Thursday, August 24, 2017

15>তারাপীঠ ভ্রমণ ও কংকালীতলা (1st to 6th part) --19 to 21/08/2017


 ★★(1) প্রথম ভাগ


15/1>৺মা তাঁরা পিঠ ও বোলপুর=
                     <---©-আদ্যনাথ--->


আমাদের আজকের সর্ট টুর,
বোলপুর,শান্তিনিকেতন,বিশ্বভারতী,
তাঁরা পিঠ, মা কনকালেশ্বরী।

24/08/2018

আমরা 13জন ফুল +2 জন হাফ ।
আজকে ৺মা তাঁরা পিঠের মন্দিরে।
একটু পূজা যজ্ঞ্য করবো।
তৈরি হচ্ছি।
ভদ্র মাসের শনিবার তাই প্রচন্ড ভিড়।
সকল মানুষ ৺মা এর দর্শন ও
পুজো দিতে পাগল প্রায়।
 "৺মা" "৺মা" চিৎকার শোনা যায়।
কিছু মানুষ মেতে আছে নেশায়,
 তাদের কাছে নেশাই প্রাধান্য পায়,
 মা এর দরবারে তারা মত্ত নেশায়।
আমদের পূজা ও দর্শন হল,
ভালো ভাবেই পূজাও দর্শন করলাম।
তাঁরা পিঠে রাত্রি বাসের সিদ্ধান্ত নিলাম।

শনিবার 25/08/2018 সকালে।
মেয়েরা আবার মারে  দর্শন করলো।
দুপুরে "৺মা" কে ভোগ নিবেদন করলাম,
দুপুর 1টা 30 মিনিট ভোগ দর্শন করলাম।
তাপরে ৺মায়ের ভোগ প্রসাদ গ্রহণ করে,
রওনা দিলাম শান্তিনিকেতনের উদ্যেশ্যে।

শান্তিনিকেতনের সোনাঝুড়ির শনিবারের
হাটে ।
হাটে সকল কিছুই মেয়েদের মন কারে,
বিকি কিনির সবেতেই মনের মতন করে,
শান্তিনিকেতনের চারু কলা দেখে মন ভরে।
চলছে কেন কাটি বৃষ্টি উপেক্ষা করে।

সোনাঝুড়ির হাটের বাউলদের গান নাচ,
শাল গাছের ফাঁকে ফাঁকে মেয়েদের নাচ।
মুক্ত হওয়া মাঝে মাঝে একটু বৃষ্টির ছোয়া।
যেন এক স্বপ্ন পুরীর দেশ খুঁজে পাওয়া।
কেনাকাটার সাথে উপরী পাওনা মুক্ত হওয়া, ফুল অক্সিজেন, সুন্দর পরিবেশের ছোঁয়া।
সন্ধ্যার পরে চারিদিক ঘুট ঘুটে অন্ধকার।
মাঝে টিম টিম করে ব্যাটারির আলোতে চলছে হাট।
যদিও একটু পরেই হাটের সবাই উঠে যাবে।
হাট পরে রইবে অন্ধকারে হাটিয়া জঙ্গলে,
আমরাও ফিরব হোটেলে।

26/08/2018 রবিবার

আজ রবিবার সকালে,
পৌঁছে গেলাম কনকালেশ্বরীর মন্দিরে।
(অনেকেই বলেন কঙ্কালেশ্বরীর
আসলে হবে কনকালেশ্বরী)
পূজা দিলাম "৺মা" কনকালেশ্বরীর মন্দিরে।
"৺মা" এর পবিত্র কুণ্ডের জল স্পর্শ করলাম।
ভিড় ছিলনা তেমন,পূজা হল মনের মতন।
মন্দিরের পাশেই দোকান পাট,
খাওয়া হল গরম জিলিপি লুচি।
জিলিবি খেয়ে ফুরফুরে মনে,
পৌঁছে গেলাম বিশ্বভারতীর আঙনে।
বিশ্বভারতী বেশ  মজা করেই ঘুরলাম।
বিশ্বভারতী পেছনের দিকের গাছ গাছলা
তেমন আর নাই,
মনে হল এখানেও গাছের নিধন,
সেই সমানেই চলছে।
কিছু ফুল বাগান,
যে যার নিজেস্ব বাড়ি আঙিনায়।
তাতে কিআর মন ভরে,
মানুষের বাসস্থান খুঁজতেই গাছের নিধন,
এতো বন্ধ হবার নয়।
তাই হয়তো মনে রয়ে গেল একটু দাগ,
এখানে ছিল কতো গাছ সুন্দর বাগান।
এখনো আছে বেশ কিছু বাগান।
তবুও মন ভরেনা তাতে,
মন সেই আগের মতন খোজে বাগান।

