Monday, March 20, 2017

10>ভ্রমন= বারাণসী ভ্রমন==মার্কণ্ডেয় মহাদেব মন্দির ধাম==বিন্ধ্যাচল

ভ্রমন=বারাণসী==মার্কণ্ডেয় মহাদেব মন্দির ধাম==বিন্ধ্যাচল
হিন্দু পুরাণ এবং ঐতিহ্যে সম্মেলিত প্রাচীন শহর::--

 ধানবাদ থেকে আমি রাঘো সিং,
এবং চৌবেজী ( পন্ডিত জী) , আর রামানন্দ প্রসাদ সিং। আমরা সকলে পৌঁছে গেলাম রাঘো সিং এর বাড়িতে।
আমরা 10 দিন খুব সুন্দর করে ঘুরে বেড়ালাম সম্পুর্ন বেনারস ও আসে পাশের  দর্শনীয় স্থান গুলি।
প্রথমে সেই সকল স্থান গুলির বিবরণ দিচ্ছি। তার পরে নাহয় বলবো আমার কথা ও কিছু অলৌকিক ঘটনা যা ঘটতে দেখেছি এবং অভিভূত হয়েছি।
আমরা প্রথম 4দিন সম্পুর্ন বেনারস ঘুরে দেখলাম।
রাঘোর নুতন কারুটি  অলটো করে করে ঘুরে বেড়ালাম।

বারাণসী::--

ভারতের প্রাচীন শহরগুলির মধ্যে বারাণসী বা কাশী হল অন্যতম। তাই গঙ্গার তীরবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত এই শহরটি ঐতিহাসিক গুরুত্ব কিন্তু অপরিসীম । তবে বারাণসী স্থানটি ধর্মস্থান হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত ।

বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন শহর এই বারাণসী বা কাশী।  দেশ বিদেশ থেকে পর্যটকরা বারে বারে দেখতে আসে এই ঐতিয্যপূর্ণ শহরকে । 

অবস্থান
ভারতের প্রাচীন শহর বারাণসী বা বেনারস উত্তরপ্রদেশের রাজ্যের রাজধানী শহর লখনৌ ৩২০ কিমি দূরে অবস্থিত ।

বারাণসীর শহরের পৌরাণিক কাহিনি::---

হিন্দু পুরাণ অনুযায়ী ত্রিলোকের প্রধান দেবতা ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শিব এই তিন দেবতার মধ্যে ভগবান শিব বারাণসী শহরের নির্মাণ করেন। একদা ব্রহ্মা এবং শিবের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়, সেই যুদ্ধে ব্রহ্মার পাঁচটি মস্তক থেকে একটি মস্তকছেদ করেন ভগবান শিব। যুদ্ধে জয়ী হয়ে ব্রহ্মার কাটা যাওয়া মস্তক হাতে নিজের জয় ঘোষণা করেন। ভগবান শিব এই সময়ে প্রায় সর্বদাই ব্রহ্মার মস্তকটি মুঠোবন্দি করে রাখতেন । কিছুদিন পর শিব যখন বারাণসীতে আসেন, হঠাৎ করেই তার মুঠোবন্দি ব্রহ্মার মস্তকটি মাটিতে পড়ে যায় এবং তৎক্ষণাৎ সেই মস্তকটি মাটি থেকে উধাও হয়ে যায় । এই ঘটনার পর থেকেই হিন্দু শাস্ত্রে বারাণসীকে পবিত্র স্থান হিসেবে মনে করেন হিন্দু ভক্তগণ ।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব ::--

★ বারাণসী শুধুমাত্র হিন্দু ধর্ম নয় বৌদ্ধ ধর্মের ও অন্যতম পীঠস্থান। খ্রীস্টপূর্ব ৫২৮ সালে বারাণসীর সারনাথে গৌতম বুদ্ধ প্রথম ধর্মপোদেশ দেন।
★. খ্রীস্টপূর্ব ৬৩৫ সালে চৈনিক পর্যটক হিউএন সাং বেনারসের আসেন। সেই সময় এই শহরের সংস্কৃতি এবং ধর্ম তাকে ভীষণভাবে মুগ্ধ করে।
★. ৮ম শতকে আদি শংকরাচার্য শিবের মন্দির নির্মাণ করেন।
★ মধ্যযুগে বারাণসী চেরো সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল।
★ পরবর্তী কালে মোঘল রাজা আকবরের আমলে ও এই শহরের বিকাশ ঘটে ।
★এছাড়াও সিল্ক শিল্পের জন্য ও এই শহরের জনপ্রিয়তা রয়েছে ।

বেনারসের দর্শনীয় স্থান সমূহ::;--
1>●কাশী বিশ্বনাথ মন্দির::---

বেনারসের প্রধান দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে সর্বপ্রথম দর্শনীয় স্থানটি হল - বিশ্বনাথ মন্দির। মন্দিরটি হিন্দুদের প্রধান ধর্মস্থান হিসেবেও পরিচিত । বিশ্বনাথ মন্দিরের শিখরটি প্রায় ৮০০ কিলোগ্রাম সোনা দ্বারা নির্মিত । বহু ইতিহাসের সাক্ষী এই মন্দিরটির স্থাপত্যশিল্পের অসাধারণ নিদর্শন । মন্দিরের গর্ভগৃহে স্থাপিত আছেন ভগবান শিব ।

2>● রামনগর ফোর্ট:---

১৮ শতকে নির্মিত এই ফোর্টটি প্রধান শহর থেকে প্রায় ১৪ কিমি অদূরে অবস্থিত। এখানে প্রায় ১৫০ বছরের প্রাচীন অস্ত্রশস্ত্র, রাজাদের ব্যবহৃত হুক্কা, অলংকার এবং তৎকালীন প্রত্নতত্ত্ব এর সাক্ষী বহন করছে। 
এখানে ফোর্ট সংলগ্ন বেদব্যাসের মন্দির, এক দর্শনীয় স্থান। 

3>● শ্রী দূর্গা মন্দির:;---

আধ্যাত্বিকতায় পরিমন্ডিত শহর হলো বেনারস । তাছাড়াও শিব দর্শন করলে শক্তি দর্শন না করলেই নয় । তাই অসি ঘাট থেকে মিনিট পাঁচেক হেঁটে দর্শন করে নিন ৩০০ বছরের প্রাচীন শ্রী দূর্গা মন্দির ।

4>●সংকটমোচন হনুমান মন্দির::--

হিন্দু পুরাণ এবং ঐতিহ্যে সম্মেলিত 
অসিঘাটের নিকটে অবস্থিত এই মন্দিরে ভগবান রাম এবং হনুমান স্থাপিত আছেন


5>● বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়::---

এশিয়ার বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় গুলির মধ্যে অন্যতম হল বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষা প্রসারে এবং ইতিহাসের দিক দিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি সকলের কাছেই পরিচিত।

6>●ধামেখ স্তূপ=সারনাথে স্তূপ

বারাণসী থেকে ১৩কিমি অদূরে সারনাথে এই স্তূপটি অবস্থিত । পাথর ও ইট সহযোগে নির্মিত এই স্তূপটি ৪৩.৬ মিটার লম্বা। ঐতিহাসিকদের মতে এই স্তূপটি খ্রীস্টপূর্ব ২৪৯ সালে নির্মাণ করা হয় । বৌদ্ধধর্ম মত অনুযায়ী এই ধামেখ স্তূপে বসেই বুদ্ধদেব প্রথম ধর্মমত প্রদান করেন।

7>● কাল ভৈরব মন্দির::---

বেনারসের প্রাচীন শিবমন্দির গুলির মধ্যে কাল ভৈরব মন্দির অন্যতম । এখানে শিবের গলায় রয়েছে মুণ্ডমালা । স্থানীয় মানুষরা এই দেবতাকে শ্রদ্ধা করেন তেমন ভয়ও করেন। তাই এখানকার মানুষ বেনারসের বাইরে কোথাও গেলে দেবতার অনুমতি নিয়েই যান ।

 

বেনারসের বিখ্যাত ঘাট সম্পর্কে কিছু তথ্য 

★1>. দশাশ্বমেধ ঘাট - বেনারস বলতেই যে ঘাটটির কথা প্রথমেই মাথায় আসে সেটি হল - দশাশ্বমেধ ঘাট। গঙ্গার প্রবহমানতা, সাধুদের যাতায়াত, ফুল বিক্রেতাদের কোলাহল, ঘাটের পাড়ে বাঁধা নৌকার ইত্যাদি দৃশ্যগুলো অনেকটা পটে আঁকা ছবির মতো । এছাড়াও সন্ধেবেলায় গঙ্গা আরতি দর্শনের জন্য এটি আদর্শ স্থান ।

★2> অসি ঘাট - অসি ঘাটের প্রধান বিশেষত্ব হল - সয়ম্ভূ মোটা শিব । অসি ঘাটের রূপটা কিছুটা আলাদা । পর্যটকদের তেমন ভিড় না থাকায় এখানে বহু ধ্যানমগ্ন সাধুদের দেখা মেলে ।


