83>ভ্রমন::-ডুয়ার্স--25/09/2022://Dooars.
25/09/2022 to 30/09/2022=6days
মাথাচুলকা গ্রাম, মেটালি ব্লক,
ভ্রমন শুরু---
মালনদীর পুল পারহয়ে নেওরা নদী পারহয়ে পৌঁছলাম ফর্মে।
নেওড়া ও মাল নদীর সঙ্গমে।
চারিদিক সবুজের মেলা।
কুল কুল করে বয়ে চলেছে নদী মিলিত ধরা।
আমাদের ফার্ম স্টে:---
JGB INTEGRATE GOAT FARM
(A unit of Agrofresh Pvt. Ltd.)
Plot -101, Mathachulka, Bidhnnagar
Matiali,Jalpaiguri, 735206,
Mob 7439304312, 7797619654
Technical Support Provided by
Jalpaiguri Krishi Bigyan Kende
West Bengal University of Animal &
Fishery Sciences.
Ramsai, Jalpaiguri.
The Company Regd. With
SUFAL BANGLA,
Govt. of west Bengal.
আজ দুপুরে খাবার বেশ ভালোই ছিল।
ভাত, গাজর দিয়ে ডাল, আলু ভাজা,পটল ভাজা,বেগুন ভাজা, মাছের মাথা দিয়ে পুঁইশাক,ফুলকপি,এবং আরও নানান সবজি দিয়ে ঘ্যাট, কাতলা মাছের কালিয়া, গাজর,শসা, পিয়াজের স্যালাড,
আচার,পাঁপড়।
বেশ
দুপুরের খাবার খেয়ে বেরিয়ে আসলাম
সওয়া ফেলি মন্দির।
মূর্তি নদীর ব্রিজ। মূর্তি নদী। গরুমারা।
সন্ধায় চা,কফি,পাকোড়া, আলুচপ, সিঙ্গারা।
রাত্রে রুটি,ভাত,সবজি দিয়ে ডাল, আলুপটলের তরকারি, মৌরলামছের ভাজা এবং দেশি মুরগির কষা।
সবিতার জন্য দুই বেলাই দুধ ফল।
27/09/2022 আজ World Tourism day তে আমরা জাদাপাড়া সাফারিতে।
26/9--₹1700 pickup+
27/9--₹----jeep safari
28---₹------fot7 point
29---₹-----restday evening toure
30---₹------Airport
_________________
Total ₹ 16300/=
আমি দিয়েছি
14/09/22 ---₹ 16000/=
26/09/22----₹ 10000/=
01/10/22----₹ 1500/=
------------------------------------
Total-----------₹ 27500/=
01/10/2022 Return(--) ₹584/=গুহবাবু মারফত ফেরত পেলাম।
অতএব ₹27500-- ₹584= ₹26916/=
₹26916 ÷ 2=₹13458/= টাকা
অতএব মাথা পিছু খরচ হয়েছে
₹13458/=
দুই দিকের চাপরা মরির অরণ্যের মধ্য দিয়ে চলেছে হাইওয়ে।
জলঢাকা নদী র ব্রিজ পারকরে
নাগরা কাটা চা বাগান পর করে।
চায়না রিভার ( ফেন্সিটি)
Jadapara safari
No watch tower up and down 30km
28/09/2022 আজ 7 পয়েন্ট।
বাতাবারি, চালসা রোডে, NH 31.
উত্তর বাংলার মসৃণ জাতীয় সড়ক,
বর্ষা শেষের সবুজ অরণ্য।
বিস্তীর্ণ চা বাগান।
চাপরামারি,ও গরুমারা ফরেস্টের ভেতর দিয়ে।
(সকল কিছুই সহজ, সরল, সুন্দর,
যখন আমি কর্মঠ, নিপুণ,সুন্দর।
সকল কিছুই কঠিন হাতের নাগালের বাহিরে,
যখন আমি অলস, ঘুম কাতুরে কুঁড়ে )
পথে চলতে চলতে বনাঞ্চলের পথে চারিদিকে ঘন্টার আওয়াজ মনে হচ্ছে
কেউ ঘন্টা বাজিয়ে পুজোয় ব্যস্ত।
আসলে ওগুলো এক প্রকার ঝি ঝি পোকার আওয়াজ। ওরা ওদের পাখনা নাড়িয়ে এমন আওয়াজ উৎপণ্নকরে।
আমরা চলছি বিন্দুর দিকে।
কলিংপং পৌঁছলাম।
ঝলং পেরিয়ে, পৌঁছলাম
বিন্দুর ড্যামের জলের স্রোত।
তারপোরে ঝাড়লং এর নদীর জলের ধরা অসাধারন অসাধারন।
এবার চললাম সামসিঙ্গের দিকে। তারপরে রকি আইল্যান্ড।
আরও দুটি পয়েন্ট
29/09/2022 Rest day
30/09/2022
বাগডোগড়া এয়ারপোর্টের রাস্থায়--
তিস্তার ব্যারেজ
গজলডোবা বাঁধ
প্রচন্ড গরম,আর ভীষণ রোদের তাপ।
বাঁধের উপর দিয়ে হেটে এগিয়ে যাওয়া বেশ কষ্ট কর।
তবুও দেখার জন্য এসেছি তাই একটু তো দেখতেই হবে।
গজলডোবা বাঁধ স্থাপিত হয়েছে ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দে তিস্তা নদীর উজানে ভারতীয় অংশে। গজলডোবা বাঁধের (ব্যারাজ) মাধ্যমে তিস্তা নদীর নিয়ন্ত্রণ ভারতের হাতে চলে গেছে। ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দে তিস্তা নদীর বাংলাদেশ সীমান্তের ৬০ কিলোমিটার উজানে ভারত সরকার এই বাঁধ নির্মাণ করে। এই বাঁধে ফটক রয়েছে ৫৪টি যা বন্ধ করে তিস্তার মূল প্রবাহ থেকে পানি বিভিন্ন খাতে পুনর্বাহিত করা হয়। প্রধানত তিস্তার পানি তিস্তা-মহানন্দা খালে পুনার্বাহিত করার উদ্দেশ্য নিয়েই এই বাঁধ স্থাপন করা হয়। ২ হাজার ৯১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ তিস্তা-মহানন্দা খালের মাধ্যমে জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার ও মালদহ জেলায় সেচের পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। কার্যত তিস্তার নদীর পানি গজলডোবা বাঁধের মাধ্যমে বিহারের মেচী নদীর দিকে প্রবাহিত করা হচ্ছে। সেখান ফারাক্কার উজানে এই পানি ফুলহার নদের মাধ্যমে পুন:সরবরাহ করা হবে। মেচী নদীতে একটি বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে যার ফলে উত্তরবঙ্গ ও বিহারে ভারতের 'আন্তঃনদী সংযোগ পরিকল্পনা' সম্পূর্ণ হবে।
=====================
◆ || tour to ডুয়ার্স ভ্রমন ||=full
|| ডুয়ার্স ভ্রমন ||=full
25/09/2022 to 30/09/2022=6days
5 রাত্রি এবং সেপ্টেম্বর 2022 এর শেষ 6 টি দিন ।
JGB Farm Integrated Farm Stay,
Mathachulka (মাথা চুলকা),
Jalpaiguri.
Near Mathachulka Mal and Neora River Side,
Mathachulka, Bidhannagar,
Batabari, Bidhannagar,
Mathachulka, West Bengal
Pin::--735206.
====================
আমরা অর্থাৎ আমি, সবিতা, এবং আমার দুই বন্ধু গুহ বাবু, ও দামবাবু।
আমরা 4 জন প্লান করছি যাবো ডুয়ার্স।
অভয় অরণ্য জলদাপাড়া।
25 সেপ্টেম্বর থেকে 30 সেপ্টেম্বর ছয় দিনের ভ্রমণ।
25/09/2022 to 30/09/2022=6 days
(5 day 5 night)
যাবো আসবো ট্রেনে। আমাদের ট্রেন কাঞ্চন কন্যা এক্সপ্রেস।
25 Sept 2022 Sunday.
Kanchankanya Express -13149 ( Sealdah to Alipur Duar Junction )
Sealdah (SDAH) Starts 20:30
Return on my 30/SEP/2022
FLIGHT --GO FIRST
Economy.---GB-537
By Flight Bagdogra IXB 14:55 to CCU 16:00 NSCB AIRPORT
Terminal-2
Booking ID 220730742430
=========================
★★★ JGB FARM HOUSE::--
PUSHPEN BAIRAGYA. SBI BANK.
A/C NO-31770452121 IFSC-SBIN0011379 SHYAMSUNDAR BRANCH
========================
==============
Starting dt::--25/09/2022 by train
Kanchankanya Express -13149
Sealdah (SDAH) Dip-- 20:30
After (NJP)
New Jalpaiguri (NJP)
abd
Siliguri Junction (SGUJ)
Then---to
21 storage=574 km
New Mal Junction (NMZ) 09:05
2 min
Well come to *JGB Integrated Farm Stay*
*4 PAX (Adult)*
Pickup From New Mal Junction on 26.09.2022=09:05am(Arrival)
*Total Stay*
26.09.2022= (Arrival)
27.09.2022
28.09.2022
29.09.2022
30.09.2022★(Departure)
Bagdogra to Dun Dum air port
*The Charges is Rs. 1250 /Head per day Fooding and Lodging, you will get 2 Non AC Rooms*
*What you get in the packages*
*Breakfast with Tea*
*Lunch (Non Veg)*
*Evening Snacks with Tea*
*Dinner (Non Veg)*
◆◆◆◆◆
Total Calculation is
25/09/2022
Train fair Total ---------------₹ 3917/=
26 to 29/09/2022::------Fooding & lodging.
4 Night X 4 Person
X@ Rs.1250.00--------=₹ 20,000/=
26/09/2022
Stn to JGB F.Stay,=14.8km
Pickup charges = ---------₹1200/=
26/09 to 29/09:--
Local tour & site seen :--as follow:---
26/09/2022::----After lunch ::--
(গ্রাম ছায়া ফেলি,--Lataguri বড়দিঘি চা বাগান,----Murti River,---- চালসা.)
---------------Car fare---------₹ 2000/=
27/09/2022::-- AFTER BF::---
Visit--(ঝালং-- বিন্দু- পেরু ---
জলঢাকা হাইড্র প্রজেক্ট।--রকি আইসল্যান্ড।---সাঁতালেখোলা ---
রকি আইল্যান্ড---লালিগুরাস--
-----------7 পয়েন্ট।)
Return on evening.
Car fare--------------₹ 4000/=
28/09/2022 ::--AFTER BF:-----
Visit to::---
JGB F. stay to Jaldapara=74.5km.
জলদাপাড়া সাফারি-------
@ ₹ 500/-p/h ×4 Head= ₹ 2000/=
Up & Down & Sight seeing::-----
-----------------car fare-------₹ 4400/-
Return on evening.
29/09/2022 AFTER BF::-----
Visit to:;--------
( গোরুবাথান- ভিউ পয়েন্ট।
আপার এবং লোয়ার ফেগু চা বাগান।
লাভা মনাস্ট্রি )
car fare,---------₹ 4000/=
30/09/2022::--After Meal,----
JGB F. stay to Bagdogra
Air port===78.7km.
Car Fare-----------------₹4200/=
Flight Fare,---------------------₹13,192/=
Other Misc a/c---------------₹ 4000/=
--------------------------------------------------
Total For 4 Head ₹ 62,909/=
Say Maximum expenses ₹ 64000/=
==========================
( ট্রেনের রিটার্ন ফেয়ার + ওদের পিকআপ
নিচ্ছি কিন্তু ড্রপের কিছু তো ফেরতহবে।)
=========================
Bagdogrs Air port to CCU.
