Wednesday, November 2, 2022

86>আগ্রা ভ্রমন গাইড::---

 


86>আগ্রা ভ্রমন গাইড::---


রেলপথে: আগ্রার পাঁচটি রেলওয়ে স্টেশন রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে 

1)আগ্রা ক্যান্ট, 

2)রাজা কি মান্ডি, 

3)আগ্রা সিটি,

4)আগ্রা ফোর্ট রেলওয়ে স্টেশন এবং 5)ইদগাহ রেলওয়ে স্টেশন। 

============

আগ্রার দর্শনীয় স্থান::--13+9+15=37

সর্ব মোট 37 টি স্থান দেখতে দুই কি তিন দিনের টুরের পোগ্রাম করতে হয়।

এবং কার ভাড়া করেই ঘুরতে হবে।


1>তাজমহল: 

2>আগ্রা ফোর্ট::--

বর্তমানে কেবলমাত্র আমর সিং গেট দিয়েই পর্যটকরা দূর্গে প্রবেশ করে (প্রবেশ মূল্য ২০ টাকা ও সময় সূর সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত)। দুর্গে একে একে দেখতে হবে- 9টি দর্শনীয়---

     ,( ১●দেওয়ান-ই-খাস,

     ২●শাহজাহানের তৈরি 

           দেওয়ান-ই-আম, 

     ৩●মোতি মসজিত,

     ৪●মচ্ছিভবন,

     ৫●হামাম,

     ৬●শিশমহল, 

     ৭●খাসমহল, 

     ৮●জাহাঙ্গির প্রাসাদ, 

     ৯●কুখ্যাত মুসম্মন বুরুজ বা জেসমিন 

        প্রাসাদ, )


3>ইতমৎউদ্দোলার সমাধি::--

4>চিনিকা রোজা::--

5>সিকান্দ্রা:;--

6>ফতেপুর সিক্রি::--

 এখানে দেখা যাবে 15 টি দর্শনীয় স্থান--

        (১●সেলিম চিন্তার শ্বেতপ্রাশাদের  

            সমাধি সৌধ

        ২●দেওয়ান-ই-আম

        ৩●দেওয়ান-ই-খাস

        ৪●যোধাবাই প্রাসাদ

        ৫●মারিয়ামের প্রাসাদ 

        ৬●পচিশি কোট

        ৭●হাওয়ামহল

        ৮●বীরবলের প্রাসাদ

        9●পঞ্চমহল

        ১০●জামা মসজিদ

        ১১●কারাভানসরাই

        ১২●হাথি পোল

        ১৩●হামাম

        ১৪●হিরণ মিনার

         ১৫●আকবরের প্রাসাদ (Tomb of 

            Akbar the Great) 

        ★প্রবেশমূল্য ৩০ টাকা। 

      সময় সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত। )


7>আকবরের সমাধি।

8>মেহতাব বাগ।

9>আঙ্গুরী বাগ।

10>ডলফিন ওয়াটার পার্ক।

11>সুর সরোবর পাখির অভয়ারণ্য।

12>গুরুদ্বার গুরু কা তাল।

13>রাজা যশবন্ত সিংহের ছত্রী।


××××××××××××××××××××××××



★1>তাজমহল: 


তাজমহল ভারতের আগ্রায় অবস্থিত একটি রাজকীয় সমাধি। মুঘল সম্রাট শাহজাহান তাঁর স্ত্রী আরজুমান্দ বানু বেগম যিনি মুমতাজ মহল নামে পরিচিত, তার স্মৃতির উদ্দেশ্যে এই অপূর্ব সৌধটি নির্মাণ করেন। সৌধটি নির্মাণ শুরু হয়েছিল ১৬৩২ খ্রিস্টাব্দে যা সম্পূর্ণ হয়েছিল প্রায় ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে। সৌধটির নকশা কে করেছিলেন এ প্রশ্নে অনেক বিতর্ক থাকলেও, এ পরিষ্কার যে শিল্প-নৈপুণ্যসম্পন্ন একদল নকশাকারক ও কারিগর সৌধটি নির্মাণ করেছিলেন যারা উস্তাদ আহমেদ লাহুরীর সাথে ছিলেন, যিনি তাজমহলের মূল নকশাকারক হওয়ার প্রার্থীতায় এগিয়ে আছেন।



