36> || KERALA TOURE. ||
09/12/2019 to 23/12/2019
09 that December 2019
To 23rd Deec2019
With Banik To
Rs 17500/-per head X2 Head
Total 35000/-
=30/09/2019 paid to Banik
Rs 6000/' X 2 =Rs 12000/
Balence Rs 23000/ to be pay
03/12/2019 to Bonik ₹22000/=
By cheque No 389426 .
Paid in full
সম্পুর্ন টাকা দিয়ে দিলাম।
============================
Journey by Train No
Train Name--
Reservation-----
09/12/2019 বিকেল 4:10 pm
From Howrah
Konyakumari Exp ( 12665 )
Ticket No--F 32558508
PNR NO--6235183329
1>S11--1-- LB -----------M69 --SRCTZN
2>RAC/96--RAC/80-- F58 --SRCTZN
______________________________
RETURN JURNEY
21/12/2019 রাত্রি 9:10
From ERNAKULAM
SALIMAR Exp ( 22641 )
Ticket No--F 32558509
PNR NO--4164407456
1>S1---57--LB--M69---SRCTZN
2>S1---60--LB--F58----SRCTZN
23/12/2019 সালিমারে পৌঁছব দুপুর 1:50 pm
==================
**************************
***************************
ক্ষনিকের তরে ভুলে সংসার রুপি আড়ত
পাড়ি জমালাম দক্ষিণ ভারত।
দিনটি ছিল 2019 এর 9 ডিসেম্বর
যাত্রার ছিলোনা কোন আড়ম্বর।
সাদা মাটা যাত্রা আমরাদের দুজনের
চেষ্টার ছিলোনা ত্রূটি রেলের এসি ক্লাসের।
কোন টিকিট না পেয়ে
শেষে বাধ্য হয়ে যাত্রা 3 টিয়ারে।
যাত্রার শুরু থেকেই নানা অভিজ্ঞতা।
সে সকল বলবো এক এক করে।
======================
কন্যাকুমারী দেখার ইচ্ছা ছিল মনে,
কারন গুলি জানাই একটু পড়ে।
কারন যদিও আছে মূলে তিনটি
প্রথম কারণ এটি ভারত খন্ডের শেষ বিন্দু
বা মূল ভূখণ্ডের শেষ প্রান্ত,
কোলাহল মুক্ত অতিশয় শান্ত।
এখানে মা কুমারী রূপেই বিরাজমান একান্ত ,
মা সদাই করেচলেছেন রক্ষা দক্ষিণ প্রান্ত।
এইস্থানে মা চির কুমারী রূপে বিরাজমান ,
এহেন চির কুমারী রূপের আছে অনেক গল্প
ও প্রমান।
মা চীর কুমারী থাকার অনেক বেশ সুন্দর সুন্দর গল্প আছে। আমি একটি গল্প বলছি।
এক ঈশ্বরী কন্যা জিনি নিজে দায়িত্ব নিয়ে ছিলেন
দক্ষিণ ভারতকে রক্ষা করবার।
দুই সমুদ্র ও এক মহা সাগরের মিলনে,
তাদের প্রবল জলোচ্ছাস,ও বিশাল বিশাল ঢেউ
ভারতের শেষ অংশ কে ভীষণ ভাবে ক্ষতি করতে পারে এবং এখানকার জেলে ও চাষিদের বিশেষ ক্ষতি করতে পারে, সেই কারনের এই ঈশ্বরী কন্যা
এই অঞ্চলকে সদা রক্ষা করে চলেছেন।
সেই কুমারী একদিন নিজেকে প্রকাশ করেন নিজের মনের ইচ্ছা, সকলের নিকট ,
কুমারীর ইচ্ছা শিবেকে বিবাহ করতে।
সংবাদ পৌঁছলো শিবের কাছে, শিব স্বয়ং রাজি হলেন এই বিবাহে
কিন্তু এই দক্ষিণের শেষ বিন্দু থেকে কুমারী নারী কি করে যাবেন সুদূর উত্তরে।
অগত্যা শিব নিজেই রওনা দিলেন দক্ষিণে কুমারী কন্যাকে বিবাহ করতে।
এদিকে সকল দেবতা প্রমাদ গুনলেন।
যদি বিবাহ হয় তবে কুমারীকে চলে যেত হবে কৈলাশ।
সেই কারণে সকল দেবতা মিলিত হয়ে শিবের যাত্রা পথে শিবকে বিভ্রান্ত করে শিবকে বাধ্য করলেন ফিরে যেতে কৈলাশে।
ওদিকে কুমারী নিজে বিবাহের পূর্ন আয়োজন করে
বসে বসে ক্লান্ত হয়ে ,শেষে প্রতিজ্ঞা করলেন জীবনে আর বিবাহ করবেন না।চির কুমারী থাকবেন।
এমন ঘটনায় দেবতারা খুশি হলেন এই কারনে যে
দক্ষিণ ভারত নিয়ে তাদের আর চিন্তা রইলনা।
দুই. ====এখানে তিন সাগরের মিলন ক্ষেত্র।
দুই সাগর আর এক মহাসাগরের হয়েছে এখানে।
বঙ্গোপসাগর, আরব সাগর আর ভারত মহাসাগরের মহামিলনে নীল জলরাশির এক রুদ্ধশ্বাস রোমাঞ্চ থাকে সব সময়।
তিন.,°=== এখানে আছে স্বামী বিবেকানন্দের নামাঙ্কিত ‘বিবেকানন্দ রক’।
মনের এক গোপন বাসনা, বাঙালির স্মৃতিধন্য নীল জলরাশিতে যদি একবার সাঁতার কাটতে পারতাম।
কিন্তু মনের ইচ্ছা মনেই রয়ে গেল।
কারন আমরা যখন বিবেকানন্দ রকে তখন থেকেই
জোয়ারের প্রবল জলোচ্ছাস ।
তাই সকলেই নিষেধ করলো এমন ঢেউ এর মধ্যে জলে নামতে।
অগত্যা নিজেকে নিজেই শাসন করে সমুদ্রে স্নানের ইচ্ছা থেকে বিরত হলাম।
এখানে আসার পথে ট্রেন থেকেই মনে হচ্ছিল
পথের দুধারে সারি সারি নারকেলগাছ, সামুদ্রিক বাতাসে যারা সারাক্ষণ আনন্দে মাথা নাড়িয়ে
ভ্রমণ কারীদের অভর্থনা জানাচ্ছে।
উইন্ড মিলের বিশাল বিশাল পাখাগুলো জানিয়ে দিচ্ছিল কাছেই মহাসমুদ্রের মহামিলন। প্রবল
বাতাসের তোড় আর নারকেল গাছের হাতছানি,
শেষ পথটুকু আর সিটে বসে থাকতে ইচ্চা করলো না, তাই গেটের কাছে দারিয়ে সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে পৌঁছে গেলাম কন্যাকুমারী স্টেশন।
হোটেলে উঠলাম ,
হোটেলের নাম ভূপতি হোটেল ,
ইন্ডিয়ান ফাইন আর্ট একাডেমির বিপরীতে।
কাছেই ওয়াক্স মিউজিয়াম।
এটি ভারতের প্রথম ওয়াক্স মিউজিয়াম।
বিকেলে গেলাম মা কন্যাকুমারী ও তিন সমুদ্রের মিলন স্থান ও দূর থেকে বিবেকানন্দ রক দর্শনে।
উত্তাল নীল জলরাশি, মহাসমুদ্রের মহামিলন,বেশ বড় বড় উঁচু উঁচু ঢেউয়ের আছড়ে পড়া, সমুদ্রের মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা বিবেকানন্দ রক, নতুন গড়ে ওঠা বিশাল মূর্তি, মহাসাগরের মাঝে ঢেউয়ের দোলায় ভেসে চলা রঙিন বোট, মাছ ধরার ট্রলার, শত মানুষের ভিড়, ঝকঝকে আকাশে সাদা মেঘেদের ভিড়।
আমাদের হোটেল থেকে কন্যাকুমারীর শেষ বিন্দুতে যেতে সময় লাগল প্রায় ১০ মিনিট।
তখন বিকেল গড়িয়ে পড়ছে কন্যাকুমারীর নীল জলে। শেষ বিকেলের মায়াময় আলো গায়ে মেখে কন্যাকুমারীর শেষ বিন্দুতে, বিশাল বিশাল পাথরে ঘিরে রাখা প্রাচীরে গিয়ে দাঁড়ালাম। সে বড় বিস্ময়কর অনুভূতি। এখানে, এই মহাসমুদ্রের উত্তাল জলরাশির মধ্যে অনন্তকাল ধরে দুটি দ্বীপের মতো দাঁড়িয়ে থাকা বিস্ময়কর পাথরখণ্ডের একটিতে বসে একদিন ধ্যান করেছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ !
সেই বিস্ময় পাথরের ওপরে গড়ে তোলা বিবেকানন্দ মেমোরিয়ালের উপাসনালয়ে, লাইব্রেরিতে, ধর্মীয় আচারের নানা রকম আয়োজনে। ধীরলয়ে অস্তাচলে যায় দিনমণি। আমরা এবার ফিরলাম হোটেলে।
কন্যাকুমারী তামিলনাড়ু রাজ্যের নাগোড়কৈল জেলার একটি ছোট্ট শহর। মহাসমুদ্রের তীর ঘেঁষে এখানে রয়েছে অনেক হোটেল, মোটেল, পর্যটনকেন্দ্র, বাসস্ট্যান্ড, একটি রেলওয়ে স্টেশন। আর রয়েছে নানা ধর্ম, বর্ণ, ভাষা, সংস্কৃতি, খাদ্যাভ্যাসের সম্ভার পুরো কন্যাকুমারীর উপকূল ঘিরে। মাছ, ডাব, নানা রকম সামুদ্রিক খাবারসহ, দেশি–বিদেশি পর্যটকদের জন্য সব রকমের খাবার আর বিনোদনের সব আয়োজন আছে এখানে।
তবে এখানে হোটেল সর্ব নিম্ন ₹500/= টাকার থেকে
₹15000/= টাকা পর্যন্ত পাওয়া যায় যে যেমন চায়।
পরের দিন দেখলাম বিবেকানন্দ রক, লঞ্চে করে গিয়ে।
বিবেকানন্দ স্মৃতি বিজড়িত টেম্পেল,লাইব্রেরি,
মেডিটেশন হল।
যেখানে আমি গিন্নিকে নিয়ে অনেক্ষন মেডিটেশন করলাম। তার পরে গেলাম এখানকার চার্চ। আর কাছেই
বিবেকানন্দ উদ্যান। যেখানে দেখলাম খুব সুন্দর করে
বিবেকানন্দ উদ্যান। যেখানে দেখলাম খুব সুন্দর করে
সম্পুর্ন রামায়নের চিত্রপট ও বিস্তারিত বিবরণ, অপূর্ব এই স্থান।
ফটো পাঠিয়েছি দেখে নিও।
তারপরে দেখলাম তিন সাগরের মাঝে সূর্যাস্ত।
জানতো এখানে দুটি সাগর এবং একটি মহা সাগরের মিলন স্থান।
আরব সাগর,আটলান্টিক সাগর, এবং ভারত মহা সাগরের মিলন স্থান।
আগামী কাল ভোর বেলায় যাবো সাগরের মাঝে সূর্য উদয় দেখতে।
11/12 /2019 মা কন্যাকুমারীর দর্শনে ধন্য হলাম নিজে
গর্ভ গৃহে রিক্ত হস্ত খালিগায়ে।
কালো কোষ্ঠী পাথরের সুসজ্জিত দেবী,
ভারত খণ্ডের শেষ সীমানায় দাঁড়িয়ে দেবী,
সৌম্য মূর্তি প্রশান্ত হাস্য মুখ মন্ডলে দেবী।
একবার দর্শনেই সকল ক্লান্তি দূর করেন দেবী,
যেন কত আপন মাতৃস্বরূপিনি দেবী।
কি অপূর্ব দর্শন, সার্থক হোল ভ্রমণ।
মাতা কুমারীরূপে করে চলেছেন রক্ষা
ভারতের শেষ প্রান্তের সুরক্ষা ।
তিন সমুদ্রের প্রবল হুঙ্কার ঢেউ
মায়ের পদতলে হচ্ছে বিলীন।
মাতৃ রূপে সদা জাগ্রত প্রহরী
মা কেরল বাসীর রক্ষা কারী।
মায়ের ইচ্ছা ছিল হতে শিবের ঘরণী,
বিধাতার ছলনায় মা রয়েগেলেন কুমারী।
সেইহতে মা আজও এখানে অতন্দ্র প্রহরী।
বিবেকানন্দ এখানেই হয়ে ছিলেন ধ্যানমগ্ন
এমন মায়ের দর্শনে নিজেই হলাম ধন্য।
<--©-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->
11/12/2019
====================
[12/13, 1:23 AM] তারপরে দেখলাম বিবেকানন্দ রক, লঞ্চে করে গিয়ে।
বিবেকানন্দ স্মৃতি বিজড়িত টেম্পেল,লাইব্রেরি,মেডিটেশন হল।
যেখানে আমি মিসেজে সহ অনেক্ষন মেডিটেশন করলাম।
তার পরে এখানকার চার্চ,
বিবেকানন্দ উদ্যান।
সম্পুর্ন রামায়নের চিত্রপট ও
বিস্তারিত বিবরণ, অপূর্ব এই স্থান।
ফটো পাঠিয়েছি দেখে নিও।
তারপরে দেখলাম
তিন সাগরের মাঝে সূর্যাস্ত।
জানতো এখানে দুটি সাগর এবং একটি মহা সাগরের মিলন স্থান।
আরব সাগর,আটলান্টিক সাগর, এবং ভারত মহা সাগরের মিলন স্থান।
আগামী কাল ভোর বেলায় যাবো সাগরের মাঝে সূর্য উদয় দেখতে।
কেরালার ব্যাকওয়াটারের দৃশ্যাবলীর মধ্যে রয়েছে আরব সাগরের সমান্তরালে অবস্থিত শান্ত বিস্তীর্ণ লেক, খাল এবং লেগুন। কেরালার ব্যাকওয়াটার অঞ্চল্গুলি বিশ্বের সবথেকে জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যস্থানগুলির মধ্যে অন্যতম। শান্ত ব্যাকওয়াটার পর্যটনের অভিজ্ঞতা জীবনভর থেকে যায়। ‘প্রাচ্যের ভেনিস’ নামে পরিচিত আলাপ্পুজহা বিশেষরূপে জনপ্রিয় এর হাউসবোট ক্র্যুজের জন্য, যেখানে প্রকৃতির সুন্দরতম অংশের সাথে নিজেকে ভিজিয়ে নিতে পারবেন।
=========================
=====================
মুন্নার,Munnar 28/12/2019
মুথিরাপুঝা, নাল্লাথান্নি এবং কুন্দলা এই তিন নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত এবং সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় 1600 মিটার উচ্চতায় স্থিত মুন্নার শহরটি ছিল তদানীন্তন দক্ষিণ ভারতের ব্রিটিশ শাসকদের গ্রীষ্মকালীন ঘাঁটি।
এখানে বিস্তৃর্ণ অঞ্চল জুড়ে চা বাগান, ঔপনিবেশিকালের সব বাংলো, ছোট ছোট নদী, জলপ্রপাত এবং শীতল আবহাওয়া, এই সবই এই অঞ্চলের বৈশিষ্ট্যাবলী।
এছাড়াও এখানে ট্রেকিং ও মাউন্টেন বাইকিংয়ের জন্য এটি একটি উপযুক্ত স্থান।
মুন্নারের কাছে ইরাভিকুলম জাতীয় উদ্যানের মধ্যে স্থিত শৃঙ্গের নাম আনামুদি শৃঙ্গ। এটি দক্ষিণ ভারতের পর্বতগুলির মধ্যে উচ্চমত পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা 2700 মিটারের কিছু বেশি। এই শৃঙ্গে আরোহণের জন্য ইরাভিকুলমের বনবিভাগ ও বন্যপ্রানী কর্তৃপক্ষের থেকে আগে থেকে অনুমতি নিতে হয়।
কেরালার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ মুন্নার।
কেউ কেউ মনে করেন মুন্নারের জন্যই কেরালাকে God’s own country বলা হয়।
সৃষ্টিকর্তা প্রকৃতির সব অপরুপ সৌন্দর্য যেন মুন্নারে ঢেলে দিয়েছেন।
ভালো করে ঘুরে দেখতে এখানের হোটেল থেকেই টুর গাইড সাথে নিতে পাড়াজায়। যারা এ্যাডভেন্সরে রুচি রাখেন বা ইচ্ছা করেন তারা হাইকিং করতে পারেন।তবে শরীর ফিট থাকতে হবে।
রক্তচোষা জোকের উৎপাত আছে।
কেউ কেউ নদী গুলির নাম বলেন
মুদ্রাপূজা, নালাতান্নি আর কুন্ডলা –
সে যাই হোক তিন পাহাড়ি নদীতে ঘেরা সবুজ শৈলশহর মুন্নার। দিগন্তবিস্তৃত চা বাগান মুন্নারের বৈশিষ্ট্য। পশ্চিমঘাট পর্বতের ঢালে এলাচ, গোলমরিচ, লবঙ্গ, দারচিনি আর কফির চাষ হয়।
মুন্নার থেকে ১৫ কিমি দূরে ইরাভিকুলাম জাতীয় উদ্যান। এই অরণ্যেই রয়েছে দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ আনামুদি (২৬৯৫ মিটার) নীলগিরি হাতি, শম্বর, গউর ইত্যাদি প্রাণীর দেখা মিলবে এই জঙ্গলে। বর্ষায় অরণ্য বন্ধ থাকে।
মুন্নার রের কাছেই মাত্র ১৬ কিমি দূরে দেবীকুলাম। এখানে রয়েছে সীতা দেবী সরোবর।
১৩ কিমি দূরে দূরেমাডুপেট্টি হ্রদ। হ্রদের ওপর মাডুপেট্টি ড্যাম।
পাশেই ইন্দো-সুইস প্রজেক্ট, ইকোপয়েন্ট, কুন্ডালা হ্রদ ও ড্যাম। মাডুপেট্টি ও কুন্ডালা হ্রদে বোটিং করা যায় । চা বাগানে ঘেরা পথে ১ ঘণ্টায় পৌঁছে যাওয়া যায় দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ চা বাগান টপস্টেশন।
( ডি টি পি সি-র কন্ডাকটেড ট্যুরে মুন্নারের দ্রষ্টব্যগুলি ঘুরে নেওয়া যায়।)
মুন্নারের কান্নান দেভান টি মিউজিয়াম বেশ ভালো।
মুন্নার শহরের অদুরেরি আড়াই কিমি দুরত্তে মুন্নারের সবচেয়ে বড় এই টি মিউজিয়াম ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত। আশাপাশের সব ধরনের চা পাতা এখানে প্রক্রিয়াজাত করা হয়, পুরো মিউজিয়াম ও ফ্যাক্টরি ঘুরে দেখলাম হ্যা ছবিও তুলছি তবে ছবি তোলবার জন্য এক্সট্রা বিশ টাকা লাগে। ভিডিও করা নিষেধ।
এখানে আছে মাট্টুপেডি ডাম।দেখতে পারেন ড্যাম লেক তাও আবার স্পিড বোটে।
অনিন্দ্য সুন্দর এই লেক সারাবছরের কোলাহল মুক্ত স্থান ।
যারা ঘোড়ায় চড়তে পারেন তাদের জন্য লেকসাইডে ঘোড়ায় চড়ার ব্যাবস্থাও রয়েছে।
সিয়েনা ওয়াটার ফল। মুন্নার থেকে নয় কিলোমিটার দুরেই সিয়েনা ওয়াটার ফল।
জংগল আর পাহাড়ের অংশ ভেদ করে মাট্টুপেডি ড্যামের দিকে আসা ঝরনাধারা বেশ মনোরম।
টপ ষ্টেশন, মুন্নারের সব চেয়ে আকর্শনীয় এই সাইটটি শহর থেকে প্রায় ৪০ কিমি দূরে তামিল নাডু বর্ডারের দিকে।
এলিফ্যান্ট ট্রেনিং সেন্টার থেকে এদিকে আসার রাস্তা রয়েছে। টপষ্টেশন হিল বা পাহাড়ের এমন এক জায়গা যেখানে চাইলেই হাত দিয়ে মেঘ ধরতে পাড়াজায় ।
এখানে দেখা যায় নিলা পুরুঞ্জি ফুলগাছ।
যে গেছে নাকি প্রতি বারো বছরে মাত্র একবার ফুল ফোটে।
==============================
====================
পৃথিবীর স্বর্গরাজ্য কেরালা
‘কেরা’ এবং ‘আলআম’ শব্দ থেকে হয়েছে ‘কেরালা’। কেরা শব্দের অর্থ নারকেল এবং আলআম অর্থ স্থান। অর্থাৎ কেরালা শাব্দিক অর্থ দাঁড়ায় নারকেলের স্থান। নামের সত্যতা মিলবে কেরালা দর্শনেই।
সোনালি সাগর উপকূল, সবুজাভ নীল সাগরের স্বচ্ছ জলরাশি, ঝকঝকে-তকতকে পাহাড়ি রেলস্টেশন, নারকেল বীথির সারি, সাগর থেকে আসা পানির জলধারা বা ব্যাকওয়াটার, জিভে জল আসা খাবারের সম্ভার—এই সবকিছু মিলেই কেরালা। ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় নগর কেরালাকে কেউ কেউ ‘পৃথিবীর স্বর্গ’ বলেন। প্রকৃতি এখানে তার সৌন্দর্য অকাতরে এমনভাবে ঢেলে দিয়েছে যে কেরালাকে বলা হয়—‘গডস ওন কান্ট্রি’।
আরব সাগরের একেবারে পাশেই ত্রিভানদ্রম বিমানবন্দর।
স্যরের উপকূল ঘেঁষেই শহরে ঢোকার পথ। সাংখুমুগহাস সৈকত। এখানে রয়েছে ৩৫ মিটার উঁচু মৎস্যকন্যার বিশাল ভাস্কর্য। আছে তারামাছের মতো দেখতে মজাদার রেস্তোরাঁও ইনডোর ক্লাব। নিরিবিলি, ছিমছাম শহর, একতলা-দোতলা বাড়িগুলি নানা রঙে রাঙানো।
কেরালা মানেই সমুদ্র আর দীর্ঘ উপকূল।
চমৎকার বালুকাময় সমুদ্র সৈকত, নারকল গাছের সারি ।
‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ট্রাভেলার’ কেরালাকে বিশ্বের দশটি স্বর্গরাজ্যের একটি ঘোষণা করেছে।
কোভালাম,
এখানকার সবচেয়ে আকর্ষণীয় সমুদ্রসৈকত। এখান থেকে বাতিঘর দেখা যায় বলে একে ‘লাইটহাউস বিচও’ বলা হয়। থাইল্যান্ডের ফুকেটের মতো করে সৈকতের ধার ঘেঁষেই তৈরি করা হয়েছে হোটেল-মোটেল। রকমারি জিনিসের দোকান আর রেস্তোরাঁ ছড়াছড়ি। রেস্তোরাঁর অ্যাকোরিয়ামে রয়েছে তাজা সামুদ্রিক মাছ, কাঁকড়া, ঝিনুক, অক্টোপাস—যে যেভাবে খেতে চান, সেভাবেই খেতে পারেন।
এ ছাড়া ঘুরে আসা যায়—
চোয়ারা,
পুভার ও
‘পবিত্র সৈকত’ হিসেবে খ্যাত পাপানাসমে।
তবে এই সৈকতটি বেশ দূরে।
সেই কারণে আমার ওই জায়গাতে যাওয়া হয়নি।
অনেক গুলি সৈকত আছে এখানে যেমন
আছে থাংগাছেরি, থিরুমুল্লাভালাম, আলাপূজা,
ফোর্ট কোটির মতো সৈকত।
প্রতিটি সৈকতেরই আছে আলাদা আলাদা
সৌন্দয্য ও বৈশিষ্ট্য ।
কেরালার আরও একটি বড় আকর্ষণ হাউস বোটে (দেশীয় সুসজ্জিত ৫০-৬০ ফুট লম্বা নৌকা) চেপে বিভিন্ন খাল ধরে এগিয়ে চলা।
সাগর থেকে ভেসে আসা জল জমে তৈরি হয়েছে ছোট ছোট জলাশয়। এক এলাকার সঙ্গে আরেক এলাকাকে সংযুক্ত করেছে কোনো কোনো জলাশয়।
এরই ওপর দিয়ে ভেসে চলেছে ছোট-বড় হাউসবোটগুলো।
শান্ত জলরাশি, নিরিবিলি জঙ্গলে ঘেরা তীর, অজস্র হাঁস ও বকের সারি নিঃসন্দেহে বেড়ানোর আনন্দকে করে তুলবে আরও মোহময়।
হাউসবোটে করে যাওয়া যায় অনেক জায়গায়। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চালু থাকে হাউসবোটগুলো।
তবে এখানকার সব হোটেলের সঙ্গেই হাউসবোট কর্তৃপক্ষের যোগাযোগ থাকে।
শুধু যে সমুদ্র তীর, ছোট ছোট জলাশয় কেরালাকে ঐশ্বর্যশালী করে তুলেছে তা নয়, কেরালার আছে পাহাড়ি শহর। সেসব পাহাড়ি এলাকায় আছে গোলমরিচের বাগান, চা-কফি বাগান, গবাদি পশুর খামার, রাবার বাগান এবং অপূর্ব সব বাংলো।
ছোট ছোট পাহাড়ে আছে অগণিত ঝরনা। আর যারা রোমাঞ্চপ্রিয়, পাহাড়ি পথে ট্রেকিং করতে চান তাঁদের জন্যও আছে ছোট ছোট কিছু পাহাড়ি জঙ্গল।
কেরালায় সবচেয়ে অবাক বিষয় হল রাস্তার ধারের হোটেল গুলো। ছোট মাছের মচমচে ভাজা, বিভিন্ন ধরনের ভর্তা ও ঘন ডালের সঙ্গে আছে ভুনা গরুর মাংস।
কেরালার খ্রিষ্ঠান অধ্যুষিত এলাকা। ভোজনরসিকদের জন্য কেরালা স্বর্গ।
নদী-সমুদ্র থাকায় পাওয়া যায় অফুরন্ত মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া, ঝিনুক, ক্যাটেল ফিশ। গরম গরম ভাজা বা মসলা দিয়ে রান্না—যেভাবে ইচ্ছা সেভাবেই পাওয়া যায়। এ ছাড়া আছে সিরিয়া, ডাচ, পর্তুগিজ এবং ব্রিটিশ খাবার।খাবারে মসলা ও লাল মরিচের ব্যবহার খুব বেশি।
