Sunday, November 13, 2022

90>★★||মিশর ভ্রমণের অভিজ্ঞতা।

 90>★★||মিশর ভ্রমণের অভিজ্ঞতা।।M,B,+ to Samya For SV2 =SOUVENIR 2022 =ম্যাগাজিনেরজন্য।

             <-----আদ্যনাথ--->
মমি  দেখেছিলাম কোলকাতার মিউজিয়ামে।
জীবনে ঘুরেছি অনেক দেশ বিদেশের নানান স্থানে, শহর,গ্রাম,পাহাড়,পর্বত,জঙ্গল,ঘুরতে হয়েছে কাজে ও ঘুরে বেড়াবার আনন্দে। তথাপি মনের আশ মেটেনি । যতই দেখি আরো দেখবার ইচ্ছাগুলি মনকে তারা করে চলে। মনের মতন জায়গাতে যেতে পারলে মনে ভীষণ আনন্দ লাগে।
সেদিন রাত্রে হঠাৎ সাম্য আমায় বললো,
বাবা, জাবেনাকি মিশরে ?
প্রথমে মনে করলাম বুঝি ভুল শুনলাম, তাই জিজ্ঞাসা করলাম কি বলছো?
কোথায় যাবে?
সাম্য বললো উত্তর আফ্রিকা মিশর সেই মমি ও পিরামিড দেখতে।
আমি মহা উৎসাহে বলেছিলাম হ্যাঁ হ্যাঁ যাবো ,
কবে যাবে ?
সাম্য বললো দাড়াও আগে ভিসা এবং অফিসের ছুটি এমন সকল ব্যবস্থা গুলো করি।
আমি নিজে  রিটায়ার্ড মানুষ এখন বয়সও হয়েগেল 69 বৎসর আর তাই আমার তো আর অফিসের ছুটির চিন্তা নাই  আমি তখন থেকেই এক ভীষণ  আনন্দ অনুভব করতে লাগলাম ,আর দিন গুনতে থাকলাম কবে আমার সেই ছোটবেলার স্বপ্ন পূর্ণ হবে।
কবে মমির দেশ ঘুরতে যাব।

একদিন সত্যই সেইদিন আসলো।
আমার স্বপ্ন পুরনের দিন আসলো।
দিনটি ছিল ৩১ মার্চ ২০১৯ রবিবার আমরা বেরিয়ে পড়লাম।

মমির দেশে সাতরাত্রি ও আটদিন,
সে এক রোমাঞ্চকর অনুভূতির দিন।
আমারদের পোগ্রাম ছিল ------
(কায়রো,--আসওয়ান---ইডফু--লক্সোর---কায়রো,-- আলেকজান্দ্রিয়া।)

মিশরের পর্যটন আকর্ষণ::---

A>=কায়রো, মিশর
B>=আসওয়ান, মিশর
C>=সূদানেমিশরের আলেকজান্দ্রিয়া,
        স্ট্যানলি সেতু
D>=কর্ণাক মন্দির,
E>=নীল নদে জাহাজ ভ্রমণ
F>গিজার পিরামিড
G>ভ্যালি অফ দা কিং
H>=মিশরে আবু সিম্বেল-এর মন্দির                                                                      
  ================================     

এবারে আমাদের ভ্রমণের প্রতি দিনের কিছু বিবরণ। যদিও সম্পূর্ণ বিবরণ দেওয়া আমার পক্ষে অসম্ভব।
কারণ আমি নিজে ইতিহাসের স্টুডেন্ট নোই। এবং ইতিহাস সম্পর্কে জ্ঞানও অতি সামান্য।
তাই যতটুকু গাইডদের মুখে শুনেছি তার কিছু সামান্য অংশই মনে রাখতে পেরেছি। যেটুকু মনে রাখতে পেরেছি তারই সামান্য কিছু এখানে  লেখার চেষ্টা করছি ।
কারণ সম্পুর্ন লিখতে গেলে সে বিশাল হয়ে যাবে । তাইতো সামান্য অংশই লিখছি এখানে।

আমাদের যাত্রা হোল শুরুর::---

★★> প্রথম দিন-----(1st day) ::
*****-----৩১ মার্চ ২০১৯-----*****
""""""""""""""""রবিবার"""""""""""""'""

