Saturday, March 23, 2019

22>||কায়রো মিশর ভ্রমন;:- -|| +--সংক্ষেপে 30/03/2019 To 08/04/2019:::



A>|| কায়রো মিশর ভ্রমন;: ||-+--সংক্ষেপে

<---©-আদ্যনাথ--->

30/03/2019 To 08/04/2019:::--M+B

উত্তর আফ্রিকার আরব দেশ

Enchanting Egypt 7 days 8 night
Cairo-Aswan-Edfu-Luxor-Cairo

========================
কিছু ভ্রমণ=TOUR PROGRAM= মিশরে,

TOUR PROGRAM
আমরা আছি মিশরে,
বেরিয়ে পড়েছি ভ্রমণে।
আছি সকলে মিলে
নীল নদের তীরে।
বিশাল এক হোটেলে,
24 তালা হোটেলে।
এখন রাত্রি 11:30 বাজে
সকলে 6 টায় উঠতে হবে।
ঠাণ্ডায় লেপ মুড়ি দিয়ে
শুয়ে পরি এবারে।
আবার আগামিকাল কথা হবে।
আজ 01/04/2019
April FOOL এর দিনে,
আবার বেরিয়ে পরলাম সকালে।
দুপুরের flight এতে যাব আসওয়ান,মিশরে।
সালাদিনের মসজিদ
তারপরে খাবার খেয়ে।
চললাম CAIRO TO ASWAN by flighi
No SM 303=Time 15:40
ফ্লাইট থেকে নেমে দুপুরের খাবার খেয়ে
গেলাম নীল নদের মাঝে দ্বীপে।
স্পীড বোটে আইসিসির টেম্পল দেখতে।
দুই ঘণ্টার লাইট অ্যান্ড সাউন্ড পোগ্রাম।
ISIS TEMPLE.
Ekhon rat 10:47 kolkatar + 3h 30m
Grand Cruises
Daily tour programs
02/04/2019
WAKE UP=06:00
BREAKFAST=06:00 TO 07:00
AT 07:00=VISIT HIGH DAM-PHILAE
   TEMPLE--NUBIAN VILLAGE
13:00= LUNCH
13:30=SAILING TO KOMOMBO
16:00=TEA TIME ON SUN DECK
17:00=VISIT KOMOMBO TEMPLE
18:00=SAILING TO EDFU
19:00=ORIENTAL DINNER
21:00=GALABIA PARTY
    OVER NIGHT EDFU
BY HOHN
=======================
03/04/2019
WAKE UP=05:00
05:30=VISIT EDFU TEMPLE
            By Horse Riding
           Or by horse Carts
07:45= SAILING TO. LUXOR
On the way very narrow dam
ESNA dam.
BREAKFAST=08:00 TO 09:00
13:00= LUNCH
15:00 to 15:30=TEA TIME ON SUN DECK
16:00= EAST BANK TOUR
       KARNAK TEMPLE ,
     Luxor temple
19:30=ORIENTAL DINNER
21:00=BELLY DANCER SHOW
OVER NIGHT LUXOR.
BY HOHN
======================.==
04/04/2019
WAKE UP=03:45am
Go out for Balloon=04:15am
       5550' ft hight
Back to Cruise= 07:00am
BREAKFAST=08:00 TO 08:30am
Check out Time=08:30am
Laxure East bank =  09:00am
ভ্যালি অফ দা কিং
Lunch at Cruise= 01:00Noon
Banana Irand=  02:00pm
Back to cruise=04:30 pm
For Flight go out for Cairo= 06:17pm
To Hotel at CAIRO=11:00 pm
===========================
After Breakfast go out at 08:00am
Piramid
=====================


===============================

1st day 31/03/2019 Sunday

At 04:20 am
Klo to Abu Dhabi ( EY 255 )
Connecting flight
Abu Dhabi to Cairo ( EY 653 )
Cairo Airport Arrive at 11:45
Then by A/C car to Hotel

Evening --Historic Sound and Light at Pyramid.
----------------------------
2nd day 01/04/2019 Monday

After bf  travel to NILE RIVER CRUISE.
After Lunch --
world famous HIGH DAM UNFINISHED  OBELISK
and awesom PHILAE TEMPLE
devoted Two  Goddess LSIS & HATHOR then

dinner +Night halt at Cruise.
-----------------------------
3rd day 02/04/2019 Tuesday

Sail to KOM OMBO TEMPLE.after bf
two Gods SOBEK & HAERORIS
Sail to EDFU
lunch  then
Visit   BEST-PRESERVED  CULT TEMPLE of Egypt.
The HORUS TEMPLE in EDFU.