কেরালাকে বলা হয় ‘মসলাপাতি’র আস্তানা।
অন্তত 12 রকমের মজাদার মসলার চাষ হয় এখানে।
কেরালার বিখ্যাত খাদি, তাঁতের শাড়ি থেকে শুরু করে ঐতিহ্যবাহী সোনার গয়না, আদিবাসী নকশায় তৈরি অলংকার, সকলি অতি আকর্ষক।
এখানকার ধাতুর তৈরি আয়নার নাকি খুব কদর।
কেরালায় চার্চ, ও মন্দিরেরও অভাব নেই।
এর পাশাপাশি আছে অনেক পুরোনো দুর্গ।
কেরালার মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি কেরালায় আছে নেপিয়ার মিউজিয়াম, ভারতের সবচেয়ে পুরোনো সেন্ট ফ্রান্সিস চার্চ, আছে ভাস্কো দা গামা স্কয়ার।
কেরালা হাউজবোটঃ
সাধারণত দুই ধরনের হাউজ বোট থাকে দোতলা ক্রুজ বোট আবার প্রিমিয়াম হাউজ বোট। যারা নতুন বিয়ে করেছেন তারা নিজেরা প্রিমিয়াম বোট ভাড়া করুন দুই বেড রুমের সাথে সব ধরনের ফাইভস্টার সুযোগ সুবিধা পাবেন। যারা বাজেট ট্র্যাভেল করবেন তারা গ্রুপ প্যাকেজ বুক করে নিতে পারেন। মাঝারী খালের মাঝ দিয়ে তীর ঘেঁষা টুইটুম্বুর জলে ধীরলয়ে এগিয়ে যাওয়া হাউজ বোট আপনাকে অন্য রকম এক এক্সপেরিয়েন্স দেবে। কোল ঘেঁষা সারি সারি নারকেল গাছ।
হাউজ বোটে মজার জিনিশ হল খাবার। ট্র্যাডিশনাল কেরালার সব ধরনের স্পাইস খাবার সার্ভ করবে ওরা। স্পেশালি বাহারী আইটেমের পাকোড়া সাথে ফিস ফ্রাই। পাবেক কফিও, কেরালাতে কফি অঙ্গাওঙ্গি ব্যাপার। যাদের এলকোহল পানাহারের অভ্যাস আছে তারা প্রি বুক করে নিতে পারেন। তবে ট্রাভেলিং টাইমে পানাহার না করাই উত্তম।
খরচঃ
এর্নাকুলামে প্রতিরাতের জন্য মোটামুটি মানের হোটেল ভাড়া ২০০-৬০০ রুপি।
যদি সারাদিনের জন্য ট্র্যাভেল গাড়ি বুক করেন তবে ৩০০ কিলোমিটার অব্দি ৩০০০ রুপি।
যদি পাবলিক বাসে উল্লেখিত জায়গা ট্র্যাভেল করেন তবে সব মিলিয়ে খরচ হবে ২০০ রুপি।
হাউজবোট প্রিমিয়াম, অর্থাৎ ফুল বোট ভাড়া নিলে ৬০০০ থেকে ২০০০০ টাকার মধ্যে।
যদি প্যাকেজ টুরে অংশ নেন তবে ৫০০ থেকে ১৫০০ (মিল ভেদে দামের পার্থক্য)
উৎসব - সারা বছর ধরেই নানান উৎসবে মেতে ওঠেন কেরালার মানুষজন। যার মধ্যে এপ্রিলে নববর্ষের সময় ধানকাটার উৎসব ওনাম।
আর আগস্ট মাসের দ্বিতীয় শনিবারে আলেপ্পির পম্পা নদীতে বোট রেস বিশেষ আকর্ষণীয়। মার্চ-এপ্রিল ও অক্টোবর-নভেম্বরে ত্রিবান্দ্রামের পদ্মনাভস্বামীর মন্দিরে দশ দিন ধরে উৎসব চলে। জানুয়ারি মাসে ত্রিসুরে হয় বর্ণাঢ্য এলিফ্যান্ট মার্চ।
কেনাকাটা – মশলার দেশ কেরালা।
আর তার খ্যাতি হস্তশিল্পের জন্য।
মাটি, হাতির দাঁত, চন্দন কাঠ, তামা, কাঁসা, কাঠের তৈরি ঘর সাজানোর জিনিস, মূর্তি, মসলা, কাজুবাদাম, রংবেরঙের লুঙ্গি, তাঁতজাত বস্ত্র এসব রাখতে পারেন কেনাকাটার তালিকায়। সর্বত্রই পাওয়া যায় ।
তবে ত্রিবান্দ্রম বা কোচি থেকেই কেনা ভাল।
ভ্রমণের উপযোগী সময়ঃ
অক্টোবর থেকে জানুয়ারি কেরালার আবহাওয়া থাকে সবচেয়ে সুন্দর।
তবে গ্রীষ্ম, বর্ষা সব ঋতুতেই ‘পৃথিবীর স্বর্গ’ বলে পরিচিত কেরালার আবহাওয়া থাকে চমৎকার।
1>। কোচিন বা কোচি (Cochin) – ভেম্বানাদ হ্রদ, আরবসাগর আর ব্যাকওয়াটারের মাঝে 10 টি দ্বীপ নিয়ে কেরালার অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যকেন্দ্র কোচিন। নাম বদলে এখন কোচি।
উইলিংডন দ্বীপ, এর্নাকুলাম আর ফোর্ট কোচি – কোচিনের তিন প্রধান দ্রষ্টব্যস্থল।
কে টি ডি সি-র লঞ্চ ট্যুরে দেখানো হয় ওয়েলিংডন দ্বীপ, কোচি বন্দর, *মাত্তানচেরি প্রাসাদ*১, *জিউস সিনাগগ*২, ফোর্ট কোচি, বোলগেটি দ্বীপ। ফোর্ট কোচি দুর্গটি ব্রিটিশদের সৃষ্টি। কোচিতে আর এক দর্শনীয় ঐতিহাসিক *সেন্ট ফ্রান্সিস চার্চ*৩। মাত্তানচেরী জেটির কাছে মাত্তানচেরী প্রাসাদ। প্রাসাদের দেওয়ালে ম্যুরাল পেন্টিংয়ের অপরূপ কারুকার্যে ফুটে উঠেছে রামায়ণ, মহাভারত ও পুরাণের নানান গল্প। জু টাউন পেরিয়ে ইহুদিদের উপাসনাস্থল সিনাগগ। এর্নাকুলামের উত্তর-পশ্চিমে কোচি উপহ্রদে বোলাঘাটি দ্বীপ। বোলাঘাটির পশ্চিমে ভাল্লারপদম দ্বীপ। কোচির আরেক আকর্ষণ কোচি মিউজিয়াম, হিল প্যালেস মিউজিয়াম, *মহত্মা গান্ধি বিচ রোড*৪, *সান্তাক্রুজ ক্যাথেড্রাল বাসিলিকা*৩, কাশি আর্ট গ্যালারী ।
2>। তিরুবনন্তপুরম বা ত্রিবান্দ্রাম (Thiruvananthapuram / Trivandrum) – পাহাড় আর সমুদ্রে ঘেরা, প্রাচীনত্ব আর আধুনিকতার গন্ধমাখা রাজধানী শহর। ইস্টফোর্ড বাসস্ট্যান্ডের কাছে শহরের প্রধান আকর্ষণ পদ্মনাভস্বামী মন্দির। ত্রিবাঙ্কুর রাজ্যের গৃহদেবতা অনন্তশয্যায় শায়িত বিষ্ণুর মন্দির। পুরুষদের ধুতি পরে মন্দিরে ঢুকতে হয়। আর মহিলাদের প্রবেশ নিষেধ। মন্দির লাগোয়া পুত্তানমালিকা প্রাসাদ। ত্রিবাঙ্কুর রাজাদের প্রাচীন এই প্রাসাদ এখন মিউজিয়াম। শহরের মাঝখানে নেপিয়ার মিউজিয়াম। এছাড়াও রয়েছে চিড়িয়াখানা ও বোটানিক্যাল গার্ডেন, আর্ট মিউজিয়াম, শ্রীচিত্রা আর্ট গ্যালারি, ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম, সায়েন্স মিউজিয়াম। অটো বা গাড়ি ভাড়া করে অথবা কেরালা পর্যটনের কন্ডাকটেড ট্যুরে বেড়িয়ে নেওয়া যায় শহর ও তার আশপাশ।
শহর থেকে 8 ( আট ) কিমি দূরে শানগুমুখম সৈকত। সৈকতের ধারে পাথরের তৈরি 35 মি লম্বা বিশালাকায় মৎস্যকন্যার অপরূপ ভাস্কর্য। কাছেই ভেলি ট্যুরিস্ট ভিলেজ। তিরুবনন্তপুরমের কাছেই সমুদ্রোপকূলে থুম্বায় ভারতীয় স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন ও বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার। সাধারণের প্রবেশ নিষেধ।
তিরুবনন্তপুরম থেকে 52 কিমি দূরে ত্রিবাঙ্কুর রাজাদের রাজধানী ভাস্কর্যের শহর পদ্মনাভপুরম।
যাতায়াতঃ
চেন্নাই থেকে ত্রিবান্দ্রাম যাওয়ার অনেক ট্রেন আছে। ত্রিবান্দ্রাম থেকে বাসে বাসেই কোভালাম আর ভাড়া গাড়িতে পোনমুড়ি বেড়িয়ে নেওয়া যায়। ত্রিবান্দ্রাম থেকে আলেপ্পির দূরত্ব 260 কিমি, এর্নাকুলাম 222 কিমি, কুইলন 72 কিমি, ভারকালা 40 কিমি, কুমিলি 253 কিমি। প্যারিয়ার কুমিলি থেকে কাছে।
সব জায়গাতেই যাতায়াতের জন্য বাস রয়েছে।
3>। কোভালাম সৈকত (Kovalam Beach) –
দক্ষিণে ভারতের অন্যতম সেরা সমুদ্রসৈকত কোভালাম। তাল, নারকেল, পেঁপে, কলাগাছে ছাওয়া নিরালা সৈকতে শান্ত নীল সমুদ্র ছুঁয়ে যায় রুপোলি বেলাভূমি।
উপরি পাওনা আয়ুর্বেদিক ম্যাসেজ পার্লার।
সমুদ্রতীরের লাইটহাউসটি থেকে দিগন্তবিস্তৃত সমুদ্রবেলার অপরূপ ছবি মনে আঁকা হয়ে যায়। কোভালাম থেকে মাত্র 2 কিমি দূরে মেছুয়াদের গ্রাম ভিঞ্জিঞ্জাম। প্রায় 10 কিমি দূরে 2000 বছরের পুরোনো পরশুরাম মন্দির।
4>। কুমারকমঃ
কেরেলার রাজধানী থেকে মাত্র 16 কিলোমিটার দূরে রয়েছে কুমারাকম গ্রাম। কুমারাকমের নিকটবর্তী বিমানবন্দর কোচি। রেল অথবা কোচি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সহজেই চলে আসতে পারেন কুমারাকমে। কোট্টায়াম বা কোচি থেকে ভাড়া গাড়িতে কুমারকোম আসা যায়। এই গ্রামে আপনাকে অভ্যর্থনা জানাবে চেনা-অচেনা হাজারো পাখি তাদের ভাষায় কিচির-মিচির গান শুনিয়ে। কুমারাকম যদিও ছোট্ট একটি জনপদ কিন্তু পর্যটকদের অত্যন্ত প্রিয় জায়গা। তাই হোটেল, রিসর্টের সংখ্যা অনেক। পাঁচতারা হোটেলের সংখ্যাও কম নয়। কুমারাকোম পাখিরালয়ের ভেতরে কেরালা পর্যটনের নিজস্ব পর্যটকাবাস আছে – ওয়াটারস্কেপ (Waterscape)।
ব্যবস্থাপত্র অতি চমৎকার। অগ্রিম বুকিং করে নেওয়াই ভাল। যদি কুমারাকোমের সঙ্গে কেরালার প্যাকেজ ট্যুর করেন সেক্ষেত্রে সঙ্গে তো ভাড়ারগাড়ি তো থাকবেই, নতুবা খেয়াল রাখতে হবে যে এখানে সঙ্গে নিজস্ব ভাড়ারগাড়ি না থাকলে একটু অসুবিধে হতে পারে।
লোকাল ট্রান্সপোর্ট সেরকম সুবিধের নয়।
কোট্টায়াম বা কোচি থেকে শুধু কুমারাকোম ঘুরতে চাইলে দু'তিন দিনের জন্য গাড়ি সঙ্গে নিয়ে নেবেন। শান্ত নির্জন পরিবেশে পাখিদের মাঝে দুটো দিন কাটাতে মন্দ লাগবে না।
5>।পোনমুড়ি (Ponmuri) – তিরুবনন্তপুরম থেকে "56 কিমি উত্তরে পশ্চিমঘাট পর্বতে স্বাস্থ্যনিবাস পোনমুড়ি। ইউক্যালিপ্টাস, রাবার আর চা বাগিচার সবুজ চাদরে মোড়া পোনমুড়ির পাহাড় সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তে অপরূপ হয়ে ওঠে। কাছেই পিপ্পারা ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি। হাতি, সম্বর, লেপার্ড আর নানান পাখির বাসভূমি।
6>। কুইলন বা কোল্লাম (Quilon) –
তিরুবনন্তপুরম থেকে 72 কিমি দূরে অষ্টমুড়ি লেকের ধারে ব্যাকওয়াটারের দেশ কুইলন। কাজুবাদাম আর মশলার রাজ্য।
লেকের পাড়ে কাজু, নারকেল, কলা, কাঁঠাল গাছের সারি। শহর জুড়ে লালটালিতে ছাওয়া কাঠের বাড়িঘর। লেকের ধারে ডিস্ট্রিক্ট ট্যুরিজম প্রমোশন কাউন্সিল (ডি.টি.পি.সি.)-র পিকনিক ভিলেজ।
শহর থেকে 5 কিমি দূরে সমুদ্রসৈকত। 10 কিমি দূরে অমৃতান্দময়ী মাতার আশ্রম।
কুইলনের সেরা আকর্ষণ ব্যাকওয়াটার ট্যুর। বোট জেটির কাছেই বুকিং অফিস। ট্যুরের সময় সকাল 9 টা থেকে দুপুর 2টো।
অষ্টমুড়ি লেক, ডি টি পি সি-র ট্যুরিস্ট রিসেপশন সেন্টার লাগোয়া বাসস্ট্যান্ডে ত্রিবান্দ্রাম, আলেপ্পি, কোচি, কোট্টায়মগামী বাস মেলে।
5 কিলোমিটার দূরে সাগরপারের ছোট্ট বন্দরগাঁ থাঙ্গাসেরি একসময়ের ব্রিটিশ আর পর্তুগিজদের বাণিজ্যবন্দর ছিল। এখানে সোনার কয়েন দিয়ে বাণিজ্য চলত বলে এর স্থানীয় নাম সোনারগাঁ। পর্তুগিজ আমলের দুর্গের ধ্বংসাবশেষ আর গির্জা আজও আছে। সেসবই তৈরি হয়েছিল 18-র দশকে।
ব্রিটিশদের হাতে তৈরি থাঙ্গাসেরির বিখ্যাত লাইটহাউস বিকেল সাড়ে 3 টে থেকে সাড়ে 5 টা পর্যন্ত খোলা থাকে। কুইলন থেকে 10 কিমি দূরে মায়ানাড। সুব্রামন্নার মন্দির, শোনা যায় এই মন্দির আর মূর্তি শংকরাচার্যের সমসাময়িক।
কুইলন থেকে প্রায় 28 কিমি দূরে সনরো দ্বীপ নারকেল দড়ি আর নৌকা তৈরির জন্য বিখ্যাত।
কেরালার জলরেখার চলমান জীবনরেখা কেট্টুভল্লম, এক বিশেষ ধরণের নৌকো, যাকে সকলে স্নেকবোট নামে চেনে তা তৈরি হয় এই দ্বীপের কারখানায়।
কুইলন থেকে প্রায় 35 কিমি দূরে শিবক্ষেত্র ওছিরা। এখানেই রয়েছে বিখ্যাত পরমব্রহ্ম মন্দির। নভেম্বর-ডিসেম্বরে 12 প্রদীপের উৎসব পানথ্রাডু ভিলাক্কু আর জুন মাসের ওছিরাকাল্লি উৎসব বিখ্যাত।
কুইলন থেকে প্রায় 66 কিমি দূরে পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত ইকো-ট্যুরিজম প্রোজেক্ট থেনমালা। ঘন বনাঞ্চল, টি অ্যান্ড রবার প্ল্যান্টেশন জোন - সব মিলিয়ে সবুজের রাজ্যপাট। তার মধ্যেই স্কাল্পচার গার্ডেন, অ্যাম্ফিথিয়েটারসহ কালচারাল জোন, মিউজিকাল ফাউন্টেন, অ্যাডভেঞ্চার জোন।
7>। ভারকালা (Varkala) –
তিরুবনন্তপুরম থেকে কুইলন যাওয়ার পথেই পড়ে ভারকালা। কথিত আছে, বিষ্ণুর উপাসনার জায়গা খুঁজতে এসে এখানে নারদ তাঁর ভাল্লাকালম বা বল্কল খুলে স্থান নির্ধারণ করেন। সেই থেকেই এই নামের উৎপত্তি। মূল সড়ক ছেড়ে 11 কিমি বাঁয়ে পাহাড়চূড়োয় ভারকালা প্রস্রবণ। ভারকালার পাপনাশম সৈকতে স্নান করলে পাপ ধুয়ে যায় এমনটাই বিশ্বাস করেন স্থানীয় মানুষ। ধনুকাকৃতি পাপনাশম সৈকতের একপাশে লালপাথরের প্রাচীর। সৈকতশেষে টিলা বা ক্লিফটপ। টিলার মাথায় শিবগিরি মঠ। অন্যদিকে সার দিয়ে রয়েছে হোটেল, রিসর্ট, রেস্তোরাঁ, ম্যাসাজ পার্লার। পাপনাশম সৈকতের পথে 2000 বছরের প্রাচীন শ্রীজনার্দনস্বামী(বিষ্ণু) মন্দির।
8>। আলেপ্পি বা আলহাপূজা (Alappuzha/Alleppey) –
সমুদ্র-নদী-খাঁড়ি আর মাকড়সার জালের মতো অজস্র খাল নিয়ে কেরালার আলেপ্পি বা আলহাপূজা প্রাচ্যের ভেনিস নামে খ্যাত। এর একপাশে আরব সাগর, অন্যদিকে কেরালার বৃহত্তম লেক ভেম্বানাদ। একসময় ত্রিবাঙ্কুর রাজাদের বাণিজ্যকেন্দ্র ছিল আলেপ্পি। সমুদ্র থেকেও নিচুতে বাঁধ দিয়ে চাষ হচ্ছে নারকেল, কলা আর নানারকম মশলার গাছের। সবুজের মাঝে ছোট ছোট বাড়িঘর। বোট জেটি থেকে নৌকা বা মোটরবোট ভাড়া করে দেখে নেওয়া যায় ব্যাকওয়াটারের শোভা। ডি টি পি সি বা কে টি ডি সি-র হাউসবোটের প্যাকেজট্যুরেও ঘোরা যায়। শহরের একপাশে আলেপ্পির সৈকত। আর আছে বিজয়া বিচ পার্ক, সি ভিউ পার্ক। আলেপ্পির দক্ষিনে প্রায় 15 কিমি দূরে আম্বালাপুজা শ্রীকৃষ্ণ মন্দির। কেরলীয় গঠনশৈলী আর দশ অবতারের ভিন্ন ভিন্ন রূপ, সবমিলে প্রাচীন এক চেহারা। 32 কিলোমিটার দূরে নাগরাজের মন্দির। নাগরাজ স্থানীয় এক ব্রাহ্মণ পরিবারের গৃহদেবতা। লোকবিশ্বাস, অলৌকিক এই দেবমূর্তি আসলে বিষ্ণু আর শিবের মিলিত রূপ। আলেপ্পি থেকে অটোভাড়া করে আশপাশ ঘুরে নেওয়া যায়।
9>। কোট্টায়াম –
আল্লাপুজা অথবা কোচি বা কুমারকম গ্রাম থেকে ব্যাকওয়াটার ভ্রমণে পৌঁছে যাওয়া যায় পশ্চিমঘাট পর্বতমালা আর ভেম্বানাদ লেকের মাঝে কোট্টায়ামে। চিরহরিৎ আর পর্ণমোচী অরণ্যে ছাওয়া কোট্টায়ামে চা, কফি, কোকো, গোলমরিচ, এলাচ, রবারের চাষ হয়।
18 শতকের মধ্যভাগে থেক্কুমকুর রাজার রাজধানী ছিল কোট্টায়াম। শহর জুড়ে নানা হেরিটেজ চার্চ – সেন্ট ম্যারিজ চার্চ, চেরিয়াপাল্লী চার্চ, ভালিয়াপাল্লি চার্চ উল্লেখযোগ্য। কোট্টায়াম-এর্ণাকুলাম সড়কপথে এট্টুমানুর ও ভাইকুম মন্দিরদুটি দ্রষ্টব্য।
কোট্টায়াম থেকে 12 কিমি পশ্চিমে ভেম্বানাদ হ্রদে নারকেল গাছে ছাওয়া সবুজ দ্বীপে কুমারাকোম পক্ষীআলয়। পরিযায়ী আর স্থানীয় পাখিদের মেলা বসে বিশেষ করে শীতের সময়ে। স্টর্ক, হেরন, ইগ্রেট, স্কাইলার্কের পাশাপাশি দেখা মিলবে চেনা হাঁস, কোকিলেরও। জলে বোটিং-এর ব্যবস্থা আছে। থাকা যায় হাউসবোটেও।
নির্জন দ্বীপ পাথিরামানালও এখানের আরেক আকর্ষণ।
10>। মুন্নার (Munnar) – এর্নাকুলাম থেকে বাসে বা ট্র্যাভেল কারে চড়ে আসতে পারেন মুন্নার। কেরালার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ মুন্না। মনে হয় মুন্নারের জন্যই কেরালাকে God’s own country বলা হয়। সৃষ্টিকর্তা প্রকৃতির সব অপরুপ সৌন্দর্য যেন মুন্নারে ঢেলে দিয়েছেন। যে ভাষায়ই মুন্নারের সৌন্দর্য বর্ননা করিনা কেন তা কোন ভাবেই তুলনিয় হবে না। ভালো করে ঘুরে দেখতে হোটেল থেকেই টুর গাইড সাথে নিতে পারেন। এ্যাডভেন্সর প্রিয়রা হাইকিং করতে পারেন,
বেরুবার আগে হার্টের বিট চেক করে নিবেন। হাইকিং এ ভালো জুতো পরে নেবেন, চারিদিকে রক্তচোষা জোকের ছড়াছড়ি।
মুদ্রাপূজা, নালাতান্নি আর কুন্ডলা – তিন পাহাড়ি নদীতে ঘেরা সবুজ শৈলশহর মুন্নার। দিগন্তবিস্তৃত চা বাগান মুন্নারের বৈশিষ্ট্য। পশ্চিমঘাট পর্বতের ঢালে এলাচ, গোলমরিচ, লবঙ্গ, দারচিনি আর কফির চাষ হয়। মুন্নার থেকে 15 কিমি দূরে ইরাভিকুলাম জাতীয় উদ্যান। এই অরণ্যেই রয়েছে দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ আনামুদি ( 2695 মিটার) নীলগিরি হাতি, শম্বর, গউর ইত্যাদি প্রাণীর দেখা মিলবে এই জঙ্গলে। বর্ষায় অরণ্য বন্ধ থাকে। মুন্নার থেকে 16 কিমি দূরে দেবীকুলাম। এখানে রয়েছে সীতা দেবী সরোবর। 13 কিমি দূরেমাডুপেট্টি হ্রদ। হ্রদের ওপর মাডুপেট্টি ড্যাম। আশপাশে দেখুন ইন্দো-সুইস প্রজেক্ট, ইকোপয়েন্ট, কুন্ডালা হ্রদ ও ড্যাম। মাডুপেট্টি ও কুন্ডালা হ্রদে বোটিংয়ের ব্যাবস্থা আছে। চা বাগিচা ঘেরা পথে 1 ঘণ্টায় পৌঁছে যাওয়া যায় দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ ( 2200 মি)চা বাগান টপস্টেশন। ডি টি পি সি-র কন্ডাকটেড ট্যুরে মুন্নারের দ্রষ্টব্যগুলি ঘুরে নেওয়া যায়।
মুন্নারে যে জিনিশটি আগে দেখবেন তা হল কান্নান দেভান টি মিউজিয়াম।
মুন্নার শহরের অদুরেরি আড়াই কিমি দুরত্তে মুন্নারের সবচেয়ে বড় এই টি মিউজিয়াম ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত।
আশাপাশের সব ধরনের চা পাতা এখানে প্রক্রিয়াজাত করা হয়, পুরো মিউজিয়াম ও ফ্যাক্টরি ঘুরে দেখতে পারেন, হ্যা ছবিও তুলতে পারেন এখানে এর জন্য এক্সট্রা বিশ রুপি পে করতে হবে। ভিডিও করা নিষেধ, যদিও অনেকেই ফাকি দিয়ে তা করছে। তবে ধরা পড়লে ডিলেট করতে হবে।
এরপরে ঘুরবেন মাট্টুপেডি ডাম, ভাবছেন ড্যামের কি দেখবেন ? দেখবেনতো ড্যাম লেক তাও আবার স্পিড বোটে। অনিন্দ্য সুন্দর এই লেক সারাবছরের কোলাহলযুক্ত কানদুটিকে একটু স্বস্তি এনে দেবে। পাঁচ ছয়জন মিলে বোট ভাড়া করে ঘুরে আসা যায় লেকের এমাথা থেকে ও মাথা অব্দি।
পাঁচশো টাকায় আধাঘণ্টা চড়তে পারবেন।
যারা ঘোড়ায় চড়তে পারেন তাদের জন্য লেকসাইডে ঘোড়ায় চড়ার ব্যাবস্থাও রয়েছে।
সিয়েনা ওয়াটার ফল। মুন্নার থেকে নয় কিলোমিটার দুরেই এর অবস্থান। জংগল আর পাহাড়ের অংশ ভেদ করে মাট্টুপেডি ড্যামের দিকে আসা ঝরনাধারা আপনার মনকে ফ্রেশ করবে। ট্রাকিং আর হাইকিং এর জন্য অসাধারণ জায়গা এটি।
টপ ষ্টেশন, মুন্নারের সব চেয়ে আকর্শনীয় এই সাইটটি শহর থেকে প্রায় 40 কিমি দূরে তামিল নাডু বর্ডারের দিকে। এলিফ্যান্ট ট্রেনিং সেন্টার থেকে এদিকে আসার রাস্তা রয়েছে। টপষ্টেশন হিল বা পাহাড়ের এমন এক জায়গা আপনি চাইলেই মেঘ ধরতে পারবেন। এখানে দেখা মিলবে নিলা পুরুঞ্জি ফুলগাছের যা প্রতি বারো বছরে মাত্র একবার ফোটে।
দুঃখিত আমি এই ফুল দেখিনি।
মুন্নারে দুদিন বেড়াতে আর ঘুরতে বাজেট ট্র্যাভেলররা আলাদা করে পাঁচ হাজার রুপি জমা করে রাখবেন। আর যারা স্পেশাল ফ্যামিলিটুর তাদের জন্য দশহাজার !