আমাদের যাত্রার প্রথম দিন শুরু হলো দম দম এয়ার পোর্ট থেকে।
৩০ মার্চ ২০১৯ শনিবার রাত্রি  ১১:৩০ মিনিট এআরপর্টের জন্য রওনা দিলাম ।
কারন আমাদের ফ্লাইট ভোর ০৪:২০ মিনিট  (অর্থাৎ 31/03/2019--04:20 am রবিবার।)
কলকাতা থেকে আবু ধাবি ফ্লাইট (EY 255) কোলকাতা নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস ইন্টারন্যাশনাল এআরপোর্ট থেকে প্লেন ঠিক সময় মতোই ৫ ঘণ্টায় আমাদের আবুধাবিতে পৌঁছে দিলো।
সেখান থেকে  সংযোগ কারি প্লেন ( EY 653) আবুধাবি থেকে  ৩ ঘণ্টায় কায়রো ইন্টার ন্যাশনাল  এআরপোর্টে পৌঁছলাম  ১১:৪৫এতে।
সেখান থেকে A/C বাসে করে পৌঁছে গেলাম হোটেলে ( CAIRO HOTEL "GRAND NILE TOWER" )
হোটেল রুম বুক করাই ছিলো। সেখানে দুপুরের খাবার খেয়ে একটু বিশ্রাম করে সন্ধায় গিজার
ঐতিহাসিক লাইট এন্ড  সাউন্ড পোগ্রাম দেখতে গেলাম।
( LIGHT & SOUND SHOW AT THE GREAT PYRAMID OF GIZA )  এক ঘণ্টার অবিশ্বাস্য লাইট ও সাউন্ড এর পোগ্রাম উপভোগ করলাম।
সন্ধায় এখানে প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে সকলেই কম্বল ভাড়া করে ,গায়ে জড়িয়ে নিয়ে বসে দেখলাম এক ঘণ্টার অবিশ্বাস্য পোগ্রাম গোধূলি লগ্নে । (ওখানেই কাউন্টারের পাশে কম্বল ভাড়া পাওয়া যায়, আমরা সকলেই ওখান থেকে কম্বল ভাড়ানিয়ে ছিলাম )
দেখলাম সেই ঐতিহাসিক .GREAT SPHINX
( মিশরের অতিকায় মূর্তি যার দেহ সিংহের মতন ও মাথা স্ত্রীলোকের মতন। )
মনে হলো এই এক ঘন্টা  ওই  SPHINX ই যেন দর্শকের দিকে মুখ করে অনর্গল নাটকীয় ভাবে বিস্তারিত মিশরের পৌরাণিক ইতিহাসকে লাইট এন্ড  সাউন্ড এর মাধ্যমে আমাদের  বুঝিয়ে দিচ্ছিল।
সম্পূর্ণ মিশরের ঐতিহাসিক ঘটনা। কেন, কীভাবে, এখানে তৈরি হয়েছিল এই পিরামিড সকল ।
সেই সকল ঘটনাকে চাক্ষুষ দেখিয়ে দিচ্ছে লাইট এন্ড  সাউন্ড এর মোহিত করা নাটকীয় শুর ও ছন্দ।
পিরামিডের অনেক অজানা তথ্য এমন সুন্দর করে বর্ণনা করছিলো যেন মনে হলো মমি গুলি জেগে উঠে কাজে লেগে পড়েছে। পরিশ্রমী মানুষেরা বড়ো বড়ো পাথর কি সুন্দর ভাবে বয়ে নিয়ে একে একে
সাজিয়ে তৈরী করছে পিরামিড। কিছু মানুষ পিরামিডের ভেতরে এক একটি প্রকোষ্ঠ তৈরীকরতে ব্যস্ত।
পিরামিড গুলি যেন এক একটি প্রাচীন ঐতিহাসিক মহা মূল্যবান  খনি গর্ভ।
বিশ্ব ঐতিহ্যের নানা নিদর্শন ও স্থাপনা ছড়িয়ে রয়েছে সমগ্র মিশর জুড়ে।
এহেন শো দেখে মনে এক অদ্ভুত অনুভূতির শিহরণ নিয়ে ফিরলাম কায়রোর “Grand Nile Tower”-হোটেলে
রাত্রে এলাহী খাবার ব্যবস্থা।
তারপরে ঘুম।
ঘুম থেকে উঠেই দ্বিতীয় দিনের পোগ্রামের  জন্য তৈরী হলাম।                                                         

------------------------------------------
★★>দ্বিতীয় দিন--------(-2nd day) ::
*****-----১ এপ্রিল ২০১৯::-----*****
"""""""""""""""সোমবার""""""""""'""""""""
সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে  সকাল ৭ টায়  জলখাবারের ভুরি ভোজ, এলাহী ব্যবস্থা জল খাবারের।
যে যেমন পারো তেমন যত ইচ্ছা খাও। খাবারের মেনুতে শুধু ভাত ছাড়া সবই আছে। কত খাবার অতোগুলো খাবারের নাম বলাও  মুশকিল আমিষ,নিরামিষ কি নাই সেটাই বললাম। শুধু ভাত টাই নাই। অঢেল ফল বিশেষ করে খেঁজুর এতো  বরো বরো খেজুর এই প্রথম দেখলাম। কি অপুর্ব স্বাদ ,আঙ্গুর ,কলা ,কলা মানে এমন সুন্দর সুস্বাদু কলা ,যা বলে বোঝানো সম্ভব নয় ,সরবতী লেবু এক একটি লেবু আধা কিলো ,কি অপূর্ব যেমন মিষ্টি তেমনি সুস্বাদু।  যাইহোক জল খাবারের ভুরি ভোজ  সেরে লাগেজ গুটিয়ে এ সি বাসে   করে বেরিয়ে পড়লাম সালাদিন চিটাডেল ( SALADIN CITADEL ) দেখতে যেটি তৈরী করেছিলেন সালা আল-দিন, মকিউটাম পাহাড়ে in the year 1183 AD as a defense against Crusader armies.