যাইহোক এখন খাবার চিন্তায়,
বেলা 2টায় "আমার কুঠিরের হেসেলে,"
মজাদার থালি,
থালির ফিরিস্তি একটু বলি----
ওল সেদ্ধ,সুক্ত,পোস্তর বড়া, মোচাড় ঘন্ট,
সোনামুগের ডাল,আলু পটল ভাজা,উচ্ছে ভাজা,আলু পোস্ত, আলু পটলের তাকারী,এতো ছিল থালি।
আমরা আরো কিছু স্পেশাল আইটেম
নিলাম---ভোজন বলে কথা,
 কচি পাঠার কষা,ভেটকির পাতুরি,
মৌরলার চচ্চড়ি,ইলিশ ভাজা,
ও ইলিশের ঝোল।ইলিশ এক এক পিস,
কোন মতে মেনে নেওয়া যায় ঠিক।
কিন্তু ওই কচি পাঠার কষা,
বাটিতে মাত্র দুই পিস কষা।
এটাই ছিল গড়বড় খাসা।
তাই মনভরতে জিভের আশ করতে পূর্ন,
অর্ডার দিতে হোল দুই দুই বাটি কষা পূর্ন।
আমি অবশ্য নিয়ে ছিলাম তিন বাটি কষা,
কাশার থালা,বাটি, গ্লাস,অতি ফাস্ট ক্লাস।
ওখানে খাবার খেতে, কব্জির জোর চাই,
গ্লাস,জগ বাহাতে তুলতে হলে হিম্মত চাই।
মজাদার জম্পেশ খাবারে মেটে কি আশ,
চোখের খিদে, জিভের আশ,পেট হাস পাশ।
চেটে পুটে খেয়ে পেট টই টুম্বুর ঢোল।
লাল চায়ে চুমুক দিয়ে বিল মিটিয়ে,
রবিবারের সোনাঝুড়ির হাটে গিয়ে,
গাছের তলায় বাঁশের মাচায় এক ঘুম জমিয়ে।
ফাউ কক্সিজেনে হয়ে ফুল,
রওনা দিলাম, হঠাৎ সাদা মেঘ,
কালো হয়ে গেল।
আমাদের গাড়ি ছুটলো,
কোলকাতার দিগে।
কোন আগ বার্তা ছাড়াই,
শুরু হোল প্রবল বৃষ্টি,
সাথে প্রচন্ড হাওয়া ।
চারিদিক অন্ধকার,
উইন্ড স্ক্রিনে এসে পড়ছে গাছের পাতা,
বৃষ্টির অঝোরে ঝরার তাড়না,
সাথে হওয়ার প্রচন্ড বেগের ধাক্কা।
চলছে নিদারুণ করুন অবস্থা।
মনেহয় গাড়িটাকেই উল্টে দেবার চেষ্টা,
রাস্থায় দুই পাশে দাঁড়িয়ে গেল সকল গাড়ি।
আমাদের বাড়ছে চিন্তা,
এনেক দূর দিতে হবে পারি।
অগত্যা কিকরি, দাঁড়িয়ে উপভগ করছি,
ভাদ্র শেষের হঠাৎ মেঘের ঝড় বৃষ্টি।
চলছে আমাদের ধর্যের পরীক্ষা,
তিন ঘণ্টার রাস্থার দুই ঘন্টা স্থির অপেক্ষা।
প্রকৃতি একটু দেরি করিয়ে দিলো বটে,
তবে এমন ঝড়ের দৃশ্য দেখা কজনের জোটে।
লম্বা লম্বা গাছ গুলি যেন বাঁচতে চাইছে,
নিজেরা একে অপরকে জড়িয়ে লড়ছে।
বার রার নুয়ে পড়ছে রাস্তার ওপরে,
যেন প্রাণ পনে করছে প্রনাম পৃথিবীরে।
ওদের শিকড় থেকে উপরে যাবার ভয়,
ঝড়ের গতি কমতেই যেন হল নির্ভর।
এখন শান্ত প্রায় পাতা থেকে জল ঝরছে,
যেন প্রচন্ড যুদ্ধের পরে ঘাম ঝরছে।
এখন রাত্রি  8.20 মিনিট এখন মনেহয়
বৃষ্টিও হাঁপিয়ে গেছে, হওয়াও শান্ত প্রায়।
রওনা দিলাম হাইওয়ে ধরে,
জানিনা কখন পৌঁছব ঘরে।
তারপরে নির্ঝনঝাটে পানাগরে,
পানাগরের লেংচা খেয়ে, বেঁধে নিয়ে,
রাত্রি প্রায় এগারটায় পৌঁছলাম ঘরে।
সমাপ্তি হল তিন দিনের টুরের।

     <--©--●অনাথ●--->
     【--anrc-26/08/2018--】
     【--রাস্তায় চলতে চলতে---】
     【=কোলকাতা -56=】
=======================



=====================

★★(2) দ্বিতীয় ভাগ----

15/2>তারাপীঠ ও আসে পাশে ঘুরে বেড়ানো।---


●1>তারাপীঠ মন্দিরে
●2> একচক্রগ্রাম।
●3>‘জানুকুণ্ড’ বা ‘হাঁটুগাড়া’ আশ্রম
●4>ন’চূড়ার মন্দিরে শ্রীগুরু শ্রীগৌর ও শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর মন্দির। 
●5>পঞ্চপাণ্ডবতলা।
●6>ছোটো বৃন্দাবন নামে পরিচিত। 
●7>প্রসিদ্ধ বৈষ্ণবতীর্থ বীরচন্দ্রপুর।
●8>নিতাইয়ের আসল জন্মস্থান ●সূতিকামন্দির, ●ষষ্ঠীতলা, ●বিশ্বরূপতলা, ●সন্ন্যাসীতলা ও ●মালাতলা। ●শ্রীক্ষেত্রের দেবতা জগন্নাথদেবের মন্দির। 
●9> ইস্কনের সুদৃশ্য মন্দির।
●10>বামাক্ষ্যামার জন্মস্থান আটলা।
●11>ভদ্রপুরে আকালীপুরের ●গুহ্যকালী, 
★12)নলহাটেশ্বরী, 
★13>মুলুটিগ্রামের
★14>মৌলাক্ষীমা।
●12>কংকালীতলা::--বাংলা ও हिंदी।

