35>1976 to 2010 আমি@_আমার ভ্রমন কথা।(সংক্ষিপ্ত )
1>1975 to 2010
আমি @_আমার ভ্রমণ কথা ।
(সংক্ষিপ্ত )
এখানে ভ্রমণ গুলি সংক্ষিপ্ত ভাবে লেখা।
প্রতিটি ভ্রমণ বিস্তারিত লেখা আলাদা করে লেখা আছে।
================
আমার ভ্রমণ কথা,
আমার ভ্রমণ মানেই প্রকৃতির কাছে থাকা।
প্রকৃতি কে হৃদয় দিয়ে ছুঁয়ে থাকা,
তাই আমার ভ্রমণ একান্ত নিজের হৃদয়ে গাঁথা।
অনেক যত্নে রাখা সেই গাথা,
আজ লিখছি সেই কথা,
নিয়ে বসে পেন খাতা,
লিখতে চাই মনের কথা।
কত আনন্দ, বেদনা ভরা সেই কথা,
45 বৎসরের জমে থাকা কথা।
আজও কানে ভাসে প্রকৃতির সেই
আদর মাখা কথা ,
প্রকৃতির সাথে আমার হয়েছিল যে কথা।
একলা নিরালায় বসে সেই কথা
পাখিরাও শুনেছিলো সেই কথা ,
সব টুকু আজও হৃদয়ে আছে গাঁথা।
প্রাক্-কথন::----
আমার এই লেখা লিখছি কেবল নিজের জন্য।
অন্য কেউ এগুলি জানুক বা না জানুক সেটাও আমি চিন্তা করি না।
এলেখা কেবল মাত্ৰ নিজের জন্য লেখা।
অতীতের স্মৃতি গুলি নিজের মধ্যে জাগিয়ে রাখবার জন্য লেখা।
ভ্রমণ ---ভ্রমণ আমার নেশা।
আমি ভ্রমণ করি আনন্দে,
নিজের ইচ্ছা মতন পছন্দে।
যখন নম যেদিকে চায় ,
বেরিয়ে পরি একলা সদা নির্ভয়,
ভাবিনা কখন কি হয়।
আজ আমার কিছু ভ্রমনের কথা লিখে রাখছি।
এগুলি বহুদিন আগের কাহিনী, তথাপি লিখছি।
কারণ আজ মনে হচ্ছে আর বেশিদিন ভ্রমণ করতে পারবোনা।
যদিও ডাক্তার বলেন বেশি চলবেন না। পায়ের হাঠুতে বেশি ট্রেস দেবেন না।
তথাপি আমি কিছুই মানিনা সমতলে পাহাড়ে কোথাও চলতে কোন চিন্তা করিনা।
ডাক্তার বলেন হাঠুর জয়েন্টের হাড় ক্ষয় হয়ে ফাঁক হয়ে গেছে আর তাই এতো
ব্যাথা অনুভব করছি।
হোক না ব্যাথা আমি মানিনা ,
কিন্তু চলতেও থামিনা।
আজ পুরোনো ভ্রমণ কথা লিখছি কারণ যদি কখনো সত্যই মনের জোর হারিয়ে ফেলি,
যদি কখনো সত্যি চলতে না পারি ,সেদিন যেন এই পুরোনো স্মৃতি গুলি বার বার
কম্পিউটারের মনিটরে বসে পড়তে পারি ,
আর পুরোনো স্মৃতি গুলি চিন্তা করে একটু আনন্দ পাই।
সেই কারণেই এগুলি লিখে রাখছি।
এগুলি লিখছি কেবল নিজের জন্য।
অন্য কেউ এগুলি জানুক সেটাও আমি চাইনা।
এলেখা কেবল মাত্ৰ নিজের জন্য।
নিজের স্মৃতি গুলি নিজের মধ্যে জাগিয়ে রাখতে।
চেষ্টা করছি কিছু লিখে রাখতে।
চাকুরী করার সময় প্রথম জীবনে অনেক দিন থাকতে হিয়েছিল নাগরপুরে ।
1975 থেকে 1980 পর্যন্ত।
চাকুরীতে কাজ করতে প্রায় 6বৎসর নাগপুর, বিলাসপুর, চম্পা,অনুপ পুর, শ্যেডোল, চিরিমিরি, কোরবা,
ভিলাইএর নানা স্থানে থাকতে হয়ে ছিলো।