সালাদিন চিটাডেলের  প্রসস্থ লন থেকে কায়রোর সুদূর প্রসারিত শহরটি  দেখে মন ভরেগেল কি অপূর্ব মনরম দৃশ্য এবং বিশুদ্ধহওয়া, সত্যি অপূর্ব  যার জন্য এই স্থান বিশেষ উল্লেখ যোগ্য। সত্যই কিসুন্দর হাওয়াদার জায়গা। এখান থেকে সম্পূর্ণ কায়রো শহরটি ছবির মতন  অপূর্ব দেখাছিলো।
কায়রো যে সত্যই অট্টালিকার শহর সেটা এখান থেকে না দেখলে বোঝাই যেতনা ।
এখানে আছে  ঐতিহাসিক মসজিদ ও সংগ্রহ সালা, এবং মুহাম্মদ আলী পাশার মসজিদ। মসজিদ গুলি দেখার মতন। মসজিদের ভেতরের কারু কার্য কি অপূর্ব। ভারতে অনেক মসজিদ দেখেছি তবে এই মসজিদ গুলি র কারু কার্য ও শিল্প কলা দেখবার মতন। রং বেরঙের কাঁচের শ্রেণী বিন্যাস দেখার মতন।
তারপর আমরা পৌঁছে গেলাম  কায়রো এয়ার পোর্টে, আসোয়ান মিশর  যাবার জন্য। কায়রো টাইম অনুসারে ৩ তে :৪৫ মিনিটে   আমাদের ফ্লাইট। আমরা আসোয়ান  এতে পৌঁছে গেলে আমাদের নিয়ে গেল নীলনদের ক্র্রুজে, এই  ক্র্রুজ  টির নাম "M S NILE  RUBY ".
ক্র্রুজ টি ফাইভ ষ্টার হোটেলেকেও হার মানায়। কি নাই তাতে সুইমিং পুল , বিশাল ডেক। ড্যান্স বার ,বিশাল ডাইনিং। ওয়াইন সপ, মল,কেনা কাটার সুন্দর বাজার। বেশ বড়ো বড়ো রুম। সম্পূর্ণ জাহাজটিই এসি। জাহাজের মৃদু দোলায় স্বেত শুভ্র বিছানায় পারফিউমের সুবাসে লেপ মুড়িদিয়ে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখার অভিজ্ঞতা ভোলাবার নয়। সন্ধ্যায় আমরা টেম্পল ফিলেতে লাইট এন্ড  সাউন্ড শো দেখলাম।  এখানকার এই লাইট এন্ড সাউন্ড পোগ্রাম গুলি বড়োই সুন্দর। এখানেও  ওই  লাইট এন্ড সাউন্ড শো দিয়ে পুরো ঐতিহাসিক ব্যাপার টা  ভালো করে বুঝিয়ে দেয়। এখানে লাইট এবং সাউন্ড এর পোগ্রামে  গডেস আইসিস ও ওসিরিস এর জীবন বৃত্যন্ত সুন্দর করে বুঝিয়ে দিলো। তারপরে আমরা সম্পূর্ণ টেম্পেল টি ঘুরে দেখলাম। অপূর্ব কারুকার্য চিত্র কলা এবং সকল কিছুতেই গডেস আইসিস ও ওসিরিসের জীবন গাঁথা। গডেজ আইসিসের জীবনের যেটুকু শুনেছি সেটা এখানে লিখতে গেলে ভ্রমণ কাহিনী অনেক দীর্ঘ হয়েযাবে তাই এখানে সেই কাহিনীর বিস্তার উল্যেখ না করে সুযোগ পেলে পরে  আলাদা ভাবে এই কাহিনীর বিস্তার লিখব।
সত্যই মিশর  একটি মন্দিরের শহর যা2000 বছরেরও বেশি আগে নির্মিত হয়েছে। এই ঐতিহাসিক মিশরে বসবাসকারী মানুষদের কাছে নীলনদ এক রক্ষাকর্তা স্বরূপ। এই নীলনদে জাহাজে ভ্রমণ ও আসওয়ান মিশর মিশরের সৌন্দর্য কে বহু গুনে বাড়িয়ে দিয়েছে।
আমার মনেহোল নীল নদে জাহাজ ভ্রমণ,  অবকাশ যাপনের এক শান্তি পূর্ন অতি উত্তম পন্থা। এই নীল নদে জাহাজ ভ্রমণের সহায়তার , ইতিহাসের মিশরীয় মন্দিরগুলি পরিদর্শনের উৎকৃষ্ট অবলম্বন।
এই জাহাজ গুলিতে অত্যাধুনিক  অনেক সুবিধা রয়েছে। এই জাহাজে ভ্রমণের মাধ্যমে জীবনে একবার হলেও এমন এক অনন্য ভ্রমণ অভিজ্ঞতা উপলব্ধি করা সত্যই বিস্ময় কর অভিজ্ঞতা। এই জাহাজে ভ্রমণের মাধ্যমে  চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য ও বালিয়াড়ি দেখার যে অপূর্ব সুযোগ যা সত্যি বিস্ময় কর অভিজ্ঞতা,  যা এই জাহাজভ্রমণ ছাড়া বোধ হয় সম্পূর্ণ রূপে  সম্ভব নয়।
মিশরের মানুষ নদী পথেই তাদের ব্যবসা বাণিজ্য চালায় আর সড়ক পথে উট আর ঘোড়ার গাড়ি সেইকারনে এখানের বাতাসে পলিউশন খুবই কম। তাইতো দিনরাত মুক্ত বাতাসে বুক ভরে স্বাস নিতে কোন বাধা নাই। আর তাই বুঝি এখানকার মানুষ দীর্ঘ দেহি ও বেশ বল শালী।