Dear GO FIRST Flyer, we are delighted to confirm your booking. Your PNR is R7WNMP for your flight G8 - 537 departing on 30 Sep at 1455 hrs from IXB to CCU(Terminal 2). Pls report 2 hrs(Domestic Travel), 3 hrs(International Travel) prior to departure for check-in.
========================
●●●●●●●●●●●●●●●●●●●
যে গুলি দেখার আছে---
sightseeing--
মালবাজার।---চাপরামারি।---লাটাগুড়ি।
--গৌরিপা---গজলডোবা,--বক্সা ফোর্ট,--
-- রাজাভাতখাওয়া,--হাসিমারা,----
----গোঁরবাতান,--সুনতালেখোলা,---
---হনূমান মন্দির,
====================
Nearest Tourist place::----
Forest::---
Gorumara National park.
Chapra Wildlife.
Sanctuary.(অভয়ারণ্য)
BuxarTiger Reserve Forest.
Jaldapara National park.
Jayanti Forest.
Kumal Forest.
Neora Vally National park.
-----------
Village::---
----Rishap, --Lava--Lolegaon.
Laliguras---Gorubathan,--Jhalong,
--Bindu--,Paren,---Rocky Island,--
--Samsing,--Monpong,--Jaigaon,--
---Madarihat,---Coronation Bridge,--
--Lal Jhamela,--Basti,---Batabari,---
--Khyerbari.
-------------
River::----
---Jaldhaka,---Leeash,--Dayna,--
--Mal,---Neora,---Murti,--Kurti,--
--Teesta,---and--Torsha River.
---------
Tea Garden:---
---Damdin,----Bara Dighi,--
---Som Gachhi,--Chalsa,----
---Kalikote,---Nagrakata,----
---Bagrakota,----Hila,---
---Goodricke--and--many more
Tea Estates are available.
◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆
"=======================
EXPENSES-----
Tour to Dooars for 6days
expenses for 4 heads:::----
5 days+5night
●25/09/2022
SDAH TO NMZ New Mal Jn
---Train fare-------------(₹ 3917/-)
● 26/09/2022
Syn to JGB Farm House
---14.8km--------car fare (₹1200/ -)
●4 days sightseeing-- (₹14400/ =)
26/9-----₹ 2000/=|
27/9----₹4000 /= |
28/9-----₹4400 /=|
29/9-----₹ 4000/=|
● Jaldapara Safary --(₹2000/ -)
● 4 days fooding & Lodging
--26 to 29/9---------( ₹20000/ -)
★★30/9 tea + 1meal-----??=
● JGB to Airport car fare (₹4200/-)
● Return Flight fare---( ₹13192/-)
● Others Miss experience -------------------------------------(₹4000/ -)
==========================
Total experience for 4 Head
Approx-----------( ₹ 62,909/ -)
Say -------( ₹ 64000/-) max
₹ 64÷4=₹ 16000/=perhead
==========================
◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆◆
26 শে সেপ্টেম্বর সকাল 9:30 am
Pickup from
নিউ মাল জংশন to Farm house.
After lunch test and go out for
গ্রাম ছয়াফেলী , ওটা গরু মারা জঙ্গলের পিছনে, দেখে নেব, বড়দিঘী চা বাগান, ওখান থেকে চলে যাব মূর্তি নদী, সেখান থেকে চলে যাবো চালসা,
সন্ধ্যেবেলা ফিরে আমাদের এখানে কফি স্নাক্স খেয়ে, একটু রেস্ট নিয়ে, রাতের ডিনার।
27/09/2022:- তারিখ সকালে ব্রেকফাস্ট টিফিন খেয়ে চলে যাবেন, ঝালং, বিন্দু, জলঢাকা hidroproject, পারেন, suntalekhola, রকি আইল্যান্ড, লালিগুরাস, মোট সেভেন পয়েন্ট ঘুরে এখানে আসবেন সন্ধ্যেবেলায়, রাতে ডিনার,
28/09/2022 তারিখ, গাড়ি করে জলদাপাড়া ন্যাশনাল পার্কএ জিপসাপারি করে, সন্ধ্যেবেলায় আমাদের ফার্ম এ ফিরবেন, রাতে এ ডিনার করবেন,
29/09/2022 তারিখ, টিফিন খেয়ে, চলে যাবেন, গরু বাথান, আপার ফাগু, লোয়ার ফাগু, লাভা মনাস্ট্রি, ঘুরে সন্ধ্যেবেলায় আমাদের ফার্মে এসে, চা স্নাকস খেয়ে, রাতে ডিনার করবেন,
30/09/2022 , সকালের টিফিন না করে লাঞ্চ তাড়াতাড়ি করে, গাড়ি করে আপনা দিকে বাগডোগরা এয়ারপোর্ট এ, ড্রপ করে দিয়ে আসবো,
========================
===================
14/09/2022
Paid to Guha Babu ₹16000/-
পুষ্পেন বাবুর একাউন্টে পাঠাবার জন্য
গুহবাবুকে দিলাম।
( দামবাবু বলেছিলেন ₹16711/-টাকা দিতে।
কিন্তু গুহ বাবু বললেন খুচরো পাঠাতে অসুবিধা তাই রাউন্ড ফিগারে ₹16000/-টাকা নিলেন)
26/09/2022 আজকে রাত্রে শঙ্কর ডাকে
দিলাম ₹ 10000/=
অতএব আমি মোট দিলাম ₹16000+₹10000/= ₹ 26000/=+
01/10/2022 ₹ 1500/=
01/10/2022 Return ₹584/=গুহবাবু মারফত ফেরত পেলাম।
===========================
14/10/2022
Dam babuর হিসাব ::--
(গুহা বাবু দিলেন)
Statement of Expenses for North Bengal Tour::===
On 25 the September 2022::--
Train Fare Sealdah to
Mal Jun stn.::----------------₹ 3,916.00
Car Driver's payment
SV2 to SDAH stn--------₹ 500.00
Cancellation charges of
Rly tickets of
Return Journey ::-----------₹795.00
26th Sept.2022::--
Tea during train journey---₹ 90.00
Tips paid on train-------------₹ 50.00
Evening tea----------------------₹ 34.00
27th Sept 2022::---
Evening tea----------------------₹ 155.00
Cost of Jeep Safari
At Madarihat Forest---------₹ 1167.00
Cost of Gate Pass
For Safari-------------------------₹ 848.00
28th September 2022::--
Jeep Charges at Soontale
Khola (syndicate)--------------₹ 300.00
Tea & cold drinks
At Soontale Khola-----------₹ 60.00
Evening tea ( first time)---₹ 100.00
Tea pokora(second time--₹ 290.00
Total Car Charges
of Saheel-----------------------₹ 10,200.00
29th September 2022::---
After noon car charge
For Mal bazar town:------₹ 700.00
Entry ticket at
Mal bazar park---------------₹ 80.00
Snacks, sweet etc
Pandit sweet shop-------₹ 150.00
30th September 2022-----
Tips paid to two person---₹ 1000.00
Air Tickets Baghdoghra
To Dum Dum ------------₹ 13,192.00
Total foodong & lodging
at JGB Farm Stay-------₹ 20,000.00
,Taxi Dum Dum air port
To Shyam Vihar,--------₹ 202.00
===========================
Total----₹ 53,829.00
===========================
অর্থাৎ মাথা পিছু মোট
খরচ --------₹53,829.00 ÷4=
₹13,457.25
আমাদের দুই জনের খরচ
₹13,457.25 ×2=₹ 26,914.50
আমি মোট দিয়েছি--₹ 16000.00 + 10,000.00+ 1500.00=₹27,500.00
₹ 27,500 (--) 26,914.00=
₹ 585.00 আমি ফেরত পেয়েছি।
============================
টুর= পশ্চিমবঙ্গের ডুয়ার্সে।
শরৎকালের ডুয়ার্স অসামান্য রূপসী।
শরৎ=autumn.
★শরৎ=●(ভাদ্র, আশ্বিন )---------
●(মধ্য-আগস্ট থেকে মধ্য-অক্টোবর পর্যন্ত )
সূর্য্য অস্তাচলের পথে পাখিদের চিৎকার আর বুঝতে না পারা কিছু ভাষার ভাসা ভাসা গান ও তালে তালে মাদলের আওয়াজ জানিয়ে দিচ্ছে রাত আসছে
তার অন্ধকারের পাখায় ভর করে।
এই আবছা সন্ধকারে, সরু পায়ে চলা পথ, দুপাশে ঘণ চা গাছের সুন্দর গন্ধ,উঁচু উঁচু গাছে গুলিতে ঝাঁকে ঝাঁকে টিয়াপাখি যেন গাছ গুলো সবুজ করে দিয়েছে।
সে এক অপূর্ব দৃশ্য।
আর এই সুন্দরতার কারনেই ডুয়ার্স সকলের এতো প্রিয়।
সত্যি ডুয়ার্সের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য অপূর্ব,
বিশেষ করে এই শরতের ডুয়ার্স।
মন মাতানো প্রকৃতির শোভা।
শরতের ডুয়ার্ড যেন সৌন্দর্যের ডলি লয়ে বসে থাকে সকল ভ্রমণ বিলাসী দের আপ্যায়নের জন্য বরণ করতে।