=======================

★1)পৌঁছোলাম তারাপীঠ মন্দিরে।
প্রথমেই তারামায়ের ভৈরব 
●চন্দ্রচূড় শিবের মন্দির দর্শন করে মায়ের দর্শন করলাম। 
তার পরেই নানা কথায় উঠে এল
 ●মায়ের বিশ্রামকক্ষের কথা। শুনছিলাম ভাদ্র, কার্তিক ও পৌষ অমাবস্যায় বিশেষ পুজো হয়। এখানে মেলা বসে। আর আশ্বিন মাসের শুক্লা চতুর্দশীতে মূল মন্দির থেকে মাকে বের করে এনে রাখা হয় বিরামঘরে। নাটমন্দিরের ডান দিকে একটু উঁচুতে সেটি। সকলেই যাতে দর্শন পায়। 
তারাপীঠ ঘিরে ছড়িয়ে আছে নানা দর্শনীয় স্থান। 
পরের দিন অটো করে 
★2) একচক্রগ্রামে। 

tarapith to একচক্র গ্রাম= 9.8 km
এখানে ‘নিতাইবাড়ি’ ঘিরে আরও মন্দির গড়ে উঠেছে। 
★3)প্রথমে গেলাম বাঁকারায়ের অন্তর্ধানস্থল ‘জানুকুণ্ড’ বা ‘হাঁটুগাড়া’ আশ্রম। প্রভু নিত্যানন্দ স্নানের জন্য মায়ের ইচ্ছে পুরণের জন্য সব তীর্থ থেকে জল এনে এই কুণ্ডের সৃষ্টি করেন।
★ কথিত এই কুণ্ডে সপ্তসাগর ও সপ্তনদী বিদ্যমান। 
★4)কয়েক পা দূরে, ন’চূড়ার মন্দিরে শ্রীগুরু শ্রীগৌর ও শ্রীনিত্যানন্দ প্রভুর মন্দির। মন্দির ঘিরে গড়ে উঠেছে আশ্রম। 

★5)এখান থেকে গন্তব্য হল পঞ্চপাণ্ডবতলা। পাণ্ডবদের অজ্ঞাতবাসের স্থান। আছে মাতাকুন্তী সহ পাঁচপুত্র ও ব্যাসদেবের মূর্তি ও শ্রীকৃষ্ণের মন্দির, যা ●6)ছোটো বৃন্দাবন নামে পরিচিত। রামনবমী ও দোলে মহা উৎসব পালিত হয়। 
★তারাপীঠ থেকে সাঁইথিয়ামুখী ১০ কিলোমিটার দূরত্বে বলরামের অবতাররূপী নিত্যানন্দ মহাপ্রভুর জন্মস্থান গর্ভাবাস নামে
●7) প্রসিদ্ধ বৈষ্ণবতীর্থ বীরচন্দ্রপুর। 
এখানে আছে 

●8)নিতাইয়ের আসল জন্মস্থান সূতিকামন্দির, ষষ্ঠীতলা, বিশ্বরূপতলা, সন্ন্যাসীতলা ও মালাতলা। শ্রীক্ষেত্রের দেবতা জগন্নাথদেবের মন্দির। 
★9)কিছু দূরে ইস্কনের সুদৃশ্য মন্দির। সেখানকার সাফাইকর্মী বেণু পাল মন্দিরের নিয়মকানুন জানিয়ে দিলেন। আগে থেকে জানিয়ে দিলে তিনশো টাকায় থাকার সুযোগ মেলে। অর্থের বিনিময়ে ভোগ (৫০), রাতের খাবার (৪০) ও জলখাবার (৩০) পাওয়া যায়। ছায়াঘেরা শান্ত পরিবেশ সহজেই মন কেড়ে নিল।



শুনেছি সাধক ★10)বামাক্ষ্যামার জন্মস্থান এখানেই। তাই এ বার ★আটলার পথ ধরা। তারাপীঠ থেকে সোজা পথ ধরলে মাত্র ৪ কিলোমিটার।

 মসৃণ রাস্তার দু’ধারে গাছ লাগানোর ব্যবস্থা। 
আগে এই রাস্তা ছিল একবারে মাটির। আর বর্ষাকালে অবস্থা আরও খারাপ। তবুও মানুষের ভিড় লেগেই থাকত। পায়ে হেঁটে মানুষের যাতায়াত ছিল। রাস্তা দেখে চোখ জুড়িয়ে গেল।
★ ২৬ কাটা জমিতে গড়ে উঠেছে বামাক্ষ্যাপার মন্দির ও কালীমায়ের মন্দির। এখানেই তাঁর জন্মভিটের মূল চালাটি রেখে নির্মাণ হয়েছে মন্দির।

★11)আমাদের পরের দিনের সূচি ঠিক হল ভদ্রপুরে আকালীপুরের ●গুহ্যকালী, ★12)নলহাটেশ্বরী, 
★13)মুলুটিগ্রামের 
★14)মৌলাক্ষীমা।

★ভোরের হাওয়ায় আমরা আকালীপুরের দিকে রওনা দিলাম। তারাপীঠ থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটারের পথ ভদ্রপুর। রাজা নন্দকুমারের জন্মস্থান। ভদ্রপুর বাসস্ট্যাণ্ডের ডান দিকে আকালীপুরের দেবী আকালীর মন্দির। ●আটকোণা গর্ভগৃহে মহারাজ নন্দকুমারের স্বপ্নে পাওয়া দেবী কালীর মূর্তিতে বৈচিত্র্য আছে। এখানে দেবী সর্পাসনা, সর্পাভরনা, বরাভয়দায়িনী দ্বিভূজা। শ্মশানবাসিনী শ্রীশ্রীগুহ্যকালীকার মূর্তি কষ্টিপাথরের। মন্দিরটি নির্মাণের সময় উত্তর দিকের দেওয়ালটি বিদীর্ণ হয়। আজও সেই ফাটল সাক্ষ্য বহন করে চলেছে। ●আটকোণা মন্দিরের চূড়াতেও উত্থিত ফণাযুক্ত সর্পালংকৃত। ●ব্রাহ্মণী নদীর তীরে শ্মশান ঘেঁষে এই মন্দির। ●ওয়ারেন হেস্টিংসের অসাধুতার প্রতিবাদ করায় মন্দিরটির অসম্পূর্ণ অবস্থায় ফাঁসি হয় নন্দকুমারের।
★ কথিত, মগধরাজ জরাসন্ধের পূজিত দেবীকে ওয়ারেন হেস্টিংস বাংলায় আনেন উত্তর ভারত থেকে। প্রাথমিক সখ্যতার সুবাদে সেই মূর্তি পান নন্দকুমার।