তবে মুন্নার যাবেন স্পেশাল সময় নিয়ে মানে দুইদিন। পুরো কেরালা প্রদেশের নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে মুন্নার যাওয়ার বিকল্প নেই।
যাতায়াতঃ
চেন্নাই থেকে এর্নাকুলাম যাওয়ার নিকটতম রেলস্টেশন এর্নাকুলাম জংশন( ERS ) ও এর্নাকুলাম টাউন( ERN ) ট্রেন আছে। এর্নাকুলাম থেকে মুন্নার 130 কিমি।মুন্নার থেকে পেরিয়ার অরণ্যের কাছের শহর কুমিলি 105 কিমি।যাতায়াতের জন্য বাস রয়েছে।
11>। পেরিয়ার (Periyar) –
কেরালার থেক্কাডি জেলায় পেরিয়ার ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি –
ভারতের অন্যতম সুন্দর অভয়ারণ্য।
1899 সালে অভয়ারণ্যের মর্যাদা পায় পেরিয়ার। ১৯৭৯ সালে টাইগার রিজার্ভের শিরোপা। প্রায় 800 বর্গ কিমি ব্যাপী এই অরণ্য হাতিদের বিচরণক্ষেত্র। দেখা মেলে চিতাবাঘ, বাইসন, বুনো মোষ, বুনো কুকুর, বুনো শুয়োর, হরিণ ইত্যাদি জীবজন্তুর। জঙ্গলে বিভিন্ন প্রজাতির স্তন্যপায়ী, প্রজাপতি, পাখি, সরীসৃপের সঙ্গে সহাবস্থান করে আছে নানান উপজাতির মানুষজনও। জঙ্গলের গভীরে রয়েছে পাথরের তৈরি বহু প্রাচীন এক মন্দির। পেরিয়ার হ্রদের বুকে লঞ্চে চেপেও করা যায় অরণ্য ভ্রমণ। থেক্কাডিতে হ্রদের ধারে কে টি ডি সি ও বনদপ্তরের অফিস। উভয়েরই বোট ক্রুইজের ব্যবস্থা আছে। বনদপ্তরের বেশ কিছু ইকো-ট্যুরিজম অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরও রয়েছে। নেচার ওয়াক, ব্যাম্বু র্যাফটিং, টাইগার ট্রেইল, ট্রাইবাল হেরিটেজ, ভিলেজ ট্যুর ইত্যাদি। সারা বছরই পেরিয়ার অরণ্য খোলা থাকে। হাতির পিঠে চড়েও ঘোরা যায় পেরিয়ারে।
ভারতের অন্যান্য প্রদেশের চেয়ে দক্ষিণ ভারতের শহরগুলোতে ট্যাক্সি বা অটোর ভাড়া বেশি হয়, সুতারং অটো বা ট্যাক্সির চেয়ে এসব যায়গায় বেড়াতে পাবলিক বাস ব্যাবহার করাই শ্রেয়।
==========================+
18/12/2019 At Munnar
************(***********
*************************
****************
*****************
E--1 )
11/12/2019 &12/12/2019
Our hotel is near to Temple of KANYA KUMARI.
Hotel BOOPATHI. 11/12 &12/12
11,/12/2019
Here we visited KANYAKUMARI TRMPLE.
12/12/2019
Swami Vivekananda rock and temple.
Vivekananda librarie, Meditation holl
Where I and your didun spend some time for Meditation.
We reached the rock by .Launch,
After returning from Rock we visited the Vivekananda park, there we see the
Picher of full Ramayana.
The park is soo beautiful.
Then we see the Sunset in the oven
Here two Sagors and a Maha sagor i.e.
Three seas meet here
Arab sagar, Atlantic sagor, and Bharat moha sagor.
Tomorrow we go out to see the Sunrise.
**************************
***************************
(E--2 )
To day 13/12/2019 in the morning after enjoy the Sunrise.
We move for Trivandrum after BF.
On the way we visit SUCHINTOM MONDIR.
For man shirt or ganji not allow.
But Woman no restrictions they can go normal .Just I am sending the photos.
See the photo of outside The Suchintom
temple.
In side the temple mobile, camera not allow.
Then we reach KOVALAM BEACH of Kerala.
Kovalam is a small coastal town in the southern Indian state of Kerala, south of Thiruvananthapuram. At the southern end of Lighthouse Beach is a striped lighthouse with a viewing platform.
Vizhinjam Juma Masjid mosque overlooks the busy fishing harbor. Inland, Sagarika Marine Research Aquarium displays technology used in pearl production.
Then we take our room ar hotel.
HOTEL BOBAN PLAZA.
S.S. kovil Road. Thampanoor,
Thiruvananthapuram-695 001,kerala.
For two night.13/12 &14/12
14/12/2019 .
Visited padmanabha mondir
On 15th dec after back water tour
With days Meal 2hr tour.
Then we reach Hotel BENNIS INN
AT BENS TOWER, SASTRI ROAD,
KOTTAYAM--686 001
Ph-0481 2568001/ 02/ 03.
For one Night.
16/12/2019----
Today morning after having meal we move for kumily
Kumily is the largest Gram Panchayat in the Idukki district of Kerala. It is a town in Cardamom Hills near Thekkady and Periyar Tiger Reserve. Kumily is gateway town in Kerala to Tamil Nadu.
Elevation: 880 m
Weather: 27 °C, Wind NE at 11 km/h, 59% Humidity
District: Idukki
Our hotel "Hotel SALEEM TOWER."
But it is a BANGLO type hotel.
THEKKADY FORT, COTTAGE.
SBI ROAD. ROSAPUKANDAM.
KUMILY. THEKKADY.
Area code: 04869
Here we visited KONYAKUMARI TRMPLE.
Swami Vivekananda rock and temple.
Vivekananda librarie, Meditation holl
Where I and your didun spend some time for Meditation.
We reached the rock by .Launch,
After returning from Rock we visited the Vivekananda park, there we see the
Picher of full Ramayana.
The park is soo beautiful.
Then we see the Sunset in the oven
Here two Sagors and a Maha sagor i.e.
Three seas meet here
Arab sagar, Atlantic sagor, and Bharat moha sagor.
Tomorrow we go out to see the Sunrise.
To day at morning after enjoy the Sunrise.
We move for Trivandrum after BF.
On the way we visit SUCHINTOM MONDIR.
For man shirt or vabhi not
allow .for Woman no restrictions they can go normal .
See the photo of outside
The temple.
In side mobile, camera not allow.
Then we reach KOVALAM BEACH of Kerala.
Kovalam is a small coastal town in the southern Indian state of Kerala, south of Thiruvananthapuram. At the southern end of Lighthouse Beach is a striped lighthouse with a viewing platform.
Vizhinjam Juma Masjid mosque overlooks the busy fishing harbor. Inland, Sagarika Marine Research Aquarium displays technology used in pearl production.
Then we take our room ar hotel.
HOTEL BOBAN PLAZA.
S.S. kovil Road. Thampanoor,
Thiruvananthapuram-695 001,kerala.
To day going to visit PADMONAV TEMPLE
Padmanabhaswamy Temple
******************************
At periyar BACK WATER 2 hours
Back water vhromon
16/12/2019----
Today morning after having meal we move for kumily
Kumily is the largest Gram Panchayat in the Idukki district of Kerala. It is a town in Cardamom Hills near Thekkady and Periyar Tiger Reserve. Kumily is gateway town in Kerala to Tamil Nadu.
Elevation: 880 m
Weather: 27 °C, Wind NE at 11 km/h, 59% Humidity
District: Idukki
Nearest Town / city: Nedumkandam, Theni, Munnar
Our hotel "Hotel SALEEM TOWER."
But it is a BANGLO type hotel.
Area code: 04869
18/12/2019
Going to Munnar
Our Hotel "RED STAR HOLIDAYS"
Munnar is a town in the Western Ghats mountain range in India’s Kerala state. A hill station and former resort for the British Raj elite, it's surrounded by rolling hills dotted with tea plantations established in the late 19th century. Eravikulam National Park, a habitat for the endangered mountain goat Nilgiri tahr, is home to the Lakkam Waterfalls, hiking trails and 2,695m-tall Anamudi Peak.
Elevation: 1,532 m
Weather: 22 °C, Wind NE at 6 km/h, 66% Humidity
District: Idukki
PIN: 685612
Local time: Wednesday, 4:36 pm
**************************
***********************
Here we visited KONYAKUMARI TRMPLE.
Swami Vivekananda rock and temple.
Vivekananda librarie, Meditation holl
Where I and your didun spend some time for Meditation.
We reached the rock by .Launch,
After returning from Rock we visited the Vivekananda park, there we see the
Picher of full Ramayana.
The park is soo beautiful.
Then we see the Sunset in the oven
Here two Sagors and a Maha sagor i.e.
Three seas meet here
Arab sagar, Atlantic sagor, and Bharat moha sagor.
Tomorrow we go out to see the Sunrise.
To day at morning after enjoy the Sunrise.
We move for Trivandrum after BF.
On the way we visit SUCHINTOM MONDIR.
For man shirt or vabhi not
allow .for Woman no restrictions they can go normal .
See the photo of outside
The temple.
In side mobile, camera not allow.
Then we reach KOVALAM BEACH of Kerala.
Kovalam is a small coastal town in the southern Indian state of Kerala, south of Thiruvananthapuram. At the southern end of Lighthouse Beach is a striped lighthouse with a viewing platform.
Vizhinjam Juma Masjid mosque overlooks the busy fishing harbor. Inland, Sagarika Marine Research Aquarium displays technology used in pearl production.
Then we take our room ar hotel.
HOTEL BOBAN PLAZA.
S.S. kovil Road. Thampanoor,
Thiruvananthapuram-695 001,kerala.
To day going to visit PADMONAV TEMPLE
Padmanabhaswamy Temple
******************************
*******************************
আমরা পেরিয়ারে ব্যাক ওয়াটারে চললাম।
16/12/2019----
Today morning after having meal we move for kumily
Kumily is the largest Gram Panchayat in the Idukki district of Kerala. It is a town in Cardamom Hills near Thekkady and Periyar Tiger Reserve. Kumily is gateway town in Kerala to Tamil Nadu.
Elevation: 880 m
Weather: 27 °C, Wind NE at 11 km/h, 59% Humidity
District: Idukki
Nearest Town / city: Nedumkandam, Theni, Munnar
Our hotel "Hotel SALEEM TOWER."
But it is a BANGLO type hotel.
Area code: 04869
এখানে KUMILY. THEKKADY.KERALA.
সকাল থেকেই ফগ তার পর শুরু বৃষ্টি। সাথে শীতের কাঁপুনি।
মশলার বাগান বাড়িতে।
মশলার গন্ধে মন মাতিয়ে দিল।
আমাদের রেস্ট হাউজ, বাগান বাড়ি: আজকের সকালের টিফিন
তড়কা রুটি আর সুজির হালুয়া আর চা।
***************************
++++**********************
17/12/2019
To day after rain stop we visite four site vew points.
And evening we enjoy the
KOTHAKOLI dance and
YODHA CULTURAL VILLAGE POGRAM AT THEKKADY
: To day 18/12/2019
We r at munna
RED STAR HOLIDAYS
Near Maruti Service Centre.
Colony Road Munnar.
18/12/2019
Going to Munnar
Our Hotel "RED STAR HOLIDAYS"
Munnar is a town in the Western Ghats mountain range in India’s Kerala state. A hill station and former resort for the British Raj elite, it's surrounded by rolling hills dotted with tea plantations established in the late 19th century. Eravikulam National Park, a habitat for the endangered mountain goat Nilgiri tahr, is home to the Lakkam Waterfalls, hiking trails and 2,695m-tall Anamudi Peak.
Elevation: 1,532 m
Weather: 22 °C, Wind NE at 6 km/h, 66% Humidity
District: Idukki
PIN: 685612
Local time: Wednesday, 4:36 pm
**************************
***************************
কন্যাকুমারী
কন্যাকুমারী মন্দিরটি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের কন্যাকুমারী জেলার অন্তর্গত একটি শহর। ইংরেজিতে এই শহরকে Cape Comorin বা কুমারী অন্তরীপ বলা হয়। এই শহরটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণতম বিন্দুতে অবস্থিত। কন্যাকুমারী জেলার সদর শহর নাগেরকইল এই শহর থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। কন্যাকুমারী একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। প্রাচীনকালেও কন্যাকুমারী ছিল তামিলাকাম বা প্রাচীন তামিল দেশের দক্ষিণতম অঞ্চল। কন্যাকুমারী নামটি এসেছে হিন্দু দেবী কন্যাকুমারীর (যাঁর স্থানীয় নাম কুমারী আম্মান) নামানুসারে। এই শহরের সৈকত অঞ্চলে যেখানে আরব সাগর, ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর পরস্পর মিলিত হয়েছে, সেখানেই দেবী কুমারীর মন্দির অবস্থিত।
মা কন্যাকুমারী
আনুমানিক ৩০০০ বছরের কুমারী আম্মানকে পুজো করে আসছেন হিন্দু ভক্তরা। সমুদ্র সৈকতের কিনারায় পাথর দিয়ে তৈরি মন্দিরে দেবী কন্যাকুমারীকে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। মন্দিরের মুল ফটকটি উত্তর দিকে। এই ফটকটি বিশেষ কয়েকটি দিন ছাড়া প্রতিদিনই খোলা থাকে। এই মন্দিরে পূজো দেওয়ার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। সাধারণত, দক্ষিণ ভারতের সমস্ত মন্দিরেই প্রবেশ কালে পুরুষদের গায়ের জামা খুলতে হয়। তারপরেই মন্দিরের অন্দরমহলে প্রবেশ করা যায়। কন্যাকুমারীতেও তাই। এখানে পূজা দেওয়ার আগে নারী-পুরুষ উভয়কেই সমুদ্রে মন্ত্র পড়ে স্নান করে, ভিজে জামা কাপড়েই প্রবেশ করতে হয়।
হিন্দু মতে দেবী কুমারী হলেন পার্বতীর আরেক রূপ।যাঁর রূপে মোহিত হয়ে মহাদেব তাঁকে বিয়ে করতে চায়। বিয়ের দিনই দেখা পাওয়া যায় না শিবের। কুমারী দেবীর বিয়ের দিন যা যা রান্না করা হয়েছিল তা সব ফেলে দেওয়া হয়। ভক্তরা মনে করেন, সেই সব রান্না না করা চাল, শস্য ফেলে দেওয়ায় সমুদ্রতট তৈরি হয়েছে।
আবার রামায়ণ থেকে এই কন্যাকুমারী মন্দিরের উল্লেখ পাওয়া যায়। অনেকেই মনে করেন, রাম- রাবণের যুদ্ধে মৃত লক্ষ্মণের দেহে প্রাণ আনার জন্য সঞ্জীবনী গাছের মূল আনতে গিয়েছিল হনুমান। কিন্তু গাছ না চেনায় সে পড়েছিল মহা বিপদে। শেষে গাছ না চেনার জন্য মারুনথুভাজ মালাই নামে পুরো পাহারটাই তুলে নিয়ে গিয়ে হাজির করেছিলেন অগস্থা মুনির সামনে। আসলে আগস্থা মুনি ছিলেন আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রের পণ্ডিত। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, কন্যাকুমারীর কিছু দূরেই অগস্থে্স্বরম নামে একটি গ্রাম ছিল। সেটি আজ একটি আশ্রমে পরিণত হয়েছে। পর্যটকেরা সেই পাহাড়ে উঠে আশ্রমে যান। সেখান থেকেই পরিষ্কার দেখা যায় কন্যাকুমারী মন্দিরটি।
এই শহরের প্রধান পর্যটনকেন্দ্রগুলির মধ্যে দেবী কুমারীর মন্দির, বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়াল, প্রাচীন তামিল কবি তিরুবল্লুবরের ১৩৩ ফিট উঁচু মূর্তি এবং গান্ধীমণ্ডপম্ (ভারত মহাসাগরের জলে মহাত্মা গান্ধীর চিতাভষ্ম বিসর্জনের আগে এখানে তা রাখা হয়েছিল) রয়েছে।
=============!!=========
Places in Kanyakumari
Vivekananda Rock Memorial
About Vivekananda Rock Memorial
Time Required: 1-2 hrs
Open Time: 7:00 AM - 5:00 PM
Vivekananda Rock Memorial Overview
The magnificent Vivekananda Rock Memorial is located on a small island off Kanyakumari. It has the picturesque Indian Ocean in its backdrop and hence serves as a peaceful and serene destination for visitors from all across the globe. It is situated on one of the two adjacent rocks projecting out of the Lakshadweep Sea and comprises of the 'Shripada Mandapam' and the 'Vivekananda Mandapam'. The ferry ride up to these rock islands is a thrilling journey and hence attracts a lot of nature lovers and adventure enthusiasts.
History of Vivekanand Rock Memorial
In the January of 1962, it was deemed fit that a memorial dedicated to Swamiji must be constructed to commemorate his birth Centenary. Sri Veluyudhan, the president of Haindeva Seva Sangh, took the lead and a committee was formed for the same. A meeting was held which was headed by Sri Ram Krishna Mission and the memorial was affirmed by all. After overcoming a few initial glitches, the marvellous memorial statue was finally approved, and the rest is history.
Vivekananda's Rock also holds religious significance to the locals. It is believed that Goddess Devi Kumari blessed the rock while performing austerity. The construction of the memorial is a very sublime combination of various temple building styles from all over the country, which imparts a very serene aura to this place.
Dispute Regarding Vivekanand Rock Memorial
When Ramakrishna Mission in Madras planned about this memorial, at the same time Kanyakumari Committee was formed by a group of people which put up a memorial on the rock along with a pedestrian bridge leading to the rock. This piece of information was not taken well by the local Catholic fishermen. To show their dissent, they planted a big Cross upon the rock. This led to a wave of restlessness among the Hindus, who considered the rock to be a holy place of the Hindus.
After a lot of chaos and protests, the Government realised that the rock had become a disputed area and thus compelled them to a pass an official order. The order was passed by the then chief minister of Tamil Nadu, Shri M. Bhaktavatsalam. It stated that although the rock was Vivekananda rock, there would be no memorial constructed on it. It was only allowed to put up a tablet on the rock that stated that it was associated with Swami Vivekananda. Thus, with official permission, the tablet was installed on the rock on 17 January 1963.
Eknath Ramkrishna Ranade
The Vivekananda Rock Memorial Organizing Committee was set up by Eknath Ramakrishna Ranade. He was an eminent Indian social and spiritual reformer, a senior pracharak of the Rashtriya Swayamsevak Sangh (RSS) and was profoundly influenced by the teachings of Swamiji. He played an instrumental role in setting up the memorial.
Ranade's faith and belief in the memorial mission were so strong that he never allowed the pace of the mission to slow down due to any of the difficulties faced by them. Even when the funds were in paucity, he started a fund-campaign to aid the mission. He believed the Rock memorial to be a national monument and wanted every Indian to contribute to its construction. He launched various campaigns, like the campaign of one-rupee folders throughout the nation to mobilize the donation of the general public. He made it possible to complete the construction of the memorial in a matter of just six years.
Architecture of Vivekananda Rock Memorial
The majestic architecture of the memorial is divided into two major sections, namely- the Vivekananda Mandapam and the Shripada Mandapam. The Vivekananda Mandapam has the following sections- Dhyana Mandapam (which is the meditation hall with six adjacent rooms), Sabha Mandapam (which is the assembly hall), Pralima Mandapam (statue section) two rooms, a corridor and an open prakaram (outer courtyard) round the Sabha Mandapam, Mukha Mandapam, Namashtubhyam to the Son of jagadamba. This Mandapam was erected in honour of Swamiji and is believed to be the place where he got the aim of his life.
The Shripada Mandapam is the square hall and has the following sections- Garbha Graham, inner prakaram, outer prakaram and the outer platform. Shri Padaparai Mandapam is also present in the vicinity, which is a shrine that was erected to mark the footprint of the virgin goddess on the rock.
Vivekananda Kendra
Vivekananda Kendra aka the living memorial lies alongside the rock memorial. Its existence was first mentioned in 1964 and it was officially founded on 7 January 1972 after a groundwork of 9 years. The Kendra has twin objectives of man-making and nation-building. It was decided by Shri Eknath Ranade that Vivekananda Kendra should be a cadre-based organization and all those citizens of India who want to serve the nation will be given a chance to serve the God in man.
Vivekananda Rock Memorial Timings
It is open on all days of the week from 7:00 AM till 5:00 PM.
Vivekananda Rock Memorial Entry Fees
The entry fee is INR 10 per head with additional charges if you want to carry your camera or recorder along.
A still camera is charged at INR 10 while a video camera is charged at INR 50.
