29>|| টুটানখামুনের |সমাধিতে রাণী নেফারতিতির গোপন কুঠির। <---©-আদ্যনাথ--->
প্রাচীন মিশরের মানুষ বিশ্বাস ছিলো মানুষের মৃত্যুর পর আত্মা পুনরায় দেহে ফিরে আসে।
তাই সেই দেহ যাতে নষ্ট না হয়ে যায় সে জন্য তারা এক বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করতো।
এই বিশেষ পদ্ধতিটিই হলো মমি।
তাই সেই দেহ যাতে নষ্ট না হয়ে যায় সে জন্য তারা এক বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করতো।
এই বিশেষ পদ্ধতিটিই হলো মমি।
মমি নিয়ে সব সমস্যার সমাধানের জট এখনো পুরোপুরি খোলা যায় নি। অনেক মমি নিয়েই আছে অনেক রহস্যময় কাহিনী। তবে সবচেয়ে বেশি রহস্য যে মমিটিকে ঘিরে আছে তা হলো ফারাও রাজা তুতানখামেনের মমি।
সব থেকে আচর্যের বিষয় এটাই যে তুতানখামেনের কবরের খোজে পাওয়ার আগে তুতেনখামেন সকলের কাছে অপরিচিত ছিল কারণ মিশরে তার কনো চিহ্ন ছিল না। তার কবরের দেওয়ালে আকা ছবি গুলোতে তাকে দেখা যায় একজন শিকারী হিসেবে, একজন রাজা যুদ্ধের মায়দানে, একজন মানুষ যে তার স্ত্রী সেনামুন এর গভীর প্রেমে পরে ছিল এবং সেনামুনের ও একই অবস্থা ।
সেনামুন ছিল নেফেরতিতির মেয়ে। তুতানখামেনের হঠাৎ মৃত্যুর কারণ কেউ জানে না।
এই তুতানখামেন হঠাৎ করে এতো পরিচিতি বিস্তারের কারন মিসরের সকল ফারাও দের মধ্যে
সর্ব কনিষ্ঠ শাসক ছিলেন এবং তুতানখামেনের অভিশাপ।
তার মমিকে যে ই বিরক্ত করবে তার নাকি মৃত্যু অনিবার্য।
সব থেকে আচর্যের বিষয় এটাই যে তুতানখামেনের কবরের খোজে পাওয়ার আগে তুতেনখামেন সকলের কাছে অপরিচিত ছিল কারণ মিশরে তার কনো চিহ্ন ছিল না। তার কবরের দেওয়ালে আকা ছবি গুলোতে তাকে দেখা যায় একজন শিকারী হিসেবে, একজন রাজা যুদ্ধের মায়দানে, একজন মানুষ যে তার স্ত্রী সেনামুন এর গভীর প্রেমে পরে ছিল এবং সেনামুনের ও একই অবস্থা ।
সেনামুন ছিল নেফেরতিতির মেয়ে। তুতানখামেনের হঠাৎ মৃত্যুর কারণ কেউ জানে না।
এই তুতানখামেন হঠাৎ করে এতো পরিচিতি বিস্তারের কারন মিসরের সকল ফারাও দের মধ্যে
সর্ব কনিষ্ঠ শাসক ছিলেন এবং তুতানখামেনের অভিশাপ।
তুতানখামেনের অভিশাপ এক বিচিত্র কাকতালীয় গল্প কথা।
তার মমিকে যে ই বিরক্ত করবে তার নাকি মৃত্যু অনিবার্য।
এই বিশ্বাসটা গাঢ় হওয়ার পিছনে রয়েছে অবিশ্বাস্য কিছু ঘটনা।
মিশরে যে কয়েকজন ফারাও রাজত্ব করেছেন তাদের মাঝে
কনিষ্ঠতম শাসক ছিলেন তুতানখামেন।
কিশোর বয়সেই মিশরের সম্রাট হয়ে যাওয়ার
কারনে তাকে নিয়ে অনেক রহস্যের গল্প শোনা যায়।
মিশরে যে কয়েকজন ফারাও রাজত্ব করেছেন তাদের মাঝে
কনিষ্ঠতম শাসক ছিলেন তুতানখামেন।
কিশোর বয়সেই মিশরের সম্রাট হয়ে যাওয়ার
কারনে তাকে নিয়ে অনেক রহস্যের গল্প শোনা যায়।
মিশরের প্রত্নতত্ত্ববিদরা জানিয়েছেন, রাজা টুটানখামুনের সমাধিতে তারা এমন একটি গোপন কুঠুরি থাকার প্রমাণ পাচ্ছেন যেখানে হয়তো রাণী নেফারতিতির কবর ছিল।
সকলের ধারণা যদি সত্যি সত্যি এরকম এক গোপন কুঠুরি খুজে পাওয়া যায় সেটা হবে শতাব্দীর সবচেয়ে বড় আবিস্কার।
লাক্সারের এই অত্যন্ত প্রাচীন স্থানটিতে এখনো খোজ চলছে ।
নীল নদীর তীরে বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী যে সভ্যতা গড়ে উঠেছিল একটা লম্বা সময় ধরে তা শাসন করেছেন রাণী নেফারতিতি এবং তার স্বামী ফারাও আখেনাটেন।
রাণী নেফারতিতি ছিলেন অসম্ভব সুন্দরী।
কারও কারও ধারণা টুটানখামেন হয়তো রাণী নেফারতিতির সন্তান ছিলেন। 1922 সালে
টুটানখামেনের দেহাবশেষ খুঁজে পাওয়া যায় । এর প্রায় তিন হাজার বছর আগে
মাত্র 19 বছর বয়সে তার মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হয়।
লাক্সারের এই অত্যন্ত প্রাচীন স্থানটিতে এখনো খোজ চলছে ।
নীল নদীর তীরে বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী যে সভ্যতা গড়ে উঠেছিল একটা লম্বা সময় ধরে তা শাসন করেছেন রাণী নেফারতিতি এবং তার স্বামী ফারাও আখেনাটেন।
রাণী নেফারতিতি ছিলেন অসম্ভব সুন্দরী।
কারও কারও ধারণা টুটানখামেন হয়তো রাণী নেফারতিতির সন্তান ছিলেন। 1922 সালে
টুটানখামেনের দেহাবশেষ খুঁজে পাওয়া যায় । এর প্রায় তিন হাজার বছর আগে
মাত্র 19 বছর বয়সে তার মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হয়।
তুতানখামেন (খ্রিস্টপূর্ব 1341 - 1323) ছিলেন মিশরীয় অষ্টদশ রাজবংশের ফারাও
(খ্রিস্টপূর্ব 1333 - 1324)। এই সময়কাল মিশরীয় ইতিহাসে নতুন রাজ্য নামে পরিচিত ছিল।
(খ্রিস্টপূর্ব 1333 - 1324)। এই সময়কাল মিশরীয় ইতিহাসে নতুন রাজ্য নামে পরিচিত ছিল।
তার আসল নাম তুতানখাতুন, অর্থ "আমুনের জীবন্ত ছবি"।
প্রায়ই তুতানখামুনের নাম লেখা হতো "আমেন-তুত-আনখ", শব্দে প্রকাশ করার শুরুতে
দেবতার নাম রাখতে কিছু লেখার ব্যবহার করা হতো।
এটি সম্ভবত শনাক্ত করা হতো আমারনার চিঠি, নিবহুররেরেয়া-এর সঙ্গে,
এবং সম্ভবত অষ্টদশ রাজবংশের রাজা রাথটিসনামের সঙ্গে,
যে প্রাচীন ইতিহাসবিদ মানেটনেরমতে, নয় বছর রাজত্ব করেছিলেন
তার জনগণরা তাকে অর্ধেক মানুষ এবং অর্ধেক দেবতা মনে করতো।
কায়রোর মিশরীয় জাদুঘরে তুতানখামেনের মমির মুখোশ, প্রাচীন মিশরের
একটি জনপ্রিয় অতূলনীয় ভাস্কর্য। বলা হয় যে, এর মূল্য রত্নের মুকুটের সমান।
প্রায়ই তুতানখামুনের নাম লেখা হতো "আমেন-তুত-আনখ", শব্দে প্রকাশ করার শুরুতে
দেবতার নাম রাখতে কিছু লেখার ব্যবহার করা হতো।
এটি সম্ভবত শনাক্ত করা হতো আমারনার চিঠি, নিবহুররেরেয়া-এর সঙ্গে,
এবং সম্ভবত অষ্টদশ রাজবংশের রাজা রাথটিসনামের সঙ্গে,
যে প্রাচীন ইতিহাসবিদ মানেটনেরমতে, নয় বছর রাজত্ব করেছিলেন
তার জনগণরা তাকে অর্ধেক মানুষ এবং অর্ধেক দেবতা মনে করতো।
কায়রোর মিশরীয় জাদুঘরে তুতানখামেনের মমির মুখোশ, প্রাচীন মিশরের
একটি জনপ্রিয় অতূলনীয় ভাস্কর্য। বলা হয় যে, এর মূল্য রত্নের মুকুটের সমান।
সঙ্গী আঙ্খেসেনামুন ছেলে-মেয়ে দুই জন (সম্ভবত, উভয় মেয়ে, নামগুলো অজানা)
পিতা আখেনাতেন। মাতা "অল্পবয়সী নারী"তার খ্যাতি ঢাকা আছে তার কবর দ্বারা,
পিতা আখেনাতেন। মাতা "অল্পবয়সী নারী"তার খ্যাতি ঢাকা আছে তার কবর দ্বারা,
হাওয়ার্ড কার্টারের নেতৃত্বে এবং সহযোগী জোজ হেরব্যট এর মধ্যেমে 1922 সালের 4ঠা নভেম্ব আবিষ্কার করেছিল তুতানখামুনর কবর।
তুতানখামেন হঠাৎ মারা গিয়েছিল এবং তার হাড় গুলোতে অনেক ফাটল ছিল।
হাড় গুলি যখন এক্স রে করা হয় তখন দেখা যায় যে তার মাথার পিছের অংশে আঘাতের চিহ্ন।
আর একদল গবেষোক সিদ্ধাতে পৌছায় যে তাকে হত্যা করা হয়েছিল যদিও তা প্রমানিত হয়নি।
তুতানখামেন হঠাৎ মারা গিয়েছিল এবং তার হাড় গুলোতে অনেক ফাটল ছিল।
হাড় গুলি যখন এক্স রে করা হয় তখন দেখা যায় যে তার মাথার পিছের অংশে আঘাতের চিহ্ন।
আর একদল গবেষোক সিদ্ধাতে পৌছায় যে তাকে হত্যা করা হয়েছিল যদিও তা প্রমানিত হয়নি।
সাম্প্রতিক প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার অনুসারে, তুতানখামেনের বাবা আখেনাতেন।
তুতানখামেন হয়তো আখেনাটন এবং রানী নেফেরতিতি এর পুত্র ছিল।
তুতানখামেন হয়তো আখেনাটন এবং রানী নেফেরতিতি এর পুত্র ছিল।
অন্য একটি অনুমান, তুতানখামেন আমেনহোতেপ IIIএবং রানী টইয়ি এর পুত্র ছিল (অতএব আখেনাটন এর ভাই)
আরও নানান গবেষণায় অনুমান নিশ্চিত করেছিল যে, তুতানখামেন আখেনাটন এবং কিয়া এর পুত্র ছিল।
