Thursday, April 11, 2019

23>|| মিশর ভ্রমণ ||-=কবিতা +হিন্দি

 
N>|| মিশর ভ্রমণ ||-----( 1 )==কবিতা +হিন্দি
                 <---©-আদ্যনাথ--->
    ( প্রথম পর্ব )

ভ্রমন তো
মনের অতৃপ্ত বাসনার মাঝে,
একটু তৃপ্তি খুঁজে পাওয়া।
একটু আনন্দ উপভোগ করা,
একটু খোলা হওয়ায়,
জিরিয়ে নেওয়া।
আগামী দিনগুলো
সুন্দর করে চলতে
বুকে একটু হওয়া ভরে নেওয়া।

ভ্রমন তো
নিজেকে পূর্ণ উপভোগ করা।
অজানাকে কাছে থেকে জানা।
নিজে প্রকৃতির সাথে মিশে থাকা।
কিছু সময় নিরালায় থাকা।
কিছু নুতন বন্ধু জুটিয়ে নেওয়া।
মনের আবেগ ভাগকরে নেওয়া।
কিছু ভালো লাগা।
কিছু মানিয়ে নেওয়া।
কিছু নুতন কথা বলা।
কিছু নুতন ভাবনা ভাবা।
কিছু স্বপ্ন দেখা।
কিছু সময় হারিয়ে যাওয়া।
কিছু পাওয়া না পাওয়ার
ভাবনায় দোল খাওয়া।
যেটুকু যায় পাওয়া,
সেইটুকু ই স্মৃতি হয়ে থাকা।

আমাদের এমারের ভ্রমন ছিল
খেজুর গাছের ছায়ায় ঘেরা,
নীল নদের শীতল জলে
একটু আদ্র হওয়া।
আসলে নুতন করে
নিজেকে খুঁজে পাওয়া।

রাত ভর জার্নি করে,
ফিরলাম  হয়ে একটু কাহিল,
আট দিন কেটেছে বিরাম হীন।
শুধু মরা মানুষের অবয়ব,
আর স্মৃতি সৌধ দর্শন রাত দিন।

সে এক নুতন অভিজ্ঞতার দিন,
নুতন দেশে নুতন পরিবেশের দিন।
বালুকা ময় বিস্তীর্ণ অঞ্চল,
আবেগে মণ ছিল চঞ্চল।

নীল নদের ক্রজে ভ্রমন,
নুতন অভিজ্ঞতার শিহরণ।
খাবার জল কতটা দামী,
বুঝে নিতে থাকেনি বাকী।

দিনে সূর্যের প্রচণ্ড তাপ,
রাতে শীতের প্রভাব।
বুঝিয়ে দিয়েছে
মরু দেশে বালির প্রভাব।

খেজুর,কলা, মোসম্বীর স্বাদ,
দুর হয়ে যায় সকল অবসাদ।
এতো কষ্টেও মেটে না আশা
চোখ ও মনে জাগে নুতন আশা।

আলেক জেন্দ্রিয়ার পুস্তক ভান্ডার,
তিন ঘণ্টা দেখেও মনে হাঁ হাঁ কার।
দেখলাম রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর,
বিবেকানন্দের সমাদর।
বাদ যায়নি আমাদের রামায়ন,
মহাভারতের সমাদর।

কি বিশাল পুস্তক ভান্ডার।
চোখে না দেখলে
বিশ্বাস করাই যে ভার।
বিশাল পরিসর,
সমগ্র বিশ্বের বইয়ের পাহাড়।

ই-বুকের সংগ্রহ
যেন মনেহয় ই-বুকের সমুদ্র।
চোখে দেখেও বিশ্বাস যেন
মনকে যায় ছড়িয়ে হারায়ে সমুদ্রে।