★3> মণিকর্নিকা ঘাট - হিন্দু শাস্ত্র অনুসারে এই ঘাটে দেহসৎকার হলে মোক্ষ লাভ করা যায় ।

★4> কেদার ঘাট - কেদারঘাটে ভগবান কেদারনাথ স্থাপিত আছেন । এখানে ভগবান শিবের নিত্য আরাধনা করা হয় ।
★5>এ ছাড়া আরও অনেক ঘাট আছে 
 তবে বেনারসে মোট ঘাটের সংখ্যা 84।
অর্থাৎ বেনারসে 84 টি ঘাট আছে।
এবং প্রতিটি ঘাটই বিশেষ মহত্যপূর্ন ঘাট।



আমরা নৌকা ভাড়া করে গঙ্গার সকল ঘাট গুলি ঘুরে বেড়ালাম প্রায় 4 ঘন্টা।
সন্ধ্যায় দেখলাম অপূর্ব মনোমুগ্ধকর গঙ্গা আরতি । যা দেখে আপ্লুত মনে গভীর শ্রদ্ধা ও ভক্তির স্রোতে কিছুসময়েরজন্য বুদ হয়ে রইলাম। কারন এমন সুন্দর আরতি এই প্রথম দেখলাম।
আর কিছু সত্য অনুভব করলাম যে  বেনারস শহরের ও এই গঙ্গা ভ্রমনের মধ্যে সূক্ষ আধ্যাত্মিকতা প্রলেপ রয়েছে, যা সকলে উপলব্ধি করতে পারে কিনা না জানিনা, তবে আমি আজ আপ্লুত অভিভূত । শোনা যায় বেনারসের ঘাটে ঘাটে শিব বর্তমান রয়েছেন । ইচ্ছা করলে সেই আদি দেবতাকে  ও খুব কাছ থেকে উপলব্ধি করতে পারা যায় এবং সত্যি প্রত্যক্ষ অনুভব করলাম।
মনে হচ্ছে এমন অবস্থা শুদু আমার নয় মনেহয় আমাদের নৌকায় আমরা চারজনেরই একই অবস্থা।



★6> বেনারস মানেই বেনারসী শাড়ী এবং বেনারসী পান । স্বভাবতই আমাদের কারুরই বেনারসী শাড়ীতে মন না থাকলেও বেনারসী পানের লোভ সকলের আছে।
তবে হ্যা রামানন্দ জী পানের সৌখিন নন উনি খৈনিকেই বেশি পছন্দ করেন।
আমরা সকলেই খৈনি খাই তবে বেনারসী পানের লোভ ত্যাগ করা বড়ই কঠিন।
তাই রামানন্দ জি ছাড়া আমরা তিনজনেই পান খেতাম।
রাঘো যেহেতু বেনারসের ছেলে তাই ওর জানা আছে কোথায় কেমন পান পাওয়া যায়।
এবার বলি আমাদের কিছু কথা।
হয়তো আমার সকল কথা সকলে ঠিক বিশ্বাস করতে নাও পারে । তাতে আমার কোন আপত্তি নাই। যে ঘটনা ঘটেছিলো আমি সেই টুকুই বর্ননা কিরছি।
সত্যি মিথ্যার প্রমাণ দেওয়া সম্ভব নয়।
তবে যে ঘটনা ঘটে ছিল তার প্রথম থেকে বলছি।
প্রথম যেদিন আমরা বেনারসে পৌঁছে ছিলাম সেদিন দুপুরে  খাবার খেয়ে একটু বিশ্রাম কিরছিলাম, এমন সময়ে রাঘো এসে বললো একটি সু-খবর আছে।
আমরা সু-খবরটি জানবার উৎসুক হয়ে জানতে চাইলাম সু- খবরটি।
ঠিক তখনই আমাদের ঘরে প্রবেশ করলেন এক পুলিশ ইন্সপেক্টর।
রাঘো পরিচয় করিয়ে দিলো যে উনি রাঘোর মেসো মশাইয়ের বড় ছেলে ।
ঠিক আজকেই এসেছেন কাশীতে বিশ্বনাথ মন্দিরে ওনার ডিউটি পড়েছে আগামী সাত দিনের জন্য।
আমাদের আর আনন্দের সীমা রইলনা । কারণ বিশ্বনাথ মন্দিরে দর্শন ও  বাবা বিশ্বনাথের  চার বেলার ভব্য আরতি দেখার সুযোগ পাবো।
সাধারণ ভাবে তিন বেলার আরতি যে কেউ একটু কষ্ট করে দুই তিন দিনের মধ্যে দেখতে পারেন। কিন্তু মধ্যরাতের আরতি দেখার সুযোগ সকলের হয় না।
যে আরতি সন্ধ্যা আরতির পরে হয়।
কারন সেই সময় মন্দিরের ভিতরের সকল আলো নিভিয়ে দিয়ে আরতি হয়।
সেই আরতি দেখার সুযোগ কেবল নেতা মন্ত্রী ও বিশেষ জনেই পেয়ে থাকেন।
আমরা ভাগ্য বান কারন সামন্ত বাবু বললেন যেহেতু ওনার ডিউটি থাকবে মন্দিরে সেই হেতু আমরাও প্রবেশের অধিকার পেতে পারি সেই ভব্য আরতি দেখবার।
আমরা দুইদিনে মিলিয়ে দেখেছিলাম চার বেলার আরতি।
সেই আরতির বর্ননা করার ক্ষমতা বা ভাষা আমার সাধ্যের বাইরে।
শুদু এই টুকুই বলতে পারি যে সেই আরতির দৃশ্য আজীবন ভুলতে পারবোনা।
আমাদের গঙ্গা ভ্রমনেও সামন্ত বাবুর সহায়তায় সুন্দর নৌকার ব্যবস্থা ও সুন্দর করে ভ্রমন ও আরতি দর্শন সেও যেনএক অলৌকিক ঘটনা।
কারন সামন্ত বাবু একজন ভালো গাইডের ব্যবস্থা করে দিয়ে ছিলেন।
গাইড রূপে ছেলেটি ভারত সরকারের টুর  ও গাইডের সিনিয়র অফিসর ফলে উনি 
আমাদের নৌকা বিহারের প্রতি ক্ষণে সুন্দর করে প্রতিটি স্থানের বর্ননা করছিলেন। আমরা মুদ্ধ হয়ে শুদু দেখছিলাম আর ওনার মুখের ভাষণ শুনে মিলিয়ে নিচ্ছিলাম আর রাঘো কে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছিলাম  মনে মনে ।
এতো গেল বাবা কাশী বিশ্বনাথের পূজা ও আরতি দর্শন এবং গঙ্গায় আরতি দর্শন।
এছাড়া বেনারসে যে গলিতেই গেছি দেখেছি শিবের মন্দির । কত কত মন্দির 
বিশেষ করে মনে পড়ে মোটা শিবের মন্দির।
সত্যি বেনারস শিবের ঘর। আলী গোলি সর্বত্র শিব আর শিব। বেনারস শিব ময়।
সিন্ধায় সকল মন্দিরে যখন আরতি শুরু হয় তখন মনেহয় সম্পুর্ন বেনারস আনন্দে উৎফুলিত হয়ে দুই হাত তুলে নাচছে।
সমগ্র বেনারস যেন কৃত্যনে মুখরিত।
শিব নাম যেন মহা মন্তের নাম।
শিব নাম সংকীর্তন যেন বেনারসে র সকল মানুষের হৃদকম্পন।
সকলে শিব নামে অভিভূত।
শিব শিব শিব কাশী ই শিব,
শিব ময় কাশী 
শিব ময় কাশী বাসী।
কাশীর আকাশ বাতাস সকলই শিব ময়।
=======================
   6 ষষ্ঠ দিন::--

★■ >এবার আমাদে গন্তব্য মার্কণ্ডেয় মহাদেব মন্দির ধাম।
মার্কণ্ডেয় মহাদেব মন্দির ধাম।

MARKANDEY MAHADEV DHAM KAITHI.
मार्कंडेय महादेव मंदिर धाम।
মার্কণ্ডেয় মহাদেব মন্দির::--
উত্তর প্রদেশ,=কাইথি নামক অঞ্চলে , বারাণসী থেকে 30 কিলোমিটার,
আমরা রাঘোর গাড়িতে করে বেরিয়ে পিরলাম 
বারাণসী--গাজীপুর রোডে গঙ্গা গোমতীর তীরে মারকেন্ডায় মহাদেব ঘাটে।
পূর্ন তীর্থস্থান দর্শনে।
ভগবান শিব সম্পূর্ণরূপে এই মন্দিরে নিবেদিত।
(Markandey Mahadv Ghat (मार्कंडेय महादेव घाट) Kaithi Varanasi,
ये तीर्थ स्थल वाराणसी-गाजीपुर मार्ग पर स्थित गंगा-गोमती के तट पर स्थित है। )