আরও নানান গবেষণায় অনুমান নিশ্চিত করেছিল যে, তুতানখামেন আখেনাটন এবং কিয়া এর পুত্র ছিল।
তুতানখামেনের অভিশাপের্ গল্প --
তুতানখামেন এখনো সবাইকে মুগ্ধ করে। তার কবর যে ঘরে পাওয়া গিয়েছে তার পাশের ঘরে, যেখানে তার ধন সম্পদ ছিল, সেখানে তার কবর আটকানো জন্য যে সিল মোহর ব্যবহার করা হয়েছিল সে সিল মোহর পাওয়া গিয়েছে এবং তার উপর লেখা ছিল তুতানখামেন। তা আবিস্কার করেছে প্রফেসর হাওয়ার কারটারএবং অন্য গুলোর মধ্যে লেখা ছিল তুতানখামেন। "হাওয়ার কারটার" তুতানখামেনের কফিনেট খোলে, তার ভিতর আরো তিনটা কফিন সে খুজে পায়। এর মধ্যে দুইটি কফিন কায়রো জাদুঘরে আছে। কবরে ভিতর 5398 টি হাতের কাজ করা জিনিষ পাওয়া গিয়েছে।
তুতানখামেনের কবর আবার খোলা হয়, কারণ তার
মৃত্যুর 1000 বছর পরও যে কবর পাওয়া গিয়েছে সে গুলো এই কবরের সাথে সম্পক যুক্ত।
নভেম্বর 1922, ব্রিটিশ ভূতাত্ত্বিকবিদ প্রোফেসর হোওয়ারড কাটার আবিষ্কার করেছিল রাজাদের কবর। এই আবিষ্কারটি ছিল অসাধারণ। যখন শ্রমিকরা দামী হাতের কাজ গুলো কবর থেকে উদ্ধার করছিল, তখন তারা কবরকে যে অপবিত্র করেছে তার ফলাফল কি হবে তার ভয় করছিল।
তুতানখামেনের কবরে কাজের সময় হোওয়ারড কাটারের সাথে কানারি ছিল। যে দিন হোওয়ারড কাটার এবং কারনামুন তুতানখামেনের কবরে ঢুকে শ্রমিকরা কানারি কে মৃত দেখে। তারা একে শ্রমিকরা ভাল দিক বলে মনে করে। বলা হয় কানারি কোবরা সাপের কামড়ে কারণে মারা গিয়েছিল। কোবরা সাপ হচ্ছে ফেরাউনদের মুখোসের শিখরের প্রতীক। এখান থেকে শুরু হয় তুতানখামেনের অধিশাপ। একজন লন্ডন টাইসএর বক্তব্যকারী ঘোষনা করেন ফেরাউনের অধিশাপ আঘত করেছে বলে। কাকতালীয় ভাবে কবরের কক্ষ খোলার ছয় সপ্তাহ পর লর কারনারভন তার হোটেলের ঘরে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। পরে একে একে মরতে শুরু করেছে যারা কবর খোরার কাজে কোন এক ভাবে জরিত ছিল। কারনারভন এর ভাইয়ের রক্তে বিষ পাওয়া গিয়েছে। আমেরিকার জাইগুড রেল লাইনের ইম্মানিয়াতে, ফ্রান্সেস জজ বেনেদিত এরা কবর দেখতে গিয়েছিল। এই ভাবে তুতানখামেনের অভিশাপের জন্ম হয়। পরের বছর গুলোতে এর একটি যুক্তি সংগত ব্যাখ্যা দিতে চেয়ে ছিল। সে চিন্তা করেছে তুতানখামেনের অধিশাপের জাদু নয় জীবণু। যখন তারা কবরে ঢুকেছিল তখন হাজার বছর পুরানো জীবণু যা অন্ধকারে ছিল তা আলো পেয়ে আবার জেগে উঠে। এই তত্ত্ব ঠিক কি না তা পরীহ্মা করার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে জীবণুবিদরা আসেন।
তুতানখামেনের কবর আবার খোলা হয়, কারণ তার
মৃত্যুর 1000 বছর পরও যে কবর পাওয়া গিয়েছে সে গুলো এই কবরের সাথে সম্পক যুক্ত।
নভেম্বর 1922, ব্রিটিশ ভূতাত্ত্বিকবিদ প্রোফেসর হোওয়ারড কাটার আবিষ্কার করেছিল রাজাদের কবর। এই আবিষ্কারটি ছিল অসাধারণ। যখন শ্রমিকরা দামী হাতের কাজ গুলো কবর থেকে উদ্ধার করছিল, তখন তারা কবরকে যে অপবিত্র করেছে তার ফলাফল কি হবে তার ভয় করছিল।
তুতানখামেনের কবরে কাজের সময় হোওয়ারড কাটারের সাথে কানারি ছিল। যে দিন হোওয়ারড কাটার এবং কারনামুন তুতানখামেনের কবরে ঢুকে শ্রমিকরা কানারি কে মৃত দেখে। তারা একে শ্রমিকরা ভাল দিক বলে মনে করে। বলা হয় কানারি কোবরা সাপের কামড়ে কারণে মারা গিয়েছিল। কোবরা সাপ হচ্ছে ফেরাউনদের মুখোসের শিখরের প্রতীক। এখান থেকে শুরু হয় তুতানখামেনের অধিশাপ। একজন লন্ডন টাইসএর বক্তব্যকারী ঘোষনা করেন ফেরাউনের অধিশাপ আঘত করেছে বলে। কাকতালীয় ভাবে কবরের কক্ষ খোলার ছয় সপ্তাহ পর লর কারনারভন তার হোটেলের ঘরে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। পরে একে একে মরতে শুরু করেছে যারা কবর খোরার কাজে কোন এক ভাবে জরিত ছিল। কারনারভন এর ভাইয়ের রক্তে বিষ পাওয়া গিয়েছে। আমেরিকার জাইগুড রেল লাইনের ইম্মানিয়াতে, ফ্রান্সেস জজ বেনেদিত এরা কবর দেখতে গিয়েছিল। এই ভাবে তুতানখামেনের অভিশাপের জন্ম হয়। পরের বছর গুলোতে এর একটি যুক্তি সংগত ব্যাখ্যা দিতে চেয়ে ছিল। সে চিন্তা করেছে তুতানখামেনের অধিশাপের জাদু নয় জীবণু। যখন তারা কবরে ঢুকেছিল তখন হাজার বছর পুরানো জীবণু যা অন্ধকারে ছিল তা আলো পেয়ে আবার জেগে উঠে। এই তত্ত্ব ঠিক কি না তা পরীহ্মা করার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে জীবণুবিদরা আসেন।
খ্রিস্টের জন্মের প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর আগে মিশরের সিংহাসনে ছিলেন ফ্যারাও চতুর্থ আমেনহোটেপ | যিনি পরিচিত আখেনাতেন নামেও | তাঁর এক রানি হলেন সুন্দরী নেফারতিতি | ঐতিহাসিকরা বলেন‚ প্রথমে স্বামীর সঙ্গে যৌথভাবে‚ পরে স্বামীর অবর্তমানে একাই সাম্রাজ্য শাসন করতে থাকেন এই রানি | পুরুষতান্ত্রিক মিশরীয় সমাজে তিনি রীতি অনুযায়ী পুরুষ-নাম নেন | সেই নাম সম্ভবত নেফারনেফেরয়াতেন বা স্মেনখকারে | রহস্যময় ফ্যারাও নেফারনেফেরয়াতেন বা স্মেনখকারে মিশর শাসন করেন চতুর্থ আমেনহোটেপের পরে এবং তুতানখামেনের আগে | কোনও কোনও ঐতিহাসিক বলেন‚ এই ফ্যারাও আসলে স্বয়ং নেফারতিতি | এই সম্রাজ্ঞীর শাসনে বহু দেবদেবীর অস্তিত্বে বিশ্বাসী মিশর ক্রমশ সরতে থাকে এক দেবতার প্রতি বিশ্বাসে | সেই দেবতা হলেন সূর্যদেবতা |
12 বছর রাজ্য শাসনের পরে কোথায় যেন মিলিয়ে যান নেফারতিতি | তাঁর মৃত্যু নিয়ে কোনও তথ্য নেই প্রাচীন মিসরীয় ইতিহাসে |
মনে করা হচ্ছে মৃত্যুর প্রায় 3345 বছর পরে এ বার পাওয়া যেতে চলেছে নেফারতিতির সমাধি | কিশোর রাজা তুতানখামেনের সমাধির উত্তরের দেওয়ালের পিছনে |
এই তুতানখামেন ছিলেন চতুর্থ আমেনহোটেপ এবং তাঁর বোনের সন্তান |
অর্থাৎ নেফারতিতির সৎ ছেলে |
মনে করা হচ্ছে মৃত্যুর প্রায় 3345 বছর পরে এ বার পাওয়া যেতে চলেছে নেফারতিতির সমাধি | কিশোর রাজা তুতানখামেনের সমাধির উত্তরের দেওয়ালের পিছনে |
এই তুতানখামেন ছিলেন চতুর্থ আমেনহোটেপ এবং তাঁর বোনের সন্তান |
অর্থাৎ নেফারতিতির সৎ ছেলে |
মিশরবিদ নিকোলাস রিভস নিশ্চিত তুতানখামেনের সমাধি বলে যেটি স্বীকৃত‚ সেতি নির্মিত হয়েছিল রানি নেফারতিতির জন্য | পরে বিমাতার সমাধিতেই তাড়াহুড়ো করে সমাহিত করা হয় তুতানখামেনকে | একই রকম কথা বলেছিলেন তুতানখামেনের সমাধির আবিষ্কারক পুরাতাত্ত্বিক কার্টারও | তাঁর মনে হয়েছিল‚ তুতানখামেনের সমাধি অন্য ফ্যারাওদের সমাধির তুলনায়
অনেক ছোট এবং সাদামাটা | তাঁর ধারনা‚ আন-রয়্যাল এই সমাধি পুরুষতান্ত্রিক মিশরে তৈরি
হয়েছিল কোনও রানির জন্য | সেই ধারনাকে এখন সমর্থন করছে নতুন আবিষ্কার |
অনেক ছোট এবং সাদামাটা | তাঁর ধারনা‚ আন-রয়্যাল এই সমাধি পুরুষতান্ত্রিক মিশরে তৈরি
হয়েছিল কোনও রানির জন্য | সেই ধারনাকে এখন সমর্থন করছে নতুন আবিষ্কার |
তুতানখামেনার বয়স যখন দশ বছর তখন তিনি রাজ্যের হাল ধরেন।
( খ্রিষ্টপূর্ব 1332 থেকে 1323 )সাল পর্যন্ত ছিল তার রাজত্বকাল। তিনি নয় বছর রাজত্ব করে ছিলেন । এই নয় বছর সিংহাসন সামলানোর পর খ্রিস্টপূর্ব 1323 সালে মাত্র 19 বছর বয়সে মৃত্যু হয় ওই তরুণ ফারাওয়ের।
কিন্তু তার মৃত্যু নিয়ে রয়েছে অনেক রহস্য। মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও বিজ্ঞানীরা উদ্ঘাটন করতে পারেননি।