Visit NUBIAN VILLAGE.
Afternoon tea on board while sailing to ESNA.

dinner + night halt on cruise.
-----------------------------
4th day 03/04/2029 Wednesday

After breakfast.

G>Sail to LUXOR Visit West Bank
and Excursion to ROYAL CEMETERY for 62 PHARAOHS
VALLEY OF THE KINGS.
G> ভ্যালি অফ দা কিং:
           04/04/2019
প্রাচীন মিশরের সবচেয়ে জনপ্রিয় শহর
লুক্সর এর তীর ঘেঁষে বয়ে চলা নীল নদের পশ্চিম পাশে পাহাড় দিয়ে ঘেরা এলাকার
নামই হলো ‘’ভ্যালী অব কিংস‌”।
এটি একটি উপত্যকা যা মিশরের রাজা ও রাজার পরিষদবর্গের জন্য নির্মাণ করা হয়।
প্রায় ৫০০ বছর পূর্বে এটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
এই উপত্যকায় ৬৩ টি সমাধি ও ১২০ টি প্রকোষ্ঠ আছে ।
রাজকীয় সমাধিটি চমৎকার মিশরীয় পুরাণের কাহিনীর দৃশ্য দিয়ে সাজানো হয়েছে যা দেখে প্রাচীন যুগের বিশ্বাস ও ধর্মানুষ্ঠান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
==================================
G> ভ্যালি অফ দা কিং:
           04/04/2019
প্রাচীন মিশরের সবচেয়ে জনপ্রিয় শহর
লুক্সর এর তীর ঘেঁষে বয়ে চলা নীল নদের পশ্চিম পাশে পাহাড় দিয়ে ঘেরা এলাকার
নামই হলো ‘’ভ্যালী অব কিংস‌”।
এটি একটি উপত্যকা যা মিশরের রাজা ও রাজার পরিষদবর্গের জন্য নির্মাণ করা হয়।
প্রায় ৫০০ বছর পূর্বে এটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
এই উপত্যকায় ৬৩ টি সমাধি ও ১২০ টি প্রকোষ্ঠ আছে ।
রাজকীয় সমাধিটি চমৎকার মিশরীয় পুরাণের কাহিনীর দৃশ্য দিয়ে সাজানো হয়েছে যা দেখে প্রাচীন যুগের বিশ্বাস ও ধর্মানুষ্ঠান সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
এই জায়গা চারিদিকে পাহাড় দিয়ে ঘেরা যার পেছনে নীল নদ ও সামনে মরুভূমি
------------------------************"
=============================


এই জায়গা চারিদিকে পাহাড় দিয়ে ঘেরা যার পেছনে নীল নদ ও সামনে মরুভূমি

Then visit MORTUARY TEMPLE of Queen HATSHEPSUT
which was built by the architects of the New kingdom for
the Pharaoh HATSHEPSUT approx 15th continue B.C.
at EL-DEIR  EL-BAHARI and  colossi of MEMNON.

lunch then afternoon tea during sailing.
Dinner + Night halt on Cruise.

----------------------------
5th day 04/04/2019 Tuesday.

After bf Disembark from cruise.
Then  trassfer to visit KARNAK and LUXOR TEMPLE.

Lunch Local restaurant.

HOT BALLOON ( optional ):
Approx 45 minutes.
unique view of LUXOR.
Monument such as RAMSEUM TEMPLE. HATSHEPSUT TEMPLE
VALLY OF THE KINGS, HABU TEMPLE,
NOBLES TOMBS.VALLEY OF the QUEEN'S, VALLY OF the Workers and
Colossi of MEMNON.
A Panoramue and mervelous view will greet us as we drift above the valleys
and between mountain, fields and River NILE.
at afternoon transfer to Airport to catch flight for Cairo and transfer to Hotel
at Cairo .
then rest and free for marketing ,shopping

Night halt at Hotel
---------------------------------
6th Day  05/04/2019 Friday

After bf at Hotel in Cairo.
(req: personal Guuide)
Accompany to GIZA PLATEAU to
Visit one of the Seven Wonder of ancient world
THE GREAT PYAMIDS  of CHEOPS.
Chephren and Mykerinus famous  SPHINX and VALLY TRMPLE .
 FACING THE GREAT STATUE.