তার পরে 1980 থেকে 2010পর্যন্ত
30 বৎসর ধনবাদ, বোকারো,রাচি,
হাজারীবাগ, গিরিডি,গোমো, ইসরী,অর্থাৎ ঝাড়খণ্ড ও ছত্রিশ গড়,অঞ্চলে।
এইসকল অঞ্চলে থাকার সময় ঘুরে বেরিয়েছি স্বাধীন ভাবে নিজের ইচ্ছা মতন।
আসে পাশের দর্শনীয় স্থান।
তবে তখন তো আর ইন্টারনেট, মোবাইল,
ই-মেইল ছিলনা।
আজকাল অনেক সুযোগ সুবিধা আছে।
এমন কি কোথাও রাস্তা হারাবার চিন্তা আজকাল আর নাই কারণ জি পি এস আছে।
যদিও চাকুরী করার আগেও স্কুল কলেজ জীবনে অনেক ঘুরে বেরিয়েছি।
তখন আসাম ,কামাখ্যা, গঙ্গোত্রী ,গোমুখ , অর্থাৎ হিমালয়ে বেশি ঘুরেছি।
এভারেস্ট ক্লাইম্ব করেছি ,চীনের নন্দন কাননে ,ফ্লাওয়ার ভেলি আরও অনেক
ভ্রমণ করেছি।হিমালয়ের সেন্ট্রাল পিক লায়ন পিক ক্লাইম্ব করেছি।
দুইবার অমরনাথ দর্শন করেছি। নর্মদা ভ্রমণ করেছি ,অমরকণ্টক গেছি তিনবার।
সে কাহিনী পরে লিখবো আজ স্রেফ চাকুরী জীবনের কিছু ভ্রমণের কথা লিখছি।
চাকুরী জীবনের বিদেশ ভ্রমণের কথাও পরে লিখবো।
শুধু এই টুকু বলে রাখি যে আমি 1963 সাল অর্থাৎ যখন স্কুল জীবনে ক্লাস সিক্স এতে পড়ি তখন থেকেই একলা ঘুরে বেড়িয়েছি।
তাই আসাম ,ত্রিপুরা ,নাগাল্যান্ড গাড়োহিল কোথাও বাকিনাই ঘুরতে।
তখনকার দিনে নাছিলো রাস্তা না ছিলো কোন গাইড শুধু নিজের মনের জোর আর ঈশ্বরের একান্ত আশীর্বাদে ঘুরে বেড়িয়েছি।
কতো কতো মহাপুরুষের দর্শন করেছি।
সে যাইহোক আজ শুধু চাকুরী জীবনের ভ্রমণ কথা লিখছি।
========================
****************************
প্রথম কথা --------
( a )|| ভ্রমণ এক নেশা ||
<---©-আদ্যনাথ--->
ভ্রমণের নেশায় নষ্ট আমি,
প্রকৃতির ডাকে ভ্রমণ করি।
যৌবনে ঘুরেছি বন,জঙ্গল, পাহাড়ে,
আজও ভ্রমণের নেশা তাড়াকরে।
মন আমার মুক্তো আকাশ খুঁজে চলে ,
প্রকৃতির শোভা হৃদয়কে পূর্ণ করে।
প্রকৃতির লোভে লালায়িত যখন
বদ্ধ ঘরে থাকতে কি আর চায় মন।
ভাবনার অতীত প্রকৃতির শোভায়
জাগরনে স্বপ্নে আমাকে লোভায়।
প্রকৃতির ডাকে মন ব্যাকুল হলে
মনে কি আর তখন অন্য বিচার চলে।
মাঝে কু-চিন্তা গুলি দুঃখকে টেনে আনে,
প্রকৃতি তখন নীরবে বিদ্রুপের হাসি হাসে।
প্রকৃতির নেশায় মত্ত আমি নষ্ট,
প্রকৃতির কোলেই আনন্দ খুঁজে পাই শ্রেষ্ঠ।
প্রকৃতি শিখায়েছে প্রেম বিলাইতে আনন্দ,
প্রকৃতিই যেন জীবনের সত্য পরমানন্দ।
আজও মেটেনি ভ্রমণের স্বাদ তেমণকরে,
যতই বেড়াই মনের ইচ্ছা ক্রমে বেড়েই চলে।
ভ্রমণ পিপাসু আমি নষ্ট,
সংসারকে চিনিনি স্পষ্ট।