তার মৃত্যু নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানান প্রত্নতত্ত্ববিদের রয়েছে নানান মত। কেউ বা বলেন তাকে খুন করা হয়েছে। কেউ মনে করেন তুতানখামেন সাপের কামড়ে মারা গিয়েছিলেন।
কারও মতে ম্যালেরিয়াতে তিনি মারা যান। আবার কেউ কেউ বিশ্বাস করেন,
ভারী কিছুতে চাপা পড়ে মারা গিয়েছিলেন এই ফারাও।
তুতানখামেনের মমি আবিষ্কৃত হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে যায় তার মৃত্যু নিয়ে গবেষণা।
মমি আবিষ্কারের বেশ কিছুদিন পর একদল বিশেষজ্ঞ জানান যে, যে ছুরি দিয়ে তাকে
খুন করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে, সেই ছুরিটি পাওয়া গেছে।
তুতানখামেনের সমাধি থেকে তার ব্যবহৃত সোনা আর স্ফটিকের হাতল বিশিষ্ট ছুরিটি উদ্ধার হয়। প্রাচীন মিশরে লোহা ছিল দুর্লভ। কিন্তু তুতানখামেনের ছুরির ধারালো অংশটি লোহা, নিকেল আর কোবাল্টের সংমিশ্রণে তৈরি। পরে বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন যে ছুরির ধারালো অংশটি লোহা নয়, আসলে উল্কার অংশ। উল্কাপিন্ডীয় ছোরাটি শুধুই লোভনীয় পর্যায়ের সুন্দরই নয়, বরং এতে মিশরীয় হস্তশিল্পের ছাপ রয়েছে যা থেকে দেখা যায় প্রাচীন মিশরীয় শিল্পীগণ লৌহযুগের
অনেক আগেই পৃথিবীতে আগত উল্লাপিন্ডের লোহা ব্যবহার করে এই শিল্পের বিকাশ শুরু করেছিলেন।
( খ্রিষ্টপূর্ব 1332 থেকে 1323 )সাল পর্যন্ত ছিল তার রাজত্বকাল। তিনি নয় বছর রাজত্ব করে ছিলেন । এই নয় বছর সিংহাসন সামলানোর পর খ্রিস্টপূর্ব 1323 সালে মাত্র 19 বছর বয়সে মৃত্যু হয় ওই তরুণ ফারাওয়ের।
কিন্তু তার মৃত্যু নিয়ে রয়েছে অনেক রহস্য। মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও বিজ্ঞানীরা উদ্ঘাটন করতে পারেননি।
তার মৃত্যু নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানান প্রত্নতত্ত্ববিদের রয়েছে নানান মত। কেউ বা বলেন তাকে খুন করা হয়েছে। কেউ মনে করেন তুতানখামেন সাপের কামড়ে মারা গিয়েছিলেন।
কারও মতে ম্যালেরিয়াতে তিনি মারা যান। আবার কেউ কেউ বিশ্বাস করেন,
ভারী কিছুতে চাপা পড়ে মারা গিয়েছিলেন এই ফারাও।
তুতানখামেনের মমি আবিষ্কৃত হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে যায় তার মৃত্যু নিয়ে গবেষণা।
মমি আবিষ্কারের বেশ কিছুদিন পর একদল বিশেষজ্ঞ জানান যে, যে ছুরি দিয়ে তাকে
খুন করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে, সেই ছুরিটি পাওয়া গেছে।
তুতানখামেনের সমাধি থেকে তার ব্যবহৃত সোনা আর স্ফটিকের হাতল বিশিষ্ট ছুরিটি উদ্ধার হয়। প্রাচীন মিশরে লোহা ছিল দুর্লভ। কিন্তু তুতানখামেনের ছুরির ধারালো অংশটি লোহা, নিকেল আর কোবাল্টের সংমিশ্রণে তৈরি। পরে বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন যে ছুরির ধারালো অংশটি লোহা নয়, আসলে উল্কার অংশ। উল্কাপিন্ডীয় ছোরাটি শুধুই লোভনীয় পর্যায়ের সুন্দরই নয়, বরং এতে মিশরীয় হস্তশিল্পের ছাপ রয়েছে যা থেকে দেখা যায় প্রাচীন মিশরীয় শিল্পীগণ লৌহযুগের
অনেক আগেই পৃথিবীতে আগত উল্লাপিন্ডের লোহা ব্যবহার করে এই শিল্পের বিকাশ শুরু করেছিলেন।
যে প্রযুক্তির মাধ্যমে ছুরির উপাদান বিশ্লেষণ করা হয়েছে তা হলো X-ray flurescence Spectroscopy ।
( এই প্রকারের X-ray এমন একটি পরীক্ষা
যার দ্বারা পরীক্ষাধীন নমুনাকে শক্তিপ্রদানের মাধ্যমে উত্তেজিত করা হয়। তারপর সেই উত্তেজিত নমুনার বিভিন্ন পরমাণু বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে শক্তি বিকিরণ করে। যার মাধ্যমে গবেষকগণ একটি নমুনায় অবস্থিত বিভিন্ন ধরনের পরমাণুকে আলাদাভাবে শনাক্ত করতে পারেন। এতে পরীক্ষিত নমুনাটিরও কোনো ধরনের ক্ষতি সাধিত হয় না, ফলে প্রাচীন মূল্যবান বস্তুগুলোকে সুরক্ষিত
অবস্থায় পরীক্ষা করা যায় ।)
গবেষকগণ 20 টি সংরক্ষিত উল্কাপিণ্ডের উপাদানের রেকর্ড বিশ্লেষণ করে, এবং ছুরির উপাদানের সাথে মিলিয়ে দেখে উল্কাপতনের স্থানও নির্ধারণ করে ন , যা প্রাচীন শহরের আলেকজান্দ্রিয়ার কাছাকাছি পশ্চিম দিকে। যদিও তাদের এই উল্কাপিণ্ডটিকে সংগ্রহ করার জন্য কয়েকশ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে সেই নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছাতে হয়েছে। অতএব এমনটা ধারনা করা হয়, যে তাঁরা উল্কাটিকে আকাশে থেকে পরতে এবং খন্ড-বিখন্ড হয়ে যেতে দেখেছেন।
এমনকি সেটি পতিত হবার স্থান গুলিও স ঠিক নির্ণয় করতে সক্ষম হয়ে ছিল।
( এই প্রকারের X-ray এমন একটি পরীক্ষা
যার দ্বারা পরীক্ষাধীন নমুনাকে শক্তিপ্রদানের মাধ্যমে উত্তেজিত করা হয়। তারপর সেই উত্তেজিত নমুনার বিভিন্ন পরমাণু বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে শক্তি বিকিরণ করে। যার মাধ্যমে গবেষকগণ একটি নমুনায় অবস্থিত বিভিন্ন ধরনের পরমাণুকে আলাদাভাবে শনাক্ত করতে পারেন। এতে পরীক্ষিত নমুনাটিরও কোনো ধরনের ক্ষতি সাধিত হয় না, ফলে প্রাচীন মূল্যবান বস্তুগুলোকে সুরক্ষিত
অবস্থায় পরীক্ষা করা যায় ।)
গবেষকগণ 20 টি সংরক্ষিত উল্কাপিণ্ডের উপাদানের রেকর্ড বিশ্লেষণ করে, এবং ছুরির উপাদানের সাথে মিলিয়ে দেখে উল্কাপতনের স্থানও নির্ধারণ করে ন , যা প্রাচীন শহরের আলেকজান্দ্রিয়ার কাছাকাছি পশ্চিম দিকে। যদিও তাদের এই উল্কাপিণ্ডটিকে সংগ্রহ করার জন্য কয়েকশ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে সেই নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছাতে হয়েছে। অতএব এমনটা ধারনা করা হয়, যে তাঁরা উল্কাটিকে আকাশে থেকে পরতে এবং খন্ড-বিখন্ড হয়ে যেতে দেখেছেন।
এমনকি সেটি পতিত হবার স্থান গুলিও স ঠিক নির্ণয় করতে সক্ষম হয়ে ছিল।
তুতানখামেনের মমি আবিষ্কারের পর থেকেই সেই মমি নিয়ে মানুষের আগ্রহ বেড়েই
চলেছে । কারণ ব্রিটিশ হাওয়ার্ড কার্টার ও জর্জ হার্বার্ট নামের দুই প্রত্নতত্ত্ববিদের নেতৃত্বে তুতানখামেনের মমি আবিষ্কারের সময় তার সমাধি প্রায় অক্ষত অবস্থায় ছিল। কিন্তু মৃতদেহটি মোটেও অক্ষত ছিল না। মিশরের বেশির ভাগ পিরামিডে থাকা মূল্যবান সম্পত্তি লুঠ হয়ে গেলেও তুতানখামেনের সমাধিতে পাওয়া গিয়েছিল বিপুল সম্পত্তি। নানা গুরুত্বপূর্ণ নথি। মিশর সভ্যতার ইতিহাসে নয়া মোড় ঘুরে যায় তুতানখামেনের মমি আবিষ্কার পর।
এবার আশা যাক অভিশাপের ব্যাপারে।
মিশরের অনেকেই বিশ্বাস করেন, তুতানখামেন মমিকে যারা বিরক্ত করবে, তাদের মৃত্যু অনিবার্য । এই বিশ্বাসটা তৈরি হয়েছিল 1922 সালে প্রথম তুতানখামেনের মমি আবিষ্কারের পর থেকে।মমি আবিষ্কারের নেতৃত্বে ছিলেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ হোয়ার্ড কার্টার ও জর্জ হার্বার্ট। এই আবিষ্কারের কয়েকদিন পরেই ঘটে সেই অভিশপ্তময় ঘটনা। জর্জ হার্বার্ট ও কার্টারের নেতৃত্বে যেসব কর্মী এই খননকার্য চালিয়ে ছিলেন, ঘটনাচক্রে তাদের মধ্যে 21 জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটে। এরপর থেকেই এঅঞ্চলের মানুষের মধ্যে অভিশাপের কাহিনীটি প্রচার হতে থাকে।