মার্কণ্ডেয় মহাদেব পূর্বাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ দেবতা 
যিনি দ্বাদশ শিব জ্যোতির্লিঙ্গের সমতুল্য।
মার্কণ্ডেয় পুরাণেও বর্ণিত আছে।
বিভিন্য অঞ্চলের বিভিন্য মানুষ এখানে আসেন তাঁদের মনবাসনা পূর্ন করার মনবাসনা নিয়ে।
এই মন্দিরকে মহামৃত্যুঞ্জয় মন্দির রূপেও জানাজায়।
এ এক নিরালায় শান্তি পূর্ন স্থান।
এখানে গঙ্গার জল এতো পরিষ্কার ও স্বচ্ছ যে জলের নিচের শেওলা ও পাথর পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছিলাম।
আমরা খুব সুন্দর ভাবে স্নান সেরে মন্দিরে গিয়ে পুজো দিলাম এখানে কোন ভিড় না থাকার কারনে পুজো দিলাম আরামে এবং কিছুক্ষন জপ ধ্যান ও করতে পারলাম। এমন শান্তি পূর্ন স্থানে বসে পূজা ও ধ্যান করে সত্যি মনে বেশ শান্তি অনুভব করলাম।
==========================
    7 সপ্তম দিন::---

আজ আমাদে গন্তব্য বিন্ধ্যাচল::---
 " মা" বিন্ধ্যবাসিনী
    
বিন্ধ্যাচল::-----

এবারে আমাদের গন্তব্য  উত্তর প্রদেশের বিন্ধ্যাচল পর্বত। যেখানে দানববীরদের সংহার করেন মা দুর্গা।
বারাণসী থেকে বিন্ধ্যাচল ৭০কি :মি দূরত্ব ,সময় লাগে দুঘন্টার মতো ,মূলত সরু গলি ও দোকান বাজারের মধ্যে এই মন্দির । গঙ্গার দিকথেকে সিঁড়ি দিয়েও যাওয়া যায় মন্দিরে । তবে বেশ উঁচু উঁচু অনেক সিঁড়ি বেয়ে উঠতে হয়।
পুরাণমতে দেবী বিন্ধ্যবাসিনী এখানে স্বহস্তে শুম্ব নিশুম্ভকে বধ করেন ।
এই বিন্ধ্যবাসিনী দেবী  ৫১তম সতীপীঠস্থান এই বিন্ধ্যাচল । সতীর বাম পায়ের আঙ্গুল এখানে পরেছিল । এখান থেকে 3 কিমি দূরে বিন্ধ্যপর্বতের উপর দেবী অষ্টভূজার মন্দির ।এছাড়াও এখানে সীতাকুন্ড ,সংকটমোচন হনুমান মন্দির এবং ছোটবড় অসংখ্য মন্দির আছে ।

রাঘোর বাড়ি থেকে আমরা রাত্রি আড়াইটার  (2.30am )সময় রওনা দিলাম বিন্ধ্যাচলের উদ্যেশ্যে। NH19 ধরে প্রায় দেরঘন্টার একটু বেশি সময় লেগেছিল কারন ভীষণ কুয়াশা ছিল।
তাই রাঘো ধীরে ধীরে চালাচ্ছিল গাড়ি।
তবে বিন্ধ্যাচল যাবার আগে কিছু ঘটনা বলে নেওয়াই ভাল।
আমরা যখন ঠিক করলাম যে বিন্ধ্যাচল যাবো তখন রামানন্দ সিং বললো যে আমাদের সাথে রাঘোর মাকেও নিয়ে যেতে । কিন্তু রাঘোর মাকে সেই কথা বলতেই উনি কিছুতেই রাজি হচ্ছিলেন না। কারন ওনার দুইপায়ের হাঁটুতে ভীষণ ব্যাথা সামান্য এক শিরিও ওঠা নামা করতে পারেন না।
সেই কারণে উনি ঘর থেকে নিজের বাড়ির উঠনেও নামতে পারেন না।
কিন্তু রামানন্দ সিং নাছোড় বান্দা উনি বললেন আমরা চারজনে মিলে মা কে কোলে করে বা চেয়ারে বসিয়ে নিয়ে গিয়ে "মা দুর্গার" দর্শন করবো। তাই অনেক বলে কয়ে রাঘোর মা কোন মতে রাজি হলেন।
কিন্তু রাঘোর দাদা যিনি বেনারস কোর্টের উকিল S.N.Sing. তিনি কোন ভাবেই রাজি হচ্ছিলেন না , শেষে ওনাকে বলা হল যে যদি আমরা কোনভাবে মা কে চেয়ারে করে মন্দির পর্যন্ত নিতে না পারি তবে আমরাও "মা"কে দর্শন করবো না।
শেষে এস,এন,সিং, বললেন যে কোন অসুবিধা হলে উনি ওনার এক মক্কেলের দোকানের ঠিকানা দিলেন এবং বললেন যে উনি ফোন করে দেবেন যাতে করে কোন অসুবিধা হলে মাকে যেন ওই দোকানে বসিয়ে রেখে আমরা মন্দির দর্শন করতে পারি। আমরা আমাদের  মত চিন্তা করে সঙ্গে একটি কাঠের মজবুত চেয়ার ও নিয়ে গিয়ে ছিলাম।
যাইহোক আমরা ভোর চারটে নাগাদ বিন্ধ্যাচল পৌঁছে গিয়ে প্রাকিং এতে গাড়ি রেখে রাঘোর মা কে নিয়ে সকলে মিলে নীচে গঙ্গায় স্নান ককরার উদ্যেশ্যে গঙ্গার ঘটে পৌঁছে গেলাম।
এখানে গঙ্গার ঘটে পৌঁছে যা দেখলাম তেমন কোন ভাবেই চিন্তা করতে পারিনা বা এখানে গঙ্গায় স্নান করার মতন ভক্তি আমার নাই।
কিন্তু ওরা সকলে ও রাঘোর মা নির্দ্বিধায় ওই নোংরা জলেই খুব আনন্দে স্নান করলেন।
এখানে গঙ্গা নোংরা মনে, আমরা যে সময় পৌঁছে ছিলাম তখন গঙ্গায় ভাটা চলছিল, ফলে এখানে গঙ্গা খুবই কম গভীর ও 
অতি সামান্য ধারায় বয়ে চছিলো গঙ্গা।
আর সেই গঙ্গা চড়ে শয়ে শয়ে মানুষ প্রাতঃক্রিয়া সাড়ছিলেন। আর সেই মল মূত্র গঙ্গায় জলে মিশে সেজে কি অবস্থ্যা তা বর্ণনার বাইরে।
অথচ দেখলাম শয়ে শয়ে মানুষ ওই জলে খুব আনন্দে ভীষণ উৎসাহে স্নান করছেন।
গঙ্গা নদীর যে এমন অবস্থা সেটা আমার ধারণার বাইরে। অথচ আগের দিন যখন মার্কণ্ডেয়তে স্নান করে ছিলাম তখন সেখানে কি সুন্দর স্বচ্ছ জল। দেখে মনে হচ্ছিল গঙ্গা কতো পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র।
কিন্তু এই বিন্ধ্যাচলে গঙ্গাকে দেখে মনে মনে ভীষণ দুঃখ অনুভব করছিলাম।
যাই হোক ওরা সকলেই ওই হাটু সমান নোংরা জলে স্নান সারলেন, আর আমি 
মা গঙ্গার পবিত্র জলের চিন্তা করে সামান্য জল মাথায় ছিটিয়ে নিলাম।
আমাদের মধ্যে সকলের আগে রাঘোর মা স্নান করে উনি বললে যে উনি সিঁড়ির দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।
বিন্ধ্যাচলে গঙ্গা থেকে মন্দিরে যাবার জন্য সিঁড়ি আছে।
আমরা ভাবলাম উনি একটু এগিয়ে যাক ,আমরা সকলে একসাথে গিয়ে ওনাকে চেয়ারে বসিয়ে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে মন্দিরে পৌঁছবো। মন্দির খুলবে সেই
ভোর পাঁচটার পরে।
এমনিতে মন্দির রোজ 24 ঘন্টা খোলা, তবে পূজা ও আরতির সময় নির্ধারিত।
এবার আমরা সকলে স্নান সেরে পুরোনো জামাকাপড় সব পার্কিংয়ে গাড়িতে রেখে  
ভালো জামা কাপড় পরে এগিয়ে গেলাম সিঁড়ির দিকে।
সিঁড়ির কাছে পৌঁছে যা দেখলাম তাতে বেশ অবাক হবারই কথা। 
দেখলাম রাঘোর মা কোথাও নেই। ওনাকে খুঁজে পাচ্ছি না শেষে আমি যখন সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠলাম দেখি রাঘোর মা সকলে আগে গেটের সামনে দাঁড়িয়ে।
আমি তক্ষুনি একটু নীচে নেবে চিৎকার করে সকলকে ডেকে নিলাম এবং জানিয়ে দিলাম যে মা মন্দিরে পৌঁছে গেছেন।
ওরা সকলে খালি চেয়ার টা নিয়ে উপরে উঠে আসলেন। এবং আমরা সকলেই বিশ্বয়ে হতবাক হয়ে কেউ কোন কথা বলতে পারছিলাম না বা এমন দৃশ্য দেখেও বিশ্বাস করতে পারছিলাম না যে এমনটা কি কিরে হোল বা আদৌ কি আমরা  বিন্ধ্যাচল মন্দিরে নাকি কোন স্বপ্ন দেখছি।
আর স্বপ্ন না দেখলে কি ভাবে এমনটা সম্ভব এতো উঁচু উঁচু সিঁড়ি  ভেঙে উপরে উঠতে হয়। 65 বৎসের বৃদ্ধা যার দুই হাঁটুতে ব্যাথা , জিনি সামান্য দুই একটি সিঁড়ি ও চড়তে অসমর্থ তিনি কি করে এতো সিঁড়ি বেয়ে মন্দিরে পৌঁছলেন সেই চিন্তা করলে আজও মনে বিস্ময় জাগে।
তবে এটা বুঝি যে মানুষ ভক্তির জোরে অনেক অসম্ভকে সম্ভব করতে পারে।