Lunch good quallity local restaurant

 then to EGYPTIAN MUSEUM to discover the Treasurer room
from the Child King TUTANKHAMEN.
 HANGING CHUECH and BEN EZRA SYNAGOGUE.
Then to Islamic Cairo.KHAN EI KHALILI.
Cairo's Old Bazaar and etc.
Night at Hotel.
---------------------------------
7th day 06/04/2019 Saturday

After bf at 7 am from Cairo to ALEXANDRIA 3Hr driveing
Distance.Get a briefing on your day's
itinerary along the way and take a views of the seenery on the
drive towards the MEDITERRANCAN COST

First stop at the ALEXANDERIA NATIONAL MUSEUM
where a series of Exhibits illustrate ALEXANDRIA'S grand
Past from GRAECO-ROMAN times to the Pharaohs.
BYZANTINE EMPIRE. and arrival of Islam.

Visit the CATACOMBS of KOM-EL-SHOQAFA.
Three tiers of underground Burial chamber
 (one of the 7 Wonder of the middle Ages)

Which a unique mixture between different art styles
Egyptians Greek and Roman.
Painted figures and statues bring the ancient world to life
in an underground funereal banquet hall.burial Chambers
and passage way  Sunk into Solid Rock .

Visit POMPEY PILLAR  ( a monolithic 28m pillar
dating back to 3rd century A.D.)
erected on honour of Emperor Diocletion in solid
RED  ASWAN GRANITTE.

The visit the Obeum ( Roman theater )
dating  back to 4th century the fort of
Qaitbay (25th century) at the site of the
ancient Alexandria lighthouse ( Pharos).

Lunch:-- sea food lunch at a local restaurant.

Then visit the library of Alexandrea
( Biblia theca, Alexandrea)
A modern facility that pays tribute to the city
anciant library .
.the elegant Building makes room for 20 million books
and Grant exterior is inseribed with  characters
from 120 different writing systems .

Then trip to Cairo
Night halt at hotel.
------------------------------------
8th day 07/04/3029 Sunday

After bf pack baggage and start for return journey
for sweet home from Cairo International air port .
Flight for Cairo to Abu Dhabi
 ( EY 654) and connecting flight
To Kolkata ( EY 256 ).

The historical tour of Enchanting Egypt .
Comes an end with beautiful
Memory of the land of PHARAOHS.
=================================
================================

Egypt ( Cairo)
Kolkata to Cairo International Airport
Via Doha 5690 km
Travel time=minimum 10hr to 12hr
 11h 50m

মিশর  Egypt
সরকারী নাম মিশর আরব প্রজাতন্ত্র,

উত্তর আফ্রিকারএকটি প্রাচীন রাষ্ট্র।
দেশটির বেশির ভাগ অংশ আফ্রিকাতে অবস্থিত,
কিন্তু এর সবচেয়ে পূর্বের অংশটি, সিনাই উপদ্বীপ।
সিনাই উপদ্বীপ আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে স্থলসেতুর মত কাজ করে।

মিশরের অধিকাংশ এলাকা মরুময়।
নীল নদ দেশটিকে দুইটি অসমান অংশে ভাগ করেছে।
নীল নদের উপত্যকা ও ব-দ্বীপ অঞ্চলেই মিশরের বেশির ভাগ মানুষ বাস করেন।

কায়রো দেশের বৃহত্তম শহর ও রাজধানী

মিশর আরব প্রজাতন্ত্র
মুদ্রা :--মিশরীয় পাউন্ড ( ই জি পি )

রাজধানী এবং বৃহত্তম নগরী কায়রো.
৩০°২′ উত্তর ৩১°১৩′ পূর্ব.