চলেছে । কারণ ব্রিটিশ হাওয়ার্ড কার্টার ও জর্জ হার্বার্ট নামের দুই প্রত্নতত্ত্ববিদের নেতৃত্বে তুতানখামেনের মমি আবিষ্কারের সময় তার সমাধি প্রায় অক্ষত অবস্থায় ছিল। কিন্তু মৃতদেহটি মোটেও অক্ষত ছিল না। মিশরের বেশির ভাগ পিরামিডে থাকা মূল্যবান সম্পত্তি লুঠ হয়ে গেলেও তুতানখামেনের সমাধিতে পাওয়া গিয়েছিল বিপুল সম্পত্তি। নানা গুরুত্বপূর্ণ নথি। মিশর সভ্যতার ইতিহাসে নয়া মোড় ঘুরে যায় তুতানখামেনের মমি আবিষ্কার পর।
এবার আশা যাক অভিশাপের ব্যাপারে।
মিশরের অনেকেই বিশ্বাস করেন, তুতানখামেন মমিকে যারা বিরক্ত করবে, তাদের মৃত্যু অনিবার্য । এই বিশ্বাসটা তৈরি হয়েছিল 1922 সালে প্রথম তুতানখামেনের মমি আবিষ্কারের পর থেকে।মমি আবিষ্কারের নেতৃত্বে ছিলেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ হোয়ার্ড কার্টার ও জর্জ হার্বার্ট। এই আবিষ্কারের কয়েকদিন পরেই ঘটে সেই অভিশপ্তময় ঘটনা। জর্জ হার্বার্ট ও কার্টারের নেতৃত্বে যেসব কর্মী এই খননকার্য চালিয়ে ছিলেন, ঘটনাচক্রে তাদের মধ্যে 21 জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটে। এরপর থেকেই এঅঞ্চলের মানুষের মধ্যে অভিশাপের কাহিনীটি প্রচার হতে থাকে।
কিন্তু দীর্ঘ সন্ধানেও মিলল না কিছুই,। পেলেন না কিছুই। শেষে অনুসন্ধান বন্ধ করে দিতে বললেন লর্ড । হাওয়ার্ড পড়লেন মহা বিপদে। হাওয়ার্ড কাকুতি মিনতি করে এক বছর সময় চেয়ে নিলেন ।
নতুন উদ্যমে মিশর ফিরে এলেন তিনি।
এবং বহু প্রচেষ্টার পরে সফলতা পেলেন।
খবর পাঠালেন লর্ডকে। ব্রিটেন থেকে তিনি এলেন মিশরে। তাঁর উপস্থিতিতে প্রবেশ করা হল মাটির গভীরে। কিছুদূর যাওয়ার পরে হাওয়ার্ড বুঝলেন এ পথে সুদূর অতীতে পা পড়লেও মূল প্রকোষ্ঠ অক্ষত। একসময় সুড়ঙ্গ পথ শেষ হল সেই মূল প্রকোষ্ঠে। যার প্রবেশদ্বারে লিপিবদ্ধ ফ্যারাও তুতানখামেনের নাম! 1922-এর নভেম্বর মাসে একদিন সর্ব প্রথম বিংশ শতকের মানুষের পা পড়ল সেখানে।
এবং বহু প্রচেষ্টার পরে সফলতা পেলেন।
খবর পাঠালেন লর্ডকে। ব্রিটেন থেকে তিনি এলেন মিশরে। তাঁর উপস্থিতিতে প্রবেশ করা হল মাটির গভীরে। কিছুদূর যাওয়ার পরে হাওয়ার্ড বুঝলেন এ পথে সুদূর অতীতে পা পড়লেও মূল প্রকোষ্ঠ অক্ষত। একসময় সুড়ঙ্গ পথ শেষ হল সেই মূল প্রকোষ্ঠে। যার প্রবেশদ্বারে লিপিবদ্ধ ফ্যারাও তুতানখামেনের নাম! 1922-এর নভেম্বর মাসে একদিন সর্ব প্রথম বিংশ শতকের মানুষের পা পড়ল সেখানে।
পাওয়া গেল তিনটি সোনার শবাধার । যার একটিতে ছিল কিশোর রাজা তুতানখামেন মামি | কিন্তু যুগান্তকারী এই আবিষ্কারের সঙ্গে লেগে গেল অভিশাপের তকমা।
সমাধিতে পা রাখার কয়েক মাসের মধ্যে রহস্যমৃত্যু হল লর্ড কারনারভনের । কোনও এক কীট নাকি কামড়েছিল তাঁর গালে | পরে সেই ক্ষতই সংক্রামিত হয়ে যায়। যখন তিনি কায়রোর হাসপাতালে মারা যান, গোটা কায়রো শহরে একসঙ্গে বিদ্যুৎ চলে যায়। এবং লন্ডনে তখনও তাঁর সংবাদ এসে পৌঁছয়নি । যে সময় লর্ডের মৃত্যু হয়, ওই একই সময়ে লন্ডনে হঠাত্ চিৎকার করে ওঠে তাঁর পোষা কুকুর | তারপরেই স্তব্ধ হয়ে যায় পোষ্যটি ।
রহস্য এখানেই শেষ নয়। হাওয়ার্ডের পোষা হলুদ ক্যানারি পাখিটিকে সাপ মেরে ফেলে। যে রেডিওলজিস্ট এক্স-রে করেছিলেন তুতানখামেনের মামির, তিনি রহস্যজনকভাবে মারা যান।
এক ধনী মার্কিনী দেখতে গিয়েছিলেন তুতানখামেনের সমাধি, তিনি মারা যান নিউমোনিয়ায় ।
1922 সালে আবিষ্কার হওয়ার পরে 1929 সালের মধ্যে তুতানখামেনের সমাধি আবিষ্কার-অভিযানের সঙ্গে যুক্তদের মধ্যে 11 জনের মৃত্যু হয় রহস্যময় কারণে । এভাবে একে একে বিভিন্ন সময় মোট
21 জনের মৃত্যু ঘটে যারা জড়িত ছিলেন তুতানখামেনের মমির উদ্ধারকার্যে।
এক ধনী মার্কিনী দেখতে গিয়েছিলেন তুতানখামেনের সমাধি, তিনি মারা যান নিউমোনিয়ায় ।
1922 সালে আবিষ্কার হওয়ার পরে 1929 সালের মধ্যে তুতানখামেনের সমাধি আবিষ্কার-অভিযানের সঙ্গে যুক্তদের মধ্যে 11 জনের মৃত্যু হয় রহস্যময় কারণে । এভাবে একে একে বিভিন্ন সময় মোট
21 জনের মৃত্যু ঘটে যারা জড়িত ছিলেন তুতানখামেনের মমির উদ্ধারকার্যে।
সংবাদমাধ্যমে আলোচিত হতে থাকে প্রাচীন মিশরীয় বচন,
"মৃত্যু তার কাছে ক্ষিপ্র ডানায় উড়ে আসে, যে ফ্যারাওয়ের শান্তি বিঘ্নিত করে "।
অনেকেরই বদ্ধমূল ধারনা হয়, তুতানখামেনের সমাধিতে এই বচন লেখা একটি ফলক ছিল, যা সরিয়ে রাখেন হাওয়ার্ড নিজে। যাতে কোনও গুজব না রটে ।
"মৃত্যু তার কাছে ক্ষিপ্র ডানায় উড়ে আসে, যে ফ্যারাওয়ের শান্তি বিঘ্নিত করে "।
অনেকেরই বদ্ধমূল ধারনা হয়, তুতানখামেনের সমাধিতে এই বচন লেখা একটি ফলক ছিল, যা সরিয়ে রাখেন হাওয়ার্ড নিজে। যাতে কোনও গুজব না রটে ।
কিন্তু যুক্তিবাদীরা এই অভিশাপের দাবি মানতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, তুতানখামেন যদি অভিশাপই দেবেন, তাহলে স্বয়ং আবিষ্কারক হাওয়ার্ড কার্টার রেহাই পেলেন কী করে ? তাঁর তো 64বছর বয়সে স্বাভাবিক মৃত্যুই হয়। এক গবেষক দাবি করেন তুতানখামেনের অভিশাপ কোনো জাদু নয়, জীবাণু। যখন তারা কবরে ঢুকেছিল তখন হাজার বছর পুরানো জীবাণু যা অন্ধকারে ছিল তা আলো পেয়ে আবার জেগে উঠে। এসব জীবাণুর সংক্রমণেই ধীরে ধীরে মারা যায় তারা।
তুতানখামেনের মমি নিয়ে গবেষণা শেষ হয়ে যায় নি। 2017 সালে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী আরও একবার ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ ” নিকোলাস রিভেস” এর তত্ত্ববধানে অভিযান চলবে তুতেনখামেনের সমাধির গোপন ডেরায়। দীর্ঘ ৩৩০০ বছর ধরে লুকিয়ে থাকা তুতানখামেনের সমাধির ভিতর লুকিয়ে থাকা চেম্বারের রহস্য ভেদ করতে তাঁদের এই অভিযান বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ নিকোলাস রিভেস। কী থাকতে পারে এই চেম্বারে? তুতানখামেনের সমাধি নিয়ে এত দিন ধরে নিকোলাস যে গবেষণা চালিয়েছেন, সেখানে সমাধির একটি গুপ্তপথের সূত্র খুঁজে পেয়েছেন তিনি। এই গবেষণা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনি 90 শতাংশ নিশ্চিত, এবারে নতুন কিছু তথ্য হাতে পাবেনই। নিকোলাসের অনুমান তুতেনখামেনের সমাধিতে আরও দুটি গোপন কক্ষ রয়েছে। যার মধ্যে একটি হতে পারে রানি নেফাতিতির সমাধি! খ্রিস্টপূর্ব 1351 থেকে 1334 সাল পর্যন্ত নেফাতিতি মিশরে রাজ করেছিলেন।
তুতানখামেন সমাধির এ রহস্য ভেদ করতে নিকোলাসকে সাহায্য করবে ইতালির তুরিনের একটি পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটি। এবং এর সঙ্গে থাকবে দু’বছর ধরে চালিয়ে যাওয়া অনুসন্ধানকারীর দলও। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে এ গবেষণা কাজ পরিচালিত হবে বলে জানান তুরিনের পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটির পদার্থবিজ্ঞানের প্রফেসর ফ্রাঙ্কো পরসেলি। মাটির তলায় 32 ফুট গভীর পর্যন্ত স্ক্যান করতে পারবে এমন শক্তিশালী রাডার সিস্টেম ব্যবহার করা হবে বলে তিনি জানান। এই রাডারের তরঙ্গায়িত হওয়ার ক্ষমতা 200 মেগা হার্টজ থেকে 2 গিগা হার্টজ পর্যন্ত।
তবে নীল নদের বাসিন্দাদের অনেকের মনে চিন্তা এখন একটাই। যাঁরা বিশ্বাস করেন এই সমাধিতে ঢোকার চেষ্টা করার ফল কখনও ভাল হয়না, তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, তুতানখামেনের সমাধিতে অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে ফের হয়তো আগের মতো কোনও বিভীষিকা ফিরে আসবে না তো! নতুন করে অভিশাপের ছায়া পড়বে না তো মিশরবাসীদের উপর!