পটে
★লাটাগুড়ি::--
★★শরৎকালের ডুয়ার্স অসামান্য রূপসী।
নিশ্চিতভাবে অন্য সব ঋতুর চেয়ে সুন্দরী। উপরে গাঢ় নীল রঙা আকাশ। মনে হয় যেন পটে আঁকা ছবি।
দূরে নীল পাহাড়কে ঘিরে আদিগন্ত
সাদায় সাদা কাশফুল গুলি পাহাড়ি নদীর চড়ায় সুখের শীতল হাওয়ায় দুলছে
হওয়ার তালে তালে।
দূরের কাঞ্চনজঙ্ঘা অপূর্ব সুন্দর ঝলমলে দেখায় এই সময়।
ডাইনে বাঁয়ে চোখ জুড়ানো চায়ের সবুজ ক্ষেত । মেয়ে কুলিরা দলে দলে চা পাতা তুলতে ব্যস্ত। আসে পাশের গেছ গুলি যেমন গামার, সেগুন,খয়ের, শাল, শিমুল, সোনালু বা বাঁদরলাঠি , টুন, চিলাউন, শিশু, সদ্য বর্ষার জলে নুতন জীবন পেয়ে চিরসবুজের পোশাক পরেছে। জঙ্গলে জঙ্গলে চারিদিকের যেদিকে তাকাই শুদু নব যৌবনের বাহারি সবুজের বিস্তার।
এমন সুন্দর কিশলয়ের সৌন্দর্যে প্রাণ মন ভরে যায় আনন্দে।
চারিদিকে চোখ জুড়ানো চায়ের সবুজ।
ট্রেন বা সড়ক যে পথেই হোক লাটাগুড়ি পৌঁছতে পৌঁছতে বেলা হয়ে যায়। ★গরুমারা, ★চাপড়ামারি, ★খুনিয়া, ★চুকচুকি, ★মেদলার গহীন অরণ্য দিনে দিনে দেখে নেওয়ার জন্য লাটাগুড়ি প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র সংলগ্ন বন বিভাগের দপ্তর থেকে পাস নিতে হয়।
১৫ সেপ্টেম্বরের পর থেকে (বৃহস্পতিবার দিন বন্ধ থাকে ) সপ্তাহে 6 দিন সকাল ও বিকেলে অরণ্য সফর করানো হয়।
প্রথম দিন আশপাশটা দেখে নিয়ে পরের দিন জঙ্গলমহলে ভ্রমন করাই ভালো। হাতে সময় থাকলে সেদিনই দেখে নিন ★জল্পেশ শিব মন্দির, ★দোমোহিনী, ★চিকনমাটি, ★খাগরিজান, ★কালামাটি কিংবা ★মহাকালধাম।
★★দ্বিতীয় দিন (গরুমারা)
লাটাগুড়ি থেকে মাত্র ১৪ কিমি।
গোরুমারা জাতীয় উদ্যান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলায় অবস্থিত একটি জাতীয় উদ্যান। উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্স অঞ্চলের জলদাপাড়া-চাপড়ামারি-গোরুমারা রেঞ্জের অন্তর্গত এই জাতীয় উদ্যান। এই বনভূমির আয়তন প্রায় 1,300 বর্গকিলোমিটার। গোরুমারায় হাতি, গণ্ডার, গউর, হরিণ, বুনো শুয়োর, ময়ূর প্রভৃতি পশুপাখি রয়েছে। বনের প্রান্তদেশে রাভা, রাজবংশী, মেচ, কোঁচ, ওঁরাও, মুন্ডা ও টোটো উপজাতি বাস করে। ●গোরুমারার মধ্য দিয়ে ●তিস্তা,●তোর্সা, ●মালঙ্গী, ●জলঢাকা, ●রায়ডাক, ●সঙ্কোষ, ●মূর্তি, ●কালজানি প্রভৃতি নদনদী প্রবাহিত। গোরুমারায় শাল, সেগুন, শিমূল, পলাশ, বহেড়া, পিপল প্রভৃতি গাছ দেখা যায়।
চেকপোস্ট থেকে অরণ্যপথে 5 কিমি গেলে বন বাংলো। কাঠোর এই বাংলো থেকে ইনডং নদী ও আশপাশের জঙ্গল অসাধারণ লাগে। বন বাংলোর পাশেই ★রাইনো পয়েন্ট, গন্ডার দেখার নজরমিনার। 50 প্রজাতির স্তন্যপায়ী, 300 প্রজাতির পাখি, 20 প্রজাতির সরীসৃপ আর 30 রকমের উভচর নিয়ে 80 ( আশি )বর্গ কিমি ব্যাপ্ত গরুমারা অভয়ারণ্য। 1976 সালে অভয়ারণ্য ও 1980তে জাতীয় অরণ্যের শিরোপা পেয়েছে এই বনাঞ্চল। জঙ্গলের ভেতরে আরও দেড় কিমি গভীরে যাত্রাপ্রসাদ নজরমিনার। 1971 সালে আসাম থেকে আনা এক হাতির স্মৃতিতে নজরমিনারের নাম দেওয়া হয়েছে। নিজের জীবন বিপন্ন করেও যাত্রাপ্রসাদ কিছু পর্যটকের জীবন বাঁচিয়েছিল। পাশের ★মূর্তি নদীর ওপারে জঙ্গল। এখান থেকে গণ্ডার, বাইসন না দেখাটাই আশ্চর্যের। কাছেই ★চুকচুকি নজরমিনার ও নিচে★ ‘সল্টলিক’। এখানে নুন চাখতে আসে নানা জানোয়ার। সামনের জলাভূমিতে শীতে ভিড় করে যাযাবর পাখিকূল। এ বনে শাল, সেগুনের সজাগ উপস্থিতি। আছে জিগা, তুন, খয়ের, শিশুর মতো আঞ্চলিক বনজের দলও। গরুমারার গা ঘেঁষা ★রামসাই চা-বাগান লাগোয়া ★কালীপুর ইকো ভিলেজ রিসর্ট। পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। কটেজের চারপাশে বিদ্যুতের বেড়া। অসাধারণ নৈসর্গ।
তৃতীয় দিন (চাপড়ামারি-ঝালং-বিন্দু)
ভোরে চটপট প্রস্তুত হয়ে পারমিট হাতে নিয়ে মহাকালধাম। গরুমারার দিকে না গিয়ে বাতাবাড়ি মোড় থেকে ডানদিক ধরুন। লক্ষ্য চাপড়ামারি। কিছুটা যেতেই হালকা জঙ্গল শুরু হবে। একটু বাদেই চোখে পড়বে স্বচ্ছ জলের মূর্তি নদীর গা ঘেঁষে রয়েছে দারুণ সুন্দর এক বন বাংলো। পরিবেশ ও বাংলো দেখে থাকতে ইচ্ছে হতেই পারে। মূর্তি বাংলোর অপার্থিবতা পেরিয়ে (আট) 8 কিমি গেলে খুনিয়া মোড়। সে মোড় ছাড়াতে আবার শাল, সেগুনের নজরদারি। আরও এগিয়ে বাঁহাতি সরু রাস্তা চলে গেছে চাপড়ামারি বন বাংলো ও নজরমিনারের দিকে। জঙ্গল এখানে ঘন সবুজ। সূর্যের আলোও সেভাবে প্রবেশ করতে পারে না। বাংলোর চারদিকে বৈদ্যুতিন তারের বেড়া। বন বাংলোর পেছনের দিকে বনকর্মীদের কোয়ার্টার। 78 রকমের বন্যপ্রাণী আর বিস্তর ঘাসের আয়োজন রয়েছে এই
942 বর্গকিমির অরণ্যে। প্রায় ( আশি)80 রকম ঘাসের মধ্যে বেশ কিছু বিরল প্রজাতির। নানা অর্কিড আর চোখ ধাঁধানো পাখির সমারোহে উজ্জ্বল এই বন্যভূমি হাতিদের দারুণ পছন্দের। তাই যে-কোনও সময় হাতি চলে আসতে পারে। গরুমারা থেকে চামড়ামারি 12 কিমি।
চামড়ামারিকে পেছনে রেখে এবারে চলুন আরও উত্তরে ঝালং-এর দিকে। পথে পড়বে কুমাই, গৈরিবাস। চড়াই বাড়তে বাড়তে উচ্চতম হয়েছে গৈরিবাসে। নিচে ঝালং উপত্যকা। গৈরিবাস থেকে ঝালং
6 কিমি। সবুজের মধ্যে সর্পিল গতির জলঢাকা নদী। জলঢাকা জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র ঘিরেই ঝালং জনপদ। বিশেষ অনুমতি নিয়ে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি দেখে নিতে পারলে অনন্য অভিজ্ঞতার ভাগীদার হতে পারবেন।
এখানকার বন উন্নয়ন নিগমের বাংলোতে না থাকাটা বোকামি।
বাজার পেরিয়ে কিমি দশেক চড়াই ভাঙলে বিন্দু। গোটা পথ ধরে রয়েছে কমলালেবুর বাগান। বিন্দুতে জলঢাকা নদীর ওপরে একটা ব্যারেজ রয়েছে। ব্যারেজের পরেই ভুটানের শুরু। চলে গেছে 6 কিমি দূরে ভুটানের তেন্ডু শহরে। ঝালং থেকে সামান্য গিয়ে রংবু নদীর সেতু পেরিয়ে যে দুটো পথ তার একটি বিন্দু গিয়েছে। অন্য পথে চলে যেতে পারেন প্যারন। প্যারনের উচ্চতা 2550 ফুট। ঝালং থেকে 10 কিমি। এখানে বন উন্নয়ন নিগমের বাংলো রয়েছে। বাংলোর পেছনে পাহাড়ি ঢালে শাল আর ধুপি গাছের জঙ্গল। প্যারন থেকে গোদক কিংবা তারও পরে আরও প্রত্যন্তের বোদে পর্যন্ত গিয়ে ট্রেক করে যাওয়া যেতে পারে তাংতা।
চতুর্থ দিন (চালসা-মেটেলি-সামসিং-রকি আইল্যান্ড-সুনতালেখোলা)
আজকের যাত্রা চালসার দিকে। লাটাগুড়ি থেকে 30 কিমি। চালসা পেরিয়েই সাপের মতো পাক খেয়ে রাস্তাটা একচোটে প্রায় কয়েকশ ফুট উঠে যাবে। অথচ, এর পরে সমতল। বাঁহাতে অভিজাত সিনক্লিয়ার্স ডুয়ার্স রিট্রিটকে রেখে আরও এগিয়ে গেলে আইভিল, চুলসা, কিলকট, ইংডংদের সঙ্গ পাবেন। ছটফটে কিশোরীর নামের মতো শোনালেও ওরা সবুজ কিছু চা-বাগান। দু’হাতেই। ছোট্ট জনপদ মেটেলির পথ বড় কাব্যময়। মেটেলি থেকে 7 কিমি আর চালসা মোড় থেকে 18 কিমি দূরে সামসিং। নির্জন এক পাহাড়ি গ্রাম। নেপালি ও গোর্খাদের সংখ্যাধিক্য এখানে। সামসিং থেকে নেওড়া উপত্যকার গভীরে যাওয়া যেতে পারে। সবুজের মাঝে এখানকার বন বাংলোটি দারুণ সুন্দর। বাগানঘেরা। সামান্য দূরে পাথুরে এবড়ো-খেবড়ো পথে অ্যাডভেঞ্চার করতে করতে পৌঁছে যান রকি আইল্যান্ড। তাঁবুতে থাকার ব্যবস্থা রয়েছে এখানে। সামসিং থেকে 4 কিমি গিয়ে সুনতালেখোলা। তার আগে ছোট্ট গ্রাম ভারিয়া। খেলনার মতো ছোট্ট কাঠের ঝোলা ব্রিজে পাহাড়ি নদী পেরিয়ে ওপারে গেলে পশ্চিমবঙ্গ বন উন্নয়নি নিগমের অসাধারণ পর্যটক আবাস। চারিদেকে পাহাড়ঘেরা এ এক অদ্ভুত নির্জন জায়গা। আলাপ করার জন্য প্রকৃতি সব সময়ে হাজির। কাছাকাছি ছোটখাটো ট্রেক করার ব্যবস্থাও আছে।
