেকে প্যাটেল চওক – ১২ রুপী।
এন্ট্রি টিকেটঃ বিদেশী পর্যটক ১০০ রুপী, ভারতীয় নাগরিক ০৫ রুপী।
(০৯) জামে মসজিদ
অবস্থানঃ পুরাতন দিল্লীর চাঁদনী চক এর বিপরীতে, লালকেল্লার সন্নিকটে।
নিকটবর্তী মেট্রো ষ্টেশনঃ চওরী বাজার (Chawri Bazaar)।
ভাড়াঃ প্যাটেল চওক থেকে চওরী বাজার – ১০ রুপী।
এন্ট্রি টিকেটঃ জামে মসজিদে প্রবেশে কোন এন্ট্রি ফি নেই। তবে ক্যামেরার জন্য ২০০ রুপী প্রদান করতে হয়।
সময়সূচীঃ সূর্যাস্তের আগ পর্যন্ত নামাজের সময় ব্যতীত পুরো সময় পর্যটকদের জন্য খোলা থাকে।
(১০) চাঁদনীচক
অবস্থানঃ পুরাতন দিল্লীর জামে মসজিদ এর এলাকা এটি।
নিকটবর্তী মেট্রো ষ্টেশনঃ চাঁদনী চক (Chandni Chowk)।
ভাড়াঃ চওরি বাজার থেকে চাঁদনী চক - ০৮ রুপী। চাইলে হেঁটে হেঁটে পুরাতন দিল্লীর রূপ দেখে দেখে ঘুরে বেড়াতে পারেন জামে মসজিদ থেকে চাঁদনী চক হয়ে লালকেল্লা পর্যন্ত।
এন্ট্রি টিকেটঃ চাঁদনী চক হল পুরাতন দিল্লীর একটি বিখ্যাত এলাকা। এখানে পায়ে হেঁটে ঘুরে বেড়ান, কেনাকাটা করুন, বিখ্যাত কাবাব আর বিরিয়ানি চেখে দেখুন।
সময়সূচীঃ কাকডাকা ভোর হতে মধ্য রাত অবধি।
(১১) লালকেল্লা
অবস্থানঃ নেতাজী সুভাষ মার্গ, চাঁদনী চক, পুরাতন দিল্লী।
নিকটবর্তী মেট্রো ষ্টেশনঃ চাঁদনী চক (Chandni Chowk)।
ভাড়াঃ প্রযোজ্য নয়।
এন্ট্রি টিকেটঃ বিদেশীদের জন্য ৫০০ রুপী, ভারতীয়দের জন্য ৩৫ রুপী। ছবি তোলার জন্য কোন ক্যামেরা ফি নেই; তবে ভিডিও এর জন্য ২৫ রুপী।
সময়সূচীঃ সকাল ৯:০০টা থেকে বিকেল ০৬:০০টা। সোমবার সাপ্তাহিক বন্ধ।
বিশেষঃ সন্ধ্যে ছয়টার পর লাইট এন্ড সাউন্ড শো, প্রাপ্ত বয়স্ক ৮০ রুপী, শিশুদের জন্য ৩০ রুপী। চাঁদনী চক থেকে রাজীব চওক মেট্রো ভাড়া ১০ রুপী।
তৃতীয় দিন
তৃতীয় দিন আমাদের রুট হল পারপেল লাইন। এদিন আমরা দিল্লী হতে ব্যাক করব, তাই এদিনের লিস্ট ছোট। প্রথমেই সকাল বেলা রাজীব চওক হতে জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়াম স্টেশনে চলে আসুন। এখানে একে একে দেখুন হুমায়ুন টম্ব, নিজামুদ্দিন আউলিয়ার দরগাহ, লদী গার্ডেন। আর স্টেডিয়ামে তো চোখ যাবেই। এখান থেকে এবার টিকেট কাটুন কালকা মন্দির এর, সেখানে আছে বিখ্যাত লোটাস টেম্পল। মন ভরে দেখে নিয়ে ব্যাক করুন রাজীব চওক। আর যদি সকাল বেলা ব্যাগ নিয়েই বের হন, তাহলে সুবিধামত সময়ে চলে আসুন রেল ষ্টেশন ফিরতি ট্রেন ধরার জন্য।
(১২) হুমায়ূনের টম্ব
অবস্থানঃ নিজামুদ্দিন ইষ্ট, মথুরা রোড, নতুন দিল্লী।
নিকটবর্তী মেট্রো ষ্টেশনঃ জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়াম (Jawaharlala Nehru Stadium)
ভাড়াঃ সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট থেকে – ১২ রুপী।
এন্ট্রি টিকেটঃ বিদেশী পর্যটক ৫০০ রুপী, ভারতীয় ৩০ রুপী। ১৫ বছরের নীচে ফ্রি। ছবির জন্য কোন ক্যামেরা চার্জ নেই, ভিডিও চার্জ ২৫ রুপী।
সময়সূচীঃ সূর্যোদয়ের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত, বেটার ভিউ পাওয়া যায় শেষ বিকেলের দিকে।
(১৩) নিজামুদ্দিন আউলিয়ার দরগাহ
অবস্থানঃ নিজামুদ্দিন ইষ্ট, মথুরা রোড, নতুন দিল্লী।
নিকটবর্তী মেট্রো ষ্টেশনঃ জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়াম (Jawaharlala Nehru Stadium)
ভাড়াঃ সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট থেকে – ১২ রুপী।
এন্ট্রি টিকেটঃ সবার জন্য উন্মুক্ত।
সময়সূচীঃ সকাল থেকে রাত অবধি।
(১৪) লদী গার্ডেন
অবস্থানঃ লদী রোড, হুমায়ুন এর মাজার এর কাছে, নতুন দিল্লী।
নিকটবর্তী মেট্রো ষ্টেশনঃ জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়াম (Jawaharlala Nehru Stadium)
ভাড়াঃ জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়াম থেকে – ১৫ রুপী। এ
এন্ট্রি টিকেটঃ সবার জন্য উন্মুক্ত।
সময়সূচীঃ সকাল থেকে রাত আটটা অবধি।
(১৫) লোটাস টেম্পল
অবস্থানঃ নেহেরু প্লেস এর নিকটে, দক্ষিণ নতুন দিল্লী।
নিকটবর্তী মেট্রো ষ্টেশনঃ কালকাজি মান্দির (Klkaji Mandir)
ভাড়াঃ জোরবাগ থেকে – ১৮ রুপী।
এন্ট্রি টিকেটঃ সবার জন্য উন্মুক্ত।
সময়সূচীঃ সকাল নয়টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
=====================
No comments:
Post a Comment