<------------আদ্যনাথ ----------->
17/05/2019::08:53:12pm
==================================
টুটানখামুনের সমাধিতে রাণী নেফারতিতির গোপন কুঠুরি
<------------আদ্যনাথ ----------->
17/05/2019::08:53:12pm
==================================
টুটানখামুনের সমাধিতে রাণী নেফারতিতির গোপন কুঠুরি
মিশরের প্রত্নতত্ত্ববিদরা জানিয়েছেন, রাজা টুটানখামুনের সমাধিতে তারা এমন একটি গোপন কুঠুরি থাকার প্রমাণ পাচ্ছেন যেখানে হয়তো রাণী নেফারতিতির কবর ছিল।
সকলের ধারণা যদি সত্যি সত্যি এরকম এক গোপন কুঠুরি খুজে পাওয়া যায় সেটা হবে শতাব্দীর সবচেয়ে বড় আবিস্কার।
লাক্সারের এই অত্যন্ত প্রাচীন স্থানটিতে এখনো খোজ চলছে ।
নীল নদীর তীরে বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী যে সভ্যতা গড়ে উঠেছিল একটা লম্বা সময় ধরে তা শাসন করেছেন রাণী নেফারতিতি এবং তার স্বামী ফারাও আখেনাটেন।
রাণী নেফারতিতি ছিলেন অসম্ভব সুন্দরী।
কারও কারও ধারণা টুটানখামেন হয়তো রাণী নেফারতিতির সন্তান ছিলেন। টুটানখামেনের দেহাবশেষ সেখানে খুঁজে পাওয়া যায় ১৯২২ সালে। এর প্রায় তিন হাজার বছর আগে মাত্র ১৯ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হয়।
==================
লাক্সারের এই অত্যন্ত প্রাচীন স্থানটিতে এখনো খোজ চলছে ।
নীল নদীর তীরে বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধশালী যে সভ্যতা গড়ে উঠেছিল একটা লম্বা সময় ধরে তা শাসন করেছেন রাণী নেফারতিতি এবং তার স্বামী ফারাও আখেনাটেন।
রাণী নেফারতিতি ছিলেন অসম্ভব সুন্দরী।
কারও কারও ধারণা টুটানখামেন হয়তো রাণী নেফারতিতির সন্তান ছিলেন। টুটানখামেনের দেহাবশেষ সেখানে খুঁজে পাওয়া যায় ১৯২২ সালে। এর প্রায় তিন হাজার বছর আগে মাত্র ১৯ বছর বয়সে তার মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হয়।
==================
তুতানখামেন
(খ্রিস্টপূর্ব ১৩৪১ - ১৩২৩) ছিলেন মিশরীয় অষ্টদশ রাজবংশের ফারাও (খ্রিস্টপূর্ব ১৩৩৩ - ১৩২৪)। এই সময়কাল মিশরীয় ইতিহাসে নতুন রাজ্য নামে পরিচিত ছিল।
তার আসল নাম তুতানখাতুন, অর্থ "আতেনের জীবন্ত ছবি", যখন তুতানখামেন অর্থ "আমুনের জীবন্ত ছবি"।
প্রায়ই তুতানখামুনের নাম লেখা হতো "আমেন-তুত-আনখ", শব্দে প্রকাশ করার শুরুতে দেবতার নাম রাখতে কিছু লেখার ব্যবহার করা হতো। এটি সম্ভবত শনাক্ত করা হতো আমারনার চিঠি, নিবহুররেরেয়া-এর সঙ্গে, এবং সম্ভবত অষ্টদশ রাজবংশের রাজা রাথটিসনামের সঙ্গে, যে প্রাচীন ইতিহাসবিদ মানেটনেরমতে, নয় বছর রাজত্ব করেছিলেন (ফ্লাভিউস জোসেফুস মানেটনের ধারনাটির সাথে একমত)। তার জনগণরা তাকে অর্ধেক মানুষ এবং অর্ধেক দেবতা মনে করতো।
কায়রোর মিশরীয় জাদুঘরে তুতানখামেনের মমির মুখোশ, প্রাচীন মিশরের একটি জনপ্রিয় অতূলনীয় ভাস্কর্য। বলা হয় যে, এর মূল্য রত্নের মুকুটের সমান।
তার আসল নাম তুতানখাতুন, অর্থ "আতেনের জীবন্ত ছবি", যখন তুতানখামেন অর্থ "আমুনের জীবন্ত ছবি"।
প্রায়ই তুতানখামুনের নাম লেখা হতো "আমেন-তুত-আনখ", শব্দে প্রকাশ করার শুরুতে দেবতার নাম রাখতে কিছু লেখার ব্যবহার করা হতো। এটি সম্ভবত শনাক্ত করা হতো আমারনার চিঠি, নিবহুররেরেয়া-এর সঙ্গে, এবং সম্ভবত অষ্টদশ রাজবংশের রাজা রাথটিসনামের সঙ্গে, যে প্রাচীন ইতিহাসবিদ মানেটনেরমতে, নয় বছর রাজত্ব করেছিলেন (ফ্লাভিউস জোসেফুস মানেটনের ধারনাটির সাথে একমত)। তার জনগণরা তাকে অর্ধেক মানুষ এবং অর্ধেক দেবতা মনে করতো।
কায়রোর মিশরীয় জাদুঘরে তুতানখামেনের মমির মুখোশ, প্রাচীন মিশরের একটি জনপ্রিয় অতূলনীয় ভাস্কর্য। বলা হয় যে, এর মূল্য রত্নের মুকুটের সমান।
ফারাওরাজত্বখ্রিস্টপূর্ব ১৩৩৩–১৩২৪ (১৮তম রাজবংশ)পূর্ববর্তীস্মেঙ্খকারে? অথবা নেফেরনেফেরুয়াতেন?
সঙ্গীআঙ্খেসেনামুনছেলে-মেয়ে২ (সম্ভবত, উভয় মেয়ে, নামগুলো অজানা)
পিতা আখেনাতেন। মাতা অশনাক্ত মমি, "অল্পবয়সী নারী"জন্মখ্রিস্টপূর্ব ১৩৪১মৃত্যুখ্রিস্টপূর্ব ১৩২৩সমাধিকেভি৬২
পিতা আখেনাতেন। মাতা অশনাক্ত মমি, "অল্পবয়সী নারী"জন্মখ্রিস্টপূর্ব ১৩৪১মৃত্যুখ্রিস্টপূর্ব ১৩২৩সমাধিকেভি৬২
তার খ্যাতি ঢাকা আছে তার কবর দ্বারা, রাজাদের উপত্যকার কেভি৬২, সাধারণত অলঙ্ঘিত, হাওয়ার্ড কার্টার দ্বারা নেতৃত্ব এবং সহায়তাকারী জোজ হেরব্যট এর মধ্যেমে ১৯২২ সালের ৪ঠা নভেম্বর মাসে আবিষ্কার করেছিল তুতানখামুন অস্পৃষ্ট কবর।
তুতানখামেন হঠাৎ মারা গিয়েছিল এবং তার হাড় গুলোতে অনেক ফাটল ছিল। ১৯৬৮ সালে যখন তাকে এক্স রে করা হয় তখন দেখা যায় যে তার মাথার পিছের অংশে আঘাতের চিহ্ন। ২০০২ সালে একদল গবেষোক সিদ্ধাতে পৌছায় যে তাকে হত্যা করা হয়েছে কিন্তু তা প্রমাণ হয়নি।
তুতানখামেন হঠাৎ মারা গিয়েছিল এবং তার হাড় গুলোতে অনেক ফাটল ছিল। ১৯৬৮ সালে যখন তাকে এক্স রে করা হয় তখন দেখা যায় যে তার মাথার পিছের অংশে আঘাতের চিহ্ন। ২০০২ সালে একদল গবেষোক সিদ্ধাতে পৌছায় যে তাকে হত্যা করা হয়েছে কিন্তু তা প্রমাণ হয়নি।
সাম্প্রতিক প্রত্নতাত্ত্বিক আবিষ্কার অনুসারে, তুতানখামেনের বাবা হবে আখেনাতেন। আগে, বিভিন্ন তত্ত্বসমূহ প্রস্তাব করা হয়েছিল তুতানখামেনের অবরোহণ সমস্যার উপর। সহজভাবে, স্মেনখখারা এর পুত্র হিসেবে তাকে দেখেছিল এবং স্মেনখখারা ছিল তেবে তের কোর্টের রাজ কন্যা গুলোর একটা। অন্য একটি ধরা হতো, বাস্তবিকপক্ষে, সে হতো আখেনাটন এবং রানী নেফেরতিতি এর পুত্র ছিল।
অন্য একটি অনুমান, তুতানখামেন আমেনহোতেপ IIIএবং রানী টইয়ি এর পুত্র ছিল (অতএব আখেনাটন এর ভাই) কিন্তু একটি তত্ত্বের গ্রহণযোগ্যতা ও অন্তর্ভুক্ত দীর্ঘ রাজপ্রতিনিধিত করেছিল, আখেনাটন এবং আমেনহোতেপ এর মধ্যে যখন তুতানখামেন বাচ্চা অবস্থায় সিংহাসন উপরে উঠা ছিল। অনুমানও করা হয় যে, আমেনহোতেপ এর পুত্র দেখেছিল এবং মিতান্নী এর একটি রাজ কন্যা (গিলিকিপা, রাজা শুত্তারনা II মেয়ে, তাই তুশ্রাত্তা এবং আরতাশুমারা এর বোন, মিশরীয় কোর্টে আসেছিল ৩১৭ মেয়ে সঙ্গী এবং অসংখ্য মূল্যবান উপহার নিয়ে), সে কালক্রমিক সমস্যার স্মমুখীন হচ্ছিল। পরিশেষে, আরও অনুমান নিশ্চিত করেছিল যে, তুতানখামেন আখেনাটন এবং কিয়া এর পুত্র ছিল, একটি অমুখ্য রানী, একটি গুরুত্বপূর্ণ কবর, একে আখেনাটন কবরের স্থানে আগে দেওয়া হয়েছে, দেরিতে শেষকৃত্যের একটি দৃশ্য দেখায়। আখেনাটন এবং নেফেরতিতি এর আকারের পূর্বে চীনতে পারে (এটা শেষ সনাক্তনীয় উলটানো উচ্চ শম্ভু টুপি জন্য) একটি মহিলার সঙ্গে যে, সম্ভবত একটি সেবিকা এবং একজন ফ্লাবেল্লো বাহকের চিহ্ন যে কিছু রাজ পরিবারের দৃশ্য উল্লেখ করে। দৃশ্যের এক সম্ভব্য ব্যাখ্যা হতে পারে একটি মৃত্যু সংশ্লিষ্টে একটি রাজকীয় উত্তারাধিকারী জন্মে
আমারনীয়ানা এর ধবংস আখেনাটন সম্বন্ধে তথ্যের সমূহের অনেক ক্ষতি প্রান্ত হয়েছে এবং এইটির সম্বন্ধে তত্ত্ব সমূহের একটি অনেক সংখ্যার উন্নতি লাভের অনুমোদন করেছিল। আমারনীনে উৎস হতে যা মনে হয় তা নির্দেশনা করে আঙ্খতখেপেরুরা নামের একটি রাজার অস্তিত্ব যে হতে পারে আখেনাটন এর মেয়ে গুলোর একটা, অথবা অন্যান্যদের মতে, একই স্ত্রী নেফেরতিতি। তুতানখামেনের সরাসরি পূবগামী পুরুষ স্মেনখখারা ছিল, যেটি এখন একটি তত্ত্ব, সাম্প্রতিক আবিস্কার গুলোর ফলে সে সব তত্ত্ব পরিবতন হচ্ছে, নেফেরতিতি এর একটি অবতার পুনরায় দেখতে পছন্দ করবে, যে আখেনাটন এর ভুল সংশোধনকারী হিসেবে রাজত্ব করবে।