পঞ্চম দিন::---
(জলদাপাড়া-ফুন্টসোলিং-টোটোপাড়া)
(আমরা আসামে দেখেছিলাম কাজিরাঙা
অভয়অরণ্য)
এবার ডুয়ার্স ভ্রমণে দেখবো জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান (আগে ছিল জলদাপাড়া বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য) পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলায় পূর্ব হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত একটি জাতীয় উদ্যান। সমুদ্রপৃষ্ঠ 61 মিটার উচ্চতায় তোর্সা নদীর তীরে অবস্থিত এই অভয়ারণ্যের সামগ্রিক আয়তন 141 বর্গ কিলোমিটার। জলদাপাড়া মূলত নদীকেন্দ্রিক একটি বনাঞ্চলময় সুবিস্তৃত তৃণভূমি। জৈব ও উদ্ভিজ্জ প্রকৃতির বৈচিত্রময় সমাবেশ দেখা যায় এই অভয়ারণ্যে। এগুলির মধ্যে অবলুপ্তপ্রায় একশৃঙ্গ গণ্ডার বিশেষভাবে উল্লেখ্য। এইসব প্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে 1941 সালে জলদাপাড়া একটি অভয়ারণ্য ঘোষিত হয়।
জলদাপাড়া (মাদারিহাট) ও ফুন্টসোলিং।
অরণ্যের 7 কিমি গভীরে হলং পর্যটক আবাসটি এলিট। একদা ভি ভি আই পি-রা ভিড় জমাতেন। জ্যোতি বসুর অত্যন্ত প্রিয় ছিল একসময়। এখন বুকিং মেলে। মূল গেট পেরিয়ে সামান্য এগিয়ে ডানহাতে মিনিট চারেক হাঁটলে মাদারিহাট পর্যটক আবাস। টলটলে জলের★ মালঙ্গী নদীর কাঠের সেতু পেরিয়ে সামান্যই। প্রকৃতিবীক্ষণ কেন্দ্র, ★ছোট্ট চিড়িয়াখানা, অফিস, বনকর্মীদের আবাসন-সহ কাঠের বাংলো। একপাশে বর্গক্ষেত্রাকার মাঠ। মাঠের একধারে ছোট ছোট কটেজ। আশপাশে বন্য অরণ্য। এক শিং-এর গণ্ডারের জন্য খ্যাত জলদাপাড়ার গভীরে আরও অনেক প্রাণীর সঙ্গে দেখা হতে পারে। যখন-তখন উঁকি দেয় ময়ূর। পথ আটকে দাঁড়ায় ভয়াল দাঁতাল। গাছে গাছে দোল খায় বানর। পাখিরা কলতানে ভরিয়ে রাখে চারপাশ। বাংলোর হাতায় ‘হাতি পয়েন্ট’ থেকে হাতির হাওদায় চেপে বেড়িয়ে পড়া যায়। দেখা হয়ে যায় সম্বর, বুনো শুয়োর এবং নিমীলিত নেত্রের রাজকীয় গণ্ডারের সঙ্গে। মাদারিহাট থেকে আধঘন্টার দূরত্বে জয়গাঁ। দু’পাশে ঘন জঙ্গল রেখে 10 কিমি গিয়ে ★তোর্সা ব্রিজ পেরোতেই ★হাসিমারা। তার পর আবার চা-বাগান। মাঝে মাঝে উঁকি দেয় সাদারঙা ফ্যাক্টরি, সাহেব-সাহেব বাংলো, ★কুলি বস্তি। ইচ্ছে করলে গাড়ি থামিয়ে নেমে পড়তে পারেন।
★হলং বনবাংলো, জলদাপাড়া
জয়গাঁ বাসস্ট্যান্ড থেকে 2 কিমির মতো গিয়ে চিত্রবিচিত্র তোরণ পেরোলেই ★ভুটানের ফুন্টসোলিং। পাসপোর্টহীন, কাস্টমসের রক্তচক্ষু ছাড়া এ এক অদ্ভুত বিদেশ সফর। পথে পথে ঘুরে বেড়াচ্ছে ঝলমলে পোশাকের নানান ভুটানি। পুলিসরা সব নীলরঙা, বাড়িঘরের সজ্জায় বৌদ্ধিক স্থাপত্যের ছাপ। পরিবেশটাই অন্যরকম। ★রীতিমতো আধুনিক শহর ফুন্টসোলিং। ওয়েলকাম গ্রুপের অভিজাত ‘হোটেল ড্রুক’ ছাড়াও নানা মানের অসংখ্য হোটেল রয়েছে এখানে। রাজধানী থিম্পু বা পারো শহর যেতে এখান থেকেই যাত্রা শুরু করতে হয়। লাগোয়া জয়গাঁ (ভারত)-তেও থাকতে পারেন। ফুন্টসোলং ঢুকতেই ডানহাতে বাসস্ট্যান্ড, বাঁহাতে বাজার, পার্ক। পার্কের ঠিক মাঝখানে একটি সুন্দর ★প্যাগোডা। আশপাশে নানা দোকান। বাজার পেরিয়ে আরও কিছুটা গেলে ★তোর্সা নদী। এই সময় তেমন জল থাকার কথা নয়। রূপোলি বালি চিকচিক করবে। বাজারে না ঢুকে আরও কিছুটা এগোলে খাড়াই পথের শুরু। ★খারবন্দী পাহাড়কে পেঁচিয়ে রাস্তা গেছে থিম্পু। মসৃণ রাস্তা। কোথাও কোথাও সশব্দে ঝর্না নেমে এসে রাস্তা ডিঙিয়ে চলে গেছে আরও নিচে। এ পথে 4 কিমি গেলে 1500 ফুট উচ্চতার ★গোয়াবাড়ি টিলা।
★ফুন্টসোলিংয়ের গুম্ফা ও চোর্তেন
এখানে রয়েছে সুন্দর গুম্ফা। বুদ্ধদেবের প্রায় তিন মানুষ সমান উঁচু মূর্তিটি দারুণ সুন্দর। মন্দিরময় কারুকাজ। একটু নিচে ছোট ছোট কয়েকটি ★চোর্তেন। গুম্ফা লাগোয়া ছবির মতো সুন্দর রাজপ্রাসাদ। তাতে অবশ্য প্রবেশ নিষেধ। ছুটির দিন হলে নিচে নামার সময় দেখতে পাবেন ভুটানি যুবকেরা জাতীয় পোশাক পরে জাতীয় ক্রীড়া তীরন্দাজি অভ্যাস করছে। অব্যর্থ ওদের হাতের লক্ষ্য। লক্ষ্যভেদ হলে রীতিমতো নেচে নেচে গান করে স্বীকৃতি জানানো হয় তীরন্দাজকে। মাদারিহাট থেকে মাত্রই 20 কিমি দূরে টোটোপাড়া। পৃথিবীর লুপ্তপ্রায় জনজাতির মধ্যে টোটোরাই জনসংখ্যায় সবচেয়ে কম। প্রায় হাজার দেড়েক ফুট উচ্চতার টোটোপাড়া আপনাকে বিরল অভিজ্ঞতার স্বাদ এনে দেবে সন্দেহ নেই। টোটো জনজাতির সংখ্যাবৃদ্ধিতে বদ্ধপরিকর সরকার নানা কর্মসূচী নিয়েছে। সুপারি গাছে ছাওয়া গ্রামে টোটোরা বাঁশে তৈরি খড়ের ঘরে থাকেন। ঘরগুলো মাচার ওপরে। টোটোপাড়ায় প্রচুর কমলালেবু পাওয়া যায়। বনজ আবহাওয়ার পাহাড়ি পরিবেশে একদিনের সফরে টোটোপাড়া এসে আপনার ভাল লাগবেই। মাদারিহাট থেকে ★ফালাকাটার দিকে 10 কিমি গেলে খয়েরবাড়ি পর্যটন কেন্দ্র। ফালাকাটা থেকে 5 কিমি দূরে কুঞ্জনগর ইকো ট্যুরিজম কেন্দ্র।
=====================
=========================
The seasons are defined as
Spring (March, April, May),
Summer (June, July, August), Autumn (September, October, November) and
Winter (December, January, February).
°================================
==================================
|| ডুয়ার্সকে একটু চিনে নেওয়া ||
ডুয়ার্স পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম রাজ্যের সংলগ্ন এলাকায়, পূর্ব হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত। জঙ্গল ও পাহাড়ি পথ,পাহাড়ি গ্রাম, উঁচু নীচু রাস্তা, অভয়ারণ্য সব মিলিয়ে ভারতের একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ডুয়ার্স।
এখানকার অধিবাসীরা বাংলা,নেপালি ও অসমীয়া ভাষাভাষী। হিমালয়ের পাদদেশ তথা সমভূমি ও পর্বত অঞ্চলের মিলনস্থানে ডুয়ার্স এর অবস্থান।
এখানকার প্রধান নদীগুলি হল তিস্তা, তোর্সা, জলঢাকা, মহানন্দা, কলজানি, বালাসন প্রভৃতি। ডুয়ার্স’কথার অর্থ দুয়ার বা দরজা। অর্থাৎ এর অর্থ হল ভুটান সহ গোটা উত্তর পূর্ব ভারতের প্রবেশপথ এই ডুয়ার্স অঞ্চল।
প্রচুর ফরেস্ট,নদী আর পাহাড়ের সংমিশ্রণে প্রায় ১০০টির কাছাকাছি দর্শনীয় স্থান রয়েছে এখানে।
((গরুমারায়-- হাতি,
চাপরামারিতে--- বাইসন বা গাউর,
জলদাপাড়ায় – গণ্ডার —
এই তিন অঞ্চলের তিন প্রধান ))
==========
এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য ছাড়াও রয়েছে ★চাপরামারি, ★গজলডোবা, ★বক্সা টাইগার রিসার্ভ, ★বক্সা ফোর্ট, ★গরুমারা জাতীয় উদ্যান, ★চেলসা, ★জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান, ★রাজাভাতখাওয়া, ★বিন্দু, ★হাসিমারা, ★গোঁরবাতান, ★ঝালং, ★মূর্তি, ★সুনতালেখোলা, ★সামসিং, ★হনূমান মন্দির, ★রকিআইল্যান্ড, ★লালিগুরাস ঘোরা ★ঝালংয়ের মতো চমৎকার কিছু দর্শনীয় স্থান, এবং ★খয়েরবারি, ★লাভা এবং ★রিশপ।
কিছু সংক্ষিপ্ত ভ্রমণ বিবরণ–
উত্তরবঙ্গের ডুয়ার্স । চারটি জঙ্গল –
★গরুমারা, ----★চাপরামারি, -----★জলদাপাড়া আর ----★খয়েরবারি।
দুটি পাহাড়ী এলাকা – ★লাভা আর ★রিশপ,
সঙ্গে আছে বিভিন্ন নদী কেন্দ্রিক স্থান – ★সামসিং,----- --★সুনতালেখোলা, ---★মূর্তি, ----★ঝালং, ---★বিন্দু ।-------সব মিলিয়ে সুন্দর টুরিস্ট প্লেস।