সরকারি ভাষাসমূহ আরবি
সরকারঅর্ধ-রাষ্ট্রপতি প্রজাতন্ত্র

• প্রথম রাজবংশপ্রায় ৩১৫০ BCE
• স্বাধীনতা প্রদান করেছেফেব্রুয়ারি ২৮১৯২২
• প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেছেজুন ১৮ ১৯৫৩
• জাতীয় দিবস২৩শে জুলাই

==================
রহস্যময় মিশর

প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার সর্বাধিক পরিচিত প্রতীকগুলির অন্যতম গিজার পিরামিড।

প্রাচীন মিশর উত্তর আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলের একটি প্রাচীন সভ্যতা।
নীল নদের নিম্নভূমি অঞ্চলে এই সভ্যতা গড়ে ওঠে।
এই অঞ্চলটি বর্তমানে মিশর রাষ্ট্রের অধিগত।

খ্রিষ্টপূর্ব ৩১৫০ অব্দ নাগাদ থম ফারাওয়ের অধীনে উচ্চ ও নিম্ন মিশরের
রাজনৈতিক একীকরণের মাধ্যমে এই সভ্যতা এক সুসংহত রূপ লাভ করে।
এরপর তিন সহস্রাব্দ কাল ধরে চলে প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার বিকাশপর্ব।
প্রাচীন মিশরের ইতিহাস একাধিক স্থায়ী রাজ্য-এর ইতিহাসের
একটি সুশৃঙ্খলিত ধারা।
মধ্যে মধ্যে বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক অস্থিরতার পর্ব দেখা দিয়েছিল।
এই পর্বগুলি অন্তর্বর্তী পর্ব নামে পরিচিত।

নতুন রাজ্যেরসময়কাল এই সভ্যতার চূড়ান্ত বিকাশপর্ব।
এর পরই ধীরে ধীরে মিশরীয় সভ্যতার পতন আরম্ভ হয়।
প্রাচীন মিশরের ইতিহাসের শেষ পবে একাধিক বৈদেশিক শক্তি
মিশর অধিকার করে নেয়।

খ্রিষ্টপূর্ব ৩১ অব্দে আদি রোমান সাম্রাজ্য মিশর অধিকার করে
এই দেশকে একটি রোমান প্রদেশে পরিণত করলে
ফারাওদের শাসন আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হয়।

প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতার সাফল্যের আংশিক উৎস নিহিত রয়েছে
নীল নদ উপত্যকার পরিস্থিতির সঙ্গে এই সভ্যতার
মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতার মধ্যে।

সুপরিচিত বন্যা ও উর্বর উপত্যকার নিয়ন্ত্রিত সেচব্যবস্থার
ফলস্রুতি ছিল উদ্বৃত্ত ফসল।
যা থেকে এই অঞ্চলের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিকাশ ত্বরান্বিত হয়।

এই সম্পদের সাহায্যেই প্রশাসনের সহায়তায় উপত্যকা ও পার্শ্ববর্তী
মরু অঞ্চলে খনিজ পদার্থের উত্তোলন শুরু হয়,
একটি স্বাধীন লিখন পদ্ধতির আদি বিকাশ সম্ভব হয়,
স্থাপনা ও কৃষিজ পণ্যের সুসংহত ব্যবহার শুরু হয়,
পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়
এবং সামরিক বাহিনী বহিঃশত্রুদের পরাজিত করে
মিশরীয় প্রাধান্য স্থাপন করে।
এই সকল কার্যে প্রেরণা জোগানো ও একে সুসংহতরূপে সাধন করা ছিল
উচ্চবিত্ত লিপিকার, ধর্মনেতা ও ফারাওদের অধীনস্থ প্রশাসকবৃন্দের
আমলাতন্ত্রের নিদর্শন।
এঁরা সমগ্র মিশরের জনগণকে একটি বহুব্যাপী ধর্মবিশ্বাসের বন্ধনে
আবদ্ধ করে তাদের সহযোগিতা ও একতাকে সুনিশ্চিত করেছিলেন।

প্রাচীন মিশরীয়দের নানান কৃতিত্বগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য
খনি থেকে অট্টালিকাদি নির্মাণের জন্য পাথর খনন,
সমীক্ষণ ও নির্মাণ কৌশলের দক্ষতা।

এরই ফলস্রুতি ঐতিহাসিক মিশরীয় পিরামিডসমূহ, মন্দির, ওবেলিস্কসমূহ,
মিশরীয় গণিত ব্যবস্থা, একটি ব্যবহারিক ও কার্যকরী চিকিৎসা ব্যবস্থা, সেচব্যবস্থা
ও কৃষি উৎপাদন কৌশল .