The ferry takes INR 50/- per head and after you reach the rock, pay more INR 20 per head to see the memorial. Stay your quality time at the meditation centre. Bookstore is available next to it. Photographs are not allowed inside. Opens from 8am to 4pm. Seat on the left side of the boat if you want to click the rock from the boat.
*********************(
**********************
====================
কেরালার ব্যাকওয়াটারের দৃশ্যাবলীর মধ্যে রয়েছে আরব সাগরের সমান্তরালে অবস্থিত শান্ত বিস্তীর্ণ লেক, খাল এবং লেগুন। কেরালার ব্যাকওয়াটার অঞ্চল্গুলি বিশ্বের সবথেকে জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যস্থানগুলির মধ্যে অন্যতম। শান্ত ব্যাকওয়াটার পর্যটনের অভিজ্ঞতা জীবনভর থেকে যায়। ‘প্রাচ্যের ভেনিস’ নামে পরিচিত আলাপ্পুজহা বিশেষরূপে জনপ্রিয় এর হাউসবোট ক্র্যুজের জন্য, যেখানে প্রকৃতির সুন্দরতম অংশের সাথে নিজেকে ভিজিয়ে নিতে পারবেন।
=========================
=====================
মুন্নার,Munnar 28/12/2019
মুথিরাপুঝা, নাল্লাথান্নি এবং কুন্দলা এই তিন নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত এবং সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় 1600 মিটার উচ্চতায় স্থিত মুন্নার শহরটি ছিল তদানীন্তন দক্ষিণ ভারতের ব্রিটিশ শাসকদের গ্রীষ্মকালীন ঘাঁটি।
এখানে বিস্তৃর্ণ অঞ্চল জুড়ে চা বাগান, ঔপনিবেশিকালের সব বাংলো, ছোট ছোট নদী, জলপ্রপাত এবং শীতল আবহাওয়া, এই সবই এই অঞ্চলের বৈশিষ্ট্যাবলী।
এছাড়াও এখানে ট্রেকিং ও মাউন্টেন বাইকিংয়ের জন্য এটি একটি উপযুক্ত স্থান।
মুন্নারের কাছে ইরাভিকুলম জাতীয় উদ্যানের মধ্যে স্থিত শৃঙ্গের নাম আনামুদি শৃঙ্গ। এটি দক্ষিণ ভারতের পর্বতগুলির মধ্যে উচ্চমত পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা 2700 মিটারের কিছু বেশি। এই শৃঙ্গে আরোহণের জন্য ইরাভিকুলমের বনবিভাগ ও বন্যপ্রানী কর্তৃপক্ষের থেকে আগে থেকে অনুমতি নিতে হয়।
কেরালার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ মুন্নার।
কেউ কেউ মনে করেন মুন্নারের জন্যই কেরালাকে God’s own country বলা হয়।
সৃষ্টিকর্তা প্রকৃতির সব অপরুপ সৌন্দর্য যেন মুন্নারে ঢেলে দিয়েছেন।
ভালো করে ঘুরে দেখতে এখানের হোটেল থেকেই টুর গাইড সাথে নিতে পাড়াজায়। যারা এ্যাডভেন্সরে রুচি রাখেন বা ইচ্ছা করেন তারা হাইকিং করতে পারেন।তবে শরীর ফিট থাকতে হবে।
রক্তচোষা জোকের উৎপাত আছে।
কেউ কেউ নদী গুলির নাম বলেন
মুদ্রাপূজা, নালাতান্নি আর কুন্ডলা –
সে যাই হোক তিন পাহাড়ি নদীতে ঘেরা সবুজ শৈলশহর মুন্নার। দিগন্তবিস্তৃত চা বাগান মুন্নারের বৈশিষ্ট্য। পশ্চিমঘাট পর্বতের ঢালে এলাচ, গোলমরিচ, লবঙ্গ, দারচিনি আর কফির চাষ হয়।
মুন্নার থেকে ১৫ কিমি দূরে ইরাভিকুলাম জাতীয় উদ্যান। এই অরণ্যেই রয়েছে দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ আনামুদি (২৬৯৫ মিটার) নীলগিরি হাতি, শম্বর, গউর ইত্যাদি প্রাণীর দেখা মিলবে এই জঙ্গলে। বর্ষায় অরণ্য বন্ধ থাকে।
মুন্নার রের কাছেই মাত্র ১৬ কিমি দূরে দেবীকুলাম। এখানে রয়েছে সীতা দেবী সরোবর।
১৩ কিমি দূরে দূরেমাডুপেট্টি হ্রদ। হ্রদের ওপর মাডুপেট্টি ড্যাম।
পাশেই ইন্দো-সুইস প্রজেক্ট, ইকোপয়েন্ট, কুন্ডালা হ্রদ ও ড্যাম। মাডুপেট্টি ও কুন্ডালা হ্রদে বোটিং করা যায় । চা বাগানে ঘেরা পথে ১ ঘণ্টায় পৌঁছে যাওয়া যায় দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ চা বাগান টপস্টেশন।
( ডি টি পি সি-র কন্ডাকটেড ট্যুরে মুন্নারের দ্রষ্টব্যগুলি ঘুরে নেওয়া যায়।)
মুন্নারের কান্নান দেভান টি মিউজিয়াম বেশ ভালো।
মুন্নার শহরের অদুরেরি আড়াই কিমি দুরত্তে মুন্নারের সবচেয়ে বড় এই টি মিউজিয়াম ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত। আশাপাশের সব ধরনের চা পাতা এখানে প্রক্রিয়াজাত করা হয়, পুরো মিউজিয়াম ও ফ্যাক্টরি ঘুরে দেখলাম হ্যা ছবিও তুলছি তবে ছবি তোলবার জন্য এক্সট্রা বিশ টাকা লাগে। ভিডিও করা নিষেধ।
এখানে আছে মাট্টুপেডি ডাম।দেখতে পারেন ড্যাম লেক তাও আবার স্পিড বোটে।
অনিন্দ্য সুন্দর এই লেক সারাবছরের কোলাহল মুক্ত স্থান ।
যারা ঘোড়ায় চড়তে পারেন তাদের জন্য লেকসাইডে ঘোড়ায় চড়ার ব্যাবস্থাও রয়েছে।
সিয়েনা ওয়াটার ফল। মুন্নার থেকে নয় কিলোমিটার দুরেই সিয়েনা ওয়াটার ফল।
জংগল আর পাহাড়ের অংশ ভেদ করে মাট্টুপেডি ড্যামের দিকে আসা ঝরনাধারা বেশ মনোরম।
টপ ষ্টেশন, মুন্নারের সব চেয়ে আকর্শনীয় এই সাইটটি শহর থেকে প্রায় ৪০ কিমি দূরে তামিল নাডু বর্ডারের দিকে।
এলিফ্যান্ট ট্রেনিং সেন্টার থেকে এদিকে আসার রাস্তা রয়েছে। টপষ্টেশন হিল বা পাহাড়ের এমন এক জায়গা যেখানে চাইলেই হাত দিয়ে মেঘ ধরতে পাড়াজায় ।
এখানে দেখা যায় নিলা পুরুঞ্জি ফুলগাছ।
যে গেছে নাকি প্রতি বারো বছরে মাত্র একবার ফুল ফোটে।
==============================
====================
পৃথিবীর স্বর্গরাজ্য কেরালা
‘কেরা’ এবং ‘আলআম’ শব্দ থেকে হয়েছে ‘কেরালা’। কেরা শব্দের অর্থ নারকেল এবং আলআম অর্থ স্থান। অর্থাৎ কেরালা শাব্দিক অর্থ দাঁড়ায় নারকেলের স্থান। নামের সত্যতা মিলবে কেরালা দর্শনেই।
সোনালি সাগর উপকূল, সবুজাভ নীল সাগরের স্বচ্ছ জলরাশি, ঝকঝকে-তকতকে পাহাড়ি রেলস্টেশন, নারকেল বীথির সারি, সাগর থেকে আসা পানির জলধারা বা ব্যাকওয়াটার, জিভে জল আসা খাবারের সম্ভার—এই সবকিছু মিলেই কেরালা। ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় নগর কেরালাকে কেউ কেউ ‘পৃথিবীর স্বর্গ’ বলেন। প্রকৃতি এখানে তার সৌন্দর্য অকাতরে এমনভাবে ঢেলে দিয়েছে যে কেরালাকে বলা হয়—‘গডস ওন কান্ট্রি’।
আরব সাগরের একেবারে পাশেই ত্রিভানদ্রম বিমানবন্দর।
স্যরের উপকূল ঘেঁষেই শহরে ঢোকার পথ। সাংখুমুগহাস সৈকত। এখানে রয়েছে ৩৫ মিটার উঁচু মৎস্যকন্যার বিশাল ভাস্কর্য। আছে তারামাছের মতো দেখতে মজাদার রেস্তোরাঁও ইনডোর ক্লাব। নিরিবিলি, ছিমছাম শহর, একতলা-দোতলা বাড়িগুলি নানা রঙে রাঙানো।
কেরালা মানেই সমুদ্র আর দীর্ঘ উপকূল।
চমৎকার বালুকাময় সমুদ্র সৈকত, নারকল গাছের সারি ।
‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ট্রাভেলার’ কেরালাকে বিশ্বের দশটি স্বর্গরাজ্যের একটি ঘোষণা করেছে।
কোভালাম,
এখানকার সবচেয়ে আকর্ষণীয় সমুদ্রসৈকত। এখান থেকে বাতিঘর দেখা যায় বলে একে ‘লাইটহাউস বিচও’ বলা হয়। থাইল্যান্ডের ফুকেটের মতো করে সৈকতের ধার ঘেঁষেই তৈরি করা হয়েছে হোটেল-মোটেল। রকমারি জিনিসের দোকান আর রেস্তোরাঁ ছড়াছড়ি। রেস্তোরাঁর অ্যাকোরিয়ামে রয়েছে তাজা সামুদ্রিক মাছ, কাঁকড়া, ঝিনুক, অক্টোপাস—যে যেভাবে খেতে চান, সেভাবেই খেতে পারেন।
এ ছাড়া ঘুরে আসা যায়—
চোয়ারা,
পুভার ও
‘পবিত্র সৈকত’ হিসেবে খ্যাত পাপানাসমে।
তবে এই সৈকতটি বেশ দূরে।
সেই কারণে আমার ওই জায়গাতে যাওয়া হয়নি।
অনেক গুলি সৈকত আছে এখানে যেমন
আছে থাংগাছেরি, থিরুমুল্লাভালাম, আলাপূজা,
ফোর্ট কোটির মতো সৈকত।
প্রতিটি সৈকতেরই আছে আলাদা আলাদা
সৌন্দয্য ও বৈশিষ্ট্য ।
কেরালার আরও একটি বড় আকর্ষণ হাউস বোটে (দেশীয় সুসজ্জিত ৫০-৬০ ফুট লম্বা নৌকা) চেপে বিভিন্ন খাল ধরে এগিয়ে চলা।
সাগর থেকে ভেসে আসা জল জমে তৈরি হয়েছে ছোট ছোট জলাশয়। এক এলাকার সঙ্গে আরেক এলাকাকে সংযুক্ত করেছে কোনো কোনো জলাশয়।
এরই ওপর দিয়ে ভেসে চলেছে ছোট-বড় হাউসবোটগুলো।
শান্ত জলরাশি, নিরিবিলি জঙ্গলে ঘেরা তীর, অজস্র হাঁস ও বকের সারি নিঃসন্দেহে বেড়ানোর আনন্দকে করে তুলবে আরও মোহময়।
হাউসবোটে করে যাওয়া যায় অনেক জায়গায়। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চালু থাকে হাউসবোটগুলো।
তবে এখানকার সব হোটেলের সঙ্গেই হাউসবোট কর্তৃপক্ষের যোগাযোগ থাকে।
শুধু যে সমুদ্র তীর, ছোট ছোট জলাশয় কেরালাকে ঐশ্বর্যশালী করে তুলেছে তা নয়, কেরালার আছে পাহাড়ি শহর। সেসব পাহাড়ি এলাকায় আছে গোলমরিচের বাগান, চা-কফি বাগান, গবাদি পশুর খামার, রাবার বাগান এবং অপূর্ব সব বাংলো।
ছোট ছোট পাহাড়ে আছে অগণিত ঝরনা। আর যারা রোমাঞ্চপ্রিয়, পাহাড়ি পথে ট্রেকিং করতে চান তাঁদের জন্যও আছে ছোট ছোট কিছু পাহাড়ি জঙ্গল।
কেরালায় সবচেয়ে অবাক বিষয় হল রাস্তার ধারের হোটেল গুলো। ছোট মাছের মচমচে ভাজা, বিভিন্ন ধরনের ভর্তা ও ঘন ডালের সঙ্গে আছে ভুনা গরুর মাংস।
কেরালার খ্রিষ্ঠান অধ্যুষিত এলাকা। ভোজনরসিকদের জন্য কেরালা স্বর্গ।
নদী-সমুদ্র থাকায় পাওয়া যায় অফুরন্ত মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া, ঝিনুক, ক্যাটেল ফিশ। গরম গরম ভাজা বা মসলা দিয়ে রান্না—যেভাবে ইচ্ছা সেভাবেই পাওয়া যায়। এ ছাড়া আছে সিরিয়া, ডাচ, পর্তুগিজ এবং ব্রিটিশ খাবার।খাবারে মসলা ও লাল মরিচের ব্যবহার খুব বেশি।
কেরালাকে বলা হয় ‘মসলাপাতি’র আস্তানা।
অন্তত 12 রকমের মজাদার মসলার চাষ হয় এখানে।
কেরালার বিখ্যাত খাদি, তাঁতের শাড়ি থেকে শুরু করে ঐতিহ্যবাহী সোনার গয়না, আদিবাসী নকশায় তৈরি অলংকার, সকলি অতি আকর্ষক।
এখানকার ধাতুর তৈরি আয়নার নাকি খুব কদর।
কেরালায় চার্চ, ও মন্দিরেরও অভাব নেই।
এর পাশাপাশি আছে অনেক পুরোনো দুর্গ।
কেরালার মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি কেরালায় আছে নেপিয়ার মিউজিয়াম, ভারতের সবচেয়ে পুরোনো সেন্ট ফ্রান্সিস চার্চ, আছে ভাস্কো দা গামা স্কয়ার।
কেরালা হাউজবোটঃ
সাধারণত দুই ধরনের হাউজ বোট থাকে দোতলা ক্রুজ বোট আবার প্রিমিয়াম হাউজ বোট। যারা নতুন বিয়ে করেছেন তারা নিজেরা প্রিমিয়াম বোট ভাড়া করুন দুই বেড রুমের সাথে সব ধরনের ফাইভস্টার সুযোগ সুবিধা পাবেন। যারা বাজেট ট্র্যাভেল করবেন তারা গ্রুপ প্যাকেজ বুক করে নিতে পারেন। মাঝারী খালের মাঝ দিয়ে তীর ঘেঁষা টুইটুম্বুর জলে ধীরলয়ে এগিয়ে যাওয়া হাউজ বোট আপনাকে অন্য রকম এক এক্সপেরিয়েন্স দেবে। কোল ঘেঁষা সারি সারি নারকেল গাছ।
হাউজ বোটে মজার জিনিশ হল খাবার। ট্র্যাডিশনাল কেরালার সব ধরনের স্পাইস খাবার সার্ভ করবে ওরা। স্পেশালি বাহারী আইটেমের পাকোড়া সাথে ফিস ফ্রাই। পাবেক কফিও, কেরালাতে কফি অঙ্গাওঙ্গি ব্যাপার। যাদের এলকোহল পানাহারের অভ্যাস আছে তারা প্রি বুক করে নিতে পারেন। তবে ট্রাভেলিং টাইমে পানাহার না করাই উত্তম।
খরচঃ
এর্নাকুলামে প্রতিরাতের জন্য মোটামুটি মানের হোটেল ভাড়া ২০০-৬০০ রুপি।
যদি সারাদিনের জন্য ট্র্যাভেল গাড়ি বুক করেন তবে ৩০০ কিলোমিটার অব্দি ৩০০০ রুপি।
যদি পাবলিক বাসে উল্লেখিত জায়গা ট্র্যাভেল করেন তবে সব মিলিয়ে খরচ হবে ২০০ রুপি।
হাউজবোট প্রিমিয়াম, অর্থাৎ ফুল বোট ভাড়া নিলে ৬০০০ থেকে ২০০০০ টাকার মধ্যে।
যদি প্যাকেজ টুরে অংশ নেন তবে ৫০০ থেকে ১৫০০ (মিল ভেদে দামের পার্থক্য)
উৎসব - সারা বছর ধরেই নানান উৎসবে মেতে ওঠেন কেরালার মানুষজন। যার মধ্যে এপ্রিলে নববর্ষের সময় ধানকাটার উৎসব ওনাম।
আর আগস্ট মাসের দ্বিতীয় শনিবারে আলেপ্পির পম্পা নদীতে বোট রেস বিশেষ আকর্ষণীয়। মার্চ-এপ্রিল ও অক্টোবর-নভেম্বরে ত্রিবান্দ্রামের পদ্মনাভস্বামীর মন্দিরে দশ দিন ধরে উৎসব চলে। জানুয়ারি মাসে ত্রিসুরে হয় বর্ণাঢ্য এলিফ্যান্ট মার্চ।
কেনাকাটা – মশলার দেশ কেরালা।
আর তার খ্যাতি হস্তশিল্পের জন্য।
মাটি, হাতির দাঁত, চন্দন কাঠ, তামা, কাঁসা, কাঠের তৈরি ঘর সাজানোর জিনিস, মূর্তি, মসলা, কাজুবাদাম, রংবেরঙের লুঙ্গি, তাঁতজাত বস্ত্র এসব রাখতে পারেন কেনাকাটার তালিকায়। সর্বত্রই পাওয়া যায় ।
তবে ত্রিবান্দ্রম বা কোচি থেকেই কেনা ভাল।
ভ্রমণের উপযোগী সময়ঃ
অক্টোবর থেকে জানুয়ারি কেরালার আবহাওয়া থাকে সবচেয়ে সুন্দর।
তবে গ্রীষ্ম, বর্ষা সব ঋতুতেই ‘পৃথিবীর স্বর্গ’ বলে পরিচিত কেরালার আবহাওয়া থাকে চমৎকার।
1>। কোচিন বা কোচি (Cochin) – ভেম্বানাদ হ্রদ, আরবসাগর আর ব্যাকওয়াটারের মাঝে 10 টি দ্বীপ নিয়ে কেরালার অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যকেন্দ্র কোচিন। নাম বদলে এখন কোচি।
উইলিংডন দ্বীপ, এর্নাকুলাম আর ফোর্ট কোচি – কোচিনের তিন প্রধান দ্রষ্টব্যস্থল।
কে টি ডি সি-র লঞ্চ ট্যুরে দেখানো হয় ওয়েলিংডন দ্বীপ, কোচি বন্দর, *মাত্তানচেরি প্রাসাদ*১, *জিউস সিনাগগ*২, ফোর্ট কোচি, বোলগেটি দ্বীপ। ফোর্ট কোচি দুর্গটি ব্রিটিশদের সৃষ্টি। কোচিতে আর এক দর্শনীয় ঐতিহাসিক *সেন্ট ফ্রান্সিস চার্চ*৩। মাত্তানচেরী জেটির কাছে মাত্তানচেরী প্রাসাদ। প্রাসাদের দেওয়ালে ম্যুরাল পেন্টিংয়ের অপরূপ কারুকার্যে ফুটে উঠেছে রামায়ণ, মহাভারত ও পুরাণের নানান গল্প। জু টাউন পেরিয়ে ইহুদিদের উপাসনাস্থল সিনাগগ। এর্নাকুলামের উত্তর-পশ্চিমে কোচি উপহ্রদে বোলাঘাটি দ্বীপ। বোলাঘাটির পশ্চিমে ভাল্লারপদম দ্বীপ। কোচির আরেক আকর্ষণ কোচি মিউজিয়াম, হিল প্যালেস মিউজিয়াম, *মহত্মা গান্ধি বিচ রোড*৪, *সান্তাক্রুজ ক্যাথেড্রাল বাসিলিকা*৩, কাশি আর্ট গ্যালারী ।
2>। তিরুবনন্তপুরম বা ত্রিবান্দ্রাম (Thiruvananthapuram / Trivandrum) – পাহাড় আর সমুদ্রে ঘেরা, প্রাচীনত্ব আর আধুনিকতার গন্ধমাখা রাজধানী শহর। ইস্টফোর্ড বাসস্ট্যান্ডের কাছে শহরের প্রধান আকর্ষণ পদ্মনাভস্বামী মন্দির। ত্রিবাঙ্কুর রাজ্যের গৃহদেবতা অনন্তশয্যায় শায়িত বিষ্ণুর মন্দির। পুরুষদের ধুতি পরে মন্দিরে ঢুকতে হয়। আর মহিলাদের প্রবেশ নিষেধ। মন্দির লাগোয়া পুত্তানমালিকা প্রাসাদ। ত্রিবাঙ্কুর রাজাদের প্রাচীন এই প্রাসাদ এখন মিউজিয়াম। শহরের মাঝখানে নেপিয়ার মিউজিয়াম। এছাড়াও রয়েছে চিড়িয়াখানা ও বোটানিক্যাল গার্ডেন, আর্ট মিউজিয়াম, শ্রীচিত্রা আর্ট গ্যালারি, ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম, সায়েন্স মিউজিয়াম। অটো বা গাড়ি ভাড়া করে অথবা কেরালা পর্যটনের কন্ডাকটেড ট্যুরে বেড়িয়ে নেওয়া যায় শহর ও তার আশপাশ।
শহর থেকে 8 ( আট ) কিমি দূরে শানগুমুখম সৈকত। সৈকতের ধারে পাথরের তৈরি 35 মি লম্বা বিশালাকায় মৎস্যকন্যার অপরূপ ভাস্কর্য। কাছেই ভেলি ট্যুরিস্ট ভিলেজ। তিরুবনন্তপুরমের কাছেই সমুদ্রোপকূলে থুম্বায় ভারতীয় স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন ও বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার। সাধারণের প্রবেশ নিষেধ।
তিরুবনন্তপুরম থেকে 52 কিমি দূরে ত্রিবাঙ্কুর রাজাদের রাজধানী ভাস্কর্যের শহর পদ্মনাভপুরম।
যাতায়াতঃ
চেন্নাই থেকে ত্রিবান্দ্রাম যাওয়ার অনেক ট্রেন আছে। ত্রিবান্দ্রাম থেকে বাসে বাসেই কোভালাম আর ভাড়া গাড়িতে পোনমুড়ি বেড়িয়ে নেওয়া যায়। ত্রিবান্দ্রাম থেকে আলেপ্পির দূরত্ব 260 কিমি, এর্নাকুলাম 222 কিমি, কুইলন 72 কিমি, ভারকালা 40 কিমি, কুমিলি 253 কিমি। প্যারিয়ার কুমিলি থেকে কাছে।
সব জায়গাতেই যাতায়াতের জন্য বাস রয়েছে।
3>। কোভালাম সৈকত (Kovalam Beach) –
দক্ষিণে ভারতের অন্যতম সেরা সমুদ্রসৈকত কোভালাম। তাল, নারকেল, পেঁপে, কলাগাছে ছাওয়া নিরালা সৈকতে শান্ত নীল সমুদ্র ছুঁয়ে যায় রুপোলি বেলাভূমি।
উপরি পাওনা আয়ুর্বেদিক ম্যাসেজ পার্লার।
সমুদ্রতীরের লাইটহাউসটি থেকে দিগন্তবিস্তৃত সমুদ্রবেলার অপরূপ ছবি মনে আঁকা হয়ে যায়। কোভালাম থেকে মাত্র 2 কিমি দূরে মেছুয়াদের গ্রাম ভিঞ্জিঞ্জাম। প্রায় 10 কিমি দূরে 2000 বছরের পুরোনো পরশুরাম মন্দির।
4>। কুমারকমঃ