আমাদের যাত্রা শুরু হল শিয়ালদহ থেকে 25 আগস্ট।কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসে, রাত্রি ভর চললো ট্রেন সকালে আমরা নামলাম নিউ ম্যাল স্টেশনে –26 আগস্ট।
==================================
★★. ডুয়ার্সের দর্শনীয় স্থান:--★★
★1.>> গরুমারা ন্যাশনাল পার্ক:
এটি ডুয়ার্সের মালবাজার অঞ্চলে অবস্থিত।গোরুমারা জাতীয় উদ্যান মূলত গন্ডারের জন্য বিখ্যাত।
লাটাগুড়িতে থেকে গরুমারা দেখতে হয়। বনে প্রবেশের জন্য অনুমতি নিতে হয় বন দফতরের লাটাগুড়ি রেঞ্জ অফিস থেকে।
এই উদ্যানে রয়েছে চারিদিকে শাল সেগুনের গাছের ছায়া। এছাড়াও জঙ্গলে রয়েছে প্রচুর পাখি,হাতি,সম্বর ইত্যাদি।
মূলত ডুয়ার্স অঞ্চলের জলদাপাড়া-চাপড়ামারি-গোরুমারা রেঞ্জের অন্তর্গত এই জাতীয় উদ্যান।
এখানে চাইলে জিপ নিয়ে সাফারি করতে পারেন। সাফারি করার সময় ভাগ্য ভালো থাকলে ময়ূর,হরিণ, গন্ডারের দেখা পেতে পারেন।
★2.>>> জলদাপাড়া ন্যাশনাল পার্ক:
জলদাপাড়া একটি জাতীয় উদ্যান যা সেন্ট্রাল ডুয়ার্সে অবস্থিত। এখানে তোর্সা নদীটি জাতীয় উদ্যানের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
এই পার্কটিতে রাজ্যের অন্যতম শিংযুক্ত ভারতীয় গণ্ডার বৃহত্তম জনসংখ্যা রয়েছে।
চিতাবাঘ, সাম্বর, হাতি, হরিণ, বুনো শূকর, দাগযুক্ত হরিণ এবং জলদাপাড়ায় পাওয়া অন্যান্য প্রাণীগুলির মধ্যে কয়েকটি।
এখানকার চিলাপাতা জঙ্গলটিও আকর্ষণীয় জঙ্গল সাফারি করার জন্য।
★3.>>> চাপরামারি অভয়ারণ্য::---
চাপরামারি উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ির অন্তর্গত চালসা এবং লাটাগুড়ি থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত চাপরামারি বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য।
১৯৯৮ সালে কেন্দ্রীয় সরকার এই জঙ্গলকে জাতীয় বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্যের আখ্যা দিয়েছেন। মূর্তি নদীর পাশ দিয়ে এটি গড়ে উঠেছে।
এর কিছুটা দূরেই রয়েছে ওয়াচ টাওয়ার। এখানে রাত কাটাতে চাইলে রয়েছে চাপরামারি বন বাংলো।
এখানে এশীয় হাতি, বাইসন, সম্বর হরিণ, চিতাবাঘ এবং বন্য শুকোর চাপরামারি অভয়ারণ্যের মূল আকর্ষণ।
★4.>>> চালসা গৌরীগাঁও:
লাটাগুরি থেকে ২০ কিমি দূরে অবস্থিত চালসা।একটি শান্ত নিরিবিলি সবুজের হাতছানি।
এখান থেকে ১কিমি দূরে রয়েছে গৌরীগাঁও। চারিদিকে চা বাগান,ও পাহাড়বেষ্টিত স্থান।
★5.>>> বক্সা জাতীয় উদ্যান:
বক্সা জাতীয় উদ্যান ভারত-ভুটান আন্তর্জাতিক সীমান্ত ও সিঞ্চুলা পর্বতমালার কাছে অবস্থিত।
১৯৯৭ সালে রাজ্য সরকার বক্সাকে জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে।বক্সা জাতীয় উদ্যানের মধ্যে রয়েছে বক্সা দুর্গ।
এখানে গেলে আপনি দেখতে পাবেন ৩০০টির ও বেশি গাছ, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি ও বাঘ,হরিণ,বুনো মোষ,পাইথন,হাতি ইত্যাদি।
বক্সা জাতীয় উদ্যানের মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে রায়ডাক ও জয়ন্তী নদী।বক্সা ট্রেকিং এর জন্য জনপ্রিয়।
★6.>>> জয়ন্তী:/ডুয়ার্সের রানী ::--
বক্সা জঙ্গলের ধার ঘেঁষে রয়েছে জয়ন্তী।জয়ন্তীকে ডুয়ার্সের রানী বলা হয়।
চারিদিকে পাহাড় আর জঙ্গলের সমারহ তবে জয়ন্তী থেকে মহাকাল মন্দির পর্যন্ত ট্রেকিং করার সুযোগ রয়েছে।
জয়ন্তী নদীর গা ঘেঁষে ভুটান সীমান্তে পাহাড়ের মাথায় আধ ঘন্টার ট্রেকিং পথে পৌঁছানো যায়।
★7.>>> ঝালং গ্রাম::--
লাটাগুরি চালসা থেকে যেতে পারেন ঝালং গ্রামে।ঝালং এর পাশ দিয়ে বয়ে গেছে জলঢাকা নদী।
ঝালং গ্রামে রয়েছে একটি মনেস্ট্রি।ঝালং থেকে ভুটানের ঝলক দেখা যায়।একটি প্রাইভেট গাড়ি বুক করে ঘুরে আসুন ঝালং,বিন্দু।
জলঢাকা নদীর গা ঘেঁষে রয়েছে তাঁবুর ব্যবস্থা। সেখানেও চাইলে থাকতে পারবেন।
তবে এখানে থাকতে হলে কলকাতা পশ্চিমবঙ্গ বনদপ্তর থেকে তাঁবু বুক করতে হবে।
★8. >>>বিন্দু: চা বাগানের গ্রাম::---
ঝালং গ্রাম হয়ে আপনি যেতে পারেন বিন্দুতে।ভারত ও ভুটান বর্ডার সীমান্তে অবস্থিত বিন্দু।
চা বাগানের গ্রাম এই বিন্দু। বিন্দুতে আছে জলঢাকা জলবিদ্যুৎ ব্যারেজ। ওপারেই রয়েছে ভুটান।
চা বাগান, সবুজ জঙ্গল,ভুটানিয়া মানুষের দেখাও মেলে এই বিন্দু গ্রামে।
★9. >>>সুলতানখোলা:একটি গ্রাম::--
সুলতানখোলা কালিম্পং জেলার অন্তর্গত একটি গ্রাম। ঝুলন্ত ব্রিজ পেরিয়ে সুলতানখোলায় পৌঁছাতে হয়।
এখানে পাহাড়ি ঝর্ণা রয়েছে আর অবশ্যই চারিদিকে সবুজ প্রান্তর।
★10.>>> রকি আইল্যান্ড:
সুলতানখোলা হয়ে সামসিং হয়ে ঘুরে আসতে পারেন রকি আইল্যান্ড থেকে। বড়ো বড়ো পাথরের চাঁই তার মধ্যে দিয়ে বয়ে গেছে মূর্তি নদী।
অসম্ভব সুন্দর এক প্রাকৃতিক দৃশ্যের সৃষ্টি করে যা সামনে থেকে না দেখলে বোঝার উপায় নেই।
তবে বর্ষাকালে এখানে যেতে দেওয়া হয় না কারণ তখন জলের স্রোত প্রবল থাকে তাই বিপজ্জনক কিছুটা।
এছাড়াও যে জায়গাগুলো খুব জনপ্রিয় সেগুলো হলো- সামসিং,গোরুবাথান,খয়েরবাড়ি,ডামাডিম,চেইন খোলা,ফাগু,রসিকবিল,রাজাভাতখাওয়া ইত্যাদি।
°====================
★★ সামসিং--কালী মন্দির::--
সকালে ব্রেকফাস্ট খেয়ে আবার বেরিয়ে পড়া। প্রথম গন্তব্য °★সামসিং।
যাওয়ার পথে একটি কালী মন্দিরের সামনে দাঁড়ানো হল কিছুক্ষণের জন্যে।
★★চালসা আনন্দময়ী কালীবাড়ী। ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত মন্দিরটি বেশ অনেকটা জায়গা জুড়ে ছড়ানো – বোঝাই গেল মাঝে মাঝে বেশ কিছু অনুষ্ঠান হয় এখানে – তখন বেশ ভীড়ও হয় হয়তো। কিন্তু আমরা যখন গেলাম তখন শুধু পুজারী ছাড়া আর বিশেষ কেউ ছিলেন না।
এখান থেকে সামসিং (Samsing) বেশী দূরে নয় – আধ ঘণ্টার রাস্তা। ছোট্ট সুন্দর একটা জায়গা – একসঙ্গে চা বাগান, নদী আর পাহাড়ের সমাবেশ। দুপাশে চা বাগানের মধ্যে দিয়ে গাড়ী এসে দাঁড়াল
★★ভিউ পয়েন্টে;:-
★ভিউ পয়েন্টে – যেখানে রাস্তার একদিকে চা বাগান আর অন্যদিকে বেশ খানিকটা নীচ দিয়ে বয়ে চলেছে★ মূর্তি নদী । আর তার পরেই সবুজ পাহাড়ের রেঞ্জ। একদিকে চা বাগানের নিস্তব্ধতা, অন্য দিকে পাথরের মাঝ দিয়ে বয়ে চলা নদীর গর্জন। একদিকে চা বাগান আর পাহাড়ের সবুজ, অন্যদিকে নদীর পাথরের ধুসরতা। স্থির পাহাড় – চঞ্চল নদী । সব মিলিয়ে ★সামসিং খুব সুন্দর।
★★সামসিং থেকে ভিউ::--
সামসিং থেকে কুড়ি মিনিটের পথ আমাদের পরের গন্তব্য –
★★রকি আইল্যান্ড।::--
এখানেও সেই একই মূর্তি নদী – কিন্তু জায়গাটির রূপ আলাদা। শয়ে শয়ে ছোট বড় পাথর – সেই সব পাথরের ওপর দিয়ে, পাশ দিয়ে, ফাঁক দিয়ে বিভিন্ন ভাবে বয়ে চলেছে মূর্তি। পাথরের বাধায় জল ছিটকে যাচ্ছে চারদিকে, জলের স্রোত সাদা ফেনায় পরিণত হচ্ছে – আর বাধা পেয়ে নদীর জল থেকে গর্জন উঠছে অবিরত। এখানে চা বাগানের স্নিগ্ধতা নেই – আছে ঘন সবুজ পাহাড়ের কোল ঘেঁষে বেরিয়ে আসা নদীর দাপাদাপি। পাথরের ওপর পা ফেলে ফেলে নদীর কাছে পৌঁছতে হয়, সাহসীরা তার পরেও আরও পাথর ভেঙে, জলের ওপর দিয়ে লাফিয়ে চলে যান কোন বড় পাথরের ওপর – তাদের দু পাশ দিয়ে নদী বইতে থাকে – তারা নদীর জলে পা ডুবিয়ে বসে থাকেন, সেলফি তোলেন। সেই মুহূর্তে হয়ত সেই পাথরটাই হয়ে যায় একটা বিচ্ছিন্ন দ্বীপ – যার চারপাশ দিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বয়ে যাচ্ছে মূর্তির জল। পাহাড়ে, পাথরে, জলেতে, ফেনাতে – এক আশ্চর্য জায়গা এই Rocky Island.