দেবী ভাগবত পুরাণ, দেবীমাহাত্ম্য বা শ্রীশ্রীচণ্ডী, মার্কণ্ডেয় পুরাণ এবং অন্য সব দেবীগাথা বলছে, এই সেই স্থান যেখানে অবতীর্ণ হয়েছিলেন দুর্গা। এই বিন্ধ্যাচলেই তিনি মহাপরাক্রমশালী দানববীরদের সংহার করেন। এবং, ত্রিলোকের মঙ্গলের জন্য বাসও করেন এখানে। ভারতের অন্য সব পীঠস্থান তাঁর মন্দিরমাত্র! কিন্তু, গৃহ এই বিন্ধ্যাচলই!

"মা"-বিন্ধ্যবাসিনী::--

বিন্ধ্যাচল মন্দিরে বিন্ধ্যবাসিনী দুর্গা
দুর্গা বিন্ধ্যাচলে জনপ্রিয় বিন্ধ্যবাসিনী নামে। মহিষাসুর বধের জন্য দেবতাদের তেজে তিনি আবির্ভূতা হয়েছিলেন এই পর্বত শিখরেই। তার পর, মহিষাসুরকে বধ করে তিনি দেবতাদের জানান, দুর্গা নামে দশভুজারূপে তিনি চিরস্থিতা হচ্ছেন বিন্ধ্যাচলে। এই বিন্ধ্যবাসিনী দেবীই পরবর্তীকালে এই পর্বতাঞ্চলেই বধ করেছিলেন শুম্ভ, নিশুম্ভকে। আদ্যাশক্তির কোষ থেকে উৎপন্ন হওয়ায় তাঁর আরেক নাম কৌষিকী। বিন্ধ্যাচলের মন্দিরে এই দেবীকে পূজা করা হয় মহালক্ষ্মী রূপে।


দেবী অষ্টভুজা:--


অষ্টভুজা মন্দিরে মহাসরস্বতী
পুরাণ মতে, দেবী বিন্ধ্যাচলকে তাঁর আবাসরূপে বেছে নেন কংসকে প্রতারণার পরই! ভাদ্র মাসের অষ্টমী তিথিতে গোকুলে নন্দপত্নী যশোদার গর্ভে জন্ম নিয়েছিল এক অপরূপ লাবণ্যবতী কন্যা। বসুদেব নিজের পুত্র কৃষ্ণকে রেখে সেই কন্যাটিকে নিয়ে আসেন মথুরার কারাগারে। তুলে দেন কংসের হাতে। কংস যখন সেই শিশুটিকে কারাগারের দেওয়ালে আছড়ে হত্যা করতে যায়, তখনই তার হাত পিছলে সেই শিশু চলে যায় শূন্যে। দেখতে দেখতে ধারণ করে অষ্টভুজা রূপ। এবং, কংসকে কে বধ করবে- সে কথা জানিয়ে চলে যায় বিন্ধ্যাচলে। সেই থেকে অষ্টভুজারূপে দেবী বিন্ধ্যাচলে অবস্থান করেন। তাঁর এই অষ্টভুজা রূপটিকে দেবীভাগবত এবং ভাগবত বলছে যোগমায়া। কিন্তু, বিন্ধ্যাচলে তিনি পূজিতা হন মহাসরস্বতী রূপে। বিন্ধ্যবাসিনী মন্দির থেকে ৩ কিলোমিটার দূরত্বে পর্বতের উপরে এই অষ্টভুজা মন্দির। সঙ্কীর্ণ গুহাপথে দর্শন করতে হয় দেবীকে।

  
কালীখোহ মন্দিরে মহাকালী::---

শুম্ভ-নিশুম্ভ বধের সময় দেবী কৌষিকীর ভ্রুকুটি থেকে আবির্ভূতা হয়েছিলেন কালী। চণ্ড-মুণ্ড বধের জন্য যিনি চামুণ্ডা নামেও পরিচিতা। এছাড়া, রক্তবীজ বধের সময়েও তার রক্ত পান করে তাকে বধযোগ্য করেছিলেন চামুণ্ডাই! সেই চামুণ্ডা দেবীও সশরীরে বিরাজ করেন বিন্ধ্যাচলে। পূজা পান মহাকালী রূপে। তাঁর মন্দিরটির নাম কালীখোহ। এখানে দেবী হাঁ করে আছেন! জনশ্রুতি, যুদ্ধে রক্তবীজের পাপরক্ত পানে তাঁর সর্বাঙ্গে জ্বালা ধরে গিয়েছিল! তাই শরীরের অভ্যন্তরে শীতল বায়ু গ্রহণের জন্য হাঁ করে থাকেন বিন্ধ্যাচলবাসিনী চামুণ্ডা! ভক্তরাও নারকেলের শীতল জল দেবীর মুখগহ্বরে দিয়ে তাঁর তৃষ্ণা নিবারণ করেন।
লোকবিশ্বাস, এই তিন মন্দির দর্শন করলেই ত্রিলোকের পরিক্রমা সম্পন্ন হয়।
বিন্ধ্যাচলে যা মহাত্রিকোশ পরিক্রমা নামে খ্যাত।

लोक मान्यता हैं 
बिंध्याचल में "माँ " विंध्यवासिनी, अष्टभुजा, एबं  कालीखोह।
इन तीन मंदिरों के दर्शन करनेसे ही त्रिलोक की परिक्रमा पूरी की समान पूण्य लाभ हो ती हैं।

এর পরে আর দুইদিন বেনারসে কাটিয়ে ফিরে আসলাম ধানবাদে।


==================









 







°××××××××××××××××××××××××××××××
■■■■◆■■◆□■■■■■■■■■■■■■■■■■■■■
★★★★★★★★★■■★★★☆■■■■■■■■

10>ok=আমার বারাণসী ভ্রমণ ::--বারাণসী---বিন্ধ্যাচল ---অষ্টভুজা --কালিখো=মার্কণ্ডেয় মহাদেব =(1 to 9)


=वाराणसी//अष्टभुजामन्दिर//विन्ध्याचल//UP=(1 to 9)
                                             <---©-আদ্যনাথ--->

আমার বারাণসী ভ্রমণ ::---বারাণসী---বিন্ধ্যাচল ---অষ্টভুজা --কালিখো--মাকনদের মহাদেব।

 
রাঘো সিং এর বাড়ি বেনারসে। 
রাঘো সিং আমাকে ও পান্ডে জিকে নিয়ে গেলো ওর বাড়িতে ,আমরাও সম্পুর্ন বেনারস ও আসে পাশের দর্শনীয় স্থান সমূহ ঘুড়ে বেরালাম 10 দিন।

1>वाराणसी  (देवनागरी )

TO Visit BARANASI: Best Time Is DECEMBER to FEBRUARY

বেনারস জেলা বেনারস 
ज़िला:-वाराणसी
এখনই আছে বিন্ধ্যাচল পর্বত ।
ভারতের সময়ের মান দন্ড বিন্ধ্যা চল থেকেই নির্ধারিত হয়।
বেনারস পিন কোড :::--221001
ফোন (ISD code)::--  +0542
ভারতের পবিত্রতম শহর।

বিশেষ দর্শনীয় স্থান সমূহ::--
●>আহল্যা ঘাট
●>কাশি বিশ্বনাথ মন্দির
●>BHU কাশী হিন্দু বিশ্ব বিদ্যালয়
●>নুতন কাশী বিশ্বনাথ মন্দির।
●>গঙ্গা নদী।
●>বারাণসী স্টেশন।
●>কাশী কর্বট সিন্ধিয়া ঘাট




 वाराणसी (अंग्रेज़ी: Vārāṇasī, हिन्दुस्तानी उच्चारण: [ʋaːˈɾaːɳəsiː] (सुनें)) भारत के उत्तर प्रदेश राज्य का प्रसिद्ध नगर है। इसे 'बनारस' और 'काशी' भी कहते हैं। इसे हिन्दू धर्म में सर्वाधिक पवित्र नगरों में से एक माना जाता है और इसे अविमुक्त क्षेत्र कहा जाता है। इसके अलावा बौद्ध एवं जैन धर्म में भी इसे पवित्र माना जाता है। यह संसार के प्राचीनतम बसे शहरों में से एक और भारत का प्राचीनतम बसा शहर है।