প্রকৃতিকেও জানিনা স্পষ্ট,
প্রকৃতির ডাক শুনি স্পষ্ট।
দুয়ারে দাড়ায়ে প্রকৃতি ডাকে,
সদাই মনেহয় প্রাণ খুলে হাসে।
প্রকৃতি শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি ও ধ্বংস কর্মে লিপ্ত,
প্রকৃতির শোভায় বিশ্বভূবন মুগ্ধ।
<---©-আদ্যনাথ--->
【--anrc-29/06/2019--】
【=সকাল:05:08:22=】
【=বেলঘড়িয়া=কোলকাতা -56=】
=======================
কিছু কথা --------
( b )কোনো কাহিনী বা গল্প লেখার অভ্যাস আমার নাই। তবে যা দেখি শুনি ভালো লাগে।
বিশেষ করে প্রকৃতি যখন হাতছানি দিয়ে ডাকে, সেইটুকুই ইচ্ছাকরে নিজের মতন লিখে রাখতে।
প্রকৃতির এতো রূপ, এতো বৈচিত্র, দেখে বার বার হই মুগ্ধ। প্রকৃতির এতো বৈচিত্রের মধ্যেও পৃথিবীর এতো জীব জন্তু, কিট ,পতঙ্গ,বৃক্ষ,নিজেদের মানিয়ে নিয়ে প্রকৃতির সাথে মিলে মিশে বাস করছে আনন্দে। আর সকলেই প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করে নিজেরা প্রকৃতির সাথে
মিলেমিশে থাকছে আনন্দে।
এই প্রাণী ও প্রকৃতির বৈচিত্রময় মিলন আনন্দ উপভোগের টানে প্রকৃতির ডাকে সারাদিতে বেড়িয়ে পড়ি ঘরের বাইড়ে।কিন্তু আমিতো মানুষ তাই হয়তো সর্বদা পারিনা ওদের মতন সর্বক্ষণ প্রকৃতির সহায়ক হতে। তথাপি চেষ্টা কিরি যতটুকু পারি প্রকৃতির সাথে মিলে মিশে থাকতে। আর তাই বাড়ে বাড়ে বেরিয়ে পড়ি। যেদিকে মন চায় একটু নিরালায় নিজের মতন আনন্দ খুঁজে নিতে।
সেই কারণেই মনেহয় বেরিয়ে পড়াটাই যেন এক নেশা। সেই নেশার টানে ঘর সংসার ভুলে বেরিয়ে পড়ি মনের দুয়ার খুলে, মিটাইতে মনের চাহিদা।
মন সর্বদা আনন্দ খুঁজে চলে ,
হৃদয় সকলকে আহবাহন করে।
বুদ্ধি সদাই বিচার করে চলে
কু-চিন্তা গুলি দুঃখকে টেনে আনে।
প্রকৃতি উদার ভাবে দুই বাহু বাড়ায়ে,
মানুষ কে আহ্বাহন করে, আমরা নিজের অহংকারে কূট বুদ্ধির দোষে প্রকৃতিকে ধ্বংস করেচলেছি।
প্রকৃতির কাজ প্রকৃতি করে,মানুষের কল্যাণ করে। আমি সুযোগ পেলেই প্রকৃতিকে জানতে বেরিয়ে পড়ি ঘর ছেড়ে।
আজ আমি চেষ্টা করছি জীবনের কিছু মুহূর্তের কথা লিখে রাখতে।
===========================
এক অদ্ভুত পুকুর ( কুন্ড )::---বোকারো।
বোকারো,হাততালির পুকুর দালাহি কুন্ডের রহস্য::---
রহস্যময় পুকুর,ডালাহি কুন্ড::-
বোকারোর এই রহস্যময় পুকুরটি হাততালির শব্দে প্রতিক্রিয়া জানায়
ভারতের ঝাড়খণ্ডের বোকারো জেলার দালাহি কুন্ড বা হাততালির পুকুর, বিজ্ঞানীদের বিস্মিত করেছে এবং কয়েক দশক ধরে দর্শকদের কৌতুহলী করেছে।