★সুনতালেখোলা:----ঝুলন্ত ব্রিজ::---
রকি আইল্যান্ড থেকে (Suntalekhola) – প্রকৃতির খুব কাছাকাছি আর একটি ছবির মত জায়গা। রকি থেকে মিনিট ১৫ এর মধ্যেই পৌঁছে যাওয়া যায় সুনতালেখোলার প্রবেশ দ্বারে।
প্রবেশ দ্বার বলতে বাঁশ দিয়ে আটকানো রাস্তা – তার ওপারে গাড়ী যেতে দেয় না। সেখান থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার হাঁটা পথে পৌঁছতে হয় নদীর কাছে। তবে হাঁটতে না চাইলে সেখান থেকে অন্য গাড়ীও নেওয়া যায় – তারা নদীর কাছে নিয়ে গিয়ে আবার কিছুক্ষণ পরে ফিরিয়ে আনবে। যারা হেঁটে যাবেন – তারা সুন্দর গাছে ঢাকা পাহাড়ী পথে গিয়ে পৌছবেন একটি ঝুলন্ত ব্রিজের কাছে।
★★ঝুলন্ত ব্রিজে:;--। গাড়ীও ছেড়ে দেবে সেই ব্রিজের মুখে। তারপর সেই ব্রিজ পার হওয়ার পালা। একসঙ্গে অনেক লোকের সেই ঝুলন্ত ব্রিজে ওঠা নিষেধ – একজন উঠলেই সেই ব্রিজ দুলে ওঠে। বেশ রোমাঞ্চকর অথচ মজার অনুভুতি। ব্রিজ পেরিয়ে একটু দূর গেলেই বনবিভাগের বাংলো – তাঁরাই রক্ষনাবেক্ষন করেন এই ঝুলন্ত ব্রিজের।
★পাশেই সেই মূর্তি নদী – এখানেও সে পাথরের ফাঁক দিয়ে দিয়েই চলেছে – তবু এখানে তার রূপ একটু আলাদা। পাথর যেন এখানে একটু কম – সবুজ অনেক বেশী। প্রকৃতি এখানে অনেক আদিম – অনেক নির্জন। ঘন গাছগাছালির মাঝে, আলোছায়ার ফাঁকে, পাতা ঝরার শব্দে, নানান পাখির ডাকে, নদীর কলকলে – সুনতালেখোলা এক আশ্চর্য আরণ্যক কানভ্যাস।
এবার আমরা রওনা হলাম
★★লাভা (Lava) হয়ে::-- ★★রিশপের উদ্দেশ্যে----
জঙ্গল থেকে এবারের যাত্রা পাহাড়ের দিকে। ★লাটাগুড়ি থেকে লাভার পথের দৃশ্য অবশ্যই সুন্দর –চা বাগান, নদী, ঝর্না, পাহাড়, পাহাড়ের গায়ে গায়ে ঘুরে ওঠা রাস্তা – সব মিলিয়ে বৈচিত্রে ভরপুর এই যাত্রাপথ।
★★লাটাগুড়ি ছাড়িয়ে মনোরম চা বাগানের মাঝখান দিয়ে আমরা এসে পৌঁছলাম একটি ব্রীজের কাছে – যার তলা দিয়ে পাথর ভাঙতে ভাঙতে ছুটে চলেছে পাহাড়ী নদী ফাফরখেতি।
★★ফাফরখেতি::---আগে নাম শুনিনি – কিন্তু দেখে মন ভরে গেল। একদিকে পাহাড়ী ব্রীজ, আর অন্যদিকে বেশ কিছুটা নীচ দিয়ে পাথরে পাথরে ফেনা তুলে বয়ে চলেছে সেই নদী। নদীর পারে, রাস্তার ওপর একটা পাথরের ওপর একটা ছোট্ট মন্দির।গাড়ী দাঁড়াল অনেকক্ষণ – অনেকে নীচে নেমে চলে গেল – একেবারে সেই নদীর কাছে। আধ ঘণ্টা পর সেই সুন্দর নদী তীর ছেড়ে আবার আমরা এগিয়ে চললাম লাভার দিকে।
★★লাভা::----ছোট সুন্দর শহর ।
ফাফরখেতি নদীর পাড়ে বেশ কিছুক্ষণ পরে আমরা পৌঁছলাম লাভা। সুন্দর জায়গা। চারপাশে সবুজ পাহাড়ের মাঝখানে ছোট সুন্দর শহর ।
উচ্চতা, ( 7হাজার) – সাত হাজার ফিটের ওপরে – অর্থাৎ দার্জিলিঙের চাইতেও উঁচু, প্রায় ঘুমের কাছাকাছি। কিন্তু সে পরিমাণ ঠাণ্ডা কই? আবহাওয়া অত্যন্ত মনোরম – কিন্তু অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহে আর একটু ঠাণ্ডা বোধ হয় আশা করাই যায়। কিন্তু কোন গরম জামা তো কই লাগলো না আমার – সাধারণ পোষাকেই তো দিব্যি চলে গেল।
যাই হোক – লাভার আকর্ষণ সবার কাছে এর শান্ত সৌন্দর্য আর পাহাড়ী প্রকৃতি। আলাদা করে দেখার জায়গা হিসেবে একটি ★লাভা মনাস্ট্রি আর অনেক দূরে একটি ★জলপ্রপাত।
★★লাভা মনাস্ট্রি::-- ★★জলপ্রপাত::-
গাড়ীর রাস্তা থেকে একটি তোরণ পেরিয়ে চওড়া পাহাড়ী রাস্তা বেয়ে একটু উঠলেই সেখানে পৌঁছে যাওয়া যায়। একটি বিশাল চত্বরের একদিকে মূল মনাস্ট্রি, আর অন্যদিকে মস্ত বড় প্রেয়ার হল। দুটিতেই মাঝখানে ভগবান বুদ্ধের বিশাল মূর্তি – আর তার দুপাশে অন্যান্য বৌদ্ধ দেবতার মূর্তি। মূল মন্দিরে কাঁচের আলমারিতে রাখা প্রচুর দুষ্প্রাপ্য পুঁথি। মাঝখানের চত্বরে অনেক মানুষ আর মঠের সন্ন্যাসী আর ছাত্রদের ভিড় থাকলেও – ভেতরের পরিবেশ খুব শান্ত। মনাস্ট্রির বাইরে একটু নীচে নেমে গেলেই শিক্ষার্থীদের থাকার জায়গা আর শিক্ষা কেন্দ্র – সেই সঙ্গে সোনালী রঙের চুড়া দেওয়া কয়েকটি বৌদ্ধ স্তূপ – সূর্যের আলোয় যা ঝলমল করে। পরিষ্কার দিনে এখান থেকে ভালো করে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যায়। আমরা তা দেখতে না পেলেও দুরে পাহাড়ের যে দৃশ্য দেখেছি – তাও কিন্তু কম সুন্দর নয়।
★★রিশপ::--(Rishyap) ::--
লাভা থেকে রিশপ আর লোলেগাঁও::-
লাভা, রিশপ, লোলেগাঁও মিলে দুই তিন দিনের জন্য আলাদা করে ওই জায়গাগুলিতে আসা যায়। তাতে জায়গাগুলির সৌন্দর্য অনেক ভাল করে অনুভব করা যায়, অনেক বেশী স্পটও দেখা যায়। সীমিত সময়ের ট্যুরে সেভাবে দেখা সম্ভব হয় না।
■★★★রিশপ এক পাহাড়ী গ্রাম:::---
– রিশপ, লাভা থেকে আরো ওপরে – গাড়ীতে যেতে লাগে আধঘণ্টা। রিশপ আসলে একটি ছোট্ট পাহাড়ী গ্রাম- প্রাকৃতিক সৌন্দর্যই যার মূল আকর্ষণ। আর সেই সৌন্দর্যের বেশির ভাগটাই কাঞ্চনজঙ্ঘাকে ঘিরে, কারণ ★★★এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার খুব সুন্দর রূপ দেখা যায়। কিন্তু আকাশ মেঘলা থাকলে দেখা যায় না।
★★★রিশপে মেঘেদের লুকোচুরি::--
রিশপ থেকে ফেরার সময় ★চেল নদী।
নদীর কাছেই গাড়ী দাঁড়াল চা খাওয়ার জন্য।
জায়গাটা ■★গরুবাথান। সবাই চলে গেল নদীর তীরে – যেখানে শত শত ছোট বড় পাথরে ধাক্কা খেতে খেতে সাদা ফেনা তুলে ছুটে চলেছে পাহাড়ী নদী। সূর্য তখন পশ্চিমে ঢলে পড়েছে – অন্ধকার নামতে চলেছে ধীরে ধীরে, পড়ন্ত বিকেলের আলোয় নদী তীরে সে এক অপূর্ব স্নিগ্ধ পরিবেশ। প্রকৃতির দান এভাবে ছড়িয়ে আছে সারা উত্তরবঙ্গ জুড়েই।
★★★নদীর নাম মূর্তি (Murti) – আর মূর্তি ব্রীজ::---
জায়গার নাম মূর্তি।
আমাদের চতুর্থ দিনের সকালের ভ্রমণের শেষ পয়েন্ট। গরুমারা জঙ্গলের একটি প্রবেশদ্বার – এই মূর্তি বীট। তার একটু দূর দিয়েই বয়ে চলেছে মূর্তি। রাস্তা চলে গেছে মূর্তি ব্রীজের ওপর দিয়ে – কিন্তু সেই ব্রীজের পাশ দিয়ে নেমে চলে যাওয়া যায় একেবারে মূর্তির পাশে। এখানে মূর্তি অনেক শান্ত – পাথরের তেমন বাধা নেই – তাই অনেক নিশ্চিন্ত। স্বচ্ছন্দে তার কাছে চলে যাওয়া যায় – পাশে বসে গল্প করা যায়। শান্ত নদীর জলে কত ছোট ছোট মাছ সাঁতার দেয় – একেবারে পায়ের কাছে এসে। পাহাড় এখানে নদীকে অনেকখানি জায়গা ছেড়ে দিয়েছে, নদীও তাই বয়ে চলেছে অনেক্ খানি জায়গা নিয়ে। অনেকটা সমতলের চেহারা – দুপাশে গাছগাছালি, মাঝখানে নদীর নীল জল। পাহাড় আছে – কিন্তু সে অনেক দূরে – দূর সীমানার প্রহরীর মতন।
★★ চাপরামারি জঙ্গল (Chapramari Forest)।
জঙ্গলের অনুমোদিত জীপই শুধু ভেতরে যেতে পারে। মাথা পিছু পাঁচশো ( 500 ) টাকার টিকিট লাগে।
জীপ নিয়ে ওয়াচ টাওয়ারের কাছে – তার পাশেই বন বিভাগের দারুন সুন্দর দোতলা বাংলো। সামনেটা ঘেরা আছে বিদ্যুৎবাহী তার দিয়ে – তার ওদিকে একটি ছোট পুকুর আর Salt Lick – যেখানে বুনো জন্তুরা নুন আর জল খেতে আসে। সেখানেই দেখা গেল সেই ■■■গউর বা বাইসন দলকে। একটু দূর থেকে অবশ্য। হাতি ভালোভাবেই দেখাযায়। বেশ কয়েকটি ছিল এই দলে- তার মধ্যে একটি বাচ্চা চলছিল তার মায়ের পিছু পিছু। তার রঙ একেবারে আলাদা – দূর থেকে দেখলে ঠিক হরিণ বলে মনে হয়। এটাই ওদের বৈশিষ্ট – ছোট বেলায় এমনই থাকে, বড় হওয়ার সাথে সাথে নিজেদের আকার ধারণ করে ধীরে ধীরে।
চাপরামারি জঙ্গলে ■■গউর বা ভারতীয় বাইসন, দেখাযায়।
আবার বেশ খানিকটা জঙ্গলের ভিতরে আছে বিভাগের কটেজের এলাকায়। আর কটেজের এলাকাটি বেশ প্রশস্ত – অনেকগুলি কটেজ আছে, আছে খোলা চত্বরে বসার জায়গা আর একটি ছোট মঞ্চ। সেখানে দেখানো হয় – নেপালি সম্প্রদায়ের নিজস্ব কিছু নাচ আর গান। বিকেলের জঙ্গল ভ্রমণে কুড়ি মিনিটের এই অনুষ্ঠানটি সরকারি ব্যবস্থাতেই অন্তর্গত – ★★ওদের কিছু সাহায্য আর উন্নতির লক্ষ্যে। সূর্য তখন অস্তাচলগামী – জঙ্গল আর পাহাড়ে আকাশের রঙ ক্ষণে ক্ষণে পরিবর্তন হচ্ছে, – গোধূলির সেই স্বর্ণ আভায় সেই নাচ আর গানের মধ্যে দিয়েই শেষ হল আমাদের সেদিনের চাপরামারি দর্শন।