কেরেলার রাজধানী থেকে মাত্র 16 কিলোমিটার দূরে রয়েছে কুমারাকম গ্রাম। কুমারাকমের নিকটবর্তী বিমানবন্দর কোচি। রেল অথবা কোচি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সহজেই চলে আসতে পারেন কুমারাকমে। কোট্টায়াম বা কোচি থেকে ভাড়া গাড়িতে কুমারকোম আসা যায়। এই গ্রামে আপনাকে অভ্যর্থনা জানাবে চেনা-অচেনা হাজারো পাখি তাদের ভাষায় কিচির-মিচির গান শুনিয়ে। কুমারাকম যদিও ছোট্ট একটি জনপদ কিন্তু পর্যটকদের অত্যন্ত প্রিয় জায়গা। তাই হোটেল, রিসর্টের সংখ্যা অনেক। পাঁচতারা হোটেলের সংখ্যাও কম নয়। কুমারাকোম পাখিরালয়ের ভেতরে কেরালা পর্যটনের নিজস্ব পর্যটকাবাস আছে – ওয়াটারস্কেপ (Waterscape)।
ব্যবস্থাপত্র অতি চমৎকার। অগ্রিম বুকিং করে নেওয়াই ভাল। যদি কুমারাকোমের সঙ্গে কেরালার প্যাকেজ ট্যুর করেন সেক্ষেত্রে সঙ্গে তো ভাড়ারগাড়ি তো থাকবেই, নতুবা খেয়াল রাখতে হবে যে এখানে সঙ্গে নিজস্ব ভাড়ারগাড়ি না থাকলে একটু অসুবিধে হতে পারে।
লোকাল ট্রান্সপোর্ট সেরকম সুবিধের নয়।
কোট্টায়াম বা কোচি থেকে শুধু কুমারাকোম ঘুরতে চাইলে দু'তিন দিনের জন্য গাড়ি সঙ্গে নিয়ে নেবেন। শান্ত নির্জন পরিবেশে পাখিদের মাঝে দুটো দিন কাটাতে মন্দ লাগবে না।
5>।পোনমুড়ি (Ponmuri) – তিরুবনন্তপুরম থেকে "56 কিমি উত্তরে পশ্চিমঘাট পর্বতে স্বাস্থ্যনিবাস পোনমুড়ি। ইউক্যালিপ্টাস, রাবার আর চা বাগিচার সবুজ চাদরে মোড়া পোনমুড়ির পাহাড় সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তে অপরূপ হয়ে ওঠে। কাছেই পিপ্পারা ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি। হাতি, সম্বর, লেপার্ড আর নানান পাখির বাসভূমি।
6>। কুইলন বা কোল্লাম (Quilon) –
তিরুবনন্তপুরম থেকে 72 কিমি দূরে অষ্টমুড়ি লেকের ধারে ব্যাকওয়াটারের দেশ কুইলন। কাজুবাদাম আর মশলার রাজ্য।
লেকের পাড়ে কাজু, নারকেল, কলা, কাঁঠাল গাছের সারি। শহর জুড়ে লালটালিতে ছাওয়া কাঠের বাড়িঘর। লেকের ধারে ডিস্ট্রিক্ট ট্যুরিজম প্রমোশন কাউন্সিল (ডি.টি.পি.সি.)-র পিকনিক ভিলেজ।
শহর থেকে 5 কিমি দূরে সমুদ্রসৈকত। 10 কিমি দূরে অমৃতান্দময়ী মাতার আশ্রম।
কুইলনের সেরা আকর্ষণ ব্যাকওয়াটার ট্যুর। বোট জেটির কাছেই বুকিং অফিস। ট্যুরের সময় সকাল 9 টা থেকে দুপুর 2টো।
অষ্টমুড়ি লেক, ডি টি পি সি-র ট্যুরিস্ট রিসেপশন সেন্টার লাগোয়া বাসস্ট্যান্ডে ত্রিবান্দ্রাম, আলেপ্পি, কোচি, কোট্টায়মগামী বাস মেলে।
5 কিলোমিটার দূরে সাগরপারের ছোট্ট বন্দরগাঁ থাঙ্গাসেরি একসময়ের ব্রিটিশ আর পর্তুগিজদের বাণিজ্যবন্দর ছিল। এখানে সোনার কয়েন দিয়ে বাণিজ্য চলত বলে এর স্থানীয় নাম সোনারগাঁ। পর্তুগিজ আমলের দুর্গের ধ্বংসাবশেষ আর গির্জা আজও আছে। সেসবই তৈরি হয়েছিল 18-র দশকে।
ব্রিটিশদের হাতে তৈরি থাঙ্গাসেরির বিখ্যাত লাইটহাউস বিকেল সাড়ে 3 টে থেকে সাড়ে 5 টা পর্যন্ত খোলা থাকে। কুইলন থেকে 10 কিমি দূরে মায়ানাড। সুব্রামন্নার মন্দির, শোনা যায় এই মন্দির আর মূর্তি শংকরাচার্যের সমসাময়িক।
কুইলন থেকে প্রায় 28 কিমি দূরে সনরো দ্বীপ নারকেল দড়ি আর নৌকা তৈরির জন্য বিখ্যাত।
কেরালার জলরেখার চলমান জীবনরেখা কেট্টুভল্লম, এক বিশেষ ধরণের নৌকো, যাকে সকলে স্নেকবোট নামে চেনে তা তৈরি হয় এই দ্বীপের কারখানায়।
কুইলন থেকে প্রায় 35 কিমি দূরে শিবক্ষেত্র ওছিরা। এখানেই রয়েছে বিখ্যাত পরমব্রহ্ম মন্দির। নভেম্বর-ডিসেম্বরে 12 প্রদীপের উৎসব পানথ্রাডু ভিলাক্কু আর জুন মাসের ওছিরাকাল্লি উৎসব বিখ্যাত।
কুইলন থেকে প্রায় 66 কিমি দূরে পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত ইকো-ট্যুরিজম প্রোজেক্ট থেনমালা। ঘন বনাঞ্চল, টি অ্যান্ড রবার প্ল্যান্টেশন জোন - সব মিলিয়ে সবুজের রাজ্যপাট। তার মধ্যেই স্কাল্পচার গার্ডেন, অ্যাম্ফিথিয়েটারসহ কালচারাল জোন, মিউজিকাল ফাউন্টেন, অ্যাডভেঞ্চার জোন।
ফটো পাঠিয়েছি দেখে নিও।
তারপরে দেখলাম তিন সাগরের মাঝে সূর্যাস্ত।
জানতো এখানে দুটি সাগর এবং একটি মহা সাগরের মিলন স্থান।
আরব সাগর,আটলান্টিক সাগর, এবং ভারত মহা সাগরের মিলন স্থান।
আগামী কাল ভোর বেলায় যাবো সাগরের মাঝে সূর্য উদয় দেখতে।
11/12 /2019 মা কন্যাকুমারীর দর্শনে ধন্য হলাম নিজে
গর্ভ গৃহে রিক্ত হস্ত খালিগায়ে।
কালো কোষ্ঠী পাথরের সুসজ্জিত দেবী,
ভারত খণ্ডের শেষ সীমানায় দাঁড়িয়ে দেবী,
সৌম্য মূর্তি প্রশান্ত হাস্য মুখ মন্ডলে দেবী।
একবার দর্শনেই সকল ক্লান্তি দূর করেন দেবী,
যেন কত আপন মাতৃস্বরূপিনি দেবী।
কি অপূর্ব দর্শন, সার্থক হোল ভ্রমণ।
মাতা কুমারীরূপে করে চলেছেন রক্ষা
ভারতের শেষ প্রান্তের সুরক্ষা ।
তিন সমুদ্রের প্রবল হুঙ্কার ঢেউ
মায়ের পদতলে হচ্ছে বিলীন।
মাতৃ রূপে সদা জাগ্রত প্রহরী
মা কেরল বাসীর রক্ষা কারী।
মায়ের ইচ্ছা ছিল হতে শিবের ঘরণী,
বিধাতার ছলনায় মা রয়েগেলেন কুমারী।
সেইহতে মা আজও এখানে অতন্দ্র প্রহরী।
বিবেকানন্দ এখানেই হয়ে ছিলেন ধ্যানমগ্ন
এমন মায়ের দর্শনে নিজেই হলাম ধন্য।
<--©-আদ্যনাথ রায় চৌধুরী-->
11/12/2019
====================
[12/13, 1:23 AM] তারপরে দেখলাম বিবেকানন্দ রক, লঞ্চে করে গিয়ে।
বিবেকানন্দ স্মৃতি বিজড়িত টেম্পেল,লাইব্রেরি,মেডিটেশন হল।
যেখানে আমি মিসেজে সহ অনেক্ষন মেডিটেশন করলাম।
তার পরে এখানকার চার্চ,
বিবেকানন্দ উদ্যান।
সম্পুর্ন রামায়নের চিত্রপট ও
বিস্তারিত বিবরণ, অপূর্ব এই স্থান।
ফটো পাঠিয়েছি দেখে নিও।
তারপরে দেখলাম
তিন সাগরের মাঝে সূর্যাস্ত।
জানতো এখানে দুটি সাগর এবং একটি মহা সাগরের মিলন স্থান।
আরব সাগর,আটলান্টিক সাগর, এবং ভারত মহা সাগরের মিলন স্থান।
আগামী কাল ভোর বেলায় যাবো সাগরের মাঝে সূর্য উদয় দেখতে।
কেরালার ব্যাকওয়াটারের দৃশ্যাবলীর মধ্যে রয়েছে আরব সাগরের সমান্তরালে অবস্থিত শান্ত বিস্তীর্ণ লেক, খাল এবং লেগুন। কেরালার ব্যাকওয়াটার অঞ্চল্গুলি বিশ্বের সবথেকে জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যস্থানগুলির মধ্যে অন্যতম। শান্ত ব্যাকওয়াটার পর্যটনের অভিজ্ঞতা জীবনভর থেকে যায়। ‘প্রাচ্যের ভেনিস’ নামে পরিচিত আলাপ্পুজহা বিশেষরূপে জনপ্রিয় এর হাউসবোট ক্র্যুজের জন্য, যেখানে প্রকৃতির সুন্দরতম অংশের সাথে নিজেকে ভিজিয়ে নিতে পারবেন।
=========================
=====================
মুন্নার,Munnar 28/12/2019
মুথিরাপুঝা, নাল্লাথান্নি এবং কুন্দলা এই তিন নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত এবং সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় 1600 মিটার উচ্চতায় স্থিত মুন্নার শহরটি ছিল তদানীন্তন দক্ষিণ ভারতের ব্রিটিশ শাসকদের গ্রীষ্মকালীন ঘাঁটি।
এখানে বিস্তৃর্ণ অঞ্চল জুড়ে চা বাগান, ঔপনিবেশিকালের সব বাংলো, ছোট ছোট নদী, জলপ্রপাত এবং শীতল আবহাওয়া, এই সবই এই অঞ্চলের বৈশিষ্ট্যাবলী।
এছাড়াও এখানে ট্রেকিং ও মাউন্টেন বাইকিংয়ের জন্য এটি একটি উপযুক্ত স্থান।
মুন্নারের কাছে ইরাভিকুলম জাতীয় উদ্যানের মধ্যে স্থিত শৃঙ্গের নাম আনামুদি শৃঙ্গ। এটি দক্ষিণ ভারতের পর্বতগুলির মধ্যে উচ্চমত পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা 2700 মিটারের কিছু বেশি। এই শৃঙ্গে আরোহণের জন্য ইরাভিকুলমের বনবিভাগ ও বন্যপ্রানী কর্তৃপক্ষের থেকে আগে থেকে অনুমতি নিতে হয়।
কেরালার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ মুন্নার।
কেউ কেউ মনে করেন মুন্নারের জন্যই কেরালাকে God’s own country বলা হয়।
সৃষ্টিকর্তা প্রকৃতির সব অপরুপ সৌন্দর্য যেন মুন্নারে ঢেলে দিয়েছেন।
ভালো করে ঘুরে দেখতে এখানের হোটেল থেকেই টুর গাইড সাথে নিতে পাড়াজায়। যারা এ্যাডভেন্সরে রুচি রাখেন বা ইচ্ছা করেন তারা হাইকিং করতে পারেন।তবে শরীর ফিট থাকতে হবে।
রক্তচোষা জোকের উৎপাত আছে।
কেউ কেউ নদী গুলির নাম বলেন
মুদ্রাপূজা, নালাতান্নি আর কুন্ডলা –
সে যাই হোক তিন পাহাড়ি নদীতে ঘেরা সবুজ শৈলশহর মুন্নার। দিগন্তবিস্তৃত চা বাগান মুন্নারের বৈশিষ্ট্য। পশ্চিমঘাট পর্বতের ঢালে এলাচ, গোলমরিচ, লবঙ্গ, দারচিনি আর কফির চাষ হয়।
মুন্নার থেকে ১৫ কিমি দূরে ইরাভিকুলাম জাতীয় উদ্যান। এই অরণ্যেই রয়েছে দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ আনামুদি (২৬৯৫ মিটার) নীলগিরি হাতি, শম্বর, গউর ইত্যাদি প্রাণীর দেখা মিলবে এই জঙ্গলে। বর্ষায় অরণ্য বন্ধ থাকে।
মুন্নার রের কাছেই মাত্র ১৬ কিমি দূরে দেবীকুলাম। এখানে রয়েছে সীতা দেবী সরোবর।
১৩ কিমি দূরে দূরেমাডুপেট্টি হ্রদ। হ্রদের ওপর মাডুপেট্টি ড্যাম।
পাশেই ইন্দো-সুইস প্রজেক্ট, ইকোপয়েন্ট, কুন্ডালা হ্রদ ও ড্যাম। মাডুপেট্টি ও কুন্ডালা হ্রদে বোটিং করা যায় । চা বাগানে ঘেরা পথে ১ ঘণ্টায় পৌঁছে যাওয়া যায় দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ চা বাগান টপস্টেশন।
( ডি টি পি সি-র কন্ডাকটেড ট্যুরে মুন্নারের দ্রষ্টব্যগুলি ঘুরে নেওয়া যায়।)
মুন্নারের কান্নান দেভান টি মিউজিয়াম বেশ ভালো।
মুন্নার শহরের অদুরেরি আড়াই কিমি দুরত্তে মুন্নারের সবচেয়ে বড় এই টি মিউজিয়াম ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত। আশাপাশের সব ধরনের চা পাতা এখানে প্রক্রিয়াজাত করা হয়, পুরো মিউজিয়াম ও ফ্যাক্টরি ঘুরে দেখলাম হ্যা ছবিও তুলছি তবে ছবি তোলবার জন্য এক্সট্রা বিশ টাকা লাগে। ভিডিও করা নিষেধ।
এখানে আছে মাট্টুপেডি ডাম।দেখতে পারেন ড্যাম লেক তাও আবার স্পিড বোটে।
অনিন্দ্য সুন্দর এই লেক সারাবছরের কোলাহল মুক্ত স্থান ।
যারা ঘোড়ায় চড়তে পারেন তাদের জন্য লেকসাইডে ঘোড়ায় চড়ার ব্যাবস্থাও রয়েছে।
সিয়েনা ওয়াটার ফল। মুন্নার থেকে নয় কিলোমিটার দুরেই সিয়েনা ওয়াটার ফল।
জংগল আর পাহাড়ের অংশ ভেদ করে মাট্টুপেডি ড্যামের দিকে আসা ঝরনাধারা বেশ মনোরম।
টপ ষ্টেশন, মুন্নারের সব চেয়ে আকর্শনীয় এই সাইটটি শহর থেকে প্রায় ৪০ কিমি দূরে তামিল নাডু বর্ডারের দিকে।
এলিফ্যান্ট ট্রেনিং সেন্টার থেকে এদিকে আসার রাস্তা রয়েছে। টপষ্টেশন হিল বা পাহাড়ের এমন এক জায়গা যেখানে চাইলেই হাত দিয়ে মেঘ ধরতে পাড়াজায় ।
এখানে দেখা যায় নিলা পুরুঞ্জি ফুলগাছ।
যে গেছে নাকি প্রতি বারো বছরে মাত্র একবার ফুল ফোটে।
==============================
====================
পৃথিবীর স্বর্গরাজ্য কেরালা
‘কেরা’ এবং ‘আলআম’ শব্দ থেকে হয়েছে ‘কেরালা’। কেরা শব্দের অর্থ নারকেল এবং আলআম অর্থ স্থান। অর্থাৎ কেরালা শাব্দিক অর্থ দাঁড়ায় নারকেলের স্থান। নামের সত্যতা মিলবে কেরালা দর্শনেই।
সোনালি সাগর উপকূল, সবুজাভ নীল সাগরের স্বচ্ছ জলরাশি, ঝকঝকে-তকতকে পাহাড়ি রেলস্টেশন, নারকেল বীথির সারি, সাগর থেকে আসা পানির জলধারা বা ব্যাকওয়াটার, জিভে জল আসা খাবারের সম্ভার—এই সবকিছু মিলেই কেরালা। ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় নগর কেরালাকে কেউ কেউ ‘পৃথিবীর স্বর্গ’ বলেন। প্রকৃতি এখানে তার সৌন্দর্য অকাতরে এমনভাবে ঢেলে দিয়েছে যে কেরালাকে বলা হয়—‘গডস ওন কান্ট্রি’।
আরব সাগরের একেবারে পাশেই ত্রিভানদ্রম বিমানবন্দর।
স্যরের উপকূল ঘেঁষেই শহরে ঢোকার পথ। সাংখুমুগহাস সৈকত। এখানে রয়েছে ৩৫ মিটার উঁচু মৎস্যকন্যার বিশাল ভাস্কর্য। আছে তারামাছের মতো দেখতে মজাদার রেস্তোরাঁও ইনডোর ক্লাব। নিরিবিলি, ছিমছাম শহর, একতলা-দোতলা বাড়িগুলি নানা রঙে রাঙানো।
কেরালা মানেই সমুদ্র আর দীর্ঘ উপকূল।
চমৎকার বালুকাময় সমুদ্র সৈকত, নারকল গাছের সারি ।
‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ট্রাভেলার’ কেরালাকে বিশ্বের দশটি স্বর্গরাজ্যের একটি ঘোষণা করেছে।
কোভালাম,
এখানকার সবচেয়ে আকর্ষণীয় সমুদ্রসৈকত। এখান থেকে বাতিঘর দেখা যায় বলে একে ‘লাইটহাউস বিচও’ বলা হয়। থাইল্যান্ডের ফুকেটের মতো করে সৈকতের ধার ঘেঁষেই তৈরি করা হয়েছে হোটেল-মোটেল। রকমারি জিনিসের দোকান আর রেস্তোরাঁ ছড়াছড়ি। রেস্তোরাঁর অ্যাকোরিয়ামে রয়েছে তাজা সামুদ্রিক মাছ, কাঁকড়া, ঝিনুক, অক্টোপাস—যে যেভাবে খেতে চান, সেভাবেই খেতে পারেন।
এ ছাড়া ঘুরে আসা যায়—
চোয়ারা,
পুভার ও
‘পবিত্র সৈকত’ হিসেবে খ্যাত পাপানাসমে।
তবে এই সৈকতটি বেশ দূরে।
সেই কারণে আমার ওই জায়গাতে যাওয়া হয়নি।
অনেক গুলি সৈকত আছে এখানে যেমন
আছে থাংগাছেরি, থিরুমুল্লাভালাম, আলাপূজা,
ফোর্ট কোটির মতো সৈকত।
প্রতিটি সৈকতেরই আছে আলাদা আলাদা
সৌন্দয্য ও বৈশিষ্ট্য ।
কেরালার আরও একটি বড় আকর্ষণ হাউস বোটে (দেশীয় সুসজ্জিত ৫০-৬০ ফুট লম্বা নৌকা) চেপে বিভিন্ন খাল ধরে এগিয়ে চলা।
সাগর থেকে ভেসে আসা জল জমে তৈরি হয়েছে ছোট ছোট জলাশয়। এক এলাকার সঙ্গে আরেক এলাকাকে সংযুক্ত করেছে কোনো কোনো জলাশয়।
এরই ওপর দিয়ে ভেসে চলেছে ছোট-বড় হাউসবোটগুলো।
শান্ত জলরাশি, নিরিবিলি জঙ্গলে ঘেরা তীর, অজস্র হাঁস ও বকের সারি নিঃসন্দেহে বেড়ানোর আনন্দকে করে তুলবে আরও মোহময়।
হাউসবোটে করে যাওয়া যায় অনেক জায়গায়। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চালু থাকে হাউসবোটগুলো।
তবে এখানকার সব হোটেলের সঙ্গেই হাউসবোট কর্তৃপক্ষের যোগাযোগ থাকে।
শুধু যে সমুদ্র তীর, ছোট ছোট জলাশয় কেরালাকে ঐশ্বর্যশালী করে তুলেছে তা নয়, কেরালার আছে পাহাড়ি শহর। সেসব পাহাড়ি এলাকায় আছে গোলমরিচের বাগান, চা-কফি বাগান, গবাদি পশুর খামার, রাবার বাগান এবং অপূর্ব সব বাংলো।
ছোট ছোট পাহাড়ে আছে অগণিত ঝরনা। আর যারা রোমাঞ্চপ্রিয়, পাহাড়ি পথে ট্রেকিং করতে চান তাঁদের জন্যও আছে ছোট ছোট কিছু পাহাড়ি জঙ্গল।
কেরালায় সবচেয়ে অবাক বিষয় হল রাস্তার ধারের হোটেল গুলো। ছোট মাছের মচমচে ভাজা, বিভিন্ন ধরনের ভর্তা ও ঘন ডালের সঙ্গে আছে ভুনা গরুর মাংস।
কেরালার খ্রিষ্ঠান অধ্যুষিত এলাকা। ভোজনরসিকদের জন্য কেরালা স্বর্গ।
নদী-সমুদ্র থাকায় পাওয়া যায় অফুরন্ত মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া, ঝিনুক, ক্যাটেল ফিশ। গরম গরম ভাজা বা মসলা দিয়ে রান্না—যেভাবে ইচ্ছা সেভাবেই পাওয়া যায়। এ ছাড়া আছে সিরিয়া, ডাচ, পর্তুগিজ এবং ব্রিটিশ খাবার।খাবারে মসলা ও লাল মরিচের ব্যবহার খুব বেশি।
কেরালাকে বলা হয় ‘মসলাপাতি’র আস্তানা।
অন্তত 12 রকমের মজাদার মসলার চাষ হয় এখানে।
কেরালার বিখ্যাত খাদি, তাঁতের শাড়ি থেকে শুরু করে ঐতিহ্যবাহী সোনার গয়না, আদিবাসী নকশায় তৈরি অলংকার, সকলি অতি আকর্ষক।
এখানকার ধাতুর তৈরি আয়নার নাকি খুব কদর।
কেরালায় চার্চ, ও মন্দিরেরও অভাব নেই।
এর পাশাপাশি আছে অনেক পুরোনো দুর্গ।
কেরালার মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি কেরালায় আছে নেপিয়ার মিউজিয়াম, ভারতের সবচেয়ে পুরোনো সেন্ট ফ্রান্সিস চার্চ, আছে ভাস্কো দা গামা স্কয়ার।
কেরালা হাউজবোটঃ
সাধারণত দুই ধরনের হাউজ বোট থাকে দোতলা ক্রুজ বোট আবার প্রিমিয়াম হাউজ বোট। যারা নতুন বিয়ে করেছেন তারা নিজেরা প্রিমিয়াম বোট ভাড়া করুন দুই বেড রুমের সাথে সব ধরনের ফাইভস্টার সুযোগ সুবিধা পাবেন। যারা বাজেট ট্র্যাভেল করবেন তারা গ্রুপ প্যাকেজ বুক করে নিতে পারেন। মাঝারী খালের মাঝ দিয়ে তীর ঘেঁষা টুইটুম্বুর জলে ধীরলয়ে এগিয়ে যাওয়া হাউজ বোট আপনাকে অন্য রকম এক এক্সপেরিয়েন্স দেবে। কোল ঘেঁষা সারি সারি নারকেল গাছ।
হাউজ বোটে মজার জিনিশ হল খাবার। ট্র্যাডিশনাল কেরালার সব ধরনের স্পাইস খাবার সার্ভ করবে ওরা। স্পেশালি বাহারী আইটেমের পাকোড়া সাথে ফিস ফ্রাই। পাবেক কফিও, কেরালাতে কফি অঙ্গাওঙ্গি ব্যাপার। যাদের এলকোহল পানাহারের অভ্যাস আছে তারা প্রি বুক করে নিতে পারেন। তবে ট্রাভেলিং টাইমে পানাহার না করাই উত্তম।