পুকুরটি উপরে উঠে হাততালির শব্দে প্রতিক্রিয়া করার একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য রয়েছে, ফুটন্ত জলের বিভ্রম তৈরি করে। পুকুরের জলের উত্স এবং উত্স অজানা, এবং অনেক বৈজ্ঞানিক তদন্ত সত্ত্বেও, ঘটনাটি অব্যক্ত রয়ে গেছে।
পুকুরটিকে স্থানীয়দের দ্বারাও পবিত্র বলে মনে করা হয়, যারা বিশ্বাস করে যে এর জলে স্নান করলে চর্মরোগ নিরাময় হয় এবং তাদের ইচ্ছা পূরণ হয়। দালাহি কুন্ডের রহস্য বছরের পর বছর ধরে অনেক বিজ্ঞানী এবং গবেষককে আকৃষ্ট করেছে, যারা বিভিন্ন তত্ত্ব প্রস্তাব করেছে কিন্তু তাদের কোনোটিই কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ বা পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত বা যাচাই করা যায়নি। দালাহি কুন্ডের ইতিহাস এবং কিংবদন্তি স্থানীয় সংস্কৃতি এবং লোককাহিনীর সাথে জড়িত এবং এতে সাধু, উল্কাপাত এবং অলৌকিক ঘটনা জড়িত।
একটি কিংবদন্তি অনুসারে, পুকুরটি দালাহি গোসাই নামে এক সাধু দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল , যিনি শিবের ভক্ত ছিলেন। তিনি একটি ছোট স্রোতের কাছে ধ্যান করতেন, যেখানে তিনি শিবের পূজা করার জন্য হাততালি দিতেন। একদিন, তিনি লক্ষ্য করলেন যে যখনই তিনি তালি দেবেন তখনই স্রোতের জল উঠে যাবে।
তিনি এটিকে একটি অলৌকিক ঘটনা এবং শিবের আশীর্বাদ হিসাবে বিবেচনা করেছিলেন এবং স্রোতের কাছে একটি মন্দির নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি স্রোতের চারপাশে একটি পুকুরও খনন করেছিলেন, যা ডালাহি কুন্ড নামে পরিচিত হয়েছিল । তারপরে তিনি লোকেদের পুকুরে স্নান করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, দাবি করেছিলেন যে এতে নিরাময় ক্ষমতা রয়েছে এবং এটি তাদের ইচ্ছা পূরণ করতে পারে।
দালাহি কুন্ডের রহস্য ও ব্যাখ্যা
দালাহি কুন্ডের রহস্য বছরের পর বছর ধরে অনেক বিজ্ঞানী এবং গবেষককে আকৃষ্ট করেছে, যারা এর রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করেছে। যাইহোক, তাদের কেউই এর অদ্ভুত আচরণের জন্য সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম হয়নি।
পুকুরের জলে কিছু দ্রবীভূত গ্যাস বা রাসায়নিক পদার্থ থাকে যা শব্দ তরঙ্গের সাথে বিক্রিয়া করে এবং পৃষ্ঠে বুদবুদ বা তরঙ্গ সৃষ্টি করে। পুকুরের জল কিছু ভূগর্ভস্থ জলাধার বা বসন্তের সাথে সংযুক্ত থাকে যা সিসমিক বা আগ্নেয়গিরির কার্যকলাপ দ্বারা চাপে পড়ে। শব্দ তরঙ্গগুলি এমন কিছু প্রক্রিয়াকে ট্রিগার করে যা চাপ প্রকাশ করে এবং জলকে উপরে উঠায়।