★★আসওয়ান, মিশর::---

আসওয়ান হল মিশরের সবচেয়ে রৌদ্রজ্জ্বল দক্ষিণী শহর, নীল নদের  উপত্যকায় অবস্থিত শহরটি অসাধারণ। সৌক বা স্থানীয় বাজারগুলি মশলা এবং পারফিউমের গন্ধ ও বর্ণে পরিপূর্ণ, রান্নার যে কত প্রকার মশলা পাওয়া যায় সেটা না দেখলে বিশ্বাস করাই মুশকিল।

তবে হ্যা সকল মশলায় সম্পূর্ণ অর্গানিক কোনপ্রকার রং বা এসেন্স বর্জিত বিশুদ্ধ মশলা।
এর সঙ্গে রয়েছে সুন্দর আফ্রিকান হস্তশিল্প, নুবিয়ান হস্তনির্মিত দ্রব্য,
এইসকল দেখতে দেখতেই দ্বিতীয় দিন কেটে গেল।
এর পরে আবার আমরা ক্র্রুজে ফিরলাম।
ফিরে ডিনার খেয়ে দ্বিতীয় দিনের সকল চিন্তা নিয়ে শুয়ে পড়লাম।
=============================
★★>তৃতীয় দিন----------( 3rd day ) :: *****-----২এপ্রিল ২০১৯::-----*****
""""""""""""""মঙ্গলবার।"""""""""""""""

সকালের ব্রেকফাস্ট সেরে। বেরিয়ে পড়লাম পৃথিবী বিখ্যাত হাই ড্যাম দেখতে এবং সেই ফিলক টেম্পল এর অসমাপ্ত অসাধারণ পিলার গুলি এবং তাদের বিপর্যয়, যা কিনা দুইজন গডেজের নাম উৎসর্গ গডেজ আইসিস ও হাথোর।
তারপরে দুপুরের খাবার খেতে ক্র্রুজে  ফিরলাম।
আমরা যখন লাঞ্চ করছি তখন জাহাজ রওনা দিলো কোম -ওম্ব টেম্পেলের দিগে। আমরা দেখলাম ও জানলাম  কোম -ওম্ব টেম্পেল দুইজন দেবতার নামে সোবেক ও হেইরোরিস। জাহাজ আবার এগিয়ে চললো ইডফু দিকে। রাত  ভর জাহাজ চলছিলো। আমরা রাতের খাবার খেয়ে জাহাজের ডেকে বসে অনেক রাত পর্যন্ত নীল নদের উভয় পারের দৃশ্য ও নীলনদে চলমান আরও কতগুলি ক্র্রুজ  দেখতে  দেখতে উত্তর আফ্রিকার রাত্রি কে প্রাণ ভোরে উপভোগ করছিলাম।                        
দিনের বেলা জাহাজটি যখন হাই ড্যামটি পারকরে এক শুরু লক গেট দিয়ে তখন জাহাজটি ডাইনে বায়ে বার বার ধাক্কা লাগছিলো সেই সময় নীল নদে যতগুলি জাহাজ ছিলো সব একের পরে এক এভাবেই পার করলো ড্যাম। এবার আমরা পৌঁছে গেলাম ইডফুতে। এই হাই ড্যামের উপরেই নুতন করে স্থাপনা করা হয়েছেআবু সিম্বেল মন্দির দুটি। সে কথা পরে বলছি।
----------------------------------------------------
★★>চতুর্থ দিন-----(4th day:)
*****-----৩ এপ্রিল ২০১৯-----*****
"""""""""""""""""বুধবার"""""'""""""""""""
        