काशी नरेश (काशी के महाराजा) वाराणसी शहर के मुख्य सांस्कृतिक संरक्षक एवं सभी धार्मिक क्रिया-कलापों के अभिन्न अंग हैं। वाराणसी की संस्कृति का गंगा नदी एवं इसके धार्मिक महत्त्व से अटूट रिश्ता है। ये शहर सहस्रों वर्षों से भारत का, विशेषकर उत्तर भारत का सांस्कृतिक एवं धार्मिक केन्द्र रहा है। हिन्दुस्तानी शास्त्रीय संगीत का बनारस घराना वाराणसी में ही जन्मा एवं विकसित हुआ है। भारत के कई दार्शनिक, कवि, लेखक, संगीतज्ञ वाराणसी में रहे हैं, जिनमें कबीर, वल्लभाचार्य, रविदास, स्वामी रामानंद, त्रैलंग स्वामी, शिवानन्द गोस्वामी, मुंशी प्रेमचंद, जयशंकर प्रसाद, आचार्य रामचंद्र शुक्ल, पंडित रवि शंकर, गिरिजा देवी, पंडित हरि प्रसाद चौरसिया एवं उस्ताद बिस्मिल्लाह खां आदि कुछ हैं। गोस्वामी तुलसीदास ने हिन्दू धर्म का परम-पूज्य ग्रंथरामचरितमानस यहीं लिखा था और गौतम बुद्ध ने अपना प्रथम प्रवचन यहीं निकट ही सारनाथ में दिया था।

वाराणसी में चार बड़े विश्वविद्यालय स्थित हैं: बनारस हिन्दू विश्वविद्यालय, महात्मा गांधी काशी विद्यापीठ, सेंट्रल इंस्टीट्यूट ऑफ हाइयर टिबेटियन स्टडीज़ और संपूर्णानन्द संस्कृत विश्वविद्यालय। यहां के निवासी मुख्यतः काशिका भोजपुरी बोलते हैं, जो हिन्दी की ही एक बोली है। वाराणसी को प्रायः 'मंदिरों का शहर', 'भारत की धार्मिक राजधानी', 'भगवान शिव की नगरी', 'दीपों का शहर', 'ज्ञान नगरी' आदि विशेषणों से संबोधित किया जाता है।

प्रसिद्ध अमरीकी लेखक मार्क ट्वेन लिखते हैं: "बनारस इतिहास से भी पुरातन है, परंपराओं से पुराना है, किंवदंतियों (लीजेन्ड्स) से भी प्राचीन है और जब इन सबको एकत्र कर दें, तो उस संग्रह से भी दोगुना प्राचीन है।
=====================+++++
2>देवनागरी वाराणसी के प्रमुख मंदिर

धर्म एवं विद्या की पवित्र तथा प्राचीनतम् नगरी मे विख्यात है। यहाँ वैदिक साहित्य की संहिताओं ब्राह्मण ग्रन्थों एवं उपनिष्दों में काशी का उल्लेख है। साथ ही पाणिनि, पंतञ्जलि आदि ग्रन्थों में भी काशी की चर्चा है। पुराणों मे स्पष्ट है कि काशी क्षेत्र में पग-पग पर तीर्थ है। स्कन्दपुराण काशी-खण्ड के केवल दशवें अध्याय में चौसठ शिवलिङ्गो का उल्लेख है। हेन सांग ने उल्लेख किया है- कि उसके समय में वाराणसी में लगभग १००(सौ) मंदिर थे। उनमें से एक भी सौ फीट से कम ऊँचा नहीं था।

विश्वनाथ की नगरी में तीर्थ स्थानों की कमी नहीं हैं, 
किन्तु मत्स्यपुराण के अनुसार पाँच तीर्थ प्रमुख 
(1) दशाखमेध, 
(2) लोलार्क कुण्ड, 
(3) केशव (आदि केशव), 
(4) बिन्दु माधव, 
(5) मणिकर्णिका। 
सन् ११९४ ई. में कुतुबद्दीन एबक ने काशी के एक सहस्र 
मंदिरों को तोड़-फोड़कर नष्ट कर दिया।

अलाउद्दीन खिलजी ने भी लगभग एक हजार मंदिरों को नष्ट कर धराशायी कर दिया।
 इस तोड़ फोड़ में विश्वनाथजी का मंदिर भी था, किन्तु सन् १५८५ ई. में सम्राट अकबर 
के राजस्व मन्त्री की सहायता से श्री नारायण भ ने विश्वनाथ जी के मंदिर को पुनः बनवाया 
सम्राट औरंगजेब ने काशी काशी के प्राचीन मंदिर को तोड़कर मस्जिद बनवायी जो आज भी है। 
यही नहीं उसने हजारों मंदिरों को नष्ट कर दिया, जिसके कारण उस काल में बीस मंदिरों को भी 
गिन पाना कठिन हो गया था।

पुनर्निर्माण

इस काल के पश्चात् मराठा राजाओं तथा सरदारों ने अनेक मंदिर बनवाए। 
अंग्रेजों के शासन काल में बहुत से मंदिरों का निर्माण हुआ। 
सन् १८२८ ई. में प्रिन्सेप ने गणना करायी थी जिससे पता चला था कि काशी में 
एक हजार मंदिर विद्यमान थे। 
शेकिंरग ने लिखा है कि उसके समय में चौदह सौ पंचावन मंदिर थे। 

हैवेल का कथन है कि उसकी गणना के अनुसार उस समय लगभग ३५०० मंदिर थे।

वाराणसी के देवता विश्वनाथ के जिस मंदिर को औरंगजेब ने नष्ट किया था समीप ही १८वीं शताब्दी के अन्तिम चरण में महारानी अहल्या बाई होलकर ने वर्तमान विश्वनाथ मंदिर का निर्माण करवाया था। त्रिस्थली सेतु के अनुसार पापी मनुष्य भी विश्वेश्वर के लिंग का स्पर्श कर पूजा कर सकता था। आधुनिक काल में प्रमुख तीर्थ स्थल है- (१) अस्सि और गंगा का संगम, (२) दशाश्वमेघ घाट, (३) मणिकर्णिका, (४) पंचगंगाघाट, (५) वरुणा तथा गंगा का संगम, (६) लोलार्क तीर्थ।

दशाश्वमेघ शताब्दियों से विख्यात है। भार शिव राजाओं ने दस अश्वमेघ यज्ञों के अनुष्ठान कर यहाँ अभिषेक किया था। मणिकर्णिका को मुक्ति क्षेत्र भी कहा जाता है। पंचगंगा में पाँच नदियों के धाराओं के मिलने की कल्पना की गई है। नारदीय पुराण तथा काशी-खण्ड में कहा गया है कि जो मनुष्य पंचगंगा में स्नान करता है वह पंच तत्वों में स्थित इस शरीर को पुनः धारण नही करता, मुक्त हो जाता है। वरुणा-गंगा का संगम तीर्थ आदि केशव घाट बहुत ही प्रचीन है। कन्नौज के गहड़वाल राजाओं ने जो विष्णु के भक्त थे, जब काशी को अपनी राजधानी बनायी तो इस भाग को और अधिक महत्व प्राप्त हुआ।

वाराणसी में बहुत से उपतीर्थ हैं। काशी खण्ड में ज्ञानवापी का उल्लेख मिलता है जो स्वयं में एक पवित्र स्थल है। विश्वनाथ मंदिर से दो मील की दूरी पर भैरोनाथ का मंदिर है, उन्हें काशी का कोतवाल कहा जाता है। उनके हाथ में बड़ी एवं मोटे पत्थर की लाठी होने के कारण इन्हें दण्डपाणि भी कहा जाता है। इसका वाहन कुत्ता है। काशी खण्ड में छप्पन विनायक (गणेश) मंदिर वर्णित है। ढुण्ढि़राज गणेश एवं बड़ गणेश में ही है। काशी के चोदह महालिंग प्रसिद्ध है। पुराणों में काशी के तीर्थों एवं उपतीर्थों का वर्णन प्रचुर मात्रा में उपलब्ध होता है। लगभग एक सौ पच्चीस तीर्थों का वर्णन काशी खण्ड में मिलता है।

काशी की पंचक्रोशी का विस्तार पचास मील में है। इस मार्ग पर सैकड़ों तीर्थ है। तात्पर्य यह है कि काशी में तीर्थों की संख्या अगणित है। काशी केवल हिन्दू-धर्म के आस्थावानों का ही तीर्थस्थल नहीं है। जैन तीर्थकर पार्श्वनाथ जी ने ७७७ ई. पूर्व में चैत्र कृष्ण-चतुर्थी को यहीं के मुहल्ला भेलूपुर में जन्म ग्रहण किया था। जैन धर्म के ही ग्वारहवें तीर्थकर श्रेयांसनाथ ने भी सारनाथ में जन्म ग्रहण किया था और अपने अहिंसा-धर्म का चतुर्दिक प्रसार किया था। अत जैन तीर्थस्थान के रुप में भी काशी का बहुत अधिक महत्व है। बौद्ध धर्म के तीर्थ स्थान के रुप में सारनाथ विश्वविख्यात है। भगवान गौतम बुद्ध ने गया में सम्बोधि प्राप्त करने के पश्चात् सारनाथ में आकर धर्मचक्र प्रवर्तन किया था। आर्यो की संस्कृति के कार्य-कलापों का मुख्य केन्द्र काशी सदैव से वि स्तर का आकर्षण स्थल रहा है। महाप्रभु गुरुनानक देव, कबीर जैसे लोगों के पावन-स्पर्श से काशी का कण-कण तीर्थ स्थल बन चुका है। भगवान शिव को वाराणसी नगरी अत्यन्त प्रिय है। यह उन्हें आनन्द देती है। अतः यह आनन्दकानन या आनन्दवन है।