ডালাহি কুন্ড
দলহি কুন্দ হার জিন্দেগী
পুকুরের জল কিছু ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বা মহাকর্ষীয় ক্ষেত্র দ্বারা প্রভাবিত হয় যা কিছু প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম উত্স দ্বারা উত্পন্ন হয়। শব্দ তরঙ্গ এই ক্ষেত্রের সাথে হস্তক্ষেপ করে এবং জলের স্তরে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটায়। যাইহোক, এই তত্ত্বগুলির কোনটিই কোন চূড়ান্ত প্রমাণ বা পরীক্ষা দ্বারা প্রমাণিত বা যাচাই করা হয়নি।
ডালাহি কুন্ডের অন্যান্য বৈশিষ্ট্য
পুকুরের পানি হাততালি ছাড়া অন্য কোনো শব্দে প্রতিক্রিয়া দেখায় না। পুকুরের পানি সমানভাবে উপরে উঠে না কিন্তু শুধুমাত্র নির্দিষ্ট স্থানে বা জোনে উঠে। বারবার হাততালি দিলেও পুকুরের পানি উপচে পড়ে না বা বের হয় না। পুকুরের পানি উপরে ওঠার পরও রং বা তাপমাত্রা পরিবর্তন করে না।
ধর্মীয় তাত্পর্য
কিংবদন্তি বলছে, কয়েক বছর আগে আকাশ থেকে পড়ে যাওয়া উল্কাপিণ্ডের দ্বারা দালাহি কুণ্ড তৈরি হয়েছিল। প্রভাবটি একটি ভূগর্ভস্থ উত্স থেকে জলে ভরা একটি গর্ত তৈরি করেছিল। উল্কাপিণ্ডের কিছু চৌম্বকীয় বৈশিষ্ট্যও ছিল যা জলকে শব্দ তরঙ্গের প্রতি সংবেদনশীল করে তুলেছিল। স্থানীয়রা ঘটনাক্রমে পুকুরের কাছে বিকট শব্দ শুনে এবং পানি উঠতে দেখে ঘটনাটি আবিষ্কার করেন। তারা এটিকে ঐশ্বরিক হস্তক্ষেপের জন্য দায়ী করে এবং পুকুরটিকে একটি পবিত্র স্থান হিসাবে পূজা করে।
বহু বছর ধরে পুকুরটি তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের কাছে একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। প্রতি বছর, মকর সংক্রান্তি উৎসবের সময়, যা জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে পড়ে, হাজার হাজার মানুষ দলাহি কুন্ডের জলে পবিত্র স্নান করতে ভিড় করে। এর আশ্চর্য প্রতিক্রিয়া দেখতে তারা পুকুরের কাছে হাততালি দেয়। পুকুরটি একটি কংক্রিটের প্রাচীর দ্বারা বেষ্টিত এবং একটি মন্দির যা দালাহি গোসাইকে উৎসর্গ করা হয়েছে, যিনি স্থানীয় দেবতা হিসাবে পূজনীয়।
সেখানে পাওয়া
সড়কপথে বা ট্রেনে বোকারো স্টিল সিটিতে বা রেলওয়ে স্টেশনে আসতে হবে।
বোকারো স্টিল সিটি থেকে,
ট্যাক্সি বা অটোরিকশা ভাড়া 27 কিলোমিটার দূরে দালাহি কুন্ডে যাওয়া যায়।