প্রথম জাহাজ নির্মাণ,মিশরীয় চীনামাটি ও কাঁচশিল্পবিদ্যা,
একটি নতুন ধারার সাহিত্য এবং বিশ্বের ইতিহাসের প্রাচীনতম
শান্তিচুক্তি ( হিট্টাইটদের সাথে)।

প্রাচীন মিশর এক দীর্ঘস্থায়ী উত্তরাধিকারকে পিছনে ফেলে যায়।
প্রাচীন মিশরের শিল্পকলা ও সাহিত্যের ব্যাপক অনুকৃতি লক্ষিত হয়।
বিশ্বের দূরতম প্রান্তে বয়ে নিয়ে যাওয়া হয় এর পুরাকীর্তিগুলি।
শতাব্দীর পর শতাব্দী প্রাচীন মিশরের পুরাকীর্তিগুলির ধ্বংসাবশেষ
পর্যটক ও লেখকদের কল্পনাশক্তিকে অনুপ্রাণীত করেছে।
আধুনিক যুগের প্রথম ভাগে পুরাকীর্তি ও খননকার্যের প্রতি নতুন করে
মানুষের আগ্রহ জেগে উঠলে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে মিশরের সভ্যতা
সম্পর্কে অনুসন্ধান শুরু হয়।

এর ফলে মিশরীয় সভ্যতার সাংস্কৃতিক উত্তরাধিকারগুলি মিশর
ও বিশ্ববাসীর সম্মুখে নতুন রূপে উপস্থাপিত হয়।
=======================

পর্যটক আকর্ষণ
A>সূয়েজ মিশর
B>=কায়রো, মিশর
C>=কর্ণাক মন্দির, মিশর
D>=আসওয়ান, মিশর
E>=সূদানেমিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায়   
        স্ট্যানলি সেতু
F>=মিশরে আবু সিম্বেল-এর মন্দির
G>=নীল নদে জাহাজ ভ্রমণ
-------------------------------------------
মিশরের পাঁচটি আকর্ষণীয় স্থান।

1>গিজার পিরামিড
2>নীল নদে জাহাজ ভ্রমণ
3>কারনাক ট্যাম্পেল
4>আবু সিম্বেল মন্দির
5>ভ্যালি অফ দা কিং

----------------------------------------------------------

1>. গিজার পিরামিড:

মিশরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান হচ্ছে গিজার পিরামিড
মিশর ভ্রমণ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে যদি গিজার পিরামিড না দেখেন।
প্রাচীন বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের একটি এই পিরামিড।

মিশরের রাজাদের  সমাধিস্থল হচ্ছে এই পিরামিড।
মিশরের ফারাও অর্থাৎ রাজাদের মৃতদেহ মমি করে রাখা আছে
এই পিরামিডের মধ্যে।

কায়রো শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে মরুভূমির মধ্যে নীলনদ বরাবর
গিজার পিরামিড অবস্থিত।

গির্জাতে আছে ৩টি পিরামিড- খুফু, খাফ্রে ও মেংকাউরে পিরামিড।
এই বৃহৎ পিরামিডের সামনে স্ফিংস নামক সেই  বিখ্যাত মূর্তি আছে
যার দেহটি সিংহ এর ও মাথাটি মানুষের।
এটি এক অনন্য নিদর্শন।
-------------------------------------------------------

2>=নীল নদে জাহাজ ভ্রমণ

নীল নদে জাহাজ ভ্রমণ  অবকাশ যাপনের এক সর্বোত্তম পন্থা
নীল নদে জাহাজ ভ্রমণের সহায়তার মাধ্যমই, ইতিহাসের
মিশরীয় মন্দিরগুলি পরিদর্শনের একমাত্র অবলম্বন।

তবে এমনকি আজকের দিনেও,
অত্যাধুনিক বিমানসংস্থাগুলির তুলনায় এগুলিতে অনেক সুবিধা রয়েছে।