আমাদের জাহাজ রাত্রেই পৌঁছে গেছে ইডফু তে। ভোর বেলাই চা /কফি খেয়ে নিয়ে রওনা দিলাম ইডফুর  টেম্পল দেখতে ঘোড়ার গাড়ি করে । মিশরে ঘোড়ার গাড়ি চড়া সেও এক মজাদার যাত্রা। এখানকার ঘোড়া গুলি বেশ বড়ো সরো এবং বেশ তাগড়াই তাই এমন এক্কাতে চড়ে বেশ আনন্দ উপভোগ করা গেল। আমাদের গাইডের কথা হোল "মিসরে এসেছেন এখানকার সব কিছুই উপভোগ করুন। ভারতে তো কতো গাড়ি চড়েছেন , এখানকার মরুভূমির উট আর শহরের ঘোড়া।এমন তাগড়াই ঘোড়া কোথায় পাবেন  স্যার।"
ফিরে এসে দুপুরের লাঞ্চ সারছিলাম ততক্ষনে ক্র্রুজ  রওনা দিয়েছে লাক্সর যাবার জন্য ভায়া এসনা।তারপরেই
মাঝ পথে গাইড আমাদের নিয়ে গেল নীলনদের পূর্ব তীরে কর্ণক ও লাক্সর টেম্পল দর্শনের জন্য। 3000 হাজার বৎসরের পুরোনো লাক্সর টেম্পল নীলনদের পূর্ব পারে। কর্নক ও লাক্সর টেম্পল অতি সুন্দর এই টেম্পল। বিশাল বিশাল দম্বুজ গুলি, হাইপোস্টাইল হল।
(আরও সম্পুর্ন বিবরণ আলাদা করে লিখলাম ★৩>কর্ণাক )
--------------------------------------------------------
★★>পঞ্চম দিন------( 5 th day )
*****-----৪ এপ্রিল ২০১৯::-----*****
""""""""""""""""বৃস্পতিবার""""""""""'''''''''''

**LUXOR SUNRISE HOT AIR BALLOON RIDES-
মিশরে পিরামিড দর্শন টেম্পল দর্শন
এগুলোর ছিলো একান্ত আকর্ষণীয় ।
সকল আকর্ষণ কে ছাপিয়ে লক্সোরের হট বেলুন চড়া অদ্ভুত এক শিহরণ।
বেলুনে চড়ে 530 উচুতে উঠে সূর্য উদয় দর্শন।
অবর্ণনীয় সেই অভিজ্ঞতার ক্ষণ।
মেঘমুক্ত নিল আকাশে,সূর্যের রক্তিম আভার বিচ্ছুরণ।
এহেন সূর্যোদয় দর্শনের শংসা
লক্সোরের হট বেলুন চড়ার প্রশংসা।
মরু দেশ অদ্ভুত সেই শংসিত,
মনোমুগ্ধ কর দর্শনীয় ষড়ৈশ্বর্য ।