=========================
চাষ বোকারো::--চিরকা/ ছিরকা ধাম।
জাগ্রত শিব লিঙ্গ::---
লিখতে হবে------
******************************
ভুশওয়াল;;--
ভুশওয়াল দেশের প্রায় সব জায়গার সঙ্গে ট্রেনপথে যুক্ত।
আওরঙ্গাবাদ থেকে বাসেই পুনে।
পুনে থেকে গাড়ি ভাড়া করে মহাবালেশ্বর। মহাবালেশ্বর থেকে গাড়ি ভাড়া করে গণপতিপুলে।
হরিহরেশ্বর থেকে গাড়ি ভাড়া করে মুরুড এবং মুরুড থেকে গাড়ি ভাড়া করে
মুম্বই।
পুনে থেকে সিংহগড় ও ভীমাশংকর যাওয়ার জন্য বাস পাওয়া যায়।
তবে গাড়ি ভাড়া করে নিয়ে ভ্রমন করলে খুব ভালো করে দেখে নেওয়া যায় সিংহগড় ও ভীমাশংকর।
গণপতিপুলে:--
গণপতিপুলে থেকে এক দিন গাড়ি ভাড়া করে ঘুরে নেওয়া যায় জয়গড় দুর্গ ও রত্নগিরি।
তারপরে মুরুড থেকে অটোতে করে দেখে নেওয়া যায় হরিহরেশ্বরে এমটিডিসি রিসর্ট।
মহারাষ্ট্রে থাকার সময় ঘুরে বেড়িয়েছি মহারাষ্ট্র।
এখানে সংক্ষেপে জানিয়ে রাখি
মহারাষ্ট্র রাজ্যের কিছু গুরুত্বপূর্ণ পর্যটক গন্তব্যগুলি হল: অজন্তা, ইলোড়া, কানরেই, এলিফ্যান্ট গুহা এবং মহাবালেশ্বর, অম্বুলি, দৌলতাবাদ ফোর্ট, নাগজীরা অভয়ারণ্য, জুহু সমুদ্র সৈকত,
ইলোরা গুহা থেকে 1 কিমি দূরে দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের অন্যতম গৃষনেশ্বর দর্শনে।
XxXXXXXXXXXXXXXXXXXXX
ভ্রমন নিয়ে লিখবো এমন ভাবিনি কোনদিন। কিন্তু আজ 29/06/2019 তে
বসে মনে হোল যে জীবনে ভ্রমন তো অনেক করেছি, কিন্তু সেই ভ্রমনের কিছু লিখে রাখলে পরে বৃদ্ধ বয়সে সেইগুলি পড়ে ও একটু আনন্দ উপভোগ করতে পারবো।
আর সেই কারণেই আজ নিজের ভ্রমনের
যে টুকু যা মনে আছে সেটাই লিখে রাখা দরকার। নয়তো পরে সব ভুলে যাবো।
এখনইতো কবে কোথায় কিভাবে ভ্রমণ করেছিলাম সেগুলি ভুলে গেছি।
তথাপি যেটুকু মনে আছে সেইটুকুই লিখে রাখছি।
এই লেখা শুদু নিজের জন্য লেখা।
নাগপুরে থাকার সময়ে আমরা চারজন,
এস এস মানি, ভি সি আর পিল্লাই,
এন,কে আর কুট্টি, ও আমি। নিজেদের ইচ্ছা মতন ঘুরে বেড়িয়েছি।
কারন সেই সময়ে আমরা তিন জন ব্যাচেলর আমাদের মধ্যে শুধু কুট্টি অর্থাত
এন,কে আর কুট্টি ই বিবাহিত।তবে তিনি কখনোই ফেমিলি সাথে রাখেন না।
আর উনি আমাদের ফোরম্যান খুব ভালো টেকনিশিয়ান। কাজের ক্ষেত্রে কুট্টি জি আমাদের গ্রূপলিডার।
কিন্তু ভ্রমণের সময় সকলে আমাকেই আগে রাখতে চায়।
আমিও ভ্রমণের লিডার হতে বেশ আনন্দ উপভোগ করতাম।
---------------
No comments:
Post a Comment