ভূমধ্য সাগরের ঢেউ অনবরত
করিছে ধৌত,
আলেকজেন্দারের স্মৃতি সৌধ।
এই স্থানেই ছিল পৃথিবীর
সর্ব প্রথম লাইট হাউস টি।
যার স্মৃতি স্মরণেই
নব নির্মিত এই
আলেকজেন্দারের স্মৃতি সৌধ।
নির্মাণ শিল্পের নিখুঁত কারু কার্য,
এও যেন পৃথিবীর এক অত্যাশ্চর্য।

আর সেই ঝুলন্ত বিশাল গির্জা।
ভবতেও অবাক লাগে,
প্রাচীন সেই চারু কলা।
প্রাচীন সেই  ইঞ্জিনিয়ারিং
যা আধুনিক ইঞ্জিনিয়ারিংকেও
হার মানায়।
তাইতো উত্তর আফ্রিকার স্মৃতি,
একবার নাদেখলে চোখে
মনে রয়ে যাবে বাসনা অতৃপ্তি।

ভ্রমণের স্মৃতি
অবসর জীবন যাপনের,
উঠকৃষ্ট ঔষধি ও মনের শক্তি।
নিরালায় বসে আনন্দ স্মৃতি
নিজে উপভোগ করা।
অবসর জীবনের
প্রকৃত আনন্দ নিজে খুঁজে নেওয়া।

        <---©-আদ্যনাথ--->         
     【--anrc--07/04/2019 --】
     【=দুপুর:11:40:22=】
【=কায়রো, মিশর=উত্তর আফ্রিকা=】
                (রায় চৌধুরী)
===========================
         




========================

|| चलनेका तमन्ना ||
                 <--©--आद्यनाथ--->

आपना बोलकर हैं केयां
सारे विश्व ई आपना।
घर छोड़ेथे था बहुत भाबना।
सारे दुनियां हि आपना।
लोग बोलते हैं पागोल
किन्तु पाया नहीं कुछ।
स्वप्ना देखे हैं बहुत
हैं कुछ भावना।
सोमुद्र की लहोर था
था गहराई कि चिंता।
था तो बोहूती भावना।
देखे हैं बहुत स्वप्ना।
नदी बहती हैं आपना पथ चुनके
तमन्ना रखते हैं सागर में मिलने।
हर नदी नहीं पूछते आपना मोंजिल
बिचमे ही बिलिन होजाते हैं धर्तीमे।
वहीं पौंछते है जिसके धारा हैं तेज,
समर्थ पथमे मिला लेति
छोटा बड़ा सारे धारा को साथ अपने में।
पानिका नहीं हैं रंग नहीं आकर,
हैं तो स्रिफ भार अउर प्रमाण।
मनुष्य के स्वभाव भी पानिके समान,
सफलता उनकी हैं जिसका हैं
द्रीढ चेष्टा अउर एकता बल से बलियान।
में तो सामान्य हूं,
हूं मनसे बिर्जेवान।
आगे बरनेका राहो मैं,
सबको करते हैं सम्मान।
विश्व भ्रोमन तमन्ना मनमे
शिखा हैं बहुत शिख आपने।
पूरा करना है अपना स्वप्ना,
कीऊकि सारे दुनियां हि आपना।
चलना ही तो जीबन,
मनमे हैं बहुत भावना,
चलना ही चलना।
      <--©--आद्यनाथ--->
     【--anrc-07/04/2019--】
     【=दुपहर:11:40:22=】
    【= कायरो, मिशर, उत्तर आफ़्रीका=】
           ( राय चौधूरी)
==========================


প্রথম পর্বের পরে একটু হিন্দিতে লিখলাম
এবারে দ্বিতীয় পর্ব লেখার চিন্তা চলছে।
মণ ও মাথাটা এখনো মিশরের পিরামিডে পিরামিডে গুহায় গুহায় খুঁজে চলছে।
মমি গুলো দেখে চলছে।
তাই মণ ও মাথাকে ছেড়ে দিয়েছি,
দেখুক কদিন আরো ভালো করে,
তার পরেই না হয় লিখবো দ্বিতীয় পর্ব।
                                    <---©-আদ্যনাথ--->

No comments:

Post a Comment