বিশাল বেলুনে বাঁধা এক ঝুড়ি
তাতেই চড়ে বসলাম আমরা জনা কুড়ি।
পাইলট ছিলেন একজন।
গ্যাস সিলিন্ডার সহ চারটি ওভেন।
চারটি ওভেনে জ্বালিয়ে আগুন
উৎপন্ন করে হাইড্রোজেন গ্যাস, তাতেই ফুলেওঠে বিশাল সেই বেলুন।
এবারে বেলুন উড়লো আকাশে,
আমরা ভেসে চললাম বাতাসে।
530 ফুট ওপর থেকে মিশর দর্শণ,
আমাদের হৃদয়ে নুতন এক শিহরণ।
চলছিলাম আমরা হওয়ার বেগে,
নীলনদকে দেখছিলাম প্রাণ ভরে।
উঁচু থেকে দেখলাম সকল টেম্পল,
পিরামিড বালুকা ময় বিস্তীর্ন অঞ্চল।
মাঝে মাঝে ওভেনের আগুনের হালকা,
সে এক অভাবনীয় অভিজ্ঞতা।
তখম সময় হয়েছিল ভোর পাঁচটা চল্লিশ,
উর্ধো আকাশে ছিল শীতের আবেশ।
এমন মজাদার খোলা আকাশে ভ্রমণ,
হট বেলুনে ভ্রমণ সত্যই অসাধারণ।
  লক্সোরের হট বেলুনের ভ্রমনে,
কিছু নিয়ম কানুন হয় মনে রাখতে।
এই রাইড 45,--60মিনিটের রাইড,
সাথে থাকে উপযুক্ত গাইড/পাইলট
যে ইংরেজি বলতে পারে ভাল।
*Ride টি FULL PASSANGER INSURANCE,
*HAVE A SKILLED PILOT,
*প্রশাসন অতিশয় সচেতন।
*সম্পূর্ণ যাত্রা পথ সি সি টিভির আওতায়
থাকে তখন। তথাপি নিজেদের ও সতর্ক থাকতে হয়। বিশেষ করে বেলুনে চড়তে, নামতে, বা উপরে হওয়ার বেগ বেড়ে গেলে। তবে দেখলাম ওখানকার প্রশাসন ভীষণ ভাবে সতর্ক।
আমাদের বেলুন হওয়ার বেগের কারনে
বেশ একটু দুরে চলে গিয়ে ছিলো।
কিন্তু অবতরণের সময় দেখলাম
সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী মুহূর্তে পৌঁছে গিয়ে ছিলো অবতরণের স্থানে।
প্রশাসনের এহেন সতর্কতা দেখে ভীষণ ভালো লাগলো।
**********************
We captured those unforgettable scenes on camera. Look to the east to see the pillars of Karnak Temple greet the morning sun. Then we  turn west to admire Queen Hatshepsut’s Temple cast in the glow of dawn . Our camera was clicking constantly during Balloon Ride over Historic town of LUXOR to capture the unique angles of arial views of the RIVER NILE from 530 fit above.Then, wind  float our balloon  over the Ramesseum, the impressive funerary temple of Pharaoh Ramses II, and gaze down at its pylons, statues and courtyards.
As we fly, a ground support van and crew  follow our balloon, and they were there when we land.
After a safe touchdown, step back to land. There We saw some armed force was Ready to protect us.
Really we fill happy for such protection ০f security by the local Polish and Management Of Balloon' organization.
We  receive our personal flight certificate .
ক্র্রুজে ফিরে এসে সকালের ব্রেকফাস্ট খেয়ে নিয়ে লাগেজ প্যাক করে রাখলাম। আমরা আবার বেরিয়ে পড়লাম নীল নদের পশ্চিম পাড়ের দিকে 62 জন ফেরাওদের কবর খানা দেখতে যেটি ---ভ্যালি অফ দা কিং:  নামে  খ্যাত।
তারপরে দেখলাম রানী  আহাৎশেপ্সুতর সমাধি টেম্পল আনুমানিক 15th century BC যার নিদর্শন আছে EI-Deir EI-Bahari তে এবং The  Colossi of Memnon.
দুটি স্ট্যাচু বসেআছে যাদের হাত গুলি হাঠুর উপরে আছে। পূর্ব দিকে মুখ করে অর্থাৎ নদীর দিকি মুখ করে বসে আছে।
পৃথক দুটি বিশাল  কোয়ার্জ  পাথরের মূর্তি। উচ্চতা 18মি ( 60 ফুট ) তৈরী হয়েছিল 1350 BC এর পরে আমরা দিনের খাবার খেয়ে বেনানা দ্বীপে গেলাম কলা বাগান দেখতে। সেখানেও দোকানে দুটি কুমির রাখা আছে। কুমির এদের বড়ো প্রিয় আদরের। এর পরে আমরা চলে গেলাম লাক্সর এয়ারপোর্টে কায়রো যাবার ফ্লাইট রাত্রি 9 টায়। কায়রোতে পৌঁছে আমাদের হোটেল “Mercure Cairo Le Sphinx”. রাত হোটেলেই কাটলো।