তাজমহল

তাজমহলকে (কখনও শুধু তাজ নামে ডাকা হয়) মুঘল স্থাপত্যশৈলীর একটি আকর্ষণীয় নিদর্শন হিসেবে মনে করা হয়, যার নির্মাণশৈলীতে পারস্য, তুরস্ক, ভারতীয় এবং ইসলামী স্থাপত্যশিল্পের সম্মিলন ঘটানো হয়েছে। যদিও সাদা মার্বেলের গোম্বুজাকৃতি রাজকীয় সমাধীটিই বেশি সমাদৃত, তাজমহল আসলে সামগ্রিকভাবে একটি জটিল অখণ্ড স্থাপত্য। এটি ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিল। তখন একে বলা হয়েছিল "universally admired masterpiece of the world's heritage।"


১৬৩১ খ্রিস্টাব্দে শাহ জাহান, যিনি মুঘল আমলের সমৃদ্ধশালী সম্রাট ছিলেন। তার দ্বিতীয় স্ত্রী মুমতাজ

মহল-এর মৃত্যুতে প্রচণ্ডভাবে শোকাহত হয়ে পড়েন। মুমতাজ মহল তখন তাদের চতুর্দশ কন্যা সন্তান গৌহর বেগমের জন্ম দিতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছিলেন।


তাজমহলের নির্মাণ কাজ মুমতাজের মৃত্যুর খুব শীঘ্রই শুরু হয়। মূল সমাধিটি সম্পূর্ণ হয় ১৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে এবং এর চারদিকের ইমারত এবং বাগান আরও পাঁচ বছর পরে তৈরি হয়।



আগ্রা ফোর্ট ষ্টেশন

তাজমহল তৈরি হয়েছে বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী নকশার উপর, বিশেষ করে পারস্য ও মুঘল স্থাপত্য অনুসারে। নির্দিষ্ট কিছু নকশা তিমুর ও মুঘল ইমারতের মত হুবুহু করা হয়েছে। যাদের মধ্যে তিমুরের গুর-ই-আমির, সমরখন্দে মুঘল সাম্রাজ্যের পূর্বসূরী, হুমায়ূনের মাজার, ইমাদ-উদ-দৌলার মাজার (কখনো ডাকা হয় শিশু তাজ নামে), এবং দিল্লীতে শাহজাহানের নিজের তৈরি দিল্লী জামে মসজিদ। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায়, মুঘল ইমারত পরিমার্জনের এক নতুন স্তরে পৌছায়। যেখানে পূর্ববর্তী মুঘল ইমারতসমূহ তৈরি হয়েছিল লাল বেলে পাথরে, শাহজাহান চালু করেছিলেন সাদা দামি মার্বেল পাথরের প্রচলন।


তাজমহলের সামনের চত্বরে একটি বড় চারবাগ (মুঘল বাগান পূর্বে চার অংশে বিভক্ত থাকতো) করা হয়েছিল। ৩০০ মিটার X ৩০০ মিটার জায়গার বাগানের প্রতি চতুর্থাংশ উচু পথ ব্যবহার করে ভাগগুলোকে ১৬টি ফুলের বাগানে ভাগ করা হয়। মাজার অংশ এবং দরজার মাঝামাঝি আংশে এবং বাগানের মধ্যখানে একটি উঁচু মার্বেল পাথরের পানির চৌবাচ্চা বসানো আছে এবং উত্তর-দক্ষিণে একটি সরল রৈখিক চৌবাচ্চা আছে যাতে তাজমহলের প্রতিফলন দেখা যায়। এছাড়া বাগানে আরও বেশ কিছু বৃক্ষশোভিত রাস্তা এবং ঝরনা আছে।