জীবনে একবার হলেও এক অনন্য ভ্রমণ অভিজ্ঞতা উপলব্ধি করা যাবে।
এই জন্য অদ্বিতীয় কারণ হল জাহাজভ্রমণ বিকল্পটিকে বেছে নেওয়া,
যেটি যে কোনও কাউকে চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য ও বালিয়াড়ি দেখার
সম্মতি জানাবে, যা এই জাহাজভ্রমণ বা ক্রুজিং ব্যতীত সম্ভব নয়।
এছাড়াও, এই ঐতিহাসিক মিশরে বসবাসকারী মানুষদের কাছে
নীল নদ এক রক্ষাকর্তা স্বরূপ।

নীল নদ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদী।
নীল নদের বুকে বিস্ময়কর জাহাজ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা পর্যটকদের
কাছে দারুণ  ব্যাপার।
নীল নদে জাহাজ ভ্রমণের মাধ্যমেই  ইতিহাসের মিশরীয় মন্দিরগুলি
পরিদর্শনের সুযোগ পাওয়া যায় ।
এই জাহাজ ভ্রমণে চারপাশের প্রাকৃতিক দৃশ্য ও বালিয়াড়ির সৌন্দর্য
সকলকে  বিমোহিত করে।


-----------------------------------------------------

3>=কর্ণাক মন্দির, মিশর  বা  কারনাক ট্যাম্পেল:


এই মন্দিরের শহরটি 2000 বছরেরও বেশি সময় আগে নির্মিত হয়েছিল।
কর্ণাকের মন্দির হল স্থাপত্য-কাঠামো ও বৈশিষ্ট্যের শ্রেণীবিন্যাসে
নির্মিত একটি সুবিশাল ইমারত ভবন।

প্রকৃতপক্ষে, এটি একটি মন্দিরের শহর যা 2000 বছরেরও বেশি আগে নির্মিত হয়েছে।
এই অঞ্চলটি এখনো আধুনিক বিশ্বের বেশ কিছু সবচেয়ে জনপ্রিয় বিস্ময়ের সঙ্গে তুলনা
করা চলে।

কর্ণাক প্রায় 200 একর এলাকায় আবৃত এবং এটি সমস্ত ধর্মীয় ভবনগুলির
জন্মদাত্রী। 4,000 বছরেরও বেশী সময় ধরে এটি তীর্থ স্থান।


মিশরের অনেক আকর্ষণীয় মন্দির গুলোর মধ্যে কারনাক মন্দির সবচেয়ে প্রাচীন।
কারনাক মন্দিরটি প্রাচীন বৃহত্তম ধর্মীয় স্থাপনা।
এটি মূলত একটি মন্দিরের শহর যা ২০০০ বছরেরও বেশি আগে নির্মিত হয়েছে।
এটি বিশ্বের  সবচেয়ে জনপ্রিয় বিস্ময়গুলোর একটি।
কারনাক  প্রায় ২০০ একর এলাকা নিয়ে বিস্তৃত।
৪০০০ বছরেরও বেশী সময় ধরে এটি তীর্থযাত্রার স্থান ছিল।
এখন এটি  একটি অনন্য পর্যটনস্থল।
------------------------------------------------------
4>. আবু সিম্বেল মন্দির:

মিশরের অন্যতম পর্যটন আকর্ষণ আবু সিম্বেল মন্দির
মিশরের দক্ষিণাঞ্চলে লেক নাসের এর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
এটি একটি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
এই মন্দির “নূবিয়ান মনুমেন্ট” নামেও  পরিচিত।

 দুটি বিশাল আকৃতির পাথর কেটে এই মন্দির নির্মাণ করা হয়েছে।
 ১৩’শ শতকে এই জোড়া মন্দিরটি ফারাও রাজা রামেসেসের দ্যা গ্রেট
নিজের ও তার স্ত্রী নেফারতারির সমাধির জন্য নির্মাণ করেছিলেন।
এটি ইউনেস্কো দ্বারা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান রূপে ঘোষিত হয়েছে।
এই মন্দির দেখার জন্য প্রচুর পর্যটকদের সমাগম ঘটে এখানে।