कुछ मुख्य मंदिर

अन्नपूर्णा मंदिर, वाराणसीकेदारेश्वर मंदिर, वाराणसीदुर्गा कुंड, वाराणसीलोलार्क कुंडवाराणसी के पर्यटन स्थल विशालाक्षी मंदिर, बनारससाक्षी गणेश मंदिर, बनारस
====================+++++
3>वाराणसी पर्यटन - धार्मिक रंग में डूबा वाराणसी पर्यटन

वाराणसी को बनारस और काशी के नाम से भी जाना जाता है। यह शहर, दुनिया में सबसे प्राचीन और निरंतर आगे बढ़ने वाला शहर है। इस शहर को भगवान शिव की नगरी कहा जाता है। भगवान शिव, हिंदुओं के प्रमुख देवता है जिन्‍हे सृजन और विनाश का प्रतीक माना जाता है। वाराणसी, हिंदू धर्म के सबसे पवित्रतम शहरों में से एक है। इस शहर को लेकर हिंदू धर्म में बड़ी मान्‍यता है कि अगर कोई व्‍यक्ति यहां आकर मर जाता है या काशी में उसका अंतिम सस्‍ंकार हो, तो उसे मोक्ष की प्राप्ति होती है यानि उस व्‍यक्ति को जन्‍म और मृत्‍यु के चक्र से मुक्ति मिल जाती है। इसीलिए, इस जगह को मुक्ति स्‍थल भी कहा जाता है।

वाराणसी के बारे में लोगों का अटूट विश्‍वास है कि यहां बहने पवित्र नदी गंगा में यदि डुबकी लगा ली जाएं तो सारे पाप धुल जाते है। कई पर्यटकों के लिए, गंगा नदी में सूर्योदय और सूर्यास्‍त के समय डुबकी लगाना एक अनोखा और यादगार अनुभव होता है। वाराणसी के मुख्‍य घाटों पर हर शाम को आरती ( प्रार्थना ) का आयोजन किया जाता है।

इस रहस्‍यमयी शहर का सबसे आकर्षक पहलू यह है कि यहां स्थित मुख्‍य घाटों पर सभी संस्‍कार और अनुष्‍ठानों को पूरा किया जाता है जिनमें हर कार्य का भली प्रकार आयोजन और समापन होता है, लोग गंगा में डुबकी लगाते है, आरती होती है, शवों का दाह संस्‍कार किया जाता है, उन्‍हे स्‍नान भी करवाया जाता है। इन क्रियाकलापों के अलावा, आप यहां नदी के तट पर लोगों को योगा, मसाज, दाड़ी बनाते हुए और क्रिकेट जैसे खेल खेलते भी देख सकते है।

वाराणसी और आसपास के इलाकों में पर्यटन स्‍थल

वाराणसी शहर, पूरी तरह से धार्मिक रंग में रंगा हुआ है। इस शहर का सबसे 
दिलचस्‍प पहलू यहां स्थित कई घाट है। 
इन घाटों से गंगा जी तक जाने के लिए कई सीढि़यों से उतरना पड़ता है। 
इन सभी घाटों में से कुछ घाट काफी विख्‍यात हैं जिनमें 
1=दशाश्‍वमेध प्रचलित घाट है, यहां हर सुबह और शाम को भव्‍य आरती का आयोजन किया जाता है। इसके अलावा, 
2=दरभंगा घाट, 
3=हनुमान घाट और 
4=मैन मंदिर घाट भी प्रमुख है।

वाराणसी पूरी दुनिया में एकमात्र ऐसा शहर है जहां पर्यटकों को '' मौत पर्यटन '' की सुविधा प्रदान 
की जाती है। 
पर्यटक यहां के मणिकर्णिका घाट पर कई शवों का एकसाथ अंतिम संस्‍कार होते हुए देख सकते है, 
इन शवों को यहां स्‍नान कराया जाता है, जलाया जाता है और बाद में उनकी राख और अस्थियों का विसर्जन गंगा में कर दिया जाता है। 
यहां के 
5=अस्‍सी घाट में सबसे ज्‍यादा होटल और रेस्‍टोरेंट है। 
     इसके अलावा, यहां के 
6=तुलसी घाट, 
7=हरिश्‍चंद्र घाट, 
8=शिवाला घाट और अत्‍यधिक प्रकाशित 
9=केदार घाट भी किसी परिचय के मोहताज नहीं है।

वाराणसी को भगवान शिव का निवास स्‍थान कहा जाता है और इसीकारण यहां काशी विश्‍वनाथ मंदिर स्थित है जो भगवान शिव को समर्पित है। काशी विश्‍वनाथ मंदिर के अलावा 
यहां नया काशी विश्‍वनाथ मंदिर भी है जो वाराणसी के बीएचयू परिसर में बना हुआ है। 
इसके अलावा, यहां कई उल्‍लेखनीय मंदिर जैसे 
तुलसी मानस मंदिर और 
दुर्गा मंदिर भी है। 
यहां मुस्लिमों के धर्म का प्रतिनिधित्‍व करने वाली आलमगीर मस्जिद है 
जबकि जैन भक्‍त, जैन मंदिर में शांति के लिए जाते है।

धार्मिक स्‍थलों के अलावा, 
वाराणसी में नदी के दूसरी तरफ 
राम नगर किला है और जंतर - मंतर है जो कि एक वेधशाला है। 
इस शहर में वाराणसी हिंदू विश्‍वविद्यालय भी स्थित है 
जिसका परिसर बेहद शांतिपूर्ण वातावरण में बना हुआ है। 
इस विश्‍वविद्यालय को पूर्व का ऑक्‍सफोर्ड कहा जाता है। 

यह शहर शास्‍त्रीय नृत्‍य, संगीत और योग के लिए विख्‍यात है।

वाराणसी भ्रमण करने का सबसे अच्‍छा समय

वाराणसी घूमने का सबसे अच्‍छा समय दिसम्‍बर से फरवरी तक होता है।
===================+====+=

4>वाराणसी के घाट 

वाराणसी में गंगा नदी के घाट

वाराणसी (काशी) में गंगा तट पर अनेक सुंदर घाट बने हैं, ये सभी घाट किसी न किसी पौराणिक या धार्मिक कथा से संबंधित हैं। वाराणसी के घाट गंगा नदी के धनुष की आकृति होने के कारण मनोहारी लगते हैं। सभी घाटों के पूर्वार्भिमुख होने से सूर्योदय के समय घाटों पर सूर्य की पहली किरण दस्तक देती है। उत्तर दिशा में राजघाट से प्रारम्भ होकर दक्षिण में असी घाट तक सौ से अधिक घाट हैं। मणिकर्णिका घाट पर चिता की अग्नि कभी शांत नहीं होती, क्योंकि बनारस के बाहर मरने वालों की अन्त्येष्टी पुण्य प्राप्ति के लिये यहीं की जाती है। कई हिन्दू मानते हैं कि वाराणसी में मरने वालों को मोक्ष प्राप्त होता है।

घाटों की महिमा

शिव नगरी काशी के गंगा घाटों की महिमा न्यारी है, प्राचीन नगर काशी पूरे विश्व में सबसे पवित्र शहर है, धर्म एवं संस्कृति का केन्द्र बिन्दु है। असि से आदिकेशव तक घाट श्रृंखला में हर घाट के अलग ठाठ हैं, कहीं शिव गंगा में समाये हुये हैं तो किसी घाट की सीढ़ियां शास्त्रीय विधान में निर्मित हैं, कोई मन्दिर विशिष्ट स्थापत्य शैली में है तो किसी घाट की पहचान वहां स्थित महलों से है, किसी घाट पर मस्जिद है तो कई घाट मौज-मस्ती का केन्द्र हैं। ये घाट काशी के अमूल्य रत्न हैं, जिन्हें किसी जौहरी की आवश्यकता नहीं। गंगा केवल काशी में ही उत्तरवाहिनी हैं तथा शिव के त्रिशूल पर बसे काशी के लगभग सभी घाटों पर शिव स्वयं विराजमान हैं। विभिन्न शुभ अवसरों पर गंगापूजा के लिए इन घाटों को ही साक्षी बनाया जाता है। विभिन्न विख्यात संत महात्माओं ने इन्हीं घाटों पर आश्रय लिया जिनमें तुलसीदास, रामानन्द, रविदास, तैलंग स्वामी, कुमारस्वामी प्रमुख हैं। विभिन्न राजाओं-महाराजाओं ने इन्हीं गंगा घाटों पर अपने महलों का निर्माण कराया एवं निवास किया। इन घाटों पर सम्पूर्ण भारतीय संस्कृति का समन्वय जीवन्त रूप में विद्यमान है। घाटों ने काशी की एक अलग छवि को जगजाहिर किया है; यहां होने वाले धार्मिक सांस्कृतिक कार्यक्रमों में गंगा आरती, गंगा महोत्सव, देवदीपावली, नाग नथैया (कृष्ण लीला), बुढ़वा मंगल विश्वविख्यात है। काशी वासियों के लिये गंगा के घाट धार्मिक-आध्यात्मिक महत्व के साथ ही पर्यटन, मौज-मस्ती के दृष्टि से भी बहुत महत्वपूर्ण हैं। घाट पर स्नान के पश्चात भांग-बूटी के मस्ती में डूबे साधु-सन्न्यासियों एवं यहां के निवासियों ने बनारसी-मस्ती के अद्भुत छवि का निर्माण किया है, जिसके अलग अंदाज़ को सम्पूर्ण विश्व देखना, समझना एवं जीना चाहता है।