 



★2>আগ্রা ফোর্ট::--


আগ্রা ফোর্ট: তাজমহলের ২ কিমি উত্তর-পশ্চিমে আকবর ১৫৬৫-এ নির্মান করান সুবিশাল আগ্রা কেল্লা। গভীর পরিখাবেস্টিত লাল রঙের বেলে পাথরের আগ্রা ফোর্টে প্রবেশের জন্য ছিল চারটি তোরণ - আমর সিং গেট, দিল্লি গেট, ওয়াটার গেট ও দর্শনী দরওয়াজা। 


★বর্তমানে কেবলমাত্র আমর সিং গেট দিয়েই পর্যটকরা দূর্গে প্রবেশ করে (প্রবেশ মূল্য ২০ টাকা ও সময় সূর সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত)। দুর্গে একে একে দেখবেন- 

●দেওয়ান-ই-খাস,

●শাহজাহানের তৈরি দেওয়ান-ই-আম, 

●মোতি মসজিত,

●মচ্ছিভবন,

●হামাম,

●শিশমহল, 

●খাসমহল, 

●জাহাঙ্গির প্রাসাদ, 

●কুখ্যাত মুসম্মন বুরুজ বা জেসমিন প্রাসাদ, 


যেখানে পুত্র ঔরঙ্গজেবের হাতে শাজাহান বন্দি ছিলেন। বলা হয় প্রিয়তমার স্মৃতি বিজড়িত তাজমহলের দিকে ক্লান্তিহীন চোখে তাকিয়ে থাকতে থাকতে এখানেই তিনি শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। 

আগ্রা ফোর্টের কাছেই স্টেশনের উলটো দিকে বেগম জাহানারার তৈরি জামা ★মসজিদটিও দেখে নিতে পারেন। 




★3>ইতমৎউদ্দোলার সমাধি::--


 ইতমৎউদ্দোলার সমাধিঃ যমুনার অপর পাড়ে তাজমহল থেকে প্রায় ৭ কিমি দূরে দুধ সাদা মার্বেলের অসাধারণ এই সমাধি সৌধ জাহাঙ্গিরের প্রধানমন্ত্রী ও সাম্রাঞ্জী নুরজাহানের পিতা গিয়াসউদ্দিন বেগমের স্মৃতিতে নির্মিত। এখানে নুরজাহানের মাকেও সমাধিস্থ করা হয়েছিল। সৌধের ভেতরে শ্বেতপাথরের সূক্ষ্ম জালির কাজ তাজমহলের অন্দর ভাগের থেকে কোনও অংশে কম নয়। এটি ভারতের তৈরি প্রথম সমাধি সৌধ যাতে পারস্য থেকে আনা মোজাইক ব্যবহার করা হয়েছিল। 



★4>চিনিকা রোজা::--


চিনিকা রোজাঃ এটি ইতমৎউদ্দৌলা থেকে মাত্র ১ কিমি. দূরে শাজাহানের প্রধানমন্ত্রী তথা প্রখ্যাত ফার্সি কবি আফজল খাঁর সমাধি সৌধ। নিজের মৃত্যুর আগেই আফজল খাঁ এই সৌধটি তৈরি করিয়েছিলেন। এখনে তাঁর বেগমকেও সমাধিস্থ করা হয়।