মিশরের আবু সিম্বেলের মন্দির আবু সিম্বেল, মিশর
দক্ষিণ মিশরে অবস্থিত আবু সিম্বেল হল একটি গ্রাম, যা দু’টি আবু সিম্বেল
মন্দিরের আবাসস্থল।

এগুলি প্রস্তর দ্বারা নির্মিত এবং লেক নাশেরের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
স্থানটি ইউনেস্কো দ্বারা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান রূপে ঘোষিত হয়েছে এবং
এটি “নূবিয়ান মনুমেন্ট” নামে পরিচিত।

এর ঐতিহাসিক তাৎপর্য্য এবং আসওয়ান উচ্চ বাঁধের নির্মাণকার্য থেকে
ক্রমবর্ধমান জলস্রোতের দ্বারা আসন্ন ভয়াবহতার দরুণ ইউনেস্কো তাদের
অপসারণ ও পুর্ননির্মাণের জন্য একটি কর্মসূচীর প্রস্তাব উত্থাপণ করেছে।
এই ক্রিয়াকলাপ 1964 ।
-----------------------------------------------------
5> ভ্যালি অফ দা কিং:

প্রাচীন মিশরের সবচেয়ে জনপ্রিয় শহর লুক্সর এর তীর ঘেঁষে
বয়ে চলা নীল নদের পশ্চিম পাশে পাহাড় দিয়ে ঘেরা এলাকার
নামই হলো ‘’ভ্যালী অব কিংস‌”।

এটি একটি উপত্যকা যা মিশরের রাজা ও রাজার পরিষদবর্গের জন্য
নির্মাণ করা হয়।
প্রায় ৫০০ বছর পূর্বে এটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
এই উপত্যকায় ৬৩ টি সমাধি ও ১২০ টি প্রকোষ্ঠ আছে ।

রাজকীয় সমাধিটি চমৎকার মিশরীয় পুরাণের কাহিনীর দৃশ্য
দিয়ে সাজানো হয়েছে যা দেখে প্রাচীন যুগের বিশ্বাস ও ধর্মানুষ্ঠান
সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
এই জায়গা চারিদিকে পাহাড় দিয়ে ঘেরা যার পেছনে নীল নদ ও সামনে মরুভূমি
===============================

A>=সূয়েজ মিশর

মিশরের সূয়েজ খাল বা ক্যানেল
কখনও কখনও ভারতের মহাসড়ক হিসাবেও অভিহিত
সূয়েজ খাল হল ইউরোপ, আফ্রিকা ও এশিয়ার সংযোগ সূ্ত্র,
যা ভূমধ্য সাগর এবং লোহিত সাগরকে সংযুক্ত করেছে।

একটি মনুষ্য-সৃষ্ট জলপথ, এই খাল বা ক্যানেলটি হল
একটি চিত্তাকর্ষক প্রাকৌশলিক বা ইঞ্জিনিয়ারিং কার্যকলাপ,
যা 1869 সালে তার সূচনার পর থেকেই আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পথকে সুগম করেছে।

এই খালটির নির্মাণকার্যে প্রায় $ 100 মিলিয়ন অর্থ ব্যয় করা হয়েছিল।
এই একক-নির্দেশিত পথের খালটি দু’টি অতিবাহিত এলাকায় বৈশিষ্ট্যগত রয়েছে

-------------------------------------------------------

A>=কায়রো, মিশর

কায়রো হল মিশরের এক বৃহত্তম শহর কায়রো-কে প্রাচীনত্ব এবং আধুনিক
মিশরের আমূল ভান্ডার হিসাবে বর্ণনা করা যেতে পারে।
তার আধুনিক অবকাঠামোর সঙ্গে অতীতের মিনারগুলির এক নিখুঁত মিশ্রণ।
কায়রোর মাধ্যমে যাত্রা বাস্তবিকভাবেই এক সময় সাপেক্ষ যাত্রা।