★এখান থেকে ১২ কিলোমিটার পথে নলহাটেশ্বরী। ★এই অঞ্চল থেকে ১৪ কিলোমিটার রামপুরহাট ও ১০ কিলোমিটার তারাপীঠ। 
★অনুচ্চ টিলার ঢালে দেবীপার্বতী বা নলহাটেশ্বরী মন্দিরের জন্য নলহাটি বিখ্যাত। বিষ্ণুচক্রে খণ্ডিত দেবীর কন্ঠহাড় এখানে পড়ায় তাই পীঠে পরিণত হয়েছে। দ্বিমতে নলক বা নলা বা নুলো অর্থাৎ কনুইয়ের হাড় পড়ে এখানে। 
★ভোর ৪টেয় তাকে তেল-হলুদ মাখিয়ে স্নান করানো হয়। এবং তা স্পর্শ করা যায় তখন। 
●চারচালা মন্দিরে লাল কাপড়ে আচ্ছাদিত সিঁদুর মাখানো পাথরে রুপোর চোখ-নাক-মুখ বসিয়ে দেবীরূপে পূজিত হন। ★শোনা যায়, ২৫২ বঙ্গাব্দে স্বপ্নাদেশে কামদেবের আবিষ্কার। মন্দির গড়েন নাটোরের রানি ভবানী। মন্দিরের ডান দিকে আছে বিঘ্ননাশক গণেশমন্দির ও সিঁড়িপথে আছেন দেবীর ভৈরব যোগেশ্বরের মন্দির। মন্দিরের পিছনে টিলারের আকারে বর্গিযুদ্ধে শহিদ পীর কেবলা আনাশাহী মাজার শরিফ। শান্ত-স্নিগ্ধ ছায়াঘেরা পরিবেশ। দুপুরের আহারের জন্য রামপুরহাটে ফিরে এলাম।

temple ma moulakhhi
★14) মা মৌলাক্ষীর মন্দির।
ঝাড়খণ্ডের মুলোটি গ্রামে মা মৌলাক্ষীর মন্দির। রামপুরহাট---দুমকা বাসে ১২ কিলোমিটার গিয়ে সুঁড়িচুয়ার মোড় থেকে বাঁ দিকে আরও ৪ কিলোমিটার পথ। আমরা চলেছি গাড়িতে। 

খর রোদে আর অসাধারণ নৈঃশব্দতা চিরে বাবু দাসের গাড়ি ছুটছিল। জনমানবহীন পরিবেশে ভয় যে একবারে পাইনি তা নয়। তবুও দেখে আসি মৌলাক্ষী মাকে। বাংলা-বিহার সীমান্তে শক্তি-সাধকদের তন্ত্রভূমি দুমকার গুপ্তকালী মুলোটি বা মালুটি বা মল্লহাটি গ্রাম। ★★এখানে দেবীর মন্দির ছাড়াও চোখশান্তি করা 
★টেরাকোটার কাজ করা ৭২টি শিবমন্দির আছে। ছিল ১০৮টি। অবক্ষয়ের পথে যা অবশিষ্ট। প্রতি মন্দিরে শিবলিঙ্গ বর্তমান। এক একটি মন্দিরে টেরাকোটার কাজ দিয়ে পৌরাণিক আখ্যান চিত্রিত।

মৌলাক্ষী মন্দিরে যখন পৌঁছোলাম তখন মধ্যদুপুর পার হয়ে গিয়েছে। আশপাশে ছিলেন পুরোহিত। আমাদের ঘোরাঘুরি দেখে এগিয়ে এলেন।
★ বললেন কিছু কথাও মন্দির নিয়ে। রাজা রাক্ষসচন্দ্র রায় প্রতিষ্ঠিত এই মন্দির। এই মায়ের কাছে এসে প্রথম সাধনা করেন বামাক্ষ্যাপা। পরে তারাপীঠে যান ও মন্দিরের কাছে বিস্তৃত শ্মশানই সাধনক্ষেত্র রূপে বিখ্যাত হয়ে ওঠে। আগেই লিখেছি আশ্বিন মাসের শুক্লা চতুর্দশীতে মূল মন্দির থেকে মাকে বের করে এনে রাখা হয় বিরামঘরে। তখন তারামায়ের মুখ এই মৌলাক্ষী মায়ের মন্দিরের দিকে ফেরানো থাকে। জানা গেল, ইনি বড়মা। তারামা ছোট। এখানে আগে পুজো-বলিদান শুরু হলে তার পরে শুরু হয় তারাপীঠের পুজো।
 ★দ্বারকা নদের এ-পার ও-পার।

[[ ট্রেনের পথে
হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে ট্রেনে রামপুরহাট। সেখান থেকে অটোয় তারাপীঠ। 
সড়ক পথে  কলকাতা থেকে তারাপীঠ
 দূরত্ব ২২৩ কিমি পথ ।
জাতীয় সড়ক ১৯ (পূর্বতন জাতীয় সড়ক ২, দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে) হয়ে বর্ধমান, তার পর জাতীয় সড়ক ১১৪ বরাবর গুসকরা, শান্তিনিকেতন, সাঁইথিয়া হয়ে তারাপীঠ।]]