খরচঃ
এর্নাকুলামে প্রতিরাতের জন্য মোটামুটি মানের হোটেল ভাড়া ২০০-৬০০ রুপি।
যদি সারাদিনের জন্য ট্র্যাভেল গাড়ি বুক করেন তবে ৩০০ কিলোমিটার অব্দি ৩০০০ রুপি।
যদি পাবলিক বাসে উল্লেখিত জায়গা ট্র্যাভেল করেন তবে সব মিলিয়ে খরচ হবে ২০০ রুপি।
হাউজবোট প্রিমিয়াম, অর্থাৎ ফুল বোট ভাড়া নিলে ৬০০০ থেকে ২০০০০ টাকার মধ্যে।
যদি প্যাকেজ টুরে অংশ নেন তবে ৫০০ থেকে ১৫০০ (মিল ভেদে দামের পার্থক্য)
উৎসব - সারা বছর ধরেই নানান উৎসবে মেতে ওঠেন কেরালার মানুষজন। যার মধ্যে এপ্রিলে নববর্ষের সময় ধানকাটার উৎসব ওনাম।
আর আগস্ট মাসের দ্বিতীয় শনিবারে আলেপ্পির পম্পা নদীতে বোট রেস বিশেষ আকর্ষণীয়। মার্চ-এপ্রিল ও অক্টোবর-নভেম্বরে ত্রিবান্দ্রামের পদ্মনাভস্বামীর মন্দিরে দশ দিন ধরে উৎসব চলে। জানুয়ারি মাসে ত্রিসুরে হয় বর্ণাঢ্য এলিফ্যান্ট মার্চ।
কেনাকাটা – মশলার দেশ কেরালা।
আর তার খ্যাতি হস্তশিল্পের জন্য।
মাটি, হাতির দাঁত, চন্দন কাঠ, তামা, কাঁসা, কাঠের তৈরি ঘর সাজানোর জিনিস, মূর্তি, মসলা, কাজুবাদাম, রংবেরঙের লুঙ্গি, তাঁতজাত বস্ত্র এসব রাখতে পারেন কেনাকাটার তালিকায়। সর্বত্রই পাওয়া যায় ।
তবে ত্রিবান্দ্রম বা কোচি থেকেই কেনা ভাল।
ভ্রমণের উপযোগী সময়ঃ
অক্টোবর থেকে জানুয়ারি কেরালার আবহাওয়া থাকে সবচেয়ে সুন্দর।
তবে গ্রীষ্ম, বর্ষা সব ঋতুতেই ‘পৃথিবীর স্বর্গ’ বলে পরিচিত কেরালার আবহাওয়া থাকে চমৎকার।
1>। কোচিন বা কোচি (Cochin) – ভেম্বানাদ হ্রদ, আরবসাগর আর ব্যাকওয়াটারের মাঝে 10 টি দ্বীপ নিয়ে কেরালার অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যকেন্দ্র কোচিন। নাম বদলে এখন কোচি।
উইলিংডন দ্বীপ, এর্নাকুলাম আর ফোর্ট কোচি – কোচিনের তিন প্রধান দ্রষ্টব্যস্থল।
কে টি ডি সি-র লঞ্চ ট্যুরে দেখানো হয় ওয়েলিংডন দ্বীপ, কোচি বন্দর, *মাত্তানচেরি প্রাসাদ*১, *জিউস সিনাগগ*২, ফোর্ট কোচি, বোলগেটি দ্বীপ। ফোর্ট কোচি দুর্গটি ব্রিটিশদের সৃষ্টি। কোচিতে আর এক দর্শনীয় ঐতিহাসিক *সেন্ট ফ্রান্সিস চার্চ*৩। মাত্তানচেরী জেটির কাছে মাত্তানচেরী প্রাসাদ। প্রাসাদের দেওয়ালে ম্যুরাল পেন্টিংয়ের অপরূপ কারুকার্যে ফুটে উঠেছে রামায়ণ, মহাভারত ও পুরাণের নানান গল্প। জু টাউন পেরিয়ে ইহুদিদের উপাসনাস্থল সিনাগগ। এর্নাকুলামের উত্তর-পশ্চিমে কোচি উপহ্রদে বোলাঘাটি দ্বীপ। বোলাঘাটির পশ্চিমে ভাল্লারপদম দ্বীপ। কোচির আরেক আকর্ষণ কোচি মিউজিয়াম, হিল প্যালেস মিউজিয়াম, *মহত্মা গান্ধি বিচ রোড*৪, *সান্তাক্রুজ ক্যাথেড্রাল বাসিলিকা*৩, কাশি আর্ট গ্যালারী ।
2>। তিরুবনন্তপুরম বা ত্রিবান্দ্রাম (Thiruvananthapuram / Trivandrum) – পাহাড় আর সমুদ্রে ঘেরা, প্রাচীনত্ব আর আধুনিকতার গন্ধমাখা রাজধানী শহর। ইস্টফোর্ড বাসস্ট্যান্ডের কাছে শহরের প্রধান আকর্ষণ পদ্মনাভস্বামী মন্দির। ত্রিবাঙ্কুর রাজ্যের গৃহদেবতা অনন্তশয্যায় শায়িত বিষ্ণুর মন্দির। পুরুষদের ধুতি পরে মন্দিরে ঢুকতে হয়। আর মহিলাদের প্রবেশ নিষেধ। মন্দির লাগোয়া পুত্তানমালিকা প্রাসাদ। ত্রিবাঙ্কুর রাজাদের প্রাচীন এই প্রাসাদ এখন মিউজিয়াম। শহরের মাঝখানে নেপিয়ার মিউজিয়াম। এছাড়াও রয়েছে চিড়িয়াখানা ও বোটানিক্যাল গার্ডেন, আর্ট মিউজিয়াম, শ্রীচিত্রা আর্ট গ্যালারি, ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম, সায়েন্স মিউজিয়াম। অটো বা গাড়ি ভাড়া করে অথবা কেরালা পর্যটনের কন্ডাকটেড ট্যুরে বেড়িয়ে নেওয়া যায় শহর ও তার আশপাশ।
শহর থেকে 8 ( আট ) কিমি দূরে শানগুমুখম সৈকত। সৈকতের ধারে পাথরের তৈরি 35 মি লম্বা বিশালাকায় মৎস্যকন্যার অপরূপ ভাস্কর্য। কাছেই ভেলি ট্যুরিস্ট ভিলেজ। তিরুবনন্তপুরমের কাছেই সমুদ্রোপকূলে থুম্বায় ভারতীয় স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন ও বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার। সাধারণের প্রবেশ নিষেধ।
তিরুবনন্তপুরম থেকে 52 কিমি দূরে ত্রিবাঙ্কুর রাজাদের রাজধানী ভাস্কর্যের শহর পদ্মনাভপুরম।
যাতায়াতঃ
চেন্নাই থেকে ত্রিবান্দ্রাম যাওয়ার অনেক ট্রেন আছে। ত্রিবান্দ্রাম থেকে বাসে বাসেই কোভালাম আর ভাড়া গাড়িতে পোনমুড়ি বেড়িয়ে নেওয়া যায়। ত্রিবান্দ্রাম থেকে আলেপ্পির দূরত্ব 260 কিমি, এর্নাকুলাম 222 কিমি, কুইলন 72 কিমি, ভারকালা 40 কিমি, কুমিলি 253 কিমি। প্যারিয়ার কুমিলি থেকে কাছে।
সব জায়গাতেই যাতায়াতের জন্য বাস রয়েছে।
3>। কোভালাম সৈকত (Kovalam Beach) –
দক্ষিণে ভারতের অন্যতম সেরা সমুদ্রসৈকত কোভালাম। তাল, নারকেল, পেঁপে, কলাগাছে ছাওয়া নিরালা সৈকতে শান্ত নীল সমুদ্র ছুঁয়ে যায় রুপোলি বেলাভূমি।
উপরি পাওনা আয়ুর্বেদিক ম্যাসেজ পার্লার।
সমুদ্রতীরের লাইটহাউসটি থেকে দিগন্তবিস্তৃত সমুদ্রবেলার অপরূপ ছবি মনে আঁকা হয়ে যায়। কোভালাম থেকে মাত্র 2 কিমি দূরে মেছুয়াদের গ্রাম ভিঞ্জিঞ্জাম। প্রায় 10 কিমি দূরে 2000 বছরের পুরোনো পরশুরাম মন্দির।
4>। কুমারকমঃ
কেরেলার রাজধানী থেকে মাত্র 16 কিলোমিটার দূরে রয়েছে কুমারাকম গ্রাম। কুমারাকমের নিকটবর্তী বিমানবন্দর কোচি। রেল অথবা কোচি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সহজেই চলে আসতে পারেন কুমারাকমে। কোট্টায়াম বা কোচি থেকে ভাড়া গাড়িতে কুমারকোম আসা যায়। এই গ্রামে আপনাকে অভ্যর্থনা জানাবে চেনা-অচেনা হাজারো পাখি তাদের ভাষায় কিচির-মিচির গান শুনিয়ে। কুমারাকম যদিও ছোট্ট একটি জনপদ কিন্তু পর্যটকদের অত্যন্ত প্রিয় জায়গা। তাই হোটেল, রিসর্টের সংখ্যা অনেক। পাঁচতারা হোটেলের সংখ্যাও কম নয়। কুমারাকোম পাখিরালয়ের ভেতরে কেরালা পর্যটনের নিজস্ব পর্যটকাবাস আছে – ওয়াটারস্কেপ (Waterscape)।
ব্যবস্থাপত্র অতি চমৎকার। অগ্রিম বুকিং করে নেওয়াই ভাল। যদি কুমারাকোমের সঙ্গে কেরালার প্যাকেজ ট্যুর করেন সেক্ষেত্রে সঙ্গে তো ভাড়ারগাড়ি তো থাকবেই, নতুবা খেয়াল রাখতে হবে যে এখানে সঙ্গে নিজস্ব ভাড়ারগাড়ি না থাকলে একটু অসুবিধে হতে পারে।
লোকাল ট্রান্সপোর্ট সেরকম সুবিধের নয়।
কোট্টায়াম বা কোচি থেকে শুধু কুমারাকোম ঘুরতে চাইলে দু'তিন দিনের জন্য গাড়ি সঙ্গে নিয়ে নেবেন। শান্ত নির্জন পরিবেশে পাখিদের মাঝে দুটো দিন কাটাতে মন্দ লাগবে না।
5>।পোনমুড়ি (Ponmuri) – তিরুবনন্তপুরম থেকে "56 কিমি উত্তরে পশ্চিমঘাট পর্বতে স্বাস্থ্যনিবাস পোনমুড়ি। ইউক্যালিপ্টাস, রাবার আর চা বাগিচার সবুজ চাদরে মোড়া পোনমুড়ির পাহাড় সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তে অপরূপ হয়ে ওঠে। কাছেই পিপ্পারা ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি। হাতি, সম্বর, লেপার্ড আর নানান পাখির বাসভূমি।
6>। কুইলন বা কোল্লাম (Quilon) –
তিরুবনন্তপুরম থেকে 72 কিমি দূরে অষ্টমুড়ি লেকের ধারে ব্যাকওয়াটারের দেশ কুইলন। কাজুবাদাম আর মশলার রাজ্য।
লেকের পাড়ে কাজু, নারকেল, কলা, কাঁঠাল গাছের সারি। শহর জুড়ে লালটালিতে ছাওয়া কাঠের বাড়িঘর। লেকের ধারে ডিস্ট্রিক্ট ট্যুরিজম প্রমোশন কাউন্সিল (ডি.টি.পি.সি.)-র পিকনিক ভিলেজ।
শহর থেকে 5 কিমি দূরে সমুদ্রসৈকত। 10 কিমি দূরে অমৃতান্দময়ী মাতার আশ্রম।
কুইলনের সেরা আকর্ষণ ব্যাকওয়াটার ট্যুর। বোট জেটির কাছেই বুকিং অফিস। ট্যুরের সময় সকাল 9 টা থেকে দুপুর 2টো।
অষ্টমুড়ি লেক, ডি টি পি সি-র ট্যুরিস্ট রিসেপশন সেন্টার লাগোয়া বাসস্ট্যান্ডে ত্রিবান্দ্রাম, আলেপ্পি, কোচি, কোট্টায়মগামী বাস মেলে।
5 কিলোমিটার দূরে সাগরপারের ছোট্ট বন্দরগাঁ থাঙ্গাসেরি একসময়ের ব্রিটিশ আর পর্তুগিজদের বাণিজ্যবন্দর ছিল। এখানে সোনার কয়েন দিয়ে বাণিজ্য চলত বলে এর স্থানীয় নাম সোনারগাঁ। পর্তুগিজ আমলের দুর্গের ধ্বংসাবশেষ আর গির্জা আজও আছে। সেসবই তৈরি হয়েছিল 18-র দশকে।
ব্রিটিশদের হাতে তৈরি থাঙ্গাসেরির বিখ্যাত লাইটহাউস বিকেল সাড়ে 3 টে থেকে সাড়ে 5 টা পর্যন্ত খোলা থাকে। কুইলন থেকে 10 কিমি দূরে মায়ানাড। সুব্রামন্নার মন্দির, শোনা যায় এই মন্দির আর মূর্তি শংকরাচার্যের সমসাময়িক।
কুইলন থেকে প্রায় 28 কিমি দূরে সনরো দ্বীপ নারকেল দড়ি আর নৌকা তৈরির জন্য বিখ্যাত।
কেরালার জলরেখার চলমান জীবনরেখা কেট্টুভল্লম, এক বিশেষ ধরণের নৌকো, যাকে সকলে স্নেকবোট নামে চেনে তা তৈরি হয় এই দ্বীপের কারখানায়।
কুইলন থেকে প্রায় 35 কিমি দূরে শিবক্ষেত্র ওছিরা। এখানেই রয়েছে বিখ্যাত পরমব্রহ্ম মন্দির। নভেম্বর-ডিসেম্বরে 12 প্রদীপের উৎসব পানথ্রাডু ভিলাক্কু আর জুন মাসের ওছিরাকাল্লি উৎসব বিখ্যাত।
কুইলন থেকে প্রায় 66 কিমি দূরে পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত ইকো-ট্যুরিজম প্রোজেক্ট থেনমালা। ঘন বনাঞ্চল, টি অ্যান্ড রবার প্ল্যান্টেশন জোন - সব মিলিয়ে সবুজের রাজ্যপাট। তার মধ্যেই স্কাল্পচার গার্ডেন, অ্যাম্ফিথিয়েটারসহ কালচারাল জোন, মিউজিকাল ফাউন্টেন, অ্যাডভেঞ্চার জোন।
7>। ভারকালা (Varkala) –
তিরুবনন্তপুরম থেকে কুইলন যাওয়ার পথেই পড়ে ভারকালা। কথিত আছে, বিষ্ণুর উপাসনার জায়গা খুঁজতে এসে এখানে নারদ তাঁর ভাল্লাকালম বা বল্কল খুলে স্থান নির্ধারণ করেন। সেই থেকেই এই নামের উৎপত্তি। মূল সড়ক ছেড়ে 11 কিমি বাঁয়ে পাহাড়চূড়োয় ভারকালা প্রস্রবণ। ভারকালার পাপনাশম সৈকতে স্নান করলে পাপ ধুয়ে যায় এমনটাই বিশ্বাস করেন স্থানীয় মানুষ। ধনুকাকৃতি পাপনাশম সৈকতের একপাশে লালপাথরের প্রাচীর। সৈকতশেষে টিলা বা ক্লিফটপ। টিলার মাথায় শিবগিরি মঠ। অন্যদিকে সার দিয়ে রয়েছে হোটেল, রিসর্ট, রেস্তোরাঁ, ম্যাসাজ পার্লার। পাপনাশম সৈকতের পথে 2000 বছরের প্রাচীন শ্রীজনার্দনস্বামী(বিষ্ণু) মন্দির।
8>। আলেপ্পি বা আলহাপূজা (Alappuzha/Alleppey) –
সমুদ্র-নদী-খাঁড়ি আর মাকড়সার জালের মতো অজস্র খাল নিয়ে কেরালার আলেপ্পি বা আলহাপূজা প্রাচ্যের ভেনিস নামে খ্যাত। এর একপাশে আরব সাগর, অন্যদিকে কেরালার বৃহত্তম লেক ভেম্বানাদ। একসময় ত্রিবাঙ্কুর রাজাদের বাণিজ্যকেন্দ্র ছিল আলেপ্পি। সমুদ্র থেকেও নিচুতে বাঁধ দিয়ে চাষ হচ্ছে নারকেল, কলা আর নানারকম মশলার গাছের। সবুজের মাঝে ছোট ছোট বাড়িঘর। বোট জেটি থেকে নৌকা বা মোটরবোট ভাড়া করে দেখে নেওয়া যায় ব্যাকওয়াটারের শোভা। ডি টি পি সি বা কে টি ডি সি-র হাউসবোটের প্যাকেজট্যুরেও ঘোরা যায়। শহরের একপাশে আলেপ্পির সৈকত। আর আছে বিজয়া বিচ পার্ক, সি ভিউ পার্ক। আলেপ্পির দক্ষিনে প্রায় 15 কিমি দূরে আম্বালাপুজা শ্রীকৃষ্ণ মন্দির। কেরলীয় গঠনশৈলী আর দশ অবতারের ভিন্ন ভিন্ন রূপ, সবমিলে প্রাচীন এক চেহারা। 32 কিলোমিটার দূরে নাগরাজের মন্দির। নাগরাজ স্থানীয় এক ব্রাহ্মণ পরিবারের গৃহদেবতা। লোকবিশ্বাস, অলৌকিক এই দেবমূর্তি আসলে বিষ্ণু আর শিবের মিলিত রূপ। আলেপ্পি থেকে অটোভাড়া করে আশপাশ ঘুরে নেওয়া যায়।
9>। কোট্টায়াম –
আল্লাপুজা অথবা কোচি বা কুমারকম গ্রাম থেকে ব্যাকওয়াটার ভ্রমণে পৌঁছে যাওয়া যায় পশ্চিমঘাট পর্বতমালা আর ভেম্বানাদ লেকের মাঝে কোট্টায়ামে। চিরহরিৎ আর পর্ণমোচী অরণ্যে ছাওয়া কোট্টায়ামে চা, কফি, কোকো, গোলমরিচ, এলাচ, রবারের চাষ হয়।
18 শতকের মধ্যভাগে থেক্কুমকুর রাজার রাজধানী ছিল কোট্টায়াম। শহর জুড়ে নানা হেরিটেজ চার্চ – সেন্ট ম্যারিজ চার্চ, চেরিয়াপাল্লী চার্চ, ভালিয়াপাল্লি চার্চ উল্লেখযোগ্য। কোট্টায়াম-এর্ণাকুলাম সড়কপথে এট্টুমানুর ও ভাইকুম মন্দিরদুটি দ্রষ্টব্য।
কোট্টায়াম থেকে 12 কিমি পশ্চিমে ভেম্বানাদ হ্রদে নারকেল গাছে ছাওয়া সবুজ দ্বীপে কুমারাকোম পক্ষীআলয়। পরিযায়ী আর স্থানীয় পাখিদের মেলা বসে বিশেষ করে শীতের সময়ে। স্টর্ক, হেরন, ইগ্রেট, স্কাইলার্কের পাশাপাশি দেখা মিলবে চেনা হাঁস, কোকিলেরও। জলে বোটিং-এর ব্যবস্থা আছে। থাকা যায় হাউসবোটেও।
নির্জন দ্বীপ পাথিরামানালও এখানের আরেক আকর্ষণ।
10>। মুন্নার (Munnar) – এর্নাকুলাম থেকে বাসে বা ট্র্যাভেল কারে চড়ে আসতে পারেন মুন্নার। কেরালার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ মুন্না। মনে হয় মুন্নারের জন্যই কেরালাকে God’s own country বলা হয়। সৃষ্টিকর্তা প্রকৃতির সব অপরুপ সৌন্দর্য যেন মুন্নারে ঢেলে দিয়েছেন। যে ভাষায়ই মুন্নারের সৌন্দর্য বর্ননা করিনা কেন তা কোন ভাবেই তুলনিয় হবে না। ভালো করে ঘুরে দেখতে হোটেল থেকেই টুর গাইড সাথে নিতে পারেন। এ্যাডভেন্সর প্রিয়রা হাইকিং করতে পারেন,
বেরুবার আগে হার্টের বিট চেক করে নিবেন। হাইকিং এ ভালো জুতো পরে নেবেন, চারিদিকে রক্তচোষা জোকের ছড়াছড়ি।
মুদ্রাপূজা, নালাতান্নি আর কুন্ডলা – তিন পাহাড়ি নদীতে ঘেরা সবুজ শৈলশহর মুন্নার। দিগন্তবিস্তৃত চা বাগান মুন্নারের বৈশিষ্ট্য। পশ্চিমঘাট পর্বতের ঢালে এলাচ, গোলমরিচ, লবঙ্গ, দারচিনি আর কফির চাষ হয়। মুন্নার থেকে 15 কিমি দূরে ইরাভিকুলাম জাতীয় উদ্যান। এই অরণ্যেই রয়েছে দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ আনামুদি ( 2695 মিটার) নীলগিরি হাতি, শম্বর, গউর ইত্যাদি প্রাণীর দেখা মিলবে এই জঙ্গলে। বর্ষায় অরণ্য বন্ধ থাকে। মুন্নার থেকে 16 কিমি দূরে দেবীকুলাম। এখানে রয়েছে সীতা দেবী সরোবর। 13 কিমি দূরেমাডুপেট্টি হ্রদ। হ্রদের ওপর মাডুপেট্টি ড্যাম। আশপাশে দেখুন ইন্দো-সুইস প্রজেক্ট, ইকোপয়েন্ট, কুন্ডালা হ্রদ ও ড্যাম। মাডুপেট্টি ও কুন্ডালা হ্রদে বোটিংয়ের ব্যাবস্থা আছে। চা বাগিচা ঘেরা পথে 1 ঘণ্টায় পৌঁছে যাওয়া যায় দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ ( 2200 মি)চা বাগান টপস্টেশন। ডি টি পি সি-র কন্ডাকটেড ট্যুরে মুন্নারের দ্রষ্টব্যগুলি ঘুরে নেওয়া যায়।
মুন্নারে যে জিনিশটি আগে দেখবেন তা হল কান্নান দেভান টি মিউজিয়াম।
মুন্নার শহরের অদুরেরি আড়াই কিমি দুরত্তে মুন্নারের সবচেয়ে বড় এই টি মিউজিয়াম ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত।
আশাপাশের সব ধরনের চা পাতা এখানে প্রক্রিয়াজাত করা হয়, পুরো মিউজিয়াম ও ফ্যাক্টরি ঘুরে দেখতে পারেন, হ্যা ছবিও তুলতে পারেন এখানে এর জন্য এক্সট্রা বিশ রুপি পে করতে হবে। ভিডিও করা নিষেধ, যদিও অনেকেই ফাকি দিয়ে তা করছে। তবে ধরা পড়লে ডিলেট করতে হবে।
এরপরে ঘুরবেন মাট্টুপেডি ডাম, ভাবছেন ড্যামের কি দেখবেন ? দেখবেনতো ড্যাম লেক তাও আবার স্পিড বোটে। অনিন্দ্য সুন্দর এই লেক সারাবছরের কোলাহলযুক্ত কানদুটিকে একটু স্বস্তি এনে দেবে। পাঁচ ছয়জন মিলে বোট ভাড়া করে ঘুরে আসা যায় লেকের এমাথা থেকে ও মাথা অব্দি।
পাঁচশো টাকায় আধাঘণ্টা চড়তে পারবেন।
যারা ঘোড়ায় চড়তে পারেন তাদের জন্য লেকসাইডে ঘোড়ায় চড়ার ব্যাবস্থাও রয়েছে।
সিয়েনা ওয়াটার ফল। মুন্নার থেকে নয় কিলোমিটার দুরেই এর অবস্থান। জংগল আর পাহাড়ের অংশ ভেদ করে মাট্টুপেডি ড্যামের দিকে আসা ঝরনাধারা আপনার মনকে ফ্রেশ করবে। ট্রাকিং আর হাইকিং এর জন্য অসাধারণ জায়গা এটি।
টপ ষ্টেশন, মুন্নারের সব চেয়ে আকর্শনীয় এই সাইটটি শহর থেকে প্রায় 40 কিমি দূরে তামিল নাডু বর্ডারের দিকে। এলিফ্যান্ট ট্রেনিং সেন্টার থেকে এদিকে আসার রাস্তা রয়েছে। টপষ্টেশন হিল বা পাহাড়ের এমন এক জায়গা আপনি চাইলেই মেঘ ধরতে পারবেন। এখানে দেখা মিলবে নিলা পুরুঞ্জি ফুলগাছের যা প্রতি বারো বছরে মাত্র একবার ফোটে।
দুঃখিত আমি এই ফুল দেখিনি।
মুন্নারে দুদিন বেড়াতে আর ঘুরতে বাজেট ট্র্যাভেলররা আলাদা করে পাঁচ হাজার রুপি জমা করে রাখবেন। আর যারা স্পেশাল ফ্যামিলিটুর তাদের জন্য দশহাজার !