যুবক বয়স, এবং সুযোগ ব্যবহার করা প্রয়োজন শুধু "স্বাভাবিক" রাষ্ট্র প্রশাসন হিসাবে নয়, একটি আসল রাজনৈতিক এবং ধর্মীয় পুনরুদ্ধার মাধ্যেমে। একটি যুবক রাজার সাহায্যকারী রাজপতিনিধি পদ পরিষদ নিশ্চিতভাবে দ্বারা গঠন করা হয়েছিল আয়, আখেনাটন এর পূবগামী পুরুষের পরামর্শদাতা (এবং তুতানখামেনের উত্তরসূরী), হোরেমহাব, সেনাবাহিনীর প্রধান, এবং প্রকৃত তত্ত্বাবধায়ক তদারকারী রাজকীয় বৃহৎ কবরস্থান টেবানা: রাজার ভ্যালি। নতুন রাজা সিংহাসনের উঠার সল্প সময়ে পরে সম্পূণ কোর্ট আখেনাটনের রাজধানী ছেড়ে "তেবে" তে ফিরে আসে। এমন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত রাজপতিনিধি পদ পরিষদ গ্রহণ করেছিল অথবা রাজা নিজেই, একটা জিনিষ এক থাকে যে, কারনাক এর নিকটবর্তী যৌগিক মন্দিরের ধর্মযাজকদের আমন এর অধীনে কোর্ট ফিরে এসেছিল। এই পর্যায়কালে তুতানখামেনের নামগুলো পরিবর্তন হয়, এবং নাম নেয় তুতানখামেন যে নামে আমরা সবাই ভাল চিনি, এবং তার স্ত্রী আনাখেছেপাটোন নাম গ্রহণ করেছিল আনাখেছেনামুন।
রাজ্যভিষেক অনুষ্ঠানে, ইতিমধ্যে আখেতাটোন এর পৃষ্ঠপোষকতার দেবতা আটোন এর প্রতিরোধ, কারনাক তেও পুনরাবৃত্তি করা হয়েছিল, এই বার আমনের আরবণ। অনুরুপ প্রতিক্রিয়া ছিল হারেমহাব এর, যদিও পরবতীতে অপব্যবহার ছিল, একটি কঠিন প্রস্তর বিশেষে যেখানে দেখা সম্ভব একটি রাজা যে আমন এর পূর্বে (মাথার টুপি লম্বা পালক গুলোর জন্য চিনা সম্ভব ছিল)।
তুতানখামেনের অভিশাপ
তুতানখামেনের অভিশাপ
তুতানখামেন এখনো সবাইকে মুগ্ধ করে। তার কবর যে ঘরে পাওয়া গিয়েছে তার পাশের ঘরে, যেখানে তার ধন সম্পদ ছিল, সেখানে তার কবর আটকানো জন্য যে সিল মোহর ব্যবহার করা হয়েছিল সে সিল মোহর পাওয়া গিয়েছে এবং তার উপর লেখা ছিল তুতানখামেন। তা আবিস্কার করেছে প্রফেসর হাওয়ার কারটারএবং অন্য গুলোর মধ্যে লেখা ছিল তুতানখামেন। ১১ নভেম্বর ১৯২৫ সালে যখন "হাওয়ার কারটার" তুতানখামেনের কফিনেট খোলে, তার ভিতর আরো তিনটা কফিন সে খুজে পায়। এর মধ্যে দুইটি কফিন কায়রো জাদুঘরে আছে। কবরে ভিতর ৫৩৯৮ টি হাতের কাজ করা জিনিষ পাওয়া গিয়েছে। তার কবর খোজে পাওয়ার আগে সে আমাদের কাছে অপরিচিত ছিল কারণ মিশরে তার কনো চিহ্ন ছিল না। তার কবরের দেওয়ালে আকা ছবি গুলোতে তাকে দেখা য়ায একজন শিকারী হিসেবে, একজন রাজা যুদ্ধের মায়দানে, একজন মানুষ যে তার স্ত্রী সেনামুন এর গভীর প্রেমে পরে ছিল এবং সেনামুন ও। সেনামুন ছিল নেফেরতিতির মেয়ে। তুতানখামেনের হঠা মৃত্যুর কারণ কেউ জানে না। তুতানখামেনের কবর আবার খোলা হয়, কারণ তার মৃত্যুর ১০০০ বছর পরও যে কবর পাওয়া গিয়েছে সে গুলো এই কবরের সাথে সম্পক যুক্ত। নভেম্বর ১৯২২, ব্রিটিশ ভূতাত্ত্বিকবিদ প্রোফেসর হোওয়ারড কাটার আবিষ্কার করেছিল রাজাদের কবর। এই আবিষ্কারটি ছিল অসাধারণ। যখন শ্রমিকরা দামী হাতের কাজ গুলো কবর থেকে উদ্ধার করছিল, তখন তারা কবরকে যে অপবিত্র করেছে তার ফলাফল কি হবে তার ভয় করছিল। তুতানখামেনের কবরে কাজের সময় হোওয়ারড কাটারের সাথে কানারি ছিল। যে দিন হোওয়ারড কাটার এবং কারনামুন তুতানখামেনের কবরে ঢুকে শ্রমিকরা কানারি কে মৃত দেখে। তারা একে শ্রমিকরা ভাল দিক বলে মনে করে। বলা হয় কানারি কোবরা সাপের কামড়ে কারণে মারা গিয়েছিল। কোবরা সাপ হচ্ছে ফেরাউনদের মুখোসের শিখরের প্রতীক। এখান থেকে শুরু হয় তুতানখামেনের অধিশাপ। একজন লন্ডন টাইসএর বক্তব্যকারী ঘোষনা দেয় ফেরাউনের অধিশাপ আঘত করেছে বলে। কাযালীয়ভাবে কবরের কক্ষ খোলার ছয় সপ্তাহ পর লর কারনারভন তার হোটেলের ঘরে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। পরে একে একে মরতে শুরু করেছে যারা কবর খোরার কাজে কোন এক ভাবে জরিত ছিল। কারনারভন এর ভাইয়ের রক্তে বিষ পাওয়া গিয়েছে। আমেরিকার জাইগুদ রেল লাইনের ইম্মানিয়াতে, ফ্রান্সেস জজ বেনেদিত এরা কবর দেখতে গিয়েছিল। এই ভাবে তুতানখামেনের অভিশাপের জন্ম হয়। পরের বছর গুলোতে এর একটি যুক্তি সংগত ব্যাখ্যা দিতে চেয়ে ছিল। সে চিন্তা করেছে তুতানখামেনের অধিশাপের জাদু নয় জীবণু। যখন তারা কবরে ঢুকেছিল তখন হাজার বছর পুরানো জীবণু যা অন্ধকারে ছিল তা আলো পেয়ে আবার জেগে উঠে। এই তত্ত্ব ঠিক কি না তা পরীহ্মা করার জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে জীবণুবিদরা আসেন।
=====================
প্রাচীন মিশরের মানুষ বিশ্বাস করতো মানুষের মৃত্যুর পর আত্মা পুনরায় দেহে ফিরে আসে। তাই সেই দেহ যাতে নষ্ট না হয়ে যায় সে জন্য তারা এক বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করতো। এই বিশেষ পদ্ধতিটিই হলো মমি।
মমি নিয়ে সব জট এখনো পুরোপুরি খোলা যায় নি। অনেক মমি নিয়েই আছে অনেক রহস্যময় কাহিনী। তবে সবচেয়ে বেশি রহস্য যে মমিটিকে ঘিরে আছে তা হলো ফারাও রাজা তুতানখামেনের মমিকে নিয়ে। তার মমিকে যে ই বিরক্ত করবে তার নাকি
মৃত্যু অনিবার্য।
মৃত্যু অনিবার্য।
এই বিশ্বাসটা গাঢ় হওয়ার পিছনে রয়েছে অবিশ্বাস্য কিছু ঘটনা।
মিশরে যে কয়েকজন ফারাও রাজত্ব করেছেন তাদের মাঝে কনিষ্ঠতম শাসক ছিলেন তুতানখামেন।
কিশোর বয়সেই মিশরের সম্রাট হয়ে যাওয়ার
কারনে তাকে নিয়ে অনেক রহস্যের গল্প
শোনা যায়।
মিশরে যে কয়েকজন ফারাও রাজত্ব করেছেন তাদের মাঝে কনিষ্ঠতম শাসক ছিলেন তুতানখামেন।
কিশোর বয়সেই মিশরের সম্রাট হয়ে যাওয়ার
কারনে তাকে নিয়ে অনেক রহস্যের গল্প
শোনা যায়।
খ্রিস্টের জন্মের প্রায় সাড়ে তিন হাজার বছর আগে মিশরের সিংহাসনে ছিলেন ফ্যারাও চতুর্থ আমেনহোটেপ | যিনি পরিচিত আখেনাতেন নামেও | তাঁর এক রানি হলেন সুন্দরী নেফারতিতি | ঐতিহাসিকরা বলেন‚ প্রথমে স্বামীর সঙ্গে যৌথভাবে‚ পরে স্বামীর অবর্তমানে একাই সাম্রাজ্য শাসন করতে থাকেন এই রানি | পুরুষতান্ত্রিক মিশরীয় সমাজে তিনি রীতি অনুযায়ী পুরুষ-নাম নেন | সেই নাম সম্ভবত নেফারনেফেরয়াতেন বা স্মেনখকারে | রহস্যময় ফ্যারাও নেফারনেফেরয়াতেন বা স্মেনখকারে মিশর শাসন করেন চতুর্থ আমেনহোটেপের পরে এবং তুতানখামেনের আগে | কোনও কোনও ঐতিহাসিক বলেন‚ এই ফ্যারাও আসলে স্বয়ং নেফারতিতি | এই সম্রাজ্ঞীর শাসনে বহু দেবদেবীর অস্তিত্বে বিশ্বাসী মিশর ক্রমশ সরতে থাকে এক দেবতার প্রতি বিশ্বাসে | সেই দেবতা হলেন সূর্যদেবতা |
১২ বছর রাজ্য শাসনের পরে কোথায় যেন মিলিয়ে যান নেফারতিতি | তাঁর মৃত্যু নিয়ে কোনও তথ্য নেই প্রাচীন ইতিহাসে | মনে করা হচ্ছে মৃত্যুর প্রায় ৩৩৪৫ বছর পরে এ বার পাওয়া যেতে চলেছে নেফারতিতির সমাধি | কিশোর রাজা তুতানখামেনের সমাধির উত্তরের দেওয়ালের পিছনে | এই তুতানখামেন ছিলেন চতুর্থ আমেনহোটেপ এবং তাঁর বোনের সন্তান | অর্থাৎ নেফারতিতির সৎ ছেলে |