★★★★জলদাপাড়ার পথে::---
জলদাপাড়া যাওয়ার পথে আরও দুটি সুন্দর জায়গা দেখে নিয়ে তবেই আমরা পৌছব আমাদের গন্তব্যে। তারই প্রথমটি হল – ★ঝালং,আর দ্বিতীয়টি ★বিন্দু।
★ ঝালং অর্থাৎ সারা পথ জুড়ে কত যে ঝর্না::--
ঝালংএর পথে দুপাশে গাছের মধ্যে দিয়ে সুন্দর রাস্তা। তবে আজকের ভ্রমণের একটা বৈশিষ্ট – ঝর্ণার আধিক্য। সারা পথ জুড়ে কত যে ঝর্না – বলে শেষ করা যায় না। কোনটি ছোট – কোনটি আকারে বেশ বড়। অনেক জায়গায় সেই সব ঝর্নার জল এক দিকের পাহাড় থেকে নেমে এসে রাস্তার ওপর দিয়েই বয়ে গিয়ে অন্য দিকে পড়ছে – গাড়ী যাচ্ছে সেই সব পথে নেমে আসা ঝর্নার ওপর দিয়েই। গাছে ছাওয়া সবুজ পাহাড় আর ঝর্নার সেই দেশেরই একটি জায়গা হল ঝালং। চারদিকে সবুজে সবুজ – আর নীচ দিয়ে বয়ে যাচ্ছে আর একটি নতুন নদী – ◆◆জলঢাকা। ◆◆◆সবুজে ঘেরা পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে পাহাড় থেকে ভেঙ্গে আসা ছোট ছোট নুড়ি পাথরের মাঝখান দিয়ে বয়ে চলেছে পাহাড়ি নদী – এ দৃশ্য অনেক জায়গাতেই হয়ত অনেকটা একই রকম তবুও সব জায়গার সৌন্দর্যই কিন্তু আলাদা আলাদা। ঝালং (Jhalong) ও সেরকম – নিজের সৌন্দর্যে নিজেই ভরপুর।
★★ঝালং থেকে এবার বিন্দু।
★■★বিন্দু ==
এখানেও সেই জলঢাকা – কিন্তু এখানে তার রূপ আর গুরুত্ব দুটোই আলাদা। ★★কারণ বিন্দু একেবারে ভারত আর ভুটানের সীমানায় – দু দেশের মাঝখান দিয়ে বয়ে চলেছে জলঢাকা। ওপারের পাহাড় আর তার ওপরের ঘরবাড়ী – সব ভুটানের। আর তার চাইতেও বড় কথা – এখানেই দুই দেশের মাঝখানে ★জলঢাকা ব্যারেজ। সেই ব্যারেজ থেকে ছাড়া জলঢাকার জল বিপুল তেজে লাফিয়ে পড়ছে – আর তারপর পাথর ভেঙ্গে দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে সামনে। গাড়ী থেকে নেমে একটু হেঁটে আর তারপর একটু নীচে নেমে নদীর কাছে যাওয়া যায় – কিন্তু ব্যারেজকে দেখতে হয় দূর থেকে – কাছে যাওয়ার অনুমতি নেই। কিন্তু বেশ একটা অন্য অনুভুতি হয় এখানে – চারপাশের ঘন সবুজ পাহাড় , সামনে লাফিয়ে চলা নদী – সবই হয়ত অন্য অনেক জায়গার মত সুন্দর, তবু ঠিক সামনের পাহাড়টা আর তার ওপরের ঘরবাড়ী স্পষ্ট দেখা গেলেও তা আমাদের দেশে নয় – বিদেশে, ভুটানে। ব্যারেজ পেরোলেই ভূটান, কত কাছে – তবু যেন দূরে, বিদেশে। কিন্তু প্রকৃতিতে কোন বিভাজন নেই, সৌন্দর্যের দিক দিয়ে – সবই এক সুরে বাঁধা। একই পাহাড়, একই সবুজ – শুধু মাঝখানে মানুষের তৈরি সীমানা।
বিন্দু থেকে জলদাপাড়া। দূরত্বটা অনেক – তিন ঘণ্টা প্রায় সময় লাগে পৌঁছতে।
★জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান যা আগে ছিল জলদাপাড়া বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলায় পূর্ব হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত একটি জাতীয় উদ্যান। তোর্সা নদীর তীরে অবস্থিত এই অভয়ারণ্যের সামগ্রিক আয়তন 141 বর্গ কিলোমিটার। এই অভয়ারণ্য যদিও 1940--41 সাল থেকেই প্রাণী সংরক্ষণ কেন্দ্র হিসাবে ঘোষিত।
অভয়ারণ্যের স্বীকৃতি দেওয়া হয় 1976 সালে।
10 মে, 2012 তারিখে জলদাপাড়া বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করা হয়েছে।
গরুমারার মতো এখানেও দেখা যায় হাতি, নানা প্রজাতির হরিণ, গাউর, বুনো শুয়োর, লেপার্ড, বাঘ আর অসংখ্য পাখি।
বিন্দু থেকে এবার সোজা জলদাপাড়া। দূরত্বটা অনেক – তিন ঘণ্টা প্রায় সময় লাগে পৌঁছতে।
টিকিট:::--////
রেঞ্জারের অফিস থেকে টিকিট দেওয়া হয় – পাশেই দেখে নেওয়া যায় পাশেই ★★Nature Interpretation Centre .জলদাপাড়ার জীব বৈচিত্র আর পরিবেশ নিয়ে একটি ছোট্ট সুন্দর মিউজিয়াম। অনেক জঙ্গল এলাকাতেই বন দফতর থেকে এইরকম মিউজিয়াম বা Nature Interpretation Centre করা থাকে।
সন্ধ্যে ৬টায় টিকিট দেওয়া শুরু হল। জীপ সাফারি আর হাতি সাফারির কাউন্টার আলাদা। ওদের নির্দিষ্ট ফর্ম আছে – সেই ফর্ম পূরণ করে, প্রতিটি জীপের প্রতিটি যাত্রীর নাম লিখে, ভোটার কার্ডের জেরক্স দিয়ে তবে টিকিট কাটতে হয়।
একটি জীপ সাফারির মোট খরচ – ১৬৪০ টাকা – এতে ছজন যেতে পারেন। কাউন্টারে ভিড় বেশী হলে লাইনের পিছন দিকের লোকেরা সবাই টিকিট নাও পেতে পারেন। তাই প্রথম দিকে থাকার জন্যে এত তাড়াহুড়ো থাকে।
জলদাপাড়া জিপ সাফারির কাউন্টারের সামনেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের জলদাপাড়া ট্যুরিস্ট লজ, যেটির আগে নাম ছিল – ★★মাদারিহাট ট্যুরিস্ট লজ। আমার মতে এটিই জলদাপাড়ায় থাকবার অন্যতম শ্রেষ্ঠ জায়গা।
জলদাপাড়া অভয়ারণ্যে হাতি সাফারির ব্যবস্থা আছে।
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যান (Jaldapara National Park) এক শিং বা শৃঙ্গওয়ালা গন্ডারের জন্য বিখ্যাত। কয়েকটি মাত্র নির্দিষ্ট এলাকায় এই লুপ্তপ্রায় সৌন্দর্যকে খুঁজে পাওয়া যায়। অসমের কাজিরাঙা ও পবিতারাকে বাদ দিলে, জলদাপাড়াই দীর্ঘদিন যাবৎ এই প্রাণীর নিরাপদ আশ্রয়। এখানকার ঘাসে ঢাকা জলাভূমি এই গন্ডারের প্রাকৃতিক আবাসস্থল হিসেবে কাজ করে।
জলদাপাড়ায় বেড়াতে গেলে 12কিলোমিটার দূরের সাউথ খয়েরবাড়ি নেচার পার্ক দেখতে ভুলবেন না।
এই পার্কের পাশেই তোর্ষা নদী। এটি বাঘ এবং চিতাবাঘের পুনর্বাসনকেন্দ্র। টোটোয় চেপে লেপার্ড সাফারিও করতে পারেন।
তবে এ ক্ষেত্রে ভীষণ সতর্ক থাকা জরুরি। যারা এলিফ্যান্ট সাফারি করতে চান তারা চলে যান মাদারিহাটে। এখানে রয়েছে এলিফ্যান্ট রাইডিং কাউন্টার। আগে থেকে নাম নথিভুক্ত করুন এবং হাতির পিঠের চেপে অরণ্যের শোভা দেখার আনন্দ নিন।
========================
গাউর (Bos gaurus) বা বনগরু (বা ভারতীয় বাইসন) বিশ্বের বৃহত্তম গরু জাতীয় প্রাণী।
======================
★★গণ্ডার – জলদাপাড়া জঙ্গল ।
বেশীক্ষণ অপেক্ষা করতে হল না – পাশেই দেখলাম – জলদাপাড়ার সম্পদ – সেই একশৃঙ্গ গণ্ডারকে। একলাই – পাশের জঙ্গলে ঘাস আর গাছের পাতা খাচ্ছে। আক্রমণাত্মক নয় গরুমারার হাতিদের মত। আমরা খানিক দাঁড়িয়ে ছবি তুললাম জীপ থেকে – কিছু বলল না।
গণ্ডার দর্শনের পরে এগিয়ে গিয়ে Watch Tower এর দিকে। অন্য Watch Tower গুলোর মত সরু নয় – বরং অনেকটা তিন তলা বাড়ীর মতো। সেখানে ওপরে বনরক্ষীদের বড় বড় ঘর আছে, নীচে অফিস আছে। ওপর থেকে দৃষ্টি চলে অনেক দূর অবধি। পাশেই একটি হাতির বাচ্চা বাঁধা আছে – তাকে ট্রেনিং দিয়ে কুনকি হাতি তৈরি করা হবে। তবে ওয়াচ টাওয়ার থেকে নতুন কিছু আর দেখা গেল না – তাই আমরা যাত্রা করলাম হলং বাংলোর দিকে। ফেরার সময় আবার সেই ময়ূরগুলো আর সেই গণ্ডারটা – তখনো আপন মনে খেয়ে চলেছে।
ময়ূর – জলদাপাড়া জঙ্গল
★■হলং বাংলো (Holong Forest Bungalow) এই এলাকার সবচাইতে বিখ্যাত বাংলো – যা প্রায় সারাবছর সরগরম থাকে মন্ত্রী, অমাত্য আর বিভিন্ন ভি আই পি এর আগমনে। তার মাঝে সুযোগ পেলে সাধারণ পর্যটকরাও থাকতে পারেন অবশ্য। জঙ্গলের মূল গেট থেকে এটি প্রায় ছয় কিলোমিটার ভিতরে। এখান থেকেই হাতি সাফারির ব্যবস্থা। সারে সারে পোষা হাতিরা এসে দাঁড়ায় সেখানে মাহুতের সঙ্গে। হাতিতে চড়ার মঞ্চ করা আছে – পর্যটকরা লাইন দিয়ে ওঠেন – এক একটি হাতি চারজন করে দর্শককে পিঠে চাপিয়ে রওনা দেয় গভীর জঙ্গলের মধ্যে এক ঘণ্টার জন্যে। দেখলাম – ঐ হাতিদের সঙ্গে একটি ছোট্ট বাচ্চা হাতি আছে – তার মায়ের সঙ্গে, ওই দলে আছে তার দিদিমাও। মা যখন যাত্রীদের পিঠে নিয়ে জঙ্গলে যায় – সেও চলে তার মায়ের সঙ্গে সঙ্গে। আর এইভাবে তার ট্রেনিংও হয়ে যায় অনেকটাই।