-----------------------------------------------------
★★>ষষ্ঠ দিন এ----::( 6th day ):
*****-------৫ এপ্রিল ২০১৯----******
"""""""""""""""শুক্রুবার""""""""""""""""
কারোর হোটেলে সকালের ব্রেকফাস্ট করে গাইড আমাদের নিয়েগেল গিজার পিরামিড দেখাতে। মিশরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান হচ্ছে গিজার পিরামিড মিশর ভ্রমণ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে যদি গিজার পিরামিড না দেখা হয় । প্রাচীন বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের একটি এই পিরামিড। মিশরের রাজাদের  সমাধিস্থল হচ্ছে এই পিরামিড। মিশরের ফারাও অর্থাৎ রাজাদের মৃতদেহ মমি করে রাখা আছে এই পিরামিডের মধ্যে। কায়রো শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে মরুভূমির মধ্যে নীলনদ বরাবর গিজার পিরামিড অবস্থিত। গিজাতে  আছে তিন ( 3 )টি পিরামিড- খুফু, খাফ্রে ও মেংকাউরে পিরামিড।
এখানে উটের পিঠে চড়ার ব্যবস্থা ছিলো।
বাচ্ছা বুড়ো সকলেই উটের পিঠে চড়ে বালিয়াড়ি পর করে পিরামিডের কাছে গিয়ে দেখে আসলো।
যেখান থেকে উঠে চড়ার জন্য সকল উট গুলি ছিলো। আমি দেখলাম একজন মহিলা তার একটি উটের দুধ দোয়াচ্ছেন।
সকলে যখন উঠে চড়ার আনন্দে মাতোয়ারা তখন আমি সুযোগ বুঝে ওই উটের মালিক মহিলাকে 20 আরবীয় পাউন্ড দিয়ে একটু উটের দুধ চেয়ে নিয়ে খেলাম।
( CENTRAL BANK OF EGYFT এর
10 POUNDS মূল্যের দুটি নোট দিয়ে ছিলাম )
এমন তাজা উটের দুধ পেয়ে সত্যি খুব আনন্দ অনুভব করেছিলাম।
ওই দুধের কি দাম তাতো আমার জানা ছিলোনা। তবে দুটি দশ টাকার পাউন্ড দেখাতেই এক কথায় এক গ্লাস দুধ দিয়েছিলেন।আন্দাজ করি 200মিলি
দুধ ছিলো।
বড়ো  পিরামিডের সামনে স্ফিংস নামক সেই  বিখ্যাত মূর্তিটি  আছে, যার দেহটি সিংহ এর আকৃতি ও মাথাটি মানুষের মতন। এটি একটি  অনন্য নিদর্শন। বড়ো পিরামিড টির ভিতরে গিয়ে দুই জায়গাতে হামাগুড়ি দিতে হোল। আমার পক্ষে এই টুকুই সম্ভব হোল ,বাকি যাদের  একটু কম বয়েস তারা পুরোটাই এঞ্জয় করতে পেরেছে। এখানথেকে বেরিয়ে আরও কয়েকটি পিরামিডের ভেতরে গিয়ে দেখলাম। তারপরে রাজা টুটানখামুনের সমাধি। এই সমাধি দেখার জন্য আলাদা করে বেশি মূল্যের টিকিট নিতে হয়েছিল।
( টুটানখামুনের সমাধি এক বিস্ময়কর সমাধি যার বিবরণ একটু আলাদা করে
লিখলাম। )
এর পরে গেলাম  মিশরের মিউজিয়াম দেখতে যে খানে আছে টুটানখামুনের সমাধিতে রাণী নেফারতিতির গোপন কুঠুরি মিশরের প্রত্নতত্ত্ববিদরা জানিয়েছেন,রাজা টুটানখামুনের সমাধিতে তারা এমন একটি গোপন কুঠুরি থাকার প্রমাণ পাচ্ছেন যেখানে হয়তো রাণী নেফারতিতির কবর ছিল। সকলের ধারণা যদি সত্যি সত্যি এরকম এক গোপন কুঠুরি খুজে পাওয়া যায় সেটা হবে শতাব্দীর সবচেয়ে বড় আবিস্কার। লাক্সারের এই অত্যন্ত প্রাচীন স্থানটিতে এখনো খোজ চলছে । তার পরে দেখলাম মমিদের মিউজিয়াম। যেখানে সারি সারি লাইন দিয়ে কাঁচের বক্সএ রাখা আছে সকল মমি। এখানেও অনেক নামনাজানা মমি আছে। বিশাল বিশাল সোনার মুখোশ। সোনার নির্মিত কফিন। সোনার অলংকার ,নানান মূল্যবান পাথরে সু স্বজ্জিত।
রাতে হোটেলে ফিরলাম। হোটেল টির  নাম ::-
MERCURE CAIRO LE SPHINX  HOTEL        
-----------------------------------------------------                                           
★★>সপ্তম দিন-----(7 th day )
*****------6 এপ্রিল ২০১৯-----*****
""""""""""""""""""""শনিবার""""""""""""""""