কায়রোতে প্রস্তাবনার প্রচুর কিছু রয়েছে, যা এই শহর অনুসন্ধানে সপ্তাহও
কাটিয়ে দিতে পারেন।
“এক হাজার মিনারের শহর” হিসাবে পরিচিত
কায়রো- ফ্যারাও, গ্রীক, ব্যাবিলয়ন এবং রোমানদের আবাসস্থল হয়ে রয়েছে,
যারা এই শহরের উপর তাদের অসাধারণ ছাপ রেখে গেছে।
কায়রোয় পরিদর্শনযোগ্য স্থান
-----------------------------------------------------------
A>=কায়রো, মিশর
      31/03/2019 &  04/04/2019 to
06/04/2019
কায়রো হল মিশরের এক বৃহত্তম শহর কায়রো-কে প্রাচীনত্ব এবং আধুনিক
মিশরের আমূল ভান্ডার হিসাবে বর্ণনা করা যেতে পারে।
তার আধুনিক অবকাঠামোর সঙ্গে অতীতের মিনারগুলির এক নিখুঁত মিশ্রণ।
কায়রোর মাধ্যমে যাত্রা বাস্তবিকভাবেই এক সময় সাপেক্ষ যাত্রা।
কায়রোতে প্রস্তাবনার প্রচুর কিছু রয়েছে, যা এই শহর অনুসন্ধানে সপ্তাহও কাটিয়ে দিতে পারেন।
“এক হাজার মিনারের শহর” হিসাবে পরিচিত
কায়রো- ফ্যারাও, গ্রীক, ব্যাবিলয়ন এবং রোমানদের আবাসস্থল হয়ে রয়েছে,
যারা এই শহরের উপর তাদের অসাধারণ ছাপ রেখে গেছে।
কায়রোয় পরিদর্শনযোগ্য স্থান


-------------------------------------------------------


C>=কর্ণাক মন্দির, মিশর  SEE---------( 3 )

-----------------------------------------------------
D>=আসওয়ান, মিশর

আসওয়ান হল মিশরের সবচেয়ে রৌদ্রজ্জ্বল দক্ষিণী শহর
স্বতন্ত্র আফ্রিকান বাতাবরণের সঙ্গে আসওয়ান হল মিশরের সবচেয়ে রৌদ্রোজ্জ্বল
দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর।
নীল উপত্যকায় অবস্থিত শহরটিকে অসাধারণ দেখায়।
আসওয়ান, পায়ে হেঁটে অন্বেষণ করার জন্য যথেষ্ট ছোট;
জীবনের গতি ধীর এবং শিথিল।
সৌক বা স্থানীয় বাজারগুলি মশলা এবং পারফিউমের গন্ধ ও বর্ণে পরিপূর্ণ,
এর সঙ্গে রয়েছে সুন্দর আফ্রিকান হস্তশিল্প, নুবিয়ান হস্তনির্মিত দ্রব্য,
---------------------------------------------------------
 E>=সূদানেমিশরের আলেকজান্দ্রি
           স্ট্যানলি সেতু

মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায় অবস্থিত স্ট্যানলী সেতু 331 খ্রীষ্টপূর্বাব্দে
মহান আলেকজান্ডার দ্বারা প্রবর্তিত আলেকজান্দ্রিয়া, গ্রেইকো-রোমান মিশরের
রাজধানী হয়ে উঠেছিল।
আজকের দিনে, আলেকজান্দ্রিয়া “ভূমধ্য সাগরের মুক্তো” বা
“দ্য পার্ল অফ মেডিটারেনিয়ান” নামে সুপরিচিত রয়েছে এবং
এটি হল মিশরের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর।
একটি বাতাবরণের সঙ্গে এটি মধ্যপ্রাচ্যের তুলনায় ভূমধ্যসাগরীয় হয়ে উঠেছে।
এখানকার সাংস্কৃতিক বহু আকর্ষণ ও ধ্বংসাবশেষের প্রাচুর্য্যতা এই শহরটির
পরিদর্শনকে সুন্দর করে তুলেছে যা তার মহিমান্বিত অতীতের প্রসঙ্গে
ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
এটি এমন একটি শহর, যা অবসর সময়ে
---------------------------------------------------------
F>=মিশরে আবু সিম্বেল-এর মন্দির SEE---( 4 )

------------------------------------------------------
G>=নীল নদে জাহাজ ভ্রমণ    SEE-----( 2 )
                                                                  <---©-আদ্যনাথ--->

============XXX==================
=================================
                               

No comments:

Post a Comment