 আমরা দেখলাম আকালীপুর, গুহ্যকালী, তারাপীঠ, নলহাটি, বীরচন্দ্রপুর, মলুটি,
 মা মৌলাক্ষা।

=========================

■■<3>তৃতীয় ভাগ----

15/3>তারপীঠ-- শান্তিনিকেতন-- বক্রেশ্বর Tarapith Shantiniketan Bakreshwar
 
★1>তারাপীঠ মায়ের মন্দিরে
★2>ইস্কনের মন্দির,
★3>আটলা
★4> বামদেবের মন্দিরে
★5>শান্তিনিকেতন,
। ●ছাতিম তলা, ●কাচঘর, ●নাটক ঘর, ●শিল্প মন্দির, ●মিউজিয়াম,●সোনাঝুরি, ●খোয়াই এর শাল বন। 
★6>কোপাই নদী  ●আদিবাসী পাড়া, 
★7> কংকালীতলা মায়ের মন্দির। 
★8>বক্রেশ্বর


==============

 গিয়েছিলাম তাড়াপীঠে মায়ের মন্দিরে পুজো দিতে । সেদিন রাতভর বৃষ্টিতে নাজেহাল অবস্থা।
 ভেবেছিলাম যাওয়াটাই বেকার হয়ে যাবে । তাও মনের জোরে বেড়িয়ে পড়েছিলাম।  
সকাল 7 টায় ট্রেনে পৌঁছে গেলাম রামপুরহাট স্টেশনে । ওখান থেকে একটা অটো ভাড়া করে ★তারাপীঠ মায়ের মন্দিরে পৌছালাম। অটো ভাড়া জন পিছু ২০ টাকা করে নিয়েছিল । তারাপীঠ পৌঁছেই একটা এসি হোটেল বুকিং করলাম একদম মায়ের মন্দিরের রাস্তায়। হোটেল ভাড়া একদিনের জন্য ১০০০ টাকা । হোটেলে একটু ফ্রেস হয়ে সামান্য কিছু খাবার খেয়ে নিলাম ।
খাবার খেয়ে দুপুর ৩ সময় দ্বারকা নদীর ব্রিজের ওপার এ গিয়ে একটা টোটো রিজার্ভ করে চললাম 
★ইস্কনের মন্দির আর
★আটলা
★ বামদেবের মন্দিরে । টোটো রিজার্ভ নিল ২৫০ টাকা । গ্রামের রাস্তা দিয়ে চললাম মাঠ এর পর মাঠ পার করে চললাম ইস্কন এ । কি অপূর্ব মন্দির । কি শান্তি। শান্ত পরিবেশ। রাধা মাধব এর মূর্তি দেখে মন ভরে যাবে । বাইরে মালপোয়া আর গরম গরম সিঙ্গারা বিক্রি করছিল ইস্কন এর সদস্য রা । কি অপূর্ব খেতে । ওখান থেকে চললাম বামদেব বাবার বাড়িতে ।
বামদেব বাবার মূর্তি ও তারা মায়ের মূর্তি দেখে ফিরে চলে আসলাম সন্ধ্যা ৭ সময় হোটেল এ। দ্বারকা নদীর ওপার থেকে দেশি খাঁসির মাংস কিনে রান্না করতে দিলাম ওখান কার স্থানীয় মহিলাদের কাছে। ১০০ টাকা নিল রান্না করে দিতে ওনারা । কি অপূর্ব স্বাদ না খেলে বোঝা যাবে না । তারপর মায়ের মন্দিরের রাস্তায় দোকান পাঠ ঘুরে ঘুরে দেখলাম। 

পরেরদিন ভোর ৬ টার সময় উঠে স্নান সেরে চললাম মায়ের পুজো দিতে । দুটো মালা কিনে নিলাম। পৌঁছে গেলাম আমাদের পাণ্ডার দোকানে ।
ভক্তি ভরে পুজো দিলাম । পাশেই শ্মশান ঘুরে দেখলাম ।
এবার রওনা দিলাম★ শান্তিনিকেতনের উদ্দেশে।