चौरासी (84) घाट

वाराणसी में लगभग 84 घाट हैं। ये घाट लगभग 4 मील लम्‍बे तट पर बने हुए हैं। इन 84 घाटों में पाँच घाट बहुत ही पवित्र माने जाते हैं। इन्‍हें सामूहिक रूप से 'पंचतीर्थ' कहा जाता है। ये हैं असी घाट, दशाश्वमेध घाट, आदिकेशव घाट, पंचगंगा घाट तथा मणिकर्णिका घाट। असी घाट सबसे दक्षिण में स्थित है जबकि आदिकेशव घाट सबसे उत्तर में स्थित हैं। हर घाट की अपनी अलग-अलग कहानी है। वाराणसी के कई घाट मराठा साम्राज्य के अधीनस्थ काल में बनवाये गए थे। वाराणसी के संरक्षकों में मराठा, शिंदे (सिंधिया), होल्कर, भोंसले और पेशवा परिवार रहे हैं। वाराणसी में अधिकतर घाट स्नान-घाट हैं, कुछ घाट अन्त्येष्टि घाट हैं। महानिर्वाणी घाट में महात्‍मा बुद्ध ने स्‍नान किया था। कुछ घाट जैसे मणिकर्णिका घाट किसी कथा आदि से जुड़े हुए हैं, जबकि कुछ घाट निजी स्वामित्व के भी हैं पूर्व काशी नरेश का शिवाला घाट और काली घाट निजी संपदा हैं। वाराणसी में असी घाट से लेकर वरुणा घाट तक सभी की क्रमवार सूची निम्न है:-



प्रमुख घाट

वाराणसी में कुछ प्रसिद्ध घाट हैं। इनमें कुछ घाटों का धार्मिक व अध्यात्मिक महत्त्व है और कुछ घाट अपनी प्राचीनता तो कुछ ऐतिहासिकता व कुछ कला के लिहाज़ से ख़ासियत रखते हैं।

असीघाट

असीघाट वाराणसी के दक्षिणी छोर पर गंगा व असि नदीके संगम पर स्थित है।यह घाट श्रद्धालुओं की आस्था व आकर्षण का प्रमुख केन्द्र है।यहीं पर भगवान जगन्नाथ का प्रसिद्ध मंदिर है।

तुलसी घाट

तुलसीघाट प्रसिद्ध कवि तुलसीदास से संबंधित है।यहाँ गोस्वामी तुलसी दास ने श्रीरामचरित मानस के कई अंशों की रचना की थी।कहा जाता है कि तुलसीदास ने अपना आख़िरी समय यहीं व्‍यतीत किया था।इस घाट का नाम पहले 'लोलार्क घाट' था।

हरिश्चंद्र घाट

हरिश्‍चंद्र घाट का संबंध राजा हरिश्चंद्र से है।सत्यप्रिय राजा हरिश्चंद्र के नाम पर यह घाट वाराणसी के प्राचीनतम घाटों में एक है।इस घाट पर हिन्दू मरणोपरांत दाह संस्कार करते हैं।

केदार घाट

केदार घाट का नाम केदारेश्वर महादेव मंदिर के नाम पर पड़ा है।इस घाट के समीप में ही स्वामी करपात्री आश्रम व गौरी कुंड स्थित है।

दशाश्वमेध घाट

यह घाट गोदौलिया से गंगा जाने वाले मार्ग के अंतिम छोर पर पड़ता है।प्राचीन ग्रंथो के मुताबिक राजा दिवोदास द्वारा यहाँ दस अश्वमेध यज्ञ कराने के कारण इसका नाम 'दशाश्वमेध घाट' पड़ा।एक अन्य मत के अनुसार नागवंशीय राजा वीरसेन ने चक्रवर्ती बनने की आकांक्षा में इस स्थान पर दस बार अश्वमेध कराया था

राजेन्द्र घाट

राजेन्द्र प्रसाद घाट दशाश्वमेध घाट के बगल में है।यह घाट देश के प्रथम राष्ट्रपति डॉ. राजेन्द्र प्रसाद की स्मृति में बनाया गया है।

मणिकर्णिका घाट

पौराणिक मान्यताओं से जुड़े मणिकर्णिका घाट का धर्मप्राण जनता में मरणोपरांत अंतिम संस्कार के लिहाज़ से अत्यधिक महत्त्व है।इस घाट की गणना काशी के पंचतीर्थो में की जाती है।मणिकर्णिका घाट पर स्थित भवनों का निर्माण पेशवा बाजीराव तथा अहिल्याबाई होल्कर ने करवाया था।

चेत सिंह घाट

चेत सिंह घाट, वाराणसी

चेत सिंह घाट एक क़िले की तरह लगता है।चेत सिंह बनारस के एक साहसी राजा थे जिन्‍होंने 1781 ई. में वॉरेन हेस्टिंगस की सेना के ख़िलाफ़ लड़ाई लड़ी थी।

पंचगंगा घाट

पौराणिक मान्यताओं के अनुसार पंचगंगा घाट से गंगा, यमुना, सरस्वती, किरण व धूतपापा नदियाँ गुप्त रूप से मिलती हैं।इसी घाट की सीढि़यों पर गुरु रामानंद से संत कबीरदासने दीक्षा ली थी।

राजघाट

राजघाट काशी रेलवे स्टेशन से सटे मालवीय सेतु (डफरिन पुल) के पा‌र्श्व में स्थित है।यहां संत रविदास का भव्य मंदिर भी है।

आदिकेशव घाट

आदिकेशव घाट वरुणा व गंगा के संगम पर स्थित है।यहाँ संगमेश्वर व ब्रह्मेश्वर मंदिर दर्शनीय हैं।इसके अलावा गायघाट, लालघाट, सिंधिया घाट आदि काशी के सौंदर्य को उद्भाषित करते हैं।[2]

शिक्षा

बनारस हिन्दू विश्वविद्यालय ·सम्पूर्णानन्द संस्कृत विश्वविद्यालय · महात्मा गाँधी काशी विद्यापीठ

विभूतियाँ

अगस्त्य · धन्वन्तरि · बुद्ध ·कबीर · झाँसी की रानी लक्ष्मीबाई · पतंजलि · रैदास ·आदि शंकराचार्य · तुलसीदास ·वल्लभाचार्य · उस्ताद बिस्मिल्ला ख़ाँ · पंडित रविशंकर · भारतेंदु हरिश्चंद्र · अयोध्यासिंह उपाध्याय· जयशंकर प्रसाद · प्रेमचंद ·श्यामसुन्दर दास · राय कृष्णदास · आचार्य रामचन्द्र शुक्ल · आग़ा हश्र कश्मीरी

प्रमुख नदियाँ

गंगा · बानगंगा · गोमती · वरुणा नदी · असि नदी

शिल्पकला उद्योग

बनारस की वस्त्रकला · बनारस की काष्ठ कला · बनारस की ताम्रकला

मंदिर

विश्वनाथ मन्दिर · भारत माता मन्दिर · दूध का कर्ज़ मंदिर ·अन्‍नपूर्णा मंदिर · साक्षी गणेश मंदिर · काशी विशालाक्षी मंदिर· केदारेश्‍वर मंदिर · विष्‍णु चरणपादुका · भैरव मंदिर ·सीता मंदिर · मारकण्डेय महादेव मंदिर · विंध्‍याचल मंदिर· संकटमोचन मंदिर · दुर्गा मंदिर· मानस मंदिर · कर्दमेश्वर मंदिर· गुरुधाम मंदिर · रविदास मंदिर· बालाजी मंदिर · रूरू भैरव, मंदिर · रामेश्वर, वाराणसी

कुण्ड एवं तालाब

लोलार्क कुण्ड · दुर्गाकुण्ड ·बेनिया कुण्ड · बकरिया कुण्ड ·लक्ष्मी कुण्ड · कुरुक्षेत्र कुण्ड ·क्रीं-कुण्ड · पितृ कुण्ड · विमल कुण्ड · राम कुण्ड · सूरज कुण्ड· कर्णघण्टा सरोवर · मातृ कुण्ड· रामकटोरा कुण्ड · मत्स्योदरी तालाब · कपालमोचन तालाब ·ऐतरनी-वैतरणी तालाब ·बृद्धकाल कूप
====================================