সকালে 6 টায় ব্রেকফাস্ট সেরে 7 টায় বেরিয়ে পরলাম আলেক্সান্দ্রিয়ার উদ্যেশ্যে। কায়রো থেকে আলেক্সান্দ্রিয়া প্রায় 3ঘণ্টার রাস্তা।
আলেকজান্দ্রিয়া কায়রো::---
6th April 2019::--
সকালে গেলাম আলেকজান্দ্রিয়া কায়রো থেকে 230 কিমি দূরে, ভূমধ্যসাগরের দক্ষিণ উপকূলে।
এটি মিশরের পুরোনো একটি শহর।
খুব সুন্দর শহরটি সাজানো গোছানো।
গ্রীকরাজ আলেকজান্ডার 301 খ্রিস্টপূর্বে তৈরি করেছিলেন শহরটি।
এখানে আছে রোমানদের সমাধিভূমি
ক্যাটাকম্ব কোম ( মাটির তলায় তিন তলার চার্চ)। চার্চের সামনেই
সারকেফেগাস- কম-এল-সোকাফা
( Sarcofagaes-Kom-El-Shouqafa)
যেটি চতুর্থ শতকে নির্মিত।

পম্পেই পিলার (Pompei Pillar)
কম-এল-ডেক্কা সাইট ( Kom-El-Dekka site) দেখলাম।
ভূমধ্যসাগরের উপমূলে নানান রকমের দোকান । দোকানের রংবাহারি সাজ দেখতে দেখতে চা খেলাম।
সমুদ্র প্রান্তে ক্যাটবে সিটাবেল দুর্গ দেখা  যাচ্ছিলো।
তারপরে দিনের খাবার খেতে গেলাম হোটেলে । সেখানে নানান প্রকার সী-ফুড
খেলাম। শামুক, ঝিনুক, অক্টোপাস, আরও নানান খাবার সামগ্রি সব গুলোর নামও জানানাই।
তারপরে গেলাম পৃথিবী বিখ্যাত বিবলিওথিকা লাইব্রেরীতে
( আলেকজান্দ্রিয়া)।
এখানে আনুমানিক দশ লক্ষ বই আছে।
এক বা দুই দিনে সমগ্র লাইব্রেরী ঘুরে দেখা সম্ভম নয়।
এতো কিছু দেখার পরে যে দেখা গুলি না দেখেও গাইডের মুখে শুনেই স্তম্ভিত রোমাঞ্চিত হয়ে ছিলাম সেই গুলির একটু কথা লিখছি আলাদা করে।
তবে নানান সময় সংঘটিত পৃথক পৃথক অগ্নিকাণ্ডে আলেকজান্দ্রিয়ার গ্রন্থাগার সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয় ।"
বর্তমানে সম্পুর্ন নুতন করে আবার তৈরি হয়েছে গ্রন্থাগার।

**আলেক্সান্দ্রিয়া
( যেটুকু সংগ্রহ করতে পারছি, কিছুটা
নিজের চোখে দেখে,কিছুটা গাইডের কথায় কিছুপ্রাচীন  ইতিহাস থেকে)

আজকে জাজা দেখেছি সেগুলির নাম লিখলাম:---
১>আলেক্সান্দ্রিয়ার বিখ্যাত গ্রন্থাগার "বিবলিওথেকাই"
২>সুন্দর স্টেনলি সেতু,
৩>এল-মুরসি আবুল আব্বাস মসজিদ
৪>আলেকজান্দ্রিয়ার বাতিঘর
৫>আলেক্সান্দ্রিয়া র পুরানো বাজার।
৬>কম এল শোকাফার ধ্বংসাবশেষ:
৭>বিখ্যাত পম্পি পিলার
৮>রোমান থিয়েটার--( আলাদা করে লিখলাম )
( এই ১ থেকে ৮ প্রতিটি আলাদা করে লিখলাম)
অনেক দেখেও সম্পূর্ণ না দেখতে পারার এক বিশাল বেদনা নিয়ে রাতে হোটেলে ফিরলাম। হোটেল টির  নাম ::-
MERCURE CAIRO LE SPHINX  HOTEL
-----------------------------------------------------                                                                                             
★★>অষ্টম দিন-----(8 the day ) ::
*****-----৭ এপ্রিল ২০১৯-----*****
"""""""""""""""""রবিবার""''"""""""'''''"'
আজ আমাদের বাড়ি ফেরার পালা।
সকালে ব্রেকফাস্ট সেরে হোটেল থেকে Check out Time করলাম সকাল ৯টায়। কায়রো ইন্টার নেশানাল এয়ারপোর্ট পৌছোলাম সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে। Take the flight from Cairo to Abu Dhabi (EY 654) and landed at 05:13 connecting flight to Kolkata (EY 256).
জীবনে অনেক ঘুরেছি তবুও যাকিছু ভালো সবই যেন খুব তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে যায়।
আবার বলি ভ্রমণ এক নেশা
চোখের নেশা, মনের নেশা
একান্ত হৃদয়ের নেশা।
প্রকৃতি যেন হাত ছানি দিয়ে ডাকে
মন কিছু খুঁজে বেড়ায় অজানা পথে।
কিছু খুঁজে পেতে চায় নুতন করে
কিছু পেতে চায় প্রকৃতিকে আপন করে।

আজ-কাল অতি ব্যস্ত জীবনে সময়ের মাঝে পরিবারের সঙ্গে একটু ঘুরে বেড়ানো একটু অবকাশ খুব সহজে মেলেনা, আর তাই সুযোগের অপেক্ষায় থাকতে হয়।  সুযোগ আসার পর চলতে থাকে তার প্রস্তুতি। নির্দিষ্ট দিনের অপেক্ষা এবং তার প্রতীক্ষার উত্তেজনা সত্যি সুখের, আমাদেরও  এমন সুখের আটটি দিন
মনে হয় মুহূর্তেই যেন হয়ে গেল শেষ।
কাল থেকেই আবার সেই গতানুগতিক
জীবনের ঘনি টানা হবে শুরু।
আর এভাবেই হয় শেষ থেকে শুরু।

সকলকে আমার আন্তরিক ভালোবাসা জানিয়ে আজ এখানেই  করছি শেষ।
                          ========================   



No comments:

Post a Comment