 রামপুরহাট স্টেশন থেকে সকাল ৯.৩০ মিনিটে সাহেবগ্ঞ্জ বর্ধমান লোকাল ট্রেন ধরে বোলপুর এসে পৌছালাম ১১.৩০ মিনিটে ।
একটি অটো বুক করে  চললাম শান্তিনিকেতনে।
শান্তিনিকেতনে একটি হোটেল বুক করলাম ১০০০ টাকা রুম ঝা চকচকে হোটেল।
হোটেল এর নিচেই ছিল রেস্টুরেন্ট সেখানে দুপুরের খাবার খেয়ে বেড়িয়ে পড়লাম ২.৩০ নাগাদ শান্তিনিকেতন দেখতে অটো করে । ●ছাতিম তলা, ●কাচঘর, ●নাটক ঘর,●শিল্প মন্দির, ●মিউজিয়াম,●সোনাঝুরি, ●খোয়াই এর শাল বন। রাত্রি ৯টা নাগাদ ফিরে গেলাম হোটেলে।
পরের দিন সকালে স্নান করে ব্রেকফাস্ট সেরে একটা অটো ভাড়া করে গেলাম 
●কোপাই নদী  ●আদিবাসী পাড়া, এবং 
● কংকালীতলা মায়ের মন্দির। 
এবার হোটেল এ ফেরার পালা । ফিরে আসলাম ৬.৩০ নাগাদ হোটেলে । রাতের খাবার খেয়ে শুয়ে পড়লাম।
পরের দিন সকালে একটি অটো ভাড়া করে  ৭ টার সময় বেড়িয়েপড়লাম, ●বক্রেশ্বর এর পথে ৫৬.২ কিমি দুরের রাস্তা । পথে চারিদিকে খুবই সুন্দর বন জঙ্গল, শান্ত নিরিবিলি । বনের মধ্যে দিয়ে অটো চলছে আমাদের নিয়ে। পি ডাবলু ডির রাস্তা ঘাট খুব সুন্দর ছিল। বক্রেশ্বর নদী পেড়িয়ে আমরা পৌছালাম সিউরি তে। ওখানে গিয়ে ব্রেকফাস্ট করে আবার চললাম বক্রেশ্বর এর পথে ৯.৩০ নাগাদ পৌঁছে গেলাম বক্রেশ্বরে । 
বিক্রেশ্বরের হট স্প্রিং অর্থাৎ গরম জলের কুণ্ডে ঢুকতে ৫ টাকা করে টিকিট কেটে গরম জলে স্নান করলাম। পুরুষ মহিলা আলাদা স্নানের ঘর বাথরুম ছিল। কোন অসুবিধে হয়নি কারো। প্রায় ১ ঘণ্টা স্নান করে ওখান থেকে শিব মন্দির দেখে  পুজো দিয়ে আবার বোলপুরের দিকে রওনা দিলাম । বেলা ১.৩০ মিনিট নাগাদ পোঁছে গেলাম বোলপুরে । 
রাস্তার ধারে হোটেলেই দুপুরের খাওয়া
খেয়ে নিয়ে ছিলাম।
বোলপুর স্টেশন থেকে কবিগুরু 
এক্সপ্রেস (দুপুর ২.১০ মিনিট) ধরে বাড়ি ফিরলাম । 
=======================




°======================================


■■■<4>চতুর্থ ভাগ

15/4>তারাপীঠ  ভ্রমণ ও পূজা হোম, যজ্ঞ  --19 to 21/08/2017
                               <---©-আদ্যনাথ--->


ঘুরে আসলাম তারাপীঠ--19 to 21/08/2017

দুই দিন করলাম হোম, যজ্ঞ ,মায়ের মন্দিরে ও শ্মশানে।
করলাম " তাঁরা মায়ের " পূজা ও আরাধনা।
19/08/2017  রাত্রি থাকে 21/08/2017 সকাল পর্যন্ত। চতুর্দশী, অমাবস্যা, ও সন্ধি ক্ষনে।
মায়ের মন্দিরে ও শ্মশানে।
ওই রাত্রে লাশ জ্বলে ছিল তিনটি।
খুব ভালই হল হোম শ্মশানে।
তারাপীঠ আসলে একটি ‘সিদ্ধপীঠ’।
তাঁরা পিঠ কে অনেকেই শক্তি পিঠ বলে মনে করে।
আসলে একটি ‘সিদ্ধপীঠ’।
একান্ন শক্তি পিঠের মধ্যে এটি গণ্য নয়।
তবে বাহান্ন পিঠের এক পিঠ রূপে গণ্য।


আমাদের শাস্ত্রের বিশ্বাস
কৌশিকী অমাবস্যায় খুলে যায় স্বর্গ-নরকের দ্বার।
অতশত জানিনা তবে এই বিশেষ দিনে হোম,যজ্ঞ
ও পূজার্চনা করে বিশেষ আনন্দ পাই।ভালো লাগে
তাই করি।
আসমার সাথে ছিল পাঁচ জন।
পাঁচ জনই ধানবাদের।

তারাপীঠ পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার রামপুরহাট শহরের কাছে অবস্থিত একটি ক্ষুদ্র মন্দির নগরী। এই শহর তান্ত্রিক দেবী তারার মন্দির ও মন্দির-সংলগ্ন শ্মশানক্ষেত্রের জন্য বিখ্যাত। হিন্দুদের বিশ্বাসে, এই মন্দির ও শ্মশান একটি পবিত্র তীর্থক্ষেত্র। এই মন্দির শাক্তধর্মের পবিত্র বাহান্ন পিঠের এক পিঠ । সতীপীঠের অন্যতম। এই স্থানটির নামও সেখানকার ঐতিহ্যবাহী তারা আরাধনার সঙ্গে যুক্ত।
অন্য সব অমাবস্যা থেকে কৌশিকী অমাবশ্যা একটু আলাদা। তন্ত্র ও শাস্ত্র মতে ভাদ্র মাসের এই তিথিতে অনেক কঠিন ও গোপন সাধনা করলে আশাতীত ফল মেলে। সাধক কুন্ডলিনী চক্রকে জয় করে, বৌদ্ধ ও হিন্দু তন্ত্রে এই দিনের এক বিশেষ `মহাত্ব আছে। তন্ত্র মতে এই রাতকে তারারাত্রি বলা হয়। এ রাতের এক বিশেষ মুহূর্তে স্বর্গ ও নরকের দুয়ার মুহূর্তের জন্য উম্মুক্ত হয়। সে সময় কোনো সাধক নিজের ইচ্ছে মতো ধনাত্মক অথবা ঋণাত্মক শক্তি নিজের সাধনার মধ্যে আত্মস্থ ও সিদ্ধি লাভ করতে পারে।
এই কৌশিকী অমাবশ্যায় তারাপীঠের মন্দিরে চলে নানা ধরনের পূজা ও সাধনা।
তারাপীঠ সেখানকার ‘পাগলা সন্ন্যাসী’ বামাক্ষ্যাপার জন্যও প্রসিদ্ধ। বামাক্ষ্যাপা এই মন্দিরে পূজা করতেন এবং মন্দির-সংলগ্ন শ্মশানক্ষেত্রে কৈলাসপতি বাবা নামে এক তান্ত্রিকের কাছে তন্ত্রসাধনা করতেন। বামাক্ষ্যাপা তারা দেবীর পূজাতেই জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। মন্দিরের অদূরেই তার আশ্রম অবস্থিত।
<---©-আদ্যনাথ--->