★5>সিকান্দ্রা:;--


সিকান্দ্রাঃ লোদি অধিপতি সিকান্দার লোদি ১৪৯২ সালে আগ্রার ১০ কিমি. উত্তরে এই স্থান দখল করেন সিকান্দ্রাবাদ। এখানে দেখবেন আকবরের পাঁচতলা সমাধিসৌধ। সম্রাট স্বয়ং এই সৌধের পরিকল্পনা করে কাজ শুরু করে দেন। এটি অবশ্য সম্পূণতা লাভ করে পুত্র জাহাঈিরের হাতে। এই সৌধের ভুগর্ভে প্রকৃত কবর ও ওপরে নকল কবর। কবরের কাছেই গোলাকার পাথরে একসময় শোভা পেত জগৎবিখ্যাত কহিনুর হীরা। মুঘল সাম্রাজ্যের স্বারনজুগে এখানকার প্রধান তোরণটি ছিল চন্দন কাঠের। আর এই তরণের রুপোর ছাদে ছিল সোনার কারুকাজ। ★এখানে প্রবেশমূল্য ২০ টাকা। 





★6>ফতেপুর সিক্রি::--


ফতেপুর সিক্রিঃ আগ্রার ৩৭ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে ১৫৬৯ সালে আকবর এখানেই তাঁর রাজধানী স্থানান্তরিত করেছিলেন। সম্ভবত জলাভাবের করণে বছর পনেরো বাদে এই নতুন রাজধানী পরিত্যক্ত হয়। জনশ্রুতি এই যে সন্তানহীন আকবর ফতেপুরের ফকির সেলিম চিস্তির শরণাপন্ন হয়ে পুত্রসন্তান লাভ করেন। ফকিরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ফতেপুরের শৈল্যশিখরে হিন্দু ও মুসলিম স্থাপত্যশৈলীর সমম্বয়ে গড়ে তোলেন দুর্গ ও একাধিক প্রাসাদ। আকবরের গুজরাত বিজয়ের স্মৃতিতে ১৫৭৫ সালের এপ্রিলে সমাপ্ত হয় ১৭৬ ফুট (৫৪ মিটার) উঁচু এশিয়ার উচ্চতম প্রবেশদ্বার ‘বুলন্দ দরওয়াজা’। 

এছাড়াও ফতেপুর সিক্রিতে আকর্ষণীয়-

●সেলিম চিন্তার শ্বেতপ্রাশাদের সমাধি সৌধ

●দেওয়ান-ই-আম

●দেওয়ান-ই-খাস

●যোধাবাই প্রাসাদ

●মারিয়ামের প্রাসাদ 

●পচিশি কোট

●হাওয়ামহল

●বীরবলের প্রাসাদ

●পঞ্চমহল

●জামা মসজিদ

●কারাভানসরাই

●হাথি পোল

●হামাম

●হিরণ মিনার

●আকবরের প্রাসাদ (Tomb of Akbar the Great) 

★প্রবেশমূল্য ৩০ টাকা। 

সময় সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত। 




এই প্রধান দ্রষ্টব্যগুলি ছাড়াও আগ্রাতে দেখবেন-

●জামা মসজিত 

●রামবাগ

●শহিদস্মারক

●দয়ালবাগে শ্বেতপাথরের তৈরি রাধাস্বামী সমাধিমন্দির

●মনকামেশ্বর মন্দির

●রাওয়ালি মহাদেব মন্দির

●রাজেস্বার মহাদেব মন্দির

●কালিদেবী মান্দির

●চামুন্দাদেবী মান্দির।



★7>আকবরের সমাধি


  আকবরের সমাধিটি 119 একর এলাকা জুড়ে রয়েছে এবং এটি সম্রাট নিজেই তৈরি করেছিলেন। এটি শহরের কেন্দ্র থেকে আট কিলোমিটার পশ্চিমে মথুরা রোডে (NH2) আগ্রার শহরতলীতে অবস্থিত। সমাধিটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য বেলেপাথরের কাঠামোর জ্যামিতিক নিদর্শনের জন্য, চার-স্তর বিশিষ্ট পিরামিড, মার্বেল প্যাভিলিয়ন, সাদা মিনার এবং প্যানেলগুলিতে জড়ো করা। সমাধির চারপাশে একটি সুসংহত বাগান রয়েছে, যেখানে কেউ বিশাল সমাধি দেখতে পারে।