মিশরবিদ নিকোলাস রিভস নিশ্চিত তুতানখামেনের সমাধি বলে যেটি স্বীকৃত‚ সেতি নির্মিত হয়েছিল রানি নেফারতিতির জন্য | পরে বিমাতার সমাধিতেই তাড়াহুড়ো করে সমাহিত করা হয় তুতানখামেনকে | একই রকম কথা বলেছিলেন তুতানখামেনের সমাধির আবিষ্কারক পুরাতাত্ত্বিক কার্টারও | তাঁর মনে হয়েছিল‚ তুতানখামেনের সমাধি অন্য ফ্যারাওদের সমাধির তুলনায় অনেক ছোট এবং সাদামাটা | তাঁর ধারনা‚ আন-রয়্যাল এই সমাধি পুরুষতান্ত্রিক মিশরে তৈরি হয়েছিল কোনও রানির জন্য | সেই ধারনাকে এখন সমর্থন করছে নতুন আবিষ্কার |
তুতানখামেনার বয়স যখন দশ বছর তখন তিনি রাজ্যের হাল ধরেন। ( খ্রিষ্টপূর্ব ১৩৩২ থেকে ১৩২৩ )সাল পর্যন্ত ছিল তার রাজত্বকাল। তিনি নয় বছর রাজত্ব করে ছিলেন । এই নয় বছর সিংহাসন সামলানোর পর খ্রিস্টপূর্ব ১৩২৩ সালে মাত্র ১৯ বছর বয়সে মৃত্যু হয় ওই তরুণ ফারাওয়ের।
কিন্তু তার মৃত্যু নিয়ে রয়েছে অনেক রহস্য। মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও বিজ্ঞানীরা উদ্ঘাটন করতে পারেননি।
তার মৃত্যু নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানান প্রত্নতত্ত্ববিদের রয়েছে নানান মত। কেউ বা বলেন তাকে খুন করা হয়েছে। কেউ মনে করেন তুতানখামেন সাপের কামড়ে মারা গিয়েছিলেন। কারও মতে ম্যালেরিয়াতে তিনি মারা যান। আবার কেউ কেউ বিশ্বাস করেন, ভারী কিছুতে চাপা পড়ে মারা গিয়েছিলেন এই ফারাও। ১৯২২ সালে তুতানখামেনের মমি আবিষ্কৃত হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে যায় তার মৃত্যু নিয়ে গবেষণা। মমি আবিষ্কারের বেশ কিছুদিন পর একদল বিশেষজ্ঞ জানান যে, যে ছুরি দিয়ে তাকে খুন করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে, সেই ছুরিটি পাওয়া গেছে।
কিন্তু তার মৃত্যু নিয়ে রয়েছে অনেক রহস্য। মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও বিজ্ঞানীরা উদ্ঘাটন করতে পারেননি।
তার মৃত্যু নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানান প্রত্নতত্ত্ববিদের রয়েছে নানান মত। কেউ বা বলেন তাকে খুন করা হয়েছে। কেউ মনে করেন তুতানখামেন সাপের কামড়ে মারা গিয়েছিলেন। কারও মতে ম্যালেরিয়াতে তিনি মারা যান। আবার কেউ কেউ বিশ্বাস করেন, ভারী কিছুতে চাপা পড়ে মারা গিয়েছিলেন এই ফারাও। ১৯২২ সালে তুতানখামেনের মমি আবিষ্কৃত হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে যায় তার মৃত্যু নিয়ে গবেষণা। মমি আবিষ্কারের বেশ কিছুদিন পর একদল বিশেষজ্ঞ জানান যে, যে ছুরি দিয়ে তাকে খুন করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে, সেই ছুরিটি পাওয়া গেছে।
১৯২৫ সালে তুতানখামেনের সমাধি থেকে তার ব্যবহৃত সোনা আর স্ফটিকের হাতল বিশিষ্ট ছুরিটি উদ্ধার হয়। প্রাচীন মিশরে লোহা ছিল দুর্লভ। কিন্তু তুতানখামেনের ছুরির ধারালো অংশটি লোহা, নিকেল আর কোবাল্টের সংমিশ্রণে তৈরি। পরে বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা করে নিশ্চিত হন যে ছুরির ধারালো অংশটি লোহা নয়, আসলে উল্কার অংশ। উল্কাপিন্ডীয় ছোরাটি শুধুই লোভনীয় পর্যায়ের সুন্দরই নয়, বরং এতে মিশরীয় হস্তশিল্পের ছাপ রয়েছে যা থেকে দেখা যায় প্রাচীন মিশরীয় শিল্পীগণ লৌহযুগের অনেক আগেই পৃথিবীতে আগত উল্লাপিন্ডের লোহা ব্যবহার করে এই শিল্পের বিকাশ শুরু করেছিলেন।
যে প্রযুক্তির মাধ্যমে ছুরির উপাদান বিশ্লেষণ করা হয়েছে তা হলো X-ray flurescence Spectroscopy ।
( এই প্রকারের X-ray এমন একটি পরীক্ষা
যার দ্বারা পরীক্ষাধীন নমুনাকে শক্তিপ্রদানের মাধ্যমে উত্তেজিত করা হয়। তারপর সেই উত্তেজিত নমুনার বিভিন্ন পরমাণু বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে শক্তি বিকিরণ করে। যার মাধ্যমে গবেষকগণ একটি নমুনায় অবস্থিত বিভিন্ন ধরনের পরমাণুকে আলাদাভাবে শনাক্ত করতে পারেন। এতে পরীক্ষিত নমুনাটিরও কোনো ধরনের ক্ষতি সাধিত হয় না, ফলে প্রাচীন মূল্যবান বস্তুগুলোকে সুরক্ষিত অবস্থায় পরীক্ষা করা যায় ।)
গবেষকগণ ২০ টি সংরক্ষিত উল্কাপিণ্ডের উপাদানের রেকর্ড বিশ্লেষণ করে, এবং ছুরির উপাদানের সাথে মিলিয়ে দেখে উল্কাপতনের স্থানও নির্ধারণ করে ন , যা প্রাচীন শহরের আলেকজান্দ্রিয়ার কাছাকাছি পশ্চিম দিকে। যদিও তাদের এই উল্কাপিণ্ডটিকে সংগ্রহ করার জন্য কয়েকশ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে সেই নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছাতে হয়েছে। অতএব এমনটা ধারনা করা হয়, যে তাঁরা উল্কাটিকে আকাশে থেকে পরতে এবং খন্ড-বিখন্ড হয়ে যেতে দেখেছেন।
এমনকি সেটি পতিত হবার স্থান গুলিও
স ঠিক নির্ণয় করতে সক্ষম হয়ে ছিল।
( এই প্রকারের X-ray এমন একটি পরীক্ষা
যার দ্বারা পরীক্ষাধীন নমুনাকে শক্তিপ্রদানের মাধ্যমে উত্তেজিত করা হয়। তারপর সেই উত্তেজিত নমুনার বিভিন্ন পরমাণু বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে শক্তি বিকিরণ করে। যার মাধ্যমে গবেষকগণ একটি নমুনায় অবস্থিত বিভিন্ন ধরনের পরমাণুকে আলাদাভাবে শনাক্ত করতে পারেন। এতে পরীক্ষিত নমুনাটিরও কোনো ধরনের ক্ষতি সাধিত হয় না, ফলে প্রাচীন মূল্যবান বস্তুগুলোকে সুরক্ষিত অবস্থায় পরীক্ষা করা যায় ।)
গবেষকগণ ২০ টি সংরক্ষিত উল্কাপিণ্ডের উপাদানের রেকর্ড বিশ্লেষণ করে, এবং ছুরির উপাদানের সাথে মিলিয়ে দেখে উল্কাপতনের স্থানও নির্ধারণ করে ন , যা প্রাচীন শহরের আলেকজান্দ্রিয়ার কাছাকাছি পশ্চিম দিকে। যদিও তাদের এই উল্কাপিণ্ডটিকে সংগ্রহ করার জন্য কয়েকশ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে সেই নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছাতে হয়েছে। অতএব এমনটা ধারনা করা হয়, যে তাঁরা উল্কাটিকে আকাশে থেকে পরতে এবং খন্ড-বিখন্ড হয়ে যেতে দেখেছেন।
এমনকি সেটি পতিত হবার স্থান গুলিও
স ঠিক নির্ণয় করতে সক্ষম হয়ে ছিল।
তুতানখামেনের মমি আবিষ্কারের পর থেকেই সেই মমি নিয়ে মানুষের আগ্রহ বেড়েই
চলেছে । কারণ ব্রিটিশ হাওয়ার্ড কার্টার ও জর্জ হার্বার্ট নামের দুই প্রত্নতত্ত্ববিদের নেতৃত্বে তুতানখামেনের মমি আবিষ্কারের সময় তার সমাধি প্রায় অক্ষত অবস্থায় ছিল। কিন্তু মৃতদেহটি মোটেও অক্ষত ছিল না। মিশরের বেশির ভাগ পিরামিডে থাকা মূল্যবান সম্পত্তি লুঠ হয়ে গেলেও তুতানখামেনের সমাধিতে পাওয়া গিয়েছিল বিপুল সম্পত্তি। নানা গুরুত্বপূর্ণ নথি। মিশর সভ্যতার ইতিহাসে নয়া মোড় ঘুরে যায় তুতানখামেনের মমি আবিষ্কার পর।
এবার আশা যাক অভিশাপের ব্যাপারে। মিশরের অনেকেই বিশ্বাস করেন, তুতানখামেন মমিকে যারা বিরক্ত করবে, তাদের মৃত্যু অনিবার্য । এই বিশ্বাসটা তৈরি হয়েছিল ১৯২২ সালে প্রথম তুতানখামেনের মমি আবিষ্কারের পর থেকে।মমি আবিষ্কারের নেতৃত্বে ছিলেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ হোয়ার্ড কার্টার ও জর্জ হার্বার্ট। এই আবিষ্কারের কয়েকদিন পরেই ঘটে সেই অভিশপ্তময় ঘটনা। জর্জ হার্বার্ট ও কার্টারের নেতৃত্বে যেসব কর্মী এই খননকার্য চালিয়ে ছিলেন, ঘটনাচক্রে তাদের মধ্যে ২১ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটে। এরপর থেকেই এঅঞ্চলের মানুষের মধ্যে অভিশাপের কাহিনীটি প্রচার হতে
থাকে।