||=-©➽=ANRC=21/08/2017===||
||===≠=====================||

■■■<5>পঞ্চম ভাগ--------


15/5>কঙ্কালীতলা কেন মহান শক্তিপীঠ,

Tarapith,west Bengal,
Pin---731233.
Kankalitala, west Bengal,
Pin--731204.
Tarapith to kankalitala Distance on Road--59 kM
Bolpur station to kankalitala Distance--9 kM
Prantik stn to kankalitala
Distance--6 KM.

শান্তিনিকেতনে বেড়াতে গেলে কঙ্কালীতলা মন্দিরে যাননি বা পুজো দেননি, এমন মানুষ খুব কম মিলবে। পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় তো বটেই, এই শক্তিপীঠ স্থানীয়দের কাছেও অত্যন্ত প্রসিদ্ধ।

বীরভূম জেলার বোলপুর থেকে ৯ কিলোমিটার দূরে কোপাই নদীর তীরে শক্তিপীঠ কঙ্কালীতলা।
তন্ত্রচূড়ামতির মতে, এটি ২৮ নং সতীপীঠ। প্রাচীনকালে এই জায়গাটি কাঞ্চি নামে প্রসিদ্ধ ছিল। তন্ত্রচূড়ামনিতেও এই স্থানের উল্লেখ আছে। পীঠ নির্ণয়তন্ত্র অনুসারে এখানে সতীর অস্থি পরেছিল, সেই কারণে এই পীঠের নাম হয় কঙ্কালীতলা। আবার ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যগ্রন্থে লেখা রয়েছে, এখানে সতীর কটিদেশ বা কোমরের অংশটি পরেছিল। তবে এই শক্তিপীঠ নিয়ে শাস্ত্র ও মানুষদের মধ্যে মতানৈক্য রয়েছে।

এখানে দেবীর ছবি হিসেবে পূজো করা হয়।
এই শক্তিপীঠের দেবী গর্ভাদেবী নামে প্রসিদ্ধ ও ভৈরব রুরু নামে পূজিত হয়। দেবীর মন্দির সংলগ্ন একটি কুণ্ড রয়েছে। যা নাকি এটির সঙ্গে বহু মাহাত্ম্য লুকিয়ে আছে। কুণ্ডের মধ্যে কয়েকটি প্রস্থর খণ্ড আছে, যেগুলিকে সাধকরা দেবীর দেহের অংশ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এই প্রস্থর খণ্ডগুলি কুড়ি বছর অন্তর কুণ্ড থেকে তোলা হয়, পরে পূজার পর সেগুলিকে পুনরায় কুন্ডের জলে ডুবিয়ে দেওয়া হয়। কথিত আছে, কঙ্কালীতলার কুন্ডের সঙ্গে কাশীর মনিকরনিকা ঘাটের সরাসরি সংযোগ আছে। কঙ্কালীতলার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নানা রকম অলৌকিক ঘটনা। তাই পর্যটকদের কাছে এই স্থান আকর্ষনীয় বটে।

উল্লেখ্য, কঙ্কালীতলা গুপ্ত তন্ত্রসাধনার জন্য খুবই বিখ্যাত। সাধকদের পাশাপাশি এখানে সারা বছর সাধারণ পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে।
=======================


■■■■<6> ষষ্ঠ ভাগ।--------

15/6>कंकालीतला शक्ति पीठ :
जहां गिरी थी मां सती की कमर।

Tarapith,west Bengal,
Pin---731233.
Kankalitala, west Bengal,
Pin--731204.
Tarapith to kankalitala Distance on Road--59 kM
Bolpur station to kankalitala Distance--9 kM
Prantik stn to kankalitala
Distance--6 KM.

तारापीठसे गाड़ी रिजर्व कर लिजिये और पौंछ जाइये कंकालीतला शक्ति पीठके ।
कंकालीतला में आप अपना दोनों बेटा के लीये पूजा दीजिये।
पूरा भक्ति श्रद्धा के साथ माँ के पास अपना सारे दुःख दर्द ब्यक्त कीजिये मने मन।
इहा पर माँ की पास प्रार्थना तथा मनकामना सम्पूर्ण रुपे, निश्चित फल लाभ होंते हैं।

★★★साबधान
तालाब पर उतरिये नेही।

बीरभूम जिलेकी बोलपुर स्टेशनसे 9 km,
कोपई नदी के किनारे स्थित यह कंकालीतला शक्ति पीठ, शहरों के कोलाहल से काफी दूर है।

कंकालीतला शक्ति पीठ,
देश के 51 शक्ति पीठों में से एक कंकालीतला शक्ति पीठ है, जो पश्चिम बंगाल के शांतिनिकेतन के पास स्थित है। कहा जाता है कि देवी सती का कमर वाला हिस्सा यहीं गिरा था। अन्य मंदिरों से काफी अलग यहां का माहौल बेहद शांत और कोलाहल से कोसों दूर है। यहां मां काली के रूप मां कोंकली की पूजा की जाती है।