★8>মেহতাব বাগ::--


  মেহতাব বাগ হল আগ্রার সবচেয়ে নৈসর্গিক স্থানগুলির মধ্যে একটি, উত্তরে তাজমহল, এবং বিপরীত দিকে আগ্রা ফোর্ট এবং যমুনা নদী দেখা যাচ্ছে। বাগানটি তাজমহলের দৃশ্যও দেখায়। মুঘল সম্রাট বাবরের দ্বারা নির্মিত 11টি আনন্দ উদ্যান ছিল বলে জানা যায় এবং এই বাগটিই ছিল সর্বশেষ। হাঁটার রাস্তা, ফোয়ারা এবং প্যাভিলিয়নগুলির জন্য এটি অবসরে হাঁটার জন্য একটি সুন্দর জায়গা।


★9>আঙ্গুরী বাগ::---


 আঙ্গুরি বাগ, আঙ্গুর বাগান নামেও পরিচিত, আগ্রার অন্যতম জনপ্রিয় ভ্রমণ গন্তব্য। এই মোহনীয় পর্যটন গন্তব্যটি দক্ষিণ, উত্তর এবং পশ্চিমে লাল বেলেপাথর এবং পূর্বে একটি আকর্ষণীয় খাস মহল দ্বারা শোভিত। মুঘল সম্রাজ্ঞীর মহিলারা এই এলাকায় অবসরে ঘুরে বেড়াতেন। পার্কটিতে 85টি প্রতিসম বাগান, একটি চমত্কার ফোয়ারা এবং একটি কমনীয় পুল রয়েছে যা এটিকে দেখার জন্য একটি মনোরম জায়গা করে তোলে।


★10>ডলফিন ওয়াটার পার্ক::--


 এই পার্কটি 2002 সালে উদ্বোধন করা, ডলফিন ওয়ার্ল্ড ওয়াটার পার্কটি 14 একরের বেশি ভূখণ্ডে বিস্তৃত এবং স্লাইড, রোলার কোস্টার, জল এবং অন্যান্য দ্বারা পরিপূর্ণ রাইড তা ছাড়াও, এটিতে একটি বিনোদন পার্ক, একটি শিশুদের খেলার এলাকা, একটি লকার রুম এবং আরও অনেক কিছু রয়েছে, যা এটিকে আগ্রার পর্যটন স্থানগুলির মধ্যে সবচেয়ে মজাদার করে তোলে ৷ এই জল-ভিত্তিক থিম পার্কে বিভিন্ন ধরণের রাইড এবং মজাদার গেমস পাওয়া যায়, পাশাপাশি শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য আলাদা সুইমিং পুল রয়েছে। সময় : 11:30 AM – 6:00 PM কীভাবে পৌঁছাবেন: ওয়াটার পার্কটি NH-2 এর ঠিক দূরে অবস্থিত এবং গাড়িতে যাওয়া যায়।


★11>সুর সরোবর পাখির অভয়ারণ্য::---


  দিল্লি-আগ্রা হাইওয়ে (NH2) এ আগ্রা থেকে 20 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, সুর সরোবর পাখি অভয়ারণ্য বিভিন্ন প্রজাতির পাখির আবাসস্থল। 7.97 বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অবস্থিত, পাখি অভয়ারণ্যটি 1991 সালে একটি জাতীয় পাখি অভয়ারণ্য মনোনীত করা হয়েছিল। সুন্দর কিথাম লেক এটিকে পরিবার এবং বন্ধুদের সাথে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য একটি দুর্দান্ত জায়গা করে তোলে। প্রতি বছর 106 ধরনের পাখি সুর সরোবরে পাড়ি জমায়। এছাড়াও, এটি অসংখ্য প্রজাতির পাখির আবাসস্থল যেমন লিটল গার্ব, কমন টিল, বেগুনি হেরন, ক্যাটল এগ্রেট, ডার্টার এবং পিনটেল। 