চলেছে । কারণ ব্রিটিশ হাওয়ার্ড কার্টার ও জর্জ হার্বার্ট নামের দুই প্রত্নতত্ত্ববিদের নেতৃত্বে তুতানখামেনের মমি আবিষ্কারের সময় তার সমাধি প্রায় অক্ষত অবস্থায় ছিল। কিন্তু মৃতদেহটি মোটেও অক্ষত ছিল না। মিশরের বেশির ভাগ পিরামিডে থাকা মূল্যবান সম্পত্তি লুঠ হয়ে গেলেও তুতানখামেনের সমাধিতে পাওয়া গিয়েছিল বিপুল সম্পত্তি। নানা গুরুত্বপূর্ণ নথি। মিশর সভ্যতার ইতিহাসে নয়া মোড় ঘুরে যায় তুতানখামেনের মমি আবিষ্কার পর।
এবার আশা যাক অভিশাপের ব্যাপারে। মিশরের অনেকেই বিশ্বাস করেন, তুতানখামেন মমিকে যারা বিরক্ত করবে, তাদের মৃত্যু অনিবার্য । এই বিশ্বাসটা তৈরি হয়েছিল ১৯২২ সালে প্রথম তুতানখামেনের মমি আবিষ্কারের পর থেকে।মমি আবিষ্কারের নেতৃত্বে ছিলেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ হোয়ার্ড কার্টার ও জর্জ হার্বার্ট। এই আবিষ্কারের কয়েকদিন পরেই ঘটে সেই অভিশপ্তময় ঘটনা। জর্জ হার্বার্ট ও কার্টারের নেতৃত্বে যেসব কর্মী এই খননকার্য চালিয়ে ছিলেন, ঘটনাচক্রে তাদের মধ্যে ২১ জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটে। এরপর থেকেই এঅঞ্চলের মানুষের মধ্যে অভিশাপের কাহিনীটি প্রচার হতে
থাকে।
কিন্তু দীর্ঘ সন্ধানেও মিলল না কিছুই,। পেলেন না কিছুই। শেষে অনুসন্ধান বন্ধ করে দিতে বললেন লর্ড । হাওয়ার্ড পড়লেন মহা বিপদে। হাওয়ার্ড কাকুতি মিনতি করে এক বছর সময় চেয়ে নিলেন ।
নতুন উদ্যমে মিশর ফিরে এলেন তিনি।
এবং বহু প্রচেষ্টার পরে সফলতা পেলেন।
খবর পাঠালেন লর্ডকে। ব্রিটেন থেকে তিনি এলেন মিশরে। তাঁর উপস্থিতিতে প্রবেশ করা হল মাটির গভীরে। কিছুদূর যাওয়ার পরে হাওয়ার্ড বুঝলেন এ পথে সুদূর অতীতে পা পড়লেও মূল প্রকোষ্ঠ অক্ষত। একসময় সুড়ঙ্গ পথ শেষ হল সেই মূল প্রকোষ্ঠে। যার প্রবেশদ্বারে লিপিবদ্ধ ফ্যারাও তুতানখামেনের নাম! ১৯২২-এর নভেম্বর মাসে একদিন সর্ব প্রথম বিংশ শতকের মানুষের পা পড়ল সেখানে।
এবং বহু প্রচেষ্টার পরে সফলতা পেলেন।
খবর পাঠালেন লর্ডকে। ব্রিটেন থেকে তিনি এলেন মিশরে। তাঁর উপস্থিতিতে প্রবেশ করা হল মাটির গভীরে। কিছুদূর যাওয়ার পরে হাওয়ার্ড বুঝলেন এ পথে সুদূর অতীতে পা পড়লেও মূল প্রকোষ্ঠ অক্ষত। একসময় সুড়ঙ্গ পথ শেষ হল সেই মূল প্রকোষ্ঠে। যার প্রবেশদ্বারে লিপিবদ্ধ ফ্যারাও তুতানখামেনের নাম! ১৯২২-এর নভেম্বর মাসে একদিন সর্ব প্রথম বিংশ শতকের মানুষের পা পড়ল সেখানে।
পাওয়া গেল তিনটি সোনার শবাধার । যার একটিতে ছিল কিশোর রাজা তুতানখামেন মামি | কিন্তু যুগান্তকারী এই আবিষ্কারের সঙ্গে লেগে গেল অভিশাপের তকমা।
সমাধিতে পা রাখার কয়েক মাসের মধ্যে রহস্যমৃত্যু হল লর্ড কারনারভনের । কোনও এক কীট নাকি কামড়েছিল তাঁর গালে | পরে সেই ক্ষতই সংক্রামিত হয়ে যায়। যখন তিনি কায়রোর হাসপাতালে মারা যান, গোটা কায়রো শহরে একসঙ্গে বিদ্যুৎ চলে যায়। এবং লন্ডনে তখনও তাঁর সংবাদ এসে পৌঁছয়নি । যে সময় লর্ডের মৃত্যু হয়, ওই একই সময়ে লন্ডনে হঠাত্ চিৎকার করে ওঠে তাঁর পোষা কুকুর | তারপরেই স্তব্ধ হয়ে যায় পোষ্যটি ।
রহস্য এখানেই শেষ নয়। হাওয়ার্ডের সেই পোষা হলুদ ক্যানারি পাখিটিকে সাপ মেরে ফেলে। যে রেডিওলজিস্ট এক্স-রে করেছিলেন তুতানখামেনের মামির, তিনি রহস্যজনকভাবে মারা যান। এক ধনী মার্কিনী দেখতে গিয়েছিলেন তুতানখামেনের সমাধি, তিনি মারা যান নিউমোনিয়ায় । ১৯২২ সালে আবিষ্কার হওয়ার পরে ১৯২৯ সালের মধ্যে তুতানখামেনের সমাধি আবিষ্কার-অভিযানের সঙ্গে যুক্তদের মধ্যে ১১ জনের মৃত্যু হয় রহস্যময় কারণে । এভাবে একে একে বিভিন্ন সময় মোট ২১ জনের মৃত্যু ঘটে যারা জড়িত ছিলেন তুতানখামেনের মমির উদ্ধারকার্যে।
সংবাদমাধ্যমে আলোচিত হতে থাকে প্রাচীন মিশরীয় বচন, ‘ মৃত্যু তার কাছে ক্ষিপ্র ডানায় উড়ে আসে, যে ফ্যারাওয়ের শান্তি বিঘ্নিত করে । অনেকেরই বদ্ধমূল ধারনা হয়, তুতানখামেনের সমাধিতে এই বচন লেখা একটি ফলক ছিল, যা সরিয়ে রাখেন হাওয়ার্ড নিজে। যাতে কোনও গুজব না রটে ।
কিন্তু যুক্তিবাদীরা এই অভিশাপের দাবি মানতে নারাজ। তাঁদের বক্তব্য, তুতানখামেন যদি অভিশাপই দেবেন, তাহলে স্বয়ং আবিষ্কারক হাওয়ার্ড কার্টার রেহাই পেলেন কী করে ? তাঁর তো ৬৪ বছর বয়সে স্বাভাবিক মৃত্যুই হয়। এক গবেষক দাবি করেন তুতানখামেনের অভিশাপ কোনো জাদু নয়, জীবাণু। যখন তারা কবরে ঢুকেছিল তখন হাজার বছর পুরানো জীবাণু যা অন্ধকারে ছিল তা আলো পেয়ে আবার জেগে উঠে। এসব জীবাণুর সংক্রমণেই ধীরে ধীরে মারা যায় তারা।
তুতানখামেনের মমি নিয়ে গবেষণা শেষ হয়ে যায় নি। ২০১৭ সালে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী আরও একবার ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ ” নিকোলাস রিভেস” এর তত্ত্ববধানে অভিযান চলবে তুতেনখামেনের সমাধির গোপন ডেরায়। দীর্ঘ ৩৩০০ বছর ধরে লুকিয়ে থাকা তুতানখামেনের সমাধির ভিতর লুকিয়ে থাকা চেম্বারের রহস্য ভেদ করতে তাঁদের এই অভিযান বলে জানিয়েছেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ নিকোলাস রিভেস। কী থাকতে পারে এই চেম্বারে? তুতানখামেনের সমাধি নিয়ে এত দিন ধরে নিকোলাস যে গবেষণা চালিয়েছেন, সেখানে সমাধির একটি গুপ্তপথের সূত্র খুঁজে পেয়েছেন তিনি। এই গবেষণা থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তিনি ৯০ শতাংশ নিশ্চিত, এবারে নতুন কিছু তথ্য হাতে পাবেনই। নিকোলাসের অনুমান তুতেনখামেনের সমাধিতে আরও দুটি গোপন কক্ষ রয়েছে। যার মধ্যে একটি হতে পারে রানি নেফাতিতির সমাধি! খ্রিস্টপূর্ব ১৩৫১ থেকে ১৩৩৪ সাল পর্যন্ত নেফাতিতি মিশরে রাজ করেছিলেন।
তুতানখামেন সমাধির এ রহস্য ভেদ করতে নিকোলাসকে সাহায্য করবে ইতালির তুরিনের একটি পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটি। এবং এর সঙ্গে থাকবে দু’বছর ধরে চালিয়ে যাওয়া অনুসন্ধানকারীর দলও। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে এ গবেষণা কাজ পরিচালিত হবে বলে জানান তুরিনের পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটির পদার্থবিজ্ঞানের প্রফেসর ফ্রাঙ্কো পরসেলি। মাটির তলায় ৩২ ফুট গভীর পর্যন্ত স্ক্যান করতে পারবে এমন শক্তিশালী রাডার সিস্টেম ব্যবহার করা হবে বলে তিনি জানান। এই রাডারের তরঙ্গায়িত হওয়ার ক্ষমতা ২০০ মেগা হার্টজ থেকে ২ গিগা হার্টজ পর্যন্ত।
তবে নীল নদের বাসিন্দাদের অনেকের মনে চিন্তা এখন একটাই। যাঁরা বিশ্বাস করেন এই সমাধিতে ঢোকার চেষ্টা করার ফল কখনও ভাল হয়না, তাঁরা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন, তুতানখামেনের সমাধিতে অনুসন্ধান চালাতে গিয়ে ফের ১৯২২ সালের মতো কোনও বিভীষিকা ফিরে আসবে না তো! নতুন করে অভিশাপের ছায়া পড়বে না তো মিশরবাসীদের উপর! বিজ্ঞানমনস্ক চোখ এ সব উড়িয়ে দিলেও, মানুষের বিশ্বাসকে কি অত সহজে টলানো যায়!
রেডার বা ইনফ্রারেড টেস্ট-এর চূড়ান্ত রিপোর্ট এখনও আসেনি | স্ক্যানড ছবি জাপানে পাঠিয়েছেন জাপানি রেডার বিশেষজ্ঞ হিরোকাৎসু ওয়াটানাবে | ফলাফল সামনে এলে ভাবনাচিন্তা করা হবে কী করে প্রবেশ করা যায় ওই গোপন প্রকোষ্ঠে |
<------------আদ্যনাথ ----------->
17/05/2019::08:53:12pm
===============================<------------আদ্যনাথ ----------->
17/05/2019::08:53:12pm
No comments:
Post a Comment