शांतिनिकेतन के पास कुछ ही दूरी पर स्थित कंकालीतला शक्ति पीठ देखने कम लोग ही जाते हैं। कोपई नदी के किनारे स्थित यह शक्ति पीठ शहरों के कोलाहल से काफी दूर है। बल्कि यह कहना अधिक उचित होगा कि कंकालीतला शक्ति पीठ गांव के किनारे बसा है। यहां लोगों की पहुंच बहुत ज्यादा नहीं है। कुछ साल पहले तक तो यहां पहुंचने के ठीक-ठाक रास्ता तक नहीं था।

वह काली मंदिर जहां प्रसाद के तौर पर चढ़ाए जाते हैं फल प्रोसद।
कंकालीतला के पीछे की पौराणिक कथा----

देश भर में स्थित कुल 51 शक्ति पीठों में से एक शक्ति पीठ कंकालीतला भी है। पौराणिक कथाओं के अनुसार, सतयुग में राजा दक्ष ने भगवान शिव से बदला लेने के लिए यज्ञ का आयोजन किया था। दरअसल उनकी बेटी सती ने उनकी इच्छा के खिलाफ योगी शिव से ब्याह कर लिया था। इस यज्ञ के लिए दक्ष ने शिव-सती को छोड़कर सभी को आमंत्रित किया था। सती द्वारा जिद किए जाने पर शिव ने अपने गणों के साथ सती को वहां भेज दिया। सती का वहां स्वागत नहीं हुआ। बल्कि दक्ष ने शिव का अपमान किया। इससे दुखी होकर सती ने खुद को समाप्त कर लिया। इस तकलीफ से दुखी शिव ने दक्ष का सिर काटकर उसके स्थान पर बकरी का सिर लगा दिया। बावजूद इसके वह इतने दुखी थे कि सती के शरीर को लटकाकर उन्होंने तांडव नृत्य करना शुरू कर दिया। देवों द्वारा उन्हें रोकने की नाकाम कोशिश के बाद भगवान विष्णु ने अपने सुदर्शन चक्र से सती के शरीर के कई हिस्से कर दिए। सती के शरीर के हिस्से जहां- जहां गिरे, उस स्थल को शक्ति पीठ कहा गया। इनमें से ही एक शक्ति पीठ कंकालीतला है, जहां देवी सती का कमर गिरा था। बांग्ला में कमर को कांकल कहा जाता है।

कंकालीतला मंदिर की विशेषता

कंकालीतला मंदिर
कंकालीतला मंदिर कोपई नदी के किनारे स्थित है। यहीं पर शमशान घाट भी है, जहां कई बड़े तांत्रिकों की समाधि भी है। यह स्थान तंत्र- मंत्र विद्या के लिए भी प्रसिद्ध है। यहां के निवासी बताते हैं कि कई बड़े तांत्रिकों ने यहीं अपनी सिद्धि को प्राप्त किया। कंकालीतला मंदिर में देवी की कोई मूर्ति नहीं बल्कि मां कोंकली की एक तस्वीर (ऑयल पेंटिंग) केवल है। मां कोंकली मां काली का रूप ही हैं। जाहिर सी बात है मां कोंकली का यह रूप मां काली से काफी हद तक मिलता-जुलता है। वही रक्त रंजित लंबी सी जिह्वा और रौद्र रूप! मां कोंकली को सालों से इस जगह पर पूजा जाता है। यह मंदिर काफी छोटा और सादा है, बिना किसी प्रसिद्धि से दूर। खूबसूरती के लिहाज से यह मंदिर दिखने में बेहद सादा है। न तो कोई नक्काशी की गई है और न ही कोई शोर- शराबा। यहां के एक पेड़ पर श्रद्धालु अपनी इच्छाओं के पूरा करने की चाह में टूटे हुए ईंट के टुकड़ों को भी बांधते हैं।

कंकालीतला मंदिर के आस-पास  में एक अन्य महत्वपूर्ण स्थान मंदिर के पीछे स्थित छोटा सा तालाब है। किंवदन्तियों के अनुसार, सती मां के शरीर का हिस्सा कमर इसी तालाब में समाहित हुआ था। इस जगह पर मां सती की कमर गिरने से गड्ढा हुआ था और बाद में यहां पानी भर गया। कहा जाता है कि इस पानी के नीचे अब भी उनकी कमर समाहित है। यही वजह है कि यहां के स्थानीय निवासियों के लिए यह तालाब धार्मिक नजरिए से काफी मायने रखता है।

सती मंदिर के बाहर लगे वृक्षों पर प्रार्थना में उपयोग होने वाली मालाएं लटकी रहती हैं।

मंदिर से पहले ही प्रसाद के लिए कई छोटी दुकानें सजी रहती हैं। यहां प्रसाद के रूप में परंपरागत बंगाली मिष्ठान्न के अलावा गुड़हल के लाल फूल की माला भी मिलती है। गुड़हल का लाल फूल मां कोंकली को विशेष तौर पर चढ़ाया जाता है। प्रसाद लेकर जैसे ही आप मंदिर के भीतर जाएंगे, वहां बैठे पुजारी आपका और आपके अपनों का नाम लेकर पूजन विधि शुरू  कर देते हैं। फिर आप अपने पूरे लंबे-चौड़े परिवार के हर सदस्य का नाम बताना चाहें। शायद इतनी तल्लीनता से पूजा यहीं होती है।


बीरभूम जिले के बोलपुर में स्थित यह शक्ति पीठ बोलपुर रेलवे स्टेशन से नौ किलोमीटर की दूरी और शांतिनिकेतन से करीब बारह किलोमीटर की दूरी पर स्थित है।

यूं तो यह स्थान साल के बारहों महीने शहरों के कोलाहल से दूर है।

कोलकाता से इस जगह की दूरी ढाई घंटे दूर है और दुर्गापुर से करीब एक घंटे।
   <---आद्यनाथ राय चौधरी---->
========================


No comments:

Post a Comment