তবে মুন্নার যাবেন স্পেশাল সময় নিয়ে মানে দুইদিন। পুরো কেরালা প্রদেশের নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে হলে মুন্নার যাওয়ার বিকল্প নেই।
যাতায়াতঃ
চেন্নাই থেকে এর্নাকুলাম যাওয়ার নিকটতম রেলস্টেশন এর্নাকুলাম জংশন( ERS ) ও এর্নাকুলাম টাউন( ERN ) ট্রেন আছে। এর্নাকুলাম থেকে মুন্নার 130 কিমি।মুন্নার থেকে পেরিয়ার অরণ্যের কাছের শহর কুমিলি 105 কিমি।যাতায়াতের জন্য বাস রয়েছে।
11>। পেরিয়ার (Periyar) –
কেরালার থেক্কাডি জেলায় পেরিয়ার ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি –
ভারতের অন্যতম সুন্দর অভয়ারণ্য।
1899 সালে অভয়ারণ্যের মর্যাদা পায় পেরিয়ার। ১৯৭৯ সালে টাইগার রিজার্ভের শিরোপা। প্রায় 800 বর্গ কিমি ব্যাপী এই অরণ্য হাতিদের বিচরণক্ষেত্র। দেখা মেলে চিতাবাঘ, বাইসন, বুনো মোষ, বুনো কুকুর, বুনো শুয়োর, হরিণ ইত্যাদি জীবজন্তুর। জঙ্গলে বিভিন্ন প্রজাতির স্তন্যপায়ী, প্রজাপতি, পাখি, সরীসৃপের সঙ্গে সহাবস্থান করে আছে নানান উপজাতির মানুষজনও। জঙ্গলের গভীরে রয়েছে পাথরের তৈরি বহু প্রাচীন এক মন্দির। পেরিয়ার হ্রদের বুকে লঞ্চে চেপেও করা যায় অরণ্য ভ্রমণ। থেক্কাডিতে হ্রদের ধারে কে টি ডি সি ও বনদপ্তরের অফিস। উভয়েরই বোট ক্রুইজের ব্যবস্থা আছে। বনদপ্তরের বেশ কিছু ইকো-ট্যুরিজম অ্যাডভেঞ্চার ট্যুরও রয়েছে। নেচার ওয়াক, ব্যাম্বু র্যাফটিং, টাইগার ট্রেইল, ট্রাইবাল হেরিটেজ, ভিলেজ ট্যুর ইত্যাদি। সারা বছরই পেরিয়ার অরণ্য খোলা থাকে। হাতির পিঠে চড়েও ঘোরা যায় পেরিয়ারে।
ভারতের অন্যান্য প্রদেশের চেয়ে দক্ষিণ ভারতের শহরগুলোতে ট্যাক্সি বা অটোর ভাড়া বেশি হয়, সুতারং অটো বা ট্যাক্সির চেয়ে এসব যায়গায় বেড়াতে পাবলিক বাস ব্যাবহার করাই শ্রেয়।
==========================+
18/12/2019 At Munnar
************(***********
*************************
****************
*****************
E--1 )
11/12/2019 &12/12/2019
Our hotel is near to Temple of KANYA KUMARI.
Hotel BOOPATHI. 11/12 &12/12
11,/12/2019
Here we visited KANYAKUMARI TRMPLE.
12/12/2019
Swami Vivekananda rock and temple.
Vivekananda librarie, Meditation holl
Where I and your didun spend some time for Meditation.
We reached the rock by .Launch,
After returning from Rock we visited the Vivekananda park, there we see the
Picher of full Ramayana.
The park is soo beautiful.
Then we see the Sunset in the oven
Here two Sagors and a Maha sagor i.e.
Three seas meet here
Arab sagar, Atlantic sagor, and Bharat moha sagor.
Tomorrow we go out to see the Sunrise.
**************************
***************************
(E--2 )
To day 13/12/2019 in the morning after enjoy the Sunrise.
We move for Trivandrum after BF.
On the way we visit SUCHINTOM MONDIR.
For man shirt or ganji not allow.
But Woman no restrictions they can go normal .Just I am sending the photos.
See the photo of outside The Suchintom
temple.
In side the temple mobile, camera not allow.
Then we reach KOVALAM BEACH of Kerala.
Kovalam is a small coastal town in the southern Indian state of Kerala, south of Thiruvananthapuram. At the southern end of Lighthouse Beach is a striped lighthouse with a viewing platform.
Vizhinjam Juma Masjid mosque overlooks the busy fishing harbor. Inland, Sagarika Marine Research Aquarium displays technology used in pearl production.
Then we take our room ar hotel.
HOTEL BOBAN PLAZA.
S.S. kovil Road. Thampanoor,
Thiruvananthapuram-695 001,kerala.
For two night.13/12 &14/12
14/12/2019 .
Visited padmanabha mondir
On 15th dec after back water tour
With days Meal 2hr tour.
Then we reach Hotel BENNIS INN
AT BENS TOWER, SASTRI ROAD,
KOTTAYAM--686 001
Ph-0481 2568001/ 02/ 03.
For one Night.
16/12/2019----
Today morning after having meal we move for kumily
Kumily is the largest Gram Panchayat in the Idukki district of Kerala. It is a town in Cardamom Hills near Thekkady and Periyar Tiger Reserve. Kumily is gateway town in Kerala to Tamil Nadu.
Elevation: 880 m
Weather: 27 °C, Wind NE at 11 km/h, 59% Humidity
District: Idukki
Our hotel "Hotel SALEEM TOWER."
But it is a BANGLO type hotel.
THEKKADY FORT, COTTAGE.
SBI ROAD. ROSAPUKANDAM.
KUMILY. THEKKADY.
Area code: 04869
Here we visited KONYAKUMARI TRMPLE.
Swami Vivekananda rock and temple.
Vivekananda librarie, Meditation holl
Where I and your didun spend some time for Meditation.
We reached the rock by .Launch,
After returning from Rock we visited the Vivekananda park, there we see the
Picher of full Ramayana.
The park is soo beautiful.
Then we see the Sunset in the oven
Here two Sagors and a Maha sagor i.e.
Three seas meet here
Arab sagar, Atlantic sagor, and Bharat moha sagor.
Tomorrow we go out to see the Sunrise.
To day at morning after enjoy the Sunrise.
We move for Trivandrum after BF.
On the way we visit SUCHINTOM MONDIR.
For man shirt or vabhi not
allow .for Woman no restrictions they can go normal .
See the photo of outside
The temple.
In side mobile, camera not allow.
Then we reach KOVALAM BEACH of Kerala.
Kovalam is a small coastal town in the southern Indian state of Kerala, south of Thiruvananthapuram. At the southern end of Lighthouse Beach is a striped lighthouse with a viewing platform.
Vizhinjam Juma Masjid mosque overlooks the busy fishing harbor. Inland, Sagarika Marine Research Aquarium displays technology used in pearl production.
Then we take our room ar hotel.
HOTEL BOBAN PLAZA.
S.S. kovil Road. Thampanoor,
Thiruvananthapuram-695 001,kerala.
To day going to visit PADMONAV TEMPLE
Padmanabhaswamy Temple
******************************
At periyar BACK WATER 2 hours
Back water vhromon
16/12/2019----
Today morning after having meal we move for kumily
Kumily is the largest Gram Panchayat in the Idukki district of Kerala. It is a town in Cardamom Hills near Thekkady and Periyar Tiger Reserve. Kumily is gateway town in Kerala to Tamil Nadu.
Elevation: 880 m
Weather: 27 °C, Wind NE at 11 km/h, 59% Humidity
District: Idukki
Nearest Town / city: Nedumkandam, Theni, Munnar
Our hotel "Hotel SALEEM TOWER."
But it is a BANGLO type hotel.
Area code: 04869
18/12/2019
Going to Munnar
Our Hotel "RED STAR HOLIDAYS"
Munnar is a town in the Western Ghats mountain range in India’s Kerala state. A hill station and former resort for the British Raj elite, it's surrounded by rolling hills dotted with tea plantations established in the late 19th century. Eravikulam National Park, a habitat for the endangered mountain goat Nilgiri tahr, is home to the Lakkam Waterfalls, hiking trails and 2,695m-tall Anamudi Peak.
Elevation: 1,532 m
Weather: 22 °C, Wind NE at 6 km/h, 66% Humidity
District: Idukki
PIN: 685612
Local time: Wednesday, 4:36 pm
**************************
***********************
Here we visited KONYAKUMARI TRMPLE.
Swami Vivekananda rock and temple.
Vivekananda librarie, Meditation holl
Where I and your didun spend some time for Meditation.
We reached the rock by .Launch,
After returning from Rock we visited the Vivekananda park, there we see the
Picher of full Ramayana.
The park is soo beautiful.
Then we see the Sunset in the oven
Here two Sagors and a Maha sagor i.e.
Three seas meet here
Arab sagar, Atlantic sagor, and Bharat moha sagor.
Tomorrow we go out to see the Sunrise.
To day at morning after enjoy the Sunrise.
We move for Trivandrum after BF.
On the way we visit SUCHINTOM MONDIR.
For man shirt or vabhi not
allow .for Woman no restrictions they can go normal .
See the photo of outside
The temple.
In side mobile, camera not allow.
Then we reach KOVALAM BEACH of Kerala.
Kovalam is a small coastal town in the southern Indian state of Kerala, south of Thiruvananthapuram. At the southern end of Lighthouse Beach is a striped lighthouse with a viewing platform.
Vizhinjam Juma Masjid mosque overlooks the busy fishing harbor. Inland, Sagarika Marine Research Aquarium displays technology used in pearl production.
Then we take our room ar hotel.
HOTEL BOBAN PLAZA.
S.S. kovil Road. Thampanoor,
Thiruvananthapuram-695 001,kerala.
To day going to visit PADMONAV TEMPLE
Padmanabhaswamy Temple
******************************
*******************************
আমরা পেরিয়ারে ব্যাক ওয়াটারে চললাম।
16/12/2019----
Today morning after having meal we move for kumily
Kumily is the largest Gram Panchayat in the Idukki district of Kerala. It is a town in Cardamom Hills near Thekkady and Periyar Tiger Reserve. Kumily is gateway town in Kerala to Tamil Nadu.
Elevation: 880 m
Weather: 27 °C, Wind NE at 11 km/h, 59% Humidity
District: Idukki
Nearest Town / city: Nedumkandam, Theni, Munnar
Our hotel "Hotel SALEEM TOWER."
But it is a BANGLO type hotel.
Area code: 04869
এখানে KUMILY. THEKKADY.KERALA.
সকাল থেকেই ফগ তার পর শুরু বৃষ্টি। সাথে শীতের কাঁপুনি।
মশলার বাগান বাড়িতে।
মশলার গন্ধে মন মাতিয়ে দিল।
আমাদের রেস্ট হাউজ, বাগান বাড়ি: আজকের সকালের টিফিন
তড়কা রুটি আর সুজির হালুয়া আর চা।
***************************
++++**********************
17/12/2019
To day after rain stop we visite four site vew points.
And evening we enjoy the
KOTHAKOLI dance and
YODHA CULTURAL VILLAGE POGRAM AT THEKKADY
: To day 18/12/2019
We r at munna
RED STAR HOLIDAYS
Near Maruti Service Centre.
Colony Road Munnar.
18/12/2019
Going to Munnar
Our Hotel "RED STAR HOLIDAYS"
Munnar is a town in the Western Ghats mountain range in India’s Kerala state. A hill station and former resort for the British Raj elite, it's surrounded by rolling hills dotted with tea plantations established in the late 19th century. Eravikulam National Park, a habitat for the endangered mountain goat Nilgiri tahr, is home to the Lakkam Waterfalls, hiking trails and 2,695m-tall Anamudi Peak.
Elevation: 1,532 m
Weather: 22 °C, Wind NE at 6 km/h, 66% Humidity
District: Idukki
PIN: 685612
Local time: Wednesday, 4:36 pm
**************************
***************************
কন্যাকুমারী
কন্যাকুমারী মন্দিরটি ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের কন্যাকুমারী জেলার অন্তর্গত একটি শহর। ইংরেজিতে এই শহরকে Cape Comorin বা কুমারী অন্তরীপ বলা হয়। এই শহরটি ভারতের মূল ভূখণ্ডের দক্ষিণতম বিন্দুতে অবস্থিত। কন্যাকুমারী জেলার সদর শহর নাগেরকইল এই শহর থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। কন্যাকুমারী একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। প্রাচীনকালেও কন্যাকুমারী ছিল তামিলাকাম বা প্রাচীন তামিল দেশের দক্ষিণতম অঞ্চল। কন্যাকুমারী নামটি এসেছে হিন্দু দেবী কন্যাকুমারীর (যাঁর স্থানীয় নাম কুমারী আম্মান) নামানুসারে। এই শহরের সৈকত অঞ্চলে যেখানে আরব সাগর, ভারত মহাসাগর ও বঙ্গোপসাগর পরস্পর মিলিত হয়েছে, সেখানেই দেবী কুমারীর মন্দির অবস্থিত।
মা কন্যাকুমারী
আনুমানিক ৩০০০ বছরের কুমারী আম্মানকে পুজো করে আসছেন হিন্দু ভক্তরা। সমুদ্র সৈকতের কিনারায় পাথর দিয়ে তৈরি মন্দিরে দেবী কন্যাকুমারীকে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। মন্দিরের মুল ফটকটি উত্তর দিকে। এই ফটকটি বিশেষ কয়েকটি দিন ছাড়া প্রতিদিনই খোলা থাকে। এই মন্দিরে পূজো দেওয়ার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে। সাধারণত, দক্ষিণ ভারতের সমস্ত মন্দিরেই প্রবেশ কালে পুরুষদের গায়ের জামা খুলতে হয়। তারপরেই মন্দিরের অন্দরমহলে প্রবেশ করা যায়। কন্যাকুমারীতেও তাই। এখানে পূজা দেওয়ার আগে নারী-পুরুষ উভয়কেই সমুদ্রে মন্ত্র পড়ে স্নান করে, ভিজে জামা কাপড়েই প্রবেশ করতে হয়।
হিন্দু মতে দেবী কুমারী হলেন পার্বতীর আরেক রূপ।যাঁর রূপে মোহিত হয়ে মহাদেব তাঁকে বিয়ে করতে চায়। বিয়ের দিনই দেখা পাওয়া যায় না শিবের। কুমারী দেবীর বিয়ের দিন যা যা রান্না করা হয়েছিল তা সব ফেলে দেওয়া হয়। ভক্তরা মনে করেন, সেই সব রান্না না করা চাল, শস্য ফেলে দেওয়ায় সমুদ্রতট তৈরি হয়েছে।
আবার রামায়ণ থেকে এই কন্যাকুমারী মন্দিরের উল্লেখ পাওয়া যায়। অনেকেই মনে করেন, রাম- রাবণের যুদ্ধে মৃত লক্ষ্মণের দেহে প্রাণ আনার জন্য সঞ্জীবনী গাছের মূল আনতে গিয়েছিল হনুমান। কিন্তু গাছ না চেনায় সে পড়েছিল মহা বিপদে। শেষে গাছ না চেনার জন্য মারুনথুভাজ মালাই নামে পুরো পাহারটাই তুলে নিয়ে গিয়ে হাজির করেছিলেন অগস্থা মুনির সামনে। আসলে আগস্থা মুনি ছিলেন আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রের পণ্ডিত। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করেন, কন্যাকুমারীর কিছু দূরেই অগস্থে্স্বরম নামে একটি গ্রাম ছিল। সেটি আজ একটি আশ্রমে পরিণত হয়েছে। পর্যটকেরা সেই পাহাড়ে উঠে আশ্রমে যান। সেখান থেকেই পরিষ্কার দেখা যায় কন্যাকুমারী মন্দিরটি।
এই শহরের প্রধান পর্যটনকেন্দ্রগুলির মধ্যে দেবী কুমারীর মন্দির, বিবেকানন্দ রক মেমোরিয়াল, প্রাচীন তামিল কবি তিরুবল্লুবরের ১৩৩ ফিট উঁচু মূর্তি এবং গান্ধীমণ্ডপম্ (ভারত মহাসাগরের জলে মহাত্মা গান্ধীর চিতাভষ্ম বিসর্জনের আগে এখানে তা রাখা হয়েছিল) রয়েছে।
=============!!=========
Places in Kanyakumari
Vivekananda Rock Memorial
About Vivekananda Rock Memorial
Time Required: 1-2 hrs
Open Time: 7:00 AM - 5:00 PM
Vivekananda Rock Memorial Overview
The magnificent Vivekananda Rock Memorial is located on a small island off Kanyakumari. It has the picturesque Indian Ocean in its backdrop and hence serves as a peaceful and serene destination for visitors from all across the globe. It is situated on one of the two adjacent rocks projecting out of the Lakshadweep Sea and comprises of the 'Shripada Mandapam' and the 'Vivekananda Mandapam'. The ferry ride up to these rock islands is a thrilling journey and hence attracts a lot of nature lovers and adventure enthusiasts.
History of Vivekanand Rock Memorial
In the January of 1962, it was deemed fit that a memorial dedicated to Swamiji must be constructed to commemorate his birth Centenary. Sri Veluyudhan, the president of Haindeva Seva Sangh, took the lead and a committee was formed for the same. A meeting was held which was headed by Sri Ram Krishna Mission and the memorial was affirmed by all. After overcoming a few initial glitches, the marvellous memorial statue was finally approved, and the rest is history.
Vivekananda's Rock also holds religious significance to the locals. It is believed that Goddess Devi Kumari blessed the rock while performing austerity. The construction of the memorial is a very sublime combination of various temple building styles from all over the country, which imparts a very serene aura to this place.
Dispute Regarding Vivekanand Rock Memorial
When Ramakrishna Mission in Madras planned about this memorial, at the same time Kanyakumari Committee was formed by a group of people which put up a memorial on the rock along with a pedestrian bridge leading to the rock. This piece of information was not taken well by the local Catholic fishermen. To show their dissent, they planted a big Cross upon the rock. This led to a wave of restlessness among the Hindus, who considered the rock to be a holy place of the Hindus.
After a lot of chaos and protests, the Government realised that the rock had become a disputed area and thus compelled them to a pass an official order. The order was passed by the then chief minister of Tamil Nadu, Shri M. Bhaktavatsalam. It stated that although the rock was Vivekananda rock, there would be no memorial constructed on it. It was only allowed to put up a tablet on the rock that stated that it was associated with Swami Vivekananda. Thus, with official permission, the tablet was installed on the rock on 17 January 1963.
Eknath Ramkrishna Ranade
The Vivekananda Rock Memorial Organizing Committee was set up by Eknath Ramakrishna Ranade. He was an eminent Indian social and spiritual reformer, a senior pracharak of the Rashtriya Swayamsevak Sangh (RSS) and was profoundly influenced by the teachings of Swamiji. He played an instrumental role in setting up the memorial.
Ranade's faith and belief in the memorial mission were so strong that he never allowed the pace of the mission to slow down due to any of the difficulties faced by them. Even when the funds were in paucity, he started a fund-campaign to aid the mission. He believed the Rock memorial to be a national monument and wanted every Indian to contribute to its construction. He launched various campaigns, like the campaign of one-rupee folders throughout the nation to mobilize the donation of the general public. He made it possible to complete the construction of the memorial in a matter of just six years.
Architecture of Vivekananda Rock Memorial
The majestic architecture of the memorial is divided into two major sections, namely- the Vivekananda Mandapam and the Shripada Mandapam. The Vivekananda Mandapam has the following sections- Dhyana Mandapam (which is the meditation hall with six adjacent rooms), Sabha Mandapam (which is the assembly hall), Pralima Mandapam (statue section) two rooms, a corridor and an open prakaram (outer courtyard) round the Sabha Mandapam, Mukha Mandapam, Namashtubhyam to the Son of jagadamba. This Mandapam was erected in honour of Swamiji and is believed to be the place where he got the aim of his life.
The Shripada Mandapam is the square hall and has the following sections- Garbha Graham, inner prakaram, outer prakaram and the outer platform. Shri Padaparai Mandapam is also present in the vicinity, which is a shrine that was erected to mark the footprint of the virgin goddess on the rock.
Vivekananda Kendra
Vivekananda Kendra aka the living memorial lies alongside the rock memorial. Its existence was first mentioned in 1964 and it was officially founded on 7 January 1972 after a groundwork of 9 years. The Kendra has twin objectives of man-making and nation-building. It was decided by Shri Eknath Ranade that Vivekananda Kendra should be a cadre-based organization and all those citizens of India who want to serve the nation will be given a chance to serve the God in man.
Vivekananda Rock Memorial Timings
It is open on all days of the week from 7:00 AM till 5:00 PM.
Vivekananda Rock Memorial Entry Fees
The entry fee is INR 10 per head with additional charges if you want to carry your camera or recorder along.
A still camera is charged at INR 10 while a video camera is charged at INR 50.
The ferry takes INR 50/- per head and after you reach the rock, pay more INR 20 per head to see the memorial. Stay your quality time at the meditation centre. Bookstore is available next to it. Photographs are not allowed inside. Opens from 8am to 4pm. Seat on the left side of the boat if you want to click the rock from the boat.