জঙ্গল দেখা শেষ হল আমাদের। এবার রিসোর্টে ফেরার পালা। শুধু একটা কথা ভেবে ভাল লাগছে। আমরা তিনটি জঙ্গল দেখেছি এবারের যাত্রায় – কোন জঙ্গলই আমাদের খালি হাতে ফেরায়নি।
★■ Gorubathan::--গোঁরবাতান,
গোরুবাথান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কালিম্পং জেলার একটি সম্প্রদায় উন্নয়ন ব্লক। গরুবাথান তার অনিন্দ্য সুন্দর ভূ-দৃশ্য, নদী, পাহাড়, বন এবং চা বাগানের জন্য পরিচিত যা পর্যটকদের আকর্ষণ করে। পূর্বদিকের পার্শ্ববর্তী দেশ ভুটান, উত্তরে সিকিম রাজ্য, রাচেলা রেঞ্জের ঘন জঙ্গল, পশ্চিমে কালিম্পং ব্লক ১ ও ২ এবং দক্ষিণ খাতে জলপাইগুড়ি জেলার বিস্তৃত সমভূমি অঞ্চল নিয়ে গরুবাথান গঠিত। জনসাধারণের আয়ের প্রধান উৎস হল ফসলাদি যেমন চা, এরিকা বাদাম, বড় এলাচ, ঝাড়ু, আদা, ফলমূল এবং শাকসবজি।
=======
◆◆খয়েরবাড়ী।::---একটি বিশাল চিড়িয়াখানা –
খয়েরবাড়ী আসলে বন্য জন্তুদের পুনর্বাসন কেন্দ্র। বলা যেতে পারে একটি বিশাল চিড়িয়াখানা – যেখানে জঙ্গল থেকে বা কোন সার্কাস দল থেকে উদ্ধার করা আহত বা অসুস্থ প্রাণীদের রাখা হয় তাদেরই পরিচিত প্রাকৃতিক পরিবেশে। বিশাল এলাকা নিয়ে এই কেন্দ্রটি – অনেকখানি জায়গা জুড়ে এক একটি খাঁচায় রাখা হয়েছে বাঘ, চিতাবাঘ ইত্যাদি। সেই সব খাঁচার মধ্যে পুরো জঙ্গলের পরিবেশে তারা ঘুরে বেড়ায়। এত বড় এই এলাকাটি যে তাড়াতাড়ি পায়ে হেঁটে ঘুরে দেখা বেশ কষ্টকর। অথচ ভিতরে কোন গাড়ী যেতে পারেনা। মাঝে মাঝে অবশ্য দুয়েকটি ভ্যান রিকশা চোখে পড়েছে – কয়েকজন যাত্রীকে নিয়ে। আমরা অনেক হেঁটে আর অনেক চেষ্টা করে দুটি মাত্র বাঘ আর একটি চিতাবাঘ দেখতে পেলাম। তার মধ্যে একটি বাঘ কুমিরের সঙ্গে লড়াইয়ে কুমিরেরই কামড়েে একটি পা হারিয়েছ্বে। এত বড় খাঁচায় গাছপালার আড়ালে জন্তুগুলিকে খুজে পাওয়াই দুরূহ।
◆◆◆◆◆
বাঘের আস্তানায় – খয়েরবাড়ী ইকো পার্ক
এই খয়েরবাড়ী দেখার সাথে সাথেই শেষ হল আমাদের কয়েকদিনের ডুয়ার্স ভ্রমণ।
=========================================================
((আমাদের ফার্ম হাউজ
বিল্ডিং নিয়ে নয় – বরং অনেকগুলি ছোট বড় বাড়ী বা কটেজ, অনেকখানি বাগান, নানারকম ফুলের গাছ, ছোটদের খেলার জায়গা – এই সবকিছু নিয়েই এখানকার এক একটি হোটেল বা রিসোর্ট। প্রকৃতির মাঝে বেশ অনেকখানি জায়গা জুড়ে বেশ হাত পা ছড়িয়ে থাকার ব্যবস্থা এখানকার প্রতিটি রিসোর্টেই। আমাদের থাকার জায়গাটিও সেইরকম। ভেতরে দুটি বড় বাড়ীতে – বিভিন্ন ধরণের ঘর, সামনেই বাগান – আর সেই বাগানের অন্যদিকে আবার চারটি আলাদা কটেজ। তার মধ্যে দুটি কটেজে বাঁশের কাজ। অন্য একটি বাড়ীতে ডাইনিং হল, কনফারেন্স রুম ইত্যাদি। সব ঘরেই টিভি, কিছু ঘরে এসি, গীজার অর্থাৎ আধুনিক স্বাচ্ছন্দের সব আয়োজনই মজুদ – কিন্তু প্রকৃতিকে দূরে সরিয়ে নয়। ওঁদের নিজস্ব বাগান খুব সুন্দর – নানা ধরণের ছোট বড় গাছ, গাছের কেয়ারী করা রাস্তা, বাগানে বাচ্চাদের দোলনা, পাখির খাঁচা, নিজস্ব হাঁস মুরগীর স্বচ্ছন্দ বিচরণ। বাগানের মধ্যে ঘুরতে ঘুরতে তাদের প্যাঁক প্যাঁক আওয়াজ শুনতে শুনতে মনটা ভারী হাল্কা হয়ে যায়। তার ওপর আছে বাগানের মধ্যেই বাঁধানো বসার জায়গা আর আছে একটা উঁচু ওয়াচ টাওয়ার। সেই টাওয়ারে উঠে চারদিকের চা বাগান, সেই বাগানের অপর প্রান্তে ভোরের সূর্যোদয় – সব কিছুই দুচোখ ভরে দেখে নেওয়া যায়। সব মিলিয়ে বেশ ভালই আমাদের থাকার ব্যবস্থা।
চালসার বাগানে বাঁধানো বসার জায়গা, ওয়াচ টাওয়ার আর ঠাকুর ঘর।
ফার্ম হাউজে পৌঁছে খুব বেশী সময় কিন্তু পাওয়া গেল না। ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যে তৈরি হয়ে পৌঁছে যেতে হল খাবার জায়গায়। কিন্তু তৃপ্তি করে খেতে গিয়ে সময় নষ্ট করার মত সময় তখন আমাদের নেই। কারণ এসে পোঁছে গেছে জঙ্গল দেখাতে নিয়ে যাওয়ার জন্য জিপ – আমাদের
নিয়ে তারা যাবে গরুমারা জঙ্গলে।))
%%%%%%%%%
গরুমারা জঙ্গলের অনেকগুলি প্রবেশ দ্বার – তার মধ্যে একটি আমাদের রিসোর্টের বেশ কাছেই। তবে এগুলি জিপের জন্য বরাদ্দ – হাতিতে চড়ে যাওয়ার গেট আলাদা। আমাদের ব্যবস্থা ছিল জিপের – এক একজনের জন্যে প্রবেশমূল্য ৪০০/- টাকা করে। রিসোর্ট থেকে আগেই পুরো গ্রুপের টিকিটের ব্যবস্থা করে রাখা হয়েছিল – তার জন্য অবশ্য তাদের অল্প কিছু অতিরিক্ত দিতে হয়েছিল আমাদের।
○●●●● জঙ্গলে প্রবেশের এই যে টিকিটমূল্য – এগুলি কিন্তু প্যাকেজের মধ্যে নয় – সেটা প্রথম থেকেই পরিষ্কার করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। আর জঙ্গলে ঢোকার দুটি সময় – একটি সকাল ছটা থেকে, আর অন্যটি বিকেল তিনটে থেকে। রাত শেষ হয়ে দিন শুরু হওয়ার মুখে আর আবার দিন শেষ হয়ে সন্ধ্যে নেমে আসার মুখেই বন্য প্রাণীদের দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা বেশী বলেই এই ব্যবস্থা। আমাদের জন্য নির্দিষ্ট ছিল বিকেল তিনটের স্লট।
অল্প সময়ের মধ্যেই পৌঁছে গেলাম – গরুমারার গেটে। সেখানে প্রতি গাড়ীতে একজন করে জঙ্গলের গাইড উঠলেন। গাইডরা বসেন ড্রাইভারের পাশে – তাদের নির্দেশ মতই গাড়ী জঙ্গলে ঘোরে নির্দিষ্ট রাস্তা ধরে। সেখানে যে কোন গাড়ী ঢুকতে পারেনা – একমাত্র জঙ্গলের জীপেরই সেখানে প্রবেশাধিকার। গাইডরা আন্দাজ করতে পারেন কোথায় বন্য জন্তু দেখার সম্ভাবনা – তাঁরা সেইমতই ড্রাইভারকে নির্দেশ দেন। যদিও বনের কোন বাসিন্দার দেখা পাওয়া সম্পূর্ণ ভাগ্যের ওপরেই নির্ভর করে, এ ব্যাপারে কেউ নির্দিষ্ট করে কোন গ্যারান্টি দিতে পারে না।
তা সেই ভাগ্যের ওপর ভরসা করেই আমরা ঢুকলাম জঙ্গলে। জঙ্গল গভীর থেকে গভীরতর হল, তার আদিম সৌন্দর্য হল ঘনীভূত, আর আমাদের উত্তেজনার পারাও লাগল চড়তে। নিস্তব্ধ জঙ্গল, মাঝে মাঝে পাখির ডাক – ইতিউতি নাম না জানা কিছু ছোট বড় পাখির ওরাউড়ি। আর, একটা আশ্চর্য শব্দ – পুরো পুজার ঘণ্টাধ্বনির মত। গভীর নিস্তব্ধ জঙ্গলের মধ্যে হঠাৎ সেই ঘণ্টা ধ্বনি শুনে চমকে উঠতে হয়। গাইডের মুখে শুনলাম – ওটা একধরণের ঝিঁঝিঁর ডাক। আমরা তো বাকরুদ্ধ – পোকার ডাক এমন অবিকল ঘণ্টা ধ্বনির মতো !! কত কি যে না জানা আছে প্রকৃতিতে।
কিন্তু বাকরুদ্ধ করে দেওয়া আসল ঘটনা তো ঘটল একটু পরেই। হঠাৎ করেই একদল হাতির মুখোমুখি আমরা। রাস্তা ঘেঁষেই জঙ্গলের মধ্যে তারা পাতা খাচ্ছিল – আমাদের দেখেই সজাগ হয়ে পড়ল অতিমাত্রায়। সবাই ক্যামেরায় ছবি তোলায় ব্যস্ত – কিন্তু গাইড দের বার বার বারণ সত্বেও কারোর ক্যামেরায় ফ্ল্যাশ জ্বলে ওঠে – আর তাতেই ঘনিয়ে আসে বিপত্তি। একটি হাতি জঙ্গল থেকে বেরিয়ে সোজা জীপের দিকে তাড়া করে আসে। এই অবস্থায় দ্রুতগতিতে জীপ ব্যাক করে আসাই নিয়ম – কিন্তু সেখানে পর পর জিপের লাইন পড়ে গেছে – আমরা ছাড়া আরও অন্য গ্রুপও ছিল – তাই প্রথম দিকের জিপের অবস্থা হয়ে পড়ল সঙ্গীন – সামনে তাড়া করে আসা হাতি অথচ পেছনে ব্যাক করে আসারও কোন উপায় নেই। অন্য হাতিগুলির মেজাজও সুবিধের নয়। কিন্তু গাইডরা এই পরিস্থিতির জন্যে প্রশিক্ষন প্রাপ্ত – তাই তারা সমস্বরে বিভিন্ন ধরণের অদ্ভুত শব্দ ও আওয়াজ করতে লাগল, আর সেই আওয়াজের জেরেই রাস্তা ছেড়ে আবার হাতি সরে গেল জঙ্গলের মধ্যে। জঙ্গলের মধ্যে সাধারন ভাবে কোন শব্দ বা আওয়াজ করতে নেই – কিন্তু এই ধরণের পরিস্থিতিতে শিক্ষিত গাইডের বিশেষ ধরনের আওয়াজই আত্মরক্ষার উপায়।
××××××××××^^^^^^^^^^^^^^^^^^??????????????????????????????
No comments:
Post a Comment