 
 

6/1>বিন্ধ্যাচলে র প্রসিদ্ধ মন্দির সমূহ :-- 
অষ্টভুজা মন্দির 
মাঁ বিন্ধবাসিনী মন্দির 

विंध्‍याचल मंदिर वाराणसी 

वाराणसीवाराणसी पर्यटनवाराणसी ज़िलावाराणसी से विंध्‍याचल मंदिर 78 किलोमीटर और इलाहाबाद से 15 किलोमीटर की दूरी पर स्थित है।यह एक प्रसिद्ध शक्‍तिपीठ है।यहाँ विंध्‍यवासिनी देवी तथा अष्‍टभुजी देवी का मंदिर है।यहाँ सीता कुण्‍ड तथा कालीखोह मंदिर है।यह मंदिर देवी काली को समर्पित है। 


अष्टभुजा देवी मन्दिर, विन्ध्याचल

 जैसा कि नाम से ही प्रतीत होता है अष्टभुजा मन्दिर देवी अष्टभुजा को समर्पित है जो कि भगवान कृष्ण को पालने वाली माता यशोदा की पुत्री थीं। लोककथाओं के अनुसार वे मथुरा के राक्षस राजा कंस के क्रूर हाथों से चमत्कारिक रूप से छूट कर विन्ध्याचल की पहाड़ियों पर आकर बसीं। यह जादुई मन्दिर विन्ध्याचल पहाड़ियों के ऊपर स्थित है। अष्टभुजा मन्दिर को भी इसी क्रम में बनाया गया था। यह विन्ध्यवासिनी देवी को समर्पित मन्दिर से तीन किमी की दूरी पर स्थित है।

मन्दिर चमत्कारिक पहाड़ियों की पृष्ठभूमि में स्थित है और अपने शांत और सुन्दर दृश्यों के कारण भक्तों के साथ-साथ पर्यटकों के बीच भी लोकप्रिय है। प्राचीन काल में यह राजाओं का पसन्दीदा स्थान था जो शत्रुओं पर विजय प्राप्त करने और अपनी इच्छाओं की पूर्ति के लिये तान्त्रिकों की मदद से गुप्त पूजाओं, यज्ञों और अनुष्ठानों के लिये यहाँ आते थे।

बाकी विन्ध्याचल आकर्षण

रामेश्वर महादेव मन्दिर
सीता कुण्ड
कालीकोह मन्दिर
विन्ध्यवासिनी देवी मन्दिर
वाराणसी साहित्य,कला,मंदिर और संस्कृति का शहर
================================
4/2> विन्ध्याचल में स्थित प्रसिद्ध मंदिर
भारत का मानक समय विंध्याचल से ही निर्धारित होता है
1>काली खोह
2>बटुख भैरव – विन्ध्याचल
3>बंधवा हनुमान – विन्ध्याचल
4>माँ कंकाल काली ( अकोढी )
5>अति प्राचीन बड़ा लाल भैरव मंदिर विन्ध्याचल
6>भारत का मानक समय विंध्याचल से ही निर्धारित होता है
7>सिद्धनाथ दरी
8>मिर्ज़ापुर से लगभग 65 किलोमीटर की दुरी पर स्

     विजयगढ़ दुर्ग
9>बेचू बीर की समाधी, यहाँ लगता है भूतों का मेला, मिर्ज़ापुर
10>पंचमुखी महादेव बरियाघाट, मिर्ज़ापुर
11>माता आनंदमयी आश्रम विन्ध्याचल
12>शिवद्वार मिर्ज़ापुर घोरावल



1>काली खोह

महाशक्ति पीठ ”माँ विंध्यवासिनी धाम ”में त्रिकोण परिक्रमा के अंतर्गत अवस्थित “महाशक्ति माँ काली ”
राक्षस रक्तबीज के संहार करते समय माँ काली विकराल रूप धारण कर ली थी ,

उनको शांत करने हेतु शिव जी युद्ध भूमि में उनके सामने लेट गये , जब माँ काली का 
चरण शिव जी पर पड़ा ,तो लज्जावश पहाडियों के खोह में छुप गयी ,
इस वजह से ये स्थान काली खोह के नाम से प्रसिद्ध हुवा 
पहाड़ों के बीच बसा माँ महाकाली (कलि खोह)

2>बटुख भैरव – विन्ध्याचल

माँ विंध्यवासिनी के कोतवाल के रूप में जाने जाते है बटुख भैरव जो माँ के पहरेदार है यह मंदिर विन्ध्याचल थाने के परिसर में स्थित है यहाँ नवरात्र के अष्टमी के दिन तंत्र मंत्र साधना के लिए तांत्रिक भी आते है. यह मंदिर माँ विंध्यवासिनी धाम के समीप है.


3>बंधवा हनुमान – विन्ध्याचल

त्रिकोण यात्रा के दौरान बाबा बंधवा हनुमान के भी दर्शन किये जाते है. मान्यता है की बिना इनके दर्शन से त्रिकोण यात्रा पूर्ण नहीं होती यह मंदिर विन्ध्याचल में स्थित है जो त्रिकोण यात्रा करते समय पड़ता है. यहां भक्त इन्हें प्रेम से बंधवा हनुमान के नाम से पुकारते हैं। हनुमानजी की यह प्रतिमा यहां कब से हैं कोई नहीं जानता। लेकिन श्रद्धालुओं का कहना है कि बालरुप में हनुमान जी सबसे पहले एक वृक्ष से प्रकट हुये थे। ऐसी मान्यता है कि यह हनुमान जी अपने आप बढ़ रहे हैं। शनिदेव के प्रकोप से बचने के लिये ज्यादातर भक्त, बंधवा हनुमान की शरण में आते हैं। कहते हैं कि जो भक्त शनिवार को लड्डू, तुलसी और फूल चढ़ाता है, उस पर से साढ़ेसाती का कष्ट कुछ कम हो जाता है। बालरुप में विराजने वाले बंधवा हनुमान का स्वरुप भी बच्चों जैसा है। तभी तो इनके रुप को देखकर किसी के मन में ममता जागती है तो कोई उनके रुप का दर्शन करके सांसारिक मोह माया से मुक्ति पा लेता है।

4>माँ कंकाल काली ( अकोढी )

विन्ध्याचल जिगना में स्थित है माँ का यह दुर्लभ कंकाल काली का यह मंदिर जो कर्णावती नदी के संगम किनारे स्थित अक्रोधपुर ( अकोढी ) में पड़ता है यहाँ पर भी साधक अपनी सिद्धिया प्राप्त करने के लिए अलग अलग जिले से आते है और अपनी तांत्रिक शक्तियों को सिद्ध करने के लिए कई रात साधना करते है. माँ काली का उल्लेख दुर्गा सप्तशती के सतावे अध्याय में मिलता है.
यह माँ की दुर्लभ मूर्ति खुदाई के दौरान मिली थी

5>अति प्राचीन बड़ा लाल भैरव मंदिर विन्ध्याचल

मिर्ज़ापुर नगर से विन्ध्याचल आने वाले मार्ग कंतित पर लालभैरव का अति प्राचीन मंदिर स्थित है। देवी पुराण और महा भागवत पुराण में वर्णन है कि जहाँ जहाँ शक्तिपीठ है वहाँ पर रक्षक के रूप में भैरव जी जरुर रहेंगे। विंध्याचल में माँ विन्ध्य्वासनी के रक्षक के रूप में लाल भैरव जी का भव्य मंदिर है। 6 फीट की ऊँची भव्य लाल रंग की विशाल मूर्ती भैरव जी के क्रोधित रूप में स्थापित है। जो कि अत्यंत आकर्षक है। यहाँ दर्शन मात्र से भक्तो के समस्त दुःख दूर हो जाते है और समस्त भय का नाश हो जाता है। कहा जाता है कि शक्तिपीठ के दर्शन का पूर्ण फल तभी प्राप्त होता है जबतक वहाँ के भैरव जी के दर्शन भी न कर लिया जाय। यहाँ शक्तिपीठ विन्ध्य वासिनी के दर्शन के लिये आने वाले श्रद्धालू लाल भैरव के दर्शन कर अपनी यात्रा को पूर्ण करते है।

6>भारत का मानक समय विंध्याचल से ही निर्धारित होता है

7>सिद्धनाथ दरी

8>मिर्ज़ापुर से लगभग 65 किलोमीटर की दुरी पर स्

विजयगढ़ दुर्ग

9>बेचू बीर की समाधी, यहाँ लगता है भूतों का मेला, मिर्ज़ापुर

10>पंचमुखी महादेव बरियाघाट, मिर्ज़ापुर

11>माता आनंदमयी आश्रम विन्ध्याचल

12>शिवद्वार मिर्ज़ापुर घोरावल

≠=======++++++=+=====+===

No comments:

Post a Comment