*********************(
**********************
====================
কেরালার ব্যাকওয়াটারের দৃশ্যাবলীর মধ্যে রয়েছে আরব সাগরের সমান্তরালে অবস্থিত শান্ত বিস্তীর্ণ লেক, খাল এবং লেগুন। কেরালার ব্যাকওয়াটার অঞ্চল্গুলি বিশ্বের সবথেকে জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্যস্থানগুলির মধ্যে অন্যতম। শান্ত ব্যাকওয়াটার পর্যটনের অভিজ্ঞতা জীবনভর থেকে যায়। ‘প্রাচ্যের ভেনিস’ নামে পরিচিত আলাপ্পুজহা বিশেষরূপে জনপ্রিয় এর হাউসবোট ক্র্যুজের জন্য, যেখানে প্রকৃতির সুন্দরতম অংশের সাথে নিজেকে ভিজিয়ে নিতে পারবেন।
=========================
=====================
মুন্নার,Munnar 28/12/2019
মুথিরাপুঝা, নাল্লাথান্নি এবং কুন্দলা এই তিন নদীর সঙ্গমস্থলে অবস্থিত এবং সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় 1600 মিটার উচ্চতায় স্থিত মুন্নার শহরটি ছিল তদানীন্তন দক্ষিণ ভারতের ব্রিটিশ শাসকদের গ্রীষ্মকালীন ঘাঁটি।
এখানে বিস্তৃর্ণ অঞ্চল জুড়ে চা বাগান, ঔপনিবেশিকালের সব বাংলো, ছোট ছোট নদী, জলপ্রপাত এবং শীতল আবহাওয়া, এই সবই এই অঞ্চলের বৈশিষ্ট্যাবলী।
এছাড়াও এখানে ট্রেকিং ও মাউন্টেন বাইকিংয়ের জন্য এটি একটি উপযুক্ত স্থান।
মুন্নারের কাছে ইরাভিকুলম জাতীয় উদ্যানের মধ্যে স্থিত শৃঙ্গের নাম আনামুদি শৃঙ্গ। এটি দক্ষিণ ভারতের পর্বতগুলির মধ্যে উচ্চমত পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা 2700 মিটারের কিছু বেশি। এই শৃঙ্গে আরোহণের জন্য ইরাভিকুলমের বনবিভাগ ও বন্যপ্রানী কর্তৃপক্ষের থেকে আগে থেকে অনুমতি নিতে হয়।
কেরালার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ মুন্নার।
কেউ কেউ মনে করেন মুন্নারের জন্যই কেরালাকে God’s own country বলা হয়।
সৃষ্টিকর্তা প্রকৃতির সব অপরুপ সৌন্দর্য যেন মুন্নারে ঢেলে দিয়েছেন।
ভালো করে ঘুরে দেখতে এখানের হোটেল থেকেই টুর গাইড সাথে নিতে পাড়াজায়। যারা এ্যাডভেন্সরে রুচি রাখেন বা ইচ্ছা করেন তারা হাইকিং করতে পারেন।তবে শরীর ফিট থাকতে হবে।
রক্তচোষা জোকের উৎপাত আছে।
কেউ কেউ নদী গুলির নাম বলেন
মুদ্রাপূজা, নালাতান্নি আর কুন্ডলা –
সে যাই হোক তিন পাহাড়ি নদীতে ঘেরা সবুজ শৈলশহর মুন্নার। দিগন্তবিস্তৃত চা বাগান মুন্নারের বৈশিষ্ট্য। পশ্চিমঘাট পর্বতের ঢালে এলাচ, গোলমরিচ, লবঙ্গ, দারচিনি আর কফির চাষ হয়।
মুন্নার থেকে ১৫ কিমি দূরে ইরাভিকুলাম জাতীয় উদ্যান। এই অরণ্যেই রয়েছে দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ আনামুদি (২৬৯৫ মিটার) নীলগিরি হাতি, শম্বর, গউর ইত্যাদি প্রাণীর দেখা মিলবে এই জঙ্গলে। বর্ষায় অরণ্য বন্ধ থাকে।
মুন্নার রের কাছেই মাত্র ১৬ কিমি দূরে দেবীকুলাম। এখানে রয়েছে সীতা দেবী সরোবর।
১৩ কিমি দূরে দূরেমাডুপেট্টি হ্রদ। হ্রদের ওপর মাডুপেট্টি ড্যাম।
পাশেই ইন্দো-সুইস প্রজেক্ট, ইকোপয়েন্ট, কুন্ডালা হ্রদ ও ড্যাম। মাডুপেট্টি ও কুন্ডালা হ্রদে বোটিং করা যায় । চা বাগানে ঘেরা পথে ১ ঘণ্টায় পৌঁছে যাওয়া যায় দক্ষিণ ভারতের সর্বোচ্চ চা বাগান টপস্টেশন।
( ডি টি পি সি-র কন্ডাকটেড ট্যুরে মুন্নারের দ্রষ্টব্যগুলি ঘুরে নেওয়া যায়।)
মুন্নারের কান্নান দেভান টি মিউজিয়াম বেশ ভালো।
মুন্নার শহরের অদুরেরি আড়াই কিমি দুরত্তে মুন্নারের সবচেয়ে বড় এই টি মিউজিয়াম ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত। আশাপাশের সব ধরনের চা পাতা এখানে প্রক্রিয়াজাত করা হয়, পুরো মিউজিয়াম ও ফ্যাক্টরি ঘুরে দেখলাম হ্যা ছবিও তুলছি তবে ছবি তোলবার জন্য এক্সট্রা বিশ টাকা লাগে। ভিডিও করা নিষেধ।
এখানে আছে মাট্টুপেডি ডাম।দেখতে পারেন ড্যাম লেক তাও আবার স্পিড বোটে।
অনিন্দ্য সুন্দর এই লেক সারাবছরের কোলাহল মুক্ত স্থান ।
যারা ঘোড়ায় চড়তে পারেন তাদের জন্য লেকসাইডে ঘোড়ায় চড়ার ব্যাবস্থাও রয়েছে।
সিয়েনা ওয়াটার ফল। মুন্নার থেকে নয় কিলোমিটার দুরেই সিয়েনা ওয়াটার ফল।
জংগল আর পাহাড়ের অংশ ভেদ করে মাট্টুপেডি ড্যামের দিকে আসা ঝরনাধারা বেশ মনোরম।
টপ ষ্টেশন, মুন্নারের সব চেয়ে আকর্শনীয় এই সাইটটি শহর থেকে প্রায় ৪০ কিমি দূরে তামিল নাডু বর্ডারের দিকে।
এলিফ্যান্ট ট্রেনিং সেন্টার থেকে এদিকে আসার রাস্তা রয়েছে। টপষ্টেশন হিল বা পাহাড়ের এমন এক জায়গা যেখানে চাইলেই হাত দিয়ে মেঘ ধরতে পাড়াজায় ।
এখানে দেখা যায় নিলা পুরুঞ্জি ফুলগাছ।
যে গেছে নাকি প্রতি বারো বছরে মাত্র একবার ফুল ফোটে।
==============================
====================
পৃথিবীর স্বর্গরাজ্য কেরালা
‘কেরা’ এবং ‘আলআম’ শব্দ থেকে হয়েছে ‘কেরালা’। কেরা শব্দের অর্থ নারকেল এবং আলআম অর্থ স্থান। অর্থাৎ কেরালা শাব্দিক অর্থ দাঁড়ায় নারকেলের স্থান। নামের সত্যতা মিলবে কেরালা দর্শনেই।
সোনালি সাগর উপকূল, সবুজাভ নীল সাগরের স্বচ্ছ জলরাশি, ঝকঝকে-তকতকে পাহাড়ি রেলস্টেশন, নারকেল বীথির সারি, সাগর থেকে আসা পানির জলধারা বা ব্যাকওয়াটার, জিভে জল আসা খাবারের সম্ভার—এই সবকিছু মিলেই কেরালা। ভারতের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় নগর কেরালাকে কেউ কেউ ‘পৃথিবীর স্বর্গ’ বলেন। প্রকৃতি এখানে তার সৌন্দর্য অকাতরে এমনভাবে ঢেলে দিয়েছে যে কেরালাকে বলা হয়—‘গডস ওন কান্ট্রি’।
আরব সাগরের একেবারে পাশেই ত্রিভানদ্রম বিমানবন্দর।
স্যরের উপকূল ঘেঁষেই শহরে ঢোকার পথ। সাংখুমুগহাস সৈকত। এখানে রয়েছে ৩৫ মিটার উঁচু মৎস্যকন্যার বিশাল ভাস্কর্য। আছে তারামাছের মতো দেখতে মজাদার রেস্তোরাঁও ইনডোর ক্লাব। নিরিবিলি, ছিমছাম শহর, একতলা-দোতলা বাড়িগুলি নানা রঙে রাঙানো।
কেরালা মানেই সমুদ্র আর দীর্ঘ উপকূল।
চমৎকার বালুকাময় সমুদ্র সৈকত, নারকল গাছের সারি ।
‘ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ট্রাভেলার’ কেরালাকে বিশ্বের দশটি স্বর্গরাজ্যের একটি ঘোষণা করেছে।
কোভালাম,
এখানকার সবচেয়ে আকর্ষণীয় সমুদ্রসৈকত। এখান থেকে বাতিঘর দেখা যায় বলে একে ‘লাইটহাউস বিচও’ বলা হয়। থাইল্যান্ডের ফুকেটের মতো করে সৈকতের ধার ঘেঁষেই তৈরি করা হয়েছে হোটেল-মোটেল। রকমারি জিনিসের দোকান আর রেস্তোরাঁ ছড়াছড়ি। রেস্তোরাঁর অ্যাকোরিয়ামে রয়েছে তাজা সামুদ্রিক মাছ, কাঁকড়া, ঝিনুক, অক্টোপাস—যে যেভাবে খেতে চান, সেভাবেই খেতে পারেন।
এ ছাড়া ঘুরে আসা যায়—
চোয়ারা,
পুভার ও
‘পবিত্র সৈকত’ হিসেবে খ্যাত পাপানাসমে।
তবে এই সৈকতটি বেশ দূরে।
সেই কারণে আমার ওই জায়গাতে যাওয়া হয়নি।
অনেক গুলি সৈকত আছে এখানে যেমন
আছে থাংগাছেরি, থিরুমুল্লাভালাম, আলাপূজা,
ফোর্ট কোটির মতো সৈকত।
প্রতিটি সৈকতেরই আছে আলাদা আলাদা
সৌন্দয্য ও বৈশিষ্ট্য ।
কেরালার আরও একটি বড় আকর্ষণ হাউস বোটে (দেশীয় সুসজ্জিত ৫০-৬০ ফুট লম্বা নৌকা) চেপে বিভিন্ন খাল ধরে এগিয়ে চলা।
সাগর থেকে ভেসে আসা জল জমে তৈরি হয়েছে ছোট ছোট জলাশয়। এক এলাকার সঙ্গে আরেক এলাকাকে সংযুক্ত করেছে কোনো কোনো জলাশয়।
এরই ওপর দিয়ে ভেসে চলেছে ছোট-বড় হাউসবোটগুলো।
শান্ত জলরাশি, নিরিবিলি জঙ্গলে ঘেরা তীর, অজস্র হাঁস ও বকের সারি নিঃসন্দেহে বেড়ানোর আনন্দকে করে তুলবে আরও মোহময়।
হাউসবোটে করে যাওয়া যায় অনেক জায়গায়। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চালু থাকে হাউসবোটগুলো।
তবে এখানকার সব হোটেলের সঙ্গেই হাউসবোট কর্তৃপক্ষের যোগাযোগ থাকে।
শুধু যে সমুদ্র তীর, ছোট ছোট জলাশয় কেরালাকে ঐশ্বর্যশালী করে তুলেছে তা নয়, কেরালার আছে পাহাড়ি শহর। সেসব পাহাড়ি এলাকায় আছে গোলমরিচের বাগান, চা-কফি বাগান, গবাদি পশুর খামার, রাবার বাগান এবং অপূর্ব সব বাংলো।
ছোট ছোট পাহাড়ে আছে অগণিত ঝরনা। আর যারা রোমাঞ্চপ্রিয়, পাহাড়ি পথে ট্রেকিং করতে চান তাঁদের জন্যও আছে ছোট ছোট কিছু পাহাড়ি জঙ্গল।
কেরালায় সবচেয়ে অবাক বিষয় হল রাস্তার ধারের হোটেল গুলো। ছোট মাছের মচমচে ভাজা, বিভিন্ন ধরনের ভর্তা ও ঘন ডালের সঙ্গে আছে ভুনা গরুর মাংস।
কেরালার খ্রিষ্ঠান অধ্যুষিত এলাকা। ভোজনরসিকদের জন্য কেরালা স্বর্গ।
নদী-সমুদ্র থাকায় পাওয়া যায় অফুরন্ত মাছ, চিংড়ি, কাঁকড়া, ঝিনুক, ক্যাটেল ফিশ। গরম গরম ভাজা বা মসলা দিয়ে রান্না—যেভাবে ইচ্ছা সেভাবেই পাওয়া যায়। এ ছাড়া আছে সিরিয়া, ডাচ, পর্তুগিজ এবং ব্রিটিশ খাবার।খাবারে মসলা ও লাল মরিচের ব্যবহার খুব বেশি।
কেরালাকে বলা হয় ‘মসলাপাতি’র আস্তানা।
অন্তত 12 রকমের মজাদার মসলার চাষ হয় এখানে।
কেরালার বিখ্যাত খাদি, তাঁতের শাড়ি থেকে শুরু করে ঐতিহ্যবাহী সোনার গয়না, আদিবাসী নকশায় তৈরি অলংকার, সকলি অতি আকর্ষক।
এখানকার ধাতুর তৈরি আয়নার নাকি খুব কদর।
কেরালায় চার্চ, ও মন্দিরেরও অভাব নেই।
এর পাশাপাশি আছে অনেক পুরোনো দুর্গ।
কেরালার মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি কেরালায় আছে নেপিয়ার মিউজিয়াম, ভারতের সবচেয়ে পুরোনো সেন্ট ফ্রান্সিস চার্চ, আছে ভাস্কো দা গামা স্কয়ার।
কেরালা হাউজবোটঃ
সাধারণত দুই ধরনের হাউজ বোট থাকে দোতলা ক্রুজ বোট আবার প্রিমিয়াম হাউজ বোট। যারা নতুন বিয়ে করেছেন তারা নিজেরা প্রিমিয়াম বোট ভাড়া করুন দুই বেড রুমের সাথে সব ধরনের ফাইভস্টার সুযোগ সুবিধা পাবেন। যারা বাজেট ট্র্যাভেল করবেন তারা গ্রুপ প্যাকেজ বুক করে নিতে পারেন। মাঝারী খালের মাঝ দিয়ে তীর ঘেঁষা টুইটুম্বুর জলে ধীরলয়ে এগিয়ে যাওয়া হাউজ বোট আপনাকে অন্য রকম এক এক্সপেরিয়েন্স দেবে। কোল ঘেঁষা সারি সারি নারকেল গাছ।
হাউজ বোটে মজার জিনিশ হল খাবার। ট্র্যাডিশনাল কেরালার সব ধরনের স্পাইস খাবার সার্ভ করবে ওরা। স্পেশালি বাহারী আইটেমের পাকোড়া সাথে ফিস ফ্রাই। পাবেক কফিও, কেরালাতে কফি অঙ্গাওঙ্গি ব্যাপার। যাদের এলকোহল পানাহারের অভ্যাস আছে তারা প্রি বুক করে নিতে পারেন। তবে ট্রাভেলিং টাইমে পানাহার না করাই উত্তম।
খরচঃ
এর্নাকুলামে প্রতিরাতের জন্য মোটামুটি মানের হোটেল ভাড়া ২০০-৬০০ রুপি।
যদি সারাদিনের জন্য ট্র্যাভেল গাড়ি বুক করেন তবে ৩০০ কিলোমিটার অব্দি ৩০০০ রুপি।
যদি পাবলিক বাসে উল্লেখিত জায়গা ট্র্যাভেল করেন তবে সব মিলিয়ে খরচ হবে ২০০ রুপি।
হাউজবোট প্রিমিয়াম, অর্থাৎ ফুল বোট ভাড়া নিলে ৬০০০ থেকে ২০০০০ টাকার মধ্যে।
যদি প্যাকেজ টুরে অংশ নেন তবে ৫০০ থেকে ১৫০০ (মিল ভেদে দামের পার্থক্য)
উৎসব - সারা বছর ধরেই নানান উৎসবে মেতে ওঠেন কেরালার মানুষজন। যার মধ্যে এপ্রিলে নববর্ষের সময় ধানকাটার উৎসব ওনাম।
আর আগস্ট মাসের দ্বিতীয় শনিবারে আলেপ্পির পম্পা নদীতে বোট রেস বিশেষ আকর্ষণীয়। মার্চ-এপ্রিল ও অক্টোবর-নভেম্বরে ত্রিবান্দ্রামের পদ্মনাভস্বামীর মন্দিরে দশ দিন ধরে উৎসব চলে। জানুয়ারি মাসে ত্রিসুরে হয় বর্ণাঢ্য এলিফ্যান্ট মার্চ।
কেনাকাটা – মশলার দেশ কেরালা।
আর তার খ্যাতি হস্তশিল্পের জন্য।
মাটি, হাতির দাঁত, চন্দন কাঠ, তামা, কাঁসা, কাঠের তৈরি ঘর সাজানোর জিনিস, মূর্তি, মসলা, কাজুবাদাম, রংবেরঙের লুঙ্গি, তাঁতজাত বস্ত্র এসব রাখতে পারেন কেনাকাটার তালিকায়। সর্বত্রই পাওয়া যায় ।
তবে ত্রিবান্দ্রম বা কোচি থেকেই কেনা ভাল।
ভ্রমণের উপযোগী সময়ঃ
অক্টোবর থেকে জানুয়ারি কেরালার আবহাওয়া থাকে সবচেয়ে সুন্দর।
তবে গ্রীষ্ম, বর্ষা সব ঋতুতেই ‘পৃথিবীর স্বর্গ’ বলে পরিচিত কেরালার আবহাওয়া থাকে চমৎকার।
1>। কোচিন বা কোচি (Cochin) – ভেম্বানাদ হ্রদ, আরবসাগর আর ব্যাকওয়াটারের মাঝে 10 টি দ্বীপ নিয়ে কেরালার অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যকেন্দ্র কোচিন। নাম বদলে এখন কোচি।
উইলিংডন দ্বীপ, এর্নাকুলাম আর ফোর্ট কোচি – কোচিনের তিন প্রধান দ্রষ্টব্যস্থল।
কে টি ডি সি-র লঞ্চ ট্যুরে দেখানো হয় ওয়েলিংডন দ্বীপ, কোচি বন্দর, *মাত্তানচেরি প্রাসাদ*১, *জিউস সিনাগগ*২, ফোর্ট কোচি, বোলগেটি দ্বীপ। ফোর্ট কোচি দুর্গটি ব্রিটিশদের সৃষ্টি। কোচিতে আর এক দর্শনীয় ঐতিহাসিক *সেন্ট ফ্রান্সিস চার্চ*৩। মাত্তানচেরী জেটির কাছে মাত্তানচেরী প্রাসাদ। প্রাসাদের দেওয়ালে ম্যুরাল পেন্টিংয়ের অপরূপ কারুকার্যে ফুটে উঠেছে রামায়ণ, মহাভারত ও পুরাণের নানান গল্প। জু টাউন পেরিয়ে ইহুদিদের উপাসনাস্থল সিনাগগ। এর্নাকুলামের উত্তর-পশ্চিমে কোচি উপহ্রদে বোলাঘাটি দ্বীপ। বোলাঘাটির পশ্চিমে ভাল্লারপদম দ্বীপ। কোচির আরেক আকর্ষণ কোচি মিউজিয়াম, হিল প্যালেস মিউজিয়াম, *মহত্মা গান্ধি বিচ রোড*৪, *সান্তাক্রুজ ক্যাথেড্রাল বাসিলিকা*৩, কাশি আর্ট গ্যালারী ।
2>। তিরুবনন্তপুরম বা ত্রিবান্দ্রাম (Thiruvananthapuram / Trivandrum) – পাহাড় আর সমুদ্রে ঘেরা, প্রাচীনত্ব আর আধুনিকতার গন্ধমাখা রাজধানী শহর। ইস্টফোর্ড বাসস্ট্যান্ডের কাছে শহরের প্রধান আকর্ষণ পদ্মনাভস্বামী মন্দির। ত্রিবাঙ্কুর রাজ্যের গৃহদেবতা অনন্তশয্যায় শায়িত বিষ্ণুর মন্দির। পুরুষদের ধুতি পরে মন্দিরে ঢুকতে হয়। আর মহিলাদের প্রবেশ নিষেধ। মন্দির লাগোয়া পুত্তানমালিকা প্রাসাদ। ত্রিবাঙ্কুর রাজাদের প্রাচীন এই প্রাসাদ এখন মিউজিয়াম। শহরের মাঝখানে নেপিয়ার মিউজিয়াম। এছাড়াও রয়েছে চিড়িয়াখানা ও বোটানিক্যাল গার্ডেন, আর্ট মিউজিয়াম, শ্রীচিত্রা আর্ট গ্যালারি, ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম, সায়েন্স মিউজিয়াম। অটো বা গাড়ি ভাড়া করে অথবা কেরালা পর্যটনের কন্ডাকটেড ট্যুরে বেড়িয়ে নেওয়া যায় শহর ও তার আশপাশ।
শহর থেকে 8 ( আট ) কিমি দূরে শানগুমুখম সৈকত। সৈকতের ধারে পাথরের তৈরি 35 মি লম্বা বিশালাকায় মৎস্যকন্যার অপরূপ ভাস্কর্য। কাছেই ভেলি ট্যুরিস্ট ভিলেজ। তিরুবনন্তপুরমের কাছেই সমুদ্রোপকূলে থুম্বায় ভারতীয় স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন ও বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টার। সাধারণের প্রবেশ নিষেধ।
তিরুবনন্তপুরম থেকে 52 কিমি দূরে ত্রিবাঙ্কুর রাজাদের রাজধানী ভাস্কর্যের শহর পদ্মনাভপুরম।
যাতায়াতঃ
চেন্নাই থেকে ত্রিবান্দ্রাম যাওয়ার অনেক ট্রেন আছে। ত্রিবান্দ্রাম থেকে বাসে বাসেই কোভালাম আর ভাড়া গাড়িতে পোনমুড়ি বেড়িয়ে নেওয়া যায়। ত্রিবান্দ্রাম থেকে আলেপ্পির দূরত্ব 260 কিমি, এর্নাকুলাম 222 কিমি, কুইলন 72 কিমি, ভারকালা 40 কিমি, কুমিলি 253 কিমি। প্যারিয়ার কুমিলি থেকে কাছে।
সব জায়গাতেই যাতায়াতের জন্য বাস রয়েছে।
3>। কোভালাম সৈকত (Kovalam Beach) –
দক্ষিণে ভারতের অন্যতম সেরা সমুদ্রসৈকত কোভালাম। তাল, নারকেল, পেঁপে, কলাগাছে ছাওয়া নিরালা সৈকতে শান্ত নীল সমুদ্র ছুঁয়ে যায় রুপোলি বেলাভূমি।
উপরি পাওনা আয়ুর্বেদিক ম্যাসেজ পার্লার।
সমুদ্রতীরের লাইটহাউসটি থেকে দিগন্তবিস্তৃত সমুদ্রবেলার অপরূপ ছবি মনে আঁকা হয়ে যায়। কোভালাম থেকে মাত্র 2 কিমি দূরে মেছুয়াদের গ্রাম ভিঞ্জিঞ্জাম। প্রায় 10 কিমি দূরে 2000 বছরের পুরোনো পরশুরাম মন্দির।
4>। কুমারকমঃ
কেরেলার রাজধানী থেকে মাত্র 16 কিলোমিটার দূরে রয়েছে কুমারাকম গ্রাম। কুমারাকমের নিকটবর্তী বিমানবন্দর কোচি। রেল অথবা কোচি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সহজেই চলে আসতে পারেন কুমারাকমে। কোট্টায়াম বা কোচি থেকে ভাড়া গাড়িতে কুমারকোম আসা যায়। এই গ্রামে আপনাকে অভ্যর্থনা জানাবে চেনা-অচেনা হাজারো পাখি তাদের ভাষায় কিচির-মিচির গান শুনিয়ে। কুমারাকম যদিও ছোট্ট একটি জনপদ কিন্তু পর্যটকদের অত্যন্ত প্রিয় জায়গা। তাই হোটেল, রিসর্টের সংখ্যা অনেক। পাঁচতারা হোটেলের সংখ্যাও কম নয়। কুমারাকোম পাখিরালয়ের ভেতরে কেরালা পর্যটনের নিজস্ব পর্যটকাবাস আছে – ওয়াটারস্কেপ (Waterscape)।
ব্যবস্থাপত্র অতি চমৎকার। অগ্রিম বুকিং করে নেওয়াই ভাল। যদি কুমারাকোমের সঙ্গে কেরালার প্যাকেজ ট্যুর করেন সেক্ষেত্রে সঙ্গে তো ভাড়ারগাড়ি তো থাকবেই, নতুবা খেয়াল রাখতে হবে যে এখানে সঙ্গে নিজস্ব ভাড়ারগাড়ি না থাকলে একটু অসুবিধে হতে পারে।
লোকাল ট্রান্সপোর্ট সেরকম সুবিধের নয়।
কোট্টায়াম বা কোচি থেকে শুধু কুমারাকোম ঘুরতে চাইলে দু'তিন দিনের জন্য গাড়ি সঙ্গে নিয়ে নেবেন। শান্ত নির্জন পরিবেশে পাখিদের মাঝে দুটো দিন কাটাতে মন্দ লাগবে না।
5>।পোনমুড়ি (Ponmuri) – তিরুবনন্তপুরম থেকে "56 কিমি উত্তরে পশ্চিমঘাট পর্বতে স্বাস্থ্যনিবাস পোনমুড়ি। ইউক্যালিপ্টাস, রাবার আর চা বাগিচার সবুজ চাদরে মোড়া পোনমুড়ির পাহাড় সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তে অপরূপ হয়ে ওঠে। কাছেই পিপ্পারা ওয়াইল্ডলাইফ স্যাংচুয়ারি। হাতি, সম্বর, লেপার্ড আর নানান পাখির বাসভূমি।
6>। কুইলন বা কোল্লাম (Quilon) –
তিরুবনন্তপুরম থেকে 72 কিমি দূরে অষ্টমুড়ি লেকের ধারে ব্যাকওয়াটারের দেশ কুইলন। কাজুবাদাম আর মশলার রাজ্য।
লেকের পাড়ে কাজু, নারকেল, কলা, কাঁঠাল গাছের সারি। শহর জুড়ে লালটালিতে ছাওয়া কাঠের বাড়িঘর। লেকের ধারে ডিস্ট্রিক্ট ট্যুরিজম প্রমোশন কাউন্সিল (ডি.টি.পি.সি.)-র পিকনিক ভিলেজ।
শহর থেকে 5 কিমি দূরে সমুদ্রসৈকত। 10 কিমি দূরে অমৃতান্দময়ী মাতার আশ্রম।
কুইলনের সেরা আকর্ষণ ব্যাকওয়াটার ট্যুর। বোট জেটির কাছেই বুকিং অফিস। ট্যুরের সময় সকাল 9 টা থেকে দুপুর 2টো।
অষ্টমুড়ি লেক, ডি টি পি সি-র ট্যুরিস্ট রিসেপশন সেন্টার লাগোয়া বাসস্ট্যান্ডে ত্রিবান্দ্রাম, আলেপ্পি, কোচি, কোট্টায়মগামী বাস মেলে।
5 কিলোমিটার দূরে সাগরপারের ছোট্ট বন্দরগাঁ থাঙ্গাসেরি একসময়ের ব্রিটিশ আর পর্তুগিজদের বাণিজ্যবন্দর ছিল। এখানে সোনার কয়েন দিয়ে বাণিজ্য চলত বলে এর স্থানীয় নাম সোনারগাঁ। পর্তুগিজ আমলের দুর্গের ধ্বংসাবশেষ আর গির্জা আজও আছে। সেসবই তৈরি হয়েছিল 18-র দশকে।
ব্রিটিশদের হাতে তৈরি থাঙ্গাসেরির বিখ্যাত লাইটহাউস বিকেল সাড়ে 3 টে থেকে সাড়ে 5 টা পর্যন্ত খোলা থাকে। কুইলন থেকে 10 কিমি দূরে মায়ানাড। সুব্রামন্নার মন্দির, শোনা যায় এই মন্দির আর মূর্তি শংকরাচার্যের সমসাময়িক।
কুইলন থেকে প্রায় 28 কিমি দূরে সনরো দ্বীপ নারকেল দড়ি আর নৌকা তৈরির জন্য বিখ্যাত।
কেরালার জলরেখার চলমান জীবনরেখা কেট্টুভল্লম, এক বিশেষ ধরণের নৌকো, যাকে সকলে স্নেকবোট নামে চেনে তা তৈরি হয় এই দ্বীপের কারখানায়।
কুইলন থেকে প্রায় 35 কিমি দূরে শিবক্ষেত্র ওছিরা। এখানেই রয়েছে বিখ্যাত পরমব্রহ্ম মন্দির। নভেম্বর-ডিসেম্বরে 12 প্রদীপের উৎসব পানথ্রাডু ভিলাক্কু আর জুন মাসের ওছিরাকাল্লি উৎসব বিখ্যাত।
কুইলন থেকে প্রায় 66 কিমি দূরে পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত ইকো-ট্যুরিজম প্রোজেক্ট থেনমালা। ঘন বনাঞ্চল, টি অ্যান্ড রবার প্ল্যান্টেশন জোন - সব মিলিয়ে সবুজের রাজ্যপাট। তার মধ্যেই স্কাল্পচার গার্ডেন, অ্যাম্ফিথিয়েটারসহ কালচারাল জোন, মিউজিকাল ফাউন্টেন, অ্যাডভেঞ্চার জোন।
No comments:
Post a Comment