★12>গুরুদ্বার গুরু কা তাল::--


 আগ্রার অন্যতম জনপ্রিয় আধ্যাত্মিক আকর্ষণ, গুরুদ্বারা গুরু কা তাল একটি বিশিষ্ট শিখ তীর্থস্থান আকর্ষণ। আগ্রার কাছে সিকান্দ্রায় অবস্থিত, গুরুদ্বারটি আওরঙ্গজেবের কাছে গুরু তেগ বাহাদুরের আত্মসমর্পণের স্মরণ করে। আগ্রা ফোর্ট এবং ফতেহপুর সিক্রির মতো লাল পাথর দিয়ে তৈরি, এই স্মৃতিস্তম্ভটি হাজার হাজার ভক্তকে আকর্ষণ করে যারা গুরুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বছরের পর বছর এই সাইটে ভিড় করে।


★13>রাজা যশবন্ত সিংহের ছত্রী::---


 The Chhatri of Raja Jaswant Singh খিলানযুক্ত স্তম্ভ সহ একটি ছাউনির মতো ডিজাইন করা হয়েছে। মুঘল সাম্রাজ্যের সময় নির্মিত আগ্রার একমাত্র হিন্দু স্মৃতিস্তম্ভ বলে বিশ্বাস করা হয়, এটি 1644 থেকে 1658 সালের মধ্যে নির্মিত হয়েছিল। রাজস্থানের বুন্দির রাজকন্যা রানী হাদা, যিনি রাজা অমর সিং রাঠোরের সাথে বিয়ে করেছিলেন, এই স্মৃতিস্তম্ভটি স্মরণ করে। এর জালি বা পাথরের জাল দিয়ে, এটি হিন্দু এবং মুঘল স্থাপত্য শৈলীর একটি আকর্ষণীয় সমন্বয়।





আগ্রা ঘুরে দেখতে কত দিন লাগে?

আগ্রার ঐতিহাসিক সৌন্দর্য দেখার জন্য প্রায় 2 দিন যথেষ্ট হওয়া উচিত।


আগ্রা দেখার সেরা ঋতু  শরৎ এবং শীতকাল হল সেরা সময় ।

=======================


আগ্রাতে সরকারি ও বেসরকারি কন্ডাক্টেট ট্যুরের (কমবেশি ২০০ টাকা ) প্রচলন থাকলেও কোনও ট্যুরেই সব জায়গা দেখায় না। তাই উচিত  নিজ উদ্যোগে গাড়ি (২০০০-৩০০০ টাকা গাড়ি অনুসারে) বা অটো (৭০০ টাকা) বুক করে উল্লেখিত জাইগাগুলি ঘুরে নেওয়া। 


ঐতিহাসিক ফতেপুর সিক্রিতে একরাত কাটাতে চাইলে পাবেন পযটন বিভাগের- রাহি গুলিস্তান টুরিস্ট কমপ্লেক্স (০৫৬১৩-২৮২৪৯০) এবং বেসরকারি গোবধন টুরিস্ট কমপ্লেক্স (২৮২৬৮৩)। ফতেপুর সিক্রির গাইড চার্জ ১০০-১৫০ টাকা।


★মনে রাখবেন অটো ফতেপুর সিক্রি যায় না।


প্রয়োজনীয় তথ্য ও ফোন নম্বরঃ-

এস এন মেডিক্যাল কলেজ হসপিটাল-২৩৬১৩১৪/৩১৮, টুরিস্ট পুলিশ- ২৪২১২০৪, ডি এম- ২২৬০১৮৪/২৩৬,১২১০, এস পি- ২২৬২২২১/২২২৭২৫৫



_____________________________________________________


No